রবিবার, ফেব্রুয়ারী ২৮, ২০২১
সড়ক দুর্ঘটনায় অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন শাহানাজ খুশি
১৮,জুলাই,শনিবার,বিনোদন ডেস্ক,,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনার কারণে গেল চার মাস কোনো নাটকের শুটিং করেননি অভিনেত্রী শাহানাজ খুশি। দীর্ঘ বিরতির পর বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) শুটিংয়ে ফিরতে গিয়ে সড়ক দুর্ঘটনার মুখে পড়েছিলেন তিনি। অল্পের জন্য বেঁচে গেছেন এই অভিনেত্রী। খুশি জানান, বৃহস্পতিবার ঈদের নাটক নসু ভিলেন-এর দৃশ্যায়নের জন্য পুবাইল যাওয়ার পথে দুর্ঘটনা ঘটে। গাজীপুর যাবার পথে গাড়িটির উপর চড়াও হয় একটি বিশাল কার্গো। এতে করে গাড়ি কাগজের মতো দুমড়ে মুচড়ে যায়। সৃষ্টিকর্তার কৃপায় বেঁচে গেছি। খুশি জানান, তার গাড়িকে পেছনে ঠেলে নিয়ে থেমে থাকা একটি ট্রাকের সঙ্গে চেপে ধরে কার্গোবাহী ট্রাক। সেটি চালাচ্ছিল হেলপার, যার আনুমানিক বয়স ১৬-১৭ বছর। ড্রাইভারের প্রসঙ্গে উল্লেখ করে বলেন, গুরুত্বপূর্ণ কথা হলো, ওনার কোন লাইসেন্স নাই! এমন নাকি চলে, কোন সমস্যা হয় না! আমি আসলে পুরো সেন্সে ছিলাম না, কিছু কিছু কথা আমি ভুলতে পারছি না! পুবাইল পুলিশ, শুটিংয়ের ছেলেরা, আমার বাসার মানুষ সবাই চলে এসেছে। আমি তখন থরকম্প একটা মাংসপিণ্ড কেবল। কেউ একজন ক্ষতিপূরণের কথা বলায় ড্রাইভার বলছে, মানুষ মাইরালায় ট্যাহা লাগে না, বাঁইচ্যা আছে, তাও ট্যাহা লাগবো!' খুশি জানান, কত বড় অরাজকতার মধ্যে আমরা বাস করছি, তা ভুক্তভোগী সবাই জানি। আজ স্বাস্থ্যখাত সামনে এসেছে বলে সাহেদদের মতো অসংখ্য অসংখ্য কালপ্রিট সামনে আসছে, পরিবহন খাতটা দীর্ঘকাল হলোই এমন! প্রতিদিন এমন অসংখ্য দুর্ঘটনায় শেষ হচ্ছে হাজারো পরিবার, খালি হচ্ছে মায়ের কোল, সন্তানের বুক! কিন্তু কোন প্রতিকার নেই। স্বাস্থ্যখাতের চেয়েও আরও দুর্গম, অন্ধকার, অন্যায়ে ঠাসা এ পরিবহনখাত! সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খুশি লেখেন, আমি কাল থেকে অপ্রকৃতস্থ প্রায়! খেতে পারছি না, চোখ বন্ধ করতে পারছি না। আমার ছেলে দুইটা এ ভয়াবহতায় এলোমেলো। বাচ্চা ছেলেটা রাতে ঘুমের ওষুধ খেয়ে ঘুমিয়েছে! আমি কিছু বুঝতে চাই না। আমি আমার দেশের প্রতি, আইনের প্রতি শতভাগ শ্রদ্ধাশীল এবং দায়িত্ববান। আমার এবং আমার পরিবারের দ্বারা দেশের বিন্দু পরিমাণ সম্মান ক্ষুণ্ণ হয় নাই। বরং দেশের মর্যাদা রক্ষায় আমরা বদ্ধ পরিকর। আমি শুধু আমার জীবনের নিরাপত্তা চাই। তিনি আরও লেখেন, জীবনে এত যুদ্ধ, এত শিক্ষার পর একজন অশিক্ষিত নেশাগ্রস্ত লাইসেন্সবিহীন ড্রাইভারের হাতে জীবন দিতে রাজী নই। দয়া করে আইন সংশোধন করে আমাদের জীবনকে নিরাপদ করুন। আমি আমার সন্তানকে দায়িত্বপূর্ণ নাগরিক করার দায়িত্বভার নিষ্ঠার সাথে পালন করছি। আপনারা আমাদের জীবন ও পথকে নিরাপদ করুন।
মারা গেছেন মডেল জুনাইদ শাহ
১৭,জুলাই,শুক্রবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বলিউড তারকা রণবীর কাপুরের সঙ্গে তার চেহারার অদ্ভুত মিল। খবরের শিরোনাম হয়ে অনেক আগেই দারুণ সাড়া ফেলেছিলেন মডেল জুনাইদ শাহ। কিন্তু অল্প বয়সেই থমকে গেল এই কাশ্মীরি যুককের জীবন। হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে শ্রীনগরে তিনি মারা গেছেন। শুক্রবার (১৭ জুলাই) কাশ্মীরি সাংবাদিক ইউসুফ জামিল এক টুইটার পোস্টে জুনাইদের মৃত্যুসংবাদ জানিয়েছেন। ইউসুফ জামিল টুইটারে লেখেন, আমাদের পুরনো প্রতিবেশি নিসার আহমেদের ছেলে জুনাইদ গুরুতর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে গতরাতে মারা গেছেন। সবাই বলে, তিনি বলিউড অভিনেতা রণবীর কাপুরের মতো দেখতে। আমি বলি, তার বাবা-মা ও কাশ্মীরের কাছে তিনি ছিলেন একটি বড় আশা ও শক্তি। তিনি আরও জানান, ২৮ বছর বয়সী জুনাইদ মাসখানেক আগেই মা-বাবার সঙ্গে মুম্বাই থেকে ফিরেছেন। মুম্বাইয়ে তিনি মডেলিং করতেন। তিনি অনুপম খেরের অ্যাক্টিং স্কুলেও ভর্তি হয়েছিলেন। ইতোপূর্বে তার হৃদরোগের কোন কথা শোনা যায়নি। কয়েক বছর আগেই জুনাইদ শাহের ছবি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়েছিল। কারণ ছিল, অভিনেতা রণবীর কাপুরের সঙ্গে তার চেহারার হুবহু মিল। তাই রণবীরের ভক্তরা হুমড়ি খেয়ে পড়েছিল তখন। এমনকি রণবীর কাপুরের বাবা ঋষি কাপুরও ২০১৫ সালে এক টুইট পোস্টে লিখেছিলেন, হায় ভগবান! আমার নিজের ছেলের জমজ আছে! শপথ করে বলছি, এদের আমি আলাদা করতে পারছি না। দারুণ জমজ।
পর্দায় ১৫ আগস্ট, চিত্রনাট্য লিখছেন শেখ সেলিম
১৭,জুলাই,শুক্রবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: এবার পর্দায় উঠে আসছে ৭৫র ১৫ আগস্ট। বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে অন্ধকারতম এ অধ্যায়টির অন্যতম সাক্ষী আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। তিনি নিজেই লিখছেন এর চিত্রনাট্য। আর তাতে নিজের চরিত্রে নিজেই অভিনয় করবেন। বঙ্গবন্ধু পরিবারের এই বর্ষীয়ান নেতা সেভাবেই প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এদিকে এতে থাকছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের চরিত্রও। আর সেই চরিত্রে অভিনয় করবেন বঙ্গবন্ধু পরিবারের আরেক সদস্য যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ। বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন অভিনেত্রী নিপুণ আক্তার। তার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান টিউলিপ মিডিয়া অ্যান্ড এন্টারটেইনমেন্টের ব্যানার থেকে এই ইতিহাসনির্ভর কাজটি নির্মিত হচ্ছে। যদিও এটি সিনেমা না ওয়েব সিরিজ, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট করেননি অভিনেত্রী। সেই সঙ্গে এতে তিনি নিজে অভিনয় করবেন কিনা সে বিষয়টিও স্পষ্ট করতে চাইছেন না এখনি। এ বিষয়ে নিপুন বলেন, সবকিছু আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে। সত্যি বলতে ১৫ আগস্ট আমাদের জন্য একটা ইতিহাস হলেও, সেলিম আঙ্কেলদের জন্য এটি খুবই স্পর্শকাতর বিষয়। এই দিনটিকে নিয়ে তিনি বা বঙ্গবন্ধু পরিবারের অন্য সদস্যরাও সচরাচর কথা বলতে চান না। সেজন্যই এই কাজটি নিয়ে আমি আগাম তেমন কিছু বলতে চাই না। তবে এটুকু বলছি, আমি সেলিম আঙ্কেলকে বুঝিয়ে এই কাজটি করার চেষ্টা করছি। তিনি এরমধ্যে লেখা শুরু করেছেন। নিজের চরিত্রে অভিনয়ের জন্য সম্মতি দিয়েছেন। নিপুণ আরও বলেন, এটা ঠিক কী হবে সেটা এখনি বলবো না। তবে ওয়েব সিরিজ হচ্ছে না, এটা নিশ্চিত করছি। আর করোনাকাল পার করতে পারলেই আমরা শুটিংয়ে যাবো। সেটিও গুছিয়ে রেখেছি।- একুশে টেলিভিশন
দেশে ফিরেছেন ছেলে-মেয়ে, আগামীকাল শেষকৃত্য এন্ড্রু কিশোরের
১৪,জুলাই,মঙ্গলবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মৃত্যুশয্যায়ও বারবার ছেলে-মেয়েদের খোঁজ করছিলেন কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী এন্ড্রু কিশোর। জানতে চেয়েছিলেন ছেলে-মেয়েদের অস্ট্রেলিয়া থেকে দেশে পৌঁছাতে কতদিন সময় লাগবে? ছেলে-মেয়েরাও বাবাকে দেখতে ছিলেন উদগ্রীব। কিন্তু করোনার কারণে সঠিক সময়ে বাবার কাছে আসা হয়নি তাদের। তাই শেষ দেখাটা আর হলো না! ৬ জুলাই সন্ধ্যা ৬টা ৫৫ মিনিটে না ফেরার দেশে চলে যান এন্ড্রু কিশোর। এদিকে বাবার মৃত্যুর এক সপ্তাহ পরে গতকাল দেশে এসে পৌঁছেছেন এন্ড্রু কিশোরের মেয়ে এন্ড্রু সঙ্গা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এন্ড্রু কিশোরের শিষ্য ও সংগীতশিল্পী মোমিন বিশ্বাস। তিনি জানান, সোমবার সকালে সঙ্গা রাজশাহী শহরে এসে পৌঁছেছেন। অস্ট্রেলিয়ায়ই বাবা এন্ড্রু কিশোরের একটি ছবি বাঁধাই করেছিলেন তিনি। বাবার ছবি বুকে জড়িয়ে কাঁদতে কাঁদতে দেশে ফিরেছেন এন্ড্রু সঙ্গা। এছাড়া নিজেই ডিজাইন করে এনেছেন বাবার শেষ আয়োজনের ব্যানার। এদিকে বাবার মৃত্যুর খবর পেয়ে গত বৃহস্পতিবার দেশে এসেছেন এন্ড্রু কিশোরের ছেলে সপ্তক। রাজশাহীতে এসেই ছুটে যান হাসপাতালে। কফিনে মোড়ানো বাবাকে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। জানা গেছে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শহীদ মিনারে শেষ শ্রদ্ধার জন্য এন্ড্রু কিশোরকে নেওয়ার পরিকল্পনা বাতিল করা হয়েছে। করোনার কারণে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ সিদ্ধান্ত বাতিল করেছে। আগামীকাল ১৫ই জুলাই হবে এন্ড্রু কিশোরের শেষকৃত্য। এদিন সকালে প্রথমেই রাজশাহী শহরের স্থানীয় চার্চে নেওয়া হবে শিল্পীর মরদেহ। এরপর তাকে নিয়ে আসা হবে রাজশাহীর কালেক্টরেট মাঠের পাশে খ্রিষ্টানদের কবরস্থানে। সেখানে বাবা-মায়ের কবরের পাশেই সমাহিত হবেন প্লেব্যাক সম্রাট এন্ড্রু কিশোর।
দিল্লি চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হবে- নোলক ও মায়া
১৩,জুলাই,সোমবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাকালে বাতিল হয়েছে বহু চলচ্চিত্র উৎসব। তবে বেশকিছু উৎসব অনলাইনের মাধ্যমে পরিচালনা করা হয়েছে। সেই পথে হাটলো দিল্লির ইন্দুস ভ্যালি ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল। আগামী ১ আগস্ট থেকে অনলাইনে উৎসবটি শুরু হচ্ছে। আর পর্দা নামবে ৯ আগস্ট। বাংলাদেশ থেকে পূর্ণদৈর্ঘ্য দুইটি সিনেমা উৎসবে প্রদর্শিত হবে। এতে পপুলার ক্যাটাগরিতে বাণিজ্যিক সিনেমা হিসাবে মনোনয়ন পেয়েছে সাকিব সনেট পরিচালিত নোলক এবং ফিচার ফিল্ম সেকশনে মাসুদ পথিকের মায়া-দ্য লস্ট মাদার মনোনীত হয়েছে। বাংলাদেশ থেকে উৎসবটির সমন্বয়ক হয়েছেন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব পরিবেশক, জুরি ও চলচ্চিত্র নির্মাতা মনজুরুল ইসলাম মেঘ এসব তথ্য তিনি নিশ্চিত করেছেন। মেঘ বলেন, আমার মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান সিনেম্যাকিং বাংলাদেশ থেকে বেশ কিছু চলচ্চিত্র উৎসবে পাঠানো হয়েছিল। সিলেকশন কমিটি সিনেমাগুলি দেখে মোট ৪টি সিনেমাকে মনোনয়ন দিয়েছে। সিনেমাগুলোর কলাকুশলীরাও অনলাইনে অংশ নেবেন। বাকি দুইটির মধ্যে রয়েছে- স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বিভাগে মিজানুর রহমান লাবু পরিচালিত মালাভাবি এবং ডকুমেন্টারি বিভাগে অনার্য মুর্শিদ পরিচালিত কাসিদা অব ঢাকা মনোনীত হয়েছে। উদ্বোধনী চলচ্চিত্র হিসাবে উৎসবে প্রদর্শিত হবে ভারতের জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র নির্মাতা বিশাল ভারদ্বাজ পরিচালিত পট্টাখা এবং সমাপনীয় চলচ্চিত্র হিসাবে প্রদর্শিত হবে নন্দিতা দাস পরিচালিত নওয়াজুদ্দীন সিদ্দিকী অভিনীত আলোচিত চলচ্চিত্র- মান্ট। উৎসবটির আয়োজক দিল্লিভিত্তিক সাউথ এশিয়ান ফোরাম ফর আর্ট অ্যান্ড ক্রিয়েটিভ হেরিটেজ।
কৌতুক অভিনেতা দিলদার এর জন্মদিন আজ
১৩,জুলাই,সোমবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আজ চলচ্চিত্রের পর্দায় আনন্দ ফেরি করা কিংবদন্তী কৌতুক অভিনেতা দিলদারের জন্মদিন। ১৯৪৫ সালের ১৩ জানুয়ারি চাঁদপুরে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তার অভিনয় দেখে দুঃখ ভুলেছেন কোটি কোটি দর্শক। বলছি, বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তী কৌতুক অভিনয়ের জাদুকর দিলদারের কথা। মৃত্যুর পর এই অভিনেতা আজও রয়ে গেছেন মানুষের হৃদয়ে। অভিনেতা দিলদার চলচ্চিত্র জগতে প্রবেশ করেন ১৯৭২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত- কেন এমন হয়নামের চলচ্চিত্র দিয়ে অভিনয় করার মধ্য দিয়ে। দীর্ঘদিনের ক্যারিয়ারে উপহার দিয়েছেন বেদের মেয়ে জোসনা, বিক্ষোভ, অন্তরে অন্তরে, কন্যাদান, চাওয়া থেকে পাওয়া, শুধু তুমি, স্বপ্নের নায়ক, আনন্দ অশ্রু, অজান্তে, প্রিয়জন, প্রাণের চেয়ে প্রিয়, নাচনেওয়ালী সহ অসংখ্য জনপ্রিয় সব চলচ্চিত্রে। দিলদারের তুমুল জনপ্রিয়তা দেখে তাকে নায়ক করে নির্মাণ করা হয়েছিল আব্দুল্লাহ নামের সিনেমা। এটি দর্শকমহলে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। এতে দিলদারের নায়িকা ছিলেন নূতন। দিলদার সেরা কৌতুক অভিনেতা হিসেবে তুমি শুধু আমার সিনেমার জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জিতেন। একই বছর ২০০৩ সালের ১৩ জুলাই না ফেরার দেশে পাড়ি জমান জনপ্রিয় এই কৌতুক অভিনেতা।
করোনা পজিটিভ ঐশ্বর্য রাই ও মেয়ে আরাধ্যা
১২,জুলাই,রবিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অমিতাভ এবং অভিষেক বচ্চনের পর এবার করোনা রিপোর্ট পজিটিভ এলো ঐশ্বর্য রাই বচ্চন এবং আরাধ্যারও। প্রথমবার অ্যান্টিজেন পরীক্ষায় রিপোর্ট নেগেটিভ এলেব দ্বিতীয় ধাপে সোয়াব পরীক্ষায় এ দুজনের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। রোববার (১২ জুলাই) দুপুরেই হাসপাতাল সূত্রে জানানো হয়েছে এই খবর। টুইট করে খবর নিশ্চিত করেছেন মহারাষ্ট্রের স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজেশ তোপ। তবে জয়া বচ্চনের রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে বলে জানা গেছে। অমিতাভ বচ্চন ও জুনিয়ার বচ্চন করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর পরিবারের অন্য সদস্যদের নিয়ে চিন্তা বাড়ছিল ভক্ত-শুভানুধ্যায়ীদের। রোববার সকালে নানাবতী হাসপাতালের পক্ষ থেকে সরকারিভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়, নমুনা পরীক্ষায় তাদের রিপোর্ট নেগেটিভ। তবে, দ্বিতীয় পরীক্ষার জন্য আবার তাদের নমুনা পাঠানো হয়েছে। প্রথম ধাপে জয়া বচ্চন, তার পুত্রবধূ ঐশ্বর্য ও নাতনী আরাধ্যার কোভিড-১৯ অ্যান্টিজেন টেস্ট নেগেটিভ আসে। ফলে সবাই কিছুটা স্বস্তিতেই ছিলেন। তবে তাদের সোয়াব টেস্ট রিপোর্ট রোববার দুপুর নাগাদ হাতে আসতেই দুশ্চিন্তার কালো ছায়া আরও ঘন হলো বলিউডে। এদিকে, বলিউডের শাহেনশাহ করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসতেই তার ভক্ত-শুভানুধ্যায়ীদের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা দেখা দেয়। বিগ বি ও অভিষেকের সুস্থতা কামনা করে একের পর এক টুইট করতে করছেন ভক্তরা। এর প্রেক্ষিতে মুম্বাইয়ের নানাবতী হাসপাতালে বসে টুইট করেন জুনিয়র বচ্চন। তিনি জানান, অমিতাভ বচ্চন ও তিনি, দুজনেই ভাল আছেন। তাদের দুজনের শরীরে মৃদু উপসর্গ রয়েছে। দুজনের অবস্থাই স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন অভিষেক বচ্চন। তবে এখন ঐশ্বর্য ও আরাধ্যার করোনা পজিটিভ হওয়ায় নিঃসন্দেহে দুশ্চিন্তা বাড়লো সবার।
৪০ বসন্তে দিলারা হানিফ, পূর্ণিমার ২৩
১১,জুলাই,শনিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তরূণ-তরুণীদের কাছে তিনি অনিন্দ্য সুন্দরী। অভিনয়ের পাশাপাশি রূপে ও গুণে লাখো দর্শক মুগ্ধ করানো এই নায়িকা পার করেছেন জীবনের ৩৯টা বসন্ত। বয়স বাড়লেও রূপের ঝলকানি যেন একটুও কমেনি। তরুণ বয়সে যেভাবে রূপে মাতিয়েছিলেন এখনও যেন তার চেয়ে কোন অংশে কম নয়। দিন যতই বাড়ছে ততই যেন তার রূপে আলো ছড়াচ্ছে। বলছি ঢাকাই সিনেমার নন্দিত চিত্রনায়িকা পূর্ণিমার কথা। পুরো নাম দিলারা হানিফ রীতা হলেও সবার কাছে তিনি পূর্ণিমা নামেই পরিচিত ও জনপ্রিয়। দেখতে দেখতে জীবনের ৩৯ বসন্ত পার করে এবার পা রাখলেন ৪০তম বছরে আর ক্যারিয়ারে ২৩তম। আজ এই নায়িকার জন্মদিন। জন্মদিনে অসংখ্য ভক্ত অনুরাগী থেকে শুরু সহকর্মীদের শুভেচ্ছা ও ভালোবাসায় সিক্ত হচ্ছেন এই সুন্দরীতমা; যাকে বলা যায় বিউটি অব বাংলা সিনেমা। ১৯৮১ সালের এই দিনে চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে জন্মগ্রহণ করা পূর্ণিমার শৈশব সেখানে কাটলেও কৈশোরে চলে আসেন ঢাকায়। নবম শ্রেণীতে পড়াকালীন সময়ে নাম লেখান রূপালী পর্দায়। শত্রু ঘায়েল ছবিতে শিশুশিল্পী হিসেবে চলচ্চিত্রে যাত্রা শুরু তাঁর। ১৭ বছর বয়সে জাকির হোসেন রাজু পরিচালিত এ জীবন তোমার আমারসিনেমার মধ্য দিয়ে নায়িকা হিসেবে ঢালিউডে অভিষেক ঘটে তাঁর; যেটি মুক্তি পায় ১৯৯৮ সালে। প্রথম সিনেমাতেই নায়ক হিসেবে পেয়েছিলেন সেই সময়ের হার্টথ্রব রিয়াজকে। বাজিমাত করে বসেন প্রথম ছবি দিয়েই। ফটিকছড়ির রীতা একটু একটু করে হয়ে উঠেন আজকের পূর্ণিমা। পরিশ্রম, সাধনায় দিনে দিনে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করে তুলেছেন ঢাকাই ছবির অন্যতম একজন অভিনেত্রী হিসেবে। চলচ্চিত্রে আসার আগে ছোটবেলায় নাচগানের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিতেন। চলচ্চিত্রের দাপুটে সময়টাতেও তিনি কাজ করেছেন টিভি পর্দাতেও। সেখানেও সফল এ অভিনেত্রী। নায়িকাদের মধ্যে তার সময়ে চলচ্চিত্রের পাশাপাশি নাটক, টেলিফিল্মে দাপটের সাথে তাকে দেখা গেছে। এটিএন বাংলার এক সময়ের জনপ্রিয় ধারাবাহিক লাল নীল বেগুনী -তে অভিনয় করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান। টিভি পর্দায় তাঁর উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে - ল্যাবরেটরি, নীলিমার প্রান্তে, অমানিশা, ঐখানে যেও নাকো তুমি, এখনো ভালোবাসি, দুর্ঘট, যদি ভালো না লাগে তো দিও না মন, প্রেম অথবা দুঃস্বপ্নের রাতদিন, প্রতিহরণ, ম্যানিকুইন, রংবেরং, জলে ভাসা পদ্ম, ঘরের খবর পরের খবর, শঙ্খচিল, লাভ অ্যান্ড কোং, হলুদ রঙের বায়না, ১০১ লাভ ইমার্জেন্সি। নাটক,টেলিফিল্মের পাশাপাশি বিজ্ঞাপনেও ছড়িয়েছেন মুগ্ধতা। তাঁর বিজ্ঞাপনের মধ্যে ছিল - গ্রামীণফোন, সিটিসেল, সানক্রেস্ট কোলা, বার্জার ঝিলিক, রাঙাপরী মেহেদি, মেরিল বেবি লোশন, কোহিনূর ডিটারজেন্ট, সুরেশ সরিষার তেল। জনপ্রিয় উপস্থাপক হানিফ সংকেত-এর ইত্যাদি থেকে উঠে আসা শিল্পী আকবর-এর জনপ্রিয় গান হাত পাখার বাতাসের মিউজিক ভিডিওতে অভিনয় করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায় পূর্ণিমা। মিউজিক ভিডিওর মধ্যে এটা সেসময় সবচেয়ে জনপ্রিয় ছিল। প্রায় দুই যুগের অভিনয় ক্যারিয়ারে শতাধিক দর্শকনন্দিত ছবি উপহার দিয়েছেন এই অনিন্দ্য সুন্দরী। পূর্ণিমার চলচ্চিত্রজীবন সমৃদ্ধ। বাণিজ্যিক, সাহিত্যনির্ভর ছবিতে দেখিয়েছেন অসাধারণ প্রতিভা। সেসময়ে রিয়াজ, মান্না, ফেরদৌস, আমিন খান, শাকিল খান থেকে শুরু করে আজকের শাকিব খানের সঙ্গেও জুটি বেঁধে কাজ করেছেন এবং হয়েছেন সফলও। প্রত্যেকের সঙ্গেই গড়ে উঠেছে তাঁর সফল জুটি তবে আমিন খান ও শাকিল খানের সঙ্গে সাফল্য পাননি খুব একটা। তবে রিয়াজ-পূর্ণিমাকে ঢালিউডের অন্যতম সেরা জনপ্রিয় জুটি বলা হয় এখন পর্যন্ত। তাঁদের উল্লেখযোগ্য ছবির মধ্যে রয়েছে - মনের মাঝে তুমি, হৃদয়ের কথা, আকাশ ছোঁয়া ভালোবাসা, নিঃশ্বাসে তুমি বিশ্বাসে তুমি, শাস্তি, মেঘের পরে মেঘ, জামাই শ্বশুর, সাথী তুমি কার, মায়ের সম্মান, লাল দরিয়া, ছোট্ট একটু ভালোবাসা, জীবনের চেয়ে দামী, বাধা, টাকা, খবরদার, মনে রেখ আমায়, চিরদিন আমি তোমার, তোমাকেই খুঁজছি, জমিদার, তুমি কত সুন্দর, ধনী গরিবের প্রেম, বন্ধু তুমি আমার, কে আমি। এত এত সিনেমার মাঝে এ জুটির মনের মাঝে তুমি সিনেমা ছিল বাণিজ্যিক ছবির মধ্যে দেশের অন্যতম সেরা ব্যবসাসফল ছবি। সেইসাথে হৃদয়ের কথা, আকাশ ছোঁয়া ভালোবাসা এ দুটি ছবিও বহুল জনপ্রিয়। কাজী হায়াৎ পরিচালিত ওরা আমাকে ভাল হতে দিলো না ছবির জন্য ২০১০ সালে পূর্ণিমা সেরা অভিনেত্রী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেছেন। এছাড়াও পূর্ণিমা সেরা অভিনেত্রী হিসেবে মেরিল প্রথম আলো পুরস্কার পেয়েছে দুইবার - মনের মাঝে তুমি (২০০৩), হৃদয়ের কথা (২০০৬) সিনেমা দিয়ে। ব্যক্তিজীবনে ২০০৭ সালের ৪ নভেম্বর পারিবারিকভাবে আহমেদ জামাল ফাহাদের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন পূর্ণিমা। ২০১৪ সালের ১৩ এপ্রিল তাঁর কোলজুড়ে আসে এক কন্যাসন্তান; নাম আরশিয়া উমাইজা। স্বামী সংসার নিয়ে বেশ আনন্দেই দিন কাটাচ্ছেন পূর্ণিমা। বর্তমানে সিনেমায় খুব একটা নিয়মিত নন। মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে জ্যাম ও গাঙচিল নামের দুইটি সিনেমা রয়েছে। যেগুলো পরিচালনা করছেন নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুল। দুটি ছবিতে পূর্ণিমা জুটি বেঁধেছেন ফেরদৌস ও আরেফিন শুভর সঙ্গে। পুর্ণিমার অভিনীত সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে- সুভা, আজকের সমাজ, মা আমার স্বর্গ, দুশমন দরদী, বিয়ের প্রস্তাব, মাটির ঠিকানা, আই লাভ ইউ, পরাণ যায় জ্বলিয়া, ভালোবাসার লাল গোলাপ, হিংসার পতন, জজ ব্যারিস্টার পুলিশ কমিশনার, বাপবেটার যুদ্ধ, মনের সাথে যুদ্ধ, নায়ক, ভিলেন, বাস্তব, উল্টাপাল্টা ৬৯, ক্ষমতার গরম, ক্ষত বিক্ষত, স্বামী-স্ত্রীর যুদ্ধ, ধোঁকা, বাবা, ধ্বংস, পিতামাতার আমানত, ধ্বংস, আরমান, সুলতান, মাস্তানের উপর মাস্তান, গাদ্দারি, বিদ্রোহী সালাউদ্দিন, মধু পূর্ণিমা, বলো না ভালোবাসি, বিপ্লবী জনতা, আমার স্বপ্ন আমার সংসার, বিপদজনক, যোদ্ধা, প্রেমের নাম বেদনা, ওরা আমাকে ভালো হতে দিল না, রাজা সূর্য খাঁ, মিস ডায়না, ছায়াছবি, টু বি কন্টিনিউড ইত্যাদি।
সুশান্তের মৃত্যু তদন্তে ক্রাইম ব্রাঞ্চে যোগ দিচ্ছেন তার জামাইবাবু
১০জুলাই,শুক্রবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর ঘটনা এখনও মুম্বাই পুলিশের তদন্তাধীনই রয়েছে। এই মামলায় ইতিমধ্যেই একাধিক ব্যক্তির বয়ান রেকর্ড করেছে পুলিশ। এরই মাঝে শোনা যাচ্ছে যে, শ্যালকের মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখতে সুশান্তের জামাইবাবু ওমপ্রকাশ সিং মুম্বাই পুলিশ ক্রাইম ব্রাঞ্চে বদলি হয়ে আসছেন। প্রসঙ্গত, সুশান্তের দিদি ঋতু বিয়ে করেন হরিয়ানা ক্যাডারের আইপিএস ওমপ্রকাশ সিংকে। যিনি বর্তমানে হরিয়ানা পুলিশের অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর জেনারেল, মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খট্টরের অফিসার অন স্পেশাল ডিউটি বা ওএসডি। আর সুশান্তের জামাইবাবুই প্রথম দাবি করেছিলেন, সুশান্ত আত্মহত্যা করার মতো মানসিকতার ছেলে নয়, সুশান্তকে খুন করা হয়েছে। আর এখন শোনা যাচ্ছে, সুশান্তের মৃত্যু তদন্ত স্বচ্ছভাবে চলছে কিনা তা খতিয়ে দেখতে তিনি মুম্বাইয়ে বদলি নিয়েছেন। আর এবিষয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশকিছু পোস্ট ভাইরাল হয়েছে। যদিও সত্যিই সুশান্তের জামাইবাবু ওমপ্রকাশ সিং মুম্বাই পুলিশ ক্রাইম ব্রাঞ্চে বদলি হয়ে আসছেন কিনা, সেবিষয়ে অভিনেতার পরিবারের তরফে কিছুই জানানো হয়নি। এমনকি ওমপ্রকাশ সিং নিজেও এবিষয়ে এখনও মুখ খোলেননি। প্রসঙ্গত, সুশান্তের মৃত্যুর পর তাঁর আরও এক জামাই বাবু, বিশাল কৃতি (শ্বেতা সিং কৃতির স্বামী) নেপোমিটার চালু করেছেন। যে নেপোমিটারে মাধ্যমে বলিউডের কোনও ছবি 'স্বজনপোষণ' দোষে দুষ্ট কিনা তা বিচার করতে পারবেন জনতা। উল্লেখ্য, এর আগে গত ১৪ জুন মুম্বাইয়ের বান্দ্রার নিজের ফ্ল্যাটে আত্মহত্যা করেন সুশান্ত সিং রাজপুত। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে তার মৃত্যুর কারণ হিসেবে আত্মহত্যার কথা সামনে উঠে এলেও, কেন অভিনেতা ওই পদক্ষেপ নিলেন, তা ভাবাচ্ছে প্রায় প্রত্যেককেই।