২১ দিন পর করোনামুক্ত হলেন নায়ক রিয়াজ
২৩,এপ্রিল,শুক্রবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাসে আক্রান্ত নায়ক রিয়াজ সুস্থ হয়েছেন। ২১ দিন পর তিনি করোনা থেকে মুক্ত হলেন। নিজেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্ট্যাটাস দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন রিয়াজ। বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) দিবাগত রাতে নিজের করোনা মুক্তির খবর নিশ্চিত করে রিয়াজ লেখেন, দীর্ঘ ২১ দিন পর করোনা নেগেটিভ হলাম আলহামদুলিল্লাহ। মহান আল্লাহ পাকের কাছে অনেক শুকরিয়া। স্ত্রী তিনাকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ধন্যবাদ তিনা, গভীর মমতা নিয়ে পাশে থাকার জন্য। আমার ছোট্ট মেয়েটা, আমার বুকে ঝাপ দিতে না পেরে, সারাক্ষণ আল্লাহকে বলেছে তার বাবাকে সুস্থ করে দিতে। ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা পরিবারের সদস্য যারা নিয়মিত খোঁজ নিয়েছেন, খাবার পাঠিয়েছেন, দোয়া করেছেন। প্রিয় ভক্ত, বন্ধু, সহকর্মী, সাংবাদিক ভাই আপনাদের সবার ভালোবাসার কাছে আবারও ঋণী হয়ে রইলাম। সবাইকে করোনা থেকে সাবধান থাকার পরামর্শ দিয়ে একাধিকবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারজয়ী নায়ক রিয়াজ আরও লিখেছেন, ‘সকল আক্রান্ত মানুষ দ্রুত আরোগ্য লাভ করুক, স্বজনহারা পরিবারকে সমবেদনা। করুণাময়, এই ভাইরাস থেকে মানবজাতি দ্রুত মুক্তি পাক, এই কামনা। প্রসঙ্গত, রিয়াজ বঙ্গবন্ধুর বায়োপিকে বঙ্গতাজ তাজউদ্দিন আহমদের চরিত্রে অভিনয় করছেন। এপ্রিলের শুরুতে তার মুম্বাই যাওয়ার কথা ছিল এ সিনেমার শুটিং করতে। তার আগে নিয়মমাফিক করোনা টেস্ট করাতে গেলে গত ২ এপ্রিল ফলাফল আসে, করোনা পজিটিভ। তারপর থেকে নিজ বাসাতেই আইসোলেটেড থেকে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়েছেন রিয়াজ।
করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে আলমগীর
২০,এপ্রিল,মঙ্গলবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রখ্যাত চলচ্চিত্র অভিনেতা আলমগীর মহামারি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। বর্তমানে রাজধানীর একটি হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছে। আলমগীরের করোনা আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার সহধর্মিণী কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা। ফেসবুকে তিনি লেখেন, আলমগীর সাহেবের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। স্থানীয় একটি হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলছে। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের একটি দল খুবই আন্তরিকতার সঙ্গে তার চিকিৎসা দিচ্ছেন। ওনার মধ্যে দারুণ স্পিরিট রয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ, তিনি এখন ভালো আছেন। তার পুরোপুরি সুস্থতার জন্য সবার কাছে দোয়া চাইছি। গত ১৪ ফেব্রুয়ারি করোনার টিকার প্রথম ডোজ নেন তারকা দম্পতি চিত্রনায়ক আলমগীর ও গায়িকা রুনা লায়লা। এরপর চলতি মাসের ১৭ তারিখ দ্বিতীয় ডোজটি নেন তারা। এর একদিন পরই ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতলে ভর্তি হন আলমগীর। ১৯৫০ সালের ৩ এপ্রিল ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন আলমগীর। তার আদি নিবাস ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে। ১৯৭৩ সালে অভিনয়ে এসে প্রায় চার দশকে ২৩০টি সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি। পরিচালনা করেছেন বেশকিছু সিনেমাও। তিনি নয়বার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেছেন এবং জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে আজীবন সম্মাননাও পেয়েছেন এই বর্ষীয়ান অভিনেতা।
বিদায় কিংবদন্তি কবরী
১৭,এপ্রিল,শনিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকাই সিনেমার মিষ্টি মেয়ে কবরী আর নেই। শুক্রবার দিবাগত রাত (১৭ এপ্রিল) ১২টা ২০ মিনিটে রাজধানীর শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭০ বছর। চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও অভিনেতা জায়েদ খান কবরীর মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করে ফেসবুকে লিখেছেন, চলে গেলেন কবরী আপা (ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিঊন..)। এর আগে গেলো ৫ এপ্রিল রাতে তাকে রাজধানীর কুর্মিটোলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে ৮ এপ্রিল দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে তাকে মহাখালীর শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালের আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল) বিকেলে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেয়া হয়। অবশেষে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ১৩ দিনের মাথায় না ফেরার দেশে পাড়ি জমালেন কবরী। ঢাকাই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে ১৯৬৪ সালে সুতরাং দিয়ে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় সারাহ বেগম কবরীর। এরপর শুধুই নিজেকে মেলে ধরার গল্প। বাহানা, তিতাস একটি নদীর নাম, রংবাজ, সারেং বউ, সুজন সখী সহ এমন অনেক দর্শকপ্রিয় চলচ্চিত্র উপহার দিয়েছেন তিন। নারায়ণগঞ্জ থেকে সংসদ সদস্যও নির্বাচিত হয়েছিলেন কবরী। উল্লেখ্য, অনেক স্বপ্ন রেখেই চলে গেলেন কবরী। তার প্রয়াণে বাংলা চলচ্চিত্রের আরেকটি নক্ষত্রের পতন হলো। তার অভাব কখনও পূরণ হওয়ার নয়।
রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী মিতা হক আর নেই
১১,এপ্রিল,রবিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: একুশে পদকপ্রাপ্ত রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী মিতা হক আর নেই। রোববার (১১ এপ্রিল) সকাল ৬টা ২০ মিনিটে রাজধানীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। মিতা হকের মেয়ে ফারহিন খান জয়িতা গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এদিকে মিতা হকের জামাতা অভিনেতা মোস্তাফিজ শাহীন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে লেখেন, মিতা হক সকাল ৬.২০ এ চলে গেলেন। চলেই গেলেন। সবাই ভালোবাসা আর প্রার্থনায় রাখবেন। জানা যায়, গত ২৫ মার্চ মিতা হকের করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসে। বাসাতেই আইসোলেশনে ছিলেন। ৩১ মার্চ তাকে বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে ১১দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর তিনি সুস্থও হয়ে ওঠেন। ৯ এপ্রিল তাকে বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরদিন ১০ এপ্রিল (শনিবার) সকালের দিকে হার্ট অ্যাটাক করেন তিনি। এরপর তাকে আবার হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই আজ সকালে তিনি মারা যান। মিতা হক কিডনি রোগেও ভুগছিলেন। মিতা হক ১৯৬২ সালে ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি প্রয়াত অভিনেতা-পরিচালক খালেদ খানের সঙ্গে স্ত্রী। এই দম্পতির ফারহিন খান জয়িতা নামে এক কন্যাসন্তান রয়েছে। মিতা হক প্রথমে তার চাচা ওয়াহিদুল হক এবং পরে ওস্তাদ মোহাম্মদ হোসেন খান ও সনজীদা খাতুনের কাছে গান শেখেন। ১৯৭৪ সালে তিনি বার্লিন আন্তর্জাতিক যুব ফেস্টিভালে অংশ নেন। ১৯৭৬ সাল থেকে তিনি তবলাবাদক মোহাম্মদ হোসেন খানের কাছে সঙ্গীত শেখা শুরু করেন। ১৯৭৭ সাল থেকে নিয়মিত তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেতারে সঙ্গীত পরিবেশনা করছেন। তিনি সুরতীর্থ নামে একটি সঙ্গীতপ্রশিক্ষণ দল গঠন করেন যেখানে তিনি পরিচালক ও প্রশিক্ষকে হিসেবে কাজ করছেন। এছাড়া তিনি ছায়ানটের রবীন্দ্রসঙ্গীত বিভাগের প্রধান ছিলেন। তিনি রবীন্দ্রসঙ্গীত সম্মেলন পরিষদের সহ-সভাপতি ছিলেন। মিতা হক বাংলাদেশ বেতারের সর্বোচ্চ গ্রেডের তালিকাভুক্ত শিল্পী। তার এককভাবে মুক্তি পাওয়া মোট ২৪টি অ্যালবাম আছে। এর মধ্যে ১৪টি ভারত থেকে ও ১০টি বাংলাদেশ থেকে। তিনি ২০১৬ সালে শিল্পকলা পদক লাভ করেন। সঙ্গীতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে ২০২০ সালে একুশে পদক প্রদান করে।
গ্রন্থমেলায় হানিফ সংকেতের প্রকাশিত বই- সংগত প্রসঙ্গত অসংগত
৮,এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রতিবারের মতো এবারো গ্রন্থমেলায় বিশিষ্ট গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ও লেখক হানিফ সংকেতের বই প্রকাশ হয়েছে। বইটির নাম- সংগত প্রসঙ্গত অসংগত। গভীর পর্যবেক্ষণ, রমণীয় বর্ণনা, ক্ষুরধার বুদ্ধিবৃত্তি তার উপস্থাপিত বিষয়গুলোকে করে তোলে জীবন্ত। বিভিন্ন অসঙ্গতি তুলে ধরে সমাজকে পরিশুদ্ধ করতে তিনি যেমন নিরন্তন কাজ করে যাচ্ছেন তেমনি আমাদের নাগরিক সচেতনতা, কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে ধরে রাখতেও ভূমিকা রাখছেন আন্তরিকতার সঙ্গে। তার এবারের গ্রন্থে সেই বিষয়গুলোকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। হানিফ সংকেত বলেন, মিডিয়াতে আমার শুরুটা লেখালেখি দিয়ে। সেটা সত্তর দশকের শুরুতে। দর্শকদের ভালোবাসার কারণে- ইত্যাদি নিয়ে বেশির ভাগ সময় ব্যস্ত থাকতে হয়, তাই ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও সবসময় লিখতে পারি না। কারণ গত ৩৩ বছর ধরেই আমাকে একটা শিডিউল মেনে চলতে হচ্ছে। তবে যত ব্যস্ত থাকি না কেন মনের ক্ষুধার তাড়নায় চেষ্টা করি সংখ্যায় বেশি না হলেও বছরে অন্তত একটি বই প্রকাশ করতে। সংগত প্রসঙ্গত অসংগত বইটি সম্পর্কে হানিফ সংকেত বলেন, আমাদের সমাজ জীবনে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ঘটনা ঘটে থাকে। যার কিছু সংগত, কিছু প্রসঙ্গত, কিছু অসংগত। যা মানুষকে হাসায়-কাঁদায়-ভাবায়, কখনো মানুষের দুশ্চিন্তা বাড়ায়, ক্ষোভ জন্মায়। এ থেকে সংগতভাবে মুক্তি চায় মানুষ। তাই সময় থাকতেই এসব বিষয়ে সঙ্গত কারণে দৃষ্টি দেয়া সঙ্গত। আর আমাদের বহমান জীবনে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নানান প্রসঙ্গ আবির্ভূত হয়। তার মধ্যে গুরুত্বের বিচারে সমসাময়িক প্রসঙ্গকে প্রসঙ্গতই গুরুত্ব দেয়া প্রয়োজন। কিন্তু নানা জটিলতা, কুটিলতার কারণে অসঙ্গতির প্রভাবে আমরা সময়ের কাজ সময়ে করি না। মৌসুমী ফলের মতো কিছু মৌসুমী চরিত্র বিভিন্ন মৌসুমে কর্মকাণ্ড নিয়ে হাজির হয় মানুষের কাছে। ধরা পড়া আর না পড়াতে দুর্নীতির গতি ও নীতির দুর্গতি অতিশয় ক্ষতির প্রভাব ফেলে সমাজের সর্বত্র। এই সংগত প্রসঙ্গত অসংগত বিষয়গুলো নিয়েই ২০২০ সালে দেশের বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত লেখার সংকলন নিয়েই আমার এই বইটি প্রকাশ করেছে প্রিয় বাংলা প্রকাশন। উল্লেখ্য, ইতিপূর্বে বিভিন্ন প্রকাশনী থেকে উপন্যাসসহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর হানিফ সংকেতের প্রায় অর্ধ শতাধিক গ্রন্থ প্রকাশ হয়েছে।
চলচ্চিত্র দিবস আজ : রঙিন এফডিসিতে উৎসব নেই
৩,এপ্রিল,শনিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আজ ৩ এপ্রিল জাতীয় চলচ্চিত্র দিবস। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫৭ সালের এই দিনে তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদে চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (এফডিসি) গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেন। এই দিনকে স্মরণ করে ২০১২ সালে প্রথমবার জাতীয় চলচ্চিত্র দিবস উদযাপন করা হয়। এরপর থেকে প্রত্যেক বছরই চলচ্চিত্র দিবস ঘিরে এফডিসি রঙিন হয়ে হঠে। চলচ্চিত্রাঙ্গনের মানুষেরা নানা আয়োজনে পালন করেন দিনটি। এবারও সেজেছে বর্ণিল আলো আর সাজে। কিন্তু বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসের প্রকোপের কারণে চলচ্চিত্র দিবসে থাকছে না কোনো উৎসব আমেজ। চলচ্চিত্রের নানা সংগঠন দিনটিকে ঘিরে মাসখানেক আগে থেকে প্রস্তুতি নিলেও তার বাস্তবায়ন করতে পারছে না করোনা সংক্রমণের ভয়ে। জানা গেছে, আজ এফডিসিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কিছু সভা সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। উল্লেখ্য, প্রতি বছরই এফডিসিতে স্মরণিকা প্রকাশ, লাইভ টক শো, লাল গালিচা সংবর্ধনা, মেলা, স্থিরচিত্র প্রদর্শনী, চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, পুতুল নাচ, নাগরদোলা, বায়োস্কোপ ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা করা হয় চচ্চিত্র দিবসে। চলচ্চিত্র প্রযোজক সমিতি, পরিচালক সমিতি, শিল্পী সমিতিসহ ঢাকাই সিনেমার সব সংগঠন মিলে একসঙ্গে উদযাপন করে দিবসটি। এছাড়া বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিও দিবসটি উদযাপন করে। এ বছর থমকে গেছে সব।
বইমেলায় তাহসানের প্রথম বই- অনুভূতির অভিধান
৩১,মার্চ,বুধবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তাহসান খান। গায়ক, গীতিকার, সুরকার, কি-বোর্ড ও গিটার বাদক, শিক্ষক, অভিনেতা, মডেল এবং উপস্থাপক। এসব পরিচয় দিয়ে অনেক আগেই জনপ্রিয়তা কুড়িয়েছেন তিনি। এবার এক ভিন্ন পরিচয়ে সামনে এসেছেন এই তারকা। লেখক হিসেবে আত্মপ্রকাশ ঘটেছে তার। এবারের বই মেলায় প্রকাশ পেয়েছে তার প্রথম বই- অনুভূতির অভিধান। বইটি প্রকাশ করেছে অধ্যয়ন প্রকাশনী। ২৫% ছাড়ে প্রি-অর্ডার করে পাওয়া যাচ্ছে শুধুমাত্র রকমারি ডটকমে। প্রথমবার বই লেখা নিয়ে তাহসান বলেন, অন্যরকম একটা অনুভূতি। নিজের লেখা প্রথম বই। আবেগটা দারুণ। ২০-২৫টি গল্প নিয়ে বইটি তৈরি করা। আশা করছি পাঠক পড়ে আরাম পাবেন। তিনি আরও বলেন, মানুষের জীবনে বেড়ে উঠার সময়ে অনেক কিছুই শেখা হয়। আমার মনে হয় আমাদের সমাজের প্রেক্ষাপটে একটা জিনিসই কম শিখছি, সেটা হচ্ছে অনুভূতি কিভাবে ধারণ করতে হয়; সেটাকে কীভাবে প্রক্ষেপণ করতে হয়, অনুভূতির চরাই-উৎরাই কীভাবে পার করতে হয় সেটা। এটা আমরা শিখি না। কারণ, স্কুল-কলেজে এটা শেখানো হয়না, পরিবারেও খুব একটা হয় না। যার কারণে টিনেজ বয়সে কিংবা তার পরবর্তী বয়সে বিভিন্ন সময়ে ফ্রাস্ট্রেশন বা ডিপ্রেশন চলে আসে। আমার এই বইটা হচ্ছে একটা- কনভার্সেশন স্টার্টার; যেন কথার শুরু হয়। আমি বলবো না যে এভাবেই শুরু করতে হবে! তবে আমি আমার গল্পের মাধ্যমে বলতে চাই যে, এভাবে শুরুটা হতে পারে। প্রসঙ্গত, গান আর কবিতা লেখার চর্চাটা অনেক পুরনো তাহসানের। তাই নিজেকে একজন লেখক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার প্রয়াস মস্তিষ্কের কোন এক প্রকোষ্ঠে সুপ্ত অবস্থায় ছিল তার।
১৭ বছর পর দেশের জনপ্রিয় ব্যান্ডদল রেনেসাঁর গান
২০,মার্চ,শনিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের জনপ্রিয় ব্যান্ডদল রেনেসাঁ ১৭ বছরের বিরতি পর নতুন গান নিয়ে ফিরছে। তাদের সর্বশেষ অ্যালবাম- একুশ শতকে রেনেসাঁ প্রকাশিত হয় ২০০৪ সালে। ২০১৮ সালে তাদের নতুন অ্যালবাম বাজারে আসার কথা থাকলে নানাবিধ জটিলতায় সেই অ্যালবামটি আর প্রকাশ হয়নি। নতুন এই গানের শিরোনাম- আকাশ আমার জোছনা আমার। জুলফিকার রাসেলের কাব্যমালায় এতে সুরারোপ করেছেন এবং কন্ঠ দিয়েছেন পিলু খান। স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে গানটি প্রকাশ করতে যাচ্ছে ধ্রুব মিউজিক স্টেশন (ডিএমএস)। ইতোমধ্যে গানটির রেকর্ডিংও সম্পন্ন করেছেন তারা। প্রসঙ্গত, রেনেসাঁর জন্ম ১৯৮৫ সালে। কথা ও মেলোডিকে প্রাধান্য দিয়ে ছুটে চলা এ ব্যান্ডের বেশ কিছু গানই মন জয় করেছে শ্রোতাদের। তিন দশকেরও বেশি সময় পার করা এই ব্যান্ডটিকে নিয়ে এখনো শ্রোতাদের আগ্রহের বিন্দুমাত্র কমতি নেই। এই ব্যান্ডের সবাই ছোটবেলা থেকেই সংগীতচর্চা করছেন। ১৯৮৫ সালে নকীব খান সোলস ছেড়ে ঢাকায় আসার পর এই ব্যান্ড গঠন করেন। বর্তমানে ব্যান্ডটিতে আছেন নকীব খান, পিলু খান, রেজাউর রহমান, ইমরান রহমান, কাজী হাবলু ও কার্তিক। গান প্রকাশের ক্ষেত্রে এত সময় নিলেন কেন-এমন প্রশ্নের জবাবে রেনেসাঁ ব্যান্ডের পক্ষ থেকে নকীব খান জানালেন, যেহেতু আমরা সবাই চাকরি এবং অন্য পেশায় ব্যস্ত থাকি, তাই একটু সময় নিয়ে অ্যালবামের কাজগুলো করতে হয়। একটি নতুন কাজ করতে হলে সবাইকেই সময় দিতে হয়। তা ছাড়া আমাদের ব্যান্ডের সবাই গানের মানের ব্যাপারে খুবই সচেতন। একটি গান আমাদের মনপুত না হলে সেই গান আমরা কখনই প্রকাশ করি না। গানের গুণগত মানের ব্যাপারে আমরা কখনোই আপস করতে রাজি নই। এ কারণে প্রায় ১৭ বছর পর আসছে আমাদের নতুন গান। তবে এটুকু বলতে পারি, আমাদের প্রতি শ্রোতাদের যে আস্থা আছে সেটা বজায় থাকবে এই গানে। শাহরিয়ার পলক (প্রেক্ষাগৃহ) নির্মাণ করেছেন গানটির ভিডিও। ২৬ মার্চ ধ্রুব মিউজিক স্টেশন (ডিএমএস) এর ইউটিউব চ্যানেলে অবমুক্ত করা হবে গানটির ভিডিও। পাশাপাশি গানটি শুনতে পাওয়া যাবে একাধিক অ্যাপ এ। উল্লেখ্য, রেনেসাঁর প্রথম অ্যালবাম বাজারে আসে ১৯৮৮ সালে। মিষ্টি সুর আর ব্যতিক্রমী কথার গান দিয়ে প্রথম অ্যালবামেই সাড়া ফেলে রেনেসাঁ। ১৯৯৩ সালে দ্বিতীয় অ্যালবাম তৃতীয় বিশ্ব, ১৯৯৮ সালে তৃতীয় অ্যালবাম একাত্তরের রেনেসাঁ এবং ২০০৪ সালে প্রকাশ পায় একুশ শতকে রেনেসাঁ অ্যালবামটি। এটি তাদের চতুর্থ অ্যালবাম। এরপর টানা ১৭ বছর ব্যান্ডটি কোন গান প্রকাশ করেন নি। ১৭ বছর পর প্রকাশ হতে যাচ্ছে তাদের নতুন গান আকাশ আমার জোছনা আমার।
দশ তারকার কণ্ঠে ও আমার দেশের মাটি
১৯,মার্চ,শুক্রবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে নতুন সংগীতায়োজনে তৈরি হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অসামান্য সৃষ্টি ও আমার দেশের মাটি। আর এতে কণ্ঠ দিয়েছেন দেশের অন্যতম ১০ জন কণ্ঠশিল্পী। জয় শাহরিয়ারের পরিকল্পনা, সমন্বয় ও সংগীতায়োজনে নতুন আবহে তৈরি হলো গানটি। এতে আয়োজক জয় ছাড়াও কণ্ঠ দিয়েছেন রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, কুমার বিশ্বজিৎ, ফাহমিদা নবী, সামিনা চৌধুরী, শফিক তুহিন, এলিটা করিম, কিশোর দাস, সোমনুর মনির কোনাল ও রেহান রাসুল। আলেশা মার্টের পৃষ্ঠপোষকতায় গানটির অডিও তৈরির পাশাপাশি চলছে ভিডিও তৈরির প্রক্রিয়াও। আজব কারখানার ব্যানারে এটি নির্মাণ করছেন বর্ণ চক্রবর্তী। জয় শাহরিয়ার জানান, ২৬ মার্চকে লক্ষ্য করে দুদিন আগেই (২৪ মার্চ) আজব রেকর্ডসের ফেসবুক ও ইউটিউব চ্যানেলে গানচিত্রটি প্রকাশ পাচ্ছে। এ আয়োজন প্রসঙ্গে জয় শাহরিয়ার বলেন, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে একটি স্মরণীয় কাজ করবার ইচ্ছে ছিল। সেই ইচ্ছে থেকেই রবি ঠাকুরের এই অসাধারণ দেশের গানটিকে বেছে নেওয়া। চেষ্টা করেছি কথা-সুর অবিকল রেখে নতুন সংগীতায়োজন করার। যারা আমার এই স্বপ্নের আয়োজনে সামিল হয়েছেন, সকল শিল্পীর প্রতি কৃতজ্ঞ আমি। আলিশা মার্টকে ধন্যবাদ জানাই, এই বিশেষ আয়োজনে পাশে থাকার জন্য। জয় আরও জানান, এই বিশেষ কাজটি তারা উৎসর্গ করছেন সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাকে। ফেসবুক-ইউটিউব ছাড়াও ২৬ মার্চ থেকে বিশ্বজুড়ে সকল গুরুত্বপূর্ণ গানভিত্তিক স্ট্রিমিং সাইটে এ গানটি শুনতে পাবেন শ্রোতারা। নিশ্চিত করেছে আজব রেকর্ডস।