পঙ্গপালের হানায় কাঁপছে ভারতের ৫ রাজ্য

২৬মে,মঙ্গলবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাসের আতঙ্কের মধ্যে ঝাঁকে ঝাঁকে পঙ্গপালের হানা উদ্বেগ বাড়িয়ে দিয়েছে ভারতের। দেশটির পশ্চিম ও মধ্য অঞ্চলের রাজস্থান, পাঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ এবং মধ্যপ্রদেশের একাধিক গ্রাম ও শহরে ঢুকে পড়েছে পঙ্গপালের দল। ক্ষতি করছে ফসলের। এমনিতেই করোনায় ক্ষতির সম্মুখীন, তার মধ্যে পঙ্গপালের হানায় সেই ক্ষতি আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় কৃষকরা। সাধারণত জুলাই থেকে অক্টোবরের মধ্যে ভারতে পঙ্গপাল দেখা যায়। কিন্তু এ বছর অনেকটা আগেই হানা দিয়েছে এরা। পূর্ব মহারাষ্ট্রের চার-পাঁচটি গ্রামে হানা দিয়েছে পঙ্গপাল। ফসল বাঁচাতে ইতিমধ্যেই জমিতে কীটনাশক ব্যবহার করতে শুরু করেছেন কৃষকরা। উত্তরপ্রদেশের মথুরাতেও হানা দিয়েছে পঙ্গপাল। পরিস্থিতির দিকে নজর রেখে টাস্ক ফোর্স তৈরি করেছে জেলা প্রশাসন। এপ্রিলের প্রথম দিকে পাকিস্তান থেকে রাজস্থানে ঢুকেছিল পঙ্গপালের দল। সে সময় জয়পুর শহরেও দেখা গিয়েছিল পঙ্গপাল। এর পর তা ছড়িয়ে পড়েছে পাঞ্জাব, হরিয়ানা, মধ্যপ্রদেশ-সহ বিভিন্ন রাজ্যে। দেশটির বিভিন্ন রাজ্যে পঙ্গপাল যে হানা দিচ্ছে, তা নিয়ে গত সপ্তাহেই সতর্কবার্তা জারি করেছিল কেন্দ্রীয় পরিবেশ মন্ত্রণালয়। এমনকি ভারতের রাজধানী দিল্লিতেও ঝাঁপিয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। গত বছরও গুজরাটে পঙ্গপাল হামলা চালিয়েছিল। সে সময়ে ২৫ হাজার হেক্টর জমির ফসল নষ্ট হয়েছিল ওই রাজ্যে। কিন্তু এবার আরও বেশি ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। পঙ্গপাল গড়ে ৯০ দিন জীবিত থাকে। মরু পঙ্গপালের ঝাঁক দিনে ১৫০ কিমি পর্যন্ত যেতে পারে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, পূর্ব আফ্রিকা, দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়া এবং লোহিত সাগর সংলগ্ন এলাকায় অনুকূল আবহাওয়ার কারণেই পঙ্গপালের বিপুল প্রজনন ঘটেছে। আর সেই ধাক্কাই এখন সামলাতে হচ্ছে ভারতের অন্তত পাঁচটি রাজ্যকে। সূত্র আনন্দবাজার...

করাচিতে বিধ্বস্ত বিমানের ব্ল্যাক বক্স উদ্ধার

২৪মে,রবিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পাকিস্তানের করাচি শহরের আবাসিক এলাকায় বিধ্বস্ত হওয়া বিমানটির ব্ল্যাক বক্সটি দুর্ঘটনাস্থল থেকেই উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনসের (পিআইএ) এক মুখপাত্র। লাহোর থেকে ছেড়ে আসা পিআইর একটি যাত্রীবাহী বিমান শুক্রবার (২২ মে) দুপুরে করাচি বিমানবন্দরে অবতরণ করার সময় অল্প দূরের আবাসিক এলাকায় বিধ্বস্ত হয়। এতে যাত্রী ও ক্রুসহ ৯৯ জনের ৯৭ জনই প্রাণ হারান। বেঁচে যান দুজন। ঘটনাস্থল থেকেই বিমানটির ডাটা রেকর্ডার তথা ব্ল্যাক বক্স উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পিআইর মুখপাত্র আব্দুল্লাহ খান। সিএনএনকে তিনি জানান, বিধ্বস্তের আগে বিমানটির ইঞ্জিন বিকল হয়ে পড়ে বলে করাচির এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলকে বলছিলেন পাইলট। পাকিস্তানি সূত্র মারফত সিএনএনর হাতে আসা একটি অডিও রেকর্ডে পাইলটকে বলতে শোনা গেছে- আমরা সরাসরি অবতরণ করছি। ইঞ্জিন বিকল হয়ে গেছে। তখন এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল থেকে বলা হচ্ছিল, বিমানটি বেলি ল্যান্ডিং করানো যাবে কিনা। ল্যান্ডিং গিয়ার কাজ না করলে এই ধরনের ল্যান্ডিংয়ের পরামর্শ দেয়া হয়। এরপর পাইলটের উত্তর স্পষ্ট শোনা যায়নি। কিন্তু কেন ল্যান্ডিং গিয়ার ব্যবহার না করার পরামর্শ এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল থেকে দেয়া হচ্ছিল এর সদুত্তর পাওয়া যায়নি। পবিত্র রমজান শেষে পাকিস্তানিরা যখন ঈদুল ফিতর উদ্যাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছে তখন এমন ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে দেশটিতে। যাত্রীদের অধিকাংশই ঈদ উপলক্ষে বাড়ি ফিরছিলেন।...

বিশ্বে করোনায় প্রাণহানি তিন লাখ ৪৩ হাজার, আক্রান্ত ৫৪ লাখ

২৪ মে,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কোনভাবেই বাগে আনা যাচ্ছে না অদৃশ্য করোনা ভাইরাসকে। যার প্রকোপে এখনও প্রতিদিনই ঘটছে রেকর্ড আক্রান্ত, স্বজন হারাচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ। এশিয়া থেকে ইউরোপ, আমেরিকা থেকে আফ্রিকা সবখানে আঘাত হেনেছে ভাইরাসটি। ইতিমধ্যে করোনার শিকার হয়েছেন বিশ্বের প্রায় ৫৪ লাখ মানুষ। এর মধ্যে পৃথিবী ছাড়তে হয়েছে ৩ লাখ ৪৩ হাজারের বেশি জনকে। যার নতুন হটস্পট হতে চলেছে দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলো। অন্যদিকে, প্রতিদিনের আক্রান্তের তুলনায় সুস্থ হওয়ার হার অনেকটা কম। তারপরও প্রতিনিয়তই স্রষ্টার অপার কৃপায় বেঁচে ফিরছেন হাজার হাজার মানুষ। যার সংখ্যা পৌঁছেছে ২২ লাখ ৪৭ হাজার ২৫০ জনে। আজ রোববার বাংলাদেশ সময় সকাল পর্যন্ত বিশ্বখ্যাত জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্যানুযায়ী, বিশ্বে এখন পর্যন্ত করোনার শিকার হয়েছেন ৫৩ লাখ ৯৭ হাজার ৯৫০ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ৯৯ হাজার ৮৫৪ জন। নতুন করে প্রাণ গেছে ৪ হাজার ১৮৩ জনের। এ নিয়ে করোনাঘাতে পৃথিবী থেকে গত হয়েছেন বিশ্বের ৩ লাখ ৪৩ হাজার ৬০৮ জন মানুষ। করোনা মরণ আঘাত হেনেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে, যা এখনও অব্যাহত রয়েছে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনাক্রান্তের সংখ্যা ১৬ লাখ ৬৬ হাজার ৮২৮ জনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ২১ হাজার ৮৪৯ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। প্রাণ গেছে আরও ১ হাজার ৩৬ জনের। ফলে, প্রাণহানি বেড়ে ৯৮ হাজার ৬৮৩ জনে ঠেকেছে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আক্রান্ত ব্রাজিলে সাড়ে তিন লাখ ছুঁই ছুই। যেখানে প্রাণহানি ২২ হাজার ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে ২৪ ঘণ্টায় দক্ষিণ আমেরিকার দেশটিতে আক্রান্ত সাড়ে ১৬ হাজার, মৃত্যু হয়েছে ৯৬৫ জনের। আক্রান্তের তালিকায় তিনে থাকা রাশিয়ায় করোনার শিকার ৩ লাখ প্রায় ৩৬ হাজার মানুষ। সে তুলনায় অবশ্য প্রাণহানি অনেকটা কম পুতিনের দেশে। এখন পর্যন্ত সেখানে মৃত্যু হয়েছে ৩ হাজার ৩৮৮ জনের। নিয়ন্ত্রণে আসা স্পেনে আক্রান্ত ২ লাখ সাড়ে ৮২ হাজার ৩৭০ জন। এর মধ্যে প্রাণহানি ঘটেছে ২৮ হাজার ৬৭৮ জনের। যুক্তরাজ্যে সংক্রমণ ২ লাখ ৫৭ হাজার ছাড়িয়েছে। মৃত্যু হয়েছে সেখানে ৩৬ হাজার ৬৭৫ জনের। যা করোনায় দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যু। ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া ও আংশিক লকডাউনে থাকা ইতালিতে ৩২ হাজার ৭৩৫ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। যেখানে আক্রান্ত ২ লাখ সাড়ে ২৯ হাজারের বেশি। দু’দিন আগে হঠাৎ করেই আক্রান্ত বাড়ে ফ্রান্সে। তবে, গত ৪৮ ঘণ্টায় কিছুটা থেমেছে প্রকোপ। ইউরোপের দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনা হানা দিয়েছে ১ লাখ প্রায় সাড়ে ৮২ হাজার মানুষের দেহে। যেখানে মৃত্যু হয়েছে ২৮ হাজার ৩৩২ জনের। এদিকে আক্রান্ত দেড় লাখ পেরোনো তুরস্কে সংক্রমণের সংখ্যা বেড়ে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৬৮৬ জনে দাঁড়িয়েছে। যেখানে প্রাণহানি ঘটেছে ৪ হাজার ৩০৮ জনের। আর দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা ভারতে। দেশটির সংক্রমিতের ১ লাখ ৩১ হাজারের বেশি। মৃত্যু হয়েছে এখন পর্যন্ত ৩ হাজার ৮৬৮ জনের। আর বাংলাদেশে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেয়া তথ্যানুযায়ী গতকাল শনিবার পর্যন্ত করোনার শিকার ৩২ হাজার ৭৮ জন। আক্রান্তদের মধ্যে ৪৫২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে বেঁচে ফিরেছেন ৬ হাজার ৪৮৬ জন।...

করোনা পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে ভিন্ন প্রেক্ষাপটে ঈদুল ফিতর উদযাপন

২৪ মে,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে ভিন্ন প্রেক্ষাপটে উদযাপন করা হচ্ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। করোনা মহামারীর কারণে এ বছর মক্কা-মদিনাসহ সৌদি আরবের কোথাও ঈদের জামাতের আয়োজন নেই। সৌদি আরবে গেলো দুমাস ধরে মসজিদে জামাতে নামাজ আদায় বন্ধ রয়েছে। এ কারণে এবারই প্রথম রমজান মাসে মসজিদে তারাবির নামাজ পড়া থেকে বঞ্চিত হন দেশটির ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। সৌদি আরবে প্রতিবছর কয়েক লাখ মুসল্লির উপস্থিতিতে সবচেয়ে বড় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয় মসজিদুল হারাম এবং মসজিদে নববীতে। কিন্তু করোনা মহামারীর কারণে এ বছর মক্কা মদিনায় ঈদের জামাত হচ্ছে না। এমন অবস্থার মধ্যে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করছেন স্থানীয়দের পাশাপাশি দেশটিতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা। এদিকে, অসহায় প্রবাসীদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করছে সৌদি আরবের বেশ কয়েকটি সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন।...

সুবিধাবঞ্চিত ছোট্ট সোনামনিদের মুখে ঈদের হাসি ফুটালো রেলওয়ে থানার ওসি মোস্তাফিজ ভুইয়া

২৬মে,মঙ্গলবার,কমল চক্রবর্তী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: চট্টগ্রামের সুবিধাবঞ্চিত পথ শিশুদের মুখে হাসি ফুঁটাতে চট্টগ্রাম রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মো: মোস্তাফিজ ভুইয়াসহ থানার সকল অফিসার ও ফোর্স তাদের ব্যক্তিগত টাকায় ফান্ড গঠন করে ঈদের দিনের বিশেষ খাবার তুলে দিয়ছে অযত্ন অবহেলায় বেড়ে উঠা ছিন্নমূল পথ শিশুদের জন্য গড়া- আলোর ঠিকানার সুবিধাবঞ্চিত ছোট্ট সোনামনিদের মুখে। যাদের মুখে ঈদের খুশি নেই আনন্দ নেই। আছে বুকভরা কষ্ট আর অযত্ন অবহেলা। এই সকল ছোট্ট সোনামনিদের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করেছে রেলওয়ে থানা। অন্য সকল শিশুদের মত হাসিতে ভরে উঠুক ওদের জীবন এমনটাই প্রত্যাশা সকলের। গতকাল ২৫ মে সোমবার ঈদের দিনে পুরাতন রেলস্টেশনে অবস্থিত আলোর ঠিকানায় চট্টগ্রাম রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মো: মোস্তাফিজ ভুইয়া স্কুলের প্রধান ঋত্বিক নয়নের উপস্থিতিতে সুবিধাবঞ্চিত ছোট্ট সোনামনিদের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেন। রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মো: মোস্তাফিজ ভুইয়া বলেন, আলোর ঠিকানা- সুবিধাবঞ্চিত ছোট্ট সোনামনিদের নিয়ে কাজ করছে। আমরা রেলওয়ে থানা টিম নিজেদের টাকায় ফান্ড গঠন করে সুশৃঙ্খলভাবে সুবিধাবঞ্চিত পথশিশুদের মাঝে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিয়েছি। পাশাপাশি ওদের মাঝে ঈদের দিনের বিশেষ খাবার বিলি করা হয়েছে। ভবিষ্যতে আরও নতুন কিছু এই কার্যক্রমের আওতায় নিয়ে আসব ।এর বাইরেও আমরা অন্য পথ শিশুদের নিয়ে কাজ করব। এবারের ঈদ ওদের জন্য আমাদের নয়। আমরা পোলাও বিরিয়ানী খেলে ওরাও খাবে। তাই এ বছর আমরা পথ শিশুদের জন্য ঈদের বিশেষ খাবার বিতরণ করেছি। ঈদে পথ শিশুদের মুখে হাসি থাকুক এটা সবাই চায়। সেই জন্যই আমরাও এর ব্যতিক্রম নই। এভাবে সবাই যদি এদের পাশে এসে হাত বাড়িয়ে দেয় তবে হাসি মাখা মুখের সংখ্যা দিন দিন বাড়বে। আমাদের এতটুকু মানবিকতা আর ভালোবাসাই হোক ওদের বেঁচে থাকার অবলম্বন। তাই আনন্দটা ওদের সাথে শেয়ার করতে পেরে আমরা নিজেদের ভাগ্যবান মনে করছি। তিনি আরও বলেন, এছাড়া আমরা করোনা পরিস্থিতিতে কর্মহীন হয়ে পড়া অসহায় মানুষদের মধ্যে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করছি। দুই দফায় আমরা নিজের অর্থায়নে বেশ কিছু অসহায় মানুষদের খাদ্য সহায়তা দিয়েছি। তৈরী খাবার ও বিলিয়েছি। আগামী কাল পরশু আমরা আরো প্রায় ২০০ জনকে খাদ্য সহায়তা দিব। পথ শিশুদের নিয়ে কাজ করা বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন আমাদের এ কাজে সহযোগিতা করছে। গত এক বছর আগে আমি নিজে উপস্থিত থেকে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের ১ টাকার খাবার কর্মসূচির উদ্ভোধন করেছিলাম। বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন কে ধন্যবাদ জানাই আমাদের এই ভাবে সহযোগিতা করার জন্য।...

হাঁটু পানিতে দাঁড়িয়েই ঈদের জামাত

২৫মে,সোমবার,মো.ইসমাইল,সুন্দরবন প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা মহামারীর মধ্যে সুপার সাইক্লোন আম্পানের আঘাতে বিপর্যস্ত হয়েছে দেশে উপকূলীয় অঞ্চল। খুলনা উপকূলীয় অঞ্চল কয়রায় বাঁধ ভেঙেছে। ভেঙেছে ঘর। থাকার এক চিলতে জায়গাও যেন নেই। ঘরের মধ্যেও হাঁটু সমান পানি। এবার ঈদ উল ফিতরের জামাত তারা হাঁটু পানির মধ্যে আদায় করেছেন। সোমবার সুন্দরবন সংলগ্ন এ এলাকাটিতে ৫ হাজার মানুষ ঈদের নামাজ আদায় করেন। দুপুরে জোয়ারের আগ পর্যন্ত আংশিক বাঁধ মেরামত শেষে ক্ষুধার্ত মানুষরা খিচুড়ি খেয়ে বাড়ি ফেরেন। এভাবেই ঈদের দিন বাঁধ মেরামত করেছেন সুপার সাইক্লোন আম্ফানে ক্ষতবিক্ষত হওয়া কয়রার মানুষ। মঙ্গলবার আবারো বাঁধ মেরামতে নামবেন তারা। লোনা পানি থেকে রক্ষা পেতে প্রতিদিন স্বেচ্ছাশ্রমে কাজ করছে হাজার হাজার মানুষ। এর আগে ২০০৯ সালের ২৫ মে প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় আইলার আঘাতে কয়রার পাউবোর বেড়িবাঁধের ২৭টি পয়েন্ট জলোচ্ছ্বাসে ভেঙে লোনা পানিতে তলিয়ে যায়। তখনও ঈদের নামাজ পড়তে হয়েছে নৌকায় অথবা বাঁশের ঝাপির ওপরে। চলতি বছরের ২০ মে আম্ফানের আঘাতে কয়রার বেড়িবাঁধের ২৪ পয়েন্ট ভেঙে আবারও লোনা পানিতে সয়লাব হয়।...

ঈদের দিন রাজশাহীতে নারী পুলিশ সদস্যের মৃত্যু

২৫মে,সোমবার,মিনহাজ হৃদয়,রাজশাহী প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজশাহীর পুঠিয়া থানায় কর্তব্যরত অবস্থায় সামিয়ারা খাতুন (২৭) নামের এক পুলিশ সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার ঈদের দিন সকাল সাড়ে ৭টার দিকে পুঠিয়া থানায় এ ঘটনা ঘটে। তবে ঠিক কী কারণে তার মৃত্যু হয়েছে তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে থানা পুলিশ বলছে- আকস্মিক হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে। এরপরও ওই নারী পুলিশ সদস্য করোনা আক্রান্ত ছিলেন কিনা তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য মরদেহ থেকে নমুনাও সংগ্রহ করা হয়েছে। পুঠিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল ইসলাম বলেন, পুলিশ সদস্য সামিয়ারা খাতুন থানাতেই অবস্থান করছিলেন। সকালে তিনি বুকে ব্যথা অনুভব করেন। পরে তাকে পুঠিয়া হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে নেয়ার পরপরই তার মৃত্যু হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে- 'হার্ট অ্যাটাক' করে তার মৃত্যু হয়েছে। তবে তার করোনাভাইরাস ছিল কিনা তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য তার মরদেহ থেকে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। মৃতের বাড়ি সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ উপজেলায়। ...

ময়মনসিংহে যাত্রা শিল্পীদের পাশে দাড়াঁলেন সাখাওয়াত হোসেন সেলিম

২৪ মে,রবিবার,কামরুজ্জামান মিন্টু,ময়মনসিংহ ব্যুরো,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনার প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় ময়মনসিংহ বিভাগের দুস্থ ও অসহায় যাত্রা শিল্পীদের পাশে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন বিশিষ্ট অভিনেতা, বাংলাদেশ যাত্রা শিল্পী কল্যাণ সংস্থার সাধারন সম্পাদক ও ভালুকা নাট্য গোষ্ঠীর সাধারণ সম্পাদক এ.এস.এম সাখাওয়াত হোসেন সেলিম। ময়মনসিংহ নগরীর স্টেশন রোডস্থ কার্যালয়ে ময়মনসিংহ বিভাগের বিভিন্ন দুস্থ ও অসহায় যাত্রা শিল্পীদের হাতে নগদ অর্থ তুলে দেন তিনি। এবিষয়ে অভিনেতা সাখাওয়াত হোসেন সেলিম বলেন, বৈশ্বিক মহামারী করোনাকালীন সময়ে দুস্থ ও অসহায় যাত্রা শিল্পীদের পাশে দাঁড়াতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে করছি। আমার এ ধরণের সহযোগীতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। এসময় সমাজের বিত্তবানদেরকে অসহায় যাত্রা শিল্পীদের পাশে দাঁড়ানোর উদাত্ত আহ্বান জানান তিনি।...

দুস্থদের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ

২৩ মে,শনিবার,ময়মনসিংহ ব্যুরো,নিউজ একাত্তর ডট কম:একদিকে ভয়াল ঘাতক করোনাভাইরাস অন্যদিকে ক্ষুধার তাড়নায় মানুষের জীবন অনেকটা দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। করোনার প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় অসহায় সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাড়িয়েছেন প্রথম শ্রেণীর ঠিকাদার ও সরবরাহকারী আলহাজ্ব মইনুল হোসেন তানভীর। শনিবার ( ২৩ মে) ময়মনসিংহ নগরের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে ১৫০জন সুবিধাবঞ্চিত ও অসহায়দের মানুষদের মাঝে শাড়ী,লুঙ্গি, খাদ্যসামগ্রী ও নগদ অর্থ উপহার দেন। প্রথম শ্রেণীর ঠিকাদার ও সরবরাহকারী আলহাজ্ব মইনুল হোসেন তানভীর জানান, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে সারা পৃথিবী আজ টালমাটাল। বিশেষ করে দিনমজুর অসহায় মানুষেরা খাদ্য সমস্যায় পড়েছে সবচাইতে বেশী। এরই মাঝে সাধারণ মানুষ,নিম্ন আয়ের মানুষ থেকে শুরু করে মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষেরও করুণ অবস্থা। সুবিধাবঞ্চিত এসব মানুষের পাশে দাড়াতে পেরে নিজের কাছে ভালো লাগছে। এই দুর্যোগ সবাইকে একসাথে মোকাবিলা করতে হবে। অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিতদের পাশে সারাজীবন সহায়তার হাত বাড়াবেন বলেও জানান তিনি।...

করোনা:ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের রেমিট্যান্স আয় কমতে যাচ্ছে ২০ শতাংশ

২৫এপ্রিল,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নভেল করোনাভাইরাসের ব্যাপক বিস্তারের কারণে বড় ধরনের বিপর্যয়ে বৈশ্বিক অর্থনীতি। দেশে দেশে লকডাউনের কারণে বহু মানুষের উপার্জন বন্ধ হয়ে গেছে। অর্থনীতি সংকটে পড়ায় চাকরি ও ব্যবসা নিয়ে অনিশ্চয়তায় জনসাধারণ। একই দশায় দিনাতিপাত করছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মরত অভিবাসী শ্রমিকরাও। ফলে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর জন্য রেমিট্যান্স আয়ের পথ সংকুচিত হয়ে আসছে। এ পরিস্থিতিতে বিশ্বব্যাংক আশঙ্কা করছে, চলতি বছর শেষে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোর রেমিট্যান্স আয় কমতে যাচ্ছে ২০ শতাংশ। কভিড-১৯ ক্রাইসিস থ্রু এ মাইগ্রেশন লেন্স শীর্ষক এক প্রতিবেদনে এ আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়, বিদেশ থেকে মধ্যম ও নিম্ন আয়ের দেশগুলোয় শ্রমিকদের রেমিট্যান্স পাঠানোর পরিমাণ চলতি বছর ৪৪৫ বিলিয়ন ডলারের সমপরিমাণে এসে ঠেকতে পারে। ২০১৯ সালে এর পরিমাণ ৫৫৪ বিলিয়ন ডলার। সে হিসাবে এসব দেশের রেমিট্যান্স আয় কমতে যাচ্ছে ২০ শতাংশ। এ চিত্রের প্রতিফলন দেখা যাবে দক্ষিণ এশিয়ায় তিন শীর্ষ রেমিট্যান্স আহরণকারী দেশ ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের আয়ের ক্ষেত্রেও। বিশ্বব্যাংক বলছে ২০২০ সালে ভারত ও পাকিস্তানের রেমিট্যান্স প্রবাহ ২৩ শতাংশ কমবে। অন্যদিকে বাংলাদেশে চলতি বছর রেমিট্যান্স আসতে পারে ১৪ বিলিয়ন ডলার। নভেল করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে বিশ্বব্যাপী চলতি বছরের শুরু থেকেই অভিবাসন ও কর্মসংস্থান ব্যাপক হারে হ্রাস পেয়েছে। নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে মজুরির ওপরও। স্বাস্থ্যবীমাসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়ে পড়ছেন অভিবাসী শ্রমিকরা। করোনার কারণে ভ্রমণে নিয়ন্ত্রণ আরোপের আগেই বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোয় বিদেশ থেকে প্রচুর শ্রমিক ফেরত এসেছেন। বিদেশের কর্মস্থলে কাজে যোগ দিতে পারছেন না তারা। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে বিভিন্ন দেশের সরকার প্রবাসী শ্রমিকদের চলে যেতেও নির্দেশ দিয়েছে এরই মধ্যে। নভেল করোনাভাইরাসের প্রভাবে চলতি এপ্রিলের প্রথম ১৬ দিনেই বাংলাদেশের রেমিট্যান্স ৩৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ কমেছে। যদিও পবিত্র রমজান মাস ও ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে প্রতি বছরই রেমিট্যান্স প্রবাহে বড় প্রবৃদ্ধি আসে। আর গত মার্চে রেমিট্যান্স কমেছে ১১ দশমিক ৭৭ শতাংশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, ২০১৯ সালের এপ্রিলে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৪৩ কোটি ৪৩ লাখ ডলার। সে হিসাবে গড়ে ওই মাসের প্রথম ১৫ দিনে ৭১ কোটি ৭১ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল। চলতি এপ্রিলের প্রথম ১৬ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৪৪ কোটি ২০ লাখ ডলার। এ হিসাবে চলতি এপ্রিলের প্রথম পক্ষেই বাংলাদেশের রেমিট্যান্স প্রবাহ ৩৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ কমেছে। ২০১৯ সালের মার্চে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৪৫ কোটি ৮৬ লাখ ডলার। চলতি বছরের মার্চে ১২৮ কোটি ৬৮ লাখ ডলার রেমিট্যান্স দেশে এসেছে। এ হিসাবে আগের বছরের তুলনায় ২০২০ সালের মার্চে ১৭ কোটি ১৮ লাখ ডলার রেমিট্যান্স কম এসেছে। মার্চে রেমিট্যান্স কমেছে ১১ দশমিক ৭৭ শতাংশ। এর আগে চলতি অর্থবছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আট মাসে রেমিট্যান্স বেড়েছিল আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ২০ দশমিক ২০ শতাংশ। এ সময়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ১ হাজার ২৪৯ কোটি ৮৫ লাখ ডলার। এর আগে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশে রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধি হয়েছিল ৯ দশমিক ৬০ শতাংশ। সে সময় দেশে মোট রেমিট্যান্স আসে ১ হাজার ৬৪১ কোটি ৯৬ লাখ ডলার। টাকার অংকে এর পরিমাণ দাঁড়ায় ১ লাখ ৪১ হাজার ২০৮ কোটিতে। বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স আসে সৌদি আরব থেকে। দেশটি থেকে গত অর্থবছরে রেমিট্যান্স এসেছিল ৩১১ কোটি ডলার। দেশে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আসে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে। তৃতীয় স্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স আসে এমন শীর্ষ ২০টি দেশের তালিকায় থাকা অন্য দেশগুলো হলো কুয়েত, মালয়েশিয়া, যুক্তরাজ্য, ওমান, কাতার, ইতালি, বাহরাইন, সিঙ্গাপুর, দক্ষিণ আফ্রিকা, ফ্রান্স, লেবানন, জর্দান, দক্ষিণ কোরিয়া, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি ও জাপান। নভেল করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরুর পর থেকেই বাংলাদেশের বৃহত্তম রেমিট্যান্স আয়ের উৎস প্রায় সব দেশেই লকডাউন চলছে। ওই সব দেশে বসবাসকারী বাংলাদেশীদের বড় অংশই বেকার হয়ে পড়েছেন। এ অবস্থায় নিজেদের দৈনন্দিন ব্যয় নির্বাহের সামর্থ্যই হারিয়েছেন প্রবাসীরা। বাংলাদেশের রেমিট্যান্স প্রবাহের প্রকৃত চিত্র পূর্বাভাসের চেয়েও খারাপ হাতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ আবাসিক মিশনের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, নভেল করোনাভাইরাসের প্রভাবে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড স্থবির হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসকারী এক কোটির বেশি বাংলাদেশীর অর্ধেকেরই এখন কোনো আয় নেই। প্রাতিষ্ঠানিকভাবে স্থায়ী চাকরি করেন, এমন প্রবাসীর সংখ্যাও খুব বেশি নয়। ফলে বিদ্যমান দুর্যোগ শেষ হলেও বহু বাংলাদেশী কাজ পাবেন না। এ কারণে বাংলাদেশের রেমিট্যান্স প্রবাহ পূর্বাভাসের চেয়েও বেশি খারাপ হতে পারে।বণিক বার্তা। ড. জাহিদ হোসেন বলেন, বাংলাদেশের শ্রমবাজারের বৃহৎ অংশ মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক। ওই সব দেশের অর্থনীতির ভিত্তিই হলো জ্বালানি তেল। বর্তমানে জ্বালানি তেলের দাম ইতিহাসের সর্বনিম্ন স্তরে। এতে সহসাই মধ্যপ্রাচ্যের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে এমন সম্ভাবনাও নেই। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে প্রবাসীদের নিজ নিজ দেশে টিকে থাকাই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। অন্যথায় বেকার প্রবাসীরা বাংলাদেশে ফিরে আসা শুরু হলে পরিস্থিতি ভয়াবহ পর্যায়ে পৌঁছবে। রেমিট্যান্স কমে যাওয়ার প্রভাব ভয়াবহ হতে পারে উল্লেখ করে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান বণিক বার্তাকে বলেন, এমন একটি অর্থনৈতিক ও স্বাস্থ্য সংকটের মধ্যে রেমিট্যান্সের ওপর নির্ভরশীল পরিবারগুলোর আয় উল্লেখযোগ্য হারে কমবে। এতে তাদের অন্যান্য যেসব দুর্দশা রয়েছে সেগুলো আরো জটিল হয়ে উঠবে। এরই মধ্যে রেমিট্যান্স কমে যাওয়ার প্রবণতা এটাই নির্দেশ করছে, যারা বিদেশে আছেন, তারাও কম আয় করছেন। হয়তো আয়ই নেই অনেকের। তাদের সঞ্চয়ও অনেক কম। আমাদের সামষ্টিক অর্থনীতির দিক থেকেও বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের রিজার্ভ, আমাদের আমদানি সক্ষমতা, আমাদের বিনিময় হারএগুলোর ক্ষেত্রে রেমিট্যান্স একটা বড় ভূমিকা রাখে। সেখানেও একটা নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। তিনি আরো বলেন, আমাদের শ্রমবাজার যে একটা স্বস্তি দিত, বছরে একটা উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ দেশের বাইরে যেত, তার ওপরও একটা নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে বোঝা যাচ্ছে। সবটা মিলিয়ে আমাদের অর্থনীতির ব্যষ্টিক ও সামষ্টিকদুই দিক থেকেই দুঃসংবাদই বলব আমি। এ পরিস্থিতি থেকে উঠে আসাটা কভিডের ওপর আংশিকভাবেই নির্ভর করবে। কারণ কভিড যে একটা ফুটপ্রিন্ট রেখে যাচ্ছে, সবাই যে বৈশ্বিক মন্দার আশঙ্কা করছে, সবটা মিলিয়ে আগের জায়গায় ফিরে যাওয়াটাও কঠিন হবে। ...

করোনা মোকাবিলায় বাংলাদেশকে ১০০ মিলিয়ন ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক

0৪এপ্রিল,শনিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় বাংলাদেশকে দেয়া জরুরি সহায়তার প্রথম ধাপ অনুমোদন দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। প্রথম দিকে বাংলাদেশকে ১০০ মিলিয়ন ডলারের সহায়তা দেয়া হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।আজ এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই জরুরি সহায়তার মাধ্যমে করোনা ভাইরাস রোগী শনাক্তকরণ, মহামারীকে প্রতিরোধ, কিভাবে তারা আক্রান্ত হয়েছেন, তার অনুসন্ধান, ডায়াগনস্টিক ল্যাবরেটরি, ব্যক্তিগত সুরক্ষাসামগ্রী ও নতুন আইসোলেশন ওয়ার্ড স্থাপনে ১০০ মিলিয়ন ডলার ব্যবহার করা হবে। বাংলাদেশ যাতে নিজেদের অর্থনৈতিক ক্ষত ও স্বাস্থ্যগত বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে পারে, সে জন্যই এই সহায়তা বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক।এছাড়া এই অর্থ সন্দেহজনক, সংক্রমণ হয়েছে, ঝুঁকিপূর্ণ জনসংখ্যা ও স্বাস্থ্য কর্মীদের পাশাপাশি সরকারি ও বেসরকরি পরিষেবা সরবরাহকারী এবং জাতীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের উন্নয়নে ব্যয় হবে। বাংলাদেশ ও ভুটানের বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মের্সি টেম্বন বলেন, করোনা ভাইরাস প্রসারের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করছে। এই প্রকল্পটি করোনা মহামারীর প্রাদুর্ভাব জানতে বাংলাদেশের জাতীয় পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহায়তা করবে।পাশাপাশি এটি নজরদারি এবং ডায়াগনস্টিক সিস্টেমগুলি রয়েছে কিনা তা নির্ধারণে গ্রুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এছাড়া দেশের স্বাস্থ্যবিধি, ব্যক্তিগত সুরক্ষামূলক সরঞ্জাম, ভেন্টিলেটর এবং হাসপাতালে আইসোলেশন ইউনিট স্থাপনে জোরালো ভূমিকা রাখেতে সহায়তা করবে। তিনি বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোতে করোনা ভাইরাস কঠিন আঘাত হানতে পারে। কাজেই চলমান সংকট উত্তরণে আঞ্চলিক ও দেশভিত্তিক সমাধানে জোর দেয়া হচ্ছে।...

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ফলাফল আগামী ৩১শে মে প্রকাশিত হবে

২১মে,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ফলাফল আগামী ৩১শে মে প্রকাশিত হবে। এদিন সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে পরীক্ষার ফলাফল ও পরিসংখ্যান প্রকাশ করবেন। বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। গত কয়েক বছর ধরে পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে এসএসসি পরীক্ষার ফল ঘোষণা করা হলেও এবছর করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে তা সম্ভব হয়নি। এবার এসএসসি-সমমান পরীক্ষা ১লা ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সরস্বতী পূজা ও ঢাকার দুই সিটির নির্বাচনের কারণে পিছিয়ে ৩রা ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়। ২৭শে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলে তত্ত্বীয় পরীক্ষা। আর ২৯শে ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে ৫ই মার্চ শেষ হয় ব্যবহারিক পরীক্ষা। এ পরীক্ষায় সারাদেশে ১০টি বোর্ডের অধীনে ৩ হাজার ৫১২টি কেন্দ্রে মোট ২০ লাখ ২৮ হাজার ৮৮৪ পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়।...

এসএসসির ফল মে মাসেই

১১মে,সোমবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চলতি মাসেই প্রকাশিত হবে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল। এ জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ছুটি বাড়লেও অনলাইনে ফল প্রকাশ করা হবে। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক সোমবার (১১ মে) সংবাদমাধ্যমকে এ কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এ মাসেই ফল প্রকাশ করবো, আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। ছুটি বাড়লেও অনলাইনে ফল প্রকাশ করা হবে। শিক্ষার্থীরা ঘরে বসেই ফল পাবে। গত ৩ ফেব্রুয়ারি এ বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হয় ২৭ ফেব্রুয়ারি। আর ব্যবহারিক পরীক্ষা ২৯ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে ৫ মার্চ শেষ হয়। পরীক্ষার পর ৬০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশের কথা থাকলেও করোনা পরিস্থিতিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দীর্ঘ ছুটির কারণে সেটা সম্ভব হয়নি। এ বছর মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২০ লাখ ৪৭ হাজার ৭৭৯ জন। ...

আইপিএল আয়োজনের পরিকল্পনা অক্টোবরে

২২মে,শুক্রবার,মো.ইরফান চৌধুরী,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মানুষের জীবনের থেকে ক্রিকেট বড় নয়। তাই অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত রয়েছে এবারের আইপিএল। বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় টি-টোয়েন্টি লিগের এবারের সংস্করণ শেষ পর্যন্ত মাঠে গড়াবে কিনা তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। ২০২২ সালে পিছিয়ে গেলে ওই সময়ে অর্থাৎ অক্টোবরে আইপিএল আয়োজন করতে চাইছে বিসিসিআই। বোর্ড সূত্রের খবর, চলতি বছরে ১৮ অক্টোবর থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসর বসার কথা। কিন্তু এই বছরের বিশ্বকাপ চলে যেতে পারে ২০২২ সালে। এমন সম্ভবনা নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। আর এই সুযোগটাই কাজে লাগাতে চাইছে সৌরভ গাঙ্গুলির বোর্ড। আইপিএল না হলে যে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বিশাল অঙ্কের ক্ষতির মুখে পড়তে চলেছে কয়েকদিন আগেই এ কথা জানান বিসিসিআই'র কোষাধ্যক্ষ অরুন ধুমল এবং বোর্ড সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলি। যদি আইপিএল বাতিল হয় সেক্ষেত্রে বেতন কাটার পথে হাঁটতে পারে বিসিসিআই এমনও ইঙ্গিত দেন বোর্ড সভাপতি। উল্লেখ্য, গত ২৯ মার্চ শুরু হওয়ার কথা ছিল এবারের আইপিএল। কিন্তু সেই সময় করোনার প্রকোপে প্রাথমিকভাবে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত পিছিয়ে দেওয়া হয় আইপিএল। এরপর পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ায় আইপিএল অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করে দেয় ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। বিপুল ক্ষতির কথা মাথায় রেখে মেগা ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগকে বাতিলও ঘোষণা করে নি ভারতীয় বোর্ড। ...

সাকিবের প্রিয় ব্যাট নিলামে কিনলেন যিনি

২৩এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,মো.ইরফান চৌধুরী,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সাকিবের খুবই প্রিয় ব্যাট সেটি, কিন্তু করোনায় অসহায় হয়ে পড়া মানুষের জীবনের চেয়ে নয় বড়। তাই নিলামে তুললেন সবশেষ বিশ্বকাপ মাতানো ব্যাটটি। গোটা বিশ্ব থেকে অনেকেই দাম হাঁকালেন কিন্তু শেষ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকায় কিনে নেন রাজ নামের এক যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশি। যদিও ব্যাটটির ভিত্তিমূল্য ধরা হয়েছিল ৫ লাখ টাকা। নিলাম পরিচালনার দায়িত্বে ছিল- অকশান ফর অ্যাকশন, নামের একটি প্রতিষ্ঠান। বুধবার (২২ এপ্রিল) রাতে অনেক আগ্রহীর মধ্যে ২০ লাখ টাকায় রানের ফোয়ারা ছোটানো সাকিবের সেই এসজি ব্যাটটি কিনে নেন রাজ। তবে পেমেন্ট পাওয়ার পর, আনুষ্ঠানিকভাবে বিজয়ীর নাম ঘোষণা করা হবে জানিয়েছেন নিলাম পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষ। এদিকে, ব্যাট বিক্রির এই টাকা যোগ হবে সাকিব আল হাসান ফাউন্ডেশনের তহবিলে, যা দিয়ে করোনা ভাইরাসের কারণে অসহায় হয়ে পড়া মানুষকে সাহায্য করা হবে। বাংলাদেশ সময় রাত ১০টায় ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে অনলাইনে নিলাম পরিচালনা করে অকশন ফর অ্যাকশন কর্তৃপক্ষ। সাকিব আল হাসান নিজে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ে যুক্ত ছিলেন। রাত সোয়া ১১টায় নিলাম শেষ হয়। এর আগে গত মঙ্গলবার ফেসবুক লাইভে এসে ব্যাটটি বিক্রির ঘোষণা দেন সাকিব আল হাসান। দুদিন ধরে চলে নিলাম। এর মাঝে সাকিব নিজেই একবার সেটা কিনে নিতে চান, কারণ এটি তার ক্যারিয়ারের অন্যতম উজ্জ্বল পারফরম্যান্সের স্মারক। এমনকি এক ভক্ত ব্যাটটি কিনে সাকিবকেই উপহার দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সর্বোচ্চ দাম হাঁকিয়ে সেটা নিজের করে নেন রাজ নামের ওই প্রবাসী। নিলাম শেষে বুধবার রাত ১১টায় লাইভে এসে বিশসেরা এই অলরাউন্ডার জানান, এটি আমার সবচেয়ে প্রিয় ব্যাটের একটি। কিন্তু আমার এই প্রিয়র চেয়ে মানুষের জীবনের মূল্য অনেক বেশি। তাই করোনা মোকাবেলায় সাহায্য করার জন্য সেটি নিলামে তুলেছিলাম। রাজ ভাইকে ধন্যবাদ, সর্বোচ্চ দাম হাঁকিয়ে নিয়ে নেওয়ার জন্য।...

দেওয়ান গিয়াস চৌধুরীর দীর্ঘ রাত গান শ্রীঘ্রই আসছে

২৪ মে,রবিবার,দিলাল আহমদ সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: সুনামগঞ্জের নাট্যকার নাট্যভিনেতা দেওয়ান গিয়াস চৌধুরীর লিখা প্রথম গান রিলিজ হতে যাচ্ছে। রাত-চাঁদের গল্প নিয়ে লিখা গানটি চাঁদ রাতে রিলিজ হওয়ার কথা রয়েছে। দেশের জনপ্রিয় এনটিভি অনলাইন পোর্টাল ইউটিউভ চ্যানেল ও ভেরিফাইড ফেইসবুক পেইজ থেকে রিলিজ হবে। দেওয়ান গিয়াস চৌধুরীর লিখা গানটিতে সুর করেছেন চ্যানেল আই ২০০৮র উদীয়মান তরুণ শিল্পী মোহন রায়। আর গানটির সুর করেছেন অনুপম প্রতীক। গানটির মিউজিক করেছেন সুমন কল্যান। গানের ভিডিওতে মডেল ছিলেন জয়ন্ত পাল জয় ও দীপান্বিতা দে হিয়া। গানের ভিডিও নির্দেশানা ও সম্পাদনা করেছেন রাজন। ক্যামেরায় ছিলেন মো. রফিক। ভিডিও সম্পাদনা করেছেন মো জাকির। গানটির ব্যাপারে দেওয়ান গিয়াস চৌধুরী বলেন, যদিও আমি নাটক নিয়ে কাজ করি গান কবিতা লিখতাম না কিন্তু গত দেড় বছর আগে লিখা গানটি করোনা পরিস্থিতি শুরুর আগে রেকডিং করা ও ভিডিও ধারণ করা হয়। কথা ছিল আবার ব কিছু স্বভাবিক হয়ে গেলে রিলিজ করবো কিন্তু পরিস্থিতি স্বভাবিক কবে হবে কেউ জানে না। তাই এই পরিস্থিতির মধ্যেই বের করেছি আমরা। গানটি বন্ধু মোহন রায় চমৎকার ভাবে গেয়েছে। আর সুর করেছে তরুণ সুরকার অনুপম প্রতীক। আর আমাদের আবেগের সাথে গানটির মিউজিক কম্পোজ করেছেন সুমন কল্যান দা। আশা করি গানটি অনেকের ভালো লাগবে। যারা রাত, চাঁদ আর একা থাকতে ভালোবাসেন গানটি তাদের জন্য। গানের শিল্পী মোহন রায় বলেন, বন্ধু দেওয়ান গিয়াস চৌধুরীর খুব আবেগের এই গানটি তাই আমি চেষ্টা করেছি ভালো করে গাইতে। যদিও আমি বেছে বেছে গান করি। কিস্তু এই গানটি একটু অন্যরকম, গানের কথা ও সুর খুবই চমৎকার। আশা করি শুনলে যে কারোই ভালো লাগবে। গানের সুরকার অনুপম প্রতীক বলেন এই গানটি নিয়ে আমি আর গিয়াস ভাই দীর্ঘ দিন কাজ করেছি। প্রায় ৫মাস ধরে। আমি এর আগেও সুর কিছু গানের সুর করেছি। এই গানটা সেরা। আশা করি সবাই ভালো লাগবে।...

এবার ভিন্নধর্মী ইত্যাদি

২০মে,বুধবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঈদ আর ঈদের ইত্যাদি দুটি যেন একই সূত্রে গাঁথা। দীর্ঘ তিন দশক ধরে ইত্যাদি ঈদের ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে। প্রতি ঈদেই গ্যালারি উপচে পড়া হাজার হাজার দর্শকের মুখরিত মঞ্চে হানিফ সংকেত দর্শকদের জানান ঈদ মোবারক এবং সাদর সম্ভাষণ। তবে এবার সেই চিত্রে কিছুটা ব্যতিক্রম ঘটবে। কারণ করোনা ভাইরাস। যে অদৃশ্য ভাইরাসের কারণে সবকিছুর মতো থমকে গেছে ইত্যাদিও। তাই, পূর্ণ প্রস্তুতি থাকা সত্ত্বেও দর্শকদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তার কথা ভেবে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবার চিরাচরিত নিয়মে স্টেডিয়ামে ইত্যাদি ধারণ করা হয়নি। তবে ঈদের পরদিন ঈদের ইত্যাদিতে যে ঐতিহ্যবাহী দৃশ্যের জন্য দর্শকরা অপেক্ষা করেন তা থেকে তারা নিরাশ হবেন না। কারণ এবারের এই ব্যতিক্রমী আয়োজন সাজানো হয়েছে সম্পাদনার টেবিলে। ইতিপূর্বে প্রচারিত কয়েকটি ঈদ ইত্যাদির বেশ কয়েকটি পর্ব সংকলন করে সাজানো হয়েছে এবারে অনুষ্ঠানের বিশেষ পর্ব। সংকলিত হলেও এবারের ইত্যাদির শুরুতে এবং শেষে রয়েছে একটি বিশেষ চমক। আর সেই চমক দেখতে হলে ঈদের পরদিন ইত্যাদি প্রচার না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতেই হবে। ইত্যাদি রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন হানিফ সংকেত। নির্মাণ করেছে ফাগুন অডিও ভিশন, স্পন্সর করেছে কেয়া কস্মেটিকস্ লিমিটেড। ইত্যাদি একযোগে প্রচার হবে বিটিভি ও বিটিভি ওয়ার্ল্ড-এ ঈদের পর দিন রাত ৮টার বাংলা সংবাদের পর।...

ঘুরে আসুন গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকত

মো:ইরফান চৌধুরী,পর্যটন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশের চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায় নদীর মোহনায় অবস্থিত গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকত। এই সৈকতটি স্থানীয় মানুষজনের কাছে মুরাদপুর সৈকত নামেই বেশি পরিচিত। গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকতটি সীতাকুণ্ড জেলার সীতাকুণ্ড বাজার থেকে ৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। প্রকৃতি ও গঠনগত দিক থেকে এই সৈকতটি আমাদের দেশের অন্যান্য সমুদ্র সৈকত থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। এর একদিকে যেমন দিগন্ত জোড়া জলরাশি, আর অন্যদিকে কেওড়া বন দেখা যায়। কেওড়া বনের মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া খালের চারদিকে কেওড়া গাছের শ্বাসমূলগুলো স্পষ্ট দেখা যায়। এই বন সমুদ্রের অনেকটা গভীর পর্যন্ত চলে গেছে। এই সৈকতের পরিবেশ অনেকটা সোয়াম্প ফরেস্ট ও ম্যানগ্রোভ বনের মত। পুরো সৈকত জুড়ে সবুজ গালিচার বিস্তীর্ণ ঘাস একে আর সব সমুদ্র সৈকত থেকে করে তুলেছে ভিন্ন। এই সৈকতের সবুজের মাঝ দিয়ে এঁকে বেঁকে চলে গেছে সরু নালা। নালাগুলো জোয়ারের সময় পানিতে ভরে ওঠে। আকাশের উড়ন্ত পাখি, সমুদ্রের ঢেউ আর বাতাসের মিতালীর অনন্য অবস্থান দেখা যায় এই গুলিয়াখালি সমুদ্র সৈকতে। অল্প পরিচিত এই সৈকতে মানুষজনের আনাগোনা কম বলে আপনি পাবেন নিরবিলি পরিবেশ। সাগরের মতো অতটা ঢেউ বা গর্জন না থাকলেও এই নিরবিলি পরিবেশের গুলিয়াখালি সমুদ্র সৈকত আপনার কাছে ধরা দিবে ভিন্নভাবেই। চাইলে জেলেদের বোটে সমুদ্রে ঘুরে আসতে পারেন। এক্ষেত্রে দরদাম করে বোট ঠিক করে নিতে হবে। যেভাবে যাবেন: চট্রগ্রামের অলংকার মোড়, এঁকে খান মোড়, কদমতলী থেকে সীতাকুণ্ড যাওয়ার বাস ও মেক্সি পাওয়া যায়। পছন্দ মতো জায়গা থেকে যেতে পারবেন সীতাকুণ্ড বাজারে। এরপর সীতাকুন্ডের বাস স্ট্যান্ড ব্রীজের নিচ থেকে সরাসরি সিএনজি/অটো নিয়ে গুলিয়াখালি বীচের বাঁধ পর্যন্ত চলে যেতে পারবেন। যাওয়া-আসা সহ রিজার্ভ করে নিতে পারেন। সন্ধ্যা হয়ে গেলে অনেক সময় ফিরে আসার সময় সিএনজি/অটো পাওয়া যায় না। ...

শত বছরের পুরোনো দুর্গাবাড়ী

বাঙালি হিন্দু সমাজের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয়া দুর্গোৎসব। আর এই পুজোয় আপনিও ঘুরে আসতে পারেন সিলেটের শত বছরের পুরোনো দুর্গাবাড়ী থেকে। আর খরচের কথা ভাবছেন, মাত্র ৮০০ টাকা।শোনা যায় কলকাতার পাথরঘাটা নামক স্থানের এক সম্ভ্রান্ত জমিদার এই দুর্গাবাড়ী প্রতিষ্ঠান করেন। এই ব্যাপারে ব্রজেন্দ্র নারায়ণ চৌধুরী সম্পাদিত স্মৃতি প্রতিতি নামক বই এ উল্লেখ আছে। ব্রজেন্দ্র নারায়ণ চৌধুরী ছিলেন সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের প্রতিষ্ঠাতা। স্বদেশি আন্দোলনে অনেক বীর এখানে এসে মায়ের পায়ে নিজের রক্ত দিয়ে প্রতিজ্ঞা করতেন নিজের আদর্শ থেকে এক চুলও বিচ্যুত হবেন না। স্বদেশকে পরাধীনতা থেকে মুক্ত করেই তবে ঘরে ফিরবেন।টিলার ওপর মূল মন্দির অবস্থিত। অর্ধশত সিঁড়ি ডিঙিয়ে আপনাকে পৌঁছাতে হবে মূল মন্দিরে। মূল মন্দিরে স্থাপিত দুর্গা প্রতিমা শত বছর ধরে পুজিত হয়ে আসছেন। পাশেই আছে আপনার বসার জন্য জায়গা। এর সাথেই আছে শিব মন্দির। টিলার থেকে দূরের দৃশ্য আপনাকে অভিভূত করবে। পূজার সময় ধূপ-ধূনার মোহনীয় গন্ধ আপনাকে নিয়ে যাবে এক অন্য জগতে।কীভাবে যাবেন,দুর্গাবাড়ী মন্দির যেতে হলে আপনাকে বাস/টেনে করে আসতে হবে সিলেট শহরে। প্রতিদিন ঢাকা থেকে সিলেটের উদ্দেশে বাস/ট্রেন ছাড়ে, ভাড়া পড়বে ৩২০ টাকা থেকে এক হাজার ২০০ টাকা। সিলেট শহরের যেকোনো প্রান্ত থেকে দুর্গাবাড়ী যাব বললেই আপনাকে নিয়ে যাবে শত বছরের পুরোনো দুর্গাবাড়িতে। রিকশা/সিএনজি ভাড়া নেবে ৮০ থেকে ১৫০ টাকা।...

মানবতা হোক মানুষের জন্য

২৩মে,শনিবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: আজও মানুষকে ভাবায় বিখ্যাত সংগীত শিল্পী ভূপেন হাজারিকার সেই গান- মানুষ মানুষের জন্যে, জীবন জীবনের জন্যে, একটু সহানুভূতি কি পেতে পারে না ও বন্ধু। পরপারে পাড়ি দেওয়া একজন বিখ্যাত সংগীত শিল্পী আজ আমাদের মাঝে না থাকলেও আছে তার গান। আমরা মানুষ যখন ক্রান্তিকাল সময় পার করি ঠিক তখনই আমাদের কাছে ফিরে আসে কালজয়ী সেই গানটি। কিন্তু আমরা আজও মানুষ হয়ে অসহায়দের পাশে দাঁড়াচ্ছি? অবশ্যই অনেকে দাঁড়াচ্ছেন। কিন্তু যাদের কে দেখতে চাই তাড়াই কি অসহায়দের পাশে দাঁড়াচ্ছি? নাকি নি:স্ব কোন মানুষই অসহায়দের পাশে গিয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন? অথচ মহান আল্লাহ যাকে অর্থ-সম্পদ দিয়েছেন তিনি সে সম্পদ থেকে অভাবী অসহায় মানুষকে সাহায্য করলে তাতে মহান সৃষ্টি কর্তা খুশি হন। কিন্তু আমাদের অনেক বিত্তশালীরা হা-হুতাশ করে বেড়ায়। তাদের নাই নাই অভ্যাসটা যায় না। আপনার যা আছে তা নিয়েই সুখে থাকুন। বেশি চাওয়া পাওয়া করে লাভ কি বলুন, কতদিনেই বাঁচবেন এ জগতে একদিন না একদিনতো চলে যেতেই হবে। নিজের বিবেক-বুদ্ধি-মনুষ্যত্ব ও মূল্যবোধকে কাজে লাগালেই তো হয়। দেখুন বাইরে অসহায় মানুষরা একমুঠো খাবারের জন্য হাত বাড়িয়ে অপেক্ষা করছে। ওদের কোন কাজ নেই। তাই রোজগার ও নেই। একজন অসহায় মা তাঁর সন্তানের মুখে খাবার দিতে পারছেন না। সেই মায়ের যন্ত্রণা একটু বোঝার চেষ্টা করুন! তার সন্তান যখন কাঁন্নাকাটি করে, তখন তিনি কতটা অসহায় বোধ করেন! হঠাৎ বেকার হয়ে যাওয়া বাবা যখন তাঁর সন্তানের মুখে আহার জোগাতে ব্যর্থ হন, তখন তাঁর মনের অবস্থা বোঝার চেষ্টা করুন। তিনিই হয়তো সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। এই কঠিন বিপদে তাঁর যাওয়ার যায়গা কোথায় বলুন! ভালোই তো ছিলো সব কিছু। কেন হটাৎ এমনটি ঘটল? এতে কি ওই অসহায় মানুষগুলোর কোন হাত ছিলো? আমারা মানুষ হয়ে ওদের পাশে দাঁড়াবো না? ওদের কষ্টের সময় সহানুভূতির হাত বাড়াব না! তাহলে আর আমরা কিসের মানুষ! মানুষের মানবিক গুনাবলিই যদি না থাকে তাহলে কিসের মানুষ আমরা! মানবিকতাই তো মানুষের আসল পরিচয়! সাড়া বিশ্বে যখন করোনাভাইরাসের কারণে মানুষ ক্রন্তিকাল সময় কাটাচ্ছেন, ঠিক তখনই শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার কাংশা ইউনিয়নের গান্ধীগাঁও গ্রামের একজন সাধারন ভিক্ষুক নাজিমুদ্দিনই দেখিয়ে দিলেন মানবিক গুন। বয়স আশি বছর। একটা সময় কৃষি কাজ করলে ও দুর্ঘটনায় পা হারানো নাজিমুদ্দিন কাজ করতে না পারায় বর্তমানে ভিক্ষা করেন। ভিক্ষা করে সংসার চালান তিনি। নিজের বসতঘর মেরামতের জন্য ভিক্ষা থেকে খুব কষ্ট করে গত কয়েক বছরে জমিয়েছিলেন ১০ হাজার টাকা। তিনি তাঁর সে জমানো টাকা ঝিনাইগাতির কর্মহীনদের খাদ্য সহায়তার জন্য উপজেলা প্রশাসনের তহবিলে দান করেন। ভিক্ষুক নাজিমুদ্দিনের প্রসংসা করেছেন স্বয়ং সরকার প্রধান শেখ হাসিনা ও। তিনি বলেন, তার এই উদারতা এক নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো বিশ্বে। মানুষ বসবাসযোগ্য একটি গ্রহ। আর এই গ্রহটিকে আমরা যাতনা যত্মে রাখার কথা রাখিনি ততটা যত্মে। অন্যদিকে আমরা কিছু কিছু বিত্তশালীরা শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করার জন্য এবং নিজেদের ভোগ বিলাস আর লোভ-লালসাকে পরিপূর্ণ করতে এই গ্রহটিকে নিংড়ে নিয়েছি। একবার ও ভাবিনি এর পরিণাম কি হবে? আমাদের অসীম চাহিদার লাগাম ধরব দূরে থাক বরঞ্চ ডাইনোসরের মতো খাই খাই লালসায় আজ আমরা নিজেদেরকেই ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাচ্ছি। মানুষ বাঁচলে বাঁচবে মানবতা, বাঁচবে দেশ। মানুষ বাঁচানোর সর্বজনীন প্রচেষ্টায় আমরা সকলে এক, এটা মনে প্রাণে বিশ্বাস করতে হবে। এখন থেকে আমাদের সক্রিয়তা, ঐক্যবদ্ধতা এবং দায়িত্বশীল আচরণ খুব বেশি প্রয়োজন। করোনাভাইরাস এমন এক অজানা আতঙ্ক যে বিশ্বের কোন দেশই এর থেকে মুক্ত হতে পারেনি, নিজেদের রক্ষা করতে পারেনি। পৃথিবীর সব মানুষরাই এখন অজানা আতঙ্কে ভূগছে। এ বুঝি করোনাভাইরাসের কবলে পড়ছে! মানবজাতির উপর প্রকৃতির এ এক ভয়ঙ্কর শাস্তি ছাড়া আর কিছুই নয়। সামান্য এক ভাইরাস, যা চোখে দেখা যায় না, অথচ তার ভয়ে সবার ঘুম হারাম! জাতির এই ক্রান্তিলগ্নে যখন খেটে খাওয়া মানুষেরা না খেয়ে দিন পার করছেন। তখন আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের সকল প্রত্যন্ত অঞ্চলে ত্রাণ সামগ্রী ও উপহার সামগ্রী বিতরণের উদ্যেগ নেন। দেশের সরকার প্রধানের এমন মানবিকতাই সকলে সন্তুষ্ঠ হলেও অত্যান্ত দু:খ প্রকাশ করে বলতে হয়, ত্রাণ বিতরন শুরুর সঙ্গে সঙ্গে ত্রাণ চুরির ঘটনা ও শুরু হয়েছে দেশে। এই মহাবিপর্যয়ের সময় অনেক জনপ্রতিনিধি ত্রাণ চুরি করছে বলা হচ্ছে ভিবিন্ন সংবাদ মাধ্যমে। আবার অধিকাংশ সময়ই দেখা যচ্ছে যে সকল জনপ্রতিনিধিরা ত্রাণ চুরি করছেন তার চেয়ে ঢের বেশি জনপ্রতিনিধিরা মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। আবার অনেক বিত্তশালী পরিবারের সন্তানেরা ও অসহায় মানুষের পাশে থেকে সহদরে নিনিন্মবিত্ত পরিবারকে সহযোগীতা করছেন। এই দুর্যোগ সময়ে যে শুধু অসহায়, নিন্মবিত্ত, মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষেরা কষ্ট পাচ্ছে তা কিন্তু নই, এর সাথে খাদ্য না পেয়ে কষ্ট পাচ্ছে, বিড়াল, কুকুর, কাক ও। বিড়াল, কুকুর, কাকদের প্রদান খাদ্যের উৎস হলো, হোটেলে বা ঘর বাড়ি থেকে বাদ পড়া খাবার গুলো। যা থেকে বঞ্চিত আজ এই প্রাণী গুলো ও। তবে বেশ কিছুদিন আগে এক নিউজ চ্যানেলে দেখলাম বেশ কিছু তরুণরা কিছু কুকুর এবং কাকদের খাবার দিয়েছেন। তা সত্যিই প্রসংশনীয়। কিন্তু এই প্রসংশনীয় উদ্যেগে আমরা আরো অনেক মানুষকে দেখতে চাই। আসুন আমরা মানবতার হাত বাড়াই। সাধারণ মানুষের পাশে দাড়ায়। মানুষের চরিত্র নিয়ে লিখে শেষ করা যাবে না। তবে দিন শেষে এই কথাটি বলতে হবে, বিশ্বাস করতে হবে যে এখনো পৃথিবীতে খারাপ মানুষের চেয়ে ভালো মানুষের সংখ্যা অনেক বেশি। না হলে পৃথিবী টিকে থাকতো না। মহামারী এই করোনাভাইরাস থেকে মানুষকে বাঁচাতে দিনরাত সেবা দিয়ে যাচ্ছেন, ডাক্তার, স্বাস্থ্য কর্মী, গণমাধ্যমকর্মী, পুলিশ সহ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা। এমনকি প্রিয়জন, প্রিয়মুখকে এক নজর দেখার অদম্য ইচ্ছেটিকে দমন করছেন তারা। লেখক: মো.ইরফান চৌধুরী,এডমিন- তরুণ প্রজন্মের ডাক,প্রকাশক- অধিকার নিউজ বিডি,কলামিস্ট,মানবাধিকার কর্মী ও সংগঠক। ...

মত প্রকাশ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতের আহবান ৭ রাষ্ট্রদূতের

০৮মে,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সংকটকালীন সময়ে বাস্তবভিত্তিক তথ্য প্রচার নিশ্চিতে মুক্ত গণমাধ্যম ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর জোর দিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত সাত বিদেশি রাষ্ট্রদূত। বৃহস্পতিবার তারা প্রায় একইরকম বার্তা সম্বলিত টুইট করেন নিজ নিজ একাউন্ট থেকে। এতে তারা বলেন, বর্তমানে যে মহামারি চলছে এ সময়ে জনস্বাস্থ্যের সুরক্ষা তথা মানুষের স্বার্থ নিশ্চিতে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন। পাশাপাশি দেশে গণমাধ্যমকর্মীদের স্বাধীনতা নিশ্চিতের আহবান জানান তারা। কোনো গণমাধ্যমকর্মীর যাতে কন্ঠরোধ না করা হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে বলেন ওই সাত রাষ্ট্রদূত। বৃহস্পতিবার যেসব রাষ্ট্রদূত এ বিবৃতি প্রদান করেন তারা হলেন, মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার, বৃটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটার্টন ডিকসন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত রেন্সজে তেরিঙ্ক, সুইডেনের রাষ্ট্রদূত শারলোটা স্লাইটার, ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত উইনি এস্ট্রাপ পিটারসন, নরওয়ের রাষ্ট্রদূত সিডসেল ব্লেকেন ও ডাচ রাষ্ট্রদূত হ্যারি ভারওয়েইজ। তাদের টুইটে সাম্প্রতিক গ্রেপ্তারের কথা উল্লেখ করা হয়। ইউরোপীয় এক রাষ্ট্রদূত ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অধীনে মামলা দায়েরের কথা জানান। বৃটিশ রাষ্ট্রদূত রবার্ট ডিকসন তার টুইটে বলেন, গণমাধ্যম যাতে তার কাজ করতে পারে এবং মানুষ যাতে মত প্রকাশে স্বাধীন থাকে তা নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ন।মানবজমিন। ইউরোপীয় ইয়নিয়নের দূত রেন্সজে তেরিঙ্ক বলেন, সংকটকালীন সময়ে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সব কিছুর থেকে বেশি জরুরি। মানুষের অবশ্যই সত্য ও তথ্যনির্ভর সংবাদ জানার সুযোগ থাকতে হবে।...

দেশের মানুষ হাসপাতালে সেবা পাচ্ছেন না:রিজভী

২২ মে,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত রোগীরা নূন্যতম চিকিৎসাসেবা পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। শুক্রবার সকালে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ অভিযোগ করেন। রিজভী বলেন, আজকে করোনায় আক্রান্ত যেসব রোগী তাদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে কোনো বেড নাই। বাংলাদেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে চিকিৎসার জন্য মানুষ হাহাকার করছে। মানুষ করোনায় আক্রান্ত হলেও ডাক্তারের কাছে যাচ্ছেন না। যদি পজেটিভ হয় কোথায় চিকিৎসা নেবে তারা। হাসপাতালে বেড নাই, কোনো চিকিৎসা নাই কিচ্ছু নাই। সরকার ফ্লাইওভার করেছে কিন্তু একটা হাসপাতালেও নির্মাণ করেননি। হাসপাতালে প্রয়োজনীয় যে আধুনিক সরঞ্জাম দরকার সেটা দেননি। বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, আপনারা (সরকার) উন্নয়ন দেখাচ্ছেন। এসব করে আপনার নেতা-কর্মীদের পকেট ফুলতে ফুলতে একেবারে বেলুনের মতো করে দিয়েছেন। মানে টাকা এতো বেশি পকেটে ঢুকেছে-বেলুনের মতো। রাজধানীর উত্তরার ৪৭ নং ওয়ার্ডে মহানগর উত্তরের যুগ্ম সম্পাদক এম কফিলউদ্দিনের উদ্যোগে দুঃস্থ ও দরিদ্র মানুষের মধ্যে ঈদ উপহার বিতরণের এই অনুষ্ঠান হয়। এ সময়ে মহানগর উত্তরের আহসানউল্লাহ হাসান, এবিএমএ রাজ্জাক, মোতালেব হোসেন রতন, মমতাজ উদ্দিন, এফ ইসলাম চন্দন, সফুরউদ্দিন মৃধা, সাইফুল ইসলাম সরুজ, তাজুল ইসলাম, মো. মুনির, জাহিদ মাস্টারসহ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এরপর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পূর্ব ছাত্রদলের উদ্যোগে দুঃস্থ ও দরিদ্র মানুষের মধ্যে ঈদ উপহার বিতরণ করেন রিজভী। এ সময়ে ছাত্রদলের সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামল, কাজী রওনুকুল ইসলাম শ্রাবণসহ মহানগর পূর্বের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।...

ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা কার্যক্রমে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা

২১মে,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ঘূর্ণিঝড় আম্পানের প্রভাব মোকাবেলা এবং ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা ও পুনর্বাসন কার্যক্রমে সরকারের পাশাপাশি সর্বাত্মকভাবে কাজ করছে আওয়ামী লীগ। দুর্যোগ কবলিত এলাকার সাধারণ মানুষের আশ্রয়, চিকিৎসেবা প্রাপ্তি ও খাদ্য সহায়তা প্রদানে তৎপর রয়েছেন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। বৃহস্পতিবার সকালে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডিস্থ কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা ঘূর্ণিঝড় আম্পানের আঘাতে সৃষ্ট ক্ষয়-ক্ষতি পর্যবেক্ষণ করেন। উপস্থিত কেন্দ্রীয় নেতারা ঘূর্ণিঝড় আম্পানের আঘাতে বিপর্যস্ত উপকূলাঞ্চলসহ ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহযোগিতা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনায় স্থানীয় প্রশাসনকে সহযোগিতার নির্দেশনা প্রদান করেন। এ সময় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার নেতারা সরকারের পক্ষ থেকে ঘূর্ণিঝড় আম্পান মোকাবেলায় পূর্ব প্রস্তুতি গ্রহণ করায় এবং জনসাধারণকে আশ্রয়কেন্দ্রসহ নিরাপদ আশ্রয়স্থলে অবস্থান নিশ্চিত করায় ক্ষয়-ক্ষতি অনেকটা হ্রাস করা সম্ভব হয়েছে বলে অবহিত করেন। এজন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন জেলা নেতারা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল-আলম হানিফ এমপি, আ.ফ.ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, এস এম কামাল হোসেন, অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, উপ-দপ্তর সম্পাদক সায়েম খান প্রমুখ।...

জামাল খানের উন্নয়নই আমার একমাত্র চাওয়া: কাউন্সিলর প্রার্থী শৈবাল দাশ সুমন

০১মার্চ,রবিবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত কাউন্সিলর প্রার্থী শৈবাল দাশ সুমন এলাকার উন্নয়ন ভাবনা ও আগামী নির্বাচন নিয়ে তার পরিকল্পনার কথা নিউজ একাত্তর এর কাছে তুলে ধরেন। শনিবার ২৯শে ফেব্রুয়ারি বিকালে তার নিজ কার্যালয়ে নিউজ একাত্তরকে দেয়া একান্ত এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার নানা কর্মকাণ্ড ও এলাকার উন্নয়ন নিয়ে তার চিন্তা ধারার কথা তথা আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি এলাকার জন্য কি কি কাজ করবেন তা সবিস্তর ব্যক্ত করেছেন। দলীয় মনোনয়ন পেয়ে তিনি তার অনুভুতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, তিনি দলীয় মনোনয়ন পেয়ে অনেক খুশী যে তাকে আবারও মুল্যায়ন করেছেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রীকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানান তাকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য। তার উপর আস্থা রাখার জন্য। তিনি প্রধানমন্ত্রীর আস্থার প্রতিদান দিবেন। তিনি মনে করেন এই মনোনয়ন এর মধ্য দিয়ে তার দায়বদ্ধতা আরও বেড়ে গেলো এবং কাজের গতি দ্বিগুন বেড়ে গেছে। কাউন্সিলর প্রার্থী শৈবাল দাশ সুমন জানান, আজকের এই নান্দনিক জামাল খানের রুপান্তর সম্ভব হয়েছে মানুষের সহযোগিতার জন্য। ওয়ার্ডবাসী তাদের মুল্যবান রায় দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করেছে এবং আমার উপর আস্থা রেখেছেন। যার ফলে তিনি বিগত পাঁচ বছরে নগরীর জামাল খান ওয়ার্ডকে একটি নান্দনিক জামাল খানে রুপান্তর করতে সক্ষম হয়েছেন। এক সময় যে জামাল খানে একটু রাত হলেই ঘনিয়ে আসতো অন্ধকার, স্ট্রিট লাইট গুলো জ্বলত মিট মিট করে। গনি ব্যাকারী থেকে জামাল খান পর্যন্ত নেমে আসা নিরবতার কারনে বেড়ে যেত ছিনতাই আর নেশা খোরদের আনাগোনা। সেই জামাল খান আজ চট্টগ্রাম তথা বাংলাদেশের একটি আদর্শ ওয়ার্ডে রূপান্তরিত হয়েছে। ৪১ টি ওয়ার্ডের মধ্যে একটি অন্যতম ওয়ার্ড হিসাবে পরিচিত। চারিদিকে সবুজের সমারোহ তিরি করা হয়েছে, লাগানো হয়েছে বিচিত্র গাছ গাছালি ও ফুলের বাগান। সেই সাথে রয়েছে দর্শনার্থীদের জন্য বসার স্থান। সড়ক জুড়ে স্থাপন করা হয়েছে এলডি বাল্ব।পথচারীদের বিশ্রামের জন্য বসানো হয়েছে ছাউনি। জামাল খানের প্রতিটি দেয়ালে দেয়ালে বাংলার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সুনিপুণ কারুকাজ করা হয়েছে। যা ইতিহাস ঐতিহ্যের সাথে মানুষকে পরিচয় করিয়ে দেয়। গোল চক্করে স্থাপন করা হয়েছে রঙ্গিন ফোয়ারা যা জামাল খানের সৌন্দর্যকে অনেক খানি বাড়িয়ে দিয়েছে। বসানো হয়েছে লাইভ ফিশ একুরিয়াম( স্ট্রিট একুরিয়াম)। অতি সম্প্রতি দেয়ালে স্থাপন করা হয়েছে বাংলাদেশের প্রথম কাঁচের তৈরি বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল। তিনি এলাকার মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। মাদক, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলবেন। যুবক সমাজকে মাদক ও সন্ত্রাস মুক্ত রাখতে কাজ করবেন। তার এলাকায় জলজট নেই তবে কিছুটা জলাবদ্ধতা আছে। তিনি আশা বাদী সিডিএ ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর যৌথ ভাবে জলাবদ্ধতা নিরসনে একটি প্রকল্পের কাজ করছে। এটির বাস্তবায়ন হলে জলাবদ্ধতা পুরোপুরি নিরসন করা যাবে। আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে এই জামাল খানকে বিশ্বের একটি আধুনিক ওয়ার্ডে রুপান্তর করবেন। পার্কের আদলে গড়ে তুলবেন পুরো জামাল খানকে। জামাল খানে গড়ে তুলবেন একটি সমন্বিত বার্ড জোন ও একটি পাঠাগার। জামালখান কে তামাক মুক্ত ও ফুটপাত হকার মুক্ত রাখতে কাজ করে যাচ্ছেন। তাছাড়া এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আনসার নিয়োগের পরিকল্পনা ও রয়েছে। তিনি ২১ নং জালাল খানের ওয়ার্ড বাসীর কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন, তার শৈশব কৈশোর কেটেছে এই জামাল খানে। এই এলাকার সাথে তার আত্মার সম্পর্ক। আপনারা আমার পরম আত্মীয়। তাকে আবারও নির্বাচিত করে আরও একটিবার সুযোগ দেওয়ার জন্য যাতে এলাকাবাসীর সেবা করতে পারেন। সেই সাথে দলীয় নেতা কর্মীদের কাছে উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন তাকে সহযোগিতা করার জন্য। তিনি নির্বাচিত হলে সব সময় সুখে দুঃখে এলাকাবাসীর পাশে থাকবেন। অতীতের মত নিরলস ভাবে কাজ করে যাবেন এবং জনগনের ভালোবাসার প্রতিদান দিবেন। জামালখান বাসী আমরা সবাই একটা পরিবার। আপনারা যদি মনে করেন আমাকে বিগত পাঁচ বছরে আপনাদের কাছে পেয়েছেন তাহলে আমাকে আবার সেবা করার সুযোগ দিবেন। ...

জলাবদ্ধতা নিরসন,মহিলাদের আত্ম কর্মসংস্থান ও প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করে যাবো

২৭ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সংরক্ষিত মহিলা আসন ২২, ৩০ ও ৩১ এর মহিলা কাউন্সিলর নিলু নাগ এলাকার উন্নয়ন ভাবনা ও আগামী নির্বাচন নিয়ে তার পরিকল্পনার কথা নিউজ একাত্তর এর কাছে তুলে ধরেন। সোমবার ২৪শে ফেব্রুয়ারি্ বিকালে তার নিজ কার্যালয়ে নিউজ একাত্তরকে দেয়া একান্ত এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার নানা কর্মকাণ্ড ও এলাকার উন্নয়ন নিয়ে তার চিন্তা ধারার কথা তথা আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি এলাকার জন্য কি কি কাজ করবেন তা সবিস্তর ব্যক্ত করেছেন। মহিলা কাউন্সিলর নিলু নাগ জানিয়েছেন, তিনি চলতি মেয়াদে(২০১৬-২০২০ইং) ২২,৩০ ও ৩১ নং ওয়ার্ডের এর মহিলা কাউন্সিলর হিসাবে আছেন। বর্তমানে তিনি কোতোয়ালী থানা আওয়ামী লীগের মহিলা সম্পাদিকা। সেই সাথে তিনি বেশ কিছু সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের সাথে ও যুক্ত আছেন, একাধারে মহানগর মহিলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদিকা, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট যুগ্ম সাধারন সম্পাদিকা বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ মহিলা শাখার মহানগর সাধারন সম্পাদিকা। তিনি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে যুক্ত থেকে মানুষের কল্যানে কাজ করে যাচ্ছেন। সেই সাথে তার তিন ওয়ার্ডের জলাবদ্ধতা নিরসন ও মহিলাদের আত্ম কর্মসংস্থান ও স্বাবলম্ভি করার জন্য কাজ করে যাবেন। দলীয় মনোনয়ন পেয়ে তিনি তার অনুভুতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন,তিনি দলীয় মনোনয়ন পেয়ে অনেক খুশী যে তাকে আবারও মুল্যায়ন করেছেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রীকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানান তাকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য। তার উপর আস্থা রাখার জন্য।তিনি প্রধানমন্ত্রীর আস্থার প্রতিদান দিবেন। তিনি গর্বিত প্রধানমন্ত্রীর একজন কর্মী হিসাবে। তিনি এলাকার মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। মাদক, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলবেন। তিনি তার ওয়ার্ডের পুরুষ কমিশনার, মেয়র ও এলাকাবাসীকে সাথে নিয়ে তার তিন ওয়ার্ডের উন্নয়নে কাজ করে যাবেন। এলাকার বিশেষ বিশেষ সমস্যা গুলো চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের জন্য কাজ করে যাবেন। প্রধানমন্ত্রীর জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে কাজ করে যাবেন। যেহেতু মহিলা কাউন্সিলরদের তেমন কাজ থাকে না তবুও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন এবং আগামীতেও সেই ধারা অব্যাহত রাখবেন। তিনি জানান, তার তিন ওয়ার্ডের প্রধান সমস্যা জলাবদ্ধতা। তার তিন ওয়ার্ডই জলাবদ্ধ প্রবন এলাকা তাই মেয়র ও সাধারন(পুরুষ)কাউন্সিলরের সহযোগিতা নিয়ে জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করে যাবেন। তিনি বিগত পাঁচ বছরে মেয়রের সহযোগিতায় জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করেছেন। তিনি জানান, আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে এলাকার উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সহযোগিতা করে যাবেন। তার ওয়ার্ডের সাধারন(পুরুষ) কমিশনার, মেয়র এর যৌথ সমন্বয়ে এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করে যাবেন। বিশেষ করে আমাকে মনোনয়ন দেয়া তিন ওয়ার্ডের নারীদের কে বিভিন্ন সহযোগিতা দিয়ে স্বাবলম্ভি করে গড়ে তোলা। আমি এদের জীবন মান উন্নয়ন ও কল্যানে সাধ্যমত কাজ করে যাব। তিনি ২২,৩০ ও ৩১ ওয়ার্ডের জনগনের কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন, তাকে আবারও নির্বাচিত করে আরও একটিবার সুযোগ দেওয়ার জন্য যাতে এলাকাবাসীর সেবা করতে পারেন। সেই সাথে দলীয় নেতা কর্মীদের কাছে উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন তাকে সহযোগিতা করার জন্য। তিনি নির্বাচিত হলে সব সময় সুখে দুঃখে এলাকাবাসীর পাশে থাকবেন। অতীতের মত নিরলস ভাবে কাজ করে যাবেন এবং জনগনের আস্থার প্রতিফলন ঘটাবেন। ...

মানবতা হোক মানুষের জন্য

২৩মে,শনিবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: আজও মানুষকে ভাবায় বিখ্যাত সংগীত শিল্পী ভূপেন হাজারিকার সেই গান- মানুষ মানুষের জন্যে, জীবন জীবনের জন্যে, একটু সহানুভূতি কি পেতে পারে না ও বন্ধু। পরপারে পাড়ি দেওয়া একজন বিখ্যাত সংগীত শিল্পী আজ আমাদের মাঝে না থাকলেও আছে তার গান। আমরা মানুষ যখন ক্রান্তিকাল সময় পার করি ঠিক তখনই আমাদের কাছে ফিরে আসে কালজয়ী সেই গানটি। কিন্তু আমরা আজও মানুষ হয়ে অসহায়দের পাশে দাঁড়াচ্ছি? অবশ্যই অনেকে দাঁড়াচ্ছেন। কিন্তু যাদের কে দেখতে চাই তাড়াই কি অসহায়দের পাশে দাঁড়াচ্ছি? নাকি নি:স্ব কোন মানুষই অসহায়দের পাশে গিয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন? অথচ মহান আল্লাহ যাকে অর্থ-সম্পদ দিয়েছেন তিনি সে সম্পদ থেকে অভাবী অসহায় মানুষকে সাহায্য করলে তাতে মহান সৃষ্টি কর্তা খুশি হন। কিন্তু আমাদের অনেক বিত্তশালীরা হা-হুতাশ করে বেড়ায়। তাদের নাই নাই অভ্যাসটা যায় না। আপনার যা আছে তা নিয়েই সুখে থাকুন। বেশি চাওয়া পাওয়া করে লাভ কি বলুন, কতদিনেই বাঁচবেন এ জগতে একদিন না একদিনতো চলে যেতেই হবে। নিজের বিবেক-বুদ্ধি-মনুষ্যত্ব ও মূল্যবোধকে কাজে লাগালেই তো হয়। দেখুন বাইরে অসহায় মানুষরা একমুঠো খাবারের জন্য হাত বাড়িয়ে অপেক্ষা করছে। ওদের কোন কাজ নেই। তাই রোজগার ও নেই। একজন অসহায় মা তাঁর সন্তানের মুখে খাবার দিতে পারছেন না। সেই মায়ের যন্ত্রণা একটু বোঝার চেষ্টা করুন! তার সন্তান যখন কাঁন্নাকাটি করে, তখন তিনি কতটা অসহায় বোধ করেন! হঠাৎ বেকার হয়ে যাওয়া বাবা যখন তাঁর সন্তানের মুখে আহার জোগাতে ব্যর্থ হন, তখন তাঁর মনের অবস্থা বোঝার চেষ্টা করুন। তিনিই হয়তো সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। এই কঠিন বিপদে তাঁর যাওয়ার যায়গা কোথায় বলুন! ভালোই তো ছিলো সব কিছু। কেন হটাৎ এমনটি ঘটল? এতে কি ওই অসহায় মানুষগুলোর কোন হাত ছিলো? আমারা মানুষ হয়ে ওদের পাশে দাঁড়াবো না? ওদের কষ্টের সময় সহানুভূতির হাত বাড়াব না! তাহলে আর আমরা কিসের মানুষ! মানুষের মানবিক গুনাবলিই যদি না থাকে তাহলে কিসের মানুষ আমরা! মানবিকতাই তো মানুষের আসল পরিচয়! সাড়া বিশ্বে যখন করোনাভাইরাসের কারণে মানুষ ক্রন্তিকাল সময় কাটাচ্ছেন, ঠিক তখনই শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার কাংশা ইউনিয়নের গান্ধীগাঁও গ্রামের একজন সাধারন ভিক্ষুক নাজিমুদ্দিনই দেখিয়ে দিলেন মানবিক গুন। বয়স আশি বছর। একটা সময় কৃষি কাজ করলে ও দুর্ঘটনায় পা হারানো নাজিমুদ্দিন কাজ করতে না পারায় বর্তমানে ভিক্ষা করেন। ভিক্ষা করে সংসার চালান তিনি। নিজের বসতঘর মেরামতের জন্য ভিক্ষা থেকে খুব কষ্ট করে গত কয়েক বছরে জমিয়েছিলেন ১০ হাজার টাকা। তিনি তাঁর সে জমানো টাকা ঝিনাইগাতির কর্মহীনদের খাদ্য সহায়তার জন্য উপজেলা প্রশাসনের তহবিলে দান করেন। ভিক্ষুক নাজিমুদ্দিনের প্রসংসা করেছেন স্বয়ং সরকার প্রধান শেখ হাসিনা ও। তিনি বলেন, তার এই উদারতা এক নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো বিশ্বে। মানুষ বসবাসযোগ্য একটি গ্রহ। আর এই গ্রহটিকে আমরা যাতনা যত্মে রাখার কথা রাখিনি ততটা যত্মে। অন্যদিকে আমরা কিছু কিছু বিত্তশালীরা শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করার জন্য এবং নিজেদের ভোগ বিলাস আর লোভ-লালসাকে পরিপূর্ণ করতে এই গ্রহটিকে নিংড়ে নিয়েছি। একবার ও ভাবিনি এর পরিণাম কি হবে? আমাদের অসীম চাহিদার লাগাম ধরব দূরে থাক বরঞ্চ ডাইনোসরের মতো খাই খাই লালসায় আজ আমরা নিজেদেরকেই ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাচ্ছি। মানুষ বাঁচলে বাঁচবে মানবতা, বাঁচবে দেশ। মানুষ বাঁচানোর সর্বজনীন প্রচেষ্টায় আমরা সকলে এক, এটা মনে প্রাণে বিশ্বাস করতে হবে। এখন থেকে আমাদের সক্রিয়তা, ঐক্যবদ্ধতা এবং দায়িত্বশীল আচরণ খুব বেশি প্রয়োজন। করোনাভাইরাস এমন এক অজানা আতঙ্ক যে বিশ্বের কোন দেশই এর থেকে মুক্ত হতে পারেনি, নিজেদের রক্ষা করতে পারেনি। পৃথিবীর সব মানুষরাই এখন অজানা আতঙ্কে ভূগছে। এ বুঝি করোনাভাইরাসের কবলে পড়ছে! মানবজাতির উপর প্রকৃতির এ এক ভয়ঙ্কর শাস্তি ছাড়া আর কিছুই নয়। সামান্য এক ভাইরাস, যা চোখে দেখা যায় না, অথচ তার ভয়ে সবার ঘুম হারাম! জাতির এই ক্রান্তিলগ্নে যখন খেটে খাওয়া মানুষেরা না খেয়ে দিন পার করছেন। তখন আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের সকল প্রত্যন্ত অঞ্চলে ত্রাণ সামগ্রী ও উপহার সামগ্রী বিতরণের উদ্যেগ নেন। দেশের সরকার প্রধানের এমন মানবিকতাই সকলে সন্তুষ্ঠ হলেও অত্যান্ত দু:খ প্রকাশ করে বলতে হয়, ত্রাণ বিতরন শুরুর সঙ্গে সঙ্গে ত্রাণ চুরির ঘটনা ও শুরু হয়েছে দেশে। এই মহাবিপর্যয়ের সময় অনেক জনপ্রতিনিধি ত্রাণ চুরি করছে বলা হচ্ছে ভিবিন্ন সংবাদ মাধ্যমে। আবার অধিকাংশ সময়ই দেখা যচ্ছে যে সকল জনপ্রতিনিধিরা ত্রাণ চুরি করছেন তার চেয়ে ঢের বেশি জনপ্রতিনিধিরা মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। আবার অনেক বিত্তশালী পরিবারের সন্তানেরা ও অসহায় মানুষের পাশে থেকে সহদরে নিনিন্মবিত্ত পরিবারকে সহযোগীতা করছেন। এই দুর্যোগ সময়ে যে শুধু অসহায়, নিন্মবিত্ত, মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষেরা কষ্ট পাচ্ছে তা কিন্তু নই, এর সাথে খাদ্য না পেয়ে কষ্ট পাচ্ছে, বিড়াল, কুকুর, কাক ও। বিড়াল, কুকুর, কাকদের প্রদান খাদ্যের উৎস হলো, হোটেলে বা ঘর বাড়ি থেকে বাদ পড়া খাবার গুলো। যা থেকে বঞ্চিত আজ এই প্রাণী গুলো ও। তবে বেশ কিছুদিন আগে এক নিউজ চ্যানেলে দেখলাম বেশ কিছু তরুণরা কিছু কুকুর এবং কাকদের খাবার দিয়েছেন। তা সত্যিই প্রসংশনীয়। কিন্তু এই প্রসংশনীয় উদ্যেগে আমরা আরো অনেক মানুষকে দেখতে চাই। আসুন আমরা মানবতার হাত বাড়াই। সাধারণ মানুষের পাশে দাড়ায়। মানুষের চরিত্র নিয়ে লিখে শেষ করা যাবে না। তবে দিন শেষে এই কথাটি বলতে হবে, বিশ্বাস করতে হবে যে এখনো পৃথিবীতে খারাপ মানুষের চেয়ে ভালো মানুষের সংখ্যা অনেক বেশি। না হলে পৃথিবী টিকে থাকতো না। মহামারী এই করোনাভাইরাস থেকে মানুষকে বাঁচাতে দিনরাত সেবা দিয়ে যাচ্ছেন, ডাক্তার, স্বাস্থ্য কর্মী, গণমাধ্যমকর্মী, পুলিশ সহ বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা। এমনকি প্রিয়জন, প্রিয়মুখকে এক নজর দেখার অদম্য ইচ্ছেটিকে দমন করছেন তারা। লেখক: মো.ইরফান চৌধুরী,এডমিন- তরুণ প্রজন্মের ডাক,প্রকাশক- অধিকার নিউজ বিডি,কলামিস্ট,মানবাধিকার কর্মী ও সংগঠক।


জামাল খানের উন্নয়নই আমার একমাত্র চাওয়া: কাউন্সিলর প্রার্থী শৈবাল দাশ সুমন

০১মার্চ,রবিবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত কাউন্সিলর প্রার্থী শৈবাল দাশ সুমন এলাকার উন্নয়ন ভাবনা ও আগামী নির্বাচন নিয়ে তার পরিকল্পনার কথা নিউজ একাত্তর এর কাছে তুলে ধরেন। শনিবার ২৯শে ফেব্রুয়ারি বিকালে তার নিজ কার্যালয়ে নিউজ একাত্তরকে দেয়া একান্ত এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার নানা কর্মকাণ্ড ও এলাকার উন্নয়ন নিয়ে তার চিন্তা ধারার কথা তথা আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি এলাকার জন্য কি কি কাজ করবেন তা সবিস্তর ব্যক্ত করেছেন। দলীয় মনোনয়ন পেয়ে তিনি তার অনুভুতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, তিনি দলীয় মনোনয়ন পেয়ে অনেক খুশী যে তাকে আবারও মুল্যায়ন করেছেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রীকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানান তাকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য। তার উপর আস্থা রাখার জন্য। তিনি প্রধানমন্ত্রীর আস্থার প্রতিদান দিবেন। তিনি মনে করেন এই মনোনয়ন এর মধ্য দিয়ে তার দায়বদ্ধতা আরও বেড়ে গেলো এবং কাজের গতি দ্বিগুন বেড়ে গেছে। কাউন্সিলর প্রার্থী শৈবাল দাশ সুমন জানান, আজকের এই নান্দনিক জামাল খানের রুপান্তর সম্ভব হয়েছে মানুষের সহযোগিতার জন্য। ওয়ার্ডবাসী তাদের মুল্যবান রায় দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করেছে এবং আমার উপর আস্থা রেখেছেন। যার ফলে তিনি বিগত পাঁচ বছরে নগরীর জামাল খান ওয়ার্ডকে একটি নান্দনিক জামাল খানে রুপান্তর করতে সক্ষম হয়েছেন। এক সময় যে জামাল খানে একটু রাত হলেই ঘনিয়ে আসতো অন্ধকার, স্ট্রিট লাইট গুলো জ্বলত মিট মিট করে। গনি ব্যাকারী থেকে জামাল খান পর্যন্ত নেমে আসা নিরবতার কারনে বেড়ে যেত ছিনতাই আর নেশা খোরদের আনাগোনা। সেই জামাল খান আজ চট্টগ্রাম তথা বাংলাদেশের একটি আদর্শ ওয়ার্ডে রূপান্তরিত হয়েছে। ৪১ টি ওয়ার্ডের মধ্যে একটি অন্যতম ওয়ার্ড হিসাবে পরিচিত। চারিদিকে সবুজের সমারোহ তিরি করা হয়েছে, লাগানো হয়েছে বিচিত্র গাছ গাছালি ও ফুলের বাগান। সেই সাথে রয়েছে দর্শনার্থীদের জন্য বসার স্থান। সড়ক জুড়ে স্থাপন করা হয়েছে এলডি বাল্ব।পথচারীদের বিশ্রামের জন্য বসানো হয়েছে ছাউনি। জামাল খানের প্রতিটি দেয়ালে দেয়ালে বাংলার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সুনিপুণ কারুকাজ করা হয়েছে। যা ইতিহাস ঐতিহ্যের সাথে মানুষকে পরিচয় করিয়ে দেয়। গোল চক্করে স্থাপন করা হয়েছে রঙ্গিন ফোয়ারা যা জামাল খানের সৌন্দর্যকে অনেক খানি বাড়িয়ে দিয়েছে। বসানো হয়েছে লাইভ ফিশ একুরিয়াম( স্ট্রিট একুরিয়াম)। অতি সম্প্রতি দেয়ালে স্থাপন করা হয়েছে বাংলাদেশের প্রথম কাঁচের তৈরি বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল। তিনি এলাকার মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। মাদক, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলবেন। যুবক সমাজকে মাদক ও সন্ত্রাস মুক্ত রাখতে কাজ করবেন। তার এলাকায় জলজট নেই তবে কিছুটা জলাবদ্ধতা আছে। তিনি আশা বাদী সিডিএ ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর যৌথ ভাবে জলাবদ্ধতা নিরসনে একটি প্রকল্পের কাজ করছে। এটির বাস্তবায়ন হলে জলাবদ্ধতা পুরোপুরি নিরসন করা যাবে। আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে এই জামাল খানকে বিশ্বের একটি আধুনিক ওয়ার্ডে রুপান্তর করবেন। পার্কের আদলে গড়ে তুলবেন পুরো জামাল খানকে। জামাল খানে গড়ে তুলবেন একটি সমন্বিত বার্ড জোন ও একটি পাঠাগার। জামালখান কে তামাক মুক্ত ও ফুটপাত হকার মুক্ত রাখতে কাজ করে যাচ্ছেন। তাছাড়া এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আনসার নিয়োগের পরিকল্পনা ও রয়েছে। তিনি ২১ নং জালাল খানের ওয়ার্ড বাসীর কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন, তার শৈশব কৈশোর কেটেছে এই জামাল খানে। এই এলাকার সাথে তার আত্মার সম্পর্ক। আপনারা আমার পরম আত্মীয়। তাকে আবারও নির্বাচিত করে আরও একটিবার সুযোগ দেওয়ার জন্য যাতে এলাকাবাসীর সেবা করতে পারেন। সেই সাথে দলীয় নেতা কর্মীদের কাছে উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন তাকে সহযোগিতা করার জন্য। তিনি নির্বাচিত হলে সব সময় সুখে দুঃখে এলাকাবাসীর পাশে থাকবেন। অতীতের মত নিরলস ভাবে কাজ করে যাবেন এবং জনগনের ভালোবাসার প্রতিদান দিবেন। জামালখান বাসী আমরা সবাই একটা পরিবার। আপনারা যদি মনে করেন আমাকে বিগত পাঁচ বছরে আপনাদের কাছে পেয়েছেন তাহলে আমাকে আবার সেবা করার সুযোগ দিবেন।

তথ্যমন্ত্রীকে সাধুবাদ জানাই

২১মে,বৃহস্পতিবার,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঝুঁকিতে থাকা সংবাদকর্মীদের জন্য সরকারের বিশেষ সহায়তার ঘোষণা দিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। বাংলাদেশ সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ ঘোষণা দেন। তথ্য মন্ত্রণালয় জানায়, সম্প্রতি চাকরিচ্যুতি, ছয় মাস ধরে কর্মহীনতা বা দীর্ঘদিন বেতন না পাওয়া এ তিন কারণে সংকটে পড়া সাংবাদিকদের জন্য দলমত নির্বিশেষে আপদকালীন সহায়তার পরিমাণ হবে এককালীন ১০ হাজার টাকা।সাংবাদিকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাধারণ মানুষকে সংবাদ দেওয়ার জন্য কাজ করছেন। করোনাকালের শুরু থেকে এ পেশাজীবীর মানুষ অবসর নেননি। সবাই যে যার দায়িত্ব পালন করে গেছেন। এর মধ্যে করোনা ধরা পড়েছে কয়েকজন মানুষের। একাধিক সাংবাদিক মারাও গেছেন আক্রান্ত হয়ে।সম্প্রতি করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরীক্ষার জন্যে ব্র্যাকের সহযোগিতায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে নমুনা সংগ্রহের জন্য একটি বুথ চালু করা হয়েছে। জাতীয় প্রেস ক্লাব ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) উদ্যোগে চালু করা এ বুথে ক্লাব ও ডিইউজে-এর সদস্য, তার স্ত্রী/স্বামী ও সন্তানরা সেবা গ্রহণ করতে পারবেন বলে জানানো হয়েছে।আনুষ্ঠানিকভাবে এর কার্যক্রমের সূচনা করেন জাতীয় প্রেস ক্লাব সভাপতি সাইফুল আলম, ডিইউজে সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ, সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপু ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক মাঈনুল আলম বিএফইজের নির্বাহী পরিষদ সদস্য শেখ মামুনুর রশীদ ও ডিইউজের সাংগঠনিক সম্পাদক জিহাদুর রহমান জিহাদ। উপস্থিত ছিলেন ডিইউজের প্রচার সম্পাদক আছাদুজ্জামান, জনকল্যাণ সম্পাদক সোহেলী চৌধুরী ও দফতর সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস সোহেল।এদিকে গত ১ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রণোদনা চেয়ে আবেদন করেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতারা। ওইদিন বিকালে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে বিএফইউজে এবং ডিইউজে নেতারা আওয়ামী লীগ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে এ বিষয়ে আবেদনপত্র হস্তান্তর করেন। এই আপদকালে সাংবাদিকদের শীর্ষ দুই সংগঠন যে উদ্যোগ নিয়েছে আমরা সেটাকে সাধুবাদ জানাই। সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকরা এবং তাদের পরিবার-পরিজনকে এর মাধ্যমে অনাকাক্সিক্ষত ঝক্কি থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব হবে। এমন উদ্যোগের পাশাপাশি সাংবাদিকদের দৈনন্দিন জীবনযাপনের ভালোমন্দ বিষয়েও সংশ্লিষ্টরা খোঁজ রাখবেন বলেই আমরা প্রত্যাশা করি। লেখকঃ মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী, সাংবাদিক,কলামিষ্ট ,সম্পাদক নিউজ একাত্তর ডট কম ও চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান,দৈনিক আজকের বিজনেস বাংলাদেশ ।

আজকের মোট পাঠক

32975
O relaxamento vascular leva a um aumento na perfusão sanguínea, após o que os sintomas da hiperplasia prostática benigna são reduzidos.cialis tadalafil buy online White or white with a slightly yellowish tinge with a characteristic odor.cost of cephalexinIt is difficult and slow to dissolve in water, almost insoluble in alcohol. Cialis super active aumenta la producción de esperma, aumenta el deseo sexual.Cialis super active Sin Receta En EspañaCialis Super Asset lo ayudará en una situación difícil. Complications with prolonged use: rarely - psychoses that resemble alcoholic ones; hepatitis, gastritisCheap no Prescription disulfiramdetoxification therapy, administration of analeptics, and symptomatic therapy are necessary Nolvadex helps reduce the level of sex hormones in the blood of men and women Nolvadex online which ensures its therapeutic effect in this pathology.

নিউজ একাত্তর ডট কম

সম্পাদক : মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী

নির্বাহী সম্পাদক : আহাম্মদ হোসেন ভুইয়া

একটি পপুলার মিডিয়া পাবলিকেশন এর প্রকাশনা | রেজি নং: চ-১২৪২৭/১৭

সম্পাদকীয় ও বানিজ্যিক কার্যালয় : ৪১৬/সি,খিলগাও ঢাকা ০২৪৩১৫০৪৮৮, ০১৮২৪২৪৫৫০৪, ০১৭৭৮৮৮৮৪৭২

চট্টগ্রাম কার্যালয় : ১৯/২০/২১ বি ৩য় তলা, হানিমুন টাওয়ার,পাহাড়তলী,চট্টগ্রাম।

ই-মেইল : newsekattor@gmail.com, editorekattor@gmail.com, কপিরাইট ©newsekattor.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত