প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি
১৯,অক্টোবর,সোমবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে সহকারী শিক্ষক নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রায় ৩৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ করা হবে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। সোমবার (১৯ অক্টোবর) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রাজস্বখাতভুক্ত সহকারী শিক্ষক এর শূন্যপদ এবং জাতীয়করণ করা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পিডিইপি-৪ এর আওতায় প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণির জন্য রাজস্বখাতে সৃষ্ট সহকারী শিক্ষক পদে জাতীয় বেতন স্কেল, ২০১৫ এর ১৩তম গ্রেডে অস্থায়ীভাবে নিয়োগ করা হবে। তবে তিন পার্বত্য জেলা- রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলার প্রার্থীরা এতে আবেদন করতে পারবেন না। সহকারী শিক্ষকদের বেতন হবে জাতীয় বেতন স্কেল, ২০১৫ এর গ্রেড ১৩ অনুযায়ী ১১০০০-২৬৫৯০ টাকা। অনলাইনে আবেদন নেওয়া শুরু হবে ২৫ অক্টোবর সকাল ১০টায়, শেষ হবে ২৪ নভেম্বর রাত ১১টা ৫৯ মিনিটে। আবেদন ফি মোট ১১০ টাকা। প্রার্থীদের বয়স ২০ অক্টোবর সর্বনিম্ন ২১ বছর এবং গত ২৫ মার্চ সর্বোচ্চ ৩০ বছর। মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে হবে ২৫ মার্চ ৩২ বছর। শিক্ষাগত যোগ্যতা হবে কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএ-সহ স্নাতক বা সম্মান বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০১৯ অনুযায়ী এ নিয়োগ করা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তির বিস্তারিত ওয়েবসাইটে (http://dpe.teletalk.com.bd) পাওয়া যাবে।
প্রাথমিকে ৩২ হাজার শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি চলতি সপ্তাহে
১৭,অক্টোবর,শনিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রাথমিকে সাড়ে ৩২ হাজার শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি চলতি সপ্তাহে প্রকাশ করা হতে পারে। ইতোমধ্যে বিজ্ঞপ্তি প্রস্তুত করে অনুমোদন দেয়া হয়েছে। আগামী ২০ অক্টোবরের মধ্যে তা প্রকাশের প্রস্তুতি চলছে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) সূত্রে জানা গেছে, সারাদেশে ২৫ হাজার ৬৩০ জন প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষক এবং ৬ হাজার ৯৪৭ শূন্যপদে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করতে ওয়েবসাইট আধুনিকায়ন করা হয়েছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, প্রাক-প্রাথমিক ও সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে ডিপিই থেকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি তৈরি করে অনুমোদনের জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। এ বছর পদটি সরাসরি ১৩তম গ্রেডে উন্নীত হওয়ায় প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা অনুযায়ী অভ্যন্তরীণ কোটা রাখা হবে কি-না, তার ব্যাখ্যা চেয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়। সরকারের সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সকল কোটা বাতিল করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ কোটা বহাল রেখে এ নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করতে গত ৫ অক্টোবর সম্মতি দেয়া হয়েছে। এ দিনই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরকে (ডিপিই) নির্দেশনা দিয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগের সব কোটা বাতিল করা হয়েছে। কোটাগুলো হলো- মুক্তিযোদ্ধা, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, আনসার-ভিডিপি, প্রতিবন্ধী ও জেলা কোটা। এখন সহকারী শিক্ষকদের যোগদানকালেই ১৩তম গ্রেড দেয়ার সিদ্ধান্ত হওয়ায় কোটা বাতিল করা হয়েছে। তবে নির্ধারিত ৬০ শতাংশ নারী, ২০ শতাংশ পুরুষ এবং ২০ শতাংশ পোষ্য কোটা বহাল থাকছে। এগুলোর মধ্যে আবার প্রতিটিতে ২০ শতাংশ করে বিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষক নিয়োগের কোটা অনুসরণ করা হবে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের নিয়োগ শাখার সহকারী পরিচালক আতিক বিন সাত্তার বলেন, নতুন করে ৩২ হাজার ৫৭৭ জন শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। তার মধ্যে পিইডিপির আওতায় প্রাক-প্রাথমিকে ২৫ হাজার ৬৩০ জন এবং বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক শূন্য পদে রাজস্ব খাতে ৬ হাজার ৯৪৭ জন নিয়োগ দিতে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, প্রাক-প্রাথমিক ও সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করতে ডিপিই থেকে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি তৈরি করে অনুমোদনের জন্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। এ বছর পদটি সরাসরি ১৩তম গ্রেডে উন্নীত হওয়ায় প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা অনুযায়ী অভ্যন্তরীণ কোটা রাখা হবে কি-না, তার ব্যাখ্যা চেয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়। সরকারের সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সকল কোটা বাতিল করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ কোটা বহাল রেখে এ নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করতে গত ৫ অক্টোবর সম্মতি দেয়া হয়েছে। এ দিনই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরকে (ডিপিই) নির্দেশনা দিয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগের সব কোটা বাতিল করা হয়েছে। কোটাগুলো হলো- মুক্তিযোদ্ধা, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, আনসার-ভিডিপি, প্রতিবন্ধী ও জেলা কোটা। এখন সহকারী শিক্ষকদের যোগদানকালেই ১৩তম গ্রেড দেয়ার সিদ্ধান্ত হওয়ায় কোটা বাতিল করা হয়েছে। তবে নির্ধারিত ৬০ শতাংশ নারী, ২০ শতাংশ পুরুষ এবং ২০ শতাংশ পোষ্য কোটা বহাল থাকছে। এগুলোর মধ্যে আবার প্রতিটিতে ২০ শতাংশ করে বিজ্ঞান বিষয়ের শিক্ষক নিয়োগের কোটা অনুসরণ করা হবে। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের নিয়োগ শাখার সহকারী পরিচালক আতিক বিন সাত্তার বলেন, নতুন করে ৩২ হাজার ৫৭৭ জন শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হবে। তার মধ্যে পিইডিপির আওতায় প্রাক-প্রাথমিকে ২৫ হাজার ৬৩০ জন এবং বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক শূন্য পদে রাজস্ব খাতে ৬ হাজার ৯৪৭ জন নিয়োগ দিতে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। তিনি বলেন, আগামী ২০ অক্টোবরের মধ্যে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের সিদ্ধান্ত রয়েছে। অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়ার জন্য এক মাস সময় দেয়া হবে। আবেদন ফি না বাড়িয়ে আগের মতো প্রায় ১৭০ টাকা রাখা হয়েছে। ডিপিই সূত্রে জানা গেছে, এবার প্রার্থীর এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার রোল ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে আবেদন প্রক্রিয়া অনলাইনে সম্পন্ন করতে হবে। আবেদনকারী নারী-পুরুষ উভয়ের জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে স্নাতক (সম্মান), স্নাতক (পাস) বা সমমান ডিগ্রি করা হয়েছে। গত বছর অনলাইন আবেদন ফি ১৬৬ টাকা হলেও এবার কিছুটা বাড়ানো হচ্ছে। বুয়েট ও টেলিটক মোবাইল কোম্পানির সহায়তায় আবেদন গ্রহণ, কেন্দ্রে প্রশ্নপত্র পাঠানো, খাতা মূল্যায়ন ও ফল প্রকাশ করা হবে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, অভ্যন্তরীণ কোটা বহাল রেখে নিয়োগ কার্যক্রম শুরু করতে মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত হওয়া বিষয়গুলো উল্লেখ করে আগামী ২০ অক্টোবরের মধ্যে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।- জাগো নিউজ
বঙ্গবন্ধু ম্যুরালের ছবি বিকৃত করায় নোবিপ্রবির ছাত্র বহিষ্কার
১৫,অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) স্থাপিত বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালের ছবি বিকৃত করে ফেসবুকে প্রচার করায় ফয়েজ আহমেদ নামে এক শিক্ষার্থীকে সাময়িকভাবে বিশ্বববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করেছে কর্তৃপক্ষ। বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ দপ্তরের সহকারী পরিচালক ইফতেখার রাজু স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মরণে স্থাপিত ম্যুরালের ছবি এডিট করে বঙ্গবন্ধুর ছবির স্থলে অন্য ব্যক্তির ছবি জুড়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রচার করেন ফয়েজ। সেই সঙ্গে ছবির ক্যাপশনে আপত্তিকর মন্তব্য লিখে জাতির পিতার ছবির অবমাননা করেন তিনি। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুণ্ন করায় শৃঙ্খলা বোর্ডের বুধবারের (১৪ অক্টোবর) জরুরি সভার সিদ্ধান্তে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ২০১৮-১৯ সেশনের ছাত্র ফয়েজ আহমেদকে (রোল নম্বর: ১৯২৭০১০) বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে কেন স্থায়ী বহিষ্কার করা হবে না এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অধীনে কেন তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা আগামী পাঁচদিনের মধ্যে নোবিপ্রবি রেজিস্ট্রারকে জানাতে তাকে নির্দেশনা দেওয়া হয়।
জিপিএ-৫ উন্মাদনা সুখকর নয়: শিক্ষামন্ত্রী
১৪,অক্টোবর,বুধবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জিপিএ-৫ নিয়ে উন্মাদনা শিক্ষার্থী ও তার পরিবারের উপরে যে সামাজিক-পারিবারিক চাপ তৈরি করে সেটি শারীরিক-মানসিক স্বাস্থ্য এবং সামাজিক স্বাস্থ্যের জন্যও সুখকর নয় বলে মনে করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাজধানীর সেগুনবাগিচার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে এডুকেশন রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইরাব) আয়োজিত বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড প্রদান এবং ২০২০-২০২১ বছরের নতুন কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠানে ভার্চ্যুয়ালি অংশ নিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন পদ্ধতিটি যেন এই ধরনের অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি না করে সেজন্য মনোযোগ দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষা ব্যবস্থায় কিছু বড় সমস্যার কথা উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এর একটি অতিরিক্ত পরীক্ষা নির্ভরতা। পরীক্ষা মানেই একটা অতিরিক্ত মানসিক চাপ, একটা বোঝা। সেটি শুধু শিক্ষার্থীর জন্য নয়, তাদের অভিভাবকদের জন্য, সবার জন্য, পুরো সিস্টেমের জন্য। তার সঙ্গে একটা সনদ সর্বস্ব ব্যাপার আছে- একটা সার্টিফিকেট পেতে হবে। কিন্তু সেই সার্টিফিকেটের সঙ্গে, একটা কাগজের সঙ্গে আর কী পাচ্ছি? কী দক্ষতা যোগ্যতা পাচ্ছি কিনা? শিক্ষাটা কেমন যেন একটা নিরানন্দ ব্যাপার হয়ে গেছে। মনে হয় শিক্ষা মানেই একটা খুব কঠিন ব্যাপার। এরমধ্যে আমার মনে হয় আনন্দের আর কোনো জায়গা নাই। সারাদিন শিক্ষার্থী পড়ছে, তারপরে গৃহশিক্ষক, কোচিং সেন্টার, পরীক্ষার চাপ। তাহলে খেলাধুলা করবার, সংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নেবার, পারিবারিক পরিসরে আনন্দময় পরিবেশ কোথায়? আমার কিন্তু সবগুলোই লাগবে একজন ভারসম্যপূর্ণ মানুষ হিসেবে। শিক্ষা ব্যবস্থায় কিছু বড় সমস্যার কথা উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এর একটি অতিরিক্ত পরীক্ষা নির্ভরতা। পরীক্ষা মানেই একটা অতিরিক্ত মানসিক চাপ, একটা বোঝা। সেটি শুধু শিক্ষার্থীর জন্য নয়, তাদের অভিভাবকদের জন্য, সবার জন্য, পুরো সিস্টেমের জন্য। তার সঙ্গে একটা সনদ সর্বস্ব ব্যাপার আছে- একটা সার্টিফিকেট পেতে হবে। কিন্তু সেই সার্টিফিকেটের সঙ্গে, একটা কাগজের সঙ্গে আর কী পাচ্ছি? কী দক্ষতা যোগ্যতা পাচ্ছি কিনা? শিক্ষাটা কেমন যেন একটা নিরানন্দ ব্যাপার হয়ে গেছে। মনে হয় শিক্ষা মানেই একটা খুব কঠিন ব্যাপার। এরমধ্যে আমার মনে হয় আনন্দের আর কোনো জায়গা নাই। সারাদিন শিক্ষার্থী পড়ছে, তারপরে গৃহশিক্ষক, কোচিং সেন্টার, পরীক্ষার চাপ। তাহলে খেলাধুলা করবার, সংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশ নেবার, পারিবারিক পরিসরে আনন্দময় পরিবেশ কোথায়? আমার কিন্তু সবগুলোই লাগবে একজন ভারসম্যপূর্ণ মানুষ হিসেবে। দীপু মনি বলেন, কাজেই আমরা আমাদের শিক্ষাকে আনন্দময় করতে চাই। শিক্ষার্থীর উপরে অতিরিক্ত মানসিক চাপ বা সামাজিক চাপও কিন্তু আমাদের আছে। এই যে একটা জিপিএ-৫ নিয়ে উন্মাদনা এবং তা যে সামাজিক-পারিবারিক চাপ একটা তৈরি করে শিক্ষার্থী-পরিবারের উপরে, সেটি কিন্তু আমি মোটেই মনে করি না শারীরিক-মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য এবং সামাজিক স্বাস্থ্যের জন্য খুব সুখকর। কাজেই মূল্যায়ন পদ্ধতিটি যেন এই ধরনের অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি না করে আমরা সেই বিষয়টিতে মনোযোগ দিতে চেষ্টা করছি। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমাদের জ্ঞানার্জনের উৎস শুধুমাত্র যেন বই না হয়, বই আমাদের শুধু সহযোগিতা করবে। এর বাইরে অনেক কিছু পড়ে শেখা, অ্যাকটিভিটি বেইজড সেটি খুব জরুরি। বাস্তবতার সঙ্গে দেখে শিখে পড়া, বাস্তবের সঙ্গে যেন সম্পৃক্ততা বেশি হয়। বিজ্ঞান শিক্ষায় টুল কিটস আনতে পারি কিনা সেদিকে আমরা মনোযোগী হবো। শিক্ষার লক্ষ্য অর্জনে শিক্ষকের প্রশিক্ষণের পাশাপাশি তাদের আর্থিক নিরাপত্তা এবং তাদের সম্মানজনক জীবন নিশ্চত করতে হবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এটি যখন আমরা নিশ্চিত করতে পারবো তখন কিন্তু আমাদের সত্যিকারের শিক্ষা ব্যবস্থাকে কাঙ্ক্ষিত জায়গায় নিয়ে যেতে পারবো। এসব লক্ষ্য অর্জনে শেখ হাসিনার সরকার কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, শিক্ষায় যত অগ্রগতি তার সবকিছু বঙ্গবন্ধু ও তার কন্যা করে যাচ্ছেন। শুধু শিক্ষায় নয়, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, শিল্পসহ অন্য খাতগুলোতেও আমরা সাফল্য দেখতে পাই। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা নির্বাচনী ইশতেহারে সব পর্যায়ের শিক্ষার মানোন্নয়নের কথা বলেছি। শিক্ষার মান উন্নয়ন করতে কারিকুলামে ব্যাপক পরিবর্তন আনছি। শিক্ষক নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ খুব জরুরি, আমরা সে বিষয়েও কাজ করছি। একই সঙ্গে লাগসই প্রযুক্তির ব্যবহার করছি। করোনাকালে অনলাইন এডুকেশন শিক্ষার অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছে, করোনা পরবর্তীতেও আমাদের অনলাইন শিক্ষা ব্যবস্থার অন্যতম অংশ থাকবে। এর থেকে বের হওয়ার সুযোগ নেই। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন বলেন, বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর কোনো সরকারই সেভাবে শিক্ষায় গুরুত্ব দেননি। গত কয়েক বছরে শিক্ষার যে ব্যাপক উন্নতি হয়েছে তা তারই কন্যার কারণে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন বলেন, আমরা বিভিন্ন সূচকে এগিয়ে যাচ্ছি। শিক্ষায় বড় ধরণের বিপ্লব সাধিত হয়েছে। সামনে ৩৫ হাজার শিক্ষক নিয়োগ করতে যাচ্ছি। আমরা গুণগত শিক্ষা দিতে পারবো। কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব আমিনুল ইসলাম খান বলেন, সাধারণ শিক্ষার মধ্যেও আমরা কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা নিয়ে আসতে চাই যাতে সবাই কর্মমুখী হবে। সে লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) মহাপরিচালক সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক বলেন, শিক্ষার অগ্রগতির ক্ষেত্রে দুই পক্ষের বোঝাপড়া প্রয়োজন। এক্ষেত্রে শিক্ষা বিটের সাংবাদিকরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। অনুষ্ঠানে তিনজন সাংবাদিককে পুরস্কৃত করা হয়। তারা হলেন- কালের কণ্ঠের শরিফুল আলম সুমন, ডেইলি সানের সোলায়মান সালমান এবং বণিক বার্তার সাইফ সুজন। শিক্ষামন্ত্রীর অনুদানে তাদের আর্থিকভাবেও পুরস্কৃত করা হয়। জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক সাইফুল আলম বলেন, পুরস্কৃত করার মধ্য দিয়ে কাজের স্বীকৃতি এবং আরও ভালো কাজের অনুপ্রেরণা জোগাবে। পেশাদারিত্বের প্রতি অবিচল থেকে কাজ করবেন। তাহলেই সাংবাদিকতার উদ্দেশ্য পূরণ হবে। ইরাব সভাপতি সাব্বির নেওয়াজের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শরিফুল ইসলাম সুমনের সঞ্চালনায় বিদায়ী সভাপতি মুসতাক আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক নিজামুল হক বক্তব্য রাখেন।
মানারাত বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের অ্যালামনাই কমিটি গঠন
১১,অক্টোবর,রবিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির জার্নালিজম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের কমিটি গঠিত হয়েছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর আশুলিয়ায় নিজস্ব ক্যাম্পাসে সাবেক ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে এই অ্যালামনাই কমিটি গঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. নজরুল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে এই অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন কমিটির উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিভাগীয় প্রধান রফিকুজ্জামান রুমান এবং সঞ্চালনা করেন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক বুরহান ফয়সাল। এসময় ভাইস চ্যান্সেলর সাবেক শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, সাংবাদিকদের বলা হয় ওয়াচডগ। একটি দেশের সাংবাদিকরা জেগে থাকলে সে দেশে অন্যায়, ধর্ষণ, খুন, দুর্নীতি কোনো কিছুই সম্ভব নয়। আমাদের মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা বিভাগ থেকে যারা পাশ করে বের হয়েছেন তারা সততার সঙ্গে কাজ করবেন। সবার আগে দেশকে প্রাধান্য দিবেন। কখন অন্যায়ের সঙ্গে আপোস করবেন না। হলুদ সাংবাদিকতা করেও অনেকে ধনী হচ্ছেন, এগুলো করবেন না। মনে রাখবেন, আপনারা শুধু দেশের চর্তুথ স্তম্ভ নয়, জাতির বিবেকও। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মামুন উদ্দিন, রেহেনা সুলতানাসহ সাবেক শিক্ষার্থীরা। মানারাত বিশ্ববিদ্যালয়ের জার্নালিজম ডিপার্টমেন্টের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক নির্বাচিত হয়েছেন যোবায়ের আহমদ, যুগ্ম আহবায়ক মোস্তাফিজুর রহমান হাফিজ, ফখরুল ইসলাম ও মাহমুদুল হাসান আশিক। সদস্য সচিব মাকসুসুর রহমান। এছাড়া সদস্য নাজমুস সাকিব সোহান, আহসান হাবীব সবুজ, আব্দুল্লাহ আল মুসান্না সাকিব, আব্দুল্লাহ আল মামুন, মোহাইমিনুল হক খান, সাইফুল আরিফ জুয়েল, আফরোজ ইসলাম, পাপলু রহমান, মোহাম্মদ জেনিম, ইসাবা তাসনিম, রাজিবুল ইসলাম প্রমুখ।
ধর্ষকদের বিচারের দাবিতে জাবিতে মানববন্ধন
০৮,অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সারাদেশে ধর্ষণ, খুন ও নারী নির্যাতনের প্রতিবাদে এবং ধর্ষকদের বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। বুধবার (৭ অক্টোবর) বেলা ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার চত্বরে মানববন্ধন করেন তারা। মানববন্ধন শেষে একটি মৌন মিছিল করেন শিক্ষার্থীরা। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক সংলগ্ন ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে গিয়ে এক সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। সমাবেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজির অধ্যাপক ফজলুল করিম পাটোয়ারী বলেন, বিবেকের তাড়নায় আমি আজ এ প্রতিবাদ সমাবেশে আসতে বাধ্য হয়েছি। কারণ আমার ঘরেও নারী সদস্য রয়েছে। আজ এ ধর্ষণের প্রতিবাদ না করলে এ নরপিশাচগুলো একেকটি বাড়িকে লক্ষ্য করবে। তখন আর বিচার চেয়ে কোনো লাভ হবে না। রাষ্ট্রের বিচার ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে হবে, অন্যথায় নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না বলেও জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, গ্রামগুলোতে টাকা না দিলে আজকাল বিচার পাওয়া যায় না। দরিদ্র মানুষগুলো আজ টাকা না দিতে পেরে ধর্ষণের মত ঘৃণিত এ ধরনের অত্যাচার সহ্য করতে বাধ্য হচ্ছে। যার ফলস্বরুপ ধর্ষণ ও বিচারহীনতার রাজনীতি সমাজে প্রতিষ্ঠিত রূপ লাভ করেছে। আমরা এই অবস্থা থেকে উত্তরণের পথ খুঁজতে চাই। এসময় পাঁচ দফা দাবি উত্থাপন করেন শিক্ষার্থীরা। এরমধ্যে ধর্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান করার পাশাপাশি নারী-পুরুষ উভয়প্রকার 'ধর্ষণ'কে ধর্ষণ হিসেবে স্বীকার করা, সরকারি আমলা, কর্মকর্তা দ্বারা যদি ধর্ষণ হয় তাহলে তাকে বহিষ্কার করা এবং তার পরিবারের জন্য বরাদ্দকৃত সকল সরকারি সুবিধা বাতিল করাসহ ধর্ষণের মামলার বিচারিক কার্যক্রম ৩০ দিনের মধ্যে শুরু করার দাবি জানান তারা।
এ বছর এইচএসসি পরীক্ষা হবে না: শিক্ষামন্ত্রী
০৭,অক্টোবর,বুধবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে জেএসসি-এসএসসি পরীক্ষার ফলের গড়ের ভিত্তিতে এইচএসসির মূল্যায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। বুধবার (০৭ অক্টোবর) অনলাইনে এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী এই সিদ্ধান্তের কথা জানান। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এ বছর এইচএসসি পরীক্ষা হবে না। জেএসসি-এসএসসি পরীক্ষার ফলের গড়ের ভিত্তিতে এইচএসসির মূল্যায়ন করা হবে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে মূল্যায়ন করে ফলাফল প্রকাশ করা হবে। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা সরাসরি পরীক্ষা গ্রহণ না করে একটু ভিন্নভাবে মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যারা এইচএসসি পরীক্ষার্থী, তারা দুটি পাবলিক পরীক্ষা- জেএসসি এবং এসএসসি পরীক্ষা পার করে এসেছে। সে দুটির ফল বিবেচনা করে মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। জেএসসি এবং এসএসসি পরীক্ষার ফলের গড়ের ভিত্তিতে এইচএসসির মূল্যায়ন করবো। শিক্ষামন্ত্রী জানান, এ বছর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে গুচ্ছ পদ্ধতি প্রয়োগ করা হবে। শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন এসময় যুক্ত ছিলেন।
এক লাখ টাকার শিক্ষাবিমা পাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীরা
০৪,অক্টোবর,রবিবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়াতে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। তাদের জন্য- বঙ্গবন্ধু শিক্ষাবিমা নামে বিমা পলিসি চালুর কাজ শুরু হয়েছে। এর প্রিমিয়াম হবে মাসে ২৫ টাকা আর বছরে ৩০০ টাকা। বিমার অঙ্ক হবে এক লাখ টাকা। টাকার অভাবে কারোর শিক্ষাজীবন যাতে নষ্ট না হয়, সে জন্য এই পদক্ষেপ। সূত্র জানায়, বাংলাদেশ ব্যাংক, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিমা খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)-সহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সম্প্রতি আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ বৈঠক করেছে। এ সংক্রান্ত খসড়ায় কিছু পরিবর্তনের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। বিমার সঙ্গে স্কুল ব্যাংকিংও যুক্ত করতে চায় বাংলাদেশ ব্যাংক। গত জুন পর্যন্ত দেশে ২৪ লাখ ৩১ হাজার ৬০২টি স্কুল ব্যাংকিং হিসাব ছিল। তাতে টাকা আছে এক হাজার ৭৬৩ কোটি। মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বাংলাদেশ ইনস্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিআইএ) সভাপতি শেখ কবির হোসেন বলেন, মুজিব বর্ষে বিমা খাতের উপহার হিসেবে পলিসিটি চালু হবে। এতে অন্তত গরিবের সন্তানদের শিক্ষাজীবন নষ্ট হবে না। জানা গেছে, তিন বছর আগে বিমার খসড়া নীতিমালা তৈরি করে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে জমা দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। তারা এ নিয়ে কাজ করতে দেয় আইডিআরএকে। তার আলোকে এটি মুজিব বর্ষ থাকতেই চালু করার ব্যাপারে উদ্যোগী হয়েছে আইডিআরএ। আগামী বছরের ১৭ মার্চ মুজিব বর্ষ শেষ হবে। এ বিষয়ে আইডিআর এর চেয়ারম্যান এ কে এম মোশারফ হোসেন বলেন, শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চালু হচ্ছে বঙ্গবন্ধু শিক্ষাবিমা। মুজিব বর্ষেই বিমাটি চালু করা যাবে বলে আশা করছি। আইডিআরএর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৫-১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীরা বিমার আওতায় আসবে। তাদের পক্ষে পলিসি করবেন বাবা-মা অথবা অভিভাবক এবং তাঁদের বয়স হবে ২৫ থেকে ৬৫ বছর। প্রিমিয়ামের টাকা জমা দিতে হবে ব্যাংকে। পলিসির মেয়াদ থাকবে এক থেকে ১২ বছর। আর শিক্ষার্থীর বয়স ১৮ ও বিমাগ্রহীতার বয়স ৬৫ বছর হলেই পলিসি মেয়াদোত্তীর্ণ হবে। এতে বলা হয়েছে, মা-বাবা অথবা অভিভাবক মারা গেলে পলিসি মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার আগ পর্যন্ত মাসে এক হাজার টাকা করে পাবেন শিক্ষার্থীরা। বাবা অথবা মা জীবিত থাকলে তাঁদের অনুমোদনে অন্য কেউও অভিভাবক হতে পারবেন। মা-বাবার অবর্তমানে তার ভরণপোষণকারীও হতে পারবেন। আর বিমাগ্রহীতা স্থায়ী সম্পূর্ণ কিংবা আংশিক অক্ষম হলে তাকে এককালীন এক লাখ টাকা দেওয়া হবে। খসড়ায় বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীর ও বিমাগ্রহীতার বয়স, শ্রেণি ও অন্য তথ্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংক সংরক্ষণ করবে। মেয়াদ পূর্ণ হলে বিমা দাবি পরিশোধে কোম্পানিকে তথ্য পাঠাবে ব্যাংক। প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার ১৫ দিনে দাবি পরিশোধ করতে হবে। ১০টি বিমা কোম্পানির মাধ্যমে বিমাটি চালুর পরিকল্পনা করছে আইডিআরএ। তবে পরে এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
কারিগরি শিক্ষায় সাড়ে ১২ হাজার পদে নিয়োগ
০২,অক্টোবর,শুক্রবার,শিক্ষা ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশে কর্মমুখী শিক্ষার প্রসারের উদ্দেশে টেকনিক্যাল কলেজ ও পলিটেকনিকগুলোতে তিন অর্থবছরে প্রায় ১২ হাজার ৬০০ পদে নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। কারিগরি শিক্ষা খাতে এক হাজার ৬১টি ক্যাডার পদ এবং ১১ হাজার ৫৪৬টি নন-ক্যাডার পদসহ মোট ১২ হাজার ৬০৭টি পদ সৃষ্টির সরকারি আদেশ জারির জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। কর্মকর্তারা জানান, এর লক্ষ্য হলো কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের অধীনে ১১৩টি সরকারি প্রতিষ্ঠান-৪৯টি পলিটেকনিক এবং ৬৪টি টেকনিক্যাল কলেজের জনবলের ঘাটতি সমাধান করা। শুক্রবার কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান জানান, কিছু পদ সৃষ্টিতে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন লাগে, কিছু পদ শিক্ষামন্ত্রী অনুমোদন দেন। তার আগে অর্থ বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং সচিব কমিটির অনুমোদন নিতে হয়। সব শেষে নতুন পদ সৃষ্টির আদেশ আগামী সপ্তাহে জারি করা যাবে বলে আমরা আশা করছি। কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ওমর ফারুক বলেন, দেশ-বিদেশে চাকরি বাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ মানব সম্পদ তৈরি করতে কারিগরি ও ভোকেশনাল শিক্ষায় সরকার যে গুরুত্ব দিচ্ছে, তার অংশ হিসেবে এসব পদ সৃষ্টির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব পদের মধ্যে রয়েছে জাতীয় বেতন কাঠামোর পঞ্চম গ্রেডের ২০টি ভাইস প্রিন্সিপাল পদ, ১৬৯টি চিফ ইনস্ট্রাক্টর (টেকনিক্যাল, গ্রেড-৬), ৫৭টি চিফ ইনস্ট্রাক্টর (নন-টেকনিক্যাল, গ্রেড-৬), ৫১০টি ইনস্ট্রাক্টর (টেকনিক্যাল, গ্রেড-৯) এবং ৩০৫টি ইনস্ট্রাক্টর (নন-টেকনিক্যাল, গ্রেড-৯) পদ। ২০১৯-২০, ২০২০-২১ এবং ২০২১-২২ অর্থ বছরে এসব পদে নিয়োগ সম্পন্ন হবে জানিয়ে তিনি বলেন, চাকরির চাহিদা ভিত্তিক শিক্ষার এই উদ্যোগ দেশের পাশাপাশি বৈদেশিক শ্রম বাজারে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে এবং আমাদের রেমিটেন্স প্রবাহ বাড়াবে বলে আমরা আশা করছি। এর আগে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ১৩ হাজার ৭২টি পদ তৈরির প্রস্তাব অনুমোদন করে। পরে, অর্থ বিভাগ রাজস্ব খাতে ১২ হাজার ৬০৭টি পদ সৃষ্টিতে সম্মত হয়। অর্থ বিভাগ পদগুলোর বেতন স্কেল নির্ধারণ করেছে। সূত্র: কালের কন্ঠ

শিক্ষা পাতার আরো খবর