এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ফলাফল আগামী ৩১শে মে প্রকাশিত হবে
২১মে,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ফলাফল আগামী ৩১শে মে প্রকাশিত হবে। এদিন সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে পরীক্ষার ফলাফল ও পরিসংখ্যান প্রকাশ করবেন। বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। গত কয়েক বছর ধরে পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে এসএসসি পরীক্ষার ফল ঘোষণা করা হলেও এবছর করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে তা সম্ভব হয়নি। এবার এসএসসি-সমমান পরীক্ষা ১লা ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সরস্বতী পূজা ও ঢাকার দুই সিটির নির্বাচনের কারণে পিছিয়ে ৩রা ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়। ২৭শে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলে তত্ত্বীয় পরীক্ষা। আর ২৯শে ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে ৫ই মার্চ শেষ হয় ব্যবহারিক পরীক্ষা। এ পরীক্ষায় সারাদেশে ১০টি বোর্ডের অধীনে ৩ হাজার ৫১২টি কেন্দ্রে মোট ২০ লাখ ২৮ হাজার ৮৮৪ পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়।
এসএসসির ফল মে মাসেই
১১মে,সোমবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চলতি মাসেই প্রকাশিত হবে মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল। এ জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ছুটি বাড়লেও অনলাইনে ফল প্রকাশ করা হবে। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক সোমবার (১১ মে) সংবাদমাধ্যমকে এ কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এ মাসেই ফল প্রকাশ করবো, আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। ছুটি বাড়লেও অনলাইনে ফল প্রকাশ করা হবে। শিক্ষার্থীরা ঘরে বসেই ফল পাবে। গত ৩ ফেব্রুয়ারি এ বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হয় ২৭ ফেব্রুয়ারি। আর ব্যবহারিক পরীক্ষা ২৯ ফেব্রুয়ারি শুরু হয়ে ৫ মার্চ শেষ হয়। পরীক্ষার পর ৬০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশের কথা থাকলেও করোনা পরিস্থিতিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দীর্ঘ ছুটির কারণে সেটা সম্ভব হয়নি। এ বছর মোট পরীক্ষার্থী ছিল ২০ লাখ ৪৭ হাজার ৭৭৯ জন।
প্রাথমিকের প্রথম সাময়িক পরীক্ষা বাতিল
১১এপ্রিল,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:করোনাভাইরাসের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম সাময়িক পরীক্ষা বাতিল করা হয়েছে। আগামী ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করায় এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই)। শনিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিপিইর মহাপরিচালক মো. ফসিউল্লাহ। তিনি বলেন, আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে ২৪ এপ্রিলের মধ্যে প্রাথমিকের প্রথম সাময়িক পরীক্ষা হওয়ার কথা থাকলেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় তা বাতিল করা হয়েছে। মো. ফসিউল্লাহ বলেন, করোনা পরিস্থিতির জন্য আগামী ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এ সময় পর্যন্ত সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। সিলেবাস অনুযায়ী আগামী ১৫ থেকে ২৪ এপ্রিলের মধ্যে প্রাথমিকের প্রথম সাময়িক পরীক্ষা হওয়ার কথা থাকলেও এমন পরিস্থিতিতে পরীক্ষা বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীরা সুস্থ থাকলে এ পরীক্ষা পরে আয়োজন করা হবে। মহাপরিচালক আরো বলেন, ইতোমধ্যে প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সংসদ টেলিভিশনে ও ওয়েবপোর্টালে পাঠদান সম্প্রচার করা হচ্ছে। কিছু শিক্ষার্থী এ সুবিধা থেকে পিছিয়ে থাকায় আগামী ২৫ এপ্রিলের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে কিছুদিন ক্লাস নিয়ে সময় সমন্বয় করে প্রথম সাময়িক পরীক্ষা নেয়া হবে বলে জানান তিনি। এদিকে দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে আগামী ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত স্কুল-কলেজ-মাদরাসা ও ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলসহ দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কোচিং সেন্টার বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ভাইরাসের সংক্রমণ না কমলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি আরও বাড়তে পারে বলে জানা গেছে। আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে ২৪ এপ্রিলের মধ্যে প্রাথমিকের প্রথম সাময়িক পরীক্ষা হওয়ার কথা থাকলেও তা পেছানো হচ্ছে।
এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত
২২মার্চ,রবিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাসের কারণে আসন্ন এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা স্থগিত করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আগামী এপ্রিলের প্রথম দিকে পরীক্ষাটির পরবর্তী তারিখ জানানো হবে। রোববার (২২ মার্চ) বিকেল সোয়া ৩টার দিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের এ তথ্য নিশ্চিত করেন। আগামী ১ এপ্রিল থেকে ৪ মে পর্যন্ত এইচএসসির তত্ত্বীয় এবং ৫ থেকে ১৩ মের মধ্যে সব ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করার সূচি নির্ধারিত ছিল। এর আগে আগামী ২৮ মার্চ পর্যন্ত এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রবেশপত্র বিতরণ স্থগিত করেছিল শিক্ষাবোর্ডগুলো। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মু. জিয়াউল হক বাংলানিউজকে বলেন, এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় প্রায় ১৩ লাখ পরীক্ষার্থী অংশ নেবে। প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের কারণে গত ১৬ মার্চ মন্ত্রিসভার বৈঠকে ১৮ থেকে ৩১ মার্চ দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এছাড়া শিক্ষার্থীদের নিজ বাড়িতে অবস্থানের নির্দেশনা দেয় সরকার। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশে ২১ মার্চ পর্যন্ত ২৪ জন আক্রান্ত ও দুজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর)। এ অবস্থায় দেশের বিভিন্ন স্থান লকডাউন সহ পরিস্থিতি বিবেচনায় আরও সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে।
শিক্ষকতা পেশাকে আর ও আকর্ষণীয় করা হবে:শিক্ষামন্ত্রী
০৪ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের মধ্যে অন্যকে পরাজিত করে একধরনের আনন্দ পাওয়ার মনোভাব শেখাচ্ছি। জিপিএ ৫ পাওয়া এবং এক ধরনের অনভিপ্রেত প্রতিযোগীতার মাধ্যমে শিশুরা গড়ে উঠছে। যা কোনভাবেই কাম্য নয়। শিক্ষার্থীদেরকে এ ধরনের অসুস্থ প্রতিযোগীতা থেকে বের করে আনতে হবে। মঙ্গলবার ( ৪ ফেব্রুয়ারি) বিকালে রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে ন্যাশনাল ওয়ার্কশপ অন লার্নিং ফর ইমপ্যাথি বিষয়ক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলে তিনি। ডা. দীপু মনি বলেন, পরিবর্তিত কারিকুলামের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা সব কিছুর পরও ভাল মানুষ হয়ে উঠবে। তবে কারিকুলাম যতই ভাল হোক না কেন শিক্ষকের মান ঠিক না থাকলে এর উদ্যেশ্য বাস্তবায়ন হবে না।শিক্ষকতা পেশাকে আর ও আকর্ষণীয় করা হবে। তিনি আরো বলেন, মূল্যায়ন পদ্ধতি ও কারিকুলম পরিবর্তন করা হচ্ছে।শিক্ষকতা পেশা হতে হবে জীবনের ব্রত।শিক্ষকদের মান বৃদ্ধি করতে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেয়ার ব্যবস্থা করা হবে। পরীক্ষারভারে শিক্ষার্থী যেন ভারাক্রান্ত না হয় সে দিকে সকলকে খেয়াল রাখতে হবে। কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের সচিব মুনশী শাহাবুদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মোঃ মাহবুব হোসেন, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. সৈয়দ গোলাম ফারুক, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো: সানোয়ার হোসেন, কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ডাক্তার মো: ফারুক হোসেন প্রমুখ।
আজ থেকে শুরু এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা
০৩ফেব্রুয়ারী,সোমবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আজ থেকে শুরু হচ্ছে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। চলতি বছর ৯টি সাধারণ বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট ২০ লাখ ৪৭ হাজার ৭৭৯ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবে। এর মধ্যে ১০ লাখ ২৪ হাজার ৩৬৩ জন ছাত্র ও ১০ লাখ ২৩ হাজার ৪১৬ জন ছাত্রী। এবার ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে ছাত্রের তুলনায় ছাত্রী ৫১ হাজার ৪০৪ জন বেশি। দাখিল পরীক্ষায় ছাত্রের তুলনায় ছাত্রী ১২ হাজার ৯৭৮ জন বেশি। ২০১৯ সালের তুলনায় চলতি বছরে পরীক্ষার্থী কমেছে ৮৭ হাজার ৫৪৪ জন। এরমধ্যে ছাত্র কমেছে ৪৬ হাজার ৭৮ জন এবং ছাত্রী কমেছে ৪১ হাজার ৪৭৬ জন। নিয়মিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৬ লাখ ৮১ হাজার ৬৮৮ জন। অনিয়মিত পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৩ লাখ ৬১ হাজার ৩২৫ জন। গত বছর বিভিন্ন বিষয়ে ফেল করা পরীক্ষার্থীর সংখ্যা দুই লাখ ৮২ হাজার ৫৯৪ জন। এবার এসএসসি পরীক্ষায় বাংলা দ্বিতীয় পত্র এবং ইংরেজি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্র ছাড়া সকল বিষয়ে সৃজনশীল প্রশ্নে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ২০২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বৃদ্ধি পেয়েছে। কেন্দ্র বৃদ্ধি পেয়েছে ১৫ টি। এরআগে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম এক সংবাদ সম্মেলনে এসএসসি, এসএসসি/দাখিল (ভোকেশনাল) ও দাখিল পরীক্ষার কেন্দ্রগুলোতে সুষ্ঠু ও শান্তিপুর্ণভাবে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়া নিশ্চিত করতে ২০০ গজের মধ্যে পরীক্ষার্থী ছাড়া জনসাধারণের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে । এই আদেশ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার দিন থেকে পরীক্ষা চলাকালীন পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
নকলমুক্ত পরীক্ষার জন্য সরকার সব ব্যবস্থা নিয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী
২৯জানুয়ারী,বুধবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী তিন ফেব্রুয়ারি থেকে অনুষ্ঠেয় মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট এসএসসি পরীক্ষা প্রশ্নফাঁসমুক্ত ও নকলমুক্ত পরিবেশে অনুষ্ঠিত করার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। বুধবার সকালে বাংলাদেশ মেরিন একাডেমির ৫৪ তম ব্যাচের ক্যাডেটদের শিক্ষা সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা জানান। তিনি আরও বলেন, প্রশ্নফাঁসের গুজব ছড়িয়ে মানুষের সঙ্গে যারা প্রতারণার ফাঁদ তৈরি করে তাদের পাতা ফাঁদে পা দেওয়া যাবে না। অভিভাবকদের উদ্দেশে ডা. দীপু মনি বলেন, ছেলে-মেয়েরা যাতে সুস্থভাবে, সুন্দরভাবে, মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করে, পরীক্ষার প্রস্তুতি নেয় সেদিকে যত্নবান হোন। বড় পরিসরের এই পাবলিক পরীক্ষায় সন্তানদের পড়ালেখার সঙ্গে অনৈতিক কোনও কিছু যুক্ত করবেন না। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, গতানুগতিক শিক্ষা ব্যবস্থায় কিংবা প্রচলিত ধ্যান-ধারণায় উন্নত বাংলাদেশ গঠন করা সম্ভব নয়। এজন্য আধুনিক ও বিশ্বমানের জ্ঞান-বিজ্ঞানসমৃদ্ধ প্রযুক্তি ও দক্ষতানির্ভর সমাজ গঠনে কারিগরি শিক্ষার প্রসারে সরকার ইতোমধ্যে বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। ৫৪তম ব্যাচে ১০৪ জন ক্যাডেট মেরিন একাডেমিতে দুই বছর একাডেমিক ও রেজিমেন্টাল প্রশিক্ষণ সমাপ্ত করেছেন।
সকলকে সাম্প্রদায়িকতার মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে:শিক্ষা উপমন্ত্রী
২৩জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সরকার ধর্মীয় শিক্ষার প্রশ্নে আপসহীন উল্লেখ করে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেছেন, বাংলাদেশ যতদিন থাকবে, ইসলামও ততদিন থাকবে। সকলকে সাম্প্রদায়িকতার মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। তিনি বলেন, প্রত্যেক প্রতিষ্ঠান নিজের স্বকীয়তা নিয়ে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে। শিক্ষার্থীদের ওপর জোর করে ধর্মীয় অনুশাসন মানতে বাধ্য করা যাবে না। বর্তমান সরকারের আমলে দেশে সকল ধর্মের মানুষ নিরাপদ রয়েছে বলেও তিনি জানান। বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের দিবা শাখার ৫৪তম বার্ষিক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে শিক্ষা উপমন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, রাজধানীসহ সারাদেশের মানুষের কাছে আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের সুনাম রয়েছে। এ প্রতিষ্ঠান কখনো মানের প্রশ্নে আপস করেনি। সব সময় ভাল ফলাফলে এগিয়ে রয়েছে। শিক্ষক-শিক্ষিকারা একাগ্রতার সাথে আমাদের সন্তানদের মান সম্মত শিক্ষা দিয়েছেন বলেই এ প্রতিষ্ঠানের এত সুনাম। এ ধারা অব্যাহত রাখতে হবে। এ প্রতিষ্ঠানের যে নিজস্বতা ছিল, এখনো আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। পোশাক পরিবর্তনে আইডিয়াল স্কুলের স্বকীয়তা ও ঐতিহ্য হারিয়ে যাওয়া নিয়ে চিন্তা ও শঙ্কার কিছু নেই জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, সমাজ এগিয়ে যাচ্ছে তাই আমাদের মানসিকতারও পরিবর্তন হওয়া দরকার। চিন্তা ও চেতনার গভীরতা বাড়াতে হবে। তিনি বলেন, সন্তানদের শালীনতার ব্যাপারে প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি পরিবারের পক্ষ থেকে শিক্ষা দিলে তারা নিজ থেকে তা পালন করবে। কিন্তু যারা অপপ্রচার চালাচ্ছে যে একটি বিদ্যালয়ে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলতে বাধা দেয়া হচ্ছে, সেই অপপ্রচারকারীদের আমরা চিনি। পোশাক পরিবর্তনে অভিভাবকদের একাংশের আন্দোলনকারীদের প্রতি অপপ্রচার না চালানোর আহ্বান জানিয়ে নওফেল বলেন, মানববন্ধনের নামে যারা শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে, তারা জ্বালাও-পোড়াও ও তথ্য প্রযুক্তি মামলার আসামি। তাদের কার্যক্রম সরকারের নজরে আছে। রাস্তায় আন্দোলন করতে ব্যর্থ হয়ে ঘরে ঢুকে সন্তানদের বিভ্রান্ত করতে চেষ্টা করছেন তারা। মন্ত্রী বলেন, মানববন্ধনের নামে বিদ্যালয়ের নিরাপত্তা যদি ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করা হয়, শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করতে চাওয়া হয়, তাহলে নিজেরাও ঘরেও শান্তিতে থাকতে পারবেন না। এদেশে অসাম্প্রদায়িক রাজনীতি থাকবে না। মানববন্ধনের নাম করে অরাজকতা করলে সবাইকে তুলে আনা হবে। তিনি বলেন, আমরা চাই দেশে হিংসা, হানাহানি বাদ দিয়ে সহনশীলতার সাথে বাস করতে। প্রতিটি বিদ্যালয়ে ধর্মীয় স্বাধীনতা বজায় রেখে চলতে হবে। নতুন সমাজ, অর্থনীতি ও বিশ্বব্যাপী চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতি, ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার মধ্যদিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। নওফেল বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় বাংলাদেশে ইসলামি শিক্ষা, ধর্মীয় শিক্ষা, এবং মাদ্রাসা খাত উন্নয়নে যে ধরনের পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বাংলাদেশের সুদীর্ঘ ইতিহাসে রাষ্ট্রীয়ভাবে আগে কেউ কখনো নেইনি। অতীতে যারাই এসেছেন তারা মুখে মুখে বলে গেছেন, ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করেছেন কিন্তু আজ সারাদেশে ৬ হাজার কোটি ব্যয়ে ১ হাজার ৮০০টি মাদ্রাসা নির্মাণ করছে সরকার। ভালবাসা ও মানবিকতার মাধ্যমে রাসূল (সা.) দ্বীন প্রচার করেছেন জানিয়ে তিনি বলেন, জোর জবরদস্তি করে, অপপ্রচার চালিয়ে কাউকে দ্বীনিকাজে কাজে বাধ্য করা যাবে না। আজকে যারা জোর-জবরদস্তি করে অনুশাসন চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছেন, সেটা অনুশাসন নয়, দুঃশাসন। যা কখনো চাপিয়ে দেয়া যাবে না। যারা ধর্মীয় অপপ্রচার চালাচ্ছে তারা কোন ব্যাংকে ফিক্সড ডিপোজিট করে সুদ খায় তা আমাদের জানা আছে। কথিত এই রাজনৈতিক গোষ্ঠী পশ্চিমা বিশ্বে কোন কূটনৈতিক পাড়ায় যায় তা আমরা জানি। মুখে মুখে দ্বীনের কথা বলবেন, আবার মাস্তানি করবেন সে দিন শেষ হয়ে গেছে। শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সন্তানদের ওপর সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। কোচিং ও পাঠদানের নীতিমালা নিয়ে সরকার যে নির্দেশনা দিয়েছে, তা মেনে চলবেন। শিক্ষকদের আরও সুযোগ সুবিধা যাতে বৃদ্ধি করা যায়, সে চেষ্টা করছে সরকার। শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে শিক্ষা উপমন্ত্রী বলেন, দ্বীনের পথ সেটাই যেটা আমাদের সহনশীলতা ও মানবিকতা শেখায়। তোমাদের শাসন মানতে হবে, সুশৃঙ্খল হতে হবে। ব্যক্তি জীবনে শৃঙ্খলার চর্চা না করতে পারলে ভবিষ্যৎ জীবনেও সফলতা পাওয়া যাবে না। তাই, শিক্ষকদের নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। অনুষ্ঠানে গভর্নিং বডির সভাপতি আবু হেনা মোরশেদ জামানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যরিস্টার শাহ আলী ফরহাদ, প্রধান শিক্ষক ড. শাহনারা বেগম, গভর্নিং বডির অন্যান্য সদস্য ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন। পরে কৃতি শিক্ষার্থীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন শিক্ষা উপমন্ত্রী।
আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত জাতি গঠনে কাজ করছে সরকার: শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি
১৭জানুয়ারী,শুক্রবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সফল অংশীদার হওয়ার লক্ষ্যে সরকার আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত, সুস্থ এবং সবল একটি জাতি গঠনে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, খেলাধুলার মাধ্যমে শিশুরা শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠে। শিশুদের মেধা বিকাশে সরকার সবসময় পাশে ছিল, আছে এবং থাকবে। শুক্রবার (১৭ জানুয়ারি) কুমিল্লার শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে ৪৯তম শীতকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২০ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মুহিবুল হাসান চৌধুরী এমপি। এছাড়া মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিভাগের সচিব মো. মাহাবুব হোসেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মুনশী শাহাবুদ্দীন আহমেদ, কুমিল্লা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. আবদুস সালামসহ সব বোর্ড চেয়ারম্যান, কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মো. আবুল ফজল মীর ও জেলার পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম। বাংলাদেশ জাতীয় স্কুল ও মাদ্রাসা ক্রীড়া সমিতির বর্ণাঢ্য আয়োজনে ৬ দিনব্যাপী এই প্রতিযোগীতা শেষ হবে আগামি ২২ জানুয়ারি। কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের ব্যবস্থাপনায় সারা দেশের ৪টি অঞ্চলের মোট ৮০৮ জন প্রতিযোগি ইভেন্টগুলোতে অংশগ্রহণ করবেন। এ্যাথলেটিক্স, হকি, ক্রিকেট, বাস্কেটবল, ভলিবল, ব্যাডমিন্টন ও টেবিল টেনিস প্রতিযোগিতায় বকুল অঞ্চল (চট্টগ্রাম, সিলেট ও কুমিল্লা), গোলাপ অঞ্চল (খুলনা, বরিশাল), পদ্মা অঞ্চল (ঢাকা, ময়মনসিংহ) এবং চাঁপা অঞ্চলের (রাজশাহী, রংপুর) মাধ্যমিকের ছাত্র-ছাত্রীরা অংশগ্রহণ করবেন। কুমিল্লা নগরীর শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়াম, কুমিল্লা জিলা স্কুল, পুলিশ লাইন্স উচ্চ বিদ্যালয় ও নওয়াব ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এসব খেলা অনুষ্ঠিত হবে। এ বছর শীতকালীন জাতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার কেন্দ্রীয় বাজেট ৪৮ লক্ষ ৩ হাজার টাকা এবং সাংগঠনিক বাজেট ১১ লক্ষ ৪৩ হাজার টাকা।

শিক্ষা পাতার আরো খবর