রবিবার, ফেব্রুয়ারী ২৮, ২০২১
করোনায় আক্রান্ত বেবী নাজনীন
২১নভেম্বর,শনিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ব্লাক ডায়মন্ডখ্যাত কণ্ঠশিল্পী বেবী নাজনীন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। গত বুধবার ১০৫ ডিগ্রি জ্বর নিয়ে নিউ জার্সির প্যাটারসনে একটি হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। ভর্তির পর প্রথম করোনা পরীক্ষার ফল নেগেটিভ আসে। কিন্তু চিকিৎসকেরা তার শারীরিক নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর করোনা পজিটিভ বলে উল্লেখ করেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় বেবী নাজনীনের সঙ্গে কথা বলে যুক্তরাষ্ট্র ইন্টার স্টেট বিএনপির সভাপতি কাজী শাখাওয়াত হোসেন আজম এ খবর নিশ্চিত করেছেন। পারিবারিক সূত্র জানায়, শিল্পীর কিডনির কিছু জটিলতাও রয়েছে উল্লেখ করেছেন চিকিৎসকরা। বেবী নাজনীনের সঙ্গে হাসপাতালে রয়েছেন তার ছেলে মহারাজা এবং বোন রিনি সাবরিন। বেবী নাজনীন দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করলেও বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। চারদিন আগে অনলাইনে একটি রাজনৈতিক সভায় যোগ দেন বেবী নাজনীন। ব্যস্ততার কারণে কয়েকদিন সময়মতো খাওয়ার সুযোগ পাননি। এই অনিয়মের কারণেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলে মনে করছেন তার পরিবারের সদস্যরা। তারা বলেন, বেবী নাজনীনের কিডনিতে কিছু সমস্যা আছে। সেজন্য তাকে খুব নিয়ম মেনে চলতে হয়। রাজনীতিতে জড়িত বলে প্রায়ই দেশ-বিদেশে থাকা রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সঙ্গে ভার্চ্যুয়াল মিটিং নিয়ে ব্যস্ত থাকতে হয়। খাওয়া দাওয়ায় অনিয়ম হওয়ায় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তার অসুস্থতা বাড়তে থাকে। জ্বর ও শারীরিক দুর্বলতা দেখা দেয়।
২০ বছরের অপেক্ষায় হৃত্বিক
২০নভেম্বর,শুক্রবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কাহো না পেয়ার হ্যায়- সিনেমা দিয়ে বাবার হাত ধরে ২০০০ সালে বলিউডে যাত্রা শুরু হৃত্বিক রোশনের। দুর্দান্ত অভিনয় এবং অসাধারণ ব্যক্তিত্ব তাকে এনে দিয়েছে দিয়েছে আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা। আগামী বছরের জানুয়ারি মাসে বলিউডে ক্যারিয়ারের ২০তম বছরে পদার্পণ করবেন বলিউডের গ্রিক গড খ্যাত এই অভিনেতা। সেই মাহেন্দ্রক্ষণের সামনে দাঁড়িয়ে নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে ভিন্নভাবে ভাবছেন হৃত্বিক। সম্প্রতি ক্যারিয়ারের ২০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ভারতীয় শীর্ষস্থানীয় এক দৈনিকে সাক্ষাৎকারকালে তিনি এ কথাই জানান। হৃত্বিক বলেন, প্রথমেই বলব গত ২০ বছর বেশ আনন্দের সঙ্গেই কাজ করেছি। কাজের পরিবেশ সবসময় অসাধারণ ছিল। যদি আমাকে অভিনয়ের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করেন তাহলে বলব, কাবিল- সিনেমাটির পর আমি আমার বেশ কিছু ব্যাপারে পরিবর্তন নিয়ে এসেছি। আমি চিন্তা করছি আমার পরবর্তী ক্যারিয়ার নিয়ে। সেটা যতটা সময়ের জন্যই হোক না কেন। আমি আমার সেরাটা দিতে চাই। হৃত্বিকের পরবর্তী কাজগুলো নিয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, আমি লকডাউন চলাকালীন সময়ে অনেকগুলো স্ক্রিপ্ট রাইটারের স্ক্রিপ্ট পড়েছি। সেগুলো নিয়ে ব্রেইন স্টর্মিং করেছি। তবে কতগুলোতে কাজ করবো তা এই মুহুর্তে বলতে পারছি না।আমি আসলে এখন সিনেমার বাজেটের চেয়ে কনটেন্টকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। প্রসঙ্গত, বলিউডের এই জনপ্রিয় অভিনেতাকে বড় পর্দায় সর্বশেষ দেখা গিয়েছে, টাইগার শ্রফ এবং বাণী কাপুরের সঙ্গে ২০১৯ সালের ব্লকবাস্টার- ওয়ার সিনেমায়।
সালমান খান আইসোলেশনে
১৯নভেম্বর,বৃহস্পতিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্বেচ্ছায় আইসোলেশনে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলিউড সুপারস্টার সালমান খান। ব্যক্তিগত গাড়িচালক অশোক ও দুই ব্যক্তিগত কর্মী করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আগামী ১৪ দিন নিজ বাড়িতেই থাকবনে এই সুপারস্টার। আক্রান্ত কর্মী ও চালককে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আর কয়েকদিন পরেই ছিল সালমানের বাবা-মা সেলিম খান ও সালমা খানের বিবাহবার্ষিকীর উদযাপন। পরিকল্পনা ছিল ধুমধাম করে সেই অনুষ্ঠান পালন করবে খান পরিবার। কিন্তু আপাতত সেসব স্থগিত। কর্মীদের করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর পেয়েই দ্রুত আইসোলেশনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন সালমান। পাশাপাশি তার কর্মীরা যাতে হাসপাতালে সঠিক ভাবে চিকিৎসা পান, সে ব্যাপারটাও নিশ্চিত করেন তিনি। এই মুহূর্তে ছোট পর্দার সবচেয়ে জনপ্রিয় ভারতীয় রিয়েলিটি শো বিগ বস-এর সম্প্রচার চলছে। সামনেই নতুন এপিসোডের জন্য শুট করার কথা ছিল সালমানের। এই পরিস্থিতিতে সেটা নিয়েও ধোঁয়াশা দেখা দিয়েছে। সদ্যই শুটিং ফ্লোরে ফিরেছিলেন ভাইজান। প্রভু দেবা পরিচালিত রাধে ছবির কাজ শেষও করেন তিনি।
এবার ওয়েব প্ল্যাটফরমে সরব হচ্ছেন ইরফান
১৮নভেম্বর,বুধবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: যুগটা এখন অনলাইন প্ল্যাটফরমের। আন্তর্জাতিকভাবে নন্দিত অনেক তারকাকে দেখা গেছে এ প্ল্যাটফরমে। শুরুর দিকে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হলেও এদিকেই ঝুঁকছেন দেশের তারকারা। এবার ওয়েব প্ল্যাটফরমের কাজে সরব হচ্ছেন ইরফান সাজ্জাদও। তিনি ওয়েব প্ল্যাটফরমে কাজ করার ব্যাপারে বেশ আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। দুই বছর আগে সুদর্শন এই অভিনেতার কলি ২.০ শিরোনামের একটি ওয়েব থ্রিলার বায়োস্কোপে প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে তার সহশিল্পী ছিলেন নুসরাত ইমরোজ তিশা। সেই কাজটিতে তিনি ভালো সাড়া পান। এ ছাড়া হিরোস ইন্টারন্যাশনাল নামে একটা ওয়েব প্ল্যাটফরমের জন্য কাজ করেন এই অভিনেতা। সেই ধারাবাহিকতায় এবার ইরফান জি-৫, বিঞ্জ ও হইচই প্ল্যাটফরমের হয়ে কাজ করবেন। ইতিমধ্যে স্ক্রিপ্টও হাতে পেয়েছেন উল্লেখ করে ইরফান বলেন, ওয়েবের বড় কিছু প্রজেক্টের সঙ্গে যুক্ত হয়েছি। সেই কাজগুলো করবো যেগুলোর স্ক্রিপ্টও ইতিমধ্যে হাতে পেয়েছি। গল্পগুলো ভালো লেগেছে। প্রস্তুতি নিচ্ছি। খুব শিগগিরই একে একে শুটিং শুরু হবে সেগুলোর। এদিকে ইরফান বিজয় দিবস ও ভালোবাসা দিবসের কাজ নিয়ে ব্যস্ত আছেন। সমপ্রতি- তোমার টানে শিরোনামের একটি নাটকে শুটিং করেছেন তিনি। এতে তার বিপরীতে আছেন তানজিন তিশা।
রুনা লায়লার জন্মদিন আজ
১৭নভেম্বর,মঙ্গলবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: উপমহাদেশের বরেণ্য সংগীতশিল্পী ও সুরকার রুনা লায়লার ৬৮তম জন্মদিন আজ। জন্মদিন উপলক্ষে দিনটি সাধারণত বিশেষ আয়োজনের মধ্য দিয়েই উদযাপিত হয়। কিন্তু এবার করোনা পরিস্থিতি বিবেচনা করে জন্মদিনটিকে ঘিরে কোনো আয়োজনই থাকছে না। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় জন্মদিনের শুভেচ্ছায় ভাসছেন তিনি। জন্মদিন উপলক্ষে ধ্রুব মিউজিক স্টেশনের ইউটিউব চ্যানেলে আজ প্রকাশিত হবে রুনা লায়লার- সুরে এই দেখা শেষ দেখা শিরোনামের একটি গান। এটি লিখেছেন গাজী মাজহারুল আনোয়ার। সংগীতায়োজন করেছেন রাজা ক্যাশেফ। গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন লুইফা। এই কিংবদন্তির জন্মদিন উপলক্ষে ধ্রুব মিউজিক স্টেশনের ইউটিউব চ্যানেলে ক্রমান্বয়ে আরো তিনটি গান প্রকাশিত হবে। রুনা লায়লা প্রথম সুর করেন আলমগীর পরিচালিত- একটি সিনেমার গল্প সিনেমায়। জন্মদিনে রুনা তার ভক্ত ও সবার কাছে দোয়া প্রার্থনা করেছেন। মহামারি এই করোনা থেকে মুক্ত হয়ে সবাই নতুন পৃথিবী দেখবে বলেও প্রত্যাশা করেন তিনি। ১৯৫২ সালে সিলেটে জন্মগ্রহণ করেন রুনা লায়লা। বাবা সৈয়দ মোহাম্মদ এমদাদ আলী ছিলেন সরকারি কর্মকর্তা এবং মা আনিতা সেন ওরফে আমেনা লায়লা ছিলেন সংগীত শিল্পী। তার মামা সুবীর সেন ভারতের বিখ্যাত সংগীত শিল্পী। দীর্ঘ সংগীত জীবনে ১৮টি ভাষায় ১০ হাজারেরও বেশি গান করেছেন তিনি। কুড়িয়েছেন উপমহাদেশের কোটি মানুষের ভালোবাসা। তার দমাদম মাস্ত কালান্দার- গান উপমহাদেশ বিখ্যাত। পাকিস্তানের জুুগ্নু ছবিতে প্রথম প্লেব্যাক করেন তিনি। ১৯৭৪ সালে প্রয়াত সত্য সাহার সুরে- জীবন সাথী ছবিতে গান দিয়ে বাংলাদেশের ছবিতে প্রথম প্লেব্যাক করেন। এরপর পাকিস্তান ও বাংলাদেশের অসংখ্য ছবির গানে কণ্ঠ দিয়েছেন তিনি। নন্দিত এই শিল্পী অভিনয় করেছেন- শিল্পী নামক চলচ্চিত্রেও। দীর্ঘ সংগীত জীবনে ভূষিত হয়েছেন নানা পুরস্কারে। এর মধ্যে রয়েছে পাঁচবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার। এ ছাড়া ভারত থেকে পেয়েছেন সায়গল পুরস্কার। পাকিস্তান থেকে অর্জন করেছেন নিগার, ক্রিটিক্স, গ্র্যাজুয়েটস পুরস্কারসহ জাতীয় সংগীত পরিষদ স্বর্ণপদক। নব্বইয়ের দশকে গিনেস বুকে স্থান পান এই শিল্পী।
কিংবদন্তির বিদায়, মলিন হয়ে গেলো সবকিছু
১৫নভেম্বর,রবিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় আর নেই। একটি অধ্যায়ের সমাপ্তি। ৮৬ বছরে বয়সে শেষ হল সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের কর্মময় পথচলা। হাসপাতালে দীর্ঘ লড়াইয়ের পর বিদায় নিলেন প্রবাদপ্রতিম অভিনেতা, নাট্যকার-বাচিকশিল্পী-কবি ও চিত্রকর সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। রোববার (১৫ নভেম্বর) দুপুর ১২টা ১৫ মিনিটে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। রেখে গেলেন সৃষ্টিকর্মের আলোকিত নির্মাণ। তবুও কিংবদন্তির বিদায়ে মলিন হয়ে গেলো সবকিছু। বিষণ্ণ ছুটির সুর বাজল দীপাবলি উৎসবের মধ্যেই। অসংখ্য ভক্ত-অনুরাগী মানতে পারছেন না- চলে গেলেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়! বাংলার শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র নির্মাতা সত্যজিৎ রায়ের ৩৪টি সিনেমার মধ্যে ১৪টিতেই অভিনয় করেছেন তিনি। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম ১৯৩৫ সালের ১৯ জানুয়ারি। তার আদিপুরুষদের বাড়ি ছিল বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলার শিলাইদহের কাছে কয়া গ্রামে। তার পিতামহের আমল থেকে চট্টোপাধ্যায় পরিবারের সদস্যরা বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের নদিয়া জেলার কৃষ্ণনগরে থাকতে শুরু করেন। সৌমিত্রের পিতা কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবী ছিলেন। সৌমিত্র পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেন কৃষ্ণনগরের সেন্ট জন্স বিদ্যালয়ে। তারপর বাবার চাকরি বদলের কারণে তার বিদ্যালয়ও বদল হতে থাকে। তিনি বিদ্যালয়ের পড়াশোনা শেষ করেন হাওড়া জিলা স্কুল থেকে। তারপর কলকাতার সিটি কলেজ থেকে প্রথমে আইএসসি এবং পরে বিএ অনার্স (বাংলা) পাস করেন। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমহার্স্ট স্ট্রীট সিটি কলেজে সাহিত্য নিয়ে পড়াশোনা করেন তিনি। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় ১৯৫৯ খ্রিষ্টাব্দে প্রথম সত্যজিৎ রায়ের পরিচালনায় অপুর সংসার সিনেমায় অভিনয় করেন। পরবর্তীকালে তিনি মৃণাল সেন, তপন সিংহ, অজয় করের মত বিখ্যাত পরিচালকদের সঙ্গেও কাজ করেছেন। সিনেমা ছাড়াও তিনি বহু নাটক, যাত্রা ও টিভি ধারাবাহিকে অভিনয় করেছেন। অভিনয় ছাড়া তিনি নাটক ও কবিতা লিখেছেন, নাটক পরিচালনা করেছেন। তিনি একজন খুব উচ্চমানের আবৃত্তিকার ছিলেন। চলচ্চিত্রে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় সর্বপ্রথম কাজ প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা সত্যজিৎ রায় নির্মিত অপুর সংসার (১৯৫৯) সিনেমায়। তিনি এর আগে রেডিওর ঘোষক ছিলেন এবং মঞ্চেও অভিনয় করতেন। ধীরে ধীরে তিনি সত্যজিৎ রায়ের সঙ্গে ১৪টি সিনেমায় অভিনয় করেন। তার অভিনীত কিছু কিছু চরিত্র দেখে ধারণা করা হয়, তাকে মাথায় রেখেই গল্প বা চিত্রনাট্যগুলো লেখা হয়েছে। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় অভিনীত চরিত্রগুলোর ভিতরে সব থেকে জনপ্রিয় হলো ফেলুদা। তিনি সত্যজিৎ রায়ের পরিচালনায় সোনার কেল্লা এবং জয় বাবা ফেলুনাথ সিনেমায় ফেলুদার ভূমিকায় অভিনয় করেন। প্রথমে ফেলুদা চরিত্রে তার চেয়েও ভালো কাউকে নেওয়ার ইচ্ছে থাকলেও তার অভিনীত ফেলুদার প্রথম সিনেমো সোনার কেল্লা বের হওয়ার পর সত্যজিৎ রায় স্বীকার করেন, তার চেয়ে ভালো আর কেউ চরিত্রটি করতে পারতেন না।
শিল্পকলা একাডেমির পরিচালক হলেন আফসানা মিমি
১৪নভেম্বর,শনিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির পরিচালক হলেন এক সময়ের নিয়মিত মঞ্চকর্মী ও জনপ্রিয় টিভি তারকা আফসানা মিমি। তাকে তিন বছরের জন্য এ পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। আফসানা মিমি জানান, গত ১১ নভেম্বর তার চুক্তির কাজ সম্পন্ন হয়। তিনি বলেন, নাটক করেই একটি জীবনের বেশিরভাগ সময় কাটিয়ে দিলাম। আমার সমস্ত ভাবনায় নাটকের উন্নয়ন। কাজেই এই নিয়োগে সরকারের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতার শেষ নেই। আমি ভীষণ খুশি। আফসানা মিমি মঞ্চ-টেলিভিশন ও সিনেমার অভিনয় শিল্পী হলেও গেল কয়েক বছর ধরে কেবল নাটক পরিচালনায়ই বেশি সময় দিচ্ছেন। একটার পর একটা ধারাবাহিক নাটক পরিচালনা করে দর্শকদের কাছ থেকে সাড়া পেয়েছেন। আফসানা মিমি কোথাও কেউ নেই ধারাবাহিক নাটকে অভিনয় করে নব্বই দশকে প্রথম আলোচনায় আসেন। এ ছাড়া, প্রশংসিত কিছু সিনেমায়ও অভিনয় করেন তিনি। তার মধ্যে অন্যতম হলো- চিত্রা নদীর পাড়ে, নদীর নাম মধুমতি। নব্বই দশকে মঞ্চ নাটক দিয়ে অভিনয়ে পথচলা শুরু আফসানা মিমির। দেশ সেরা নাটকের দল নাগরিক নাট্য সম্প্রদায়ে যোগ দেন তিনি। এই দলের হয়ে নিয়মিত অনেক বছর সফলতার সঙ্গে কাজ করেছেন।
এলো মিউজিক্যাল ফিল্ম- আমারে দিয়া দিলাম তোমারে
১৩নভেম্বর,শুক্রবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সাব্বির নাসিরের গাওয়া, ওমর ফারুক বিশালের লেখা এবং মুরাদ নূরের সুরে সাড়া জাগানো গান আমারে দিয়া দিলাম তোমারে এবার মিউজিক্যাল ফিল্ম রূপে প্রকাশ পেয়েছে। এটি সাব্বির নাসিরের ইউটিউব চ্যানেলে শুক্রবার (১৩ নভেম্বর) প্রকাশ পায়। এর আগে গানটির স্টুডিও ভার্সন সাব্বির নাসিরের ফেসবুক পেজ, ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত হয়। সময়টা ১৯৪৬ সাল। একদিকে, ব্রিটিশ বিরোধী সশস্ত্র বিপ্লবী সংগ্রামের সময়, অন্যদিকে দাঙ্গা। এই আন্ডারগ্রাউন্ড আন্দোলনে জড়িয়ে পড়া ছেলেকে কলকাতা থেকে ফিরিয়ে এনেছে বাবা। বিয়ে দিয়ে দেবেন। ছেলের মাথায় তখন আন্দোলনের ভূত। বিয়ে হয়ে যায়। এই প্রেক্ষাপটে নির্মিত হয়েছে- আমারে দিয়া দিলাম তোমারে শিরোনামের গানটির অফিসিয়াল মিউজিক্যাল ফিল্ম। আলোচিত এ গানের কিছু অংশ আদা সমুদ্দুর নাটকে ব্যবহার করা হয়েছে। তখনই গানটি ব্যাপক শ্রোতাপ্রিয়তা পায়। এবার প্রকাশ পেল গানটির অফিসিয়াল মিউজিক্যাল ফিল্ম। গানের মডেল হিসেবে কাজ করেছেন আবু হুরায়রা তানভীর ও পুনম হাসান জুঁই। মানিকগঞ্জে এর দৃশ্যধারনের কাজ হয়েছে। এ প্রসঙ্গে সাব্বির নাসির বলেন, গানটি শ্রোতারা আগেই শুনেছেন এবং প্রকাশের পর বেশ সাড়া পেয়েছি। তাই এবার শ্রোতাদর্শকের জন্য প্রকাশ করা হলো এই গানের অফিসিয়াল মিউজিক ভিডিওটি। শাহরিয়ার পলক সুন্দরভাবে এটি নির্মাণ করেছেন। আশা করি, সকলের পছন্দ হবে। গানটির অফিসিয়াল ভিডিও নির্মাতা শাহরিয়ার পলক বলেন, গানটি শোনার পরই মানব প্রেমের বিষয়টি খুঁজে পাই আমি। কমন কিছু বানাতে চাইনি। তাই ১৯৪৬ সালকে বেছে নেওয়া। এ সময়টা নোয়াখালী রায়টস-এর জন্য পরিচিত। আন্দোলনের সময় ছিল তখন। নিজের জমিদারি রক্ষা করা ও অন্যদিকে আন্দোলন, দাঙ্গা থেকে সন্তানকে রক্ষা করার জন্য জমিদার তার পুত্রকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনেন। এদিকে জমিদারপুত্র একটি মেয়ের প্রেমে পড়েন। প্রেম মানুষ হত্যাকেও থামিয়ে দিতে পারে। এটা এমনই একটি শক্তি। সে বিষয়গুলো এবং সেসময়ের কস্টিউমেও তার বহিঃপ্রকাশ ভিডিওচিত্রে তুলে আনার চেষ্টা করেছি।
মনোযোগী সারিকা
১২নভেম্বর,বৃহস্পতিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জনপ্রিয় মডেল-অভিনেত্রী সারিকা সাবরিন। দীর্ঘদিন পর আবারো অভিনয়ে মনোযোগী হয়েছেন জানান তিনি। গেল কোরবানি ঈদের আগ থেকে নিয়মিত কাজ করছেন এই অভিনেত্রী। ঈদে বেশ কয়েকটি নাটকে দেখা গেছে তাকে। গতকাল এই অভিনেত্রী নির্মাতা দীপু হাজরার- গেইম অফ লাইফ শিরোনামের একটি খণ্ড নাটকের শুটিং করেন। এতে তিনি জুটি বাঁধেন সজলের বিপরীতে। সজলের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা বরাবরই ভালো উল্লেখ করে সারিকা এই নাটক প্রসঙ্গে বলেন, সজল আমার প্রিয় একজন সহশিল্পী। অন স্ক্রিনে আমাদের বোঝাপড়াটা খুব ভালো। কাজ করার সময়ও আমাদের কেমিস্ট্রি ভালো থাকে। এই কাজটাও ভালো হয়েছে। দীপু হাজরা ভাইয়ের সঙ্গে প্রথম কাজ। কাজটা করে ভালো লেগেছে। কারণ স্ক্রিপ্ট একটু ভিন্ন। গতানুগতিক প্রেমের গল্প যে রকম দেখি সে রকম না। দর্শকরা পছন্দ করবে আশা করছি। গেইম অফ লাইফর আগে বিইউ শুভর পরিচালনায়- পাসওয়ার্ড ফেরত চাই শিরোনামের একটি নাটকের শুটিং করেছেন সারিকা। এতে টমবয় টাইপের একটি মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। এ ধরনের চরিত্রে আগে কখনো কাজ করেননি জানান এই অভিনেত্রী। এদিকে খুব শিগগিরই সারিকার অভিনীত কিছু নাটক প্রচারিত হবে বলে। আর এখন থকে হুটহাট আড়ালে নয়। নিয়মিত কাজে থাকবেন বলেও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। অভিনয়ের বাইরে প্রথমবারের মতো উপস্থাপনায় নাম লিখেছেন এই গ্ল্যামারকন্যা। সম্প্রতি বাংলাভিশনের আমার আমি অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা শুরু করেছেন তিনি। এর আগে এই অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেছেন মিথিলা। উপস্থাপনা নিয়ে সারিকার ভাষ্য, আমার আমি দিয়ে উপস্থাপনা শুরু করলাম। প্রথম সব কিছুরই অনুভূতি অন্যরকম। খুবই সম্মানিত বোধ করছি এই অনুষ্ঠানটি করে। যেহেতু এর আগে উপস্থাপনা করিনি খানিকটা নার্ভাস ছিলাম। একবারে সাবলীল উপস্থাপনা করতে আরো কিছুদিন সময় লাগবে। আশা করি সামনে আরো ভালো করবো। সবাই অনুষ্ঠানটি দেখবেন। তাহলে আমি আরো অনুপ্রাণিত হবো।