মঙ্গলবার, আগস্ট ৩, ২০২১
প্রকাশ : 2021-07-17

জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসে প্রবাসীদের টিকাদান চলছে

১৭জুলাই,শনিবার , নিজস্ব প্রতিবেদক ,নিউজ একাত্তর ডট কম: টিকাদানে নিবন্ধনের জন্য গত ১৪ দিনে চট্টগ্রাম জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসে আবেদন করেছেন ৬০০৮ জন প্রবাসী কর্মী। এরমধ্যে এ পর্যন্ত সুরক্ষা এপসে নিবন্ধিত হয়েছেন ৪২০১ জন। এপসে নিবন্ধিত প্রবাসীগণ বর্তমানে স্ব স্ব দেশের চাহিদা অনুযায়ী করোনার টিকা গ্রহণ করছেন। নিবন্ধিতরা সবাই সৌদি আরব, কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রবাসী। সূত্র জানায়, চট্টগ্রামসহ সারাদেশে গত ২ জুলাই থেকে বিদেশগামী কর্মীদের রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া শুরু হয়। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকাদান নিশ্চিত করতে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া চালু করা হয়। দেশের ৪২টি জনশক্তি অফিস, ৯টি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং একটি মেরিন টেকনোলজি ইনস্টিটিউটে অথবা আমি প্রবাসী অ্যাপে বিএমইটির এই রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম চলছে। প্রবাসী কর্মীদের সুরক্ষা অ্যাপে বিএমইটি এই রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় একই সময়ে চট্টগ্রাম জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসে প্রবাসী কর্মীদের করোনা টিকার জন্য আবেদন গ্রহণ শুরু হয়। এরপর আবেদনকৃতদের ডাটা এন্ট্রির পর তাদের যাবতীয় তথ্য সুরক্ষা এ্যাপসে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আবেদনকৃতদের সবাই সৌদি আরব, কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রবাসী। এদিকে প্রবাসীদের করোনা টিকা নিবন্ধনের জন্য জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সাপ্তাহিক বন্ধের দিনও কাজ করে যাচ্ছেন। প্রতিদিন শতশত প্রবাসী কর্মীর ঢল নামে সেখানে। এতে অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের রীতিমত হিমশিম খেতে হচ্ছে। এর মধ্যে দুইজন করোনা আক্রান্ত হয়ে পড়েন। এদিকে ওমান প্রবাসীদের সুরক্ষায় তিনটি টিকার অনুমোদন দিয়েছে সেদেশের সরকার। যাদের বৈধ আকামা রয়েছে এবং যারা ফাইজার, অ্যাস্টাজেনেকা ও রাশিয়ার তৈরি স্পুটনিক টিকা গ্রহণ করবে, তাদের ওমান প্রবেশ ও বাইরে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। কিন্তু ওমান প্রবাসীদের অনেকে নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে বাংলাদেশে সিনোফার্মা টিকা গ্রহণ করছে। এ ক্ষেত্রে তারা বেকায়দায় পড়ার শঙ্কা তৈরি রয়েছে। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস, চট্টগ্রামের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ জহিরুল আলম মজুমদার বলেন, ২ জুলাই থেকে আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন এলাকা ও ১৫ উপজেলার প্রবাসী কর্মীদের রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া শুরু হয়। এর মধ্যে সৌদি আরব, কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাত প্রবাসী কর্মীদের মধ্যে নিবন্ধন হয়েছে ৪ হাজার ২০১ প্রবাসী কর্মী। একই সময়ে নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছেন ৬০০৮ জন। নিবন্ধনকৃতরা পরবর্তীতে সুরক্ষা এ্যাপসে রেজিস্ট্রেশনের পর সংশ্লিষ্ট দেশের চাহিদা অনুযায়ী করোনা টিকা গ্রহণ করছেন। এরপর মধ্যপ্রাচ্যসহ অন্যান্য দেশের প্রবাসী কর্মীদের রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম চালানো হবে। মোহাম্মদ জহিরুল আলম মজুমদার বলেন, প্রবাসী কর্মীদের কথা চিন্তা করে লকডাউনের মধ্যে সাপ্তাহিক বন্ধের দিনও চট্টগ্রাম জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কাজ করে যাচ্ছেন। এর মধ্যে করোনাও আক্রান্ত হয়েছেন দুইজন। তারপরও আমরা নিয়মিত অন্যান্য কাজের বাইরেও করোনা টিকার ডাটা এন্ট্রি ও আবেদন গ্রহণ করে যাচ্ছি।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর