সেভিয়ার বিপক্ষে শ্বাসরুদ্ধকর জয়ে ফাইনালে বার্সা
৪,মার্চ,বৃহস্পতিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নাটকীয়তা-রোমাঞ্চ-উত্তেজনার ষোলো ভাগই উপস্থিত ছিল ম্যাচটিতে। আর তেমন এক ম্যাচে অতিরিক্ত সময়ে ১০ জনের দল পড়া সেভিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়ে কোপা দেল রের ফাইনাল নিশ্চিত করেছে বার্সেলোনা। প্রথম লেগে সেভিয়ার মাঠে ২-০ গোলে হেরেছিল রোনাল্ড কোম্যানের শিষ্যরা। ফাইনালে যেতে হলে ৩-০ গোলে জিততে হতো বার্সাকে। ঘরের মাঠ ক্যাম্প ন্যুয়ে সেমির ফিরতি লেগে সেই অসাধ্য সাধনই করেছে কাতালান জায়ান্টরা। দুই লেগ মিলিয়ে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে ফাইনালে ওঠেছে বার্সা। শুরু থেকে গোলের জন্য মরিয়া বার্সা এগিয়ে যায় ১২তম মিনিটে। ওসমানে দেম্বেলের গোলে তারা স্বপ্ন দেখতে থাকে কামব্যাকের। তবে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সেই স্বপ্ন ফিকে হতে বসে। যেখানে উল্টো পেনাল্টি পায় সেভিয়া। কিন্তু স্পট-কিক থেকে গোলের সুযোগ হাতছাড়া করে বসেন লুকাস ওকাম্পাস। সেই ভুলের মাশুলই হুলেন লোপেতেগির শিষ্যদের গুণতে হলো যোগ করা সময়ে। সব নাটকের মশলা যেন জমা ছিল নির্ধারিত সময় শেষে। যোগ করা দ্বিতীয় মিনিটে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন ফার্নান্দো। ১০ জনের দল হয়ে পড়ে সেভিয়া। এমন সুযোগ নিতে ভুল করলো না কোম্যানের দল। দুই মিনিট পরেই আঁতোয়া গ্রিজম্যানের পাস থেকে সেভিয়ার জাল খুঁজে নেন জেরার্ড পিকে। দুই লেগ মিলিয়ে ব্যবধানটা দাঁড়ায় ২-২। ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে। আর অতিরিক্ত সময়ের প্রথম মিনিটেই জর্দি আলবার পাস থেকে বার্সার জয়সূচক গোল এনে দেন মার্টিন ব্রাথওয়েট। ম্যাচ টাইব্রেকারে নিয়ে যাওয়ার জন্য গোলটি শোধ করলেই চলতো সেভিয়ার। কিন্তু ম্যাচের ১০৩তম মিনিটে আরেকজনকে হারায় তারা। এবার লাল কার্ড দেখে বসেন ডি জং। শেষ পর্যন্ত প্রথম লেগে এগিয়ে থেকেও ফাইনাল যাওয়ার স্বপ্ন বিসর্জন দেয় লোপেতেগির দল। বার্সার চোখ এখন রেকর্ড ৩১তম কোপা দেল রে শিরোপা জয়ের দিকে। ফাইনালে তারা প্রতিপক্ষ হিসেবে পেতে পারে অ্যাথলেটিক বিলবাও বা লেভান্তেকে।
রোনালদোর বিরল রেকর্ডে জয়ে ফিরলো জুভেন্টাস
৩,মার্চ,বুধবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সিরি-আর ম্যাচে মঙ্গলবার রাতে স্পেজিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে জুভেন্টাস। তিনটি গোলই হয় ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে। ৮৯তম মিনিটে ম্যাচের শেষ গোলটি করেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। এই গোল করার মাধ্যমে ইতিহাস সৃষ্টি করেন তিনি। ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগের মধ্যে প্রথম ফুটবলার হিসেবে গত ১২ মৌসুমের প্রতিটিতে কমপক্ষে ২০টি করে গোল করার রেকর্ড গড়েছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। এমন কীর্তি আর কারো নেই। ২০০৯-১০ মৌসুম থেকে সর্বশেষ চলমান ২০২০-২১ মৌসুম পর্যন্ত এই পর্তুগিজ তারকা ২০ এর অধিক গোল করে যান। ৯ মৌসুম রিয়াল মাদ্রিদ ও সর্বশেষ ৩ মৌসুম জুভেন্টাসের হয়ে এই মাইলফলক স্পর্শ করেন রোনালদো। এই ১২ মৌসুমের মধ্যে ২০১০-১১, ২০১১-১২ ও ২০১৪-১৫ মৌসুমে গোল করেন ৪০টিরও বেশি। সর্বোচ্চ ৪৮ গোল আসে ১৪-১৫ মৌসুমে। ২০১৮-১৯ মৌসুমে জুভেন্টাসে পাড়ি জমান সিআর সেভেন। এখন পর্যন্ত তুরিনের ক্লাবটির হয়ে সব ধরেনের প্রতিযোগিতায় ১১৯ ম্যাচে গোল করেন ৯২টি। গতকাল স্পেজিয়ার বিপক্ষে প্রথমার্ধে কোনো গোলের দেখা পায়নি জুভেন্টাস। সমান-সমান লড়াইয়ে প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধে পুরোটাই রাজ করে জুভেন্টাস। বিরতির পর ফিরে ম্যাচের ৬২ মিনিটের সময় দলের হয়ে গোলের সূচনা করেন আলভারো মোরাতা। মোরাতার গোলের ৯ মিনিট পরেই দলকে আরও এগিয়ে ফ্যাডরিকো সিজিয়া। ম্যাচের একেবারে অন্তিম সময় শেষ বাঁশি বাজার ১ মিনিট আগে স্পেজিয়ার কফিনে শেষ পেরেক ঠুকেন রোনালদো। আর নাম লেখান রেকর্ডের পাতায়। স্বস্তির জয় পেলেও পয়েন্ট টেবিলে খুব একটা স্বস্তিতে নেই জুভেন্টাস। ২৪ ম্যাচে ১৪ জয়ে ৪৯ পয়েন্ট নিয়ে তাদের অবস্থান তৃতীয় স্থানে। সমান ম্যাচ খেলে ৫৬ পয়েন্ট নিয়ে প্রথমে ইন্টারমিলান ও ৫২ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে এসি মিলান।
জিম্বাবুয়েতে পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ
২,মার্চ,মঙ্গলবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শ্রীলঙ্কায় চলতি বছরের জুনে বসার কথা এশিয়া কাপের আসর। ভারতের কর্তৃত্বের জেরে এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্ব নিরূপণের টুর্নামেন্টটি আলোর মুখ দেখবে কি না তা সময়ই বলে দেবে। তবে এশিয়া কাপ হোক বা না হোক, বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটীয় সূচি ঠিক হয়ে আছে এখন থেকেই। পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে জিম্বাবুয়ে সফরে যাবে বাংলাদেশ দল। হ্যাঁ, দীর্ঘ সময় পর জিম্বাবুয়ে সফরে যাবে টাইগাররা, খেলবে তিন ফরম্যাটেই। এর মধ্যে টেস্ট থাকছে দুটি এবং ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি ম্যাচ তিনটি করে। বিষয়টি নিশ্চিত করে বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, এফটিপিতে এশিয়া কাপের জন্য জায়গা রাখা আছে। তার পরপরই জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দুটি টেস্ট, তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টি খেলার কথা রয়েছে। এখন পর্যন্ত এভাবেই আছে। এফটিপি মেনেই অন্যান্য বোর্ডের সাথে যোগাযোগ হচ্ছে। এশিয়া কাপের জন্য সময় ধরে রাখা আছে জুনের শুরুতেই, অর্থাৎ প্রথম সপ্তাহে। এশিয়া কাপ যদি না-ও হয়, তাহলে জুনেই জিম্বাবুয়ে সফরে যাবে বাংলাদেশ দল। কোয়ারেন্টাইনের ধাপ পেরিয়ে সিরিজ শেষ করতে লেগে যাবে দেড় মাসের মতো সময়। এদিকে, বর্তমানে নিউজিল্যান্ড সফরে আছে বাংলাদেশ দল। সেখানে তিনটি করে ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টির পর টাইগারদের পরবর্তী মিশন শ্রীলঙ্কা। বিদেশ সফরে ব্যস্ত টাইগাররা এরই ধারা রক্ষা করে দ্বীপ দেশটিতেই খেলবে এশিয়া কাপ। এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্ব নিরূপণের টুর্নামেন্টটি না হলে জিম্বাবুয়ে সফর তো থাকছেই।
আইপিএলের ভেন্যু নিয়ে তিন দলের আপত্তি
১,মার্চ,সোমবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আসন্ন ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) কেবল ৬ ভেন্যুতে আয়োজনের বিষয়ে বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়ার (বিসিসিআই) সিদ্ধান্তে আপত্তি জানিয়েছে রাজস্থান রয়্যালস, পাঞ্জাব কিংস এবং সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ। এই ৬ ভেন্যুর মধ্যে রয়েছে আহমেদাবাদ, যা কোনো ফ্র্যাঞ্জাইজির ঘরের মাঠ নয়। ক্রিকেট ভিত্তিক ওয়েবসাইট ক্রিকবাজ সম্প্রতি বিসিসিআই- ক্যারাভান ফরম্যাট বা ৬ ভেন্যুতে আইপিএল আয়োজনের পরিকল্পনা করছে, এমন এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। যেখানে চেন্নাই, ব্যাঙ্গালুরু, কলকাতা, দিল্লি এবং আহমেদাবাদকে মূল ভেন্যু হিসেব উল্লেখ করা হয়। বিকল্প হিসেবে মুম্বাইকেও রাখা হয় তালিকায়। পরিকল্পিতভাবে এই ৬ ভেন্যুতে ম্যাচ হলে হোম গ্রাউন্ডের সুবিধা পাবে না রাজস্থান রয়্যালস, পাঞ্জাব কিংস এবং সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ। যার কারণে বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে এই তিন ফ্র্যাঞ্জাইজি। ফ্র্যাঞ্জাইজির এক কর্মকর্তা জানান, আমরা তিন দল খুব খারাপভাবে আক্রান্ত হবো। ঘরের মাঠে দলগুলো ভাল খেলে, যার মধ্যে ৫ বা ৬টি ম্যাচ জিতে এবং এটাই তাদেরকে প্লে-অফে নিয়ে যায়। যে পাঁচ দল (র‌য়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু, চেন্নাই সুপার কিংস, কলকাতা নাইট রাইডার্স, দিল্লি ক্যাপিটালস ও মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স) ঘরের মাটিতে খেলবে তারা এই সুবিধা পাবে। আমাদেরকে সব অ্যাওয়ে ম্যাচ খেলতে হবে। ক্রিকবাজ আরও জানায়, এই তিন ফ্র্যাঞ্জাইজি ইতোমধ্যে ব্যাপারটি নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিসিসিআইয়ের সিইও হেমাং আমিনকে অবহিত করেছে। ভিন্ন ভিন্ন ভাবে তারা আপত্তিও জানিয়েছেন। এমনকি সবার সম্মতিতে লিখিতভাবে প্রতিবাদ করারও ইচ্ছে আছে তাদের।
মেসির জাদুকরী পারফরম্যান্সে বার্সেলোনার সহজ জয়
২৮,ফেব্রুয়ারী,রবিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আরও একটি মেসিময় ম্যাচ কাটাল স্প্যানিশ ক্লাব বার্সেলোনা। প্রথমে এসিস্ট ও পরে নিজেই গোল করে দলের ২-০ গোলের জয়ে সরাসরি অবদান রেখেছেন বার্সা অধিনায়ক লিওনেল মেসি। তার উদ্ভাসিত পারফরম্যান্সে সহজ জয় পেয়েছে বার্সেলোনা। শনিবার স্থানীয় সময় বিকেলে হওয়া ম্যাচটিতে সেভিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়েছে কাতালান ক্লাবটি। এর ফলে সবধরনের প্রতিযোগিতা মিলে তিন ম্যাচ পর সেভিয়ার বিপক্ষে জয়ের দেখা পেল তারা। সবশেষ কোপা দেল রে সেমিফাইনালের প্রথম লেগে সেভিয়ার কাছে হেরেছিল বার্সা। চলতি মৌসুমের লা লিগায়ও প্রথম সাক্ষাতে বার্সার মাঠে গিয়ে ১-১ গোলে ড্র করে ফিরেছিল সেভিয়া। কিন্তু এবার ঘরের মাঠে আর সেটি পারল না তারা। বার্সার গোছানো ফুটবলের সামনে হারতে হয়েছে সেভিয়াকে। ম্যাচের প্রথম ২০ মিনিটে তেমন সুযোগ তৈরি করতে পারেনি বার্সেলোনা। গোলের উদ্দেশ্যে নেয়া ওসুমানে দেম্বেলের শটটি ছিল বেশ দুর্বল। যা খুব সহজেই ঠেকিয়ে দেন সেভিয়া গোলরক্ষক। পরে দেম্বেলেই করেন ম্যাচের প্রথম গোল। প্রথম শটের মিনিট আটেক পর দারুণ ফিনিশিংয়ে গোলটি করেন দেম্বেলে। মাঝমাঠ থেকে মেসির বুদ্ধিদীপ্ত থ্রু পাস ধরে ডি-বক্সে ঢুকে যান তিনি। পরে বাঁ পায়ের কোনাকুনি শটে জালের ঠিকানা খুঁজে নেন এ ফরাসি তরুণ। যার ফলে লিগে পাঁচ ম্যাচ ও ৫৫৭ মিনিট পর গোল হজম করেন সেভিয়া গোলরক্ষক ইয়াসিন বোনো। প্রথমার্ধে আর গোলের দেখা মেলেনি। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই একের পর এক সুযোগ হাতছাড়া করতে থাকে দুই দল। এর মধ্যে সবচেয়ে হতাশাজনক ছিল সার্জিনো দেস্তের শট পোস্টে লেগে ফেরত আসা। এছাড়া জর্ডি আলবা, লিওনেল মেসিরাও সম্ভাব্য সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি। তবে ম্যাচ শেষ হওয়ার আগ দিয়ে ৮৫তম মিনিটে গিয়ে সাফল্য খুঁজে নেন মেসি। দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে শট নেন মেসি, ঠিক মতো ফেরাতে পারেননি বোনো। ফিরতি বল ধরে তাকেও পেরিয়ে ফাঁকা জালে বল পাঠান বার্সেলোনা অধিনায়ক। এ নিয়ে চলতি লিগে মেসির গোল হলো ১৯টি। সেভিয়াকে হারানোর পর এখন পয়েন্ট টেবিলে দুই নম্বরে অবস্থান বার্সেলোনা। লিগের ২৫ ম্যাচ খেলে তাদের সংগ্রহ ৫৩ পয়েন্ট। শীর্ষে থাকা অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের ঝুলিতে রয়েছে ২৩ ম্যাচে ৫৫ পয়েন্ট। লিগে টানা ছয় জয়ের পর হারের স্বাদ পাওয়া সেভিয়া ২৪ ম্যাচে ৪৮ পয়েন্ট নিয়ে আছে চার নম্বরে। এছাড়া ২৪ ম্যাচে ৫২ পয়েন্ট নিয়ে তিন নম্বরে রিয়াল মাদ্রিদ।
২ বছর পর দলে ফিরলেন গেইল, ৯ বছর পর অ্যাডওয়ার্ডস
২৭,ফেব্রুয়ারী,শনিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য ওয়েস্ট ইন্ডিজ স্কোয়াডে জায়গা পেয়েছেন ফিদেল অ্যাডওয়ার্ডস। ক্রিস গেইলকে নিয়ে ১৪ দলের স্কোয়াড ঘোষণা করেছে ক্যারিবিয়ানরা। প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টি স্কোয়াডে জায়গা পেয়েছেন আকিল হোসেন ও কেভিন সিনক্লেয়ার। অ্যাডওয়ার্ডস জাতীয় দলের জার্সিতে শেষ টি-টোয়েন্টি খেলেছেন ২০১২ সালে, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে সামনে রেখে ও পেস বোলিং ইউনিটে শক্তি বাড়াতে ফেরানো হয়েছে এই বারবাডিয়ান তারকাকে। অন্যদিকে ২ বছর পর টি-টোয়েন্টি স্কোয়াডে ফিরেছেন গেইল। সাম্প্রতিক টুর্নামেন্টগুলোতে ব্যাট হাতে বেশ উজ্জ্বল ছিলেন ইউনিভার্সাল বস। যার পুরস্কার হিসেবে নির্বাচক প্যানেলের নজর কেড়ে দলে ফিরলেন ৪১ বছর বয়সী তারকা। এছাড়া টি-টোয়েন্টি স্কোয়াডে ফিরেছেন জেসন হোল্ডার। কয়েকটি সিরিজ মিস করলেও সাম্প্রতিক সময়ে দারুণ ফর্মে ছিলেন তিনি। সিপিএলে দারুণ পারফর্ম্যান্স দেখিয়ে টি-টোয়েন্টি এবং ওয়ানডে স্কোয়াডে জায়গা পেয়েছেন আকিল হোসেন। বাংলাদেশ সফরে এসে দুর্দান্ত পারফর্ম্যান্স দেখিয়ে ওয়ানডে স্কোয়াডে জায়গা ধরে রেখেছেন কাইল মায়ার্স। আন্দ্রে রাসেল কোভিড-১৯ থেকে সেরে উঠলেও এই সিরিজ থাকছেন না। এছাড়া শেলডন কটরেল, ওশানে টমাস, শিমরন হেটমায়ার ও রোস্টন চেজের ফিটনেস স্ট্যান্ডার্ড না থাকায় দলে ডাক পাননি। দুই ফরম্যাটের জন্য নেতৃত্বে থাকবেন কাইরন পোলার্ড।টি-টোয়েন্টি স্কোয়াড: কাইরন পোলার্ড (অধিনায়ক), নিকোলাস পুরান, ফাবিয়ান অ্যলেন, ডোয়াইন ব্রাভো, ফিদেল অ্যাডওয়ার্ডস, আন্দ্রে ফ্লেচার, ক্রিস গেইল, জেসন হোল্ডার, আকিল হোসেন, এভিন লুইস, ওভেদ ম্যাকয়, রভমেন পাওয়েল, লেন্ডল সিমন্স, কেভিন সিনক্লেয়ার। ওয়ানডে স্কোয়াড: কাইরন পোলার্ড (অধিনায়ক), শাই হোপ, ফাবিয়ান অ্যালেন, ড্যারেন ব্রাভো, জেসন হোল্ডার, আকিল হোসেন, আলঝেরি জোসেফ, এভিন লুইস, কাইল মায়ার্স, জেসন মোহাম্মদ, নিকোলাস পুরান, রোমারিও শেফার্ড, কেভিন সিনক্লেয়ার।
সব ধরনের ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন ইউসুফ পাঠান
২৬,ফেব্রুয়ারী,শুক্রবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সব ধরনের ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়ে দিলেন দুটি বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন ইউসুফ পাঠান। শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অবসরের ঘোষণা দেন ৩৮ বছর বয়সী অলরাউন্ডার। ইউসুফ পাঠান নিজের অফিসিয়াল টুইটার পেজে লেখেন, আমি সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিচ্ছি। আমাকে সমর্থন ও ভালোবাসার জন্য আমার পরিবার, বন্ধু, সমর্থক, দল এবং পুরো দেশবাসীকে ধন্যবাদ জানায়। আামি নিশ্চিত, ভবিষ্যতেও আমাকে চলার পথে আপনারা সাহস যোগাবেন। দেশের হয়ে তিনি ৫৭টি ওয়ানডে খেলে করেছেন ৮১০ রান এবং ২২টি টি-টোয়েন্টিতে করেছেন ২৩৬ রান। ইউসুফের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে উজ্জ্বল হয়ে আছে ২০১০ সালে ব্যাঙ্গালুরুতে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে অপরাজিত ১২৩ রানের ইনিংসটি। সেই ম্যাচে কিউইদের দেওয়া ৩১৬ রান তাড়া করে জিতেছিল ভারত। এরপর সেঞ্চুরিয়নে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তুলে নেন ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। এছাড়া অফ-স্পিনে তিনি নিয়েছেন ৪৬টি আন্তর্জাতিক উইকেট। টিম ইন্ডিয়ার জার্সিতে ২০০৭ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং ২০১১ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপ জিতেছেন ইউসুফ। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) ১২ বছর খেলেছেন তিনি। রাজস্থান রয়্যালস ও কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে দুবার জিতেছেন টুর্নামেন্ট শিরোপা। আইপিএলে ব্যাট হাতে ৩২০৪ রান এবং বল হাতে ৪২ উইকেট নিয়েছেন ইউসুফ।
গাপটিলের ছক্কার রেকর্ডে অজিদের হারাল নিউজিল্যান্ড
২৫,ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ ছক্কা হাঁকানোর রেকর্ডে রোহিত শর্মাকে পেছনে ফেললেন মার্টিন গাপটিল। আর তার অন্যবদ্য ব্যাটিংয়েই পাঁচ ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়াকে ৪ রানের রোমাঞ্চকর হার উপহার দিয়ে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল নিউজিল্যান্ড। যদিও ৩ রানের জন্য ক্যারিয়ারে তৃতীয় সেঞ্চুরি থেকে বঞ্চিত হলেন গাপটিল। বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ট্রান্স-তাসমান সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ডানেডিনের ইউনিভার্সিটি ওভালে মুখোমুখি হয় দুদল। যেখানে প্রথমে ব্যাটে করে গাপটিল, কেন উইলিয়ামসন ও জিমি নিশামের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৭ উইকেট হারিয়ে ২১৯ রানের বিশাল স্কোর গড়ে নিউজিল্যান্ড। জবাবে ৮ উইকেট হারিয়ে ২১৫ রানের বেশি করতে পারেনি অজিরা। ২২০ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে দারুণ লড়াই করে সফরকারী অস্ট্রেলিয়া। দুই ওপেনার ভালো না করলেও তিন নাম্বারে নামা জস ফিলিপ ৩২ বলে ৪৫ রানের ইনিংস খেলেন। তবে সপ্তম উইকেট জুটিতে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টির ইতিহাসে রেকর্ড গড়েন মাকার্স স্টোইনিস ও ডানিয়েল স্যামস। ৯২ রানের এই জুটি দলকে জয়ের পথেই নিয়ে যাচ্ছিল। তবে জেমস নিশামের করা ইনিংসের শেষ ওভারে জয়ের জন্য অজিদের ১৫ রান দরকার হলেও এই দুজনই উইকেট হারায়। সফরকারীরা তুলতে পারে ১০ রান। ৩৭ বলে ৭৮ রানের ইনিংস খেলার পথে স্টোইনিস ক্যারিয়ারের প্রথম হাফসেঞ্চুরি তুলে নেন। ৭টি চারের পাশাপাশি তিনি ৫টি ছক্কা হাঁকান। আর ১৫ বলে ২টি চার ও ৪টি ছক্কায় ৪১ রান করেন স্যামস। কিউই বোলারদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৪টি উইকেট পান স্পিনার মিচেল স্যান্টনার। নিশাম ২টি এবং টিম সাউদি ও ইশ সোধি একটি করে উইকেট দখল করেন। টস হেরে এর আগে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ২০ রানের ওপেনার টিম সেইফার্টের উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড। তবে এরপর অধিনায়ক উইলিয়ামসনকে নিয়ে ১৩১ রানের জুটি গড়েন গাপটিল। ১৬তম ফিফটি করা ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান ৫০ বলে ৯৭ রান করে স্যামসের বলে ফেরেন। সেঞ্চুরি না পাওয়ার আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছাড়লেও অসাধারণ একটি কীর্তি গড়েছেন তিনি। ৮টি ছক্কা হাঁকিয়ে সর্বোচ্চ ওভার বাউন্ডারির মালিক হলেন। বর্তমানে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে তার ছক্কার সংখ্যা ১৩২টি। পেছনে ফেলেছেন ১২৭টি ছক্কা হাঁকানো রোহিত শর্মাকে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৫ বলে ৫৩ করেন উইলিয়ামসন। ১৩তম ফিফটির দেখা পাওয়া এই তারকা ২টি চার ও ৩টি ছক্কা মারেন। শেষদিকে ঝড় তোলেন নিশাম। ১৬ বলে তিনি ৪৫ করে অপরাজিত থাকেন। মাত্র একটি চার মারলেও তিনি ৬টি ছক্কা হাঁকান। অজি বোলারদের মধ্যে কেইন রিচার্ডসন সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট পান। এছাড়া স্যামস, ঝাই রিচার্ডসন ও অ্যাডাম জা্ম্পা একটি করে উইকেট নেন। দারুণ ব্যাটিংয়ের সুবাদে ম্যাচ সেরা হয়েছেন গাপটিল। আগামী ৩ মার্চ ওয়েলিংটনের ওয়েস্টপ্যাক স্টেডিয়ামে সিরিজের তৃতীয় টি-টোয়েন্টি অনুষ্ঠিত হবে।
টানা ১৮ ম্যাচ জিতলো ম্যানচেস্টার সিটি
২২,ফেব্রুয়ারী,সোমবার,স্পোর্টস ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে জয়ের ধারা অব্যাহত রেখেছে ম্যানচেস্টার সিটি। রোববার রাতে আর্সেনালকে ১-০ গোলে হারিয়েছে তারা। এনিয়ে লিগে টানা ১৩, আর সব ধরনের প্রতিযোগিতায় টানা ১৮ ম্যাচ জিতল সিটি। দলের এমন সাফল্যে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন কোচ পেপ গার্দিওলা। নিজের শিষ্যদের পারফরম্যান্স দেখে তিনি বলেছেন, পৃথিবীর প্রতিটি দল যখন ধুঁকছে, পয়েন্ট হারাচ্ছে; তখন সিটিকে দেখে আমি বিস্মিত, মুগ্ধ। টানা দুই মাস আমরা ধারাবাহিক। আমি এতটা আশা করিনি। রোববার রাতে এমিরেটস স্টেডিয়ামে ১-০ গোলে জিতেছে সিটি। ব্যবধান গড়ে দেওয়া গোলটি করেন রাহিম স্টার্লিং। ২৫ ম্যাচে ৫৯ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থাকা সিটি ১৫ ডিসেম্বরের পর থেকে কোনো পয়েন্ট হারায়নি। ১৩ ম্যাচ বাকি থাকতে শিরোপা দেখতে পাওয়া দলটি দ্বিতীয় স্থানে থাকা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের চেয়ে ১০ পয়েন্ট এগিয়ে। ম্যাচের শুরু থেকে বল দখল ও আক্রমণে এগিয়ে থাকা সিটি দ্বিতীয় মিনিটেই পায় সাফল্য। ডান দিক থেকে রিয়াদ মাহরেজের ক্রসে ছয় গজ লাফিয়ে হেডে ঠিকানা খুঁজে নেন স্টার্লিং। এবারের লিগে ইংলিশ এই মিডফিল্ডারের এটি নবম গোল। প্রথমার্ধে সিটি গোলরক্ষক এদেরসনকে সেভাবে পরীক্ষায় ফেলতে পারেননি পিয়েরে-এমেরিক অবামেয়াং, নিকোলাস পেপে, বুকায়ো সাকারা। দ্বিতীয়ার্ধের তৃতীয় মিনিটে ডে ব্রুইনের শট অল্পের জন্য লক্ষ্যে থাকেনি। ৫৭তম মিনিটে ডি-বক্সের বাইরে থেকে ইলকাই গিনদোয়ানের শট ঝাঁপিয়ে ঠেকান লেনো। তবে ৭৮তম মিনিটে সমতা ফেরানোর সুযোগ পেয়েছিলেন সাকা। অবামেয়াংয়ের পাস ডি-বক্সে পেয়েও শট নিতে পারেননি তিনি। বাকি সময়ে গোলের সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি উভয় দলই। ফলে ১-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে গার্দিওলার শিষ্যরা। গত রাউন্ডে এভারটনকে ৩-১ গোলে হারিয়ে প্রথম দল হিসেবে ম্যানচেস্টার সিটি কোনো পঞ্জিকাবর্ষে প্রথম ১০ ম্যাচ জয়ের রেকর্ড গড়েছিল। যেটা ইংল্যান্ডের শীর্ষ লিগের ইতিহাস। এদিন অন্য ম্যাচে অ্যাস্টন ভিলাকে ২-১ গোলে হারানো লেস্টার সিটি ৪৯ পয়েন্ট নিয়ে আছে তিনে। আর ৩৪ পয়েন্ট নিয়ে আর্সেনালের অবস্থান দশ নম্বরে।