শুক্রবার, ফেব্রুয়ারী ২৬, ২০২১
রমজানের জন্য ভোগ্যপণ্যের পর্যাপ্ত মজুত আছে: বাণিজ্যমন্ত্রী
১৮,ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রমজান মাসের চাহিদা সামাল দিতে ব্যবসায়ী ও টিসিবির কাছে ভোজ্যতেল, চিনি, গুড়, খেজুর, পিয়াজসহ সব ধরনের পণ্যের পর্যাপ্ত মজুত আছে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। তিনি বলেন, ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা আশ্বাস দিয়েছেন, রমজানে ভোগ্যপণ্যের দাম যৌক্তিক পর্যায়ে রাখবেন। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামে বাংলাদেশ চা বোর্ডের প্রধান কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি গ্যালারি ও বঙ্গবন্ধু কর্নার উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ভোগ্যপণ্যের দর নির্ধারণে মন্ত্রণালয়ে একটি কমিটি আছে। যেখানে ব্যবসায়ীরাও আছেন। এ কমিটি বসে মূল্য নির্ধারণ করে থাকে। সমস্ত ডাটা নিয়ে বিস্তৃত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে এটা করা হয়। আন্তর্জাতিক বাজারে গত ৬ মাসে তেলের দাম ৬৭ শতাংশ বেড়েছে জানিয়ে টিপু মুনশি বলেন, যেটা ৭০০ ডলার ছিল, সেটা এখন বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ১১০০ ডলার। সেই দামসহ সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে তেলের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। যেহেতু, দেশে প্রয়োজনের ৯০ ভাগ তেল আমদানি করতে হয়, তাই আন্তর্জাতিক বাজারের ওপর নির্ভর করতে হয়। আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে দেশে খুচরা পর্যায়ে ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ করা হলেও সাধারণ মানুষের জন্য টিসিবির মাধ্যমে ভর্তুকি মূল্যে তেল বিক্রি অব্যাহত থাকবে বলেও জানান বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, এখন মানুষের কষ্ট হচ্ছে। তারপরেও আমরা টিসিবির মাধ্যমে ভর্তুকি দিয়ে সাধারণ মানুষকে তেল দেয়ার চেষ্টা করেছি। আগামীতেও আমরা এটি করব। খুচরা বাজারে চালের দাম প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, আমদানির চাল দেশে আসা শুরু হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারেও চালের দাম কিছুটা বাড়তি। আমাদের বোরো ধান উঠে গেলে আর সমস্যা হবে না। আশা করি আর দাম বাড়বে না।
শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে দুইদিনব্যাপী উই কালারফুল ফেস্ট
১৮,ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশীয় নারীদের উদ্যোক্তা সংগঠন উইমেন এন্ড ই-কমার্স ফোরাম (উই) এর প্রতিবছরের নিয়মিত আয়োজন- উই কালারফুল ফেস্ট- ২০২১ এবার পূর্বাচল ক্লাবে অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৯ ও ২০ ফেব্রুয়ারি। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বনানীর একটি হোটেলে এ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান উই এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রেসিডেন্ট নাসিমা আক্তার নিশা। তিনি বলেন, এবারের উই কালারফুল ফেস্টের উদ্বোধন করতে সদয় সম্মতি দিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন এমপি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক এমপি। নিশা বলেন, এ ছাড়া সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ এমপি এবং পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী দুটি পৃথক সেশনে উপস্থিত থাকবেন। আয়োজকরা জানান, অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে থাকবেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত বিক্রম কে দৌরাইস্বামী। বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন উইয়ের উপদেষ্টা, সিল্কক গ্লোবাল লিমিটেডের প্রেসিডেন্ট ও সিইও সৌম্য বসু, উইয়ের উপদেষ্টা কবির সাকিব, ই-ক্যাব প্রেসিডেন্ট শমী কায়সার। উইয়ের ২ দিনব্যাপী আয়োজনে বেশ কয়েকটি প্যানেল ডিসকাশন অনুষ্ঠিত হবে। যাতে বিভিন্ন গুণিজন তাদের মতামত শেয়ার করবেন। এছাড়াও পূর্বাচল ক্লাবে উইয়ের উদ্যোক্তাদের মধ্যে অনেকের স্টল থাকবে। যাতে দর্শনার্থীরা দেশীয় পণ্য সম্পর্কে সরাসরি আলোচনা করতে পারেন।
বাংলাদেশকে ৩৪০ কোটি টাকা ঋণ অনুমোদন বিশ্বব্যাংকের
৮,ফেব্রুয়ারী,সোমবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশকে ৩৪০ কোটি টাকা ঋণ অনুমোদন দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। ইলেকট্রনিক গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্টের (ই-জিপি) সক্ষমতা ও পরিসর বাড়াতে এই অর্থ ব্যয় করা হবে। রোববার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিস থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। শনিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিশ্বব্যাংকের সদর দফতর থেকে এই ঋণ অনুমোদন দিয়েছে। বিশ্বব্যাংক জানিয়েছে, এই ঋণ সরকারি কেনাকাটায় ই-জিপির ব্যবহার প্রসারিত করতে সহযোগিতা করবে। বলছে, ডিজিটালাইজিং ইমপ্লিমেন্টেশন মনিটরিং অ্যান্ড পাবলিক প্রকিউরমেন্ট প্রকল্পের আওতায় এ ঋণ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ও ভুটানে নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর মার্সি টেম্বন বলেন, করোনা মহামারির সময় পুরো দেশের উন্নয়নকাজ চলমান রাখতে ই-জিপি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এ ঋণ সহায়তা ই-জিপির শতভাগ ব্যবহার নিশ্চিত করবে। সরকারি কেনাকাটায় বাংলাদেশে পদ্ধতিগত উন্নয়ন হয়েছে। একই সঙ্গে ই-জিপির উন্নয়নের মাধ্যমে কাজের গুণগতমান ঠিক রাখবে ও যথাসময়ে সম্পন্ন করার বিষয়টিও নিশ্চিত করবে।
জানুয়ারিতে রেমিটেন্স এসেছে ১৯৬ কোটি ডলার
১,ফেব্রুয়ারী,সোমবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রবাসী বাংলাদেশিরা চলতি বছরের প্রথম মাস জানুয়ারিতে ১৯৬ কোটি মার্কিন ডলার (প্রতি ডলার ৮৫ টাকা ধরে) বা ১৬ হাজার ৬শ কোটি টাকার বেশি অর্থ দেশে পাঠিয়েছেন। যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৯ দশমিক ৭৮ শতাংশ বেশি। তবে একমাস আগের তুলনায় আবার রেমিটেন্স কমেছে। গেলো বছরের ডিসেম্বর মাসে প্রবাসীরা ২০৫ কোটি ডলারের সমপরিমাণ অর্থ দেশে পাঠিয়েছেন। সেই হিসাবে বছরের প্রথম মাসে রেমিটেন্স ২শ কোটি ডলারের নিচে নেমে এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ পরিসংখ্যান থেকে এ তথ্য পাওয়া যায়। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রথম ছয়মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) ১৪ দশমিক ৯০ বিলিয়ন ডলার। ২০১৯-২০ অর্থবছরের একই সময়ের চেয়েও ৩৪ দশমিক ৯৫ শতাংশ বেশি। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, আগের কয়েক মাসের তুলনায় রেমিটেন্স কিছুটা কমেছে। তবে এতে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রবাসী বাংলাদেশিরা ২০২০ সালে ২ হাজার ১৭৪ কোটি ১৮ লাখ ডলার দেশে পাঠিয়েছেন। ফলে দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রির্জাভ প্রথমবারের মতো ৪৩ দশমিক ৩০ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে।
করপোরেট সুশাসনের জন্য আইসিএসবি অ্যাওয়ার্ড পেল প্রিমিয়ার সিমেন্ট
৩০,জানুয়ারী,শনিবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত কোম্পানি প্রিমিয়ার সিমেন্ট লিমিটেড দি ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড সেক্রেটারিজ অব বাংলাদেশ (আইসিএসবি) আয়োজিত করপোরেট গভর্ন্যান্স অ্যাওয়ার্ড-২০১৯-এ রৌপ্য পদক পেয়েছে। সম্প্রতি রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির কাছ থেকে এ পুরস্কার গ্রহণ করেন প্রিমিয়ার সিমেন্টের প্রধান আর্থিক কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম তালুকদার (এফসিএমএ)। এ সময় বাণিজ্য সচিব ড. মো. জাফর উদ্দীন ও আইসিএসবির প্রেসিডেন্ট মোজাফফর আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
বাজারে অত্যাধুনিক সুজুকি ভিটারা ব্রেজা আনল উত্তরা মোটরস
২৮,জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাজারে উইকেড এসইউভি সুজুকি ভিটারা ব্রেজা আনল দেশের স্বনামধন্য, সুপরিচিত এবং শীর্ষস্থানীয় গাড়ি বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠান উত্তরা মোটরস লিমিটেড। সম্প্রতি ভার্চুয়াল মাধ্যমে এ গাড়ির বাজারজাতের উদ্বোধন করা হয়। উত্তরা মোটরসের ডিএমডি ডুরান্ড রহমান এবং হেড অব বিজনেস প্ল্যানিং নাঈমূর রহমান নতুন এ ভিটারা ব্রেজারের আনুষ্ঠানিক বাজারজাতের উদ্বোধন ঘোষণা করেন। জানা গেছে, নতুন ভিটারা ব্রেজা আকর্ষণীয় এবং বোল্ড লুকে নতুন ফিচার আর প্রিমিয়াম ইন্টেরিয়র নিয়ে বাজারে এসেছে। স্মার্ট হাইব্রিড প্রযুক্তির ও উন্নত স্বয়ংক্রিয় ট্রান্সমিশনের সঙ্গে শক্তিশালী ১ হাজার ৫০০ সিসির সিরিজ পেট্রল ইঞ্জিন সজ্জিত ভিটারা ব্রেজায় রয়েছে গ্রাহকের জন্য অনেক আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য। অটো ফোল্ডিং ওআরভিএমস, অটোমেটিক ডুয়াল চেম্বার এলইডি প্রজেক্টর হেড ল্যাম্পস, অটোমেটিক রেইন সেনসিং ওয়াইপারস, ক্রুজ কন্ট্রোল সিস্টেম, ভয়েজ কমান্ড, স্টিয়ারিং মাউন্টেড অডিও এবং কলিং কন্ট্রোলস, পুশ স্টার্ট/স্টপ ও স্মার্ট কি, ৭ টাচ স্কিন স্মার্ট প্লে স্টুডিও, ডুয়াল এসআরএস এয়ার ব্যাগ, ব্যাক ক্যামেরা এবং পার্কিং সেন্সর, এবিএসসহ ইবিডি। সুজুকির অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে গাড়িটি সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানা যাবে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উত্তরা মোটরস জানিয়েছে, নতুন ভিটারা ব্রেজার দুটি পৃথক ভেরিয়েন্ট রয়েছে। সিঙ্গেল টোন ভেরিয়েন্ট ও ডুয়াল টোন ভেরিয়েন্ট। সিঙ্গেল টোন ভেরিয়েন্টে রয়েছে আকর্ষণীয় চারটি কালার গ্রানাইট গ্রে, প্রিমিয়াম সিলভার, পার্ল আরটিক হোয়াইট, অটাম অরেঞ্জ। আর ডুয়াল টোন ভেরিয়েন্টে রয়েছে আকর্ষণীয় তিনটি কালার কম্বিনেশন। সিজলিং রেড উইথ মিড নাইট ব্ল্যাক রুফ, টর্ক ব্লু উইথ মিড নাইট ব্ল্যাক রুফ, গ্রানাইট গ্রে উইথ অটাম অরেঞ্জ রুফ। এর মধ্যে সিঙ্গেল টোন ভেরিয়েন্টের দাম ২৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং ডুয়াল টোন ভেরিয়েন্টের দাম ২৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এছাড়া আছে গাড়ি ক্রেতাদের জন্য বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে সহজে গাড়ি লোনের সুবিধা। প্রতিটি ভিটারা ব্রেজা গাড়ির জন্য উত্তরা মোটরস দিচ্ছে তিন বছর বা ৫৫ হাজার কিলোমিটারের সুজুকি স্ট্যান্ডার্ড ওয়ারেন্টি এবং ১২টি ফ্রি সার্ভিস সেবা। উত্তরা মোটরস বিক্রয়োত্তর সেবা প্রদানে বদ্ধপরিকর। সারা বাংলাদেশে নিজস্ব ১১টি শাখা অফিস ও আটটি সার্ভিস সেন্টারের মাধ্যমে দেশব্যাপী সুজুকি গাড়ির সেবা প্রদান করে আসছে তারা। উত্তরা মোটরস আশির দশক থেকে এ পর্যন্ত ৫০ হাজারেরও বেশি সুজুকি গাড়ি বিক্রয় করেছে।
২০২০ সালে লক্ষ্য পূরণ হয়নি ভিয়েতনামের চাল রফতানির
১৬,জানুয়ারী,শনিবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নভেল করোনাভাইরাসের মহামারীর ধাক্কা লেগেছে ভিয়েতনামের চাল রফতানিতে। সংকটকালে অভ্যন্তরীণ খাদ্যশৃঙ্খল বজায় রাখা ও জনগণের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চাল রফতানি সাময়িক বন্ধ রেখেছিল ভিয়েতনাম। এর প্রভাব পড়েছে খাদ্যপণ্যটির সামগ্রিক রফতানিতে। ২০২০ সালে ভিয়েতনাম থেকে ৬১ লাখ টনের বেশি চাল রফতানি হলেও খাদ্যপণ্যটির বার্ষিক রফতানি লক্ষ্য পূরণ করতে পারেনি দেশটি। তবে গত বছর চাল রফতানি করে আয় বেড়েছে ভিয়েতনামের রফতানিকারকদের। ভিয়েতনামের রাষ্ট্রায়ত্ত জেনারেল স্ট্যাটিস্টিকস অফিসের (জিএসও) সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। খবর রয়টার্স ও বিজনেস রেকর্ডার। ভিয়েতনাম বিশ্বের পঞ্চম শীর্ষ চাল উৎপাদনকারী দেশ। খাদ্যপণ্যটি রফতানিকারদের বৈশ্বিক শীর্ষ তালিকায় দেশটি তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। ভিয়েতনামের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বিদায়ী বছরে দেশটি থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে সব মিলিয়ে ৬১ লাখ ৪৬ হাজার টন চাল রফতানি হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় ৩ দশমিক ৫ শতাংশ কম। এ সময় চাল রফতানি করে ভিয়েতনামিজ রফতানিকারকদের আয় আগের বছরের তুলনায় ৯ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে ৩০৬ কোটি ৯০ লাখ ডলারে উন্নীত হয়েছে। খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, করোনা মহামারীর মধ্যে চালের রফতানি মূল্য বাড়তি ছিল। এ কারণে গত বছর চাল রফতানির পরিমাণ কমলেও এ বাবদ ভিয়েতনামের আয় বাড়তির দিকে ছিল। মাসভিত্তিক হিসাবে গত ডিসেম্বরে ভিয়েতনাম থেকে সব মিলিয়ে ৪ লাখ ৪৩ হাজার টন চাল রফতানি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানিয়েছে জিএসও। এ সময় খাদ্যপণ্যটির রফতানি বাবদ দেশটির আয় দাঁড়িয়েছে ২৪ কোটি ডলারে। বিদায়ী বছরজুড়ে প্রায় সাড়ে ৬১ লাখ টন চাল রফতানি করলেও খাদ্যপণ্যটির বার্ষিক রফতানি লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থ হয়েছে ভিয়েতনাম। ভিয়েতনাম ফুড অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৯ সালে দেশটি থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে সব মিলিয়ে ৬৩ লাখ টন চাল রফতানি হয়েছিল। আয় হয়েছিল ২৮০ কোটি ডলার। প্রবৃদ্ধির ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে ২০২০ সালে ভিয়েতনাম থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে সব মিলিয়ে ৬৭ লাখ টন চাল রফতানির পূর্বাভাস দিয়েছিল প্রতিষ্ঠানটি। কিন্তু করোনা মহামারী এ লক্ষ্য পূরণে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত বছর লক্ষ্যের তুলনায় ৫ লাখ ৫৪ হাজার টন কম চাল রফতানি করতে পেরেছে ভিয়েতনাম। ২০২০ সালের মাঝামাঝি সময়ে প্রকাশিত মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) ফরেন এগ্রিকালচারাল সার্ভিসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, বছরজুড়ে ভিয়েতনাম থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে সব মিলিয়ে ৬৪ লাখ টন চাল রফতানির সম্ভাবনা রয়েছে। এর মধ্য দিয়ে দেশটি থেকে খাদ্যপণ্যটির রফতানি আগের বছরের তুলনায় ৪ দশমিক ৪৮ শতাংশ কমতে পারে। ২০১৯ সালে ভিয়েতনাম থেকে মোট ৬৭ লাখ টন চাল রফতানি হয়েছিল। ২০২০ সাল শেষে ইউএসডিএর এ লক্ষ্য পূরণেও ব্যর্থ হয়েছে ভিয়েতনামের চাল রফতানি খাত। চাল রফতানিতে বার্ষিক লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থতার পেছনে করোনা মহামারীকে দায়ী করছেন ভিয়েতনামের ব্যবসায়ী ও রফতানিকারকরা। তাদের ভাষ্য, গত বছরের মার্চের শেষভাগে চাল রফতানিতে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে ভিয়েতনাম সরকার। মূলত করোনাকালে জনগণের খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও অভ্যন্তরীণ খাদ্যশৃঙ্খল নির্বিঘ্ন রাখতে সাময়িক এ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। তবে মে মাসে এসে বিদ্যমান এ নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হয়। ফলে দেশটি থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে চাল রফতানি ফের শুরু হয়। তবে খাদ্যপণ্যটির রফতানিতে এ সাময়িক নিষেধাজ্ঞা না থাকলে বার্ষিক রফতানি লক্ষ্য পূরণ করা সম্ভব হতো। করোনাকালীন সংকট কাটিয়ে উঠে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রক্রিয়া আরো সহজ হতো ভিয়েতনামের চাল রফতানি খাতের।
বরিশালে আগাম ইরি-বোরো চাষে ব্যস্ত কৃষক
১৪,জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বরিশালের বিভিন্ন উপজেলায় কৃষকরা আগাম ইরি-বোরো চাষে নেমেছেন। বিশেষ করে আগৈলঝাড়া উপজেলায় চলতি ইরি-বোরো মৌসুমের শুরুতেই কনকনে শীত উপেক্ষা করে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বোরো ধানের চারা বীজ লাগাতে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষিরা। কৃষকরা জানিয়েছেন, গতবারের চেয়ে এবার দ্বিগুণ চাষি আগাম ইরি-বোরো চাষের জন্য কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছেন। অন্য বছরের ন্যায় এবারও ইরি-বোরোর পুরো মৌসুমে সার ও সেচকাজের জন্য সঠিকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হলে চলতি মৌসুমেও ধানের বাম্পার ফলনের আশা করছেন কৃষকরা। এছাড়া, অনুকূল আবহাওয়া অব্যাহত থাকলে বাম্পার ফলনের আশা করছে কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দোলন চন্দ্র রায় জানান, চলতি বোরো মৌসুমে উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে মোট প্রায় ৯ হাজার ৩শ হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো চাষ করে উৎপাদনের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০ হাজার ৪৫০ মেট্রিক টন চাল, যার মধ্যে ৪৮ হাজার ৪শ মেট্রিক টন হাইব্রিড ও ২ হাজার ৫০ মেট্রিক টন উফসী চাল। এ কৃষিবিদ আরও জানান, উপজেলায় মোট আবাদি জমির মধ্যে ৮ হাজার ৮শ হেক্টর জমিতে হাইব্রিড ধান ও ৫শ হেক্টর জমিতে উচ্চ ফলনশীল (উফসী) বোরো ধান আবাদ করা হবে। এর মধ্যে ৪৫০ হেক্টর জমিতে আগাম বোরো আবাদ করেছেন চাষিরা। কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের সূত্র মতে, চলতি রবি মৌসুমে ৯১ জন চাষিকে সরিষা, ভুট্টা, মুগ, মশুর, খেসারি, আলু ও আখের বীজ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও, সরকারের পুনর্বাসন বীজ সহায়তা, প্রণোদনা, প্রকল্প ও রাজস্ব খাতের আওতায় উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের ৪ হাজার ৩২৫টি কৃষক পরিবারকে ধানের বীজসহ বিভিন্ন ধরনের বীজ সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

অর্থনীতি পাতার আরো খবর