নিউইয়র্কে রোড শো অনুষ্ঠানে ওয়ালটনের এমডি: বাংলাদেশে বিনিয়োগ এখন পুরোপুরি নিরাপদ
২৮ জুলাই ২০২১, নিজস্ব সংবাদদাতা,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর : আস্থা, অভিভাবকত্ব ও নির্ভরযোগ্যতা একটা দেশের শিল্পোন্নয়নে এ তিন অনুষঙ্গের সবটুকুই আছে বাংলাদেশে। তাই বাংলাদেশে বিনিয়োগ এখন পুরোপুরি নিরাপদ। নিউইয়র্কে বাংলাদেশের শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ-সংক্রান্ত রোড শোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্য করেন ওয়ালটন হাইটেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোলাম মুর্শেদ। সপ্তাহব্যাপী এ রোড শোর প্রথম দিন ছিল সোমবার। আমেরিকার স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় শুরু অনুষ্ঠানটি। নিউইয়র্ক সিটির কেন্দ্রস্থল ম্যানহাটনের হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল বার্কলের বলরুমে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রবাসীদের নিয়ে প্রথম পর্বের রোড শোর প্যানেল ডিসকাশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে প্যানেলিস্ট হিসেবে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন হাইটেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোলাম মুর্শেদ। তিনি বলেন, ওয়ালটন ২০০৮ সাল থেকে ব্যবসা করে যাচ্ছে। বাংলাদেশের ইলেকট্রনিকস ম্যানুফ্যাকচারিং ইন্ডাস্ট্রি ছিল আমদানিনির্ভর। তবে ২০২১ সালে ওয়ালটন সরকারের সহযোগিতায় এখন পুরোপুরি ম্যানুফ্যাকচারিং বেইজড কোম্পানিতে পরিণত হয়েছে। এতেই প্রমাণিত হয় বাংলাদেশ এখন সম্ভাবনাময়। এখন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করা পুরোপুরি নিরাপদ। বাংলাদেশের শেয়ারবাজারের বর্তমান পরিস্থিতি, বিনিয়োগের সুযোগ-সুবিধা এবং উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের বিস্তারিত দিক তুলে ধরতে আমেরিকার চারটি শহরে সপ্তাহব্যাপী রোড শোর আয়োজন করা হয়েছে। এ আয়োজনের অন্যতম সহযোগী ওয়ালটন। বিশ্ববাজারে নিজেদের জায়গা করার লক্ষ্যে ওয়ালটন এ রোড শোকে গুরুত্ব দিচ্ছে। এ রোড শোকে কেন্দ্র করে ওয়ালটনের ১০ সদস্যের প্রতিনিধি দল এখন নিউইয়র্কে রয়েছে। নিউইয়র্কের এ রোড শোতে দ্য রাইজ অব বাংলাদেশ টাইগার: পটেনশিয়ালস ইন ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ইন বাংলাদেশ শীর্ষক কি-নোট উপস্থাপন করেন শান্তা অ্যাসেটের ভাইস চেয়ারম্যান আরিফ খান। প্রথম দিনের অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন বিএসইসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, বিএসইসির কমিশনার ড. মিজানুর রহমান, বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল নজরুল ইসলাম, বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষ এবং বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান মো. সিরাজুল ইসলাম প্রমুখ। উদ্বোধনী দিনে দ্বিতীয় সেশনে বিদেশী বিনিয়োগকারীরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানের অন্যতম স্পন্সর বাংলাদেশী ইলেকট্রনিকস জায়ান্ট ওয়ালটন। ২৮ জুলাই দ্বিতীয় রোড শো হবে ওয়াশিংটন ডিসিতে। তৃতীয়টি হবে ৩০ জুলাই লস অ্যাঞ্জেলেসে। চতুর্থ রোড শো হবে সিলিকন ভ্যালি সানফ্রান্সিসকোয়, ২ আগস্ট। নিউজ একাত্তর / ভুঁইয়া
পন্য আমদানি-রপ্তানি শুরু হয়েছে
২৫ জুলাই ২০২১,অনলাইন ডেস্ক, নিউজ একাত্তর ঃকরোনা কালিন সময়েও মুসলমান সম্প্রদায়ের বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদ-উল-আযহা উৎযাপন উপলক্ষে গত সোমবার সকাল থেকে টানা ৬ দিন হিলি স্থলবন্দরের সকল প্রকার কার্যক্রম বন্ধ থাকার পর, আজ রবিবার সকাল থেকে বন্দর দিয়ে আবারও পন্য আমদানি-রপ্তানি শুরু হয়েছে। সরকারী সকল নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনেই আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এদিকে বন্দরে ফিরে এসেছে কর্ম চাঞ্চল্য। হিলি স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সাধারন সম্পাদক মোস্তাফিজার রহমান জানিয়েছেন, গত ১৯ জুলাই সোমবার থেকে ২৪ জুলাই শনিবার পর্যন্ত টানা ৬ দিন আমদানি-রপ্তানি সহ বন্দরের সকল কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বন্দরের ব্যবসায়ীরা। নিউজ একাত্তর / ভুঁইয়া
এনএসইউ ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান হলেন আজিম উদ্দিন
০৩জুলাই,শনিবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির (এনএসইউ) বোর্ড অব ট্রাস্টিজের (বিওটি) চেয়ারম্যান হলেন বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আজিম উদ্দিন আহমেদ। সম্প্রতি বিওটির বার্ষিক সাধারণ সভায় আগামী এক বছরের জন্য তাকে চেয়ারম্যান ঘোষণা করা হয়। এর আগেও তিন মেয়াদে এনএসইউ বিওটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। দায়িত্ব গ্রহণের বিষয়ে আজিম উদ্দিন নিউজ একাত্তরকে বলেন, করোনার মতো সংকটকালেও নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় খুব সুচারুভাবে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। আমাদের শিক্ষার্থীদের প্রায় শতভাগই অনলাইন ক্লাসে অংশ নিচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক কার্যক্রম গতিশীল রাখতে শিক্ষক-কর্মকর্তারা অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। সামনের দিনগুলোয়ও একইভাবে কাজ করার বিষয়ে তারা আমাকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আমাদের সবার প্রচেষ্টায় নর্থ সাউথ আরো অনেকদূর এগিয়ে যাবে, এটাই প্রত্যাশা। আজিম উদ্দিন আহমেদ মিউচুয়াল গ্রুপ অব কোম্পানিজের চেয়ারম্যান। বেসরকারি ব্যাংক সাউথইস্ট ব্যাংক লিমিটেডের উদ্যোক্তা পরিচালক ও সাবেক চেয়ারম্যান। এর আগে বেশ কয়েকবার ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বারস অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (এফবিসিসিআই), ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই), বাংলাদেশ ইনডেন্টিং অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকারসসহ (বিএবি) বিভিন্ন বাণিজ্য সংস্থার কার্যনির্বাহী কমিটিতে বিভিন্ন মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ কনজিউমার প্রডাক্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড মার্কেটস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
এফবিসিসিআই সভাপতির সঙ্গে বাণিজ্য সংগঠনের নেতাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ
২২,জুন,মঙ্গলবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (এফবিসিসিআই) সভাপতি মো. জসিম উদ্দিনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বিভিন্ন বাণিজ্য সংগঠনের নেতারা। রাজধানীর মতিঝিলে এফবিসিসিআই আইকনে গতকাল এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের নেতাদের মধ্যে এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইন্ডিয়া বিজনেস কাউন্সিলের সভাপতি মানতাসা আহমেদ, উইমেন অন্ট্রাপ্রেনিউরস নেটওয়ার্ক ফর ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ড. নাদিয়া বিনতে আমিন, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শরীফ আনোয়ার হোসেনসহ বাংলাদেশ ডিজিটাল প্রিন্টার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জাফর আহমেদ, বিডিবিএল অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন, গ্রিন বিল্ডিং টেকনোলজি বাংলাদেশ বিজনেস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন ও মোবাইল ফোন রিচার্জ ব্যবসায়ী সমিতির নেতারা। এ সময় এফবিসিসিআইয়ের সহসভাপতি এমএ মোমেন, পরিচালক আবু নাসের প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
ভারতে ৩৫ লাখ টনের বেশি চিনি উৎপাদন
২১,জুন,সোমবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চলতি বিপণন মৌসুমে ভারতের চিনি উৎপাদন বৃদ্ধির পূর্বাভাস আগেই ছিল। তবে প্রাক্কলনের তুলনায় উৎপাদন বেশিই বেড়েছে। দেশটির খাতসংশ্লিষ্ট সংস্থা ইন্ডিয়ান সুগার মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (ইসমা) তথ্য বলছে, এ মৌসুমের প্রথম নয় মাসে (১ অক্টোবর-১৫ জুন) পণ্যটির উৎপাদন বেড়েছে ৩৫ লাখ ৫৪ হাজার টন। আখ আবাদ বৃদ্ধি পাওয়ায় পণ্যটির উৎপাদন বেড়েছে। খবর পিটিআই। ইসমার তথ্য অনুযায়ী, চলতি বিপণন মৌসুমের ১ অক্টোবর থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত ভারতে ৩ কোটি ৬ লাখ ৬৫ হাজার টন চিনি উৎপাদন হয়েছে, যেখানে আগের হিসাব বছরে একই সময়ে উৎপাদন ছিল ২ কোটি ৭১ লাখ ১১ হাজার টন। সেই হিসাবে পণ্যটির উৎপাদন বেড়েছে ১৩ শতাংশ। ভারতে এ মুহূর্তে পাঁচটি চিনিকলে মাড়াই কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এর মধ্যে উত্তর প্রদেশে এবার চিনি উৎপাদন কমেছে। ১৫ জুন পর্যন্ত রাজ্যটিতে উৎপাদন হয়েছে ১ কোটি ১০ লাখ ৬১ হাজার টন, যেখানে আগের বছরের একই সময়ে উৎপাদন ছিল ১ কোটি ২৬ লাখ ৩০ হাজার টন। অন্যদিকে মহারাষ্ট্রে চিনি উৎপাদন সবচেয়ে বেড়েছে। চলতি ২০২০-২১ বিপণন মৌসুমে রাজ্যটিতে পণ্যটি উৎপাদনের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৬২ লাখ ৮০ হাজার টনে, যেখানের আগের বছরের একই সময়ে উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ৬১ লাখ ৬৯ হাজার টন। এছাড়া কর্ণাটকেও এবার উৎপাদন বেড়েছে। রাজ্যটিতে ওই সময় পর্যন্ত ৪১ লাখ ৬৭ হাজার টন চিনি উৎপাদন হয়েছে, আগের মৌসুমের একই সময়ে যেখানে উৎপাদনের পরিমাণ ছিল ৩৩ লাখ ৮০ হাজার টন। উৎপাদনের পাশাপাশি এখন পর্যন্ত দেশটির চিনি রফতানির পরিমাণও বেড়েছে। ইসমার তথ্য বলছে, ১৫ জুন পর্যন্ত দেশটি ৫৮ লাখ টন চিনির ক্রয়াদেশ পেয়েছে তারা, যেখানে সরকার নির্ধারিত রফতানি কোটা ৬০ লাখ টন। এর মধ্যে ৪৫ লাখ ৭৪ হাজার টন চিনির চালান এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট দেশে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া এ মাসের মধ্যে আরো পাঁচ-ছয় লাখ টন চিনির চালান সংশ্লিষ্ট দেশের জন্য ছাড় করা হবে। এ হিসাবে এ মৌসুমে পণ্যটির রফতানির পরিমাণ আরো কয়েক গুণ বাড়বে। এদিকে উৎপাদন ও রফতানি বৃদ্ধির পাশাপাশি ভারতের স্থানীয় বাজারেও চিনির চাহিদা এবার বেড়েছে। ইসমা মনে করছে, আগামী সেপ্টেম্বরে শেষ হওয়া ২০২০-২১ বিপণন মৌসুমে অভ্যন্তরীণ বাজারে অতিরিক্ত ৮-১০ লাখ টন চিনি বিক্রি হবে। আর মৌসুম শেষে রফতানির পরিমাণ দাঁড়াতে পারে ৭০ লাখ টনে, যা দেশটির চিনিকলগুলোর জন্য স্বস্তির কারণ। ফলে মৌসুম শেষে চিনির মজুদেও ভারসাম্য আসবে। গত মৌসুমের তুলনায় সেপ্টেম্বর শেষে এর পরিমাণ ২০-২৫ লাখ টন কম হবে।
খরার প্রভাব থেকে উত্তরণঃ চাল উৎপাদনে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে থাইল্যান্ড
১৯,জুন,শনিবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চাল উৎপাদনে দুই বছর ধরে ভয়াবহ খরার চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছিল থাইল্যান্ড। তবে ২০২১-২২ বিপণন মৌসুমে দেশটি প্রবৃদ্ধির ধারায় ফিরবে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) গ্লোবাল এগ্রিকালচারাল ইনফরমেশন নেটওয়ার্ক। খবর ওয়ার্ল্ডগ্রেইনডটকম। ইউএসডিএর পূর্বাভাস বলছে, অনুকূল আবহাওয়া ও যথাযথ পানি সরবরাহের কারণে থাইল্যান্ডে ধানের ফলন ভালো হচ্ছে। ফলে ২০২১-২২ অর্থবছরে দেশটির চাল উৎপাদন বেড়ে ২ কোটি ১০ লাখ টনে উন্নীত হবে। এদিকে আগামী বছর দেশটিতে পর্যটকের সংখ্যাও বাড়বে। ফলে চালের ব্যবহারেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যাবে বলে মনে করছে ইউএসডিএ। তবে ২০২১-২২ বিপণন মৌসুমে দেশটির চাল রফতানি বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হবে বলেও জানায় ইউএসডিএ। থাইল্যান্ডের চাল অন্যান্য দেশের সমমূল্যের চালের তুলনায় মানসম্মত নয়। দেশটির জাহাজীকরণ কনটেইনারের সংকট রয়েছে। এছাড়া পরিবহন ব্যয়ও বেশি। মূলত এসব কারণেই চাল রফতানিতে প্রবৃদ্ধি না আসার আশঙ্কা রয়েছে। চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে দেশটি ১১ লাখ ৩০ হাজার টন চাল রফতানি করেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৩ শতাংশ কম। এদিকে ২০২১-২২ বিপণন মৌসুমে থাইল্যান্ডের ভুট্টা উৎপাদন অপরিবর্তিত থাকবে। এ সময় দেশটি ৫৫ লাখ টন ভুট্টা উৎপাদন করতে সক্ষম হবে। সেচের পানি সরবরাহ ভাল থাকায় কৃষিপণ্যটির গুণগত মানও বজায় থাকবে। ফলে বাজারে ভাল দামও পাবে দেশটির ভুট্টা। উৎপাদন ভাল হওয়ায় ২০২০-২১ বিপণন মৌসুমে থাইল্যান্ডের ভুট্টা আমদানি কমেছে। ইউএসডিএর প্রাক্কলন অনুযায়ী, দেশটির ভুট্টা আমদানি আগের মৌসুমের তুলনায় ৭ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। অন্যদিকে গমজাত খাদ্যের চাহিদা কমে যাওয়ায় দেশটি ২০২০-২১ মৌসুমে গম আমদানিও কমিয়ে দিয়েছে। আমদানির পরিমাণ ১০ শতাংশ কমে ২৪ লাখ টনে নেমেছে।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগরে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনে বেজার সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর
৩১,মে,সোমবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগরে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) ও বাংলাদেশ রপ্তানী প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেপজা) মধ্যে ডেভেপলমেন্ট চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। গতকাল রাজধানীর একটি হোটেলে এ চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস। বিশেষ অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া এবং বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. নজরুল ইসলাম। এতে সভাপতিত্ব করেন বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী। বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী ও বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. নজরুল ইসলাম এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। সভায় অন্যদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, বেজা ও বেপজার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সরকারের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তা ও বিনিয়োগকারীরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে বেজা গভর্নিং বোর্ডের চতুর্থ সভায় মীরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে বেপজাকে জমি বরাদ্দের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৭ সালের ১৮ মে বেপজা ও বেজার মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। ১ হাজার ১৫০ একর আয়তনসমৃদ্ধ বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল বঙ্গবন্ধু শিল্পনগরের মিরসরাইয়ে অবস্থিত। এখানে বিনিয়োগকারীদের শিল্প-কারখানা স্থাপনের জন্য বাঁধ, রাস্তা, পানির লাইন, বিদ্যুৎ লাইনসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো স্থাপনকাজ প্রায় সমাপ্ত। এছাড়া জোন সার্ভিসেস কমপ্লেক্স, অফিসার্স ও স্টাফ ডরমিটরি, ইনভেস্টরস রেসিডেন্স, আনসার ও সিকিউরিটি ব্যারাক, সিকিউরিটি ও কাস্টমস ভবন, মেইন গেট ও কাস্টমস গেট প্রভৃতি নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে।
ভারতীয় চায়ের দাম ৪৮ শতাংশ বেড়েছে
২৫,মে,মঙ্গলবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নিলামে বেড়েছে ভারতীয় চায়ের দাম। এপ্রিলে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় পণ্যটির নিলাম মূল্য বেড়েছে ৪৭ দশমিক ৪৭ শতাংশ। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত চায়ের দাম প্রতি কেজিতে ৫২ দশমিক ৫০ রুপি বেড়ে ১৬৩ দশমিক ১০ রুপিতে পৌঁছে। গত বছরের এ সময়ে চায়ের সর্বোচ্চ দাম ছিল প্রতি কেজি ১১০ দশমিক ৬০ রুপি। দেশটির চা বোর্ড কর্তৃক প্রকাশিত তথ্যে এমনটা জানা যায়। খবর দ্য হিন্দু বিজনেস লাইন। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বিশ্বব্যাপী ধারণা তৈরি হয়েছে, চা সাধারণ রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে, যা চা বিক্রি বৃদ্ধিতে অনেকটা প্রভাব রেখেছে। একই সঙ্গে হলুদ, আদা, অশ্বগন্ধা, তুলসী ও অন্যান্য হারবাল দ্রব্যের সঙ্গে চা মিশিয়ে পান করলে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ে। এমন বিশ্বাস পণ্যটির ব্যবসায়িক মূল্য আরো বাড়িয়ে তুলেছে। দক্ষিণ ভারতীয় নিলামে প্রতি কেজিতে ৪৩ দশমিক ৯৫ শতাংশ বেড়ে চায়ের দাম ৪২ দশমিক ৬১ রুপিতে পৌঁছেছে। গত বছর জানুয়ারি থেকে এপ্রিলের মধ্যে চায়ের দাম প্রতি কেজিতে ৯৬ দশমিক ৯৬ থেকে বেড়ে ১৩৯ দশমিক ৫৭ রুপি পর্যন্ত পৌঁছে। এছাড়া গত বছর কভিডের কারণে কিছু নিলাম অনুষ্ঠিত হতে পারেনি। ফলে তা সার্বিক দামের ওপর প্রভাব রেখেছিল। উত্তর ভারতীয় নিলামে প্রতি কেজি চায়ের দাম ৫১ দশমিক ৪২ শতাংশ বেড়ে ৫৯ দশমিক শূন্য ৩ রুপিতে উন্নীত হয়েছে। গত বছর জানুয়ারি থেকে এপ্রিলের মধ্যে এ অঞ্চলে চায়ের দাম প্রতি কেজিতে ১১৪ দশমিক ৭৯ থেকে বেড়ে গড় দাম ১৭৩ দশমিক ৮২ রুপি পর্যন্ত দাঁড়িয়েছিল।
এশিয়ার বাজারে স্বর্ণের দাম বেড়েছে
২২,মে,শনিবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মার্কিন মূল্যস্ফীতির চাপে এশিয়ার বাজারে বৃদ্ধি পেয়েছে স্বর্ণের দাম। বৃহস্পতিবার মূল্যবান ধাতুটির দাম বেড়ে যায়। যুক্তরাষ্ট্রের ফেড়ারেল রিজার্ভ ব্যাংকের নীতিনির্ধারকরা তাদের ভবিষ্যৎ নীতি প্রণয়নের ইঙ্গিত দেয়ার পরই ডলারের দরপতন দেখা দেয়। পাশাপাশি দেশটির ট্রেজারি বন্ডের দাম বাড়তে শুরু করে। এতে স্বর্ণের মূল্যবৃদ্ধি থমকে ছিল। তবে আবারো ধাতুটির বাজারদর বাড়ছে। খবর রয়টার্স ও বিজনেস রেকর্ডার। এশিয়ার স্পট মার্কেটে স্বর্ণের মূল্য দশমিক ২ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি আউন্সের দাম ১ হাজার ৮৭৩ ডলারে উন্নীত হয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে স্বর্ণের ভবিষ্যৎ সরবরাহ মূল্য দশমিক ৩ শতাংশ হ্রাস পেয়ে আউন্সপ্রতি ১ হাজার ৮৭৫ দশমিক ২০ ডলারে নেমে গেছে। ইডিঅ্যান্ডএফ ম্যান ক্যাপিটাল মার্কেট বিশ্লেষক এডওয়ার্ড মেইর বলেন, মূল্যস্ফীতির শক্ত অবস্থানের কারণেই মূলত থমকে থাকা স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। ভবিষ্যতেও মূল্যবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর আগে বুধবার স্বর্ণের দাম ১ শতাংশের বেশি বেড়ে যায়, যা চলতি বছরের জানুয়ারি পর সর্বোচ্চ।

অর্থনীতি পাতার আরো খবর