বিশ্বজয়ীদের সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সংবর্ধনা দেবে সরকার
১০ফেব্রুয়ারী,সোমবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিশ্বকাপ জয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দলকে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সরকারের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেয়া হবে। আজ সোমবার সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সম্মেলন কক্ষে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। মন্ত্রিপরিষদ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর কথার রেশ ধরে ওবায়দুল কাদের বলেন, ভারত পরপর চার বার চ্যাম্পিয়ন, তাদের হারানো বেশ কঠিন ছিল। যখনই কেউ জিতে এসেছেন তখনই সংবর্ধনা দেয়া হয়েছে। গণসংর্বধনা ওদেরও দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন সরকার প্রধান। ওবায়দুল কাদের বলেন, ঐতিহাসিক বিজয়ে আমাদের তরুণ টাইগারদের আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। তাদের দুর্দান্ত পারফরমেন্সে ভারতের মতো বিশাল শক্তিকে পরাজিত করে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। আজকের মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, এ বিজয় আমরা উদযাপন করবো। তিনি বলেন, বিজয়ী বীরদের গণসংবর্ধনা দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। আমরা আশা করছি তারা ফিরে এলে সুবিধামত সময়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হবে। কারণ আমরা স্বাধীনতার পর এবারই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছি। এ জয়ের পথ ধরেই একদিন বাংলাদেশ বিশ্বকাপও জিতবে এমন প্রত্যাশা করে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, এ দূর্দান্ত পারফরমেন্স আমাদের প্রত্যাশা বাড়িয়ে দিয়েছে। বিশেষ করে ক্যাপ্টেন আকবর যে ম্যাচিউরিটি ক্যাপ্টেনসিতে প্রদর্শন করেছে ছয় উইকেট যাওয়ার পর, আমরা তো ভাবিনি যে জিততে পারবো। এরপরও আকবরের নেতৃত্বে দলকে যেভাবে বিজয়ের স্বর্ণ দুয়ারে টেনে নিয়ে গেছে সেটা সত্যি একটা স্মরণীয় ঘটনা। গ্রাম থেকে খেলায়াড়দের তুলে আনতে তৃণমুল পর্যন্ত প্রশিক্ষণ জরুরি মন্তব্য করে তিনি বলেন, এই যে বিশ্বকাপ বিজয়ের নায়ক ক্যাপ্টেন আকবর তার বাড়ি কিন্তু পিছিয়ে পড়া কুড়িগ্রামে, এ দলে আবার পঞ্চগড়ের খেলোয়াড়ও রয়েছে। আমাদের বিকেএসপিতে তৃণমূলের যে প্রশিক্ষণ সেটা চমৎকার। এখানেই নতুন-নতুন ক্রিকেটার সৃষ্টি হয়।- একুশে টেলিভিশন
বিশ্বকাপে প্রথম শিরোপা জয় বাংলাদেশের
১০ফেব্রুয়ারী,সোমবার,মোঃ ইরফান চৌধুরী,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অধিনায়ক আকবর আলীর দায়িত্বশীল ব্যাটে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে প্রথম শিরোপা জিতেছে বাংলাদেশ। টুর্নামেন্টের হট ফেভারিট চারবারের চ্যাম্পিয়ন ভারতকে তিন উইকেটে হারিয়ে বিশ্বকাপ জয়ের ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ। রোববার দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত যুব বিশ্বকাপের ফাইনালে প্রথমে ব্যাট করে ১৭৭ রানে অলআউট হয় ভারত। টার্গেট তাড়া করতে নেমে ২৩ বল হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে আকবর আলীর নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ যুব দল। খেলার মাঝে বৃষ্টি শুরু হওয়ায় খেলা নির্ধারিত হয় ৪৬ ওভারে। এর আগে উদ্বোধনীতে পারভেজ হোসেন ইমনের সঙ্গে ৮.৫ ওভারে ৫০ রানের জুটি গড়তেই বিপদে পড়ে যান তানজিদ হাসান। বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেয়ার আগে ২৫ বলে দুই চার ও এক ছক্কায় ১৭ রান করে ফেরেন তরুণ এ ওপেনার। উড়ন্ত সূচনার পরও সময়ের ব্যবধানে উইকেট হারিয়ে কোণঠাঁসা হয়ে যায় বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। ৬৫ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে একঘরে হয়ে পড়ে বাংলাদেশ। ভারতীয় লেগ স্পিনার রবি বিষ্ণুর বল খেলতেই পারছিলেন না বাংলাদেশি যুবারা। নিজের করা প্রথম ৪ ওভারে মাত্র ১১ রান দিয়ে বাংলাদেশের ৩ ব্যাটসম্যানকে সাজঘরে ফেরান ১৯ বছর বয়সী ভারতীয় এ লেগ স্পিনার। ১৩তম ওভারে রবি বিষ্ণুর বলে আউট হয়ে ফেরেন মাহমুদুল হাসান জয়। ওই ওভারেই পায়ে ব্যথা পেয়ে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে ফেরেন ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন। তৃতীয় উইকেট পতনের পর ব্যাটিংয়ে নামেন অধিনায়ক আকবর আলী। ইমন আউট হওয়ার পর শূন্য রানের ব্যবধানে ফেরেন তাওহিদ হৃদয়। দলীয় ৬৫ রানে ডাউন দ্য উইকেটে খেলতে গিয়ে আউট হয়ে ফেরেন শাহাদাত হোসেন। এমন কঠিন পরিস্থিতিতে আকবর আলীকে যোগ্য সঙ্গ দিতে পারেননি শামিম হোসেনও। তিনি ২০ রানের জুটি গড়ে আউট হন।এরপর আকবর আলীর সঙ্গে ১৭ রানের জুটি গড়তেই আউট হয়ে যান অভিষেক দাস। ২৩ ওভারে দলীয় ১০২ রানে ৭ উইকেট পতনের পর রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে ফেরা ওপেনার পারভেজ হোসেন ইমন ফের ব্যাটিংয়ে নামেন। সপ্তম উইকেটে ইমনকে সঙ্গে নিয়ে ৪২ রানের জুটি গড়েন আকবর আলী। তাদের এ জুটিতেই জয়ের স্বপ্ন দেখেছিল বাংলাদেশ। শেষ দিকে জয়ের জন্য ১০৯ বলে প্রয়োজন ছিল মাত্র ৩৫ রান। খেলার এমন অবস্থায় সজোরে ব্যাট চালাতে গিয়ে এক্সট্রা কাভারে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন ইমন। তার আগে ৭৯ বলে ৭টি চারের সাহায্যে করেন ৪৭ রান। ১৪৩ রানে ৭ উইকেট পতনের পরপরই দুই ওভার মেইডেন দেন আকবর আলী ও রাকিবুল হাসান। রোববার দক্ষিণ আফ্রিকার পচেফস্ট্রমে আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিং বেছে নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক আকবর আলী। টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমেই বিপদে পড়ে যায় ভারতীয় যুব দল। দলীয় ৯ রানে ভারতীয় ওপেনার দিব্বাংশ সাক্সেনাকে সাজঘরে ফেরান অভিষেক দাস। এরপর তিনে ব্যাটিংয়ে নামা তিলক ভার্মাকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংস মেরামত করেন যশস্বী জসওয়াল। এই জুটিই বেশি ভুগিয়েছে বাংলাদেশি যুবাদের। দ্বিতীয় উইকেটে ৯৪ রানের জুটি গড়েন জসওয়াল ও ভার্মা। তিলক ভার্মাকে আউট করে জুটির বিচ্ছেদ ঘটান তানজিম হাসান সাকিব। দলীয় ১০৩ রানে দ্বিতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে সাজঘরে ফেরেন তিলক ভার্মা। তার আগে ৬৫ বলে ৩টি চারের সাহায্যে ৩৮ রান করেন তিনি। এরপর নিয়মিত বিরতিতে ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের সাজঘরে ফেরান বাংলাদেশি যুবারা। ভারতীয় অধিনায়ক প্রিয়াম গার্গকে দ্রুত সাজঘরে ফেরান রাকিবুল হাসান। ভারতীয় শিবিরে এরপর জোড়া আঘাত হানেন শরিফুল ইসলাম। ইনিংসের শুরু থেকে দুর্দান্ত ব্যাটিং করে যাওয়া ভারতীয় ওপেনার জসওয়ালকে সাজঘরে ফেরান শরিফুল। তার বলে তানজিম হাসানের হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন জসওয়াল। তার আগে ১২১ বলে ৮টি চার ও এক ছক্কায় ৮৮ রান করেন ভারতীয় এ ওপেনার। ব্যাটিংয়ে নেমে কিছু বুঝে ওঠার আগেই শরিফুলের দ্বিতীয় শিকার সিদ্ধেশ বীর। তিনি এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন। পরপর দুই বলে দুই উইকেট তুলে নিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা তৈরি করেন শরিফুল। কিন্তু পরের ওভারে বোলিংয়ে এসে উইকেটে সাফল্য না পাওয়ায় হ্যাটট্রিক হয়নি তার। এরপর আসা-যাওয়ার মধ্যেই ছিলেন ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা। ৩৮ বলে ২২ রান করে রান আউটের ফাঁদে পড়েন ধ্রুব জুরেল। ৬ বলে ২ রান করার সুযোগ পান রবি বিষ্ণু। ৭ বলে ৩ রান করে অভিষেক দাসের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন অথর্ব আঙ্কোলেকার। কার্তিক ত্যাগীকে রানের খাতা খুলারই সুযোগ দেননি বাংলাদেশ দলের তরুণ পেসার অভিষেক দাস। শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে সুশান্ত মিশ্রকে আউট করে ভারতকে ১৭৭ রানে গুঁটিয়ে দেন তানজিম হাসান সাকিব। সংক্ষিপ্ত স্কোর: ভারত: ৪৭.২ ওভারে ১৭৭/১০ (জসওয়াল ৮৮, তিলক ভার্মা ৩৮, ধ্রুব জুরেল ২২; অভিষেক ৩/৪০, তানজিদ হাসান সাকিব ২/২৮, শরিফুল হাসান ২/৩১)। বাংলাদেশ: ৪২.১ ওভারে ১৭০/৭ (পারভেজ হোসেন ইমন ৪৭, আকবর আলী ৪৩, তানজিদ হাসান তামিম ১৭; রবি বিষ্ণু ৪/৩০)। ফল: বৃষ্টি আইনে বাংলাদেশ ৩ উইকেটে জয়ী।
ইতিহাস গড়তে আজ মাঠে নামছে অনূর্ধ্ব-১৯ দলের যুব টাইগাররা
০৬ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ইতিহাস গড়ার স্বপ্ন নিয়ে আজ মাঠে নামছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের যুবারা। যুব বিশ্বকাপে এর আগে কখনও ফাইনালে খেলার সুযোগ পায়নি বাংলাদেশ। আজকের সেমিফাইনালে জিততে পারলেই ইতিহাস গড়বে যুবারা। যুব বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আজ বৃহস্পতিবার নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ। দক্ষিণ আফ্রিকার পচেফস্ট্রুমে অনুষ্ঠিতব্য দ্বিতীয় সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। কিউইদের বিপক্ষে মাঠের লড়াইয়ে নামার আগে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক আকবর আলী বলেন, দেখুন আমরা যদি আমাদের প্রস্তুতির কথা বলি আমি বলবো যে আমরা মানসিক ও স্কিল দুটো সাইড থেকেই ভালো প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে আমাদের। এখন শুধু মাঠে প্রয়োগ করার পালা সেটা করতে পারলেই আমার মনে হয় রেজাল্ট ইনশাল্লাহ আমাদের দিকে আসবে। তিনি আরও বলেন, নিউজিল্যান্ড ভালো ক্রিকেট খেলেই এত দূর এসেছে। আশা করি আমরা আমাদের যে প্ল্যান আছে সে অনুযায়ী খেলতে পারলে ভালো কিছু হবে। তাদেরকে যতটা কম রানের মধ্যে আঁটকে রাখার চেষ্টা করতে হবে। তাদের ব্যাটিং অর্ডারে লোয়ারে ভালো ব্যাটসম্যান আছে, তাদের লাইন আপ বেশ লম্বা, আশা করি আমদের বোলাররা ভালো করতে পারবে। এর আগে ঘরের মাঠে ২০১৬ সালে মেহেদী হাসান মিরাজের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ যুব দল খেলে ছিল প্রথম সেমিফাইনাল।
রোনালদো ও নেইমারের জন্মদিন আজ
০৫ফেব্রুয়ারী,বুধবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ও নেইমার। বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় তারা। একজন খেলেন স্প্যানিশ লিগে, আর অন্যজন ফরাসি লিগে। আজ ৫ ফেব্রুয়ারি, ফুটবল বিশ্বের এই দুই তারকার জন্মদিন। রোনালদো আজ পা দিলেন ৩৫-এ। অপরদিকে নেইমার ২৮-এ। রোনালদোর জন্ম ১৯৮৫ সালে পর্তুগালের মাদেইরা শহরে। মা-বাবা নাম রেখেছিলেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগানের সঙ্গে মিল রেখে। ছোটবেলায় রোনালদো ছিলেন অত্যন্ত গোবেচারা, নিরীহ প্রকৃতির। মজার বিষয় হচ্ছে সমবয়সী বন্ধুদের সঙ্গে নয়, রোনালদো খেলতে পছন্দ করতেন বড়দের সঙ্গে। বড়দের সঙ্গে খেলার সময় অনেক বেশ আঘাত পেতে হয়েছে। তবুও হাল ছাড়েননি। ছোটবেলা থেকেই অনুভব করতেন ফুটবলার হবেন। ফুটবলার হওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা নিয়েই মাত্র ১২ বছর বয়সে খেলা শুরু করেন স্পোর্টিং দ্য লিসবোয়াতে। একপর্যায়ে মাদেইরা থেকে পরিবার-পরিজন ছেড়ে চলে আসেন। এরপর কেবলই এগিয়ে চলার গল্প। ২০০৩-এ যোগ দিলেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে। সেখানে ছয় বছর কাটিয়ে ২০০৯-এ গায়ে চাপালেন রিয়াল মাদ্রিদের জার্সি। একাধিক ব্যালন ডি অরের শিরোপা নিজের করে নিয়েছেন সময়ের সেরা এই তারকা। এদিকে ব্রাজিলের কিংবদন্তীদের মধ্যে অন্যতম খেলোয়াড় নেইমার ডা সিলভা সান্তোস জুনিয়র। তার জন্ম ১৯৯২ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি। তিনি সাধারণত নেইমার নামেই পরিচিত। একজন ব্রাজিলীয় পেশাদার ফুটবলার, যিনি ফরাসি ক্লাব প্যারিস সেইন্ট জার্মেইন এবং ব্রাজিল জাতীয় দলের হয়ে একজন ফরোয়ার্ড বা উইঙ্গার হিসেবে খেলেন। তাকে আধুনিক বিশ্বের উদীয়মান ফুটবলারদের মধ্যে অন্যতম মনে করা হয়। নেইমার ১৯ বছর বয়সে ২০১১ এবং ২০১২ সালে দক্ষিণ আমেরিকার বর্ষসেরা ফুটবলার নির্বাচিত হন। ২০১১ সালে নেইমার ফিফা ব্যালন ডি’অরের জন্য মনোনয়ন পান, তবে ১০ম স্থানে আসেন। তিনি ফিফা পুরস্কারও অর্জন করেন। তিনি সর্বাধিক পরিচিত তার ত্বরণ, গতি, বল কাটানো, সম্পূর্ণতা এবং উভয় পায়ের ক্ষমতার জন্য। তার খেলার ধরণ তাকে এনে দিয়েছে সমালোচকদের প্রশংসা, সাথে প্রচুর ভক্ত, মিডিয়া এবং সাবেক ব্রাজিলীয় ফুটবলার পেলের সঙ্গে তুলনা।
রোনালদো ও নেইমারের জন্মদিন আজ
০৫ফেব্রুয়ারী,বুধবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ও নেইমার। বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় তারা। একজন খেলেন স্প্যানিশ লিগে, আর অন্যজন ফরাসি লিগে। আজ ৫ ফেব্রুয়ারি, ফুটবল বিশ্বের এই দুই তারকার জন্মদিন। রোনালদো আজ পা দিলেন ৩৫-এ। অপরদিকে নেইমার ২৮-এ। রোনালদোর জন্ম ১৯৮৫ সালে পর্তুগালের মাদেইরা শহরে। মা-বাবা নাম রেখেছিলেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগানের সঙ্গে মিল রেখে। ছোটবেলায় রোনালদো ছিলেন অত্যন্ত গোবেচারা, নিরীহ প্রকৃতির। মজার বিষয় হচ্ছে সমবয়সী বন্ধুদের সঙ্গে নয়, রোনালদো খেলতে পছন্দ করতেন বড়দের সঙ্গে। বড়দের সঙ্গে খেলার সময় অনেক বেশ আঘাত পেতে হয়েছে। তবুও হাল ছাড়েননি। ছোটবেলা থেকেই অনুভব করতেন ফুটবলার হবেন। ফুটবলার হওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা নিয়েই মাত্র ১২ বছর বয়সে খেলা শুরু করেন স্পোর্টিং দ্য লিসবোয়াতে। একপর্যায়ে মাদেইরা থেকে পরিবার-পরিজন ছেড়ে চলে আসেন। এরপর কেবলই এগিয়ে চলার গল্প। ২০০৩-এ যোগ দিলেন ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে। সেখানে ছয় বছর কাটিয়ে ২০০৯-এ গায়ে চাপালেন রিয়াল মাদ্রিদের জার্সি। একাধিক ব্যালন ডি অরের শিরোপা নিজের করে নিয়েছেন সময়ের সেরা এই তারকা। এদিকে ব্রাজিলের কিংবদন্তীদের মধ্যে অন্যতম খেলোয়াড় নেইমার ডা সিলভা সান্তোস জুনিয়র। তার জন্ম ১৯৯২ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি। তিনি সাধারণত নেইমার নামেই পরিচিত। একজন ব্রাজিলীয় পেশাদার ফুটবলার, যিনি ফরাসি ক্লাব প্যারিস সেইন্ট জার্মেইন এবং ব্রাজিল জাতীয় দলের হয়ে একজন ফরোয়ার্ড বা উইঙ্গার হিসেবে খেলেন। তাকে আধুনিক বিশ্বের উদীয়মান ফুটবলারদের মধ্যে অন্যতম মনে করা হয়। নেইমার ১৯ বছর বয়সে ২০১১ এবং ২০১২ সালে দক্ষিণ আমেরিকার বর্ষসেরা ফুটবলার নির্বাচিত হন। ২০১১ সালে নেইমার ফিফা ব্যালন ডি’অরের জন্য মনোনয়ন পান, তবে ১০ম স্থানে আসেন। তিনি ফিফা পুরস্কারও অর্জন করেন। তিনি সর্বাধিক পরিচিত তার ত্বরণ, গতি, বল কাটানো, সম্পূর্ণতা এবং উভয় পায়ের ক্ষমতার জন্য। তার খেলার ধরণ তাকে এনে দিয়েছে সমালোচকদের প্রশংসা, সাথে প্রচুর ভক্ত, মিডিয়া এবং সাবেক ব্রাজিলীয় ফুটবলার পেলের সঙ্গে তুলনা।
শুভ জন্মদিন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ
০৪ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। বাংলাদেশের তারকা ক্রিকেটার। জাতীয় দলের অন্যতম সিনিয়র সদস্য। অলরাউন্ডার, কার্যকরী মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান ও অকেশনাল অফ স্পিন বোলার। আজ তার জন্মদিন। রিয়াদ ১৯৮৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। তার পুরো নাম- মোহাম্মদ মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। বাংলাদেশের পক্ষে ক্রিকেট বিশ্বকাপের প্রথম সেঞ্চুরিয়ান তিনি। এ ছাড়া প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে ওয়ানডে বিশ্বকাপে টানা দ্বিতীয় সেঞ্চুরি করার গৌরব অর্জন করেন এ ব্যাটসম্যান। মাহমুদউল্লাহর প্রথম ওয়ানডে অভিষেক হয় ২০০৭ সালের জুলাই মাসে। বাংলাদেশ দলের শ্রীলংকা সফর ছিল সেটি। সফরের ৩য় ওয়ানডে ম্যাচে দেশের হয়ে প্রথম ২২ গজে ব্যাট হাতে তুলে নেন এই কৃতী ক্রিকেটার। এর পর থেকে দেশের হয়ে প্রায় ধারাবাহিকভাবে তিনি পারফর্ম করে চলেছেন। ২০০৭ সালেই কেনিয়ায় অনুষ্ঠিত চার জাতি সিরিজ এবং আইসিসি বিশ্বকাপ টুয়েন্টি-২০(২০০৭) প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ স্কোয়াডে ছিলেন তিনি। ২০১৪ সালের ১৫ জুন সফরকারী ভারতের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত ১ম একদিনের আন্তর্জাতিকে ১০ম বাংলাদেশি হিসেবে মাহমুদউল্লাহ তার শততম ওডিআই খেলেন। থেমে নেই তার ব্যাট ও বল। মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের টেস্ট অভিষেক হয় ২০০৯ সালের ৯ জুলাই। আর্নোস ভ্যাল স্টেডিয়ামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অনুষ্ঠিত ১ম টেস্টে তার টেস্ট অভিষেক ঘটে। অভিষেক টেস্টেই রিয়াদ বিপক্ষ দলের পাঁচজনকে আউট করে কৃতিত্ব দেখান। ফলে তিনি তৃতীয় বাংলাদেশি বোলার হিসেবে টেস্ট অভিষেকেই পাঁচ উইকেট লাভ করেন। তার ওই ক্রীড়া নৈপুণ্যে বাংলাদেশ দল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টেস্টে জয়লাভ করে। ২০১৫ সালের বিশ্বকাপে রিয়াদের পারফম্যান্স চোখ ধাঁধানো। ৯ মার্চ অ্যাডিলেড ওভালে অনুষ্ঠিত গ্রুপ পর্বের ৫ম খেলায় ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তিনি অভিষেক সেঞ্চুরি করেন, যা ছিল বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে প্রথম সেঞ্চুরি। বাংলাদেশের পক্ষে বিশ্বকাপের যে কোনো উইকেটে মুশফিকুর রহিমকে সঙ্গে নিয়ে ১৪১ রানের সর্বোচ্চ জুটি গড়ার রেকর্ড রয়েছে রিয়াদের।
বিসিএল ৮ম আসরের উদ্বোধন
০১ফেব্রুয়ারী,শনিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ইসলামী ব্যাংক ইস্ট জোন ও ওয়ালটন সেন্ট্রাল জোনের খেলার মধ্য দিয়ে ৩১ জানুয়ারি ২০২০ শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে উদ্বোধন করা হয় বাংলাদেশ ক্রিকেট লীগ (বিসিএল) এর ৮ম আসর। বিসিএল টুর্নামেন্ট কমিটির সদস্য সচিব রাকিব হায়দার পাভেল ও ইসলামী ব্যাংকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা অতিথি হিসেবে এ টুর্নামেন্ট উদ্বোধন করেন। এসময় ব্যাংকের সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট নজরুল ইসলাম, ইসলামী ব্যাংক ইস্ট জোনের কোচ আব্দুল করিম জুয়েল, অধিনায়ক মুমিনুল হক সৌরভ ও সেন্ট্রাল জোনের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তসহ দু'দলের খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ ও কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। ইসলামী ব্যাংক ইস্ট জোনের অন্যান্য খেলোয়াড়বৃন্দ হলেন তামিম ইকবাল খান, ইমরুল কায়েস, ইয়াসির আলী চৌধুরী, আফিফ হোসেন ধ্রুব, মো. জাকির হাসান, রুবেল হোসেন, পিনাক ঘোষ, আবু যায়েদ রাহি, মো. তাইজুল ইসলাম, নাঈম হাসান, হাসান মাহমুদ, মোহাম্মদ আশরাফুল, রনি চৌধুরী, অমিত হাসান ও রেজাউর রহমান।- একুশে টেলিভিশন
প্রধানমন্ত্রীর হাতের রান্না খেয়ে আপ্লুত সাকিব-শিশির
২৬জানুয়ারী,রবিবার,ক্রীড়া ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: এ মুহূর্তে আইসিসির জারিকৃত নিষেধাজ্ঞায় থাকলেও বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান আসন গেঁড়ে নিয়েছেন দেশের কোটি ক্রিকেটপ্রেমীর মনে। হারিয়ে যাননি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হৃদয় থেকেও। তারই এক অনন্য উদাহরণ দেখা গেল আজ। নিজ হাতে রান্না করে সুস্বাদু সব খাবার সাকিবের বাসায় পাঠিয়ে দিলেন তিনি! এর আগেও অবশ্য প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে খেলতে দেখা গিয়েছিল সাকিবকন্যা আলাইনাকে। আর এবার রান্না করা সব খাবার পাঠিয়ে অনন্য দৃষ্টান্ত উপস্থাপন করলেন শেখ হাসিনা। আজ রোববার দুপুরে এক ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছেন স্বয়ং সাকিব আল হাসান। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে তিনি লিখেছেন, 'আমি পৃথিবীর সবচেয়ে ভাগ্যবান ব্যক্তি। আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার পেয়ে বাকরুদ্ধ হয়ে গেছি। সকালবেলায় সুস্বাদু সব খাবার রান্না করে তিনি আমার বাসায় পাঠিয়ে দিয়েছেন! সাকিব আরও লিখেছেন, খাবারগুলো আমার স্ত্রীর জন্য ছিল, কারণ গতকাল উনার সঙ্গে দেখা হওয়ার সময় আমার স্ত্রী বলেছিল, এই খাবারগুলো তার পছন্দ। জীবনের সেরা এই উপহার পেয়ে আমার হৃদয় ভরে গেছে। সত্যি নিজেকে ধন্য মনে করছি! সাকিব ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীর পাঠানো মজাদার খাবারের ছবিগুলোও দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন- I am the luckiest person on earth, Im truly speechless by this gesture of our honourable prime minister Sheikh Hasina as I got to taste her delicious cooking which she cooked herself this morning and sent to my house for my wife because she mentioned it was her favourite food when we visited her yesterday. Cant thank enough for this amazing gesture this will always remain in my heart for the rest of my life! We are truly blessed! এর আগে শনিবার (২৫ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে নিজের পছন্দের খাবারের কথা জানিয়েছিলেন সাকিবপত্নী উম্মে শিশির আল হাসান। এ সময় শিশিরের সঙ্গে ছিল তাদের কন্যা আলাইনাও। সাকিব ও শিশিরের মনের ইচ্ছেপূরণ করতেই নিজ হাতে সেই খাবারগুলো রান্না করে সাকিবের বাসায় পাঠিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ক্রিকেটের প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার টান অন্যরকম। ভালোবাসেন ক্রিকেটারদেরও। ব্যক্তিগতভাবে খোঁজখবর রাখেন ক্রিকেটারদের পরিবারেরও। ক্রিকেট ও ক্রিকেট সংশ্লিষ্টদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দুয়ারও সবসময় খোলা। ক্রিকেটাররা স্ত্রী-পরিজন নিয়েও গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সান্নিধ্যে সময় কাটানোর সুযোগ পান। মাশরাফি বিন মুর্তজা-সাকিব আল হাসানের পরিবারের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সখ্য বহুদিনের।- একুশে টেলিভিশন