আগামী ৬-৭ সপ্তাহের মধ্যে ২৫ কোটি টিকা পাচ্ছে কোভ্যাক্স

২৯জুলাই ২০২১, আন্তর্জাতিক ডেস্ক, নিউজ একাত্তর : কোভ্যাক্স আগামী ছয় থেকে সাত সপ্তাহের মধ্যে অনুদানের ২৫ কোটি ডোজ কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন পাওয়ার আশা করছে। বুধবার (২৮ জুলাই) বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা একথা জানিয়েছে। খবর এএফপির। খবরে বলা হয়, এসব টিকার অন্তঃপ্রবাহ কোভ্যাক্সকে সহযোগিতার সবচেয়ে বড় একটি চালান। আর এ কর্ম-পরিকল্পনার প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে বিশ্বের অতি দরিদ্র দেশগুলোর টিকা পাওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করা। কোভ্যাক্স কর্মসূচির আওতায় এ পর্যন্ত ১৫ কোটি ২০ লাখ টিকা সরবরাহ করা হয়েছে। বিশ্বের ১৩৭ দেশ ও ভূখণ্ডের মধ্যে এসব টিকা বিতরণ করা হয়। বুধবার সাপ্তাহিক কার্যক্রম হালনাগাদ করে ডব্লিউএইচও জানায়, ইউএন ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট টিমের সাম্প্রতিক এক বৈঠকে তারা জানিয়েছে যে কোভ্যাক্স কর্মসূচিতে ভ্যাকসিন অনুদান বৃদ্ধি করা হবে। এক্ষেত্রে আগামী ছয় থেকে সাত সপ্তাহের মধ্যে আরও ২৫ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন পাওয়ার আশা করা হচ্ছে। কোভ্যাক্স হচ্ছে ডব্লিউএইচও, গ্যাভি ভ্যাকসিন অ্যালায়েন্স ও কোয়ালিশন ফর এপিডেমিক প্রিপারেডনেস ইনোভেশনের সহযোগী প্রতিষ্ঠান। এক্ষেত্রে ইউনিসেফ ডেলিভারি ফ্লাইট নিয়ন্ত্রণে তাদের ভ্যাকসিন সরবরাহ অভিজ্ঞতা কাজে লাগাচ্ছে। কোভ্যাক্সের আওতায় বিশ্বের অতি দরিদ্র ৯২ টি দেশকে বিনা মূল্যে টিকা দেয়ার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। এসব দেশে বিতরণ করা টিকার ব্যয় দাতা দেশগুলো পরিশোধ করে। ২০২১-২০২২ সালে কোভ্যাক্স কমপক্ষে ৬১ কোটি ডোজ টিকা অনুদান পাওয়ার আশা করছে। এসবের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ২৬ কোটি, ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলো থেকে ২০ কোটি, ব্রিটেন থেকে ৮ কোটি এবং কানাডা ও জাপান থেকে প্রায় ৩ কোটি ডোজ করে অনুদান আসছে। এদিকে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে করোনায় মৃতের সংখ্যা ও সংক্রমণ বেড়েছে। এ সময় মারা গেছেন আরও ১০ হাজার ১৩৫ জন এবং আক্রান্ত হয়েছেন ৬ লাখ ৫৯ হাজার ১০৯ জন। বিশ্বে এখন পর্যন্ত মোট করোনায় মৃত্যু ৪২ লাখ ০২ হাজার ৮১০ এবং আক্রান্ত হয়েছেন ১৯ কোটি ৬৬ লাখ ৪৮ হাজার ৮১৬ জন। এদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৭ কোটি ৮০ লাখ ৮০ হাজার ১৭৪ জন। নিউজ একাত্তর /আলী হোসেন ...

তুরস্কে বঙ্গবন্ধু ডাকটিকেট অবমুক্তকরণ

২৮ জুলাই ২০২১,আন্তর্জাতিক ডেস্ক, নিউজ একাত্তর : জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মরণে তুরস্কের ডাকবিভাগ থেকে প্রকাশিত একটি ডাকটিকেট অবমুক্ত করা হয়েছে। আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি জানানো হয়, আঙ্কারায় গতকাল দুপুরে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মসয়ূদ মান্নান এবং তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাংস্কৃতিক উইংয়ের মহাপরিচালক ডেনিজ চাকারের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ বৈঠকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মরণে তুরস্কের এ ডাকটিকেট অবমুক্ত করা হয়। বৈঠককালে রাষ্ট্রদূত হাজার বছরের শ্রেষ্ট বাঙ্গালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে বলেন, বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে গণতন্ত্র, শান্তি এবং ধর্মনিরপেক্ষতার এক মূর্ত প্রতীক ছিলেন। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু ছিলেন মানবতা, জনগণের ক্ষমতা এবং আর্থ-সামাজিক মুক্তির অগ্রদূত। বঙ্গবন্ধুর স্মরণে ছবিসহ ডাকটিকেট অবমুক্তির মধ্যে দিয়ে দু দেশের সম্পর্ক আরো দৃঢ় হবে বলে উভয়েই সহমত প্রকাশ করেন। পরিশেষে জাতির জনক বঙ্গন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকী মুজিব বর্ষ উদযাপনের সময়ে ডাকটিকেটটি অবমুক্ত করায় রাষ্ট্রদূত তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ডাক বিভাগকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান। নিউজ একাত্তর /আলী হোসেন...

জটিল রোগীদের বুস্টার ডোজ নিতেই হবে: ফাউসি

২৭ জুলাই ২০২১,আন্তর্জাতিক ডেস্ক, নিউজ একাত্তর : যুক্তরাষ্ট্রে আবারও বাড়ছে করোনার সংক্রমণ। ভাইরাসটির লাগাম টানতে প্রয়োজনে টিকার তৃতীয় ডোজ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. অ্যান্থনি ফাউসি। একইসঙ্গে দেশটিতে আবারও মাস্ক বিধিবাধ্যতামূলক করা হতে পারে। গণমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে মার্কিন শীর্ষ সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ ও প্রেসিডেন্ট বাইডেনের চিকিৎসা উপদেষ্টা ডা. অ্যান্থনি ফাউসি বলেন, করোনা থেকে রক্ষা পেতে ঝুঁকিপূর্ণ বা কঠিন রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের টিকার বুস্টার অর্থাৎ তৃতীয় ডোজ নিতেই হবে। সাধারণ ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও চলছে গবেষণা। মহামারি করোনাভাইরাস মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্র ভুল পথে হাঁটছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। একই সঙ্গে নতুন করে মাস্কপরা চালু করাসহ গণটিকাদান কর্মসূচিকে আরও গতিশীল করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এ স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ। যদিও বাইডেন প্রশাসন জানিয়েছিল, দুটি টিকা নেওয়া হলে মাস্ক পরার প্রয়োজন নেই। টানা ছয় দিন ১ হাজারের বেশি নতুন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হওয়ার পর প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে লস অ্যাঞ্জেলেসে আবারও মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। শনিবার স্থানীয় সময় রাত ১১টা ৫৯ মিনিট থেকে এ নির্দেশনা কার্যকর হয়েছে। এদিকে ভারতে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চও তাদের গবেষণায় জানিয়েছে টিকার বুস্টার বা তৃতীয় ডোজ নেওয়া দরকার। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের ১৬ কোটি ২৭ লাখ মানুষ যা মোট জনগোষ্ঠীর ৪৯ শতাংশ করোনার টিকা গ্রহণ করেছেন। গত এপ্রিল পর্যন্ত টিকা প্রদানে বিশ্বের শীর্ষ স্থানে ছিল যুক্তরাষ্ট্র। তারপর থেকেই দেশটিতে টিকা গ্রহণে আগ্রহ কমতে থাকে। টিকা নিলে নগদ অর্থ, গাঁজা, বিয়ার এমনকি বন্দুকসহ নানা পুরস্কারের ব্যবস্থা থাকলেও শেষ পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট বাইডেনের ঘোষণা অনুযায়ী, এ বছরের ৪ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবসের আগে ৭০ শতাংশ মানুষকে টিকার আওতায় নেওয়ার সেই লক্ষ্য পূরণ হয়নি। টিকার বাইরে থাকাদের মধ্যে ভারতে শনাক্ত হওয়া করোনাভাইরাসের অতিসংক্রামক ‘ডেল্টা ধরনের’ কারণে সংক্রমণ বাড়ায় উদ্বেগ ও সতর্কতা বার্তা জানিয়েছেন দেশটির স্বাস্থ্য বিভাগের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তারা। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে করোনায় মৃতের সংখ্যা ও সংক্রমণ বেড়েছে। এ সময় মারা গেছেন আরও ৭ হাজার ৩৮৭ জন এবং আক্রান্ত হয়েছেন ৪ লাখ ৪৩ হাজার ৬৮ জন। এর আগে সোমবার (২৬ জুলাই) সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে করোনায় মারা গিয়েছিল ৬ হাজার ৮৫৯ জন এবং আক্রান্ত হয়েছিলেন ৪ লাখ ২৭ হাজার ৮০ জন। বিশ্বে এখন পর্যন্ত মোট করোনায় মৃত্যু হলো ৪১ লাখ ৮২ হাজার ৮২৮ এবং আক্রান্ত হয়েছেন ১৯ কোটি ৫৩ লাখ ৪৫ হাজার ৫১৬ জন। এদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৭ কোটি ৭১ লাখ ৮২ হাজার ৬২৫ জন। করোনায় এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যু হয়েছে বিশ্বের ক্ষমতাধর দেশ যুক্তরাষ্ট্রে। তালিকায় শীর্ষে থাকা দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ৩ কোটি ৫২ লাখ ৮৭ হাজার ২৬৯ জন। মৃত্যু হয়েছে ৬ লাখ ২৭ হাজার ৩৯ জনের। নিউজ একাত্তর /আলী হোসেন...

ভারতে বৃষ্টিপাত ও বন্যায় ১৩৫ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু

২৫ জুলাই ২০২১, আন্তর্জাতিক ডেস্ক, নিউজ একাত্তর ঃভারতে তীব্র বৃষ্টিপাত ও বন্যায় ১৩৫ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছেন আরও কয়েক ডজন। তাদের উদ্ধারে অভিযান চলছে। গত বৃহ¯পতিবার থেকেই তীব্র বৃষ্টি চলছে ভারতের পশ্চিম উপকূলবর্তী এলাকায়। দেশটির আবহাওয়া বিভাগ পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কার কথা জানিয়েছে। এ খবর দিয়েছে আল-জাজিরা।খবরে জানানো হয়, মহারাষ্ট্রে ১১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে বন্যা ও ভূমিধসে। এরমধ্যে মুম্বাইয়ের দক্ষিণে থাকা পাহাড়ি এক গ্রামে ভূমিধসে এক স্থানেই ৪০ জনের প্রানহানি হয়েছে। এখনও সেখানে অনেক মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।এতে ভেসে গেছে কয়েক ডজন বাড়ি। পুরো গ্রামে শুধু কংক্রিটের কিছু স্থাপনা রয়ে গেছে। উদ্ধারকারীরা আরও ৯৯ জনকে উদ্ধারের জন্য মাটি সরিয়ে অভিযান চালাচ্ছে।...

করোনা: চট্টগ্রামে ৪ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৭৪২

৩১জুলাই ২০২১, নিজেস্ব সংবাদদাতা, চট্টগ্রাম, নিউজ একাত্তর : গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ২ হাজার ১৩৪টি নমুনা পরীক্ষা করে ৭৪২ জনের করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। পরীক্ষার তুলনায় সংক্রমণের হার ৩৪ দশমিক ৭৭ শতাংশ। শনিবার (৩১ জুলাই) সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদন সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। এদিন করোনায় ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে মহানগর এলাকায় ৩ জন এবং উপজেলায় ১ জন। চট্টগ্রামে মোট মৃত্যুবরণ করেছেন ৯৬২ জন। এদিকে চট্টগ্রামে এরইমধ্যে বিভিন্ন হাসপাতালে শয্যা ও আইসিইউ সংকট দেখা দিয়েছে। সরকারি হাসপাতালে ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত রোগী ভর্তি রয়েছে। স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টরা বলছেন, লকডাউন দেওয়া হলেও মানুষের বিভিন্ন অজুহাতে ঘর থেকে বের হওয়ার প্রবণতাই সংক্রমণ বাড়ার কারণ। তাই মাস্ক ব্যবহার এবং স্বাস্থ্যবিধি মানার বিকল্প নেই। সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বি বলেন, হাসপাতালগুলোতে শয্যা সংকট তৈরি হয়েছে। আইসিইউতে নেই স্থান। এই অবস্থায় চিকিৎসকরা সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন। নিউজ একাত্তর / আলী হোসেন...

১২ দিন বন্ধ থাকার পর চালু হলো বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর

৩১জুলাই ২০২১, পঞ্চগড় সংবাদদাতা, নিউজ একাত্তর : পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে ১২ দিন বন্ধ থাকার পর চালু হলো পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর। শনিবার (৩১ জুলাই) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানিকার গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক কুদরত-ই-খুদা মিলন। জানা যায়, পবিত্র ঈদুল আজহা ও সরকারি ছুটি সমন্বয় করে বাংলাবান্ধা ও ভারতের ফুলবাড়ী স্থলবন্দর দিয়ে পাথরসহ সকল প্রকার পণ্য আমদানি বাণিজ্য ১৯ জুলাই (সোমবার) থেকে ৩০ জুলাই (শুক্রবার) পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। ১২ দিন বন্ধ থাকার পর আজ শনিবার (৩১ জুলাই) সকাল থেকে বাংলাবান্দা স্থলবন্দর দিয়ে ভারত নেপাল ও ভুটানের সাথে সকল প্রকার পণ্য এবং কার্যক্রম পুনরায় চালু হয়েছে । বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক কুদরত -ই খুদা মিলন বলেন, ঈদুল আযহা উপলক্ষে ১২ দিন বন্ধ থাকার পর আজ শনিবার সকাল থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর পুনরায় চালু হয়েছে। এবং ভারত,নেপাল ও ভূটানের বিভিন্ন পণ্যগামী ট্রাক বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে এবং বাংলাদেশ থেকেও ভারতে ট্রাক প্রবেশ করছে। নিউজ একাত্তর / আলী হোসেন...

দেশের বিভিন্ন জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ১৫৯ জনের মৃত্যু

৩০ জুলাই ২০২১, অনলাইন ডেস্ক, নিউজ একাত্তর ঃদেশের বিভিন্ন জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ও উপসর্গ নিয়ে ২০ জেলায় ১৫৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে এবং উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে ময়মনসিংহে। এ বিভাগে ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরপরই রয়েছে সিলেটে। এ বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ও উপসর্গ নিয়ে ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরপরই রয়েছে, বরিশালে ১৬, ফরিদপুরে ১৪, কুমিল্লায় ১৪, ফরিদপুরে ১৪, রাজশাহীতে ১৩, কুষ্টিয়ায় ৮, খুলনায় ৮, যশোরে সাতজন, ঝিনাইদহে ছয়, চুয়াডাঙ্গায় ছয়, পটুয়াখালীতে পাঁচ, সাতক্ষীরায় ৪, নারায়ণগঞ্জে দুই, দিনাজপুরে দুই, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই, বাগেরহাট ১, নড়াইল ১, মেহেরপুরে একজনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল সারাদেশে জাতীয়ভাবে ঘোষিত করোনায় আক্রান্ত হয়ে ২৩৯ জনের মৃত্যু হয়। এ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ হাজার ২৫৫ জনে। এদিনে শনাক্তের সংখ্যা ছিল ১৫ হাজার ২৭১ জনে। নিউজ একাত্তর / ভুঁইয়া ...

দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে যানবাহন ও যাত্রীদের ভীড়

২৯জুলাই ২০২১, রাজবাড়ী সংবাদদাতা, নিউজ একাত্তর : সারাদেশে ১৪ দিনের কঠোর বিধিনিষেধের সময় যত পেরিয়ে যাচ্ছে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে কর্মমুখী মানুষের চাপ ততো বাড়ছে। একই সাথে প্রতিদিনই বাড়ছে ব্যক্তিগত যানবাহন পারাপার। ঈদের পর গড়ে প্রতিদিনই প্রায় দেড় হাজারেরও বেশি ব্যক্তিগত যানবাহন ফেরি পার হচ্ছে। কঠোর বিধিনিষেধ পরিণত হয়েছে ঢিলেঢালা। এই নৌরুট দিয়ে যাত্রী ও যানবাহন পারাপারে কোনভাবেই চাপ কমছে না। অতি প্রয়োজনে ও কর্মে যারা ঢাকায় যাচ্ছেন ফেরি সীমিত থাকায় নদী পার হতে তারা পরেছেন দুর্ভোগে। বিআইডব্লিউটসি কতৃপক্ষ বলছেন, প্রতিদিনই ফেরিতে শত শত যাত্রী ও ব্যক্তিগত যানবাহন পারাপার হচ্ছে। ফেরি চালু থাকায় কোনভাবেই যানবাহন ও যাত্রীদের রোধ করা সম্ভব হচ্ছে না। দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ১৮টি ফেরি চলাচল করলেও করোনা সংক্রমণ রোধে কঠোরবিধি নিষেধ চলমান থাকায় বর্তমানে ৬টি ফেরি চালু রাখা হয়েছে। ফেরি স্বল্পতায় ও গণপরিবহন বন্ধের কারণে দূর-দূরান্ত থেকে আসা কর্মমুখী যাত্রীরা নানান ভোগান্তি নিয়ে ফেরি ঘাটে আসছেন। ঘাটে এসেও ফেরি কম থাকায় দীর্ঘ সময় ঘাটে অপেক্ষা করে নানা দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে তাদেরকে। দৌলতদিয়া ঘাট শাখার সহকারী ব্যবস্থাপক মজিবুর মোল্লা জানান, ফেরি সীমিত করা হলেও এ নৌরুটে প্রতিদিন প্রায় দেড় হাজার ব্যক্তিগত যানবাহন পারাপার হচ্ছে। ঈদের পর থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ১৪ হাজারেরও বেশি ব্যক্তিগত যানবাহন পার হয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে যানবাহন নদী পারাপার করার কথা থাকলেও এসময় এ ব্যক্তিগত যানবাহনগুলো পার হচ্ছে প্রশাসনের ছাড়ের কারণে। দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে বর্তমানে ৩টি ইউটিলিটি ও ৩টি রোরো ফেরি চলাচল করছে। ...

বরিশালে করোনায় মৃত্যু ১৮, আক্রান্ত ৮৫৪

২৮ জুলাই ২০২১, এম.এ. বিল্পব, বরিশাল সংবাদদাতা, নিউজ একাত্তর : বরিশালে করোনায় মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্য ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। অথচ লকডডাউন চলছে ঢিলেঢালাভাবে। গত ২৪ ঘন্টায় শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বরিশাল বিভাগে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ১৮ জনের। একই সময়ে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৮৫৪ জন। বুধবার (২৮ জুলাই) সকালে বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য অফিস ও হাসপতাল সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। মৃতদের মধ্যে পজিটিভ শনাক্ত ৭ জন ও করোনা উপসর্গ নিয়ে ১১ জন মারা যায়। একই সময়ে বরিশাল বিভাগের ৬ জেলায় নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে ৮৫৪ জন। এর মধ্যে বরিশাল জেলার রয়েছে ২৮৮ জন। আক্রান্তের হার শতকরা ৫০ দশমিক ০ ভাগ। এছাড়া নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে পটুয়াখালী জেলায় ১৬৮ জন, ভোলা জেলায় ১৭৬ জন, পিরোজপুর জেলায় ৬৯ জন, বরগুনা জেলায় ৭২ জন এবং ঝালকাঠি জেলায় ৮১ জন। এ নিয়ে বরিশাল বিভাগের ৬ জেলায় করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৯৮ জরে। আর মোট আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৩১ হাজার ৪২৮ জন। বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনা ওয়ার্ডে বর্তমানে ২৫১ জন রোগী ভর্তি আছেন। শেবাচিব হাসপাতালের পিসিআর ল্যাবে ১৮৮টি নমুনা পরীক্ষায় ১১৪ জনের করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তের হার শতকরা ৬০ দশমিক ০ ভাগ। নিউজ একাত্তর / ভুঁইয়া...

নিউইয়র্কে রোড শো অনুষ্ঠানে ওয়ালটনের এমডি: বাংলাদেশে বিনিয়োগ এখন পুরোপুরি নিরাপদ

২৮ জুলাই ২০২১, নিজস্ব সংবাদদাতা,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর : আস্থা, অভিভাবকত্ব ও নির্ভরযোগ্যতা একটা দেশের শিল্পোন্নয়নে এ তিন অনুষঙ্গের সবটুকুই আছে বাংলাদেশে। তাই বাংলাদেশে বিনিয়োগ এখন পুরোপুরি নিরাপদ। নিউইয়র্কে বাংলাদেশের শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ-সংক্রান্ত রোড শোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্য করেন ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোলাম মুর্শেদ। সপ্তাহব্যাপী এ রোড শোর প্রথম দিন ছিল সোমবার। আমেরিকার স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় শুরু অনুষ্ঠানটি। নিউইয়র্ক সিটির কেন্দ্রস্থল ম্যানহাটনের হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল বার্কলের বলরুমে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রবাসীদের নিয়ে প্রথম পর্বের রোড শোর প্যানেল ডিসকাশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে প্যানেলিস্ট হিসেবে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন হাইটেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোলাম মুর্শেদ। তিনি বলেন, ওয়ালটন ২০০৮ সাল থেকে ব্যবসা করে যাচ্ছে। বাংলাদেশের ইলেকট্রনিকস ম্যানুফ্যাকচারিং ইন্ডাস্ট্রি ছিল আমদানিনির্ভর। তবে ২০২১ সালে ওয়ালটন সরকারের সহযোগিতায় এখন পুরোপুরি ম্যানুফ্যাকচারিং বেইজড কোম্পানিতে পরিণত হয়েছে। এতেই প্রমাণিত হয় বাংলাদেশ এখন সম্ভাবনাময়। এখন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করা পুরোপুরি নিরাপদ। বাংলাদেশের শেয়ারবাজারের বর্তমান পরিস্থিতি, বিনিয়োগের সুযোগ-সুবিধা এবং উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের বিস্তারিত দিক তুলে ধরতে আমেরিকার চারটি শহরে সপ্তাহব্যাপী রোড শোর আয়োজন করা হয়েছে। এ আয়োজনের অন্যতম সহযোগী ওয়ালটন। বিশ্ববাজারে নিজেদের জায়গা করার লক্ষ্যে ওয়ালটন এ রোড শোকে গুরুত্ব দিচ্ছে। এ রোড শোকে কেন্দ্র করে ওয়ালটনের ১০ সদস্যের প্রতিনিধি দল এখন নিউইয়র্কে রয়েছে। নিউইয়র্কের এ রোড শোতে দ্য রাইজ অব বাংলাদেশ টাইগার: পটেনশিয়ালস ইন ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ইন বাংলাদেশ শীর্ষক কি-নোট উপস্থাপন করেন শান্তা অ্যাসেটের ভাইস চেয়ারম্যান আরিফ খান। প্রথম দিনের অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন বিএসইসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, বিএসইসির কমিশনার ড. মিজানুর রহমান, বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল নজরুল ইসলাম, বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষ এবং বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান মো. সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ। উদ্বোধনী দিনে দ্বিতীয় সেশনে বিদেশী বিনিয়োগকারীরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানের অন্যতম স্পন্সর বাংলাদেশী ইলেকট্রনিকস জায়ান্ট ওয়ালটন। ২৮ জুলাই দ্বিতীয় রোড শো হবে ওয়াশিংটন ডিসিতে। তৃতীয়টি হবে ৩০ জুলাই লস অ্যাঞ্জেলেসে। চতুর্থ রোড শো হবে সিলিকন ভ্যালি সানফ্রান্সিসকোয়, ২ আগস্ট। নিউজ একাত্তর / ভুঁইয়া...

পন্য আমদানি-রপ্তানি শুরু হয়েছে

২৫ জুলাই ২০২১,অনলাইন ডেস্ক, নিউজ একাত্তর ঃকরোনা কালিন সময়েও মুসলমান সম্প্রদায়ের বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদ-উল-আযহা উৎযাপন উপলক্ষে গত সোমবার সকাল থেকে টানা ৬ দিন হিলি স্থলবন্দরের সকল প্রকার কার্যক্রম বন্ধ থাকার পর, আজ রবিবার সকাল থেকে বন্দর দিয়ে আবারও পন্য আমদানি-রপ্তানি শুরু হয়েছে। সরকারী সকল নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনেই আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এদিকে বন্দরে ফিরে এসেছে কর্ম চাঞ্চল্য। হিলি স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সাধারন সম্পাদক মোস্তাফিজার রহমান জানিয়েছেন, গত ১৯ জুলাই সোমবার থেকে ২৪ জুলাই শনিবার পর্যন্ত টানা ৬ দিন আমদানি-রপ্তানি সহ বন্দরের সকল কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বন্দরের ব্যবসায়ীরা। নিউজ একাত্তর / ভুঁইয়া ...

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে এসএসসি ও এইচএসসির ফলাফলে স্নাতকে ভর্তির আবেদন শুরু

২৮ জুলাই ২০২১, নিজস্ব সংবাদদাতা, নিউজ একাত্তর : জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভূক্ত সকল কলেজে এসএসসি বা সমমানের ও এইচএসসি বা সমমানের ফলাফলের উপর ভিত্তি করে স.তক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তির আবেদন শুরু হয়েছে আজ থেকে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে এবার কোন ভর্তি পরীক্ষা হবে না। ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষে ভর্তির আবেদন আজ বুধবার বিকাল ৪ টা থেকে অনলাইনের মাধ্যমে শুরু হবে। এ কার্যক্রম চলবে আগামী ১৪ আগষ্ট রাত ১২ টা পর্যন্ত। এ সংক্রান্ত বিস্তারিত www.nuac.bd.admissions জানা যাবে। ভর্তি কার্যক্রমে প্রার্থীদের এসএসসি বা সমমান ও এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে প্রতিটি কলেজের জন্য আলাদাভাবে মেধা তালিকা প্রণয়ন করা হবে। ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির ওয়েবসাইটে দেয়া আবেদনপত্র পূরণ করে আগামী ১৬ আগষ্টের মধ্যে প্রাথমিক আবেদন ফি ২৫০ টাকা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে জমা দিতে হবে। এ শিক্ষা বর্ষে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের অনলাইন ক্লাস ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে। এ ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট (www.nu.ac.bd/admissions) Gi Prospectus (Honours) /Important Notice অপশন থেকে জানা যাবে। উল্লেখ্য, ২৪ জুলাই শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের দেয়া বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্বদ্যিালয়ের শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে একটি ভর্তি নির্দেশিকাও দেয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট সকলকে কভিড-১৯ সর্ম্পকিত স্বাস্থবিধি মেনে এ ভর্তি কার্যক্রম অনলাইনে সম্পন্ন করতে হবে। নিউজ একাত্তর / ভুঁইয়া...

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফরম ফিলাপের ফি কমিয়ে আনা হবে :শিক্ষামন্ত্রী

১৫জুলাই, বৃহস্পতিবার, শিক্ষা ডেস্ক ,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, কোভিড-১৯ পরিস্থিতির কারণে এবার এসএসসি বা সমমান এবং এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষার ফি কমিয়ে আনা হবে। তিনি বলেন, এসএসসি বা এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ ও পরীক্ষার ফিসহ সব ধরনের কার্যক্রম অনলাইনে শুরু হবে। শিগগিরই এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হবে। ফলে কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ফি বেশি নেয়ার সুযোগ থাকছে না। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড এ কার্যক্রম যেন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয় সে বিষয়ে নজরদারি করবে। বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষা সংক্রান্ত এক ভার্চূয়াল সংবাদ সম্মেলনে যুক্ত হয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী এসএসসি ও এইসএসসির বিষয়ে বলেন, করোনাভাইরাস পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে নভেম্বরে এসএসসি ও ডিসেম্বরে এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। কোভিড-১৯ পরিস্থিতির সার্বিক বিবেচনায় পরীক্ষা গ্রহণ সম্ভব না হলে সেক্ষেত্রে পরীক্ষার্থীর পূর্ববর্তী জেএসসি বা জেডিসি অথবা এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষার নম্বরের ভিত্তিতে সাবজেক্ট ম্যাপিং করে এবং অ্যাসাইনমেন্টের মাধ্যমে অথবা শুধুমাত্র সাবজেক্ট ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে এসএসসি বা এইচএসসি অথবা সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, এসএসসি বা সমমানের পর্যায়ের অ্যাসাইনমেন্ট প্রদান ১৮ জুলাই থেকে শুরু হবে এবং ১২ সপ্তাহে মোট ২৪ টি অ্যাসাইনমেন্ট করা হবে। তিনটি নৈর্বাচনিক বিষয়ের উপর প্রতি সপ্তাহে ২টি করে মোট ২৪ টি অ্যাসাইনমেন্ট প্রদান করা হবে। অন্যদিকে, এইচএসসি বা সমমানের পর্যয়ের শিক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট ২৬ জুলাই থেকে দেয়া শুরু হবে এবং ১৫ সপ্তাহে তাদেরকে প্রতিটি পত্রে ৫ টি করে মোট ৩০টি অ্যাসাইনমেন্ট দেয়া হবে। তবে, শিক্ষার্থীকে আবশ্যিক ও ৪র্থ বিষয়ের কোন অ্যাসাইনমেন্ট দেয়া হবে না। অনিয়মিত শিক্ষার্থীরাও নিয়মিত শিক্ষার্থীদের মতোই অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করবে এবং জমা অ্যাসাইনমেন্টের মূল্যায়ন দৈবয়ন পদ্ধতিতে করা হবে। অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে যুক্ত ছিলেন, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মাহবুব হোসেন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক সৈয়দ গোলাম ফারুক প্রমুখ।...

অলিম্পিকের পর্দা উঠছে

২৩ জুলাই ২০২১, অনলাইন ডেস্ক, নিউজ একাত্তর ঃশেষ হচ্ছে অপেক্ষার পালা। আগামীকাল জাপানের টোকিওতে পর্দা উঠতে যাচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রীড়াযজ্ঞ ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন দ্য আর্থ’ খ্যাত অলিম্পিকের। তাই আসরের নাম করণ হয়েছে ‘টোকিও অলিম্পিক-২০২০’। করোনায় এক বছর পিছিয়ে যাওয়া টোকিও অলিম্পিকের পর্দা উঠছে ২৩ জুলাই। এ পর্দা নামবে ৮ আগস্ট। ২০৬ দেশের প্রায় সাড়ে ১১ হাজার অ্যাথলেট অংশ নিচ্ছেন এবারের অলিম্পিকে। এছাড়া আজ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের যেকোনো সময়ে তৃতীয় ব্যক্তি হিসেবে 'অলিম্পিক লরেল' সম্মাননা পাচ্ছেন বাংলাদেশের নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস। গত ২৫ শে মার্চ থেকে শুরু হয়েছে টোকিও অলিম্পিকের ১২১ দিনের টর্চ রিলে বা মশাল দৌঁড়। যা ২৩ জুলাই ফুকুশিমায় শেষ হবে। মশাল দৌঁড়ে ১০ হাজার দৌড়বিদ অংশ নিচ্ছেন৷করোনার কারণে কোনো দর্শক ছাড়াই হয় টর্চ রিলের মূল অনুষ্ঠান। ফুকুশিমার উত্তর-পূর্বাঞ্চল থেকে শুরু হয় এই রিলে। ২০১১ সালে ভূমিকম্প, সুনামিতে ফুকুশিমা পারমাণবিক চুল্লির বিপর্যয়ে ১৮ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল৷জাপানের ক্রীড়াবিদ আজুসা ইওয়াশিমিজু প্রথম মশাল হাতে নিয়ে দৌঁড়ান। এই অনুষ্ঠানে কোনো দর্শক ছিল না। পুরো অনুষ্ঠানটি স্ট্রিমিং করে লাইভ দেখানো হয়েছে৷মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে দর্শক ছাড়াই অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবারের অলিম্পিক। অনেক চেষ্টা করেও শেষ পর্যন্ত দর্শকদের কোন সুখবর দিতে পারেনি টোকিও অলিম্পিক আয়োজক কমিটি। করোনা প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় দর্শকদের ছাড়াই অলিম্পিক আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাপান।শুধু টেলিভিশন দর্শকদের মধ্যেই এবারের অলিম্পিক সীমাবদ্ধ থাকলো। সম্প্রতি ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় সেখানকার করোনা পরিস্থিতির আরো অবনতি হওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে আয়োজক কমিটি। তবে নির্দিষ্ট কিছু ভিআইপি ও অলিম্পিক অফিসিয়াল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত হয়েছেন বলে জাপানিজ গণমাধ্যম সূত্র নিশ্চিত করেছে। যদিও অতিথিদের সংখ্যাটি একেবারেই কমিয়ে আনা হয়েছে।আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটি (আইওসি) প্রতিনিধি, বিদেশি ডেলিগেট, পৃষ্ঠপোষক ও গেমস সংশ্লিষ্ঠ আরও কিছু ব্যক্তি আগামী ২৩ জুলাই টোকিওর ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে প্রবেশের অনুমতি পাচ্ছেন। মহামারির কথা চিন্তা করে অলিম্পকে অংশ নিচ্ছেন না অনেক নামিদামি তারকারা।এবারের অলিম্পিক একটু আলাদাই বটে। তাই কোভিড নিয়ম না মানলে শুধুমাত্র এবারের গেমস ভিলেজ থেকেই নয়, ভবিষ্যতের অলিম্পিকেও জায়গা হবে না বলে অ্যাথলেটদের হুঁশিয়ার করে দিয়েছে টোকিও অলিম্পিক কর্তৃপক্ষ।টোকিও অলিম্পিক শুরু হবার পাঁচ সপ্তাহে আগে সকল অ্যাথলেটের জন্য নিয়মের তালিকা করে ৭০ পাতার একটি ‘রুল বুক’ প্রকাশ করেছে অলিম্পিক কমিটি। সেই বইতে সব নিয়ম তুলে ধরা হয়েছে।তবুও ঝুঁকিতে টোকিও অলিম্পিক। ক্রমেই বাড়ছে কোভিড-১৯ আক্রান্তের সংখ্যা। এবার অলিম্পিক ভিলেজেই একেরপর এক অ্যাথলেট ও অফিসিয়ালদের শরীরে ধরা পড়ছে করোনাভাইরাস।এদিকে ‘নতুন স্বপ্নে অলিম্পিক যাত্রা’- এই স্লোগানকে সামনে রেখে এবার টোকিও অলিম্পিকে গেছে বাংলাদেশ। প্রথমবারের মতো সরাসরি অলিম্পিকে খেলার যোগ্যতা অর্জন করা খুলনার ছেলে আরচার রোমান সানাকে ঘিরেই এমন স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশন (বিওএ)। এমনটা জানিয়েছেন টোকিও অলিম্পিক গেমস বাংলাদেশ দলের ‘সেফ দ্য মিশন’ এবং বিওএ’র সহ-সভাপতি শেখ বশির আহমেদ মামুন।দেশ ছাড়ার আগে বিওএর সহ-সভাপতি বশির আহমেদ মামুন আশাবাদী কণ্ঠে বলেন, রোমান সানা সরাসরি কোয়ালিফাই করায় আমরা তাকে নিয়ে গর্বিত। রোমান এক্সেপশনাল গিফটেড খেলোয়াড়। আমরা আশাবাদী ভালো একটা রেজাল্ট করতে পারবে। এবার ভালো একটা সম্ভাবনা আছে। আশা করি, এমন কিছু একটা করবে, যাতে আমরা গর্ববোধ করতে পারি।রোমান ছাড়াও আরেক আরচার দিয়া সিদ্দিকী গেছেন টোকিওতে। শ্যুটিংয়ে আব্দুল্লাহ হেল বাকী, অ্যাথলেটিকসে জহির রায়হান, সাঁতারে আরিফুল ইসলাম ও জুনায়না আহমেদ তাদের সঙ্গী। এবার সাঁতারু আরিফুল ইসলামের হাতে থাকবে বাংলাদেশের পতাকা।সব মিলিয়ে নিজেদের লক্ষ্যের কথা জানাতে গিয়ে বিওএর সহ-সভাপতি বলেন, আমাদের সবারই লক্ষ্য ভালো করা। আমরা এর আগে শ্যুটিংয়ে ভালো করেছি। বাকী আন্তর্জাতিক মানের শ্যুটার। তার যে স্কোর, সে ভালো করতে পারে। দিয়াসহ অন্যরা নিজেদের সেরাটা দিতে পারলে আশা করছি ইতিবাচক ফল হবে। বর্তমানে জরুরি অবস্থা চলছে জাপানে। পুরো গেমসই জরুরি অবস্থার মধ্যে পরিচালিত হবে। ১২ জুলাই থেকে শুরু হওয়া জরুরী অবস্থা চলবে ২২ আগস্ট পর্যন্ত। অলিম্পিক গেমস ২৩ জুলাই শুরু হয়ে ৮ আগস্ট শেষ হচ্ছে। এরপর শুরু হবে প্যারালিম্পিক গেমস।...

ঈদের শুভেচ্ছা জানাল মেসি-নেইমারের ক্লাব

২১জুলাই,বুধবার, স্পোর্টস ডেস্ক ,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঈদ উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছে বার্সেলোনা, ম্যানচেস্টার সিটি ও প্যারিস সেইন্ট জার্মেই'র (পিএসজি) মতো বড় ক্লাবগুলো। প্রতি ঈদেই ক্লাবগুলোর পক্ষ থেকে নিয়মিত মুসলিমদের শুভেচ্ছা জানানো হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে এই শুভেচ্ছা জানায় তারা। বার্সা তাদের টুইটে লিখেছে, শুভ ঈদুল আজহা। পৃথিবীর সব বার্সা ভক্তদেরকে জানাচ্ছি ঈদ মোবারক। এ ছাড়া আরবি হরফে লেখা ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে একটি ছবিও পোস্ট করেছে তারা। ঈদের শুভেচ্ছা জানায় ম্যানচেস্টার সিটিও। ক্লাবের অফিসিয়াল টুইটারে বলা হয়, পুরো পৃথিবীর সব মুসলমানদের জানাই ঈদ উল-আজহার শুভেচ্ছা। ঈদের শুভেচ্ছাবার্তা দিয়ে একটি ছবিও দিয়েছে। যাতে ছিলেন ক্লাবটির তিন খেলোয়াড় রিয়াদ মাহরেজ, রুবেন দিয়াজ ও ফিল ফোডেন। তবে পিএসজি শুভেচ্ছা জানিয়েছে এক ভিডিওবার্তার মাধ্যমে। ভিডিওবার্তায় ছিল ক্লাবে চলতি দলবদলে যোগ দেওয়া তিন খেলোয়াড় জিয়ানলুইজি ডনারুমা, আশরাফ হাকিমি ও সার্জিও রামোসের উপস্থিতি। তিনজনই ঈদ মুবারক বলে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সবাইকে।...

ফকির আলমগীর আর নেই

২৩ জুলাই ২০২১, অনলাইন ডেস্ক, নিউজ একাত্তর ঃপ্রখ্যাত গণসংগীতশিল্পী ফকির আলমগীর আর নেই। আজ রাত দশটা ৫৬ মিনিটে তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে ফকির আলমগীরের বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। তিনি স্ত্রী, তিন ছেলে রেখে গেছেন। করোনা আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। দুই ডোজ টিকা নেওয়ার পরও গত ১৪ই জুলাই ফকির আলমগীরের করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ে। শ্বাসকষ্ট বাড়তে থাকলে পরদিন তাকে হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়। পরে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেয়া হয়। আজ রাত দশটার দিকে তার হার্ট অ্যাটাক হয়। ফকির আলমগীর ক্রান্তি শিল্পী গোষ্ঠী ও গণশিল্পী গোষ্ঠীর সদস্য হিসেবে ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে যোগ দেন। ১৯৭১ সালে তিনি যোগ দেন স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে। ঋষিজ শিল্পীগোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠাতা তিনি। ১৯৯৯ সালে একুশে পদক পান ফকির আলমগীর।...

হাতিরঝিলে কিশোরদের উপদ্রব আটক ৫৫

২৮,জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,ক্রাইম প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঘিঞ্জি ঢাকায় একটু মুক্তভাবে হেঁটে বেড়ানোর জায়গা নেই বললেই চলে। তবে এই অভাবটা কিছুটা হলেও পূরণ করেছে হাতিরঝিল। কিন্তু দিন দিন সেটাও হয়ে পড়েছে অরক্ষিত। কোলাহল তো বেড়েছেই, সেই সঙ্গে বেড়াতে আসা মানুষকে নানাভাবে উত্যক্ত করছে কিশোরদের কয়েকটি দল। এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযান চালিয়ে ৫৫ জন কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ। পুলিশের (মিডিয়া এন্ড পাবলিক রিলেশন্স) এআইজি মো. সোহেল রানা এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, হাতিরঝিলে বেড়াতে আসা একজন গতকাল (২৭ জানুয়ারি) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের মিডিয়া এন্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগে হয়রানির শিকার হওয়ার একটি অভিযোগ দেন। সেই পরিপ্রেক্ষিতে হাতিরঝিল লেক ও লেক সংলগ্ন পার্শ্ববর্তী এলাকায় বিকেল ৪টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত ব্যাপক অভিযান চালায় পুলিশ। এসময় বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকায় ৫৫ জনকে আটক করা হয়। আটকদের মধ্যে ৩ জনের কাছে ৮ পিস, ১২ পিস ও ২৫ পিস ইয়াবা পাওয়া গেছে। এমনকি তাদের বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। এছাড়াও গণ-উপদ্রব ও অহেতুক হৈচৈ করার কারণে ১৬ জনের বিরুদ্ধে ডিএমপি অর্ডিন্যানস অনুযায়ী ব্যবস্থাও নেয়া হচ্ছে। অবশিষ্ট ৩৬ জনকে শর্তসাপেক্ষে অভিভাবকের জিম্মায় দেয়া হয়েছে। এআইজি আরো বলেন, সন্তান যেনো কোনো অপরাধে জড়িয়ে না পড়ে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। দরকার পড়লে পুলিশের সহায়তা নিতে হবে। ...

কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের জন্য আজীবন সংগ্রমী মোস্তফা ভুঁইয়া

২২সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: মোঃ মোস্তফা ভুঁইয়া ১৯৫০ সালের মার্চ মাসের ৪ তারিখে নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলার বাস গ্রামে সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মরহুম ডাঃ মনিরুজ্জামান ভুঁইয়া, মাতার নাম মরহুমা রৌশনারা বেগম। তিনি তিন সন্তানের জনক। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক পুত্র, এক কন্যা, আত্মীয়স্বজন সহ অসংখ্য সহকর্মী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি একসময় খাদ্য অধিদপ্তরে সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি ১৯৭০ সালে ২১ শে ফেব্রুয়ারিতে চাকুরিতে যোগদান করেন। তার চাকুরি জীবন শুরু হয় পাকিস্তানের করাচিতে। তিনি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তৎকালিন পূর্ব পাকিস্তান যা বর্তমানে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি পুনরায় খাদ্য অধিদপ্তরে যোগদান করেন। ২০০৮ সালে তিনি খাদ্য অধিদপ্তরে সহকারী পরিচালক হিসেবে অবসর গ্রহন করেন। তিনি প্রগতিশীল রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। ২০১১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারী স্বদেশ পার্টিতে যাত্রা শুরু করেন। তিনি আমৃত্যু স্বদেশ পার্টির সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি সমাজসেবা, জনকল্যাণ, কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের অধিকার সংগ্রামে জড়িত ছিলেন। তিনি অন্যায়, অত্যাচার, শোষণ, নিপীড়ন, বঞ্চনা- লাঞ্ছনার বিরুদ্ধে একজন বলিষ্ট প্রতিবাদী ছিলেন। তিনি গত ২০২০ সালের ৮ আগস্ট জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতালে রাত ৯টা ৪০ মিনিটে সবাইকে ছেড়ে না ফেরার দেশে পারি জমান। তার অসংখ্য রাজনৈতিক, সামাজিক, সহকর্মী শোকাহিত হৃদয়ে তাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেছে। তার অভাব পূরণ হবার নয়। তার কর্মীরা এক মূহূর্তের জন্য তাকে ভুলতে পারে না। আমরা তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত, শান্তি, এবং জান্নাতুল ফেরদৌস কামনা করছি। ...

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপে আকুল আবেদন

২০সেপ্টেম্বর,রবিবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: সকল শিক্ষারর্থীদের কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন নিশ্চিত করার আগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা হতে বিরত থাকুন। মার্চ ২০২০ হতে কোভিড-১৯ (করোনা) সংক্রমণ শুরু হয়। পর্যবেক্ষণ দেখা যায় শীত প্রধান অঞ্চলে কোভিড-১৯ সংক্রমণ অধিক। আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতে সংক্রমণ বেড়েই চলছে। আমাদের দেশ ঘনবসতি পূর্ণ জনবহুল দেশ। স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সংক্রমণ প্রতিরোধে সরকারি বেসরকারি ব্যাক্তি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের প্রচার প্রচারণায় দেশবাসী সচেতন হয়েছে। দেশের মানুষ সতর্ক হয়েছে। স্বাস্থ্য সুরক্ষাবিধি মেনে চলছে। যার ফল আমরা প্রত্যক্ষ করছি। সামনে শীত মৌসুম। এ অবস্থায় কোভিড-১৯ সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা একেবাড়ে উড়িয়ে দেওয়া যায় না। বিভিন্ন মহল বিশিষের দাবীর মুখে একাধিক ব্যাক্তি ও প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জানা যায় সদাসয় সরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন শ্রেণির পরিক্ষা ও ক্লাস শুরু করার তথ্য। অবশ্যই এই উদ্যেগ ভাল। কিন্তু এ মুহূর্তে তা কতটুকু যুক্তিযুক্ত। কোভিড-১৯ একটি সংক্রামক ও ছোঁয়াছে রোগ। এর চিকিৎসা ও প্রতিরোধ ব্যাবস্থা অত্যন্ত জটিল। তাই এর সংক্রমণ ঠেকাতে আমাদের দেশের সরকার শত চেষ্ঠার পর সম্পূর্ণ সফল হতে পারেনি। অবশ্য আংশিক সফলতা, যথাপোযুক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য অবশ্যই সরকারের সাধুবাদ। ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য। কৃতজ্ঞতাচিত্তে ধন্যবাদ জানাচ্ছিও। আমাদের দেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতিটি শ্রেণিতে ছাত্র-ছাত্রী অনেক। এ অবস্থায় স্বাস্থ্য বিধি মেনে ক্লাস করা কোন অবস্থাতেই সম্ভব নয়। তাই সকল দিকে বিবেচনা করে, প্রতিটি ছাত্র-ছাত্রীর কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন নিশ্চিত না করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ক্লাস শুরু না করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।- ...

জীবনের সুরক্ষাকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার : সেতুমন্ত্রী

২৮ জুলাই ২০২১, এ.হক.কাজল, নিউজ একাত্তর : করোনার এই কঠিন পরিস্থিতিতে সবাইকে জনগণের জন্য রাজনীতি করার আহবান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, বাংলাদেশে করোনায় মৃত্যুর হার প্রতিবেশী দেশ ভারতের চেয়ে বেশি। এমন বাস্তবতায় মানুষের জীবনের সুরক্ষাকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার। তাই সংক্রমণ রোধকল্পে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দলমত নির্বিশেষে সচেতনতা তৈরির পাশাপাশি সবাই সরকারকে সহযোগিতা করুন। সেতুমন্ত্রী আজ সকালে তাঁর সরকারি বাসভবনে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই আহবান জানান। জীবন রক্ষা না পেলে জীবিকা দিয়ে কী হবে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, অনেকে লকডাউন শিথিলের কথা বললেও এমন সংকটকালে জীবনের সুরক্ষাকেই অগ্রাধিকার দিতে হবে। তাই মনে রাখতে হবে কারো কারো অবহেলায় পরিস্থিতি ক্রমে অবনতির দিকে যাচ্ছে। এ অবস্থা চলমান থাকলে অনাকাঙ্খিত বিপর্যয়ের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। তিনি বলেন, দেশের মানুষের সুরক্ষায় বিশেষজ্ঞদের সাথে পরামর্শ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তার প্রতি সবাই আস্থা রাখুন। ব্যাপকহারে সংক্রমণ রোধকল্পে স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে মেনে চলার পাশাপাশি ভ্যাকসিন প্রদানকেই সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, দেশে ভ্যাকসিনের কোন সংকট নেই,মানুষের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভ্যাকসিন নিশ্চিত করতে চূড়ান্ত করা হয়েছে ভ্যাকসিন রোডম্যাপ। দুর্যোগ ও সংকটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি জনমানুষের আস্থা রয়েছে জানিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী জনমানুষের আস্থা পূরণে দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন এবং করোনার এ সংকটে তিনি বিনিদ্র রজনীও যাপন করছেন। জীবন ও জীবিকার সমন্বয় করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর দুরদর্শি সিদ্ধান্তে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতি অন্যান্য দেশের তুলনায় ভালো অবস্থায় রয়েছে। দেশের উন্নয়ন -অর্জন ও সমৃদ্ধিতে যারা লাভবান হয়েছে, বিশেষ করে সমাজের ধনী শ্রেণী মানুষের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, এই সংকটে অন্তত কিছু সহযোগিতা নিয়ে হলেও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান। আওয়ামী লীগ একটি বিশাল রাজনৈতিক সংগঠন, কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত এ সংগঠনের বিস্তৃতি উল্লেখ করে তিনি বলেন, অনেক সময় দলে অনুপ্রবেশকারীরা বিতর্কিত কর্মকান্ড চালায়। এ সকল কর্মকান্ড নজরে এলে সাথে সাথেই তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ওবায়দুল কাদের বলেন, অনেক সময় শুধু সাংগঠনিক নয়,আইনগত ব্যবস্থাও নেওয়ার নজির রয়েছে। যার উদাহরণ সাম্প্রতিককালে সাহেদ,পাপিয়াসহ অনেকের ক্ষেত্রে দল অত্যন্ত কঠোর অবস্থান দেখিয়েছে। অনেকে অনেক কথাই বলেন, কিন্তু দল ক্ষমতায় থাকাকালে অনিয়ম দুর্নীতির অভিযোগে দলের নেতাকর্মী এমনকি জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে যে কঠোরতা আওয়ামী লীগ দেখিয়েছে তা অতীতে দেশের কোন রাজনৈতিক দল দেখাতে পেরেছেন কী? শেখ হাসিনা সরকার এবং আওয়ামী লীগ অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ইতিমধ্যেই স্পষ্ট করেছে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, দলের অনেক সংসদ সদস্যদের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা চলমান এবং তদন্তাধীন, আবার কারো সাজাও হয়েছে। দল কখনো অনিয়মকারীদের প্রশ্রয় দেয়নি, ভবিষ্যতেও দিবে না। করোনার এ সংকটকালে আওয়ামী লীগের প্রতিটি ইউনিট অত্যন্ত সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। কোথাও কোন গতিহীনতা নেই জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, কেন্দ্র থেকে তৃণমূলে সাংগঠনিক সিদ্ধান্তসমূহ অত্যন্ত দক্ষতার সাথে বাস্তবায়িত হচ্ছে। পাশাপাশি দলের উপ-কমিটি ও সহযোগী সংগঠনগুলো সক্রিয়তার সাথে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে। ...

মারাত্মক বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছে কর্মহীনদের পরিবারে

২৫ জুলাই ২০২১, নিজস্ব সংবাদদাতা, নিউজ একাত্তর ঃকরোনা মহামারিতে কর্মহীনদের পরিবারে চাপা হাহাকার বিরাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের। তিনি বলেছেন, নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে তালিকা তৈরি করে সরকারি ব্যবস্থাপনায় দরিদ্র পরিবারের মধ্যে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। রোববার (২৫ জুলাই) দুপুরে জাপার চেয়ারম্যানের প্রেস সেক্রেটারি খন্দকার দেলোয়ার জালালীর পাঠানো এক ভিডিওবার্তায় এসব কথা বলেন জিএম কাদের। জাপা চেয়ারম্যান বলেন, পিপিআরসি ও ব্র্যাকের সাম্প্রতিক গবেষণা জরিপ বলছে, করোনায় এক বছরে দেশের প্রায় ১৫ শতাংশ মানুষের জীবনমান নতুন করে দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে গেছে। সংখ্যায় তা প্রায় ২ কোটি ৪৫ লাখ। আর আগে থেকে দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছেন আরও কয়েক কোটি মানুষ। বিভিন্ন গবেষণা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, সে সংখ্যাও সাড়ে তিন কোটির কম নয়। এ প্রেক্ষিতে যথাযথ তালিকা করে দরিদ্রদের মধ্যে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি জোরদার করার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় দেশজুড়ে চলমান বিধিনিষেধে দারিদ্র্য হার আরও বাড়ার আশঙ্কা আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দারিদ্র্য হার বাড়ার প্রধান কারণ মানুষের কর্মহীনতা ও আয় কমে যাওয়া। বিধিনিষেধের কারণে এসব পরিবারের সদস্যরা কাজের জন্য বের হতে পারছে না। দিন এনে দিন খাওয়া মানুষের পরিবারে মজুদ থাকে না খাবার। আবার দরিদ্র পরিবারের অনেকের প্রয়োজন জীবন রক্ষাকারী ওষুধ। শিশু খাদ্য প্রয়োজন অনেক পরিবারে। এমন অবস্থায় মারাত্মক বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছে কর্মহীনদের পরিবারে। নিউজ একাত্তর / ভুঁইয়া ...

নম্র ও বিনয়ীকে আল্লাহ পছন্দ করেন

২৯,মে,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাব্বুল আলামিনের শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি যেন শান্তিপূর্ণভাবে জীবন যাপন করে, এটাই তার প্রত্যাশা। পরস্পর মতভেদ এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকে তিনি মোটেও পছন্দ করেন না। তাই আচার-ব্যবহারে অযথা রাগ ও ক্রোধ থেকে আমাদের দূরে থাকতে হবে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সবসময় রাগ ও ক্রোধ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিতেন। তিনি মানুষকে সাবধান করে দিয়ে বলেছেন- যে ব্যক্তি নম্র-বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উচ্চাসনে আসীন করেন আর যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে অপদস্থ করেন। আমাদের ভেবে দেখতে হবে আমরা কি আল্লাহ পাকের ইচ্ছা অনুযায়ী নিজেদের জীবন পরিচালনা করছি কি ন। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন- তুমি প্রজ্ঞা ও সদুপদেশের মাধ্যমে তোমার প্রভু-প্রতিপালকের পথের দিকে আহ্বান জানাও। আর তুমি উত্তম যুক্তিপ্রমাণের মাধ্যমে তাদের সাথে তর্ক কর যা সর্বোত্তম। নিশ্চয় আপনার পালনকর্তাই ওই ব্যক্তি সম্পর্কে বিশেষভাবে জ্ঞাত রয়েছেন, যে তাঁর পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়েছে এবং তিনিই ভাল জানেন তাদেরকে, যারা সঠিক পথে আছে। (সুরা আন-নাহল: আয়াত ১২৫)। ইসলাম হলো শান্তির ধর্ম। ইসলাম কল্যাণের ধর্ম। একজন প্রকৃত মুসলমান সে কখনই সন্ত্রাসী এবং নৈরাজ্যকারী হতে পারে না। ইসলামের নামে যারা বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে, তারা মূলত সন্ত্রাসী, প্রকৃতপক্ষে তাদের কোনো ধর্ম নেই। তাই আমরা যে যেখানে যেভাবেই থাকি না কেন বা যে কর্মই করি না কেন, আমাদের সবাইকে নিজ নিজ স্থানে প্রকৃত ইসলামের শিক্ষা তুলে ধরতে হবে এবং নিজেদের আদর্শবান হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। আমাদের কাজ-কর্মে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আদর্শ ফুটিয়ে তুলতে হবে। তবেই মহান আল্লাহ তাআলা আমাদের ভালোবাসবেন। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা অনুযায়ী নিজেদের জীবন পরিচালনা করার তাওফিক দান করুন। আমিন। সূত্রঃ জাগো নিউজ ...

চাঁদ দেখা গেছে, রোজা বুধবার

১৩,এপ্রিল,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশের আকাশে মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) চাঁদ গেছে। বুধবার (১৪ এপ্রিল) থেকে ১৪৪২ হিজরি সালের রমজান মাস শুরু হবে। মঙ্গলবার রাতে তারাবি নামাজ আদায় ও শেষ রাতে সেহরি খেয়ে বুধবার প্রথম দিনের রোজা পালন করবেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ও চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি ফরিদুল হক খান সভাপতিত্ব করেন। সভা থেকে ঘোষণা করা হয় ১৪৪২ হিজরি সালের রমজান মাস ও লাইলাতুল কদরের তারিখ। এদিকে মালয়েশিয়া, সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের আকাশে গত সোমবার (১২ এপ্রিল) পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। ফলে দেশগুলোতে মঙ্গলবার থেকে রোজা শুরু হয়েছে। ইসলামিক বিধান অনুযায়ী রমজানের চাঁদ দেখা যাওয়ায় গত সোমবার দিনগত রাতে সেহরি খেয়ে মঙ্গলবার রোজা রাখছেন ওইসব দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর একদিন পর বাংলাদেশের আকাশে চাঁদ দেখা যায়। ওইসব দেশের পরদিনই বাংলাদেশে রোজা ও ঈদ পালন করা হয়। সে হিসাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বাংলাদেশের আকাশে চাঁদ দেখা যাবে বলে ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা আগে থেকে রোজা পালন ও তারাবি নামাজের প্রস্তুতি নিয়েছেন। ...

একই রোগী কোভিড এবং ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হতে পারেন?

২৩ জুলাই ২০২১,অনলাইন ডেস্ক, নিউজ একাত্তর ঃবাংলাদেশে করোনাভাইরাসে সংক্রমণ এবং মৃত্যু যখন গুরুতর আকার ধারণ করেছে ঠিক তখনই ডেঙ্গু জ্বরের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে।স্বাস্থ্য অধিদফতরের সর্বশেষ হিসাবে দেখা যাচ্ছে, ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ঢাকা শহরের বিভিন্ন হাসপাতালে বর্তমানে ১৫১ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন।চিকিৎসকরা বলছেন, একজন ব্যক্তি একই সাথে কোভিড-১৯ এবং ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হতে পারেন।মশা নিধনের কার্যক্রম জোরদার করতে না পারলে পরিস্থিতি গুরুতর আকার ধারণ করতে পারে বলে আশংকা করছেন চিকিৎসকরা।দেশে জুন থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত ডেঙ্গুজ্বরের প্রাদুর্ভাব বেশি দেখা যায়। লক্ষণ এক হলেও পার্থক্য আছে-চিকিৎসকরা বলছেন, কিছু লক্ষণ এবং উপসর্গ আছে যেগুলা শুরুর দিকে ডেঙ্গু জ্বর এবং কোভিড-১৯-এর ক্ষেত্রে একই রকম।সেক্ষেত্রে অনেক রোগীকে ডেঙ্গু জ্বর এবং কোভিড-১৯ - দুটোর পরীক্ষা একসাথে করা হচ্ছে। ঢাকার বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক শর্মিলা হুদা বলেন, ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত বেশিরভাগ রোগীর জ্বর, গায়ে ব্যথা, মাথা ব্যথা এবং চোখের পেছনে ব্যথা থাকে।তিনি বলেন, সাধারণত এ ধরনের লক্ষণ থাকলে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়না, কারণ হাসপাতালগুলো এখন কোভিড রোগীতে পরিপূর্ণ।তবে পরিস্থিতি যদি জটিলতার ইঙ্গিত দেয় তাহলে হাসপাতালে ভর্তি হতেই হবে। সেক্ষেত্রে অন্য কোনো বিকল্প নেই।একই রোগী কি কোভিড এবং ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হতে পারেন?বাংলাদেশের একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক এ বি এম আবদুল্লাহ বলছিলেন, ডেঙ্গু জ্বর এবং কোভিড-১৯- দুটোই ভাইরাসজনিত রোগ হলে দুটোর মধ্যে কিছু পার্থক্য আছে।একই রোগী কোভিড এবং ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হতে পারে বলে উল্লেখ করেন অধ্যাপক আবদুল্লাহ। দুইটার ক্ষেত্রেই জ্বর, গলা ব্যথা, সর্দি, কাশি এবং স্বাদ না থাকা হতে পারে। করোনার ক্ষেত্রে এসব লক্ষণের সাথে নাকে ঘ্রাণ পায় না এবং কারো কারো পাতলা পায়খানা হয়,বলেন অধ্যাপক আবদুল্লাহ।এছাড়া করোনাভাইরাসের ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা হতে পারে, যেটি ডেঙ্গু জ্বরের ক্ষেত্রে হয় না বলে উল্লেখ করেন অধ্যাপক আবদুল্লাহ।চিকিৎসকরা বলছেন, ডেঙ্গু জ্বরের ক্ষেত্রে চার-পাঁচ দিন পরে শরীরে লাল অ্যালার্জির মতো হতে পারে। তখন রক্তে প্ল্যাটিলেটের মাত্রা কমে যেতে পারে।ডেঙ্গু জ্বরের ক্ষেত্রে শক সিন্ড্রোম হতে পারে যেটি রোগীর মৃত্যুর কারণ হয়।কিছু লক্ষণ আছে যেগুলো থাকলে রোগীকে অবশ্যই হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে। সেগুলোর মধ্যে যদি দেখা যায় যে রোগীর নাক দিয়ে রক্ত পড়ছে। অথবা তার কালো পায়খানা হচ্ছে।শর্মিলা হুদা বলছেন, গুরুতর ডেঙ্গু জ্বরের ক্ষেত্রে নারীদের মাসিকের সময় অতিরিক্ত রক্তচাপ কিংবা হঠাৎ করে মাসিক হতে পারে।ডেঙ্গু প্রতিরোধে কী ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে?বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জমে থাকার বৃষ্টির পানিতে এডিস মশার বংশ বিস্তার হয়, যেটি ডেঙ্গু জ্বরের জন্য দায়ী। ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধ করার জন্য একমাত্র উপায় হচ্ছে এডিস মশার বংশ বিস্তার রোধ করা।এটি করতে না পারলে চিকিৎসা দিয়ে কুলানো সম্ভব হবে না বলে সতর্ক করে দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।এডিস মশার লার্ভা--সেসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে চলতি বছর এপ্রিল মাসে মোবাইল ফোনে বার্তা পাঠিয়ে সতর্ক করে বলা হয়েছে, চলতি বছরও যদি তাদের স্থাপনায় এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়, তাহলে গতবারের চেয়ে বেশি জরিমানা করা হবে।স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম বৃহস্পতিবার বলেছেন, এডিস মশার বংশ বিস্তার ঠেকাতে বিভিন্ন স্থাপনায় যাতে বৃষ্টির পানি জমে না থাকে সেজন্য শুক্রবার থেকে ঢাকায় ২০টি মোবাইল টিম কাজ শুরু করবে। সূত্র : বিবিসি...

রান্নায় স্বাদ বাড়ায়, ডায়াবেটিসও কমায় ধনে পাতা

২৩,মার্চ,মঙ্গলবার,স্বাস্থ্য ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাজারে সবসময় পাওয়া যায় ধনেপাতা। অনেকেই তরকারির স্বাদ বাড়াতে ধনেপাতা ব্যবহার করেন। আবার ভর্তায়ও জায়গা করে নেয় এই সুগন্ধি পাতা। এতো গেল রসনাবিলাসের কথা। কিন্তু জানেন কি, খাবারে স্বাদ বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ধনেপাতার রয়েছে একগুচ্ছ ঔষধি গুণ। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ধনেপাতা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অনেক উপকারী। ফ্লোরিডা রিসার্চ ইনস্টিটিউট জানাচ্ছে, ধনেপাতা কিংবা বীজ রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। ফলে ডায়াবেটিসও নিয়ন্ত্রণে থাকে। ধনেপাতা বীজের মধ্যে থাকে ইথানল। যা ব্লাড সুগার লেভেল কমাতে সাহায্য করে। প্যানক্রিয়াসের বিটা সেল থেকে ইনসুলিন নিঃসরণের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। তাছাড়া ধনেপাতা হজম শক্তি বাড়াতেও সাহায্য করে। খাদ্যাভ্যাসের দরুণ আমাদের শরীরে রোজ তিলে তিলে জমা হতে থাকে বেশ কিছু ভারী ধাতু এবং বিষাক্ত দূষণকারী পদার্থ। এর থেকে শরীরে বহু দূরারোগ্য অসুখ যেমন ক্যান্সার, হৃদরোগ, মস্তিষ্কের বিভ্রাট, মানসিক রোগ, কিডনি ও ফুসফুসের অসুখ এবং হাড়ের দুর্বলতা তৈরি হতে পারে। ধনেপাতা রক্তপ্রবাহ থেকে এই সমস্ত ক্ষতিকর উপাদান দূর করে শরীরকে সুস্থ ও সতেজ রাখতে সাহায্য করে। ধনেপাতায় রয়েছে পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, লোহা ও ম্যাগনেশিয়ামের মতো বেশ কয়েকটি উপকারী খনিজ। এছাড়া ভিটামিন এ এবং ভিটামিন কে'র জোগান দেয় এই পাতা। শুধু তাই নয়, এই উদ্ভিদ অ্যান্টিসেপ্টিক, অ্যান্টিফাংগাল এবং যে কোনও চুলকানি ও চামড়ার জ্বলনে অব্যর্থ ওষুধ। দিল্লির এইমস-এর গবেষণাগারে রিউম্যাটিক আর্থারাইটিস রোগে আক্রান্ত ইঁদুরের পায়ে ধনেপাতার রস প্রবেশ করালে তার শরীরের জ্বলন ও ফোলা ভাব দূর হতে দেখা গিয়েছে। ...

কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের জন্য আজীবন সংগ্রমী মোস্তফা ভুঁইয়া

২২সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,বিশেষ প্রতিবেদন,নিউজ একাত্তর ডট কম: মোঃ মোস্তফা ভুঁইয়া ১৯৫০ সালের মার্চ মাসের ৪ তারিখে নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলার বাস গ্রামে সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মরহুম ডাঃ মনিরুজ্জামান ভুঁইয়া, মাতার নাম মরহুমা রৌশনারা বেগম। তিনি তিন সন্তানের জনক। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, এক পুত্র, এক কন্যা, আত্মীয়স্বজন সহ অসংখ্য সহকর্মী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তিনি একসময় খাদ্য অধিদপ্তরে সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি ১৯৭০ সালে ২১ শে ফেব্রুয়ারিতে চাকুরিতে যোগদান করেন। তার চাকুরি জীবন শুরু হয় পাকিস্তানের করাচিতে। তিনি ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তৎকালিন পূর্ব পাকিস্তান যা বর্তমানে বাংলাদেশে ফিরে আসেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি পুনরায় খাদ্য অধিদপ্তরে যোগদান করেন। ২০০৮ সালে তিনি খাদ্য অধিদপ্তরে সহকারী পরিচালক হিসেবে অবসর গ্রহন করেন। তিনি প্রগতিশীল রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। ২০১১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারী স্বদেশ পার্টিতে যাত্রা শুরু করেন। তিনি আমৃত্যু স্বদেশ পার্টির সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি সমাজসেবা, জনকল্যাণ, কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষের অধিকার সংগ্রামে জড়িত ছিলেন। তিনি অন্যায়, অত্যাচার, শোষণ, নিপীড়ন, বঞ্চনা- লাঞ্ছনার বিরুদ্ধে একজন বলিষ্ট প্রতিবাদী ছিলেন। তিনি গত ২০২০ সালের ৮ আগস্ট জাতীয় হৃদরোগ হাসপাতালে রাত ৯টা ৪০ মিনিটে সবাইকে ছেড়ে না ফেরার দেশে পারি জমান। তার অসংখ্য রাজনৈতিক, সামাজিক, সহকর্মী শোকাহিত হৃদয়ে তাকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেছে। তার অভাব পূরণ হবার নয়। তার কর্মীরা এক মূহূর্তের জন্য তাকে ভুলতে পারে না। আমরা তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত, শান্তি, এবং জান্নাতুল ফেরদৌস কামনা করছি।


একই রোগী কোভিড এবং ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হতে পারেন?

২৩ জুলাই ২০২১,অনলাইন ডেস্ক, নিউজ একাত্তর ঃবাংলাদেশে করোনাভাইরাসে সংক্রমণ এবং মৃত্যু যখন গুরুতর আকার ধারণ করেছে ঠিক তখনই ডেঙ্গু জ্বরের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে।স্বাস্থ্য অধিদফতরের সর্বশেষ হিসাবে দেখা যাচ্ছে, ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ঢাকা শহরের বিভিন্ন হাসপাতালে বর্তমানে ১৫১ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন।চিকিৎসকরা বলছেন, একজন ব্যক্তি একই সাথে কোভিড-১৯ এবং ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হতে পারেন।মশা নিধনের কার্যক্রম জোরদার করতে না পারলে পরিস্থিতি গুরুতর আকার ধারণ করতে পারে বলে আশংকা করছেন চিকিৎসকরা।দেশে জুন থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত ডেঙ্গুজ্বরের প্রাদুর্ভাব বেশি দেখা যায়। লক্ষণ এক হলেও পার্থক্য আছে-চিকিৎসকরা বলছেন, কিছু লক্ষণ এবং উপসর্গ আছে যেগুলা শুরুর দিকে ডেঙ্গু জ্বর এবং কোভিড-১৯-এর ক্ষেত্রে একই রকম।সেক্ষেত্রে অনেক রোগীকে ডেঙ্গু জ্বর এবং কোভিড-১৯ - দুটোর পরীক্ষা একসাথে করা হচ্ছে। ঢাকার বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক শর্মিলা হুদা বলেন, ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত বেশিরভাগ রোগীর জ্বর, গায়ে ব্যথা, মাথা ব্যথা এবং চোখের পেছনে ব্যথা থাকে।তিনি বলেন, সাধারণত এ ধরনের লক্ষণ থাকলে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়না, কারণ হাসপাতালগুলো এখন কোভিড রোগীতে পরিপূর্ণ।তবে পরিস্থিতি যদি জটিলতার ইঙ্গিত দেয় তাহলে হাসপাতালে ভর্তি হতেই হবে। সেক্ষেত্রে অন্য কোনো বিকল্প নেই।একই রোগী কি কোভিড এবং ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হতে পারেন?বাংলাদেশের একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক এ বি এম আবদুল্লাহ বলছিলেন, ডেঙ্গু জ্বর এবং কোভিড-১৯- দুটোই ভাইরাসজনিত রোগ হলে দুটোর মধ্যে কিছু পার্থক্য আছে।একই রোগী কোভিড এবং ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হতে পারে বলে উল্লেখ করেন অধ্যাপক আবদুল্লাহ। দুইটার ক্ষেত্রেই জ্বর, গলা ব্যথা, সর্দি, কাশি এবং স্বাদ না থাকা হতে পারে। করোনার ক্ষেত্রে এসব লক্ষণের সাথে নাকে ঘ্রাণ পায় না এবং কারো কারো পাতলা পায়খানা হয়,বলেন অধ্যাপক আবদুল্লাহ।এছাড়া করোনাভাইরাসের ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা হতে পারে, যেটি ডেঙ্গু জ্বরের ক্ষেত্রে হয় না বলে উল্লেখ করেন অধ্যাপক আবদুল্লাহ।চিকিৎসকরা বলছেন, ডেঙ্গু জ্বরের ক্ষেত্রে চার-পাঁচ দিন পরে শরীরে লাল অ্যালার্জির মতো হতে পারে। তখন রক্তে প্ল্যাটিলেটের মাত্রা কমে যেতে পারে।ডেঙ্গু জ্বরের ক্ষেত্রে শক সিন্ড্রোম হতে পারে যেটি রোগীর মৃত্যুর কারণ হয়।কিছু লক্ষণ আছে যেগুলো থাকলে রোগীকে অবশ্যই হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে। সেগুলোর মধ্যে যদি দেখা যায় যে রোগীর নাক দিয়ে রক্ত পড়ছে। অথবা তার কালো পায়খানা হচ্ছে।শর্মিলা হুদা বলছেন, গুরুতর ডেঙ্গু জ্বরের ক্ষেত্রে নারীদের মাসিকের সময় অতিরিক্ত রক্তচাপ কিংবা হঠাৎ করে মাসিক হতে পারে।ডেঙ্গু প্রতিরোধে কী ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে?বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জমে থাকার বৃষ্টির পানিতে এডিস মশার বংশ বিস্তার হয়, যেটি ডেঙ্গু জ্বরের জন্য দায়ী। ডেঙ্গু জ্বর প্রতিরোধ করার জন্য একমাত্র উপায় হচ্ছে এডিস মশার বংশ বিস্তার রোধ করা।এটি করতে না পারলে চিকিৎসা দিয়ে কুলানো সম্ভব হবে না বলে সতর্ক করে দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।এডিস মশার লার্ভা--সেসব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে চলতি বছর এপ্রিল মাসে মোবাইল ফোনে বার্তা পাঠিয়ে সতর্ক করে বলা হয়েছে, চলতি বছরও যদি তাদের স্থাপনায় এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়, তাহলে গতবারের চেয়ে বেশি জরিমানা করা হবে।স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম বৃহস্পতিবার বলেছেন, এডিস মশার বংশ বিস্তার ঠেকাতে বিভিন্ন স্থাপনায় যাতে বৃষ্টির পানি জমে না থাকে সেজন্য শুক্রবার থেকে ঢাকায় ২০টি মোবাইল টিম কাজ শুরু করবে। সূত্র : বিবিসি

অনুভূতির সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ - তসলিম উদ্দিন রানা

২৩,জুন,বুধবার,নিউজ একাত্তর ডট কম: ১৯৪৯ সালে ২৩ জুন কেএম দাস লেন রোজ গার্ডেনে আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠা লাভ করেন যা পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ নামে প্রতিষ্ঠা লাভ করেন। এবার ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন হবে। বঙ্গবন্ধুর প্রতিষ্ঠিত আদর্শের রাজনীতিক দল আওয়ামী লীগ দুর্বার গতিতে আধুনিক বাংলা গঠনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও সভানেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে প্রিয় স্বাধীনতা আন্দোলন সংগ্রামের সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ। উপ-মহাদেশের রাজনীতিতে প্রায় ৬ দশকেরও বেশি সময় ধরে আভিজাত্যে ও অবিচ্ছেদ্য স্বত্ব হিসেবে নিজেদের অপরিহার্যতা প্রমাণ করেছে গণতান্ত্রিকভাবে জন্ম নেওয়া এই দলটি।এদেশের প্রতিটি লড়াই,আন্দোলন-সংগ্রামে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী প্রচীনতম রাজনৈতিক সংগঠন আওয়ামী লীগের ভূমিকা উজ্জ্বল।আওয়ামী লীগ মানেই বাঙালি জাতীয়তাবাদের মূলধারা।আওয়ামী লীগ মানে বঙ্গবন্ধু,আওয়ামী লীগ মানে স্বাধীনতা। ৪৭এর দেশ বিভাগ,৫২র ভাষা আন্দোলন, ৬২র ছাত্র আন্দোলন,৬৬ এর ছয় দফা, ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, ৭০এর নির্বাচন আর ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা আন্দোলন,৭৫ এর পর নিঃশেষ হয়ে পুনরায় উজ্জীবিত,৯০ এর স্বৈরচ্চার বিরোধী আন্দোলন,৯৬ খালেদা বিরোধী আন্দোলন,২০০১ এর বিএনপি জামাতের বিরুদ্ধে আন্দোলন,২০০৭সালে ১/১১ এর ফখরুদ্দীন -মঈনুদ্দীন তত্ত্ববধায়ক সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন সহ সব লড়াই সংগ্রাম,গনতান্ত্রিক, অসম্প্রাদায়িক আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেছে আওয়ামী লীগ।সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বলে আজও মানুষের নিকট জনপ্রিয় ও আদর্শিক দল হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে। আর এসবের প্রতিটি আন্দোলনের কৃতিত্ব এককভাবে আওয়ামী লীগের উপর বর্তায়।এদলটির উপর সব ঝড়জঞ্জা গেছে যা বলার উপেক্ষা রাখেনা তবুও সব কিছু উত্তরিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে প্রিয় আওয়ামী লীগ। ১৯৪৯ সালে দেশের প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী দল আওয়ামী লীগের যাত্রা শুরু করেন।১৯৪৯ সালের ২৩ জুন পুরনো ঢাকার কেএম দাসলেনের ঐতিহাসিক রোজ গার্ডেনে ততকালীন পাকিস্তানের প্রথম প্রধান বিরোধী দল হিসেবে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠা লাভ করেন।যা পরবর্তীতে আওয়ামী লীগে রুপান্তরিত লাভ করেন। প্রথম কাউন্সিলে মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী সভাপতি এবং শামসুল হককে দলের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়। তখন টগবগে তরুণ নেতা শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন কারাগারে বন্দী। বন্দী অবস্থায় তাকে সর্বসম্মতিক্রমে প্রথম কমিটির সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়।১৯৫৩ সালে ময়মনসিংহে দলের দ্বিতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী সভাপতি এবং শেখ মুজিবুর রহমানকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।১৯৫৫ সালের ২১-২৩ অক্টোবর ঢাকার সদরঘাটের রূপমহল সিনেমা হলে দলের তৃতীয় কাউন্সিল অধিবেশনে আওয়ামী লীগ অসাম্প্রদায়িক সংগঠনে পরিণত হয়। মুসলিম শব্দটি বাদ দিয়ে দলের নতুন নামকরণ হয় পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ।পরে কাউন্সিল অধিবেশনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে মওলানা ভাসানী ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বহাল থাকেন। ৫৭ সালে কাগমারী সম্মেলনে দলের আন্তর্জাতিক নীতির প্রশ্নে সোহরাওয়ার্দী-ভাসানীর মতপার্থক্যের কারণে প্রথমবারের মতো আওয়ামী লীগ ভেঙে যায়। ভাসানীর নেতৃত্বে গঠিত হয় ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ)। আর মূল দল আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন মাওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ ও সাধারণ সম্পাদক শেখ মুজিবুর রহমান বহাল থাকেন।১৯৫৮ সালে পাকিস্তানে সামরিক শাসন জারি হলে আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ড স্থগিত করা হয়।১৯৬৪ সালে দলটির কর্মকাণ্ড পুনরুজ্জীবিত করা হয়। এতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে মাওলানা তর্কবাগীশ ও শেখ মুজিবুর রহমান অপরিবর্তিত থাকেন। ১৯৬৬ সালের কাউন্সিলে দলের সভাপতি পদে নির্বাচিত হন শেখ মুজিবুর রহমান,তার সঙ্গে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন তাজউদ্দীন আহমদ।এর পরে ১৯৬৮ ও ১৯৭০ সালের কাউন্সিলে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক অপরিবর্তিত থাকেন। এই কমিটির মাধ্যমেই পরিচালিত হয় মহান মুক্তিযুদ্ধ।দেশ স্বাধীনতা লাভ করেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রথম কাউন্সিলে সভাপতি হন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন প্রয়াত রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমান।১৯৭৪ সালে বঙ্গবন্ধু স্বেচ্ছায় সভাপতির পদ ছেড়ে দিলে সভাপতির দায়িত্ব দেয়া হয় পঁচাত্তরে কারাগারে ঘাতকদের হাতে নিহত জাতীয় নেতাদের অন্যতম এএইচএম কামরুজ্জামানকে ও সাধারণ সম্পাদক পদে বহাল থাকেন মো. জিল্লুর রহমান।১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট আসে আওয়ামী লীগের ওপর মরণাঘাত। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলে আওয়ামী লীগের রাজনীতি আবারও স্থগিত করা হয়।১৯৭৬ সালে ঘরোয়া রাজনীতি চালু হলে আওয়ামী লীগকেও পুনরুজ্জীবিত করা হয়।এতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক করা হয় যথাক্রমে মহিউদ্দিন আহমেদ ও বর্তমান সংসদের উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীকে।১৯৭৭ সালে এই কমিটি ভেঙ্গে করা হয় আহ্বায়ক কমিটি। এতে দলের আহ্বায়ক করা হয় সৈয়দা জোহরা তাজউদ্দীনকে। ১৯৭৮ সালের কাউন্সিলে দলের সভাপতি করা হয় আবদুল মালেক উকিল এবং সাধারণ সম্পাদক হন জননেতা আব্দুর রাজ্জাক। এরপরই শুরু হয় আওয়ামী লীগের উত্থানপর্ব, উপমহাদেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল হিসেবে গড়ে তোলার মূল প্রক্রিয়া। সঠিক নেতৃত্বের অভাবে দলের মধ্যে সমস্যা দেখা দিলে নির্বাসনে থাকা বঙ্গবন্ধু কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। দেশে ফেরার আগেই ১৯৮১ সালের কাউন্সিলে শেখ হাসিনাকে আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত করা হয় এবং সাধারণ সম্পাদক পদে বহাল থাকেন আবদুর রাজ্জাক। পরবর্তীতে ১৯৮৭ সালে আওয়ামী লীগের সম্মেলনে শেখ হাসিনা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী নির্বাচিত হয়।এরপরে ১৯৯২ সালে শেখ হাসিনা সভাপতি ও জিল্লুর রহমান সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়।এরপরে ২০০২ সালে শেখ হাসিনা সভাপতি ও আব্দুল জলিল সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়। এরপরে ২০০৯ ও ১২ সালে শেখ হাসিনা সভাপতি ও সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়।এরপরে২০১৬ ও ১৮ সালে জননেত্রী শেখ হাসিনা সভাপতি ও ওবায়দুল কাদের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সুদীর্ঘ পথ পরিক্রমায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বাঙালি জাতির ভাষা আন্দোলন, স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধসহ সকল গণতান্ত্রিক, সাধারণ মানুষের ভাত, ভোটের অধিকার আদায়ের আন্দোলন, স্বৈরচ্চার ও স্বৈরচ্চারীনী নেতৃত্বদানের সুমহান গৌরব অর্জন করেছে।আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠার পর এ ভূখণ্ডে যা কিছু বিশাল অর্জন তা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেই হয়েছে। আওয়ামী লীগের ইতিহাসের সঙ্গে এ দেশের মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম ওতপ্রোতভাবে জড়িত।বাঙালি জাতির প্রতিটি মহত এবং শুভ অর্জনে আওয়ামী লীগের সংগ্রামী ও ত্যাগী ভূমিকা রয়েছে অতুলনীয়।ভবিষ্যতেও আওয়ামী লীগ এদেশের জনগণের পাশে থাকবে। প্রতিটি লড়াই সংগ্রাম ও আন্দোলনে নেতৃত্ব ভুমিকা অতুলনীয়।৭৫ এর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর হত্যার মধ্যে দিয়ে যে রাজনীতি শুরু হয়েছিল তার বিরুদ্ধে অনেক অকুতোভয় দুঃসাহসী লোক মৃত্যুবরন করেন ও অনেকে সরকারের নির্যাতনের শিকার হয়,অনেকে জেল জুলুম শিকার করে দলকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য কাজ করেছে যা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। তাদের ত্যাগ তিতিক্ষা আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে আজ এদল ঠিকে আছে।সেই সময় খন্দকার মোস্তাক,জিয়া, এরশাদ,খালেদা গংয়ের বিরুদ্ধে লড়াই সংগ্রাম করতে গিয়ে অনেকের জীবন চলে যায় আর অনেকে নির্যাতিত হয়ে যায়।লক্ষ লক্ষ নেতা কর্মী মামলা,হামলা শিকার হয়ে অনেকে কারাগারে ছিলেন। দেশকে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলায় পরিণত করবে আর মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে এগিয়ে যাচ্ছে প্রিয় দল আওয়ামী লীগ। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আধুনিক বাংলা গঠনে সুগম উন্নয়ন করে যাচ্ছে এমনকি দেশের বড় প্রজেক্ট তথা পদ্ম সেতু নিজ অর্থায়নে করে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিল দেশরত্ন শেখ হাসিনা।দেশকে নিন্ম মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে বিশ্বে দাড় করিয়ে দিয়েছে যা ইতিহাসের মাইলফলক।২০২১ -২২সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ হবে।বিশ্ব আজ বাংলাদেশের উন্নয়নের ভুয়সী প্রশংসা করেন।যা আমাদের জন্য শুভ ও গর্বের বিষয়। এসব কিছুর মুলে আছেন ক্যারিশমাটিক নেতা জননেত্রী শেখ হাসিনা। গনতান্ত্রিক আন্দোলনের মাধ্যমে এরশাদকে হটিয়ে ১৯৯১ সালে নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় আসে আবারো ভোট ও সাম্প্রদায়িক রাজনীতি শুরু করলে তার বিরুদ্ধে আন্দোলন করে ভোট ও ভাতের অধিকার বাস্তবায়ন হয়।এরপর ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসেন।আবারো বিভিন্ন ষড়যন্ত্রের নক্সা করে ২০০১ সালে আওয়ামী লীগকে পরাজিত করে ও ২১ শে আগষ্ট গ্রেনেড হামলা করে জননেত্রী শেখ হাসিনা সহ অনেক নেতা নিহত ও আহত তার বিরুদ্ধে লড়াই সংগ্রাম করে যায়।এরপরে ১/১১ এর বিরুদ্ধে আবারো আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদেরকে লড়াই সংগ্রাম আন্দোলনের মাধ্যমে দেশকে অসম্প্রাদায়িক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা ও ভোটের অধিকার বাস্তবায়ন করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রেখেছে যা ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে।২০০৮ সালে ক্ষমতায় আসে ও আধুনিক বাংলা গঠনে কাজ করে যাচ্ছে সেখানেও দলটির বিরুদ্ধে বহু ষড়যন্ত্রের নক্সা করে যাচ্ছে সব ছিন্নজাল ভেদ করে এগিয়ে যাচ্ছে প্রিয় আওয়ামী লীগ।মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ উন্নয়ন শিখরে আরোহন করছে যা বিশ্বের নিকট অনুকরণীয় হয়ে যাচ্ছে। এদেশে যত মেঘা প্রকল্প ও মধ্যম আয়ের দেশ উন্নীত হচ্ছে তা একমাত্র আওয়ামী লীগের মাধ্যমে হচ্ছে।আজ বিশ্বের মডেল দেশ রুপান্তর হওয়ার পিছনে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করছে প্রিয় আওয়ামী লীগ। দেশরত্ন শেখ হাসিনার নিরলস প্রচেষ্টায় উন্নয়নে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সব নেতা কর্মীরা কাজ করে যাচ্ছে।বিশ্বের রোল মডেল হল বাংলাদেশ যার মুলে কাজ করেছে জননেত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাকে আধুনিক বাংলা গঠনে মেধা সম্পন্ন লোক দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে যা আমরা জাতি হিসাবে গর্ববোধ করি।উন্নয়নমুলক কাজ গুলো করতে গিয়ে বিভিন্ন জায়গায় বাধার সৃষ্টি হচ্ছে আর এক শ্রেণীর ধর্মান্ধতা লোক বিভিন্ন ইস্যু তৈরি করে দেশে অরাজকতা সৃষ্টির পায়তারা করছে যা আমাদের জন্য অশুভ সংকেত।ভালো কাজের বাধা আসবে এটা জননেত্রী শেখ হাসিনা জানে সেজন্য তিনি সব কিছু সজাগ দৃষ্টি দিয়ে অবলোকন করে নিজ হস্তে দমন করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সর্বস্তরের নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।বিশ্বের সব দেশের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপনে অদুরদর্শিতার পরিচয় দিয়েছে শেখ হাসিনা।আজ বাংলাদেশ বিশ্বের মডেল তার একমাত্র দাবীদার জননেত্রী শেখ হাসিনা। আগামী দিনে উন্নত বিশ্বের দিকে ধাবিত হচ্ছে প্রিয় আওয়ামী লীগের নেতা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে।যা আমাদের জন্য অতীব গুরুত্বপূর্ণ ও প্রশংসার দাবীদার। আওয়ামী লীগ পারে পারবে সোনার বাংলা ও আধুনিক বাংলা গঠনে এগিয়ে নিতে বদ্ধ পরিকর।স্বাধীনতার দল নিয়ে আজীবন বাঙালীরা গর্ব করে যা প্রতিটি বাঙালীর জন্য গৌরব। এগিয়ে যাক এগিয়ে যেতে হবে বহুদূর প্রিয় আওয়ামী লীগের। জয় বাংলা,জয় বঙ্গবন্ধু।।- লেখক - তসলিম উদ্দিন রানা, সাবেক ছাত্রনেতা ও সদস্য,অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপকমিটি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।

আজকের মোট পাঠক

161434

নিউজ একাত্তর ডট কম

সম্পাদক : মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চৌধুরী

নির্বাহী সম্পাদক : আহাম্মদ হোসেন ভুইয়া

একটি পপুলার মিডিয়া পাবলিকেশন এর প্রকাশনা | রেজি নং: চ-১২৪২৭/১৭

ই-মেইল : newsekattor@gmail.com, editorekattor@gmail.com, কপিরাইট ©newsekattor.com কর্তৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত