রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২০
প্রকাশ : 2020-08-01

যোগ্য ব্যাক্তির মূল্যায়ন চাই

০১আগস্ট,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আমাদের দেশে যোগ্য ব্যক্তিরা খুব কমই মূল্যায়িত হন। ইতিমধ্যে আমরা দেখেছি অনেক যোগ্য ব্যাক্তি মারা যাবার পরে তাকে রাষ্ট্র কতৃক মূল্যায়ন করেছেন। যোগ্য ব্যাক্তিদের মূল্যায়ন না করলে যে যোগ্যরা হারিয়ে গিয়ে অযোগ্য ব্যাক্তিরা বাহবা পাবেন সেটা অন্তত সাধারণ জনগন চান না। চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ১০ নং উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডের দু দুবারের বিপুল ভোটে নির্বাচিত সফল কাউন্সিলর ড. আলহাজ্ব নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জুর কথায় এতক্ষণ বলছিলেন কাট্টলীর ঐতিহ্যবাহী পরিবারের সন্তান ও আকবরশাহ থানা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি লোকমান আলী। তিনি বলেন, ড. আলহাজ্ব নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জুকে কাউন্সিলর হিসেবে পেয়ে আমরা কাট্টলী বাসী অনেক আনন্দিত। যোগ্যতায় শিক্ষায় সহ সর্বধিক দিয়ে নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু চসিকের কাউন্সিলরদের মধ্যে অন্যতম। বিগত দুই বারের মেয়াদকালে তিনি উক্ত ওয়ার্ডে যে পরিমান উন্নয়ন করেছেন, সেই পরিমান উন্নয়ন চসিকের অন্য ওয়ার্ডে হয়েছে কিনা আমার জানা নেই। তিনি এই করোনা মহামারীতে নিজের নিরাপত্তার কথা চিন্তা না করে এলাকা বাসির সেবায় রাত দিন অকাতরে কাজ করে গেছেন। এলাকার যে কোনো কাজে থানা ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের এবং অংগসংগঠনের নেতৃবৃন্দের এবং এলাকার সাধারণ মানুষের মতামতকে প্রাধান্য দিতেন এবং তাদের সঙ্গে নিয়ে একসাথে এলাকার উন্নয়নে কাজ করতেন। বর্তমানে চসিকের (২০২০) নির্বাচনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাকে মূল্যায়িত করে পুনরায় উক্ত ওয়াডের দলীয় কাউন্সিল হিসেবে মনোনয়ন ও সমথর্ন দিয়েছেন। মহামারীর কারনে চসিকের নির্বাচন (২০২০) স্থগিত হওয়ায় আইনি বাধ্যবাধকতায় চসিকের প্রশাসক নিয়োগের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এরই মধ্যে প্রশাসক পরিষদের সদস্য হওয়ার জন্য উক্ত ওয়ার্ড থেকে নাম সবস্য বেশ কয়েকজন ব্যক্তি জোর লবিং করছে বলে জানতে পারি। তাই ইতিমধ্যে এলাকাবাসীর সুখে দুঃখের সাথী, পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ যোগ্য কাউন্সিলর নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জুর সটিক মূল্যায়ন হবে কি না তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এলাকাবাসীর বক্তব্য যোগ্য লোকের সটিক মূল্যায়ন চাই। জানাগেছে, ১০ নং উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডকে মেগা সিটিতে রুপান্তর করার জন্য মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনের পরামর্শ মতে কাউন্সিলর নিছার উদ্দিন আহমেদ মঞ্জু কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তা বাস্তবায়ন করেছেন এবং করোনা মহামারীর শুরু থেকে সর্ব্বখনিক এলাকার জনসেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন এবং জোনভিত্তক লকডাউনের আওতায় চট্টগ্রামে প্রথম লকডাউন এলাকা ১০ নং উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ডে মেধা এবং যোগ্যতার মাধ্যমে লকডাউন সফল করেছেন তিনি। কাট্টলী বাসির দাবি তাকেই যেনো সিটি প্রশাসকের পরিষদ সম্মানের সহিত মূল্যায়িত করেন। উল্লেখ্য, চসিকের বর্তমান পর্ষদের নির্বাচন হয়েছিল ২০১৫ সালের ২৮ এপ্রিল। এতে ৪ লাখ ৭৫ হাজার ৩৬১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ.জ.ম নাছির উদ্দীন। ৬ মে শপথ নেন তিনি। তবে আইনি বাধ্যকতার কারণে সাথে সাথে দায়িত্ব গ্রহণ করেননি। ওই বছরের ২৬ জুলাই দায়িত্ব নেন। ৬ আগস্ট প্রথম সাধারণ সভা করেন। ওই হিসেবে আগামী ৫ আগস্ট মেয়াদ শেষ হবে। স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) অ্যাক্ট-২০০৯ এর ৩৪ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কর্পোরেশনের মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্ববতী ১৮০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে। ওই হিসেবে আগামী ৫ আগস্টের পূর্বে নির্বাচন করার আইনি বাধ্যবাধকতা ছিল। গত ২৯ মার্চ এ নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। করোনা পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় ২১ মার্চ নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করেছিল ইসি। সর্বশেষ ১৬ জুলাই স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়ে ৫ আগস্টের মধ্যে নির্বাচন সম্ভব নয় বলে জানিয়েছিল ইসি। এদিকে মেয়াদ শেষ হলে সিটি কর্পোরেশন পরিচালনায় প্রশাসক নিয়োগের বিষয়ে স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) অ্যাক্ট সংশোধিত-২০১১ এ বলা আছে, একজন উপযুক্ত ব্যক্তি বা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তাকে প্রশাসক হিসাবে নিয়োগ দেয়া যাবে। অবশ্য স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন)-২০০৯ অ্যাক্টের ৬ নম্বর ধারা অনুযায়ী, মেয়াদ শেষ হলেও নির্বাচন পরবর্তী নতুন পরিষদের প্রথম সাধারণ সভা পর্যন্ত বর্তমান পর্ষদের দায়িত্ব পালন করার সুযোগ আছে।

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর