করোনা নিয়ে গান- থ্যাঙ্ক ইউ বাংলাদেশ
১১আগস্ট,মঙ্গলবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাসের ধাক্কায় সব কিছু স্থবির হয়ে গেছে। করোনার কালো মেঘে যেন সব ঢেকে যাচ্ছে। নেই সেই কাকডাকা ভোরে ফসলের আঁকাবাঁকা পথ ধরে হেঁটে যাওয়া বিদ্যালয়গামী শিক্ষার্থীদের দল। নেই সেই বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কর্মযজ্ঞে কেটে যাওয়া দিনগুলো। বাংলার মানুষ আজ হাফিয়ে উঠেছে। গৃহবন্দী হয়ে রয়েছে দিনের পর দিন। দিন দিন দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে আক্রান্ত ও মৃত্যুর মিছিল। অনেকেই কাজ হারিয়ে দিশেহারা হচ্ছেন। এরই মাঝে বাংলার আবার সুদিন ফেরানোর জন্য একঝাঁক বাংলা মায়ের অদম্য সন্তানেরা নিরন্তর কাজ করে চলেছেন। তাঁরা পেশায় কেউ ডাক্তার, পুলিশ, সাংবাদিক, সামরিক বাহিনীর সদস্য অথবা সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারী। মৃত্যুর ঝুঁকিকে তুচ্ছ করে, নিজ পরিবারের কথা চিন্তা না করে, শুধু বাংলার সুদিন ফেরার লক্ষ্য নিয়েই তাঁরা অবিরাম কাজ করে চলেছেন। ইতিমধ্যেই তাঁদের অনেকেই শহীদ হয়েছেন। ১৯৭১ সালে এই বাংলাদেশকে হানাদার মুক্ত করার জন্য যেমন জেগে উঠেছিলেন বাংলার সূর্য সন্তান মুক্তিযোদ্ধাগণ, তেমনি আজ তাঁরাও জেগে উঠেছেন বাংলার ক্রান্তি লগ্নে। তাঁদের প্রতি বাংলার প্রতিটি মানুষ আজীবন কৃতজ্ঞ থাকবে। আমারাও বিশ্বাস করি, আবারও বাংলা তার স্বরূপে খুব তাড়াতাড়ি ফিরবে। তাঁদের এই অসীম অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আমাদের এর একটি ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা। যার নাম Thank you Bangladesh। এই প্রজেক্টে চারটি দেশাত্ববোধক গানকে নতুনভাবে সাজনো হয়েছে। যেখানে প্রথম অংশে, করোনা পরিস্থিতির পূর্বে বাংলার চিরাচরিত অপরূপ সৌন্দর্য দেখানো হবে। দ্বিতীয় গানের দৃশ্যে করোনা পরিস্থিতিতে বাংলার অবস্থা চিত্রায়িত হবে। তৃতীয় গানের দৃশ্যে বাঙালীর করোনা মোকাবেলায় সম্মুক যোদ্ধাদের জেগে ওঠার চিত্র চিত্রায়িত হবে এবং শেষ অংশে বাংলা মা যেনো তার আবার আগের স্বরূপে ফিরে আসে খুব দ্রুত, এই আশাবাদ প্রস্ফুটিত হবে। গানটির সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন সাজেদুর সাহেদ এবং গানটির পরিকল্পনা ও ভিডিও পরিচালনা করেছেন এ,বি,এম, এহসানুজ্জামান অভি। গানটিতে অংশগ্রহণ করেছেন জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পীরা। এরা হচ্ছেন কুমার বিশ্বজিৎ, ফাহমিদা নবী, সামিনা চৌধুরী, দিলশাদ নাহার কাকলী, কাজী শুভ এবং মেজর মোঃ আশরাফুল আলম সুজন। গানটি প্রকাশ পেয়েছে একসঙ্গে টিভির পর্দায় এবং ইউটিউব চ্যানেলে।- একুশে টেলিভিশন
ফিরছেন করোনাজয়ী তমা
০৯আগস্ট,রবিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নোভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রায় একমাসের বেশি সময় ধরে বাড়িতে অবস্থান করেছেন চিত্রনায়িকা তমা মির্জা। আইসোলেশনে থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন তিনি। ৬ই আগস্ট এ অভিনেত্রীর কোভিড-১৯ পরীক্ষায় নেগেটিভ রিপোর্ট আসে। সে সঙ্গে পরিবারের বাকি সদস্যরাও করোনামুক্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন তমা। তিনি বলেন, সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমতে আমি ও আমার পরিবারের সদস্যরা করোনামুক্ত হয়েছি। এখন আমরা ভালো আছি। সবাই দোয়া করবেন। এদিকে গত ৯ই জুলাই করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হন তমা মির্জা। একই সময়ে তার পরিবারের সদস্যরাও আক্রান্ত হন। এই একমাস চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেবা নিয়ে সুস্থ হয়েছেন তারা। এক মাস পর করোনা থেকে মুক্ত হয়েই ক্যামেরার সামনে ফিরছেন তমা মির্জা। দেশটিভিতে প্রচার চলতি প্রিয় তমার মুখ অনুষ্ঠান নিয়েই ছোট পর্দার দর্শকদের সামনে হাজির হচ্ছেন এই অভিনেত্রী। তিনি জানান, এ অনুষ্ঠানটি আগে থেকেই উপস্থাপনা করছি। এবারের অতিথি চিত্রনায়ক রিয়াজ। ১৫ই আগস্ট জাতীয় শোক দিবসকে কেন্দ্র করে নির্মাণ করা হচ্ছে অনুষ্ঠানটি। এদিন সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় অনুষ্ঠানটি দেশটিভিতে প্রচার হবে। তমা বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনেই এখন আমাদের চলতে হবে। কাজও করতে হবে। তারই ধারাবাহিকতায় এ অনুষ্ঠানটি করছি। যদি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলচ্চিত্রের শুটিং শুরু হয় তবে করবো আশা রাখি। উল্লেখ্য, এম বি মানিকের পরিচালনায় বলো না তুমি আমার ছবির মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্র জগতে পা রাখেন তমা মির্জা। এরপর শাহীন সুমনের মনে বড় কষ্ট, অনন্ত হীরার ও আমার দেশের মাটি, শাহাদাৎ হোসেন লিটনের অহংকার, দেবাশীষ বিশ্বাসের চল পালাই, রয়েল খানের- গেইম রিটার্নস ও মারিয়া তুষারের- গ্রাস ছবিতে অভিনয় করেন তমা। ক্যারিয়ারে স্বীকৃতিস্বরূপ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও রয়েছে তার ঝুলিতে। শাহনাজ কাকলীর পরিচালনায় নদীজন ছবিতে অভিনয়ের জন্য সেরা পার্শ্ব-অভিনেত্রীর জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন এ চিত্রনায়িকা।
হঠাৎ অসুস্থ হয়ে আইসিইউতে সঞ্জয় দত্ত
০৯আগস্ট,রবিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বলিউড অভিনেতা সঞ্জয় দত্ত শনিবার (৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় শ্বাসকষ্ট নিয়ে মুম্বাইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে তাকে আইসিইউতে রাখা হয়েছে। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানিয়েছে, শনিবার বিকেলে হঠাৎ করেই শ্বাসকষ্ট অনুভব করতে থাকেন সঞ্জয় দত্ত। দ্রুত অক্সিজেনের মাত্রা কমতে থাকায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। বর্তমানে তার অবস্থা স্থিতিশীল। চিকিৎসকদের একটি দল তার স্বাস্থ্যপরিস্থিতি খতিয়ে দেখছেন। জানা গেছে, এরই মধ্যে সঞ্জয় দত্তের করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে; যেখানে ফলাফল নেগেটিভ এসেছে।
কেয়ার চ্যালেঞ্জ
০৮আগস্ট,শনিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দীর্ঘদিন পর আবারো বড় পর্দায় আসছেন চিত্রনায়িকা সাবরিনা সুলতানা কেয়া। দেশে করোনা সংক্রমণের আগে রাকিবুল আলম রাকিবের- ইয়েস ম্যাডাম- শিরোনামের একটি চলচ্চিত্রের শুটিং শেষ করেন তিনি। এতে কেয়াকে এসপির চরিত্রে দেখা যাবে। প্রথমবারেরমতো এমন চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। কেয়া বলেন, প্রেম-ভালোবাসার কিংবা সামাজিক গল্পের অনেক ছবিতে কাজ করেছি। প্রতিটি ছবিতে আমার চরিত্রে নতুনত্ব ছিল। তবে অ্যাকশন চরিত্রে পর্দায় দর্শক আমাকে দেখেননি। এবার সেই আক্ষেপ দূর করবো। প্রথমবারেরমতো পুলিশ চরিত্রে অভিনয় করেছি। এখানে আমাকে দর্শকরা মারদাঙ্গা রূপে দেখবেন। এটা আমার কাছে চ্যালেঞ্জও বটে। কাজটি করে বেশ ভালো লেগেছে। সত্যি বলতে, চরিত্রটিতে নিজেকে ভাঙার সুযোগ পেয়েছি। শুটিং শেষ হলেও করোনাভাইরাসের কারণে সব বন্ধ থাকায় ডাবিং করতে পারিনি এখনো। খুব শিগগিরই হয়তো ছবিটির ডাবিং শেষ করতে পারবো। এই ছবিতে কেয়ার বিপরীতে অভিনয় করেছেন শিপন। ২০০১ সালে মনতাজুর রহমান আকবরের কঠিন বাস্তব-ছবির মধ্য দিয়ে রুপালি পর্দায় কেয়ার অভিষেক হয়। এতে তিনি অভিনয় করেন আমিন খান ও রিয়াজের বিপরীতে। প্রথম ছবিতেই দারুণ সাড়া পান কেয়া। পরবর্তীতে মান্না, শাকিব খান, ফেরদৌসসহ ঢালিউডের সব নায়কের বিপরীতে তাকে দেখা গেছে। তার মুক্তিপ্রাপ্ত সর্বশেষ ছবি হলো ব্ল্যাকমানি। এটি ২০১৫ সালে মুক্তি পায়। ক্যারিয়ারের সু-সময়ে ২০০৪ সালে হঠাৎ এই অভিনেত্রী আড়ালে চলে যান। সেই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি আসলে সেই সময় আড়ালে যাইনি। সেই সময় একটি রোড এক্সিডেন্টে আমার ভাই মারা যায়। আমার মা পা হারান। আমার সবকিছু দেখাশোনা করতেন আমার মা। কারণ তখন আমি অনেক ছোট ছিলাম। মায়ের অনুপস্থিতিতে ক্যারিয়ারে ছন্দ-পতন ঘটে। এই সময়ে অনেক অভিনেত্রী চলচ্চিত্রের বাইরে ওয়েব সিরিজসহ ডিজিটাল নানা প্ল্যাটফরমে কাজ করছেন। এ ব্যাপারে কেয়া কি ভাবছেন? তিনি বলেন, আমি কয়েকটি ওয়েব সিরিজের প্রস্তাব পেয়েছি। কিন্তু আমি সেগুলো না করে দিয়েছি। কারণ ওগুলোতে নাকি কিছুটা খোলামেলা অভিনয় করতে হবে। ফিল্মের চেয়ে যদি খোলামেলা হয় তাহলে সেটি তো অন্যরকম হয়ে যাবে। এটি কিন্তু আমাকে দিয়ে সম্ভব না। তাই ওয়েব সিরিজে এখনো কাজ করা হয়নি। যদি ভালো কোনো গল্প ও চরিত্র পাই তাহলে ওয়েব সিরিজে কাজ করার ইচ্ছে আছে।-
পত্রিকার ছবি ও সংবাদ থেকে ঈদের নাটক
০৭আগস্ট,শুক্রবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শহরের দেয়ালে দেয়ালে আর বাড়ির ফটকে বাড়ছে টু লেট বিজ্ঞাপনের সংখ্যা। করোনাকালে টিকতে না পেরে এই শহর ছেড়ে গ্রামে ফিরে যাচ্ছে মধ্যবিত্তরা। দৈনিক পত্রিকায় এমন একটি সংবাদ আর বাড়ি ফেরার করুণ ছবি থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নির্মিত হলো ঈদের বিশেষ নাটক ভুল এই শহরের মধ্যবিত্তদেরই ছিল। আবেগী আর করুণ একটা সংসারের গল্পে সাজানো এই নাটকটি রচনা ও পরিচালনা করেছেন মাহমুদুর রহমান হিমি। সিএমভির ব্যানারে নির্মিত এর প্রধান দুই চরিত্রে অভিনয় করেছেন আফরান নিশো ও মেহজাবীন চৌধুরী। নাটকটি নির্মাণ সম্পর্কে নির্মাতা মাহমুদুর রহমান হিমি বলেন, ঈদের কয়েকদিন আগে দেশের একটি শীর্ষ দৈনিকের ব্যাকপেজে বড় একটি ছবি চোখে পড়ে আমার। সেখানে দেখি, একটি ছোট পিকআপের পেছনে কিছু আসবাবপত্র নিয়ে বসে আছে ছোট্ট একটা বাচ্চা ও তার বাবা-মা। খবরটা হলো, এই ছোট পরিবারটি শহরে টিকতে না পেরে ফিরে যাচ্ছে গ্রামে। ঘটনাটি আমাকে নাড়া দেয়। এরপর দ্রুত সময়ের মধ্যে সেই ছবি আর খবরের সূত্র ধরে একটি গল্প দাঁড় করি। এমনকি নাটকের দৃশ্যে ঠিক একই ছবির মতো দৃশ্য তৈরির চেষ্টা করি। আমার ধারণা, কাজটি মানুষের হৃদয় ছোঁবে। নির্মাতা-নাট্যকার হিমির ভাষায় নাটকটির গল্প সংক্ষেপ এমন, সাধারণত মানুষকে আমরা দুই ভাগে ভাগ করি। চরিত্রের ভিত্তিতে দুই ধরনের- ভালো মানুষ আর খারাপ মানুষ। বুদ্ধিমত্তার ভিত্তিতেও দুই ধরনের- চালাক আর বোকা। তবে অর্থনীতির ভিত্তিতে মানুষকে তিনভাগে ভাগ করা হয়েছে। সেটি হলো উচ্চবিত্ত আর নিম্নবিত্তের মাঝখানে চ্যাপ্টা হয়ে যাওয়া মধ্যবিত্ত। সেই মধ্যবিত্ত সমাজের একজন নাগরিক প্রতিনিধি আশফাক। স্ত্রী আর সন্তান নিয়ে শহরে তার সাদামাটা সংসার। যে স্বপ্ন নিয়ে এই শহরে সে এসেছিল, সেই শহর ছেড়ে যেতে হবে- তা কখনো ভাবেনি। সব স্বপ্ন কি তাহলে ধূলিসাৎ হয়ে গেল নিজেদের ভুলে? নাকি মধ্যবিত্তদের স্বপ্ন দেখাই ভুল? ভেবে উত্তর পায় না আশফাক। ৭ দিনের ঈদ আয়োজনের অন্যতম শেষ চমক হিসেবে বিশেষ নাটকটি প্রচার হচ্ছে শুক্রবার (৭ আগস্ট) রাত ৮টা ১০ মিনিটে এনটিভিতে এবং ৯টা ১০ মিনিটে উন্মুক্ত হবে সিএমভির ইউটিউব চ্যানেলে।
সুশান্তের মৃত্যুর তদন্ত: রিয়াকে ইডির দফতরে হাজিরার নির্দেশনা
০৬আগস্ট,বৃহস্পতিবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আনুষ্ঠানিকভাবে সুশান্তের মৃত্যু তদন্তকে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা বা সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিয়েছে কেন্দ্র। বুধবার (৫ আগস্ট) সন্ধ্যায় এমন সিদ্ধান্তের পরপরই অপর কেন্দ্রীয় সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের সমন গেল রিয়া চক্রবর্তীর কাছে। শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকাল ১১টায় ইডির দফতরে হাজিরা দিতে হবে রিয়া চক্রবর্তীকে। অভিনেতার কথিত বান্ধবী রিয়ার বিরুদ্ধে ১৫ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনেছে সুশান্তের পরিবার। সুশান্তের প্রতিষ্ঠিত দুটি সংস্থার ডিরেক্টরের পদেও রয়েছেন রিয়া ও তার ভাই শৌভিক চক্রবর্তী। এই সংস্থাগুলোর আর্থিক লেনদেন খতিয়ে দেখছে ইডি। গত ৩১ জুলাই এনফোর্টমেন্ট কেস ইনফরমেশন রিপোর্ট বা ইসিআইআর রিপোর্ট দায়ের করা হয়েছে রিয়া চক্রবর্তী ও তার পরিবার এবং ম্যানেজারের বিরুদ্ধে। সুশান্তের পরিবারের দায়ের করা এফআইআর রিপোর্টের ভিত্তিতেই দায়ের হয়েছে এই ইসিআইআর রিপোর্ট। এদিকে, রিয়া চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে বিহার পুলিশের কাছে এফআইআর দায়েরের খবর প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই গায়েব রিয়া। অজানা এক লোকেশন থেকে গত বুধবার একটি ২০ সেকেন্ডের ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেন রিয়া। বিহার পুলিশের ডিজিপি গুপ্তেশ্বর পাণ্ডে সংবাদমাধ্যমকে জানান, রিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ করতে ব্যর্থ বিহার পুলিশ, তিনি পলাতক। বুধবার এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের কর্তৃক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় রিয়ার অ্যাসোসিয়েট স্যামুয়েল মিরান্ডাকে, যিনি শত চেষ্টা সত্ত্বেও বিহার পুলিশের সঙ্গে কথা বলতে অস্বীকার করেছিলেন। অন্যদিকে সুপ্রিম কোর্টে রিয়ার আইনজীবী তার মক্কেলকে সুরক্ষাকবচ দেওয়ার আবেদন জানালে, সেটিও খারিজ হয়ে যায়। আদালত জানিয়েছে, আপাতত মুম্বাই ও বিহার পুলিশ উভয়পক্ষই এই মামলার তদন্ত চালাচ্ছে। চাইলেই তারা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে। তবে আপাতত আনুষ্ঠানিকভাবে এই মামলার তদন্ত গ্রহণ করেছে সিবিআই।
নেট দুনিয়া মাতাচ্ছে- বড় লোকের বেটি
০৫আগস্ট,বুধবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারতের প্রখ্যাত পল্লীগীতি শিল্পী রতন কাহার ১৯৭২ সালে বড় লোকের বেটি গানটি লিখেছিলেন। ১৯৭৬ সালে অশোক রেকর্ড কোম্পানির উদ্যোগে স্বপ্না চক্রবর্তীর কণ্ঠে গানটি রেকর্ড হয়। রতন কাহারকে শ্রদ্ধা জানিয়ে নতুনভাবে গানটি করেছেন দেশের নামী সঙ্গীত পরিচালক জেকে মজলিশ। গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন জেকে মজলিশ ও বিন্দু কনা। ঈদ উপলক্ষে বিগ বাজেটের এই মিউজিক ভিডিওটি আরটিভি মিউজিক ও আরটিভি প্লাসে মুক্তি পেয়েছে। ৩ জুলাই রাতে মিউজিক ভিডিও প্রকাশের পর থেকেই প্রশংসিত হচ্ছে গান ও ভিডিও। যেখানে মডেল হিসেবে পারফর্ম করেছেন আঁখি আফরোজ ও আরেফিন জিলানী। ভিডিওতে উপস্থিত ছিলেন গানের দুই শিল্পী জেকে মজলিশ ও বিন্দু কনাও। গানটির কোরিওগ্রাফি করেছেন আসাদ খান। পরিচালনায় ছিলেন উজ্জ্বল রহমান।
মুক্তি পেলো বঙ্গবন্ধুর উক্তি নিয়ে চলচ্চিত্র- চল যাই
০৪আগস্ট,মঙ্গলবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রেক্ষাগৃহের পর এবার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেয়েছে চলচ্চিত্র- চল যাই। ঈদুল আজহার বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে ৩১ জুলাই থেকে দেশীয় স্ট্রিমিং অ্যাপ রবিস্ক্রিনে এটি দেখা যাচ্ছে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একটি উক্তিকে উপজীব্য করে নির্মিত হয়েছে- চল যাই। কয়েকজন তরুণ-তরুণীর দিশা খুঁজে পাওয়ার গল্প এটি। যে যুদ্ধের বাতিঘর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। এ চলচ্চিত্রে গুরুত্বপূর্ণ একটি চরিত্রে আনিসুর রহমান মিলন অভিনয় করেছেন। অন্য অভিনয়শিল্পীরা হলেন- তাসনুভা তিশা, লুসি তৃপ্তি গোমেজ, হুমায়রা হিমু, সাব্বির হাসান, হৃতিকা ইসলাম, নাভিদ মুনতাসির, শিশুশিল্পী শরীফুলসহ অনেকে। খালিদ মাহবুব তূর্যর গল্প ও চিত্রনাট্যে- চল যাই চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেছেন মাসুমা রহমান তানি। এন ইনিশিয়েটিভ মাল্টিমিডিয়া নির্মিত ছবিটি প্রযোজনা করেছেন রাসেল মাহমুদ। এর কন্টেন্ট পার্টনার বাংলাঢোল। প্রতিষ্ঠানটি জানায়, তরুণদের মাঝে ছবিটি পৌঁছে দিতে অ্যাপে মুক্তি দেওয়া হয়েছে এটি। দর্শকরা নামমাত্র সাবস্ক্রিপশন ফি দিয়ে উপভোগ করতে পারবেন নতুন ধারার চলচ্চিত্রটি।
৪ আগস্ট ইউটিউবে রিলিজ হচ্ছে নবনীতা-গৌরবের বন্ধু দয়াময়
০৩আগস্ট,সোমবার,বিনোদন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: (৪ আগস্ট) মঙ্গলবার জি সিরিজ প্রকাশ করতে যাচ্ছে নবনীতা চৌধুরী ও লাবিক কামাল গৌরবের দ্বৈত কণ্ঠে গাওয়া রাধারমন দত্তের গান- বন্ধু দয়াময়। সন্ধ্যা ৭টা থেকে জি সিরিজের ইউটিউব পেজে বন্ধু দয়াময় গানের মিউজিক ভিডিও দেখা যাবে। বন্ধু দয়াময়- গানটির সঙ্গীতায়োজন করেছেন লাবিক কামাল গৌরব। গৌরবের সঙ্গীতায়োজনে নবনীতার কন্ঠে- সোনালী বন্ধু, রূপ দেখিলাম রে, বল গো সখী- গানগুলো জনপ্রিয় হলেও এই প্রথম এই সঙ্গীতজুটি একসাথে গান করলেন। নবনীতা বলেন, মঞ্চে বা টেলিভিশনে আমি আর গৌরব নিয়মিত একসঙ্গে গাইলেও এটাই আমাদের প্রথম একসঙ্গে গাওয়া বা ডুয়েট গান। সবসময় কোথাও গাইতে গেলেই ডুয়েট গানের অনুরোধ থাকে দর্শক, শ্রোতার কাছ থেকে। অবশেষে আমরা রাধারমনের দারুণ সুন্দর এই গানটি করলাম একসঙ্গে। গৌরব বলেন, আমাদের দুইজনের স্কেলটা একসঙ্গে গাওয়ার জন্য মেলানো কঠিন তাই অনেক গানে হারমোনাইজ করলেও ডুয়েট গাওয়া হয় নাই। কিন্তু এই গানটা দুজনে মিলে গাইতে এবং মিউজিক করতে এত এনজয় করলাম যে মনে হল গানটা রিলিজ হলে সবাই হয়তো পছন্দ করবেন। জি সিরিজের খালেদ ভাইও গান শোনামাত্র খুব আগ্রহ দেখালেন এবং মিউজিক ভিডিও করে এই ঈদেই প্রকাশ করতে চাইলেন। গৌরব এবং নবনীতার গাওয়া- বন্ধু দয়াময় গানটি এরই মধ্যে বাংলাদেশ টেলিভিশনের ঈদ আনন্দমেলাতে প্রচারিত এবং প্রশংসিত হয়েছে। জি সিরিজ থেকে প্রকাশিতব্য মিউজিক ভিডিওটি পরিচালনা করেছেন মঞ্জু আহমেদ। গানটি মিক্স করেছেন এবং বেইজ বাজিয়েছেন ফায়জান আহমেদ বুনো এবং গিটার বাজিয়েছেন রাফসান। স্বাস্থ্যবিধি মেনে এই গানের মিউজিক ভিডিও শুটিংয়ে শিল্পীরা অংশ নিয়েছেন।