শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়লো আরো এক দফা
১৮ডিসেম্বর,শুক্রবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসের কারণে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (কওমি ছাড়া) চলমান ছুটি আরো এক দফা বাড়ানো হয়েছে। নতুন করে ছুটি ২০২১ সালের ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। শুক্রবার (১৮ ডিসেম্বর) গণমাধ্যমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়েরের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। করোনা পরিস্থিতিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটির মেয়াদ ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছিল। কিন্তু শীতের সময় করোনা পরিস্থিতির কোনো উন্নতি না হওয়ায় এই ছুটি ফের বাড়ানো হয়। করোনাভাইরাসের কারণে গত ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি চলছে। দফায় দফায় ছুটি বাড়িয়ে তা আগামী ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত করা হয়। এবার তা বাড়িয়ে ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত করা হলো। করোনার প্রভাবে প্রায় চার কোটি শিক্ষার্থী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেতে পারছে না। পড়াশোনা অব্যাহত রাখতে সরকার টিভি পাঠদান দিচ্ছে। চলছে অনলাইন পাঠদান। কিন্তু এই মহামারিতে অনেকেই সেই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সামনে আসছে শীত। আর শীতে করোনার প্রকোপ বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি আরও এক দফা বাড়ানো হলো।
অনলাইনে সরকারি স্কুলে ভর্তির আবেদন শুরু
১৫,ডিসেম্বর,মঙ্গলবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোতে অনলাইনে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন গ্রহণ শুরু করা হবে। মঙ্গলবার (১৫ ডিসেম্বর) সকাল ১০টা থেকে অনলাইনে (https://gsa.teletalk.com.bd) আবেদন গ্রহণ শুরু হয়ে আগামী ২৭ ডিসেম্বর বিকেল ৫টা পর্যন্ত আবেদন করা যাবে বলে জানিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। আবেদন গ্রহণ শেষে আগামী ৩০ ডিসেম্বর অনলাইনে লটারির মাধ্যমে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে। ভর্তির আবেদনের নিয়মাবলী মাউশির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। করোনা ভাইরাস মহামারির কারণে এবার বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থী ভর্তিতে কোনো পরীক্ষা না নিয়ে লাটারির মাধ্যমে ভর্তি করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। মাউশির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঢাকা মহানগরীর ৪৪টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় তিনটি ফিডার শাখাসহ তিনটি গ্রুপে বিভক্ত থাকবে। আবেদনের সময় একজন শিক্ষার্থী একটি গ্রুপে পছন্দের ক্রমানুসারে সর্বোচ্চ পাঁচটি বিদ্যালয় নির্বাচন করতে পারবে। আর সারাদেশের শিক্ষার্থীরা আবেদনের সময় প্রতিষ্ঠান নির্বাচনকালে থানাভিত্তিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকা পাবে। তখন প্রার্থীরা প্রাপ্যতার ভিত্তিতে পছন্দক্রম অনুযায়ী সর্বোচ্চ পাঁচটি বিদ্যালয় নির্বাচন করতে পারবে। আবেদন নেওয়ার পর অনলাইনের মাধ্যমে লটারি একজন শিক্ষার্থীকে একটি বিদ্যালয় নির্বাচন করে দেওয়া হবে। এতদিন একজন শিক্ষার্থী একটি গ্রুপের একটি বিদ্যালয়কে বেছে নেওয়ার সুযোগ পেত। ভর্তির আবেদন করতে ১১০ টাকা ফি টেলিটকের প্রি-পেইড মোবাইল থেকে এসএমএস করে পরিশোধ করা যাবে। প্রতিবছর শুধু প্রথম শ্রেণিতে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হলেও অন্য শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হত। আর নবম শ্রেণিতে ভর্তি করা হত জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে। করোনার কারণে এবার প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থী ভর্তিতে পরীক্ষা নেওয়া হবে। এবার জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা না হওয়ায় নবম শ্রেণিতেও অষ্টমের সমাপনীর ফলের ভিত্তিতে শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ নেই বলে জানিয়েছে মাউশি।
পদোন্নতি পাচ্ছেন মাধ্যমিকের ৬ হাজার শিক্ষক
০৫ডিসেম্বর,শনিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: এবার সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৬ হাজার ১৫৫ জন সহকারী শিক্ষক পদোন্নতির পাচ্ছেন। এসব শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্ত করে সিনিয়র শিক্ষক পদে পদোন্নতির খসড়া তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে এ তালিকা প্রকাশ করা হয়। খসড়া তালিকায় যেসব শিক্ষকদের নামের পাশের মন্তব্য কলামে এসিআর নেই বলে মন্তব্য আছে তাদের এসিআর উপপরিচালকের কাছে রেজিস্ট্রার ডাক যোগে পাঠাতে বলা হয়েছে। এসিআর ছাড়া অন্যকোন ভুল যেমন, নিয়োগ ও যোগদানের তারিখ, জন্ম তারিখ, নিজ জেলা, বিএড পাসের তারিখ সংক্রান্ত আপত্তি থাকলে বা খসড়া তালিকা নাম না থাকলে প্রামাণিক কাগজপত্রসহ ইমেইলে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠাতে বলা হয়েছে। আর তালিকার কোন শিক্ষক মৃত্যুবরণ করলে বা সাময়িক বরখাস্ত হলে বা চাকরি থেকে অব্যহতি পেলে উপপরিচালকের কাছে জানাতে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের বলা হয়েছে।
প্রথম থেকে নবম শ্রেণিতে লটারির মাধ্যমে ভর্তি পরীক্ষার সিদ্ধান্ত
২৫নভেম্বর,বুধবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রথম থেকে নবম শ্রেণিতে লটারির মাধ্যমে ভর্তি পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থী ভর্তি নিয়ে বুধবার এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি। তিনি বলেন, প্রতিবারের মতো এবারে ভর্তি পরীক্ষা নেয়া সম্ভব হবে না। এজন্য বিকল্প বিভিন্ন বিষয় ভেবেছি। শেষ পর্যন্ত ৩টি বিকল্প প্রক্রিয়া নিয়ে ভাবি। এক- স্বাভাবিক নিয়মে ভর্তি পরীক্ষা নেয়া হবে। কিন্তু করোনার এই সময়ে এটি করতে চাচ্ছি না। এমসিকিউ পদ্ধতির কথাও চিন্তা করেছি, কিন্তুও তাতেও ঝুঁকি থাকে। দ্বিতীয়- অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষা। তবে সব ভর্তিচ্ছুদের পক্ষে এটা সম্ভব হবে না।
এখনই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার কথা ভাবছে না সরকার
১৮নভেম্বর,বুধবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সরকার এখনই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার কথা ভাবছে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তিনি বলেছেন, এ পরিস্থিতিতে সরকার বিকল্প পদ্ধতিতে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করছে। করোনাকালীন ও করোনা পরবর্তী শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে জাতিসংঘ প্রতিনিধিদের সঙ্গে মঙ্গলবার (১৭ নভেম্বর) রাতে মতবিনিময়ের সময় তিনি এ কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রীর হেয়ার রোডের সরকারি বাসভবনে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী মিয়া সেপ্পোর নেতৃত্বে ইউনিসেফ বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর তোমো হোজুমি উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বিশ্ববিদ্যালয়) এ কে এম আফতাব হোসেন প্রামানিক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ গোলাম ফারুক উপস্থিত ছিলেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সভায় মিয়া সেপ্পো করোনাকালীন স্বল্প সময়ের মধ্যে সংসদ টেলিভিশনের মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রম ও অনলাইন ক্লাস চালু করায় বাংলাদেশের ভূয়সী প্রশংসা করেন। পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়ে সরকারের মনোভাব জানতে চান। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এখনই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার কথা ভাবছে না সরকার। মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ একটি দেশ। এখানে ফিজিক্যাল ডিসটেন্স মেনটেইন করা অত্যন্ত দুরূহ কাজ। পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিলে শিশুদের সঙ্গে তাদের অভিভাবকদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান যেতে হয়। সে ক্ষেত্রে করোনার সংক্রমণ বেড়ে যেতে পারে। যদিও শিশুদের কোভিডে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কম, কিন্তু তারা নীরব বাহক হতে পারে। অন্যদিকে, এ পরিস্থিতিতে অনেক অভিভাবক তাদের সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে চান না। তাই সরকার বিকল্প পদ্ধতিতে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করছে। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাপী চলমান মহামারি করোনার কারণে আমাদের শিক্ষখাত নানা রকমের ঝুঁকিতে রয়েছে। দীর্ঘ সময় ধরে আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ রয়েছে। যার ফলে কিছু শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বাল্যবিয়ে ও শিশুশ্রম বাড়তে পারে। অনেক শিক্ষার্থী আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। মানসম্মত শিক্ষা অর্জন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। সব প্রস্তুতি থাকা সত্ত্বেও করোনার কারণে ২০২০ সালের এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি। ২০২১ সালে অনুষ্ঠেয় এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের প্রাতিষ্ঠানিক ক্লাস না হওয়ায় সিলেবাস সমাপ্ত করা এখন একটা বড় চ্যালেঞ্জ। তাছাড়া কারিগরি শিক্ষার ক্ষেত্রে ব্যবহারিক ক্লাসগুলো অনলাইনে নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। অন্যদিকে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় আমাদের শিশুরা সাইকোলজিক্যাল বিভিন্ন সমস্যায় ভুগছে। তিনি বলেন, করোনায় শিক্ষাখাতের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ডিজিটাল প্রযুক্তি আমাদের সহায়তা করেছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করার মাত্র দুই সপ্তাহের মধ্যে সংসদ টেলিভিশনের মাধ্যমে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা পর্যায়ে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। তারপরও আমাদের প্রায় ১০ শতাংশ শিক্ষার্থী শিক্ষা কার্যক্রমের বাইরে রয়েছে। মোট শিক্ষার্থীর তুলনায় ১০ শতাংশ অনেক বড় একটি সংখ্যা। আমরা কোন একজন শিক্ষার্থীকে পেছনে রেখে আগাতে চাই না।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি বাড়লো ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত
১২নভেম্বর,বৃহস্পতিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আগামী ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার (১২ নভেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের এ তথ্য জানিয়েছেন। দেশে করোনা রোগী শনাক্তের পর ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দফায় দফায় ছুটি আগামী ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়। এর আগে বুধবার অনলাইনে সাংবাদিকদের এক আলোচনায় অংশ নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানান, ১৫ তারিখ থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলবে কিনা, নাকি এই ছুটি আরও বাড়বে, নাকি কোনো কোনো ক্লাসের জন্য আমরা সীমিত আকারে শুরু করতে পারব এসব বিষয়গুলো নিয়ে এখনও কাজ করছি। তবে শীতে করোনা পরিস্থিতি অবনতির শঙ্কায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চলমান এ ছুটি বাড়ানো হলো। করোনা মহামারির কারণে এ বছর প্রাথমিক সমাপনী, অষ্টমের সমাপনী ছাড়াও এইচএসসি পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। জেএসসি ও এসএসসির ফলের ভিত্তিতে এইচএসসির ফল প্রকাশের সিদ্ধান্ত হলেও অন্যান্য শ্রেণিগুলোয় পরীক্ষা ছাড়া পরবর্তী ক্লাসে তুলে দেওয়া হবে। তবে মাধ্যমিকের ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত অ্যাসাইনমেন্ট দিয়ে মূল্যায়ন করা হচ্ছে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি নিয়ে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি: মন্ত্রণালয়
১১নভেম্বর,বুধবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছুটি সংক্রান্ত বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হলে সাথে সাথে গণমাধ্যমকে অবহিত করা হবে। বুধবার (১১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের এতথ্য জানান। মার্চে দেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্তের পর ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দফায় দফায় ছুটি আগামী ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়। তবে আর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি না বাড়িয়ে পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন শ্রেণিতে কার্যক্রম শুরুর গুঞ্জন চলছে। দুপুরে অনলাইনে সাংবাদিকদের এক আলোচনায় অংশ নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি জানান, আমরা এ মাসের ১৪ তারিখ পর্যন্ত বন্ধ রেখেছি। ১৫ তারিখ থেকে খুলবে কিনা, নাকি এই ছুটিটি আরও বাড়বে নাকি কোনো কোনো ক্লাসের জন্য আমরা সীমিত আকারে শুরু করতে পারবো- এসব বিষয় নিয়ে এখনও কাজ করছি। তিনি বলেন, ১৪ তারিখের আগে চেষ্টা করব আপনাদের জানিয়ে দিতে। কারণ, ১৪ তারিখের আগে তো আমাদের একটা সিদ্ধান্ত দিতেই হবে। কাল বা পরশুর মধ্যে আমাদের একটা সিদ্ধান্ত জানাতেই হবে। আজ জানাতে পারছি না। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সংকটের মধ্যেও আমরা পড়াশোনা চালিয়ে নিতে পেরেছি, চালিয়ে যাচ্ছি, অবশ্যই এটি আমাদের কোনো আদর্শ পরিস্থিতি নয়। আমাদের অনেক সীমাবদ্ধতা রয়েছে, তার মধ্যে আমরা চেষ্টা করছি। এই চেষ্টাটি চালিয়ে যেতে হবে, এটিকে আরও কত ভালো করা যায়, কারণ করোনা কতদিনে যাবে, কতদিনে সত্যিকার অর্থে আমরা আসলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পুরোপুরি খুলে দিতে পারব, সে বিষয়গুলো কিন্তু এখনও বেশ অনিশ্চিত। সামনেই এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা আছে। সেগুলো নিয়েও আমরা বিভিন্নভাবে ভাবছি যে, কী করে তাদের পরীক্ষার আগে সিলেবাস পুরোপুরি শেষ করা যায়, এসব নানান জিনিস আমরা ভাবছি, যোগ করেন তিনি।
স্বাস্থ্যবিধি মানলে করোনা আক্রান্তের হার কমবে: নওফেল
৩১অক্টোবর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিক্ষা উপ-মন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেছেন, যত দ্রুত ও সহজে করোনা ভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা করা যাবে ততই শনাক্তকৃত রোগীর চিকিৎসা প্রদান করা সহজ হবে। ঘাতক এ ব্যাধি যে হারে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ছে তাৎক্ষণিকভাবে নমুনা পরীক্ষার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা দিতে পারলে মৃত্যুর হার অনেকাংশে কমে যাবে। তাছাড়া সরকারের নির্দেশিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে এ রোগে আক্রান্তের হার কমে আসবে। আজ শনিবার (৩১ অক্টোবর) চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে প্রতিষ্ঠিত চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয় (সিভাসু) রিসার্চ এন্ড ফার্ম বেইজড ক্যাম্পাসে কোভিড-১৯ শনাক্তকরণ ল্যাবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। সিভাসুর উপাচার্য প্রফেসর ড. গৌতম বুদ্ধ দাশের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য ও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ সালাম। অনুষ্ঠিত সভার শুরুতে করেন মাওলানা হাফেজ আহমদ পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত। সিভাসু রিসার্চ এন্ড ফার্ম বেইজড ক্যাম্পাস মিলানায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ডা. তাহিয়া আহমদ লুবনার সঞ্চালনায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি কেশব কুমার বড়ুয়া, হাটহাজারী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল্লাহ আলম মামুন, সিভাসুর প্রফেসর ড. নুরুল আবছার খাঁন, উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এ এস এম ইমতিয়াজ হোসাইন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) শরীফ উল্যাহ, হাটহাজারী থানার ওসি মাসুদ আলম।