বঙ্গবন্ধু টি২০ কাপের টাইটেল স্পন্সর ওয়ালটন
২৪নভেম্বর,মঙ্গলবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বঙ্গবন্ধু টি২০ কাপ দিয়ে ফিরছে ঘরোয়া ক্রিকেট। প্রথমবারের মতো আয়োজিত এ টুর্নামেন্টের টাইটেল স্পন্সর হলো ক্রীড়াবান্ধব প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন। টুর্নামেন্টের অফিশিয়াল নাম বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপ স্পন্সরড বাই ওয়ালটন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনে স্থানীয় ক্রিকেটারদের নিয়ে প্রথমবার আয়োজিত হচ্ছে হাই ভোল্টেজ বঙ্গবন্ধু টি২০ কাপ। স্পন্সরশিপ বিষয়ে গত রোববার কে-স্পোর্টস এবং ওয়ালটনের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। ওয়ালটন গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক উদয় হাকিম এবং কে-স্পোর্টসের পরিচালক আশফাক আহমেদ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটনের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর ফিরোজ আলম এবং ফার্স্ট সিনিয়র অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর মিলটন আহমেদ। উদয় হাকিম বলেন, মুজিব বর্ষ উপলক্ষে দারুণ এক টুর্নামেন্ট আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। বর্ণাঢ্য এ আয়োজনের সঙ্গে থাকতে পেরে ওয়ালটন গ্রুপ গর্বিত। আশা করছি, দেশের কোটি কোটি দর্শক, ক্রিকেটানুরাগী, খেলোয়াড় এবং ক্রিকেটসংশ্লিষ্ট সবাই এ আয়োজনের মাধ্যমে উজ্জীবিত হবেন। উল্লেখ্য, ঘরোয়া ক্রিকেটের সবচেয়ে জৌলুসপূর্ণ ও মর্যাদার আসর ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ এবং বড় দৈর্ঘ্যের ক্রিকেটে দেশের প্রধানতম টুর্নামেন্ট জাতীয় ক্রিকেট লিগের নয় আসরের স্পন্সর ওয়ালটন। পাশাপাশি প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেট টুর্নামেন্ট বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগের (বিসিএল) একটি ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকও কোম্পানিটি। এরই মধ্যে তারা প্রতিযোগিতার প্রথম ও চতুর্থ আসরে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে।- বিজ্ঞপ্তি
শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক নির্বাহী কমিটির ৭৯৮তম সভা
২১নভেম্বর,শনিবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংকের নির্বাহী কমিটির ৭৯৮তম সভা সম্প্রতি ব্যাংকের করপোরেট প্রধান কার্যালয়ের পর্ষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান ড. আনোয়ার হোসেন খান। সভায় অন্যদের মধ্যে পরিচালক ও কমিটির সদস্য মহিউদ্দিন আহমেদ, আক্কাচ উদ্দিন মোল্লা, খন্দকার শাকিব আহমেদ, ইঞ্জিনিয়ার মো. তৌহিদুর রহমান ও মোহাম্মদ ইউনুছ, বিশেষ আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে ব্যাংকের পরিচালক পর্ষদের চেয়ারম্যান মো. সানাউল্লাহ সাহিদ ও ভাইস চেয়ারম্যান মো. আব্দুল বারেক, এমডি ও সিইও এম শহীদুল ইসলাম এবং ব্যাংকের কোম্পানি সচিব উপস্থিত ছিলেন।
রূপালী ব্যাংকে অটোমেটেড চালান সিস্টেম চালু
১৭নভেম্বর,মঙ্গলবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ সরকারের ট্রেজারি কার্যক্রমে যুক্ত হলো রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন রূপালী ব্যাংক লিমিটেড। সোমবার (১৬ নভেম্বর) আনুষ্ঠানিকভাবে স্বয়ংক্রিয় চালান পদ্ধতি চালু করে ব্যাংকটি। এর মাধ্যমে এখন থেকে সরকারের রাজস্ব ও বিভিন্ন সেবা ফি রূপালী ব্যাংকের শাখার মাধ্যমে সহজে ও ঝামেলামুক্ত উপায়ে জমা দেওয়া যাবে। দিলকুশাস্থ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের বোর্ড রুমে ট্রেজারি কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মো. ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ, অর্থ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব আবুল বাশার মো. আমির উদ্দিন এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের যুগ্ম পরিচালক এ.কে.এম মুখলেছুর রহমান। এসময় রূপালী ব্যাংকের ডিএমডি মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, খন্দকার আতাউর রহমান ও মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, জিএম অশোক কুমার সিংহ রায়, মো. শফিকুল ইসলাম, খান ইকবাল হোসেন, গোলাম মতূর্জাসহ সব জিএম, ব্যাংকের সিএফও মো. শওকত জাহান খান,এফসিএমএসহ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের যুগ্ম পরিচালক এ. কে. এম. মুখলেছুর রহমান বলেন, রূপালী ব্যাংকের ট্রেজারি কার্যক্রম চালু হওয়ার মাধ্যমে সরকার ও জনগণ উভয়েই লাভবান হবে। রূপালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মো. ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদ বলেন, ট্রেজারি ব্যবস্থাপনায় যুক্ত হয়ে রূপালী ব্যাংক আজ নতুন যুগে প্রবেশ করলো। সোনালী ও অগ্রণী ব্যাংকের পরে কার্যক্রম শুরু করলেও রূপালী ব্যাংক শীর্ষে যাবে ইনশাআল্লাহ।
কনটেইনার ইয়ার্ডের সক্ষমতা ৪ লাখে নিতে চায় কর্তৃপক্ষ
০৭নভেম্বর,শনিবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পদ্মা সেতু নির্মাণের সঙ্গে সঙ্গে দক্ষিণাঞ্চলের বাণিজ্যিক উন্নয়নের কথা চিন্তা করে মোংলা সমুদ্রবন্দর সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নের কাজ চলছে দ্রুতগতিতে। এর অংশ হিসেবে ১ লাখ (২০ ফুটের কনটেইনার) একক সক্ষমতাসম্পন্ন কনটেইনার ইয়ার্ডকে সম্প্রসারণ করে চার লাখে নিয়ে যেতে কাজ শুরু করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। তারা বলছেন, এর ফলে বন্দরে জাহাজ আসা-যাওয়ার সংখ্যা বহুগুণ বাড়বে। মোংলা বন্দরের পরিকল্পনা বিভাগ সূত্রে জানা যায়, বার্ষিক এক লাখ একক কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের সক্ষমতা রয়েছে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের। তবে প্রতি বছর সক্ষমতার অর্ধেকই অব্যবহূত থাকে। বন্দরের ব্যবহূত সক্ষমতার বিষয়টি উঠে এসেছে বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিসংখ্যানেও। সেখানে দেখা যাচ্ছে, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে ২৬ হাজার ৯৫২ একক কনটেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ৪২ হাজার ৯৮৯ একক এবং ২০১৮-১৯ অর্থবছরে এটি বৃদ্ধি পেয়ে ৫৭ হাজার ৭৩৫ এককে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। আর প্রতি বছর কনটেইনারের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায় বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধির কাজ শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ। ইতোমধ্যে সাইফ পাওয়ার পোর্ট নামের একটি প্রতিষ্ঠান পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপে এক লাখ একক ক্ষমতাসম্পন্ন কনটেইনার হ্যান্ডলিং ইয়ার্ড নির্মাণের কাজ শুরু করেছে। ২০১৯ সালে জুলাইয়ে শুরু করে প্রায় ১৫ শতাংশ কাজ হওয়ার পর করোনার থাবায় থমকে যায় নির্মাণকাজ। বর্তমানে কনটেইনার ইয়ার্ড সম্প্রসারণের কাজ পুরোদমে চলছে। ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ৩১ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। আগামী বছরের জুনে ইয়ার্ডটির নির্মাণকাজ শেষ হবে। এছাড়া বন্দরের নিজস্ব উদ্যোগে আরো দুই লাখ একক কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের জন্য ইয়ার্ড নির্মাণের কাজ শুরুর অপেক্ষায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন বন্দর কর্তৃপক্ষ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এসব কাজ শেষ হলে বন্দরের সঙ্গে সংযুক্ত শিপিং এজেন্ট, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট, স্টিভেডরিং, শ্রমিকসহ বন্দরের ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হবে। পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ কর্মসংস্থানেরও সৃষ্টি হবে, যা দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। শিপিং এজেন্ট নুরুল অ্যান্ড সন্সের স্বত্বাধিকারী এইচএম দুলাল হোসেন এ বিষয়ে বলেন, একসময় বন্দরের সক্ষমতা ছিল না। ফলে বন্দরে জাহাজ কম আসত। বন্দর ব্যবহারকারী, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট, স্টিভেডরিং, শিপিং এজেন্ট ও শ্রমিকদের অলস সময় কাটাতে হতো। বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বন্দরে কর্মচাঞ্চল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। কনটেইনার ইয়ার্ডের সক্ষমতা চার লাখ এককে পৌঁছালে আমাদের কর্মচাঞ্চল্য আরো বৃদ্ধি পাবে। সার্বিক বিষয়ে বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এম শাহজাহান বলেন, আমরা প্রতিদিনই বন্দরের উন্নয়নে কাজ করছি। বিগত বছরগুলোর থেকে এ বছর বন্দরে অনেক বেশি জাহাজ এসেছে। কনটেইনার হ্যান্ডলিংও বেশি হয়েছে। পদ্মা সেতু সম্পূর্ণ হলে মোংলা বন্দরের সঙ্গে রাজধানীসহ দেশের বেশকিছু বাণিজ্যিক অঞ্চলের সাপ্লাই চেইন মজবুত হবে। ফলে বন্দরে আরো বেশি জাহাজ আসবে। সেই দিক বিবেচনা করে আমরা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য বন্দর সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নের কাজ করছি। এর অংশ হিসেবে কনটেইনার ইয়ার্ডকে এক লাখ একক ক্ষমতাসম্পন্ন থেকে চার লাখে নিতে কাজ শুরু হয়েছে। এছাড়া বন্দরের জাহাজ আসার জন্য চ্যানেলের গভীরতা বৃদ্ধির জন্যও আমাদের কাজ চলছে।
ঋণ পরিশোধের সময় আরও বাড়ল
০২নভেম্বর,সোমবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণগ্রহীতাদের ঋণ পরিশোধের সময় আরও বাড়িয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কোনো ঋণগ্রহীতা ঋণ শোধ না করলেও খেলাপি করা যাবে না। এ সুবিধা আগে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ছিল। রোববার ( ১ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ ঋণ, লিজ, অগ্রিম শ্রেণিকরণ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে। জানা গেছে, করোনাভাইরাসের প্রভাবে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের লোকসানের কথা বিবেচনা করে প্রথম দফায় চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত এই ছাড় দেয়া হয়। পরবর্তীতে তা বাড়িয়ে সেপ্টেম্বর করা হয়। এখন আবার বাড়িয়ে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সার্কুলারে বলা হয়, বিশ্ব বাণিজ্যের পাশাপাশি বাংলাদেশের অর্থনীতিতে করোনাভাইরাসের নেতিবাচক প্রভাব বিবেচনায় ঋণ শ্রেণিকরণের বিষয়ে কিছু শিথিলতা আনা হয়েছিল। এখনও কোভিড-১৯ এর কারণে অনেকাংশে ঋণগ্রহীতার পক্ষে স্বাভাবিক ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই ব্যবসা-বাণিজ্যের ওপর কোভিড-১৯ এর নেতিবাচক প্রভাব লাঘবের লক্ষ্যে নিম্নোক্ত নির্দেশনাসমূহ অনুসরণের পরামর্শ দেয়া হল। পূর্বঘোষিত নির্দেশনা অনুযায়ী ৩০ সেপ্টেম্ব পর্যন্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকদের খেলাপি না দেখানোর কথা ছিল। তবে নতুন সার্কুলারে এই সময়সীমা আরও তিন মাস বৃদ্ধি করা হয়েছে। চলতি বছরের ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেয়া হবে এই সুবিধা। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত যত সংখ্যক কিস্তি বকেয়া থাকবে সমসংখ্যক কিস্তি বাড়িয়ে ঋণ আদায় করবে আর্থিক প্রতিষ্ঠান। তবে এই সময়ে কোন দণ্ড, সুদ বা অতিরিক্ত ফি নেয়া যাবে না বলে নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
আবারো বিকাশের চেয়ারম্যান হলেন শামেরান আবেদ
৩১অক্টোবর,শনিবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের বৃহত্তম মোবাইল আর্থিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান বিকাশের পরিচালনা পর্ষদ শামেরান আবেদকে দ্বিতীয়বারের জন্য চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করেছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের বৈঠকে তাকে আবারো এ পদে নির্বাচিত করা হয়। এর আগে ২০১৫ সালের নভেম্বরে তিনি পাঁচ বছরের জন্য প্রথমবার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। শামেরান আবেদ ব্র্যাকের সিনিয়র ডিরেক্টর এবং ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেডসহ বেশ কয়েকটি সংস্থার পরিচালনা পর্ষদের সদস্য। বিকাশ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে। পরিচালনা পর্ষদের এ বৈঠকে অ্যান্ট গ্রুপের মনোনীত পরিচালক ডগলাস ফেইগেনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ এবং তার পদে গৌমিং চেংকে স্বাগত জানানো হয়। বিকাশের পরিচালনা পর্ষদের অন্য সদস্যরা হলেন ব্র্যাক ব্যাংক মনোনীত সেলিম আরএফ হোসেন, কাজী মাহমুদ সাত্তার, ব্যারিস্টার নিহাদ কবির ও রায়ান গিলবার্ট, মানি ইন মোশন মনোনীত নিকোলাস হিউজ ও অরুণ গোর, আইএফসি মনোনীত অ্যান্ডি দেরভিশি এবং অ্যান্ট গ্রুপ মনোনীত কেনি ম্যান। বিকাশ ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেডের সাবসিডিয়ারি কোম্পানি হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক লাইসেন্সপ্রাপ্ত। ২০১০ সালে ব্র্যাক ব্যাংক এবং মানি ইন মোশন এলএলসি, ইউএসএর একটি যৌথ উদ্যোগ হিসেবে যাত্রা করে বিকাশ। ২০১৩ সালের এপ্রিলে ওয়ার্ল্ড ব্যাংক গ্রুপের সদস্য ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স করপোরেশন (আইএফসি) ইকুইটি পার্টনার হিসেবে এবং ২০১৪ সালের এপ্রিলে বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন ইনভেস্টর হিসেবে বিকাশে যোগদান করে। আর ২০১৮ সালের এপ্রিলে বিকাশে বিনিয়োগ করে চীনের আলিবাবা গ্রুপের অ্যাফিলিয়েট অ্যান্ট গ্রুপ (সাবেক অ্যান্ট ফাইন্যান্সিয়াল)।
রাত্রিযাপনে বিশেষ ছাড় দিচ্ছে Radisson Blu চট্টগ্রাম বে ভিউ
২৭,অক্টোবর,মঙ্গলবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: Radisson Blu চট্টগ্রাম বে ভিউ এর আভিজাত্যে টইটম্বুর স্যুট রুমগুলোয় দিচ্ছে বিশেষ ছাড়। এ অফারগুলো চলতি বছরের শেষ সময় পর্যন্ত অতিথিদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। Radisson Blu চট্টগ্রাম বে ভিউ প্রতিষ্ঠার পর এবারই প্রথমবার এত আকর্ষণীয় মূল্যছাড় থাকছে এর আভিজাতিক কক্ষগুলোয়। হোটেলটির এই স্যুটগুলোয় আছে রাজকীয় শয়নকক্ষ, ডাইনিং এবং ড্রয়িং রুম, ব্যক্তিগত স্টাডিরুম, সুইমিং পুল, ক্ষেত্রবিশেষে কিচেন এবং আলাদা গেস্টরুম। এ আভিজাতিক প্যাকেজগুলোয় সকালে এবং বিকালে সেট ব্রেকফাস্ট এবং হাই-টি মেনুর সুবিধাসহ আরো থাকছে জিম এবং ইনফিনিটি পুল ব্যবহারের সুবিধা। এছাড়া এ প্যাকেজগুলোয় অতিথিদের জন্য থাকছে স্পাতেও বিশেষ মূল্যছাড়ের ব্যবস্থা। ৬৯ হাজার ৬০০ টাকায় অতিথিরা থাকতে পারবেন হোটেলটির রয়্যাল স্যুটগুলোয় এবং ৮৭ হাজার টাকায় পাচ্ছেন প্রেসিডেন্সিয়াল স্যুটে থাকার সুযোগ।- বিজ্ঞপ্তি
ইভ্যালিতে পাওয়া যাচ্ছে পিএইচপির বাইক
২৫,অক্টোবর,রবিবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পিএইচপি অটোমোবাইলস উৎপাদিত বাইক এখন থেকে কেনা যাবে অনলাইন ভিত্তিক মার্কেটপ্লেস ইভ্যালিতে। একই সাথে পিএইচপি অটোমোবাইলস উৎপাদিত প্রোটন ব্র্যান্ডের গাড়িও যুক্ত হতে যাচ্ছে ইভ্যালিতে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) এ উপলক্ষ্যে চট্টগ্রামে পিএইচপি অটোমোবাইলস কার্যালয়ে উভয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এক সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ইভ্যালির চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন এবং পিএইচপি অটোমোবাইলস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ আখতার পারভেজ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন। ইভ্যালির পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই চুক্তির আওতায় দেশিয় প্রতিষ্ঠান পিএইচপি এর উৎপাদিত ১২৫ সিসির পিএচপি সুপার এবং ১৫০ সিসির পিএইচপি মারবাকা ব্র্যান্ডের মোটরবাইক ইভ্যালিতেই অর্ডার করতে পারবেন গ্রাহকেরা। এবিষয়ে ইভ্যালির প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রাসেল বলেন, পিএচপি দেশেই অটোমোবাইলস প্রস্তুত করছে। এর ফলে দেশের মানুষেরা সাশ্রয়ী মূল্য বাইক,গাড়ি কিনতে পারবেন। এমন একটি উদ্যোগের সাথে ইভ্যালিকে যুক্ত করতে পেরে আমরা আনন্দিত। তাদের ১০ হাজারের অধিক বাইক উৎপাদনের সক্ষমতা আছে। ইতোমধ্যে সাইক্লোন অফারে পিএইচপির বাইকের ওপর আকর্ষণীয় মূল্যছাড় দেওয়া হচ্ছে। আশা করছি পিএইচপিকে সাথে নিয়ে আমরা গ্রাহকদের দারুণ কিছু দিতে পারব। পিএচপি অটোমোবাইলস এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আখতার পারভেজ বলেন, পিএইচপি প্রেমীদের জন্য এটা একটা দারুণ সুযোগ এনে দিতে যাচ্ছে। ইভ্যালির মাধ্যমে পিএইচপির মোটরসাইকেল বিক্রয় ক্রেতার দ্বারগোড়ায় পৌঁছাবে বলে আমি বিশ্বাস করি। গ্রাহকেরা তাদের কাংখিত পণ্য সহজেই ইভ্যালি থেকেই পাবে। একই সাথে ইভ্যালিও পিএইচপির সাথে হওয়া এই পার্টনারশিপ উপভোগ করবে। বাইকের পাশাপাশি পিএইচপি উৎপাদিত প্রোটন ব্র্যান্ডের বিভিন্ন মডেলের গাড়িও ইভ্যালিতে পাওয়া হবে জানানো হয়েছে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে। সাগা, প্রিভি, পারসোনা এবং এক্স৭০ মডেলের গাড়িগুলো আকর্ষণীয় অফারে পাওয়া যাবে ইভ্যালিতেই। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মাঝে পরিচালক (টেকনিক্যাল) মামুনুর রশীদ, পরিচালক (মানবসম্পদ) সাবরিনা নাসরিন, হেড অব বিজনেস দেবাকর দে শুভ, পিএইচপি অটোমোবাইলস এর হেড অব মার্কেটিং মেসবাহ উদ্দিন আতিক উপস্থিত ছিলেন।
করোনার ধাক্কা সামলাতে পারছে না বাটা সু
২৪,অক্টোবর,শনিবার,অর্থনীতি ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মহামারি করোনাভাইরাসের ধাক্কায় পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত বহুজাতিক কোম্পানি বাটা সু চলতি বছরের এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে প্রথমবারের মতো লোকসানের খাতায় নাম লিখিয়েছে। সময় গড়ানোর সঙ্গে কোম্পানিটির লোকসানের পাল্লা আরও ভারী হয়েছে। কিছুতেই করোনার ধাক্কা সামলে উঠতে পারছে না বহুজাতিক এই কোম্পানিটি। আগের প্রান্তিকের ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকেও কোম্পানিটি বড় লোকসান করেছে। এতে চলতি বছরের ৯ মাসের কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৮৯ টাকার উপরে। কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ সভা শেষে প্রকাশিত আর্থিক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মাধ্যমে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়েছে। বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া মহামারি করোনাভাইরাস বাংলাদেশে প্রথম আঘাত হানে গত ৮ মার্চ। করোনার প্রকোপ ঠেকাতে ২৬ মার্চ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত টানা ৬৬ দিন সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছিল সরকার। ফলে চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিক ছিল দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য সবচেয়ে খারাপ সময়। এ সময়ে প্রায় সবধরনের প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটে। মুসলমানদের সব থেকে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতরের আগে করোনার প্রকোপে ঈদকেন্দ্রীক কেনাকাটায় ভাটা পড়ে। ফলে ঈদে ব্যবসা করা প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর সব থেকে বেশি নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। বাটা সু কর্তৃপক্ষের বক্তব্যেও সেই চিত্রই উঠে আসে। এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে বড় লোকসানে পড়ার কারণ হিসেবে বাটা সু কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, সাধারণত ব্যবসার ২৫ শতাংশ আসে ঈদকেন্দ্রীক এবং এই সময়ে উচ্চমূল্যের পণ্য বেশি বিক্রি হয়। যা উচ্চ মুনাফা দেয়। কিন্তু করোনার কারণে এ সুযোগ এবার হাতছাড়া হয়েছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এবার মাত্র ১৫ শতাংশ আয় হয়েছে। ডিএসইকে দেয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের এপ্রিল-জুন প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছিল ৫৩ টাকা ৭৪ পয়সা। ৩০ মের পর ধীরে ধীরে কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়ে আসলেও করোনার ধকল সামলে উঠতে পারেনি বাটা সু। ফলে জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৩৭ টাকা ৫৫ পয়সা। দ্বিতীয় প্রান্তিকের মতো তৃতীয় প্রান্তিকেও বড় লোকসান করায় ৯ মাসের হিসাবে কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি লোকসানে রয়েছে প্রায় ১০০ টাকা। বাংলাদেশ চামড়ার পণ্য নিয়ে দাপটের সঙ্গে ব্যবসা করা কোম্পানিটি এর আগে কখনও এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়নি। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময়ে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৮৯ টাকা ২৩ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে শেয়ার প্রতি মুনাফা হয় ২৩ টাকা ৫১ পয়সা। এ ধরনের বড় লোকসানে পড়ার কারণ হিসেবে কোম্পানিটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কোভিড-১৯ এর কারণে সীমিত বিক্রি হওয়ায় এমন লোকসান হয়েছে। লোকসানের খাতায় নাম লেখানোর পাশাপাশি কোম্পানিটির সম্পদ মূল্যেও নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য দাঁড়িয়েছে ২৭৫ টাকা ৪২ পয়সা, যা ২০১৯ সালের ডিসেম্বর শেষে ছিল ৩৬৪ টাকা ৬৫ পয়সা।