৩০ মার্চ খুলছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
২৭,ফেব্রুয়ারী,শনিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী ৩০ মার্চ থেকে স্কুল-কলেজ খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। করোনাভাইরাসের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। শনিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে এ তথ্য জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। শিক্ষামন্ত্রীর সভাপতিত্বে বৈঠকে কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তাফা কামাল উদ্দীন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. আব্দুল মান্নান, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) মো. কামাল হোসেন, পুলিশ মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ, স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলমসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন। গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্তের পর ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। এরপর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি ধাপে ধাপে বাড়িয়ে আগামীকাল ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত করা হয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া যায় কিনা- সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে বসে সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে গত ২২ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিসভা বৈঠকে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনার কথা জানিয়ে ওইদিন প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেছিলেন, সরকার খোলার (শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান) পরিবেশটা প্রিভিউ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আমরা পাঁচ-ছয় দিনের মধ্যে একটা মিটিংয়ে বসব। এটা আন্তঃমন্ত্রণালয় মিটিং হবে। এরই মধ্যে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা হলে ফেরার আন্দোলন শুরু করেন। কোনো কোনো স্থানে শিক্ষার্থীদের তালা ভেঙে হলে প্রবেশের ঘটনাও ঘটে। এ পরিস্থিতিতে ২২ ফেব্রুয়ারি শিক্ষামন্ত্রী ঘোষণা দেন, আগামী ২৪ মে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পাঠদান কার্যক্রম শুরু হবে।
সাত কলেজের আন্দোলন স্থগিত
২৪,ফেব্রুয়ারী,বুধবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অনার্স শেষ বর্ষ এবং তৃতীয় বর্ষের চলমান পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্তের পর আন্দোলন স্থগিত করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সরকারী সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে রাজধানীর নিউমার্কেট নীলক্ষেত মোড় অবরোধ কর্মসূচি স্থগিত করেন তারা। বুধবার বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ঢাকা কলেজের আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী ইসমাঈল সম্রাট। এসময় তিনি জানান, আমাদের দাবি মেনে নেওয়ার কারণে আমরা আন্দোলন স্থগিত করেছি। এর আগে সাত কলেজ শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির সাথে ভার্চুয়াল আলোচনায় বসে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। আলোচনা শেষে এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) এএসএম মাকসুদ কামাল সময় নিউজকে জানান, 'সাত কলেজের চলমান পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। আজকের যে পরীক্ষাটি হওয়ার কথা ছিল, সেটি কবে নেওয়া হবে পরবর্তীতে জানিয়ে দেয়া হবে। পরীক্ষার চলমানের সিদ্ধান্ত জানার পর আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে দেখা যায়। এর আগে, শিক্ষার্থীরা একইদিন সকাল ৯টা থেকে নীলক্ষেত নিউমার্কেট মোড় অবরোধ করে রাখায় বিকেল চারটা পর্যন্ত যান চলাচল বন্ধ ছিল। পরে পুলিশ তাদের সরিয়ে দিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
২৪ মে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস
২২,ফেব্রুয়ারী,সোমবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দীর্ঘ এক বছরের বেশি সময় বন্ধের পর আগামী ২৪ মে (পবিত্র ঈদুল ফিতরের পর) থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস শুরু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ১৭ মে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব আবাসিক হল খুলে দেয়ার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। সোমবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ভার্চুয়ালি এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। গত বছরের ১৭ মার্চ করোনার প্রাদুর্ভাব রুখতে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়। কয়েক ধাপে বাড়ানোর পর ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করা হয়। করোনার প্রাদুর্ভাব কমে আসায় চলতি বছরের শুরু থেকেই বিভিন্ন মহল থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দেয়ার দাবি আসতে থাকে। এ নিয়ে আন্দোলনে নামে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। সর্বশেষ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোর ফটকের তালা ভেঙে প্রবেশ করেন। এরপর ঢাবি, রাবিসহ আরও কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়েছে। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, করোনা পরিস্থিতির কারণে বিশ্বের অনেক দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। আমাদেরও গত ১৭ মার্চ থেকে সব স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। বর্তমানে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত নেয়া না হলেও দেশের সব পাবলিক-প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আগামী ২৪ মে থেকে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেণি-ক্লাস কার্যক্রম শুরু করা হবে। এর আগে ১৭ মে থেকে সব আবাসিক হল খুলে দেয়া হবে। দীপু মনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেণি-ক্লাস চালুর আগ পর্যন্ত অনলাইনে ক্লাস চলমান থাকলেও কোন ধরনের পরীক্ষা নেয়া যাবে না। শ্রেণি-ক্লাস খোলার পর পরীক্ষা নেয়া হবে। বিশ্ববিদ্যালয় খোলার আগে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও আবাসিক হলগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন কাজ শেষ করতে হবে। ক্যাম্পাস ও হলে স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে সংস্কার কাজ করারও পরামর্শ দিয়েছেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় খোলার আগে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের করোনার টিকাদান নিশ্চিত করা হবে। টিকা প্রদানের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের শ্রেণি-ক্লাস শুরু করা হবে। ইতোমধ্যে তাদের টিকাদান কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
ফের বাড়লো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি
১৪,ফেব্রুয়ারী,রবিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আবারো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি বাড়ানো হয়েছে। এ ছুটি বাড়িয়ে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত করা হয়েছে। এর আগে কয়েক দফায় ছুটি বাড়ানো হয়েছিলো ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। তবে কওমি মাদরাসায় যথারীতি ক্লাস ও পরীক্ষা চলবে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শিক্ষা অধিদপ্তরের গনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের। তিনি বলে, চলমান ছুটি আরো কয়েকদিন বাড়িয়ে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত করা হয়েছে। নতুন করে ছুটি বাড়ানোর সময়গুলোতে দেশের সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। সংসদ টিভি, রেডিও, অনলাইনে ক্লাস চলমান থাকবে। এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য যে বিশেষায়িত সিলেবাস দেওয়া হয়েছে সেটা অনুযায়ী লেখাপড়া চালিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে গত ৮ মার্চ ২০২০ প্রথম করোনা রোগী শনাক্তের পর গত ১৭ মার্চ ২০২০ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। কয়েক ধাপে বাড়ানোর পর ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১ পর্যন্ত ছুটি ছিল, সেই ছুটি এবার ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১ পর্যন্ত বাড়লো। ছুটিকালীন সময়ে চলছে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম।
এসএসসি ও এইচএসসির পুনর্বিন্যস্ত সিলেবাস প্রকাশ
৬,ফেব্রুয়ারী,শনিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাস মহামারির কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান এবং এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থীদের জন্য পুনর্বিন্যস্ত সিলেবাস প্রকাশ করেছে সরকার। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে শুক্রবার (৫ ফেব্রুয়ারি) পুনর্বিন্যস্ত এ সিলেবাস প্রকাশ করে তা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর অধ্যক্ষ ও প্রধান শিক্ষকদের পাঠানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। পুনর্বিন্যাস করা সিলেবাস এমনভাবে করা হয়েছে যাতে স্বল্পসময়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া যায়। এরআগে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য এ সিলেবাস তৈরি করে। যদিও গত ২৫ জানুয়ারি এসএসসি পরীক্ষার জন্য সিলেবাস প্রকাশ করা হয়েছিল, তবে শিক্ষামন্ত্রী সম্প্রতি এনসিটিবিতে সভা করে দুই সিলেবাস নতুন করে প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছিলেন। করোনা ভাইরাসে সংক্রমণের পর গত ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়। কওমি মাদরাসা বাদে অন্যসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করা আছে। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খোলার প্রস্তুতি নিতে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এছাড়া ৪ ফেব্রুয়ারি মধ্যে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে তাদের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের জন্য স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছিলো। যাতে করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আদেশ পাওয়া মাত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া যায়। প্রতিবছর ফেব্রুয়ারির শুরুতে এসএসসি এবং এপ্রিলে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হয়। যদিও করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে ২০২০ সালের এইচএসসি পরীক্ষা না নিয়ে জেএসসি এবং এসএসসি পরীক্ষার ফলের ওপর ভিত্তি করে ফল দেওয়া হয়েছে। জাতীয় সংসদের চলমান অধিবেশনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানিয়েছেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিয়ে দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সপ্তাহে পাঁচ বা ছয় দিন ক্লাস করানো হবে। আর অন্যান্য শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সপ্তাহে একদিন ক্লাস করানো হবে। আর জুন মাসে এসএসসি এবং জুলাইয়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া হবে।
গাছ লাগাতে টাকা পাবে ১০ হাজার বিদ্যালয়
৩,ফেব্রুয়ারী,বুধবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল বনায়ন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে ১০ হাজার বিদ্যালয়কে পাঁচ হাজার করে টাকা দেবে সরকার। মঙ্গলবার (২ ফেব্রুয়ারি) এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর। ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা এই আদেশে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ স্কাউটসের সমাজ উন্নয়ন ও স্বাস্থ্য বিভাগের আওতায় প্রকল্পের অর্থায়নে চার বছরে মোট ১০ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল গার্ডেনিং ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। এ কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একটি ছোট বাগান তৈরি, চারটি ফলজ বৃক্ষরোপণ ও পরিচর্যা করতে হবে। নির্বাচিত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিটিতে স্কুল গার্ডেনিং ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির জন্য ৫ হাজার করে টাকা দেয়া হবে। এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য আটটি বিভাগীয় উপপরিচালকের কার্যালয় থেকে মোট ১০ হাজার ৪০৪টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নামের তালিকা পাওয়া গেছে বলেও আদেশে উল্লেখ করেছে অধিদফতর। এসব বিদ্যালয়ের হিসাব নম্বরসহ ই-মেইলে পাঠাতে প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের বিভাগীয় উপপরিচালকদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
এইচএসসির ফলাফলে ইতিহাস
৩০,জানুয়ারী,শনিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পরীক্ষা নেয়া সম্ভব হয়নি। করোনা মহামারীর মধ্যে তবু নিরাস হচ্ছে না কেউ। সবাইকে পাস করিয়ে প্রকাশিত হল এইচএসি ও সমমানের ফলাফল। শনিবার (৩০ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ডিজিটালি ফল প্রকাশ করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে অনলাইনে যুক্ত হয়ে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল ঘোষণার উদ্বোধন করেন। পরীক্ষা ছাড়াই এইচএসসির ফলাফল দেয়া এবং ডিজিটালি ফল প্রকাশের ঘটনা বাংলাদেশের ইতিহাসে এবারই প্রথম। এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডের ১৩ লাখ ৬৫ হাজার শিক্ষার্থী এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা দেওয়ার কথা ছিল। গত বছরের ১ এপ্রিল পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনাভাইরাসের প্রকোপ বাড়তে থাকায় ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে সরকার পরীক্ষা ছাড়াই মূল্যায়নের মাধ্যমে এইচএসসি ও সমমান শ্রেণির ফল প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। এক্ষেত্রে জেএসসির ফল থেকে ২৫ শতাংশ এবং এসএসসির ফল থেকে ৭৫ শতাংশ নিয়ে গড় করে এইচএসসির ফল নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছরে ফেল করা শিক্ষার্থীরাও এবার পরীক্ষার্থী ছিল। তাদেরও পাস করিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেই হিসাবে এবার শতভাগ পরীক্ষার্থীই পাসের মুখ দেখছে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি বাড়লো ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত
২৯,জানুয়ারী,শুক্রবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। শুক্রবার (২৯ জানুয়ারি) শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, করোনা মহামারির কারণে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (কওমি ছাড়া) চলমান ছুটি আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। বাংলাদেশে গত বছরের ৮ মার্চ প্রথম করোনা রোগী শনাক্তের পর গত ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। কয়েক ধাপে বাড়ানোর পর আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত ছুটি ছিল। সেই ছুটি এবার আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাড়লো। ছুটি চলাকালে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম চলমান থাকবে বলে জানিয়েছেন এম এ খায়ের। করোনা মহামারির কারণে এ বছর প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনী, অষ্টমের সমাপনী ছাড়াও এইচএসসি পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। জেএসসি ও এসএসসির ফলের ভিত্তিতে এইচএসসির ফল প্রকাশের সিদ্ধান্ত হলেও প্রাথমিকের অন্যান্য শ্রেণিগুলোয় পরীক্ষা ছাড়া পরবর্তী ক্লাসে তুলে দেওয়া হচ্ছে। আর মাধ্যমিকের ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত অ্যাসাইনমেন্ট দিয়ে মূল্যায়ন করা হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। অন্যদিকে উচ্চশিক্ষা স্তরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে অনার্স ও মাস্টার্সের চূড়ান্ত পরীক্ষা নিতে অনুমতি দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)।
এইচএসসি ও সমমানের মূল্যায়নের ফল শনিবার
২৯,জানুয়ারী,শুক্রবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থীদের মূল্যায়নের ফল শনিবার প্রকাশ করা হবে। শুক্রবার (জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের এ তথ্য জানিয়েছেন। করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে এবার পরীক্ষা ছাড়া এসএসসি, জেএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের গড় মূল্যায়ন করা হয়েছে। শনিবার সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থীদের মূল্যায়নের ফল প্রকাশ করা হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে অনলাইনে ফলাফল ঘোষণা অনুষ্ঠানে যুক্ত থাকবেন। রেওয়াজ অনু্যায়ী, প্রধানমন্ত্রীর কাছে শিক্ষামন্ত্রী ফলাফল হস্তান্তরের পর ফল প্রকাশ করা হয়। করোনা ভাইরাসের মধ্যে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব না হওয়ায় এইচএসসির ফলাফল প্রস্তুত, প্রকাশ ও সনদ বিতরণের ক্ষমতা শিক্ষা বোর্ডগুলোকে দিয়ে গত মঙ্গলবার গেজেট প্রকাশ করেছে সরকার। এর মাধ্যমে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ পরামর্শক কমিটির সুপারিশ মোতাবেক নয়টি সাধারণ বোর্ডের সঙ্গে মাদ্রাসা এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডকে এই ক্ষমতা দেয় সরকার। এতে বলা হয়েছে, চলমান বৈশ্বিক অতিমারি কোভিড-১৯ ভাইরাসজনিত কারণে ২০২০ সালে অনুষ্ঠিতব্য উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা গ্রহণ করা সম্ভব না হওয়ায় এ সংক্রান্ত আইনগুলো সংশোধন করা হয়েছে। ওই সব সংশোধিত আইনের ক্ষমতাবলে এ সংক্রান্ত গঠিত পরামর্শক কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে বোর্ডগুলোকে এই ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড জানিয়েছে, ফলফল প্রস্তুত আছে। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পেলে ফলাফল প্রকাশের তারিখ চূড়ান্ত করা হবে। পরীক্ষা ছাড়া উচ্চ মাধ্যমিকের ফল প্রকাশ করতে ইন্টারমিডিয়েট অ্যান্ড সেকেন্ডারি এডুকেশন (অ্যামেন্ডমেন্ট) অ্যাক্ট-২০২১, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড (সংশোধন) অ্যাক্ট-২০২১ এবং বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড (সংশোধন) অ্যাক্ট-২০২১ গেজেট আকারে জারি করে সরকার। আইনগুলো সংশোধন হওয়ায় এখন বিশেষ পরিস্থিতে অতিমারি, মহামারি, দৈব দুর্বিপাকের কারণে বা অনিবার্য পরিস্থিতিতে কোনো পরীক্ষা গ্রহণ, ফল প্রকাশ এবং সনদ করা সম্ভব না হলে সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপিত আদেশ দিয়ে কোনো বিশেষ বছরে শিক্ষার্থীদের জন্য পরীক্ষা ছাড়াই বা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে পরীক্ষা নিয়ে প্রজ্ঞাপনে উল্লিখিত পদ্ধতিতে মূল্যায়ন এবং সনদ দেওয়ার নির্দেশ জারি করতে পারবে। গত বছরে ১১টি শিক্ষা বোর্ডের ১৩ লাখ ৬৫ হাজার ৭৮৯ জন শিক্ষার্থীর এবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা দেওয়ার কথা ছিল। প্রতি বছরের মতো ১ এপ্রিল পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও করোনা মহামারির কারণে পরীক্ষা বাতিল করা হয়। শিক্ষামন্ত্রী জানান, অষ্টমের সমাপনী এবং এসএসসির ফলাফলের গড় করে ২০২০ সালের এইচএসসির ফল নির্ধারণ করা হবে। জেএসসি-জেডিসির ফলাফলকে ২৫ এবং এসএসসির ফলকে ৭৫ শতাংশ বিবেচনায় নিয়ে উচ্চ মাধ্যমিকের ফল ঘোষিত হবে এবারের ফল। অন্যদিকে, আইনে পরীক্ষা নিয়ে ফল প্রকাশের বিধান থাকায় তা সংশোধন করে বিশেষ পরিস্থিতিতে পরীক্ষা ছাড়াই ফল প্রকাশের বিধান যুক্ত করতে হয়েছে। গত রোববার জাতীয় সংসদে তা পাস হয়। এরপর রাষ্ট্রপতির সম্মতিও আসে ওই দিন রাতে।