প্রায় ছয় মাস পর সাকিব দেশে ফিরছেন
২৯আগস্ট,শনিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পরিবারের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে সময় কাটিয়ে প্রায় ছয় মাস পর দেশে ফিরছেন সাকিব আল হাসান। সোমবার ঢাকায় পা রাখবেন দেশসেরা এই ক্রিকেটার। সাকিবের দেশে ফেরার খবরটি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছে তার শৈশবের কোচ নাজমুল আবেদিন ফাহিম ও পারিবারিক সূত্র। দেশে ফেরার ফিরেই করোনাবিধি অনুযায়ী, ১৪ দিনের সেলফ কোয়ারেন্টাইনে যেতে হবে। এই সময়ে দুইবার করোনা টেস্ট হবে তার। রিপোর্ট নেগেটিভ হলে বিকেএসপিতে ব্যক্তিগতভাবে অনুশীলন শুরু করবেন তারকা এই অলরাউন্ডার। করোনাভাইরাস মহামারির শুরু হওয়ার আগেই যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান সাকিব। সেখানে থেকেই এই মহামারির কারণে দুর্ভোগে পড়া মানুষজনকে সহায়তা করার নানা উদ্যোগ নেন তিনি। এর মধ্যে দ্বিতীয় কন্যা সন্তানের বাবা হয়েছেন সাবেক বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। উল্লেখ্য, জুয়াড়ির কাছ থেকে তিন দফায় ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব পেয়েও তা গোপন করায় গত বছরের অক্টোবরে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা পান সাকিব, যার মধ্যে এক বছরের শাস্তি স্থগিত। এই নিষেধাজ্ঞার কারণে তাকে আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত সব ধরনের ক্রিকেট থেকে বাইরে থাকতে হচ্ছে। নিষেধাজ্ঞা শেষে জাতীয় দলের আসন্ন শ্রীলঙ্কা সফরের মধ্য দিয়ে খেলায় ফেরা হতে পারে তার। স্বাগতিক শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম টেস্ট শুরু ২৪ অক্টোবর। তখনও নিষেধাজ্ঞায় থাকবেন সাকিব। তবে দ্বিতীয় টেস্ট থেকেই তিনি খেলতে পারেন বলে জানিয়েছেন বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন।- দেশ রূপান্তর
আইপিএলে করোনার থাবা, চেন্নাইর ১৩ জন আক্রান্ত
২৮আগস্ট,শুক্রবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সংযুক্ত আরব আমিরাতে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) ১২তম আসর শুরু হবে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর। চলবে ৮ নভেম্বর পর্যন্ত। তবে আইপিএল শুরুর আগেই চেন্নাই শিবিরে জোর ধাক্কা। টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা দল চেন্নাই সুপার কিংসের এক পেসার এবং ১২ জন সাপোর্ট স্টাফ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুবাইয়ে করা করোনা টেস্টে ১৩ জনের নমুনার ফল পজিটিভ এসেছে। যার ফলে পুরো চেন্নাই সুপার কিংস দলকে আরও তিনদিন কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে অনুশীলন শুরু করতে পারে দলটি। আইপিএলে অংশ নিতে চলতি মাসের ২১ তারিখ আরব আমিরাতে গিয়েছে চেন্নাই দল। আইপিএলের করোনা প্রোটোকল মোতাবেক আমিরাতে প্রথম, তৃতীয় ও পঞ্চম দিনে করোনা টেস্ট করাতে হবে সব দলকে। সেই নিয়ম মেনে প্রথম ও তৃতীয় দিনে করোনা টেস্টে কোনো সমস্যা পাওয়া যায়নি। কিন্তু পঞ্চম দিনের টেস্টে একসঙ্গে ১৩ জন সদস্যের করোনা পজিটিভ পাওয়া গিয়েছে। এর মধ্যে একজন ভারতীয় পেসার ও বাকি ১২ জন সাপোর্ট স্টাফ ও সোশাল মিডিয়া টিমের অংশ ছিলেন।- বাংলাদেশ প্রতিদিন
মিউনিখে উৎসব
২৫আগস্ট,মঙ্গলবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে প্যারিস সেন্ট জার্মেইকে (পিএসজি) হারিয়ে ষষ্ঠবারের মতো শিরোপা ঘরে তুলে নিয়েছে বায়ার্ন মিউনিখ। রবিবার রাতের ফাইনালে জার্মান জায়ান্টরা ১-০ গোলে হারায় ফরাসি ক্লাবটিকে। বায়ার্ন মিউনিখ চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জেতায় মিউনিখে হয়েছে উৎসব। আনন্দ উল্লাস যেন থামছিলই না। বায়ার্ন গোল দেয়ার পর পরই শুরু হয়ে যায় উৎসব। ম্যাচ শেষ হলেও তা চলে মধ্যরাত পর্যন্ত। ট্রেবল জয়ের আনন্দে বিভোর ছিল বাভারিয়ান্স ফ্যানরা। অন্যদিকে, শিরোপার এতো কাছাকাছি এসে তা হাতছাড়া হয়ে যাওয়া প্রচণ্ড রকমভাবে হতাশ ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের পিএসজি সমর্থকরা। তাই ম্যাচশেষে রাতেই প্যারিসের রাস্তায় নেমে পড়েন সমর্থকরা। শহরের মোড়ে মোড়ে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন। এমনকি গাড়ি পুড়িয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কেউ কেউ। পরে টিয়ার গ্যাস ও লাঠিচার্জ করে হাজারও বিক্ষোভকারীকে নিয়ন্ত্রণে আনে ফরাসি পুলিশ।
সাড়ে ১২ হাজার কোটি টাকার পিএসজির ব্যর্থ প্রজেক্ট
২৪আগস্ট,সোমবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শুধুমাত্র একটি শিরোপা। ইউরো চ্যাম্পিয়ন্সশিপ। এই একটি শিরোপা জন্য একটি দল কতটাকা ঢালতে পারে? আরবের পেট্রোডলারে ফুলে-ফেঁপে ওঠা কাতারি ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানির একটি প্রতিষ্ঠান কাতার স্পোর্টস ইনভেস্টমেন্ট। ২০১২ সালে ক্লাবটির মালিকা পুরোপুরি কেনার পর থেকেই তারা উঠেপড়ে লেগেছে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স হওয়ার মিশন সফল করার জন্য। এই একটি লক্ষ্যে পানির মত টাকা ঢালছেন নাসের আল খেলাইফি। অজস্র টাকা ঢালার পর অবশেষে স্বপ্নপূরণের একেবারে দ্বারপ্রান্তে এসেও ব্যর্থ হতে হলো তাদেরকে। বায়ার্নের গতিময় পাওয়ার ফুটবলের সামনে অসহায় হয়ে পড়েছিলেন নেইমার আর এমবাপেরা। ২০১১ সাল থেকেই মূলতঃ ক্লাবটির কাতারি মালিক স্পোর্টস ইনভেস্টমেন্ট পিএসজিকে নিয়ন্ত্রণ করতে শুরু করে। ২০১২ সালে তারা হয়ে যায় একক মালিক। সেই থেকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনাল পর্যন্ত মোট ১.২৫৬ বিলিয়ন ইউরো (বাংলাদেশি টাকায় ১২ হাজার ৫৪৫ কোটি ৬১ লাখ টাকা) ব্যায় করেছে তারা পিএসজির পেছনে। ইউরোপিয়ান ফুটবলে তথা উয়েফা কিংবা ফিফার যে ফাইনান্সিয়াল ফেয়ার প্লে রয়েছে, সেগুলোকেও পর্যন্ত তোয়াক্কা করেনি। শুরুতে থিয়াগো সিলভা, ডেভিড লুইজ, জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচ, এডিনসন কাভানি, এঞ্জেল ডি মারিয়াদের কিনতে শুরু করে। শেষ পর্যন্ত ২২২ মিলিয়ন ইউরো দিয়ে বার্সেলোনা থেকে কিনে আনে নেইমারকে। মোকানোর ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপেকে কিনে রাখে ১৮০ মিলিয়ন ইউরোয়। এই বিশাল পরিমাণ অর্থ ব্যায় করে গত ৮-৯ বছরে কাতারি স্পোর্টস ইনভেস্টমেন্টের অর্জন ৭টি লিগ ওয়ান শিরোপা, ৫টি কোপা ডি ফ্রান্স ট্রফি, ৬টি কোপা ডি লা লিগা এবং সাতটি ট্রফি ডাস চ্যাম্পিয়ন্স শিরোপা। ২০১১-১২ সালে পিএসজি খেলোয়াড় কিনতে খরচ করেছিল ১০৭.১ মিলিয়ন ইউরো (১ হাজার ৭১ কোটি টাকা প্রায়)। এর মধ্যে ৪২ মিলিয়ন ইউরো দিয়ে কিনে নেয় হ্যাভিয়ের পাস্তোরেকে। ২০১২-১৩ মৌসুমে তারা খেলোয়াড় কিনতে খরচ করে ১৫১ মিলিয়ন ইউরো (১ হাজার ৫১০ কোটি টাকা)। এর মধ্যে ৪২ মিলিয়ন ইউরো দিয়ে থিয়াগো সিলভা, ৪০ মিলিয়ন দিয়ে লুকাস মউরা, ৩০ মিলিয়ন দিয়ে এজেকুয়েল লাভেজ্জি এবং ২১ মিলিয়ন ইউরো দিয়ে কিনে নেয় জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচকে। ২০১৩ সালে এডিনসন কাভানি, মার্কুইনহোস এবং ইয়োহান ক্যাবাইকে পিএসজি কিনে নেয় ১৩৫.৯ মিলিয়ন ইউরো দিয়ে। এরপর ওই একই বছর শেষ দিকে পিএসজিতে ৪৯.৫ মিলিয়ন ইউরোয় যোগ দেন ডেভিড লুইজ। ২০১৫-১৬ মৌসুমে পিএসজি খেলোয়াড় কিনতে খরচ করে ১১৬.১ মিলিয়ন ইউরো। ২০১৬-১৭ মৌসুমে খরচ করে ১৩৪.৫ মিলিয়ন ইউরো। তবে, ২০১৭ সালের গ্রীষ্মে তারা যা করেছিল, তা কোনো কিছুর সঙ্গেই তুলনীয় নয়। সেবার তারা বার্সেলোনা থেকে ২২২ মিলিয়ন ইউরো কিনে নেয় ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমারকে। একই মৌসুমেই কিলিয়ান এমবাপেকে ১৪৫ মিলিয়ন ইউরো কিনে নেয় পিএসজি। তবে ২০১৯ সালে প্যারিসের ক্লাবটি শুধু ব্যায় করেছিল ৯৫ মিলিয়ন ইউরো। কিনেছিল কেইলর নাভাস এবং পাবলো সারাভিয়াকে। এতকিছু করার পর অবশেষে একটি চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে উঠেও ব্যর্থ হতে হলো নেইমারের পিএসজিকে। প্রায় সাড়ে ১২ হাজার কোটি টাকার যে প্রজেক্ট তৈরি করেছিল পিএসজির মালিকপক্ষ কাতারি স্পোর্টস ইনভেস্টমেন্ট, সেটাকে গতির খেলায় পেছনে ফেলে চ্যাম্পিয়ন হয়ে গেলো বায়ার্ন মিউনিখ।- জাগো নিউজ
শক্তিমত্তায় কে এগিয়ে বায়ার্ন না পিএসজি?
২৩আগস্ট,রবিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অপ্রতিরোধ্য বায়ার্ন মিউনিখকে ঠেকাতে পারবে নেইমার-এমবাপ্পে! মেশিন লেভা ও নাব্রিকে রুখে দিতে পারবে পিএসজির রক্ষণভাগ! বুধবার রাতে অলিম্পিক লিঁওকে ৩-০ গোলে হারিয়ে বায়ার্ন মিউনিখ ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করার পর থেকেই এমন সব চিন্তায় মগ্ন ফুটবলপ্রেমীরা। শক্তিমত্তায় কে এগিয়ে তা নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। তবে লড়াইটা যে জমজমাট হতে যাচ্ছে তা নিশ্চিত অনেকেই। এবারের মৌসুমে বুন্দেসলিগা ও জার্মান কাপ জিতে নিজেদের শক্তিমত্তার পরিচয় দিয়েছে বায়ার্ন। জার্মানির সেরা দল বলতে এক নামে মিউনিখের এ দলই। অন্যদিকে ফরাসি লিগ ও ফরাসি কাপ জিতেছে পিএসজি। ইতিমধ্যে নিজ দেশের ক্লাব বায়ার্নকে সতর্ক করেছেন জার্মানের কিংবদন্তি ফ্রেঞ্জ বেকেনবাওয়ার। তার মতে, দুই দলের সম্ভাবনা সমানে সমান। পিএসজিকে কোনোমতেই হালকাভাবে নেয়া যাবে না। পরিসংখ্যান তাই বলছে। চলতি মৌসুমে বায়ার্ন সব ম্যাচ জিতলেও মুখোমুখি দেখায় এগিয়ে আছে পিএসজি। চ্যাম্পিয়নস লিগের গ্রুপ পর্বে এখন পর্যন্ত দুই দলের দেখা হয়েছে আট বার। এর মধ্যে পাঁচবার জিতেছে পিএসজি, তিনবার জিতেছে বায়ার্ন। তবে ফুটবল যেহেতু গোলের খেলা, সে কথার বিবেচনায় বায়ার্নকে এগিয়ে রাখতে চাইছেন অনেকেই। চলতি মৌসুমে বায়ার্ন ফরোয়ার্ডদের ফিনিশিং ছিল দুর্দান্ত। লেভানডফস্কি চলতি আসরে এরই মধ্যে রেকর্ড ১০টি হ্যাটট্রিক হয়েছে। এর মধ্যে বায়ার্নের নাব্রি, লেভানডফস্কি ও ইলিসিচ এক ম্যাচে চার গোল করার কৃতিত্ব দেখিয়েছেন। আসরে এখন পর্যন্ত ১৫ গোল করেছেন বায়ার্ন মিউনিখের লেভানডফস্কি। এক মৌসুমে (২০১৩-১৪) ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর করা ১৭ গোলের রেকর্ড থেকে মাত্র দুই গোল দূরে আছেন তিনি। ফাইনালের আগ পর্যন্ত বায়ার্ন এবার ৪২ গোল করেছে, ম্যাচপ্রতি রেকর্ড ৪.২ গোল। আরও পড়ুন- আইপিএলের শুরু থেকে মালিঙ্গাকে পাচ্ছে না মুম্বাই অবশ্য পিএসজির রেকর্ডও চোখে পড়ার মতো। চ্যাম্পিয়নস লিগে নিজেদের শেষ ৩৪ ম্যাচের প্রতিটিতে গোল করেছে পিএসজি। স্পর্শ করেছে ২০১১ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে রিয়ালের গড়া রেকর্ড। তবে ফাইনাল খেলার অভিজ্ঞতার নিরিখে বায়ার্নের তুলনায় পিএসজিকে শিক্ষানবিশই বলা যায়। এই প্রতিযোগিতায় পাঁচটি শিরোপা জেতা বায়ার্নের ১০ বার ফাইনালে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। অন্যদিকে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে উঠল নেইমার-এমবাপ্পেদের পিএসজি।
পদত্যাগ করলেন বাংলাদেশ দলের ব্যাটিং কোচ ম্যাকেঞ্জি
২১আগস্ট,শুক্রবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের ব্যাটিং কোচ নিল ম্যাকেঞ্জি পদত্যাগ করেছেন। আজ সংবাদমাধ্যম ইএসপিএন ক্রিকইনফোকে ম্যাকেঞ্জি জানান, সিদ্ধান্ত জানিয়ে ইতিমধ্যেই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) চিঠি দিয়েছেন তিনি। সাবেক এই প্রোটিয়া ক্রিকেটার বলেন, হ্যাঁ, আমি পদত্যাগ করেছি। একমাত্র কারণ পরিবার থেকে দূরে থাকা। টাইগারদের অংশ হতে পারাটা ছিল আমার জন্য দারুণ ব্যাপার। বাংলাদেশ ক্রিকেট ও সেসব ক্রিকেটারের সঙ্গে কাজ করেছি তাদের জন্য আমার হৃদয়ে সবসময় একটা ভালোবাসার জায়গা থাকবে। প্রোটিয়া কোচের না আসা প্রসঙ্গে বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স চেয়ারম্যান আকরাম খান এর আগেই অবশ্য বলেছিলেন, আমরা যতটুকু জানি; তিনি (ম্যাকেঞ্জি) পারিবারিক কারণে আসছেন না। আমাদের তিনি শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি দিয়ে না আসার কারণ ব্যাখা করবেন। আমরা এখন ম্যাকেঞ্জির বিকল্প খুঁজছি। ২০১৮র জুলাইয়ে ম্যাকেঞ্জিকে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ব্যাটিং পরামর্শক হিসেবে নিয়োগ দেয় বিসিবি। ম্যাকেঞ্জির সঙ্গে বিসিবির চুক্তি ছিল দিন ভিত্তিতে। অর্থাৎ যতদিন কাজ করবেন ততদিনের পারিশ্রমিক পাবেন তিনি। সে হিসাবে কেবল সাদা বলের সিরিজের আগে তার সান্নিধ্য পেতেন তামিম-মুশফিকরা। বিদেশের মাটিতে ভারত সিরিজ ছিল ম্যাকেঞ্জির প্রথম অ্যাসাইনমেন্ট। আর টাইগারদের সঙ্গে তার শেষ অ্যাসাইমেন্ট ছিল ঘরের মাঠে জিম্বাবুয়ে বিপক্ষে সিরিজে। বিসিবি শ্রীলঙ্কা সফরেও ম্যাকেঞ্জিকে চেয়েছিল। তিনি বাংলাদেশে আসতে চাননি এই অঞ্চলের করোনা পরিস্থিতির কারণে। শ্রীলঙ্কার সঙ্গে বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট ২৪শে অক্টোবর শুরু হলেও কোয়ারেন্টিন নীতিমালা ও প্রস্তুতির কারণে বাংলাদেশ দল একমাস আগেই দ্বীপরাষ্ট্রটিতে পৌঁছাবে। নানা রকম নিয়ম কানুন আর বিধি নিষেধের কারণে এই সফরে দলের সঙ্গে যুক্ত হতে চানটি ম্যাকেঞ্জি। আর ইএসপিএনকে করোনাভীতির বিষয়টি বলেছেন তিনি। শ্রীলঙ্কা সফরে বাংলাদেশ দলের ব্যাটিং পরামর্শক হিসেবে দেখা যেতে পারে সাবেক কিউই ব্যাটসম্যান ক্রেইগ ম্যাকমিলানকে। নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিং কোচ হিসেবে লম্বা সময় সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। কিউইদের ব্যাটিং কোচ থাকাকালীন সময়ে নিউজিল্যান্ড ২০১৫ ও ২০১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠে। এরপর আর ম্যাকমিলানের সঙ্গে চুক্তি নবায়ন করেনি নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট।
১৩ হাজার কোটি টাকার বিনিময়ে একটি ফাইনাল
১৯,আগস্ট,বুধবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ফরাসি লীগ ওয়ান জয় প্যারিস সেন্ট জার্মেইর (পিএসজি) কাছে এখন মামুলি ব্যাপার। গত ৮ মৌসুমে ৭ বারই শিরোপা জিতেছে দলটি। তবে আক্ষেপের নাম চ্যাম্পিয়ন্স লীগ। শক্তিশালী দল নিয়েও গত এক দশকে ইউরোপ সেরার এই টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হতে পারেনি তারা। পিএসজির আজন্মের আক্ষেপটা বোধ হয় এবার ঘুচতে যাচ্ছে। মঙ্গলবার আরবি লাইপজিগকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন্স লীগের ফাইনালে উঠেছে দলটি। একটা ফাইনালের জন্য পিএসজিকে অনেক টাকা বিনিয়োগ করতে হয়েছে। গত ৯ বছরে প্রায় ১.৩০ বিলিয়ন ইউরো ঢেলেছে পিএসজি (১৩ হাজার কোটি টাকা)। ক্লাবটির বর্তমান স্কোয়াডের মূল্যই ৭৭৮ মিলিয়ন ইউরো (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা)। ইতিহাস-ঐতিহ্য বিবেচনায় মার্শেই, সেত-এতিয়েন, লিল, রেইমসের মতো ফরাসি ক্লাবগুলোর তুলনায় পিছিয়েই থাকবে পিএসজি। ৫০ বছর আগে প্রতিষ্ঠিত হয় ক্লাবটি। ২০১২ পর্যন্ত লীগ ওয়ানে তাদের শিরোপা ছিল মাত্র ২টি। এর মধ্যে একবার (১৯৯৪-৯৫ মৌসুমে) উঠেছিল চ্যাম্পিয়ন্স লীগের সেমিফাইনালে। তবে চলতি মৌসুম পর্যন্ত সেটিই ছিল ইউরোপের এলিট টুর্নামেন্টে পিএসজির সর্বোচ্চ সাফল্য। ২০১১ সালে কাতার স্পোর্টস ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানি পিএসজির মালিকানা কিনে নেয়। কাতারি মালিকানার পর জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচ, এডিসন কাভানির মতো তারকাদের সন্নিবেশ ঘটায় ক্লাবটি। তাদের ছোঁয়ায় রাতারাতি ফ্রান্সের অন্য ক্লাবগুলোকে ছাড়িয়ে যায় পিএসজি। ২০১৩-১৬ সাল পর্যন্ত তারা টানা জিতে নেয় টানা চারটি লীগ ওয়ান শিরোপা। এরপর পিএসজি প্রেসিডেন্ট নাসের আল খেলাইফি মনোযোগ দেন চ্যাম্পিয়ন্স লীগে। ইউরোপের শ্রেষ্ঠ ক্লাবের খেতাব পেতে যেমন দল প্রয়োজন, তেমন দলই গড়েছেন তিনি। টাকা কোনো ব্যাপার নয় তার কাছে। গত পাঁচ বছরে শুধু খেলোয়াড় কেনায় কয়েক হাজার কোটি টাকা ঢেলেছেন খেলাইফি। ২০১৫তে ম্যানইউ থেকে ৬৩ মিলিয়ন ইউরোতে অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া দলে ভেড়ায় পিএসজি। ২০১৭ সালে বার্সেলোনা থেকে নেইমারকে রেকর্ড ২২২ মিলিয়ন ইউরোতে কিনে বিশ্বরেকর্ডই গড়ে ফেলে ক্লাবটি। সে বছরই মোনাকো থেকে কিলিয়ান এমবাপ্পেকেও কিনে নেয় পিএসজি। ফরাসি এই ফরোয়ার্ডকে নিতে তাদের মোট খরচ হয় ১৮০ মিলিয়ন ইউরো। তাদের সর্বশেষ সংযোজন আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার মাউরো ইকার্দি। এ বছর ৬০ মিলিয়ন ইউরোতে ইন্টার মিলান থেকে ইকার্দিকে দলে ভিড়িয়েছে পিএসজি। বলার অপেক্ষা রাখে না চ্যাম্পিয়ন্স লীগ জিততে পারলে বিনিয়োগ আরো বাড়াবে ক্লাবটি।
তামিমের ব্যাটিং নিয়ে জড়তা নেই
১৭আগস্ট,সোমবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাসের কারণে দীর্ঘ পাঁচ মাস সবধরনের ক্রিকেটীয় কার্যক্রম বন্ধ থাকায় বাধ্য হয়েই মাঠের বাইরে থাকতে হয়েছে টাইগারদের ওয়ানডে অধিনায়ক তামিম ইকবালকে। তাই ব্যাট হাতে নিতে পারেননি তিনি। এই দীর্ঘ সময়ে ধরে ব্যাট ধরতে না পারায় স্বাভাবিক ভাবেই ব্যাটিং নিয়ে জড়তা চলে আসার কথা। তবে টাইগারদের ওয়ানডে অধিনায়কের ব্যাটিং নিয়ে সে রকম ভাবে জড়াতা হয়েছে বলে মনে হয়নি। সোমবার (১৭ আগস্ট) মিরপুরের হোম অব ক্রিকেটে তৃতীয় ধাপের ব্যক্তিগত অনুশীলনের দ্বিতীয় দিন শেষে তামিম সাংবাদিকদের এ কথা জানান। তার ধারণা ছিল যে দীর্ঘ দিন পর ব্যাটিং করায় হয়তো তার মধ্যে একটা জড়তা ভাব চলে এসেছে। তবে নিজের কাছে ব্যাটিং নিয়ে যতটা হতাশ হবেন ভেবেছিলেন ততটা হতাশ হননি তামিম। নিজেকে মানিয়ে নিতে সপ্তাহখানেক সময় লাগতে পারে বলে জানান দেশ সেরা এই বাঁহাতি ওপেনার। তামিম বলেন, আসলে অনেকদিন পর অনুশীলন শুরু করলাম, প্রায় ৪-৫ মাস পর। ব্যাটিংয়ের ক্ষেত্রে যতটা হতাশার হবে মনে করছিলাম আশ্চর্যজনকভাবে অতটা খারাপ মনে হয়নি আমার কাছে। ব্যাটিংটা মোটামুটি ঠিকই আছে। ফিটনেসের দিক থেকেও মোটামুটি ভালো আছে। কিন্তু ট্রেডমিল বলেন, বাসায় যত অ্যাক্টিভিটিজ করি তার চাইতে রোদে বা মাঠে করাটা ভিন্ন ব্যাপার। মানিয়ে নিতে হয়তো আরও সপ্তাহ খানেক লাগবে। সামনে টাইগারদের শ্রীলঙ্কা সফর রয়েছে। সেই জন্য যেভাবে ক্রিকেটাররা অনুশীলন করছেন তাতে তামিম বেশ ইতিবাচক। শ্রীলঙ্কা সফরে ভালো কিছুর আশা করছেন ৩১ বছর বয়সী এই বাঁহাতি ওপেনার। তিনি বলেন, 'যেভাবে নিয়ম মেনে সবকিছু করছি আমরা, আমার কাছে খুবই ইতিবাচক লাগছে। আশা করি এভাবে এগোতে থাকবো। সাথে আমাদের যেহেতু একটা তারিখ আছে, আমরা জানি আমাদের খেলা কখন শুরু হবে। তো সবাই সবার মতো প্রস্তুতি নিচ্ছে সেরাটার জন্য।
প্রয়োজন হলে শ্রীলঙ্কায় কোয়ারেন্টিনে থাকবে টাইগাররা
১৩আগস্ট,বৃহস্পতিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অবশেষে নিশ্চিত হয়েছে বাংলাদেশের শ্রীলঙ্কা সফরের দিনক্ষণ। ২৩শে সেপ্টেম্বর মুমিনুল হক সৌরভের দল তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলতে ঢাকা ছাড়বে। তবে একই বিমানে তাদের সঙ্গী হবে বিসিবি হাই পারফরম্যান্স ইউনিট (এইচপি)। ফিরবেও দুই দল একসঙ্গে। গতকাল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) এক সভায় ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটি ও হাই পারফরম্যান্স বিভাগ যৌথভাবে এই সিদ্ধান্ত নেয়। তবে লঙ্কা সফরের আগে ঘুরে ফিরে আলোচনায় করোনা ভাইরাস ও কোয়ারেন্টিন পরিস্থিতি। শ্রীলঙ্কায় বিদেশ ফেরত যে কাউকে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে থাকা বাধ্যতামূলক। আর সেই কারণে স্থগিত হয়ে গেছে শ্রীলঙ্কা প্রিমিয়ার লীগও। তবে বিসিবির দাবি, শ্রীলঙ্কায় টাইগারদের ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে না। সেখানে পৌঁছে যে চূড়ান্ত কোভিড-১৯ পরীক্ষা হবে সেখানে নেগেটিভ আসলেই ক্রিকেটাররা মাঠে অনুশীলন করতে পারবে। এ বিষয়ে বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা কমিটির প্রধান আকরাম খান দৈনিক মানবজমিনকে বলেন, দেখেন আমাদের ক্রিকেটারদের দেশ ছাড়ার আগে ২টি ও শ্রীলঙ্কা পৌঁছে একটি করোনা পরীক্ষা হবে। সেখানে কেউ যদি পজেটিভ না থাকে তাহলে তো আর কোয়ারেন্টিনের প্রয়োজন নেই। হ্যাঁ, কেউ যদি পজেটিভ হয় তাহলে সে আইসোলেশনে যাবে। আর কোয়ারেন্টিন নিয়ে শ্রীলঙ্কা বোর্ড আমাদের কিছু জানায়নি এখনো। যদি সেখানে এমন কোন কিছু হয় তাহলে হাতে তো সময় আছে। প্রয়োজনে কোয়ারেন্টিন থাকবে দল। সূচি অনুযায়ী বাংলাদেশ দলের প্রথম টেস্ট শুরু হবে ২৪ আক্টোবর। তার মানে প্রায় ১ মাস আগেই শ্রীলঙ্কা পৌঁছবে বাংলাদেশ দল। তাই বাড়তি এই সময়ের খরচটা বিসিবিকেই বহন করতে হবে। এমনকি যদি কোয়ারেন্টিনে থাকতে হয় সেই খরচও বহন করতে হবে বাংলাদেশকে। গতকাল সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে দুটি দলেরই সব খরচ বহন করবে বিসিবি। এই বিষয়ে এইচপির চেয়ারম্যান নাইমুর রহমান দুর্জয় বলেন, এইচপির থাকা ও খাওয়ার প্রথম অংশটা বিসিবি বহন করবে। তারপর জাতীয় দল যখন সিরিজে চলে যাবে, তখন এইচপি দলের সঙ্গে লঙ্কান বোর্ডের যে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ আছে সেটা হবে এবং আতিথেয়তার সমুদয় খরচ লঙ্কান বোর্ড বহন করবে। আগামী ১৪ই সেপ্টেম্বরের মধ্যেই বাংলাদেশ অনুশীলন ক্যাম্প শুরু করবে। সেখানেই খেলোয়াড়দের আইসোলশনে রেখে করা হবে কোভিড-১৯ পরীক্ষা। শ্রীলঙ্কা সফরে স্কোয়াডে থাকতে পারেন এমন সবাই শুরু করেছেন ব্যক্তিগত অনুশীলন। সফর সূচি চূড়ান্ত হলে দল ঘোষণা করবেন নির্বাচকরা। এরপরই জানানো হবে ক্যাম্পের দিনক্ষণ। এ বিষয়ে আকরাম খান বলেন, এটি অনেকটা কন্ডিশনিং ক্যাম্পের মতোই হবে। তবে শ্রীলঙ্কা যাওয়ার পরই কলম্বোয় শুরু হবে আসল অনুশীলন। আগামী ১০ থেকে ১৪ই সেপ্টেম্বরের মধ্যে জাতীয় দলের অনুশীলন শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা। সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহ নাগাদ জাতীয় দলের সব বিদেশি কোচ ঢাকায় চলে আসবে। তাদের অধীনেই শুরু হয়ে যাবে শ্রীলঙ্কা সফরের প্রস্তুতি। সব মিলে ৭-৮ দিনের মতো অনুশীলন হবে দেশে। বাকিটা শ্রীলঙ্কায়। শ্রীলঙ্কায় বাংলাদেশ দল কোয়ারেন্টিনে না থাকলে তাদের অনুশীলনের সুযোগ থাকবে লম্বা সময়। কিন্তু লঙ্কান বোর্ডের শর্ত অনুসারে সেখানে অনুশীলনের জন্য শ্রীলঙ্কার কোনো ক্রিকেটারকে পাবে না। অনুশীলন করতে হবে নিজেদের মধ্যে। তাই জাতীয় দলের অনুশীলনের মূল ভরসা হবে সঙ্গে যাওয়া এইচপির ক্রিকেটাররা। তাদের সঙ্গে খেলেই প্রস্তুতিটা নিতে হবে মুমিনুলদের।