সুশান্তের মৃত্যুর তদন্ত: রিয়াকে ইডির দফতরে হাজিরার নির্দেশনা
০৬আগস্ট,বৃহস্পতিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আনুষ্ঠানিকভাবে সুশান্তের মৃত্যু তদন্তকে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা বা সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিয়েছে কেন্দ্র। বুধবার (৫ আগস্ট) সন্ধ্যায় এমন সিদ্ধান্তের পরপরই অপর কেন্দ্রীয় সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের সমন গেল রিয়া চক্রবর্তীর কাছে। শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকাল ১১টায় ইডির দফতরে হাজিরা দিতে হবে রিয়া চক্রবর্তীকে। অভিনেতার কথিত বান্ধবী রিয়ার বিরুদ্ধে ১৫ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনেছে সুশান্তের পরিবার। সুশান্তের প্রতিষ্ঠিত দুটি সংস্থার ডিরেক্টরের পদেও রয়েছেন রিয়া ও তার ভাই শৌভিক চক্রবর্তী। এই সংস্থাগুলোর আর্থিক লেনদেন খতিয়ে দেখছে ইডি। গত ৩১ জুলাই এনফোর্টমেন্ট কেস ইনফরমেশন রিপোর্ট বা ইসিআইআর রিপোর্ট দায়ের করা হয়েছে রিয়া চক্রবর্তী ও তার পরিবার এবং ম্যানেজারের বিরুদ্ধে। সুশান্তের পরিবারের দায়ের করা এফআইআর রিপোর্টের ভিত্তিতেই দায়ের হয়েছে এই ইসিআইআর রিপোর্ট। এদিকে, রিয়া চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে বিহার পুলিশের কাছে এফআইআর দায়েরের খবর প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই গায়েব রিয়া। অজানা এক লোকেশন থেকে গত বুধবার একটি ২০ সেকেন্ডের ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেন রিয়া। বিহার পুলিশের ডিজিপি গুপ্তেশ্বর পাণ্ডে সংবাদমাধ্যমকে জানান, রিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করতে ব্যর্থ বিহার পুলিশ, তিনি পলাতক। বুধবার এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের কর্তৃক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় রিয়ার অ্যাসোসিয়েট স্যামুয়েল মিরান্ডাকে, যিনি শত চেষ্টা সত্ত্বেও বিহার পুলিশের সঙ্গে কথা বলতে অস্বীকার করেছিলেন। অন্যদিকে সুপ্রিম কোর্টে রিয়ার আইনজীবী তার মক্কেলকে সুরক্ষাকবচ দেওয়ার আবেদন জানালে, সেটিও খারিজ হয়ে যায়। আদালত জানিয়েছে, আপাতত মুম্বাই ও বিহার পুলিশ উভয়পক্ষই এই মামলার তদন্ত চালাচ্ছে। চাইলেই তারা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে। তবে আপাতত আনুষ্ঠানিকভাবে এই মামলার তদন্ত গ্রহণ করেছে সিবিআই।
নেট দুনিয়া মাতাচ্ছে- বড় লোকের বেটি
০৫আগস্ট,বুধবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারতের প্রখ্যাত পল্লীগীতি শিল্পী রতন কাহার ১৯৭২ সালে বড় লোকের বেটি গানটি লিখেছিলেন। ১৯৭৬ সালে অশোক রেকর্ড কোম্পানির উদ্যোগে স্বপ্না চক্রবর্তীর কণ্ঠে গানটি রেকর্ড হয়। রতন কাহারকে শ্রদ্ধা জানিয়ে নতুনভাবে গানটি করেছেন দেশের নামী সঙ্গীত পরিচালক জেকে মজলিশ। গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন জেকে মজলিশ ও বিন্দু কনা। ঈদ উপলক্ষে বিগ বাজেটের এই মিউজিক ভিডিওটি আরটিভি মিউজিক ও আরটিভি প্লাসে মুক্তি পেয়েছে। ৩ জুলাই রাতে মিউজিক ভিডিও প্রকাশের পর থেকেই প্রশংসিত হচ্ছে গান ও ভিডিও। যেখানে মডেল হিসেবে পারফর্ম করেছেন আঁখি আফরোজ ও আরেফিন জিলানী। ভিডিওতে উপস্থিত ছিলেন গানের দুই শিল্পী জেকে মজলিশ ও বিন্দু কনাও। গানটির কোরিওগ্রাফি করেছেন আসাদ খান। পরিচালনায় ছিলেন উজ্জ্বল রহমান।
মুক্তি পেলো বঙ্গবন্ধুর উক্তি নিয়ে চলচ্চিত্র- চল যাই
০৪আগস্ট,মঙ্গলবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রেক্ষাগৃহের পর এবার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেয়েছে চলচ্চিত্র- চল যাই। ঈদুল আজহার বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে ৩১ জুলাই থেকে দেশীয় স্ট্রিমিং অ্যাপ রবিস্ক্রিনে এটি দেখা যাচ্ছে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একটি উক্তিকে উপজীব্য করে নির্মিত হয়েছে- চল যাই। কয়েকজন তরুণ-তরুণীর দিশা খুঁজে পাওয়ার গল্প এটি। যে যুদ্ধের বাতিঘর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। এ চলচ্চিত্রে গুরুত্বপূর্ণ একটি চরিত্রে আনিসুর রহমান মিলন অভিনয় করেছেন। অন্য অভিনয়শিল্পীরা হলেন- তাসনুভা তিশা, লুসি তৃপ্তি গোমেজ, হুমায়রা হিমু, সাব্বির হাসান, হৃতিকা ইসলাম, নাভিদ মুনতাসির, শিশুশিল্পী শরীফুলসহ অনেকে। খালিদ মাহবুব তূর্যর গল্প ও চিত্রনাট্যে- চল যাই চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেছেন মাসুমা রহমান তানি। এন ইনিশিয়েটিভ মাল্টিমিডিয়া নির্মিত ছবিটি প্রযোজনা করেছেন রাসেল মাহমুদ। এর কন্টেন্ট পার্টনার বাংলাঢোল। প্রতিষ্ঠানটি জানায়, তরুণদের মাঝে ছবিটি পৌঁছে দিতে অ্যাপে মুক্তি দেওয়া হয়েছে এটি। দর্শকরা নামমাত্র সাবস্ক্রিপশন ফি দিয়ে উপভোগ করতে পারবেন নতুন ধারার চলচ্চিত্রটি।
৪ আগস্ট ইউটিউবে রিলিজ হচ্ছে নবনীতা-গৌরবের বন্ধু দয়াময়
০৩আগস্ট,সোমবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: (৪ আগস্ট) মঙ্গলবার জি সিরিজ প্রকাশ করতে যাচ্ছে নবনীতা চৌধুরী ও লাবিক কামাল গৌরবের দ্বৈত কণ্ঠে গাওয়া রাধারমন দত্তের গান- বন্ধু দয়াময়। সন্ধ্যা ৭টা থেকে জি সিরিজের ইউটিউব পেজে বন্ধু দয়াময় গানের মিউজিক ভিডিও দেখা যাবে। বন্ধু দয়াময়- গানটির সঙ্গীতায়োজন করেছেন লাবিক কামাল গৌরব। গৌরবের সঙ্গীতায়োজনে নবনীতার কন্ঠে- সোনালী বন্ধু, রূপ দেখিলাম রে, বল গো সখী- গানগুলো জনপ্রিয় হলেও এই প্রথম এই সঙ্গীতজুটি একসাথে গান করলেন। নবনীতা বলেন, মঞ্চে বা টেলিভিশনে আমি আর গৌরব নিয়মিত একসঙ্গে গাইলেও এটাই আমাদের প্রথম একসঙ্গে গাওয়া বা ডুয়েট গান। সবসময় কোথাও গাইতে গেলেই ডুয়েট গানের অনুরোধ থাকে দর্শক, শ্রোতার কাছ থেকে। অবশেষে আমরা রাধারমনের দারুণ সুন্দর এই গানটি করলাম একসঙ্গে। গৌরব বলেন, আমাদের দুইজনের স্কেলটা একসঙ্গে গাওয়ার জন্য মেলানো কঠিন তাই অনেক গানে হারমোনাইজ করলেও ডুয়েট গাওয়া হয় নাই। কিন্তু এই গানটা দুজনে মিলে গাইতে এবং মিউজিক করতে এত এনজয় করলাম যে মনে হল গানটা রিলিজ হলে সবাই হয়তো পছন্দ করবেন। জি সিরিজের খালেদ ভাইও গান শোনামাত্র খুব আগ্রহ দেখালেন এবং মিউজিক ভিডিও করে এই ঈদেই প্রকাশ করতে চাইলেন। গৌরব এবং নবনীতার গাওয়া- বন্ধু দয়াময় গানটি এরই মধ্যে বাংলাদেশ টেলিভিশনের ঈদ আনন্দমেলাতে প্রচারিত এবং প্রশংসিত হয়েছে। জি সিরিজ থেকে প্রকাশিতব্য মিউজিক ভিডিওটি পরিচালনা করেছেন মঞ্জু আহমেদ। গানটি মিক্স করেছেন এবং বেইজ বাজিয়েছেন ফায়জান আহমেদ বুনো এবং গিটার বাজিয়েছেন রাফসান। স্বাস্থ্যবিধি মেনে এই গানের মিউজিক ভিডিও শুটিংয়ে শিল্পীরা অংশ নিয়েছেন।
করোনা জয় করে বাড়ি ফিরলেন অমিতাভ বচ্চন
০২আগস্ট,রবিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অমিতাভ বচ্চন ভক্তদের জন্য আনন্দের খবর- প্রিয় অভিনেতার করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। হ্যাঁ, হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে বাসায় ফিরেছেন অভিনেতা। রোববার (০২ আগস্ট) টুইটারে এ কথা জানিয়েছেন বিগ বির ছেলে অভিষেক বচ্চন। এদিকে, গত ১১ জুলাই অমিতাভের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ এসেছিল। সেদিনই ছেলে অভিষেকের শরীরেও পাওয়া গেছে করোনার অস্তিত্ব। তাই দু জনকেই মুম্বাইয়ের নানাবতী হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছিল। করোনাবিধি মতো জয়া বচ্চন, ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন এবং তার মেয়ে আরাধ্যরও নমুনা সংগ্রহ করেছিলেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। সিনিয়র বচ্চনের স্ত্রীর রিপোর্ট নেগেটিভ এলেও ঐশ্বরিয়া এবং আরাধ্যর শরীরে করোনার নমুনা মিলেছিল। প্রাথমিকভাবে বাড়িতে চিকিৎসা চললেও শ্বাসকষ্ট হওয়ায় গত ১৭ জুলাই তাদের নানাবতী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১১ দিন পর করোনা মুক্ত হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পান ঐশ্বরিয়া ও তার কন্যা। তবে, চিকিৎসা চলছিল সিনিয়র বচ্চনের। তারই মধ্যে গুজব ছড়িয়ে পড়েছিল- করোনা রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে সিনিয়র বচ্চনের। যদিও পরে একটি টুইটবার্তায় বিগ বি বলেন, এই খবর অসত্য, দায়িত্বজ্ঞানহীন, ভিত্তিহীন এবং অমার্জনীয় মিথ্যা ! তবে সেই সময়ের গুজব খানিক দেরিতে হলেও এখন তা বাস্তব সত্য। হ্যাঁ, করোনাকে পরাস্ত করে বাসায় ফিরেছেন সিনিয়র বচ্চন।
দাদা ভাই নাটকে ইউটিউবার হৃদয়
৩১জুলাই,শুক্রবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রথমবার টিভি নাটকে অভিনয় করলেন তরুণ ইউটিউবার হৃদয় আহমেদ শান্ত। ইউটিউবে পরিচিতি পাবার পর সম্প্রতি দাদা ভাই নামের নাটকে অভিনয় করেছেন হৃদয়। সোহাগ বিশ্বাসের কাহিনী ও সংলাপে এটি পরিচালনা করেছেন বাপ্পি খান। পরিচালক জানান, নাটকটির গল্প মুলত দুই ভাইকে নিয়ে বাবা মা মারা যাওয়ার সময় ছোট ভাইকে নিজের সন্তানের মতো করে মানুষ করতে বলে যায় বড় ভাইকে। যার জন্য বড় ভাই সন্তান নেননা ছোট ভাইকে নিজের সন্তানের মতো করে বড় করে তোলেন কিন্তু বড় ভাইয়ের বউ চায় নিজের একটা সন্তান হোক এমনি একটি পারিবারিক নানা ঘটনার মধ্যে দিয়ে এগিয়ে যায় গল্প। এদিকে প্রথম বারের মতো টিভি নাটকে অভিনয় প্রসঙ্গে জনপ্রিয় ইউটুবার হৃদয় আহেমদ শান্ত বলেন, এটি আমার অভিনীত প্রথম টিভি নাটক। গল্পটা খুব দারুন এবং এখানে আমার চরিত্রটাও ছিলো বেশ চ্যালেঞ্জিং। প্রথম প্রথম ভয় লাগছিলো কিন্তু বাপ্পি ভাই আমাকে অনেক সহজ করে দিয়েছেন বিষয়গুলো। এখানে কাজ করতে এসে অনেক কিছুই শিখলাম। এছাড়া নাটকে অভিনয় করেছেন লাক্স তারকা অর্ষা আপা। তিনিও বেশ হেল্প করেছেন। কাজটি নিয়ে আমি আশাবাদী। এখন থেকে আমি ভালো গল্প, ভালো পরিচালক, ভালো চরিত্র পেলে টিভি নাটকে অভিনয়ে নিয়মিত হবো। নাটকে আরও বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন আলিনূর জয়, সোহাগ বিশ্বাস, মুকুল জামিল, সেলজুক তারেক, মুনসহ আরো অনেকে। নাটকটি একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে সামনে প্রচার হবে।
আজ পড়শীর জন্মদিন
৩০জুলাই,বৃহস্পতিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: হালের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী পড়শীর জন্মদিন আজ। ১৯৯৬ সালের ৩০ জুলাই সবার মুখে হাসির জোঁয়ার বয়ে পৃথিবীতে আগমন করেন তিনি। তার বাবা প্রকৌশলী এহসান-উর-রশিদ এবং মা জুলিয়া হাসান গৃহিনী। তার একমাত্র ভাইয়ের নাম এহসান স্বাক্ষর। নাচ প্রিয় পড়শী নাচের প্রতি আগ্রহী হয়ে নাচ শিখেন এবং পরবর্তীতে ক্লাসিক্যাল সঙ্গীত শেখা শুরু করেন। কমল কুঁড়ি নামের একটি গানের প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণ করে সরকারিভাবে ২০০৭ সালে দেশের গানে ক্যাটাগরিতে বিজয়ী হন। ২০০৮ সালে চ্যানেল আইয়ের ক্ষুদে গানরাজ -এ দ্বিতীয় রানার আপ হন সাবরিনা এহসান পড়শী। তিনি পপ ও আধুনিক ধারার গান বেশি করেন। তার সঙ্গীত কর্মজীবন মূলত শুরু হয় ২০০৮ সালের চ্যানেল আইয়ের ক্ষুদে গানরাজ-এ দ্বিতীয় রানার আপ হওয়ার থেকে। ২০০৯ সালে তার প্রথম রেকডিং ছিলো একটি সিনেমার জন্য এবং তার প্রথম একক এ্যালবাম পড়শী। এ্যালবামটি ২০১০ সালে ঈদে রিলিজ পায়। প্রথম এ্যালবামের পর তিনি ২০১১ সালে থেকে প্লেব্যাক গায়িকা হিসেবে কাজ শুরু করেন। ২০১২ সালর ১৪ ফেব্রুয়ারী তার দ্বিতীয় একক এ্যালবাম পড়শী-২মুক্তি পায়। তারপর ২০১২ সালে বর্ণমালা নামে একটি ব্যান্ডদল গঠন করেন পড়শী। ২০১৩ সালে মুক্তি পায় তার তৃতীয় একক এ্যালবাম পড়শী-৩। তারপর তার সঙ্গীত জীবনের জনপ্রিয়তার কাহিনী সবারই জানা। এতো দিন লকডাউনে ঘরবন্দি ছিলেন পড়শী। তবে এ সময়ে বসে ছিলেন না, অ্যালবাম তৈরি করছে। নিজের লেখালেখির পাশাপাশি শেষ করেছেন চারটি গানের কাজ। আর দেশ করোনা আক্রান্ত হওয়ার আগে জমা রয়েছে আরও তিনটি গান। এ বিষয়ে তিনি বলেন, লকডাউনে লেখালেখি করছি। নিজের মতো কাজ করছি। ইতোমধ্যে বেশ কিছু গান তৈরি করেছি। জানি না, এই অচল অবস্থা কবে শেষ হবে? এভাবে আরও কিছুদিন চললে হয়তো অ্যালবাম সংখ্যক গান তৈরি করা সম্ভব। তবে যে গানগুলো করেছি তা অ্যালবাম হিসেবে নয়, সিঙ্গেল আকারে মুক্তি দেব। পড়শী জানান, কোনও গানের নামই চূড়ান্ত করা হয়নি। স্বেচ্ছাবন্দি শেষ হলে রিলিজের আগ দিয়ে চূড়ান্ত করা হবে। এদিকে, গানচিলের ব্যানারে দুটি গান তৈরি আছে তার। সঙ্গে নিজের কথা ও সুরে তৈরি করেছেন আরও একটি। যার ভিডিওটি বাকি। জানালেন, দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তবেই গানগুলো ছাড়ার ইচ্ছে তার।
ঐশ্বরিয়া-আরাধ্যর করোনা মুক্তির খবর শুনে কাঁদলেন অমিতাভ
২৮,জুলাই,মঙ্গলবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্বস্তি ফিরেছে বচ্চন পরিবারে। এরই মধ্যে করোনাকে জয় করে ঘরে ফিরেছেন ঐশ্বরিয়া ও আরাধ্য। সোমবার (২৭ জুলাই) বিকালেই মা-মেয়ের করোনা নেগেটিভ হওয়ার খবর সামনে আসে। যদিও এখনও করোনার সঙ্গে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন অমিতাভ ও অভিষেক। দুজনেই ভর্তি রয়েছেন মুম্বাইয়ের নানাবতী হাসপাতালে। গত ১১ জুলাই করোনা ধরা পড়ে বিগ বি ও জুনিয়র বচ্চনের। এর পরের দিন ঐশ্বরিয়া, আরাধ্যর করোনা রিপোর্টও পজিটিভ আসে। যদিও উপসর্গহীন করোনা আক্রান্ত হওয়ায় শুরুতে বাড়িতেই আইসোলেশনে ছিলেন তারা। কিন্তু ১৭ জুলাই নিশ্বাস নিতে কষ্ট হওয়ায় কন্যাসহ মুম্বাইয়ের নানাবতী হাসপাতালে ভর্তি হন ঐশ্বরিয়া। তবে এখন মা-মেয়ে দুজনই সুস্থ। পুত্রবধূ ও নাতনির শরীরে এখন আর কোভিড ১৯ এর কোনো অস্তিত্ব নেই- এই খবর জানা মাত্রই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন বর্ষীয়ান অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন। তিনি নিজেই জানিয়েছেন, এই খবর শোনামাত্রই কেঁদে ফেলেন তিনি। উচ্ছ্বসিত অমিতাভ টুইট পোস্টে লেখেন, আমাদের আরাধ্য ও তার মা হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর আমি নিজের চোখের জল ধরে রাখতে পারছি না। ভগবান আপনার অশেষ কৃপা। সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেলে টুইটে অভিষেক জানান, সকলের প্রার্থনা ও শুভেচ্ছার জন্য ধন্যবাদ। এই ঋণ কখনো ভোলবার নয়। হাসপাতাল ওয়ার্ড থেকে সামাজিকমাধ্যমে ভীষণরকমভাবে সক্রিয় অমিতাভ। টুইটারের পাশাপাশি নিয়মিত ব্লগ লিখছেন তিনি। জানাচ্ছেন কীভাবে কাটছে সময়, রাতের অন্ধকারে। ভক্তদের আকুল প্রার্থনাকেও বারবার সম্মান জানিয়ে টুইট করছেন তিনি।
কঙ্গনাকে ওরা হিংসে করে!
২৭,জুলাই,সোমবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্বজনপোষণ বিতর্কে সোনাক্ষী সিনহা কঙ্গনাকে দুষেছেন। প্রশ্ন করেছেন স্টারকিডদের হয়ে। অথচ বলিউডের কুইন-কে সোনাক্ষির বাবার শত্রুঘ্নর সমর্থন করেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি রাখঢাক না করেই তিনি বলেন, কঙ্গনার সাফল্যে সবাই ঈর্ষান্বিত। সুশান্তের মৃত্যুর পর থেকেই বলিউডে স্বজনপোষণের কথা অব্যাহত। বলিউডের দলবাজি-র বিরুদ্ধে ;আউটসাইডাররা একে একে সরব। এই অবস্থাতেই কঙ্গনা বোমায় বিদ্ধ আলিয়া, সোনম, সোনাক্ষীর মতো স্টারকিডরা। শুধু স্টারকিডরাই নন কঙ্গনার রোষ থেকে ছাড় পাননি তাপসী-স্বরার মতো আউটসাইডার-রাও। কঙ্গনার বক্তব্য, ওঁরা তাঁবেদারি করেন, স্তাবকতা করেণ কর্ণ ঘনিষ্ঠদের। কঙ্গনার একের পর এক আক্রমণে যখন তাপসী- সোনাক্ষীরা একজোট হয়ে তাঁকে দুষেছেন ঠিক সেই সময়েই মেয়ের বিপরীতে গিয়ে শ্ত্রুঘ্নর বক্তব্য, লোকে কঙ্গনা সম্পর্কে খারাপ কথা বলেন যা খুবই লজ্জার ব্যাপার। ও কি আপনাদের থেকে কোনও সাহায্য চেয়েছে? পয়সা চেয়েছে? তা হলে? যাঁরা ওর বিরুদ্ধে ক্রমাগত কথা বলে যান, তাঁরা আসলে ওর সাফল্যকে হিংসে করেন। শত্রুঘ্ন এখানেই থামেননি। তাঁর কথায়, আমাদের সাহায্য ছাড়া, কোনও গ্রুপের অংশ না হয়ে, আমাদের কারও থেকে সাহায্য না পেয়েও ও জীবনে যা যা পেয়েছে তা সত্যিই অসাধারণ। কঙ্গনা একা একাই অনেক দূর গিয়েছে। কাউকে ওর প্রয়োজন হয়নি। ওর এই সাহসিকতাকেই সবাই ভয় পান। হিংসে করেন। শুধু তাই নয়, কর্ণের জনপ্রিয় টক শো কফি উইথ কর্ণ-এর উপরেও ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন অভিনেতা। এই সমস্ত পরিকল্পিত চ্যাট-শোর জন্যই যে বলিউডে এত বিতর্ক সে কথা খুল্লামখুল্লা স্বীকার করে নিতেও একেবারেই আপত্তি নেই তাঁর। যদিও সরাসরি কর্ণের নাম উচ্চারণ করেননি শত্রুঘ্ন। তাঁর জবানিতে কফি উইথ কর্ণ বদলে হয়ে গিয়েছে কফি উইথ অর্জুন। অভিনেতার কথায়, আমাদের সময় এই সব কফি উইথ অর্জুন ছিল না। যত সব বিতর্ক, সমালোচনা সবই এই সব প্ল্যানড শো-র জন্য। বাবা-মেয়ের এই বিপরীত অবস্থানে নেটাগরিকরা অবাক। তাঁদের প্রশ্ন, কঙ্গনার প্রতি দু জনের দু রকমের মনোভাব সিনহা পরিবারের অন্দরেও কি প্রভাব ফেলতে পারে? কঙ্গনার প্রতি শত্রুঘ্নর প্রকাশ্য সমর্থন সোনাক্ষীর কেরিয়ারেও কি চাপ হয়ে দাঁড়াবে? নেটাগরিকদের একাংশের প্রশ্ন এমনটাই। যদিও বাবার মন্তব্যে আপাতত সোনাক্ষী নীরব। তাঁকে এ ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে এড়িয়ে গিয়ে সোনাক্ষীর বক্তব্য, টুইটার ছেড়ে তিনি ভাল আছেন, খুশি আছেন। তাঁর কথায়: সোশ্যাল মিডিয়া দিন দিন বিষাক্ত হয়ে যাচ্ছিল।তবে ইনস্টাগ্রামে তিনি এখনও তিনি বেশ সক্রিয়। সাইবার বুলিংয়ের বিরুদ্ধে সম্প্রতি এক ক্যাম্পেনেও যোগ দিয়েছেন তিনি।