কারাবন্দি মোস্তফার পরিবারের খোঁজখবর নিতে কক্সবাজার যাচ্ছেন সাংবাদিক নেতারা
০৯আগস্ট,রবিবার,প্রেস বিজ্ঞপ্তি,নিউজ একাত্তর ডট কম: টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপের সীমাহীন বর্বরতায় স্থানীয় সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফার ১১ মাস ধরে কারাগারে । তাঁর পরিবারের খোঁজ খবর নিতে ৫ সদস্যের সাংবাদিকদের একটি টিম কক্সবাজার যাচ্ছেন। সোমবার (১০ আগস্ট) নেতৃবৃন্দ ঢাকা থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবেন। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকালে তাঁরা ফরিদুল মোস্তফার পরিবারের সাথে স্বাক্ষাৎ শেষে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি ও জেলা প্রশাসক সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন বলে জানাযায়। এ ছাড়াও নেতৃবৃন্দ স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে মত বিনিময় করবেন। এতে নেতৃত্ব দিবেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির প্রধান সমন্বয়কারী আহমেদ আবু জাফর। কমিটির অপর সদস্যরা হলেন বাংলাদেশ প্রতিদিনের সিনিয়র রিপোর্টার ও ক্রাইম ইনভেষ্টিগেশন সেল প্রধান সাঈদুর রহমান রিমন, বাংলাদেশ অনলাইন সংবাদপত্র সম্পাদক পরিষদ (বনেক) সভাপতি মোঃ খায়রুল আলম রফিক, অনলাইন এডিটরস কাউন্সিলের প্রতিষ্ঠাতা আবুল কালাম আজাদ ও ডেইলি ইন্ডাষ্ট্রি পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার নান্টু লাল দাস । টিমের সহযোগি সদস্য হিসেবে বিভিন্ন জেলার আরো ২৫ জন সাংবাদিক সেখানে যোগ দেবেন বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেন । বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের পক্ষ থেকে রবিবার (৯ আগস্ট) গণমাধ্যমে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, টেকনাফের তৎকালীন ওসি প্রদীপ দাসের নির্যাতন ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলার শিকার ফরিদুল মোস্তফা প্রাণভয়ে ১১ মাস ধরে কক্সবাজার কারাগারে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। এই ওসি ও তার সহযোগীদের নানা অপকর্ম গেপ্তার বানিজ্য, মাদক কারবারিদের সাথে সু-সম্পর্ক থাকার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করায় ওসি প্রদীপ কুমার এবং তাঁর সহযোগীদের সীমাহীন আক্রোশে ফরিদুল মোস্তফাকে ২০১৯ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রাজধানীর মিরপুর এলাকা থেকে ধরে টেকনাফ থানায় নিয়ে তাঁর ওপর অমানষিক বর্বরতা চালায়। সে সময় তাঁর চোখে মরিচের গুঁড়া দিয়ে নির্যাতন করায় বর্তমানে দুটি চোখই নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। এছাড়া তাঁর হাত-পা ভেঙে গুড়িয়ে দেয়া হয়। এতেও ক্ষ্যান্ত হননি ওই বর্বর ওসি ইয়াবা ব্যবসায়ি সাজিয়ে সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফাকে কারাগারে পাঠিয়ে দেয়া হয়। ওই মামলায় জামিনের ক্ষেত্রেও সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার নানা প্রভাব ও কুটকৌশল খাটিঁঁয়ে বাধাঁর সৃষ্টি করে ছিলেন । নজিরবিহীন নির্মমতার শিকার সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফার ঘটনা জানতে বিএমএসএফ এর উদ্যোগে সাংবাদিক, আইনজীবি, মানবাধিকারকর্মীর সমন্বয়ে একটি টিম কক্সবাজারে যাচ্ছেন। তারা ঘটনার আদ্যপ্রান্তর পাশাপাশি আইনি সহায়তা প্রদানের যাবতীয় পদক্ষেপ নিবেন। জেলগেটে তার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেয়াসহ উন্নত চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করার পদক্ষেপও নিবেন তারা। উল্লেখ্য, চরম অসুস্থ অবস্থায় সাংবাদিক ফরিদুল মোস্তফা দীর্ঘ ১১ মাস যাবত কারাগারে মানবেতর জীবন এবং তাঁর পরিবারও অনাহারে জীবনযাপন করছেন ।
অসচ্ছল শিল্পীদের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাতের প্রতিবাদে সমাবেশ
০৯আগস্ট,রবিবার,মো.ইয়াসির,ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঠাকুরগাঁও জেলার দুঃস্থ-অসচ্ছল শিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের জন্য সাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয় কর্তৃক বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাতের প্রতিবাদে এবং জেলার প্রকৃত দুঃস্থ-অসচ্ছল শিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের মাঝে বিতরণের দাবিতে শনিবার প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে জেলা উদীচীসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন। শনিবার জেলা শহরের চৌরাস্তা মোড়ে ঘন্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত এ প্রতিবাদ সমাবেশে উদীচী জেলা সংসদ, আদিবাসী সাংস্কৃতিক জোট, শাহী বাউল গোষ্ঠী ও নিক্কন সংগীত বিদ্যালয়ের শিল্পীসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের অসংখ্য নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। সমাবেশে উদীচী জেলা সংসদের সভাপতি সেতারা বেগমের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন, আদিবাসী সাংস্কৃতিক জোটের পক্ষে ডমিনী তিগ্যা, শাহী বাউল গোষ্ঠীর পক্ষে বাউল আব্দুল মজিদ, বয়াতী হানিছ মিয়া, নিক্কন সংগীত বিদ্যালয়ের পক্ষে রাজন চন্দ্র, উদীচীর পক্ষে এমএস রাজু, অমল টিক্কু, সুচরিতা দেব প্রমূখ। বক্তাগণ অভিযোগ করে বলেন, সারাদেশে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় থেকে সংস্কৃতিসেবীদের ভাতা দেওয়া হচ্ছে। গত ২০১৯-২০ ও ২০১৮-১৯ অর্থবছরসহ গত কয়েক বছর ধরে ঠাকুরগাঁওয়ে যেসব সাংস্কৃতিক শিল্পী ও সংগঠনের বিপরীতে লাখ লাখ টাকা বরাদ্দসহ বিতরণ করা হয়েছে তাদের মধ্যে দুইজন মৃত ও অসংখ্য ভুয়া শিল্পী এবং বেশ কয়েকটি ভুইফোর, নিস্কৃয় সংগঠনের নামে মোটা অংকের অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং একটি চক্র তা আত্মসাতসহ কমিশন ভোগ করে আসছে।ভবিষ্যতে জেলার প্রকৃত দুঃস্থ-অসচ্ছল শিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নামের বিপরীতে অর্থ বরাদ্দ প্রদানের দাবিসহ ৭ দফা দাবি জানান। উল্লেখ্য, একই দাবিতে জেলার উপজেলা পর্যায়ে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
কালকিনিতে বেরি বাঁধ কেটে দেয়াকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা
০৮আগস্ট,শনিবার,সাবরীন জেরীন,মাদারীপুর,নিউজ একাত্তর ডট কম: মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার নবগ্রাম এলাকার শশিকর গ্রামে বালাবাড়ি নামক স্থানে পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি স্থায়ী বেরি বাঁধ কেটে দেয়াকে কেন্দ্র করে গ্রামের দুই পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। বাঁধের উত্তর পাড়ের লোকদের জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি দেয়ার নামে বৃহস্পতিবার দুপুরে বাঁধটি কেটে দেয় কালকিনি উপজেলা প্রশাসন। এতে বাঁধের দক্ষিণ পাড়ের শত শত একর জমির মৎস্য ঘের ও ফসলী জমি তলিয়ে যায় এবং চরম আতঙ্কের মধ্যে পড়ে পল্টি খামারীরা। এনিয়ে আজ(শুক্রবার) দুপুরে ভূক্তভোগীরা মানববন্ধন করতে গেলে এতে বাঁধা দেয় বাঁধের উত্তর পাড়ের গ্রামবাসীরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় কালকিনি উপজেলা চেয়ারম্যান মীর গোলাম ফারুক। তিনি বিষয়টির সমাধানের চেষ্টা চালায়। তবে এব্যাপারে ভূক্তভোগী উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি কাজী হেমায়েত হোসেন হিমু বলেন আমার ৮একর জমিতে মাছের ঘের ও ৪হাজার পেঁপে গাছ রয়েছে। বাঁধ কেটে দেয়ায় পানি ঢুকে তা তলিয়ে গেছে। আমার মত শত শত মৎস্য ঘের মালিক ও কৃষকের ক্ষতি সাধন হয়েছে আমরা এর ক্ষতি পূরণ চাই।
বেনাপোলে ৫১ পিস মোবাইলসহ আটক ১
০৮আগস্ট,শনিবার,বেনাপোল প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: ৫১ পিস ভারতীয় মোবাইলসহ মোহাম্মদ বাবু (২৫) নামে একজনকে আটক করেছে বিজিবি। শুক্রবার রাতে সাদিপুর এলাকা থেকে তাকে আটক করে বিজিবি। আটক বাবু বেনাপোল বড় আঁচড়া গ্রামের নিলা মিয়ার ছেলে। যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের বেনাপোল চেকপোস্ট বিজিবি ক্যম্পের সুবেদার আব্দুল ওহাব জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় এক মোবাইল চোরাচালানী ভারত থেকে বিপুল পরিমান মোবাইল এনে সাদিপুর বেলতলা মোড়ে অবস্থান করছে। এমন সংবাদে হাবিলদার মোঃ হাবিবের নেতৃত্বে একটি টহল দল সেখানে অভিযান চালিয়ে ৫১টি ভারতীয় মোবাইলসহ তাকে আটক করা হয়। তার বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে বেনাপোল পোর্ট থানায় সোপর্দ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।
সালিশ মিমাংসা করতে গিয়ে প্রধান আসামী হলেন শাহাদাত সরদার
০৮আগস্ট,শনিবার,সাবরীন জেরীন,মাদারীপুর,নিউজ একাত্তর ডট কম: কালকিনি উপজেলার দক্ষিন কানাইপুর গ্রামের বোরহান সরদার ও স্বজল সরদারের সঙ্গে গত মঙ্গলবার (৪ আগষ্ট) আনুমানিক সাড়ে ১২টায় পূর্ব শত্রুতার জেরে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ সময় উভয় পক্ষের কমপক্ষে ৫টি বসতঘরে অগ্নি সংযোগের ঘটনা ঘটে। পরে খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজনসহ যুবলীগ নেতা মোঃ শাহাদাত সরদার উভয় পক্ষের মধ্যে সালিস মিমাংসার জন্য এগিয়ে আসলে এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে প্রদান আসামী করে ২৪জনের বিরুদ্ধে আকলিমা বেগম (৪০) নামের এক নারী কালকিনি থানায় ওই দিনে একটি ঘর পোড়া মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় গত বুধবার (৫ আগষ্ট) গভীর রাতে ওই সমন্বয়কারীসহ ৩ জনকে নিজ বাড়ি থেকে আটক করেন থানা পুলিশ। তবে আটকের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন স্থানীয় সাধারন জনগন। স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, কালকিনি উপজেলার দক্ষিন কানাইপুর গ্রামের বোরহান সরদারের সঙ্গে একই গ্রামের স্বজল সরদারের দীর্ঘদিন থেকে পূর্ব শত্রুতা চলে আসছে। এর জের ধরে গত মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) উভয় পক্ষের লোকজন নিয়ে সংঘর্ষে জরিয়ে পরে। এসময় গিয়াসউদ্দিন, জামাল রাঢ়ী, বাদশা সরদার ও হারুন সরদারসহ উভয় পক্ষের ৫টি বসতঘরে অগ্নি সংযোগের ঘটনা ঘটে। পরে খবর পেয়ে স্থানীয় মাতুব্বর ও যুবলীগ নেতা মোঃ শাহাদাত সরদার উভয় পক্ষের মাঝে শালিস মিমাংসার জন্য এগিয়ে যান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শালিস মিমাংসার প্রধান সমন্বয়কারীসহ ২৪ জনকে আসামী করে আকলিমা বেগম (৪০) নামের এক নারী বাদী হয়ে কালকিনি থানায় একটি ঘর পোড়া মামলা দায়ের করেন। পরদিন রাতে মিমাংসার প্রধান সমন্বয়কারী মোঃ শাহাদাত হোসেন সরদার ও তাহার ভাই সেলিম সরদার ও তাহার চাচা আবুবকর সরদারকে নিজ বাড়ি থেকে আটক করেন কালকিনি থানা পুলিশ । এ আটকের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে স্থানীয় সাধারন জনগন। এদিকে এ বিষয় নিয়ে উভয় পক্ষের মাঝে চড়ম উত্তেজনা দেখা দিলে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। শাহাদাত সরদারের সমর্থক গোষ্ঠীর এক নেতা বলেন, গ্রেফতারের ঘটনায় আমি বিস্মিত হয়েছি। যুবলীগের এই নেতা আসন্ন কালকিনি পৌরসভা নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জন্য রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন সামাজিক সেবামূলক কাজ করে যাচ্ছিলেন। তিনি উপজেলা চেয়ারম্যান মীর গোলাম ফারুকের অনুসারী। সরদার মো. শাহাদাত হোসেন বিভিন্ন এলাকায় জনসংযোগ করছেন। যুবক শ্রেণীর কাছে তার একটা জনপ্রিয়তা রয়েছে। প্রবাসী এই নেতা অর্জিত টাকা খরচ করছেন, কেউ এখনো তার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ তুলতে পারেননি। কিন্তুু দক্ষিন কানাইপুর গ্রামে বাড়িঘর ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের মামলায় শাহাদাত সরদারের বিরুদ্ধে কালকিনি থানায় মামলা রুজু মাত্রই তাকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। এ ঘটনায় শাহাদাত সরদারের সমর্থক গোষ্ঠী তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। স্থানীয় একজন শিক্ষক বলেন, শালিস জদি মামলার আসামী হয়ে আটক হয় তাহলে কোন লোক ভাল কাজ করার জন্য এগিয়ে আসবেনা। আসলে এটা একটা দুঃখ জনক ঘটনা। মামলার আসামী ও সালিশ মিমাংসার প্রধান সমন্বয়কারী মোঃ শাহাদাত সরদার বলেন, আমি এলাকায় শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষা করার জন্য সালিস মিমাংসা করতে আসি। তাই আমাকে আজ আসামী হতে হয়েছে। আসলে এটা একটা রাজনৈতীক ষরযন্ত্র বলে আমি মনে করি। আমাকে সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্যই এ ষরযন্ত্র করা হয়েছে। এ বিষয়ে কালকিনি থানার ওসি মোঃ নাছির উদ্দিন মৃধা বলেন, ঘরে অগ্নি সংযোগের ঘটনায় শাহাদাত সরদারসহ ২৪জনকে আসামী করে থানায় একটি মামলা হয়েছে। তাই তাকে সহ তিনজনকে আটক করা হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গায় বেপরোয়া বাসের ধাক্কায় নিহত ৬
০৮আগস্ট,শনিবার,ইসমা আরা জুলি,চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: চুয়াডাঙ্গায় যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় শ্যালোইঞ্জিনচালিত আলমসাধু ও পাখিভ্যানের ছয় যাত্রী নিহত হয়েছেন। এছাড়া গুরুতর আহত হয়েছেন আরও চারজন। হতাহতরা সবাই দিনমজুর। শনিবার ভোরে চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহ সড়কের সরোজগঞ্জ বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার খাড়াগোদা গ্রামের পল্লী চিকিৎসক মিলন হোসেন (৪০), তিতুদহ গ্রামের আব্দুর রহিম মণ্ডলের ছেলে শরীফ উদ্দিন (৩০), একই গ্রামের পিয়ত আলীর ছেলে রাজু আহমেদ (৪৫), তাহাজ্জত হোসেনের ছেলে সোহাগ আলী (২৫), হায়দার আলীর ছেলে কালু মণ্ডল (৪০) ও বসু ভাণ্ডারদহ গ্রামের নিতাই চন্দ্রের ছেলে ষষ্ঠী চন্দ্র (৪৫)। আহতরা হলেন- চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার সরোজগঞ্জ গ্রামের বজলুর রহমানের ছেলে বাবলুর রহমান, তিতুদহ গ্রামের খোদারত মণ্ডলের ছেলে আকাশ আলী, যুগিরহুদা গ্রামের নাঈম আহমেদ ও সরোজগঞ্জ বাজারের আলমগীর হোসেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রয়েল এক্সপ্রেস পরিবহনের একটি বাস (ঢাকা মেট্রো ব ১৫-২১৬১) শুক্রবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম থেকে চুয়াডাঙ্গার উদ্দেশে ছাড়ে। শনিবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে বাসটি চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার সরোজগঞ্জ বাজারে পৌঁছায়। এ সময় বাসটি প্রথমে একটি আলমসাধু, পাখিভ্যান, মোটরসাইকেল এবং পরে আরও একটি মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয়। এ ঘটনায় ঘটনাস্থলেই ভ্যানের দুই যাত্রী ও পরে হাসপাতালে নেয়ার পথে আরও চারজন মারা যান। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন চারজন। চুয়াডাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের সহকারী উপপরিচালক আবদুস সালাম বলেন, আমরা সকালে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুজনকে মৃত অবস্থায় পাই। অন্যদের আহত অবস্থায় উদ্ধার করি। পরে হাসপাতালে নিলে আরও তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন ডাক্তার। এছাড়া রাজশাহী নেয়ার পথে আরও একজন মারা যান। চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ওসি আবু জিহাদ খান দুর্ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি যুগান্তরকে বলেন, হতাহতরা সবাই আলমসাধু ও নসিমনের যাত্রী। তারা সবাই দিনমজুর। তিনি আরও বলেন, বাসটি আটক করা হয়েছে। নিহতদের লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
গাইবান্ধায় বন্যার্তদের মাঝে স্বেচ্ছাসেবক লীগের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ
০৭আগস্ট,শুক্রবার,মো.ইসমাইল,গাইবান্ধাপ্রতিনিধি,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশরত্ন শেখ হাসিনার নির্দেশে বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ ও সাধারণ সম্পাদক একেএম আফজালুর রহমান বাবু’র নেতৃত্বে গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহায়তায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। দলের সাধারণ সম্পাদক একেএম আফজালুর রহমান বাবু বলেন, দেশরত্ন শেখ হাসিনার নির্দেশে স্বেচ্ছাসেবক লীগ দৈব দূর্বিপাকে অসহায় দুস্থ বিপন্ন মানুষের পাশে ছিল এবং থাকবে। শান্তি প্রগতির পতাকাবাহী সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকর্মীদের সেবার ব্রত নিয়ে অসহায় দুস্থ বিপন্ন মানুষের পাশে থাকার আহ্বান জানান তিনি। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নেতা আশিষ কুমার মজুমদার, নাফিউল করিম নাফা, নাজমুল ইসলাম লিটন, হারুন অর রশিদ, আবুল কালাম আজাদ, কে এম মনোয়ারুল ইসলাম বিপুল, মির্জা মুরশেদুল আলম মিলন, গাইবান্ধা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি মো. মোশারফ হোসেন দুলাল ও সাধারণ সম্পাদক মোস্তাক আহমেদ রঞ্জু এবং ফুলছড়ি উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। এরআগে, গাইবান্ধা শহর রক্ষা বাঁধ এলাকায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এছাড়া, সুন্দরগঞ্জে দরিদ্র শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ ও বৃক্ষরোপণ করেছে কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগ। লালমনিরহাটের খুনিয়াগাছ, কালমাটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে বন্যা দুর্গত বানবাসী অসহায় মানুষের পাশে খাদ্য সহায়তাও দেয় কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগ।
ওসি প্রদীপসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
০৬আগস্ট,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলায় টেকনাফ থানার প্রত্যাহারকৃত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রদীপ কুমার দাশসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। বুধবার রাতে কক্সবাজার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশেক ইলাহী শাহজাহান নূরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, টেকনাফের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক তামান্না ফারাহর দেওয়া আদেশের কপি, সংশ্লিষ্ট ডকুমেন্টসসহ টেকনাফ মডেল থানায় প্রেরণ করা হয়। মোহাম্মদ ফারুক নামে আদালতের একজন বাহককে দিয়ে বুধবার রাত পৌনে ৯টার দিকে আদালতের পরোয়ানার আদেশসহ অন্যান্য কাগজপত্র টেকনাফ মডেল থানায় পৌঁছানো হয়। জানা গেছে, মেজর সিনহা হত্যার বিচার চেয়ে টেকনাফের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়ের করা মামলাটি আদালতের আদেশ মতে টেকনাফ মডেল থানায় বুধবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে নিয়মিত মামলা হিসেবে রুজু করা হয়। মামলাটি রুজু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মামলার এজাহারভুক্ত সব আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। পরোয়ানা জারি হওয়া আসামিরা হলেন- টেকনাফ থানা থেকে প্রত্যাহার হওয়া ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, বাহারছড়া শামলাপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের প্রত্যাহারকৃত পরিদর্শক লিয়াকত আলী, উপপরিদর্শক (এসআই) নন্দলাল রক্ষিত, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কনস্টেবল কামাল হোসেন, কনস্টেবল আবদুল্লাহ আল মামুন, এএসআই লিটন মিয়া, এসআই টুটুল, কনস্টেবল মো. মোস্তফা। গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়া আসামিরা আগের কর্মস্থল থেকে প্রত্যাহার হয়ে এখন পুলিশ লাইনে সংযুক্ত রয়েছেন। টেকনাফের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক তামান্না ফারাহর দেওয়া আদেশ অনুযায়ী নিয়মিত মামলা হিসেবে রুজু করায় মামলাটি এখন তদন্তের জন্য টেকনাফ মডেল থানা থেকে Rab-15 এর কাছে পাঠাতে হবে। Rab-15 মামলাটি তদন্ত করে সাত কর্মদিবসের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করবে। গত ৩১ জুলাই খুন হওয়া মেজর (অবসরপ্রাপ্ত) রাশেদ খানের বড়বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস বাদী হয়ে বুধবার সকালে মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় মেজর সিনহার সঙ্গী ও ৩১ জুলাইয়ের ঘটনায় টেকনাফ পুলিশের দায়ের করা মামলার আসামি সাহেদুল ইসলাম সিফাতসহ ১০ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।
সুনামগঞ্জে সাংবাদিক আবেদ মাহমুদ স্মরণে প্রেস ক্লাবের শোকসভা
০৫আগস্ট,বুধবার,দিলাল আহমদ,সুনামগঞ্জ,নিউজ একাত্তর ডট কম: সদ্য প্রয়াত সাংবাদিক দৈনিক আজকের সুনামগঞ্জ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক এবং আর টিভির স্টাফ রিপোর্টার আবেদ মাহমুদ চৌধুরী স্মরণে শোকসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (০৫ আগস্ট) রাতে শহরের শহীদ জগৎজ্যোতি পাঠাগার মিলনায়তনে এ শোকসভা হয়। সুনামগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক সুনামগঞ্জের খবরের সম্পাদক পঙ্কজ কান্তি দে'র সভাপতিত্বে ও যুগ্ম- সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান তারেক ও বিন্দু তালুকদারের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক একে এম মহিম। পরে আবেদ মাহমুদ চৌধুরী 'র বড় ভাই খালেদ মাহমুদ চৌধুরী'র কাছে প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে শোক বার্তা হস্তান্তর সহ -সভাপতি ও কালের কণ্ঠে'র জেলা প্রতিনিধি শামস শামীম ও যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান তারেক। পরে আবেদ মাহমুদকে নিয়ে স্মৃতিচারণ মূলক বক্তব্য রাখেন, সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক আব্দুল আহাদ, পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান, কলামিস্ট অ্যাডভোকেট হোসেন তওফিক চৌধুরী, , দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হাজী আবুল কালাম, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ রেজা চৌধুরী, জগৎজ্যোতি পাঠাগারের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সালেহ আহমদ, রিপোর্টাস ইউনিটির সভাপতি লতিফুর রহমান রাজু, সুনামগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সভাপতি আইনুল ইসলাম বাবলু, আবেদ মাহমুদ চৌধুরী'র বড় ভাই খালেদ মাহমুদ চৌধুরী, এনাম আহমদ, খলিল রহমান, এমরানুল হক চৌধুরী, দেওয়ান গিয়াস চৌধুরী প্রমুখ। এ সময় বক্তারা বলেন, আবেদ মাহমুদ চৌধুরী একজন ভাল সাংবাদিক ছিলেন। সব সময় সবার সাথে হাসি মুখে কথা বলতেন। তিনি শুধু সাংবাদিক ছিলেন না সমাজ সেবক হিসেবেও তার অনেক নাম ছিল। তিনি সর্বশেষ সুনামগঞ্জ শহরের বুলচান্দ হাই স্কুলের গর্ভনিংবডির সভাপতি ছিলেন। তিনি বিগত প্রায় ২৫ বছর যাবৎ সাংবাদিকতার সাথে জড়িত ছিলেন। কিন্তু তার অকাল প্রয়ানে সুনামগঞ্জের মিডিয়া অঙ্গনের অনেক বড় ক্ষতি হয়ে গেল। সকল বক্তারা এ সময় প্রতিশ্রুতি দেন প্রয়াত আবেদ মাহমুদের পরিবারের পাশে থাকার। উল্লেখ্য, গত ২২ জুলাই হৃদয় রোগে আক্রান্ত হয়ে নিজ বাসায় মারা যান। তিনি সর্বশেষ সুনামগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

সারা দেশ পাতার আরো খবর