বুধবার, মার্চ ৩, ২০২১
জেএসসি-জেডিসির পরীক্ষার ফল প্রকাশ হবে ৩০ ডিসেম্বর
চলতি বছর জেএসসি-জেডিসিতে অংশগ্রহণকারী ২৪ লাখ ৬৮ হাজার ৮২০ জন শিক্ষার্থীর অপেক্ষার অবসান ঘটছে আগামী ৩০ ডিসেম্বর। মঙ্গলবার শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ সচিবালয়ে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ওই দিন এই দুটি পাবলিক পরীক্ষার ফল একযোগে প্রকাশ হবে। রেওয়াজ অনুযায়ী, বোর্ড চেয়ারম্যানদের সঙ্গে নিয়ে ৩০ ডিসেম্বর সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষার ফলাফলের অনুলিপি তুলে দেবেন শিক্ষামন্ত্রী। পরে সচিবালয়ের সংবাদ সম্মেলন করে ফলাফলের বিস্তারিত জানানো হবে। শিক্ষামন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনের পর থেকে শিক্ষার্থীরা ফল জানতে পারবে। ৩০ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী ২০১৮ সালের বিনামূল্যের পাঠ্যপুস্তক বিতরণ কর্মসূচিও উদ্বোধন করবেন বলে জানান নাহিদ। এদিকে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার ফল প্রকাশের তারিখ এখনও চূড়ান্ত হয়নি। গণশিক্ষা মন্ত্রণায়ের সচিব মোহাম্মদ আসিফ-উজ-জামান মঙ্গলবার বলেন, ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে ফল প্রকাশ করতে চান তারা।
প্রশ্নফাঁস বন্ধ করা হঠাৎ করেই সম্ভব নয় :শিক্ষামন্ত্রী
হঠাৎ করেই প্রশ্নফাঁস বন্ধ করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে পাঠ্যপুস্তক পরিমার্জিতকরণ ও উন্নয়ন বিষয়ক কমিটির সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনা এর আগেও অনেকবার ঘটেছে। আমরা যখন পড়ালেখা করেছি তখনও প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনা ছিল। বর্তমানে ফেসবুকসহ বিভিন্ন গণমাধ্যম প্রচলিত থাকায় প্রশ্নফাঁস হয়তো বেড়েছে। তবে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি যাতে প্রশ্নফাঁস না হয়। শিক্ষার্থীদের পাঠ্যপুস্তকের বোঝা কমাতে চান বলে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমাদের শিক্ষা পরিবারটা বিশাল। কাজের ক্ষেত্র অনেক বড়। এছাড়া মাধ্যমিক শিক্ষা একটি চ্যালেঞ্জ। তাই আমরা সবার সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিই। আমরা বিভিন্ন সময় দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি। তাদের পরামর্শ নিয়ে কাজ করি। আজও তাদের সাথে বসেছি। তারা কিছু পরামর্শ দিয়েছেন। মূলকথা আমাদের শিক্ষার উন্নতির জন্য সার্বিক আলোচনা করেছি। নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, শিক্ষাবিদরা পাঠ্যবইগুলোকে আরো উন্নত এবং সংখ্যা কমিয়ে নিয়ে আনার বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন। তারা বইয়ের লেখার ভাষা সহজ এবং ছাপার মান ভালো করার কথা বলেছেন। শিক্ষার্থীদের যে লেখাপড়া শেখানো হচ্ছে তার মান আরও উন্নত করার পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, আমরা তাদের পরামর্শের ভিত্তিতে বিভিন্ন কমিটির সাথে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেব। শিক্ষাকে উন্নত পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমরা কাজ করছি এবং ভবিষ্যতেও বলবো। প্রশ্ন ফাঁসের জন্য শিক্ষদের দায়ী করে তিনি বলেন, আগে বিজিপ্রেস থেকে প্রশ্ন ফাঁস হলেও তা আমরা বন্ধ করতে সক্ষম হয়েছি। কিন্তু এখন কিছু অসাধু শিক্ষক পরীক্ষার কিছুক্ষণ আগে প্রশ্ন ফাঁস করছে। তবে এ প্রশ্ন ফাঁসের বিষয়ে আমরা কঠোর হচ্ছি।
এসএসসি পরীক্ষা শুরু ১ ফেব্রুয়ারি
আগামী ১ ফেব্রুয়ারি শুরু হচ্ছে ২০১৮ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষা। বুধবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরীক্ষার সময়সূচি ঘোষণা করে। প্রকাশিত সূচি অনুযায়ী এসএসসির লিখিত পরীক্ষা শেষ হবে ২৪ ফেব্রুয়ারি। এরপর হবে ব্যবহারিক পরীক্ষা। সময়সূচিতে দেয়া নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রথমে বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ) এবং পরে সৃজনশীল বা রচনামূলক অংশের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। উভয় অংশের পরীক্ষার মধ্যে কোনো বিরতি থাকবে না। মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে এই সময়সূচি পাওয়া যাচ্ছে। পরীক্ষার্থীদের সৃজনশীল, এমসিকিউ এবং ব্যবহারিক অংশে আলাদাভাবে পাস করতে হবে।