শুক্রবার, সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২১
প্রকাশ : 2021-07-24

স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে বিধিনিষেধের প্রয়োজন হতো না

২৪ জুলাই ২০২১, অনলাইন ডেস্ক, নিউজ একাত্তর ঃসড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, লকডাউনে খেটে খাওয়া মানুষের জীবনের অনিশ্চয়তা বেড়ে যায়। তবুও জীবনের সুরক্ষার প্রয়োজনে জনস্বার্থে কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তাই পূর্ণ সতর্কতা বজায় রেখে চলমান বিধিনিষেধ মেনে সংক্রমণের উচ্চমাত্রাকে নিয়ন্ত্রণ করার আহ্বান জানান তিনি। আজ শনিবার তার সরকারি বাসভবনে ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।এসময় ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, আমাদের উদাসীনতায় লাগামহীনভাবে সংক্রমণ বাড়তে থাকলে ভয়ানক অবস্থা তৈরি হতে পারে। তাই জনস্বার্থে এবং জনজীবনের সুরক্ষায় শেখ হাসিনা সরকার এই কঠোর বিধিনিষেধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জীবনের প্রয়োজনে বা বেঁচে থাকার প্রয়োজনে সবাইকে ত্যাগ স্বীকার করে নিজ নিজ ঘরে অবস্থান করার অনুরোধ জানান তিনি। তিনি বলেন, অহেতুক কেউ বাইরে বের হবেন না। শতভাগ মাস্ক ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে বিধিনিষেধের প্রয়োজন হতো না। কিন্তু কারো কারো উদাসীনতা এবং ঝুঁকি তোয়াক্কা না করে চলাফেরার কারণে সংক্রমণ পেয়েছে ঊর্ধ্বগতি। সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের পাশাপাশি চলমান লকডাউন কর্মহীন ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে আওয়ামী লীগের সকল নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের জনপ্রতিনিধিদের মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।ব্রিফিংয়ে তিনি আগামী ৫ই আগস্ট থেকে মাসব্যাপী শোকের কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, শোকাবহ আগস্ট মাস আসন্ন।বাঙালি জাতির ইতিহাসে সবচেয়ে শোকাবহ, মর্মান্তিক হত্যার স্মৃতিবিজড়িত আগস্ট মাস আমাদের দুয়ারে সমাগত। প্রতি বছর আগস্টে মাসে কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যায়ে ব্যাপক কর্মসূচি পালন করা হয়। কিন্তু এবার করোনার ভয়াবহতায় লকডাউনের কারণে দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনার নির্দেশে আগস্টের কর্মসূচি সীমিত পরিসরে এবং কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে পালন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তাই স্বাস্থ্যবিধি ও মাস্ক পরিধান করে সীমিত পরিসরে কর্মসূচি পালনে কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের সাংগঠনিক ইউনিটসমূহকে দলের সভাপতির পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে জানান ওবায়দুল কাদের। এসময় সংক্রমণের উচ্চমাত্রার বিষয়টি মাথায় রেখে এবং কর্মসূচির ভাবগাম্ভীর্য বজায় রেখে ঘোষিত কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানান তিনি।

রাজনীতি পাতার আরো খবর