আরমানিটোলায় বহুতল ভবনে আগুন, নিহত বেড়ে ৪
২৩,এপ্রিল,শুক্রবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীর বাবুবাজার ব্রিজের পাশে আরমানিটোলায় ছয়তলা হাজী মুসা ম্যানসন ভবনে কেমিক্যাল গোডাউনে শুক্রবার (২৩ এপ্রিল) রাত ৩টার দিকে আগুন লাগে। ফায়ার সার্ভিসের ১৯টি ইউনিটের চেষ্টায় শুক্রবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এ আগুনের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে চারজনে। আহত অন্তত ২১ জন। এর মধ্যে দুইজন শিশু, পাঁচজন নারী, ১৪ জন পুরুষ। দগ্ধ ৪ জনের পুড়েছে ২৫ শতাংশ। আগুনের নিয়ন্ত্রণের ফায়ার সার্ভিস দুই জনের মৃত্যুর খবর জানালেও পরে স্বজনরা খোঁজাখুঁজি করে চিলেকোঠা থেকে আরও দুই জনের মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতরা হলেন- ওই ভবনের নিরাপত্তারক্ষী ওলিউল্লাহ, দোকান কর্মচারী রাসেল মিয়া, ভবনের চারতলার বাসিন্দা শিক্ষার্থী সুমাইয়া এবং ওলিউল্লাহর কাছে বেড়াতে আসা কবীর নামে আরেকজন। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাজ্জাদ হোসাইন জানান, প্রথমে ছয়টি ও পরে ভয়াবহতা বেড়ে গেলে আরও চারটিসহ মোট ১০টি ইউনিট পাঠানো হয়। পরে আরও বাড়িয়ে ১৯টি করা হয়। তারা ভবনের চারপাশে অবস্থান নিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে। এছাড়াও বাড়ির উপরের লোকজনকে উদ্ধারে ল্যাডার ইউনিট যুক্ত করা হয়েছে। স্থানীয়ভাবে জানা গেছে, ছয়তলা ভবনের দোতলা থেকে ওপর পর্যন্ত বিভিন্ন মানুষের বাস। আগুন লাগার পর তাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে। অনেকেই তাড়াহুড়ো করে নিচে নেমে আসেন। কেউ কেউ আবার আতঙ্কিত হয়ে ছাদে চলে যান। তাতে ভবনের ছাদে বেশ কিছু লোক আটকা পড়ে। ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা তাদের উদ্ধার করে নামিয়ে নিয়ে আসেন। ফায়ার সার্ভিস আরও জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। এ ঘটনায় ফায়ার সার্ভিসের তিনকর্মীসহ ২১ জন আহত হয়েছেন। যারা আহত হয়েছেন তাদেরকে মিটফোর্ট ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নতুন করে হতাহত বাড়ার আর শঙ্কা নেই বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস। ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিকভাবে ধারণা, রাসায়নিকদ্রব্য থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। পুরান ঢাকার বাবুবাজার ব্রিজের পাশে আরমানিটোলায় ছয়তলা ভবনটিতে নিচতলায় কেমিকেলের গোডাউন ও কয়েকটি দোকান রয়েছে এবং দোতলা থেকে পাঁচতালা পর্যন্ত ১৮টি পরিবার বসবাস করে। গ্রিল কেটে, গ্রিল ভেঙে, জানালা ভেঙে, ছাদের দরজা ভেঙে আটকে পড়াদের উদ্ধার করেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। এর আগে ২০১০ সালের ৩ জুন পুরান ঢাকার নিমতলীতে অবৈধভাবে পরিচালিত কেমিকেলের গুদামে আগুন লেগে ১২৪ জনের মৃত্যু হয়। এছাড়া ২০১৯ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি রাতে চকবাজারের চুরিহাট্টা এলাকায় ভয়াবহ আগুনে অন্তত ৬৭ জনের মৃত্যু হয়।
ভোলায় ১২ হাজার প্রান্তিক কৃষক বিনামূল্যে বীজ ও সার পেয়েছে
২২,এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জেলায় চলতি মৌসুমে আউশ ধান আবাদে ১২ হাজার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষককে সরকারিভাবে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে। খরিপ-১/২০২১-২০২২ মৌসুমে প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় প্রত্যেকের মাঝে আউশ ধানের ৫ কেজি উন্নত বীজ, ২০ কেজি ডিএপি সার ও ১০ কেজি এমওপি সার তুলে দেওয়া হয়। পুরো প্যাকেজের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১ কোটি ৫ লাখ টাকা। এক বিঘা জমির অনুকূলে এসব প্রণোদনা পেয়েছে প্রত্যেক কৃষক। সেমতে মোট ১২ হাজার বিঘা জমির জন্য এবারের সহায়তা দেয়া হয়েছে। কৃষি অফিস সূত্র জানায়, গত বছর এ জেলায় ৭ হাজার ৫ জন কৃষককে আউশ ধানের প্রণোদনা দেয়া হয়েছিলো। এবছর প্রণোদনাপ্রাপ্ত কৃষক সাড়ে ৪ হাজার বৃদ্ধি পেয়েছে। জেলায় মোট প্রণোদনার মধ্যে সদর উপজেলায় পেয়েছে ২২শ কৃষক, দৌলতখানে ১৭শ, বোরহানউদ্দিনে ১৭শ, তজুমদ্দিনে ৬শ, লালমোহনে ১৮শ, চরফ্যাসনে ৩৫শ ও মনপুরায় ৫শ কৃষক রয়েছে। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবু মো: এনায়েত উল্লাহ বলেন, মূলত আউশ ধান আবাদে কৃষদের উৎসাহিত করার জন্যই সরকার বীজ ও সার সহায়তা দিয়ে আসছে। আউশের জন্য সেচের প্রয়োজন হয়না। এ জেলায় প্রচুর পরিমাণে বৃদ্ধি পেয়েছে আউশ আবাদ। চলতি মৌসুমে ৯৯ হাজার ৪৯০ হেক্টর জমিতে আউশ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর গত বছর আবাদ হয়েছিলো ৯৭ হাজার হেক্টর জমি। তিনি আরো বলেন, এবছর গত বছরের চেয়ে প্রায় ৩ হাজার হেক্টর বেশি জমিতে আউশ আবাদ হবে বলে ধরা হয়েছে। এছাড়া কৃষকরা সরকারিভাবে বীজ-সার পাওয়াতে তাদের খরচ কমে গিয়ে লাভ বেশি হবে। তাই তাদের আগ্রাহ বেশি আউশ আবাদে। আমরা আউশের ৪৮ জাতের যেই বীজ দিয়েছি, সেটা কৃষকরা পরের বছরের জন্য চাইলে সংরক্ষণ করে রাখতে পারবে। সদর উপজেলা কৃষি অফিসার মো: রিয়াজউদ্দিন জানান, সদর উপজেলায় ২২শ কৃষক বীজ ও সার পেয়ে দারুণ খুশি। এবার সদরে সাড়ে ১৮ হাজার হেক্টর জমিতে আউশ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। আউশ ধান সম্পূর্ণই প্রকৃতি নির্ভর ফসল। বর্তমানে বৃষ্টির অপেক্ষায় রয়েছে কৃষকরা। এক থেকে দুই দিন বৃষ্টি হলেই আউশের বীজ তলা তৈরি ও বীজ রোপণর কাজ শুরু হবে। উপজেলা সদরের পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নের আবুল কাশেম ও আব্দুল হাই গাজী সরকারিভাবে বীজ ও সার পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করে বলেন, আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানাই। বর্তমানে তাদের জমি প্রস্তুতসহ সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এখন বৃষ্টির অপেক্ষায় রয়েছেন। বর্ষা এলেই বীজ রোপণ করবেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঘটনায় আরও ১১ জন গ্রেফতার
২১,এপ্রিল,বুধবার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি ,নিউজ একাত্তর ডট কম: মার্চ মাসের ২৬, ২৭ ও ২৮ তারিখে হেফাজতের বিক্ষোভ চলাকালে হামলা, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় আরও ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই ঘটনায় এ পর্যন্ত ৩২৮ জনকে গ্রেফতার করা হলো। গত ২৪ ঘন্টায় বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পুলিশ জানায়, সহিংস ঘটনাসমূহের প্রাপ্ত স্থিরচিত্র ও ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে অভিযুক্তদের শনাক্ত করা হয়। এসব ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় ৪৯টি, আশুগঞ্জ থানায় ৪টি ও সরাইল থানায় ২টি ও রেলওয়ে থানায় ১টিসহ মোট ৫৬টি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় ৪১৪ জন এজাহারভুক্ত আসামীসহ অজ্ঞাতনামা ৩০-৩৫ হাজার মানুষকে আসামী করা হয়েছে। এসকল মামলায় এখন পর্যন্ত নতুন ১১ জনসহ ৩২৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জেলা পুলিশের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তির অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশে আগমনের প্রতিবাদে হেফাজতে ইসলামের নেতা-কর্মীরা গত ২৬ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যাপক ধ্বংসাত্মক কার্যকলাপ চালায়। এসময় হামলাকারীরা সরকারি, বেসরকারি প্রায় অর্ধশতাধিক স্থাপনায় হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ করে পুরো ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে মৃত্যুপুরিতে পরিণত করে।
কক্সবাজারে করোনায় ১১ রোহিঙ্গার মৃত্যু, আক্রান্ত ৫০১
২০,এপ্রিল,মঙ্গলবার,কক্সবাজার প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: কক্সবাজারের ৩৪টি শিবিরের বিভিন্ন ক্যাম্পে এখন পর্যন্ত ৫০১ জন রোহিঙ্গা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং মারা গেছেন ১১ জন। মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনের স্বাস্থ্য সমন্বয়ক ডা. আবু মোহাম্মদ এইচ তোহা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ডা. আবু মোহাম্মদ এইচ তোহা বলেন, সরকারি-বেসরকারি সংস্থাগুলো ক্যাম্পে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে চেষ্টা করে যাচ্ছে। তবুও এর মধ্যে ৫০১ জন রোহিঙ্গা করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। গত রবিবার (১৮ এপ্রিল) পর্যন্ত করোনায় মারা গেছে ১১ জন রোহিঙ্গা। যারা আক্রান্ত হচ্ছে তাদের দ্রুত আইসোলেশনে নেওয়া হচ্ছে। এদিকে জেলায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৭ হাজারের বেশি। মারা গেছে ৮৮ জন। রোহিঙ্গাসহ আক্রান্তরা বিভিন্ন স্থায়ী-অস্থায়ী আইসোলেশন সেন্টারে চিকিৎসা নিচ্ছেন। কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের ল্যাবের তথ্য অনুযায়ী, গত রোববার পর্যন্ত জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা ৭ হাজার ৫২৪ জন ছিল। যার মধ্যে সদর উপজেলায় শনাক্ত ৩ হাজার ৭১০ জন। এই বিষয়ে কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. অনুপম বড়ুয়া বলেন, কক্সবাজার জেলায় আক্রান্তের তুলনায় মৃত্যুর হার ১.১৯ শতাংশ। তবে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে সংক্রমণ ঠেকানোর। জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ বলেন, আবারো করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় সরকার ঘোষিত লকডাউন বাস্তবায়নে কাজ করছে জেলা প্রশাসন। কই সঙ্গে সকল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে লকডাউন বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
জয়পুরহাটে করোনা প্রতিরোধে সমন্বয় সভা
১৯,এপ্রিল,সোমবার,জয়পুরহাট প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি ও দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় জয়পুরহাটে সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে জাতীয় সংসদের হুইপ ও কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন স্বাস্থ্য বিভাগ, প্রশাসনের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় করেন। রোববার বেলা ১২ টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সমন্বয় সভায় জেলা প্রশাসক শরীফুল ইসলাম, পুলিশ সুপার মাসুম আহাম্মদ ভূঞা, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আরিফুর রহমান রকেট, সিভিল সার্জন ডাঃ মো. ওয়াজেদ আলীসহ জেলার সকল পৌর মেয়র, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দগণ উপস্থিত ছিলেন। সভায় চলমান লকডাউনে জনসাধারণকে সরকারী নির্দেশনা মানাতে বিভিন্ন পদক্ষে গ্রহণ, করোনায় আক্রান্ত ব্যাক্তিদের নির্ধারিত স্থানে কোয়ারেন্টাইন ও আইসেলেশন ব্যবস্থা, করোনাকালীন কর্মহীনদের সরকারী ও বেসরকারী সহায়তা প্রদান সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
প্রত্যয়নপত্র নিয়ে ধান কাটতে যাচ্ছেন ২০ হাজার শ্রমিক
১৮,এপ্রিল,রবিবার,রাজশাহী প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাস সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় সারাদেশে লকডাউন ঘোষণা করে সরকার। এতে যাত্রীবাহী যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে এর মধ্যে দেশের বিভিন্ন এলাকায় বোর ধান পাকায় তা কাটার উপযোগী হয়েছে। ধান কাটতে শ্রমিক সংকট যেন না হয় সেজন্য রাজশাহীর বাঘা উপজেলা কৃষি অফিসারের কাছ থেকে প্রত্যয়নপত্র নিয়ে ধান কাটতে এলাকা ছাড়ছেন প্রায় ২০ হাজার শ্রমিক। চলতি সপ্তাহ থেকে গ্রুপ ধরে শ্রমিকরা এলাকার বাইরে ধান কাটতে যাওয়া শুরু করেছেন। সংশ্লিষ্টরা জানায়, গত মৌসুমেও ১৫-২০ জনের সমন্বয়ে এক একটি গ্রুপ গঠিত হয়। এভাবে গেল বছর প্রায় ২২ হাজার শ্রমিক ধান কাটতে বাইরে গিয়েছিলেন। চলতি মৌসুমেও ২০ হাজার শ্রমিক পর্যায়ক্রমে ধান কাটতে যাওয়ার জন্য এলাকা ছাড়তে শুরু করেছেন। উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্যমতে, ৬ হাজার শ্রমিক এরইমধ্যে আবেদন করে প্রত্যয়নপত্র নিয়েছেন। এসব শ্রমিকরা ধান কাটতে নাটোর, নওগাঁ, জয়পুরহাট, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া জেলার বিভিন্ন উপজেলায় যাচ্ছেন। শ্রমিকরা ভটভটিসহ বিভিন্ন যানবাহনে চড়ে যাচ্ছেন নিজ নিজ কর্মস্থলে। উপজেলা কৃষি অফিসার শফিউল্লাহ সুলতান বলেন, ধান উৎপাদিত এলাকায় প্রতিবছর এ সময় শ্রমিক সঙ্কট দেখা দেয়। এর সমাধানকল্পে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনাভাইরাসের মধ্যে প্রত্যয়নপত্র দিয়ে শ্রমিক পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। সেই ক্ষেত্রে উপজেলার নির্বাহী অফিসার ও আমার যৌথ স্বাক্ষরে প্রত্যয়নপত্র (অনুমতি) দেয়া হচ্ছে। তবে এর মধ্যে কেউ যদি করোনা আক্রান্ত এলাকা থেকে নিজ এলাকায় ফিরে আসে, তাদের নমুনা পরীক্ষা করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার পাপিয়া সুলতানা বলেন, সরকার নির্দেশিত ১৩ বিধিমালার মধ্যে একটি বিধি রয়েছে বাইরে শ্রমিকদের কর্মে যাওয়ার বিষয়ে। বর্তমানে মন্ত্রণালয় থেকে নতুন কোনো নির্দেশনা আসেনি। তাই পূর্বের নির্দেশনা অনুযায়ী শ্রমিকদের কাজে যাওয়ার প্রত্যয়ন ও নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এমনকি শ্রমিকবাহী গাড়ির চালকদেরও এ প্রত্যয়ন দেয়া হয়েছে।
পটুয়াখালীর বাউফলে গৃহবধূ আকলিমাকে নির্যাতনের ঘটনায় আটক ৯
১৭,এপ্রিল,শনিবার,বাউফল প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের দুই ইউপি সদস্যদের সমর্থকদের সংঘর্ষের ঘটনায় নির্মম নির্যাতনের শিকার গৃহবধূ আকলিমা। এই ঘটনায় শাকিল ডাক্তারসহ ৯ জনকে আটক করেছে পুলিশ। আজ শনিবার (১৭ এপ্রিল) দুপুরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শহিদুল্লাহ। তিনি জানান, নির্বাচন স্থগিত হয়ে গেলেও দুই মেম্বার প্রার্থীর সমর্থকরা গত ১৫ এপ্রিল সকালে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে আকলিমা নামে এক নারীকে শাকিলসহ কয়েকজন পুরুষ নির্মমভাবে পিটিয়ে আহত করে। মারামারির এ দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে প্রধান অভিযুক্ত শাকিলসহ ৯ জনকে আটক করে। ভিকটিক আকলিমা বর্তমানে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঘটনায় মামলার সংখ্যা বেড়ে ৫৫, গ্রেফতার ২৩৭
১৫,এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: মার্চের শেষ দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের বিক্ষোভ চলাকালে হামলা, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় নতুন করে আরও ৪টি মামলা হয়েছে। এ নিয়ে মামলার সংখ্যা হলো ৫৫। এসব মামলায় আরও ৩০ জন হেফাজত কর্মী ও সমর্থককে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত ২৪ ঘন্টায় পুলিশ বিভিন্ন এলাকা থেকে অভিযান চালিয়ে এদেরকে গ্রেফতার করে। পুলিশ জানায়, সহিংস ঘটনাসমূহের প্রাপ্ত স্থিরচিত্র ও ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে অভিযুক্তদের শনাক্ত করা হয়। এসব ঘটনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় নতুন করে আরও ৪টি সহ ৪৯টি, আশুগঞ্জ থানায় ৩টি ও সরাইল থানায় ২টি ও রেলওয়ে থানায় ১টিসহ মোট ৫৫টি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় ৪১৪ জনকে এজাহারভুক্ত আসামীসহ অজ্ঞাতনামা ৩০-৩৫ হাজার মানুষকে আসামী করা হয়েছে। এই মামলায় এখন পর্যন্ত ২৩৭ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
সাতকানিয়ায় আওয়ামী লীগ নেতা আমিনুল ইসলামের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ
১৫,এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,সাতকানিয়া প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় চলমান লকডাউনে সাতকানিয়া- লোহাগাড়ায় ঘরবন্দী হতদরিদ্র ও অসহায় মানুষের মাঝে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিনের উদ্যোগে প্রথম দফা ইফতার সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল) বিকেল ৩ টায় সাতকানিয়া উপজেলার বারদোনাস্থ আমিনুল ইসলামের গ্রামের বাড়ীতে বারদোনা এলাকার ২০০ হতদরিদ্র মানুষের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণের মাধ্যমে এ কার্যক্রম শুরু হয়। ইফতার বিতরণ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন আমিনুল ইসলামের চাচা সমাজসেবক আলহাজ্ব নুরুল কবির, সাতকানিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহবায়ক এস.এম আজিজ, সাতকানিয়া সদর ইউপি সদস্য সেলিম উদ্দিন, আওয়ামী লীগ নেতা নুরুল কবির, সাতকানিয়া ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি জিয়াবুল হক, ছাত্রলীগ নেতা মো : ফয়সাল, ঢাকা কলেজ ছাত্রলীগ নেতা আ. ন. ম ইমরান, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা এরশাদুর রহমান ও জুনাঈদ প্রমুখ। এ সময় সাতকানিয়ার বারদোনা গ্রামের ২০০ ঘরবন্দী হতদরিদ্র প্রতি পরিবারকে ১৫ কেজি চাল, ২ কেজি চনা, ২ কেজি পিয়াজ, ১ কেজি সয়াবিন তৈল, ১ কেজি মসুর ডাল, ১ কেজি লবন, ১ কেজি চিনি ও ১ কেজি মুড়ি সহ মোট ২৪ কেজি খাদ্যপণ্য বিতরণ করা হয়। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা আমিনুল ইসলাম আমিন বলেন, দেশে দ্বিতীয় দফা করোনায় দিন দিন আক্রান্ত ও মৃত্যুর মিছিল বাড়ছে। করোনার সংক্রমণ মোকাবিলায় সরকার সারাদেশে লকডাউন ঘোষণা করেছে। চলমান এ লকডাউনে কর্মহীন হয়ে পড়া গ্রামের দিনমজুর, অসহায় ও হতদরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো নৈতিক দায়িত্ব বলে মনে করি। তাই পবিত্র এ রমজানে প্রথম দফায় গ্রামের ২০০ হতদরিদ্রদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম শুরু করলাম। পর্যায়ক্রমে সাতকানিয়া-লোহাগাড়ার ঘরবন্দী হতদরিদ্রদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হবে।

সারা দেশ পাতার আরো খবর