বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৮, ২০২১
শেখ হাসিনার জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে গেছে বাংলার মানুষের ভাগ্য- নিছার উদ্দিন আহমেদ মন্জু
২৮সেপ্টেম্বর ২০২১, নিজেস্ব সংবাদদাতা , চট্টগ্রাম, নিউজ একাত্তর : চট্টগ্রাম নগরীর উত্তর কাট্টলী ১০ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনার ৭৫ তম জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল এবং আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের আহবায়ক ও নির্বাচিত কাউন্সিলর ড. আলহাজ্ব নিছার উদ্দিন আহমেদ মন্জু।তিনি বলেন, দিনে দিনে শেখ হাসিনার জীবনের সঙ্গে জড়িয়ে গেছে বাংলার মানুষের ভাগ্য। তার সুদক্ষ ও আন্তরিক নেতৃত্বের কারণে এদেশের মানুষ একটি উন্নত জাতি হিসেবে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে বাঁচার স্বপ্ন দেখে। কেননা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু তথা ৩০ লাখ শহীদের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয় নিয়েই তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেশ পরিচালনা করছেন।উক্ত অনুষ্ঠানে আকবর শাহ থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব সুলতান আহমদ চৌধুরী, যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ ইকবাল চৌধুরী ও হাবিবুর রহমান হাবিব, প্রবীন আওয়ামী লীগ নেতা শফিউল আলম চৌধুরী,বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মোস্তাকিম বিল্লাহ, জহির উদ্দিন মোঃ বাবর, হাজী আবুল কালাম আবু, মাষ্টার মোঃ কামাল উদ্দিন,শংকর দাশ রবিন,আবু সুফিয়ান, তাজুল ইসলাম চৌধুরী বক্তব্য রাখেন। সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন সাবেক ছাত্রলীগের সভাপতি ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য মোঃ হারুন উর রশীদ (এম.এ) সভায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্থতা সফলতা ও দীর্ঘায়ু কামনা করে বিশেষ দোয়া মোনাজাত করা হয়। নিউজ একাত্তর/বিল্পব
সিভাসুর আবাসিক হল খুলছে ৫ অক্টোবর
২৮সেপ্টেম্বর ২০২১, নিজেস্ব সংবাদদাতা , চট্টগ্রাম, নিউজ একাত্তর : চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও অ্যানিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিভাসু) স্নাতক চূড়ান্ত বর্ষ, মাস্টার্স ও পিএইচডি লেভেলের শিক্ষার্থীদের জন্য আবাসিক হল আগামী ৫ অক্টোবর খুলে দেওয়া হবে। তাদের ক্লাস শুরু হবে ৭ অক্টোবর থেকে। আগামী ১০ অক্টোবর সব শিক্ষার্থীর জন্য আবাসিক হল খুলে দেওয়া হবে এবং ১৮ অক্টোবর থেকে সব শিক্ষার্থী স্বাস্থ্যবিধি মেনে সশরীরে ক্লাসে অংশ নিতে পারবেন। তবে হলে ওঠার জন্য প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে অন্তত ১ (এক) ডোজ করোনাভাইরাসের টিকা নিতে হবে। মঙ্গলবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের ৫৫তম অধিবেশনে এসব সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিভাসুর উপ-পরিচালক (জনসংযোগ ও প্রটোকল) খলিলুর রহমান। তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে একাডেমিক কাউন্সিলের ৫৫তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. গৌতম বুদ্ধ দাশ। অধিবেশনে বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ইনস্টিটিউটের পরিচালক, রেজিস্ট্রার, হল প্রভোস্ট, বিভাগীয় প্রধান ও প্রক্টরসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সব অধ্যাপক ও সহযোগী অধ্যাপকরা অংশ নিয়েছেন। নিউজ একাত্তর/বিল্পব
প্রধানমন্ত্রীর ১০টি উদ্যোগ প্রত্যেককে জানাতে হবে
২৭সেপ্টেম্বর ২০২১, নিজেস্ব সংবাদদাতা , চট্টগ্রাম, নিউজ একাত্তর : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ১০টি বিশেষ উদ্যোগ-একটি বাড়ি একটি খামার, আশ্রয়ণ প্রকল্প, ডিজিটাল বাংলাদেশ, শিক্ষা সহায়তা কর্মসূচি, নারীর ক্ষমতায়ন, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ, কমিউনিটি ক্লিনিক ও মানসিক স্বাস্থ্য, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, বিনিয়োগ বিকাশ, পরিবেশ সুরক্ষা। দেশের মানুষের উন্নয়নের কথা চিন্তা করে প্রধানমন্ত্রী এই প্রকল্পগুলো গ্রহণ করেছেন এবং ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে। আমাদের কাজ হচ্ছে প্রকল্পগুলোর কথা সাধারণ মানুষ, ছাত্র-ছাত্রী, সংগঠন-সংগঠকদের জানানো, যাতে প্রত্যেকে এই প্রকল্পগুলোর সুফল ভোগ করতে পারেন। ২৬ সেপ্টেম্বর বিকাল ৪টায় চট্টগ্রাম সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম মুরাদপুরস্থ সমাজসেবা অধিদপ্তরে তার অফিস কক্ষে চট্টল ইয়ুথ কয়ার মহিলা পরিষদ নেত্রীদের সৌজন্য সাক্ষাতকালে এসব কথা বলেন। সংগঠনের সভাপতি ফাতেমা আক্তার ডলির সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহ-সভাপতি জাহানারা বেগম, লাকী আকতার, সাধারণ সম্পাদক জ্যোৎস্না আক্তার, যুগ্ম সম্পাদক জাহানারা আকতার, লাকী আকতার, অর্থ সম্পাদক জোলেখা বিবি, সাংগঠনিক সম্পাদক ডলি আকতার, দপ্তর সম্পাদক নুর নাহার, প্রচার সম্পাদক ইয়াছমিন, সদস্য আসিফা হোসেন স্বর্ণা, চেমন আরা ও জুলেখা। আলোচনা সভা শেষে প্রত্যেকের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ ১০ উদ্যোগ বিষয়ক বই বিতরণ করেন উপ-পরিচালক মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম। নিউজ একাত্তর/ভুঁইয়া
চিকিৎসা খাতে আরও বরাদ্দ চায় চবি মেডিক্যাল সেন্টার
২৬সেপ্টেম্বর ২০২১, নিজেস্ব সংবাদদাতা , চট্টগ্রাম, নিউজ একাত্তর : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ২০২১-২২ অর্থবছরের বাজেটে চিকিৎসা খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৫৮ লাখ টাকা। যেখানে ওষুধ ব্যয়ে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৩০ লাখ টাকা। অভিযোগ রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল সেন্টারে যথাযথ চিকিৎসা পান না শিক্ষার্থীরা। ২০২০-২১ অর্থবছরেও এ খাতে বরাদ্দ ছিলো ৫৫ লাখ টাকা। সেখানে ওষুধের ব্যয় ছিলো ২৮ লাখ টাকা। মেডিক্যাল সেন্টারের অবকাঠামোগত উন্নয়ন হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বলছেন, চবির মেডিক্যাল সেন্টারে সকল রোগের ঔষধ নাপা বা প্যারাসিটামল। অভিযোগ রয়েছে, ডিউটির সময়ও মেডিক্যালে থাকেন না দায়িত্বরত চিকিৎসকরা। ছাত্রদের জন্য পুরুষ ডাক্তার এবং ছাত্রীদের জন্য মহিলা ডাক্তারের ব্যবস্থা থাকলেও ডাক্তারদের অনুপস্থিতিতে কখনও ছাত্রীদের যেতে হচ্ছে পুরুষ ডাক্তারের কাছে, আবার কখনো ছাত্রদের যেতে হচ্ছে মহিলা ডাক্তারের কাছে। তাই অনেক ছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল সেন্টারে যেতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না। নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২য় বর্ষের এক শিক্ষার্থী বাংলানিউজকে বলেন, ‘কিছুদিন আগে আমি কোমরের ব্যথার চিকিৎসার জন্য মেডিক্যালে যাই। তখন মহিলা ডাক্তার ছিলো না। দেড় ঘণ্টা অপেক্ষা করি। একপর্যায়ে মেডিক্যালের একজন কর্মচারীকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, ম্যাডাম খেতে গেছেন, আসতে দেরি হবে। অথচ তখন ছিল ডাক্তারের ডিউটির সময়। ওই শিক্ষার্থী বলেন, আমার ইমার্জেন্সি চিকিৎসার প্রয়োজন ছিলো। তাই শেষ পর্যন্ত পুরুষ ডাক্তারের কাছে যাই। তিনি যে প্রেসক্রিপশন দিয়েছেন, তাতে লেখা নাপা এবং পেট ব্যথার ওষুধ। পরে জানতে পারি, বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল সেন্টারে অধিকাংশ শিক্ষার্থীকে ওষুধ হিসেবে নাপা দেওয়া হয়। তাছাড়া বেলা ১২টার পর মেডিক্যালে গেলে ডাক্তার থাকে না প্রায় সময়। অথচ ১২টার পর অনেকের ক্লাস শেষ হয়। তাই সবাই ঐ সময় মেডিক্যাল সেন্টারে যায়। লোকপ্রশাসন বিভাগের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী তানবীরুল ইসলাম বাংলানিউজকে বলেন, অনেকবার বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যালে চিকিৎসা নিতে গিয়েছিলাম। অন্য ওষুধের প্রেসক্রিপশন দিলেও মেডিক্যাল থেকে শুধু নাপা-প্যারাসিটামল দেওয়া হয়। এ খাতে এত বরাদ্দের পরও উন্নতমানের চিকিৎসা তো দূরের কথা প্রাথমিক ট্রিটমেন্টও যথাযথভাবে পাওয়া যায় না। মেডিক্যাল সেন্টারের ভারপ্রাপ্ত চিফ মেডিক্যাল অফিসার ডা. মোহাম্মদ আবু তৈয়ব বলেন, আমরা সাধ্যমতো চিকিৎসা দিয়ে থাকি। যার যে ওষুধ প্রয়োজন, সেটাই দেওয়া হয়। সব ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল থেকে সরবরাহ করা সম্ভব না। তবে কমবেশি সকল প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ করা হয়। ডা. আবু তৈয়ব বলেন, আমাদের ৪ জন চিকিৎসক নিয়মিত দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত ডিউটিতে থাকেন। শিক্ষার্থীরা এখনো তরুণ, তাই অনেক সময় আমরা তাদের শারীরিক অবস্থার কথা চিন্তা করে অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ কম দেই। তবে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যদি ওষুধের জন্য বরাদ্দ বাড়ানো হয়, তাহলে সব ধরনের ওষুধ সরবরাহ করা যাবে। নিউজ একাত্তর/বিল্পব
কোর্ট হিল নিয়ে কাজ করছে সরকারের বিভিন্ন দফতর: ড. আহমদ কায়কাউস
২৫সেপ্টেম্বর ২০২১, নিজেস্ব সংবাদদাতা , চট্টগ্রাম, নিউজ একাত্তর : প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস বলেছেন, কোর্ট হিল নিয়ে সরকারের বিভিন্ন দফতর কাজ করছে। সরকার পুরো বিষয়টি দেখছে। আমাকে এ বিষয়ে কোনও দায়িত্ব দেওয়া হয়নি। তাই এ বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারবো না। সবার মঙ্গলের জন্য যা করা প্রয়োজন তা-ই করা হবে। শনিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে দশটার দিকে নগরের পরীর পাহাড় পরিদর্শন শেষে বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় এবং জেলা প্রশাসকের কার্যালয় পরিদর্শন করেন তিনি। মতবিনিময় করেন চট্টগ্রামে কর্মরত বিসিএস (প্রশাসন) কর্মকর্তাদের সঙ্গে। এরপর বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। ড. আহমদ কায়কাউস বলেন, আইনজীবীরা মঙ্গল গ্রহ থেকে আসে নাই। সবাই চট্টগ্রামের। আমিও চট্টগ্রামের ছেলে। চট্টগ্রামের মানুষের মঙ্গল হয়, যেটার দ্বারা উপকার হয় সেটিই করবে সরকার। তিনি আরও বলেন, একসময় কোর্ট বিল্ডিংয়ের একপাশ দিয়ে উঠে আরেকপাশ দিয়ে বের হতাম। এখন কি সেটা সম্ভব? চট্টগ্রামের মানুষের জন্য যেটা ভালো হয় সেটাই করা হবে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার তিনদিনের সফরে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম আসেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব। প্রথমদিন মিরসরাইয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শিল্প নগরসহ বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। পরদিন শুক্রবার বন্দরের বে-টার্মিনাল পরিদর্শন, কাট্টলীর মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিসৌধ ও জাদুঘরের জন্য প্রস্তাবিত ভূমি এবং মুসলিম ইনস্টিটিউট সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্সের নির্মাণকাজ পরিদর্শন করেন ড. আহমদ কায়কাউস। নিউজ একাত্তর/ভুঁইয়া
প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব চট্টগ্রামে, যাবেন পরীর পাহাড়েও
২৩সেপ্টেম্বর ২০২১, নিজেস্ব সংবাদদাতা , চট্টগ্রাম, নিউজ একাত্তর : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মুখ্য সচিব ড. আহমেদ কায়কাউস তিনদিনের সফরে বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) চট্টগ্রাম এসেছেন। তিনি নগরীর চান্দগাঁও এলাকাধীন বন্দর মৌজায় বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়সহ সমন্বিত সরকারি অফিস ভবনের জন্য প্রস্তাবিত ভূমি পরিদর্শন করবেন। এছাড়া পরীর পাহাড়ে থাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়সহ নগর ও উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিদর্শন করবেন। সফরসূচির অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শিল্পনগর পরিদর্শন করেন তিনি। এরপর সীতাকুণ্ড উপজেলায় যান। বিকাল তিনটায় হাদী ফকিরহাটে যাত্রাবিরতি করবেন। এরপর সাড়ে চারটায় সীতাকুণ্ডের গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকতে প্রস্তাবিত পর্যটন এলাকা পরিদর্শন করবেন। তিনি সন্ধ্যা ৬টায় চট্টগ্রাম নগরীতে পৌঁছবেন এবং রাতযাপন করবেন। সফরের দ্বিতীয় দিন শুক্রবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে আটটায় মুখ্য সচিব চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের বে-টার্মিনাল পরিদর্শন করবেন। তিনি বেলা ১১টায় উত্তর ও দক্ষিণ কাট্টলি মৌজায় মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিসৌধ ও জাদুঘরের জন্য প্রস্তাবিত স্থান পরিদর্শন করবেন। বেলা ১২টায় চট্টগ্রাম মুসলিম ইনস্টিটিউট সাংস্কৃতিক কমপ্লেক্সের নির্মাণকাজ পরিদর্শন করবেন। তৃতীয় দিন শনিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় মুখ্য সচিব চান্দগাঁও এলাকাধীন বন্দর মৌজায় বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়সহ সমন্বিত সরকারি অফিস ভবনের জন্য প্রস্তাবিত এলাকা পরিদর্শন করবেন। এরপর তিনি বেলা ১১টায় বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়, বেলা ১২টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় এবং বেলা সাড়ে ১২টায় চট্টগ্রাম জেলায় কর্মরত বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন। রোববার মুখ্য সচিব ড. আহমেদ কায়কাউস চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশে যাত্রা করবেন। এসময় তিনি পটিয়া উপজেলায় যাত্রাবিরতি করবেন। নিউজ একাত্তর/বিল্পব
চট্টগ্রামে প্রথম স্মার্ট হাব কনসেপ্টের যাত্রা শুরু করলো সিপিডিএল
২২সেপ্টেম্বর ২০২১, নিজেস্ব সংবাদদাতা , চট্টগ্রাম, নিউজ একাত্তর : ইনোভেটিভ আইডিয়ার পথিকৃৎ সিপিডিএল বন্দরনগরী চট্টগ্রামে প্রথমবারের মতো নির্মাণ করেছে সুসজ্জিত- স্মার্ট হাব। গতানুগতিক ধারায় বাইরে চট্টগ্রাম তথা দেশের আবাসন শিল্পে সম্পূর্ণ নতুন ও ভিন্ন মাত্রার প্রকল্প গড়ার প্রত্যয় নিয়ে নির্মিত এই স্মার্টহাব। নগরীর জাকির হোসেন রোডের খুলশী এলাকায় রহিমস প্লাজা ডিসিপিডিএল ভবনে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধনের মাধ্যমে স্মার্ট হাব এর যাত্রালগ্নের সূচনা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আব্দুল মালেক হাউজিং সোসাইটির সভাপতি রইচ আহমদসহ অন্যান্য কর্মকর্তা, ডিসেন্স আর্কিটেক্ট এর ম্যানেজিং পার্টনার তামজিদুল ইসলাম এবং সিপিডিএল পরিবারের কর্মকর্তারা। আকর্ষণীয় লোকেশনে নির্মিত রহিমস প্লাজা ডিসিপিডিএল এর ১৬তলা ভবনের ৬ষ্ঠ তলার পুরো ফ্লোরজুড়ে গড়ে উঠছে স্মার্ট হাব। ব্যক্তি পর্যায়ের উদ্যোক্তা, স্থানীয় ও মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিসমূহের লিয়াজোঁ অফিস, বিনিয়োগকারী ও আগ্রহী ব্যবসায়ীদের কথা মাথায় রেখে এই স্মার্ট অফিস তৈরি করা হয়েছে। এতে অফিসের প্রয়োজনীয় সব সুবিধা মিলবে হাত বাড়ালেই। স্মার্ট হাব সম্পর্কে সিপিডিএল কর্তৃপক্ষ জানায়, একটি অফিস সাধারণত বেসিক সিটিং স্পেস এর পাশাপাশি রিসিপশন, কনফারেন্স, ওয়েটিং লাউঞ্জ ইত্যাদি নানা ধরনের অবস্থিতির সমন্বয়ে গড়ে ওঠে। যার পুরোটা সবসময়ই হয়তো ব্যবহার হয় না। উদাহরণস্বরূপ, অফিসের একটা বড় অংশ কনফারেন্স বা মিটিং রুমগুলো দখল করে রাখলেও সবসময় মিটিং হয় না। স্থানসমূহের ব্যবস্থাপনায় প্রত্যেকটির জন্য আলাদা করে লোকবলও নিয়োগ দিতে হয়। এতে ব্যবসায় খরচ অনেক বেড়ে যায়। কিন্তু একটি স্মার্ট হাব এর মূল অংশটি শুধুমাত্র কর্মকর্তাদের বসার স্থান নিয়ে গড়ে ওঠে। উল্লেখিত আনুষঙ্গিক স্থানসমূহ অংশীদার ভিত্তিতে সময় ও প্রয়োজন সাপেক্ষে ব্যবহৃত হয়। ফলে যতটুকু প্রয়োজন ততটুকু স্পেস নিয়েই গড়ে ওঠে অফিসটি। পরিচালন ব্যয় সকলের মাঝে আনুপাতিক হারে বন্টিত হওয়ার ফলে ব্যয় হ্রাস ঘটে। স্মার্ট হাব এ একইভাবে ১০টি আলাদা অফিস এর কনফারেন্স রুম, ডিলিং রুম, রিসিপশন থাকছে সমন্বিত। এতে প্রত্যেকটি অফিসের পরিচালন ব্যয় অনেকাংশে কমে আসবে। নিউজ একাত্তর/বিল্পব
জেলা পরিষদ থেকে ৫০ পরিবার পাচ্ছে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর
২১সেপ্টেম্বর ২০২১, নিজেস্ব সংবাদদাতা , চট্টগ্রাম, নিউজ একাত্তর : মুজিব শতবর্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে জেলার ৫০টি গৃহহীন পরিবারকে ঘর নির্মাণ করে দিচ্ছে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ। মূলত চট্টগ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা যাদের জমি আছে ঘর নেই তাদেরকেই এসব ঘর দেয়া হচ্ছে। জেলার ১৫টি উপজেলা ও মহানগরে মোট ৫০টি ঘর নির্মাণকাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। প্রতিটি ঘরের জন্য একটি করে নলকূপসহ নির্মাণ ব্যয় হচ্ছে ৫ লাখ ৬৮ হাজার ৮৪৮ টাকা। জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এম এ সালাম বলেন, মুজিব শতবর্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসেবে এসব ঘর নির্মাণ করে দেয়া হচ্ছে। মূলত যাদের বসতভিটা আছে কিন্তু ঘর নির্মাণের সামর্থ নেই তাদেরকেই বাছাই করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রতিদ্বদ্বীও আছে। তবে ঘরের নির্ধারিত কোন ডিজাইন জেলা পরিষদ থেকে করা হয়নি। যার জায়গায় যেরকম আকার নির্ধারিত বাজেটের মধ্যে ওই জায়গার উপর ডিজাইন করা হয়েছে। তাই একেকটি ঘরের ডিজাইন একেক রকম। তবে ঘরগুলো দৃষ্টিনন্দন হয়েছে। চট্টগ্রাম যেহেতু প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ এলাকা, ডিজাইনের সময় বিষয়টি মাথায় রাখা হয়েছে। জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাব্বির ইকবাল বলেন, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে যেসব ঘর উপহার হিসেবে দেয়া হচ্ছে তা অত্যন্ত মজবুত করেই নির্মাণ করা হচ্ছে। পিলার, বিম সবগুলো আরসিসি করা হয়েছে। ভবিষ্যতে কারো যদি সামর্থ হয় তারা চাইলে ঘরটি দোতলা করতে পারবেন। কারণ ঘরের বেইজমেন্ট মজবুত করে দেয়া হয়েছে। তিনি জানান, ঘরগুলো নির্মাণের ক্ষেত্রে উপহার হিসেবে যাকে ঘর দেয়া হচ্ছে তার চাহিদাকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। হয়তো কারো নলক পের প্রয়োজন নেই, তাকে ওই টাকা দিয়ে ঘরের ফলস সিলিং করে দেয়া হচ্ছে। একেকটি ঘরে বাথরুম এবং রান্নাঘর ছাড়াও বেড রুম, ড্রয়িং রুম এবং ডাইনিং রুম আছে। তবে বাসিন্দারা এসব রুমকে বেড রুম হিসেবে অর্থাৎ নিজের সুবিধামত ব্যবহার করতে পারবেন। সামনে ছোট একটি বারান্দাও আছে। নিউজ একাত্তর/বিল্পব

নিউজ চট্টগ্রাম পাতার আরো খবর