সোমবার, মে ১০, ২০২১
রান্নায় স্বাদ বাড়ায়, ডায়াবেটিসও কমায় ধনে পাতা
২৩,মার্চ,মঙ্গলবার,স্বাস্থ্য ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাজারে সবসময় পাওয়া যায় ধনেপাতা। অনেকেই তরকারির স্বাদ বাড়াতে ধনেপাতা ব্যবহার করেন। আবার ভর্তায়ও জায়গা করে নেয় এই সুগন্ধি পাতা। এতো গেল রসনাবিলাসের কথা। কিন্তু জানেন কি, খাবারে স্বাদ বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ধনেপাতার রয়েছে একগুচ্ছ ঔষধি গুণ। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ধনেপাতা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অনেক উপকারী। ফ্লোরিডা রিসার্চ ইনস্টিটিউট জানাচ্ছে, ধনেপাতা কিংবা বীজ রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। ফলে ডায়াবেটিসও নিয়ন্ত্রণে থাকে। ধনেপাতা বীজের মধ্যে থাকে ইথানল। যা ব্লাড সুগার লেভেল কমাতে সাহায্য করে। প্যানক্রিয়াসের বিটা সেল থেকে ইনসুলিন নিঃসরণের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। তাছাড়া ধনেপাতা হজম শক্তি বাড়াতেও সাহায্য করে। খাদ্যাভ্যাসের দরুণ আমাদের শরীরে রোজ তিলে তিলে জমা হতে থাকে বেশ কিছু ভারী ধাতু এবং বিষাক্ত দূষণকারী পদার্থ। এর থেকে শরীরে বহু দূরারোগ্য অসুখ যেমন ক্যান্সার, হৃদরোগ, মস্তিষ্কের বিভ্রাট, মানসিক রোগ, কিডনি ও ফুসফুসের অসুখ এবং হাড়ের দুর্বলতা তৈরি হতে পারে। ধনেপাতা রক্তপ্রবাহ থেকে এই সমস্ত ক্ষতিকর উপাদান দূর করে শরীরকে সুস্থ ও সতেজ রাখতে সাহায্য করে। ধনেপাতায় রয়েছে পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, লোহা ও ম্যাগনেশিয়ামের মতো বেশ কয়েকটি উপকারী খনিজ। এছাড়া ভিটামিন এ এবং ভিটামিন কে'র জোগান দেয় এই পাতা। শুধু তাই নয়, এই উদ্ভিদ অ্যান্টিসেপ্টিক, অ্যান্টিফাংগাল এবং যে কোনও চুলকানি ও চামড়ার জ্বলনে অব্যর্থ ওষুধ। দিল্লির এইমস-এর গবেষণাগারে রিউম্যাটিক আর্থারাইটিস রোগে আক্রান্ত ইঁদুরের পায়ে ধনেপাতার রস প্রবেশ করালে তার শরীরের জ্বলন ও ফোলা ভাব দূর হতে দেখা গিয়েছে।
সুস্থ থাকতে আঁশযুক্ত খাবার খান
২,ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,স্বাস্থ্য ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আঁশযুক্ত খাবার এমন একটি খাদ্য উপাদান যা দেহের নানা কাজ সুষ্ঠুভাবে করতে সাহায্য করে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমানে আঁশযুক্ত খাবার খেলে তুলনামুলকভাবে বেশিদিন সুস্থ ভাবে বেঁচে থাকা যায়। আর খাবারে এই উপাদানের ঘাটতি হলে শরীরে নানা ধরনের বিপত্তি ঘটে। ভুট্টা, শিম, বাঁধাকপি, জাম, ওট, ব্রকলি,আপেল, কলা, কমলা, বাদাম ইত্যাদি খাবারে প্রচুর পরিমানে আঁশ পাওয়া যায়। আঁশযুক্ত খাবার খেলে অল্পতেই পেট ভরে যায়। একারণে ঘন ঘন খাবার প্রবণতা কমে যায়। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত আঁশযুক্ত খাবার খান তাদের ওজন নিয়ন্ত্রণে এটি কার্যকর ভূমিকা রাখে। গবেষকরা বলছেন, যারা প্রতিদিন ২৬ গ্রামের বেশি আঁশযুক্ত খাবার খান তাদের ডায়বেটিস হওয়ার সম্ভাবনা অন্যদের তুলনায় কম। আরেক গবেষণায় এটা প্রমানিত হয়েছে, যারা প্রতিদিন ৭ গ্রাম আঁশযুক্ত খাবার গ্রহণ করেন তাদের হৃদরোগের ঝুঁকি অন্যদের তুলনায় কিছুটা হলেও কমে যায়। প্রতিদিন ১০ গ্রাম আঁশযুক্ত খাবার বিভিন্ন ধরনের ক্যানসারের সম্ভাবনা ১০ ভাগ কমিয়ে দেয় এবং স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি শতকরা ৫ ভাগ কমাতে সাহায্য করে। গবেষণায় এটাও দেখা গেছে, যারা আঁশসমৃদ্ধ শস্যজাতীয় খাবার গ্রহণ করেন তারা অন্যদের তুলনায় দীর্ঘায়ু হন। যেকোন ধরনের কোষ্ঠকাঠিন্য সারাতে আঁশযুক্ত খাবার দারুন কার্যকরী। এছাড়া শরীর থেকে অপ্রয়োজনীয় টক্সিন বের করতে প্রাকৃতিভাবেই কাজ করে এই জাতীয় খাবার। কিছু কিছু আঁশযুক্ত খাবার শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণ করতে সাহায্য করে। ফলে হাড় মজবুত থাকে।
ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটেছে বলেই দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে: শহীদুল হক
স্পেশাল প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নারায়ণগঞ্জে ধর্ষণের পর খুন হওয়া মেয়েটি জীবিত ফেরার পর পুলিশের তদন্ত এবং রিমান্ডপ্রক্রিয়া আরো একবার প্রশ্নের মুখে। বিরাট প্রশ্ন ক্রসফায়ার বা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড নিয়েও। এসব প্রশ্ন নিয়েই পুলিশের সাবেক আইজি শহীদুল হকের মুখোমুখি হয়েছিলেন নিউজ একাত্তর একজন স্পেশাল প্রতিনিধি। প্রশ্ন : সম্প্রতি নারায়ণগঞ্জে এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণের মামলায় তিনজন আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে বলেছে, তারাই ওই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর হত্যা করে নদীতে লাশ ভাসিয়ে দিয়েছে। কিন্তু ওই ছাত্রী জীবিত ফিরে এসেছে। পুলিশের পুরো তদন্তব্যবস্থাই প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে গেল না? শহীদুল হক : দেখুন, এখানে যে সঠিক তদন্ত হয়নি তা নিঃসন্দেহে বলা যায়। যে তিনজন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে তারা হয়তো পুলিশের ভয়েই এটা করেছে। এখন তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সত্য তথ্য বেরিয়ে আসবে। এ ক্ষেত্রে আমার অভিজ্ঞতা যা তা হলো, কোনো কোনো ক্ষেত্রে দেখা যায় বাদীপক্ষের চাপে বা বাদীপক্ষের কাছ থেকে অনৈতিক কোনো সুযোগ নিয়ে কাউকে মামলায় জড়িয়ে দেওয়া হয়। কাউকে কাউকে গ্রেপ্তারের ঘটনাও ঘটে। প্রশ্ন : ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার তদন্তে তো জজ মিয়ার ঘটনাও ঘটেছে। শহীদুল হক : সরকারের সঙ্গে আঁতাত করে, সরকারের চাপে জজ মিয়ার নাটক সাজানো হয়েছে। ওই ঘটনা পুলিশ বাহিনীর জন্য দুঃখজনক। তবে মনে রাখতে হবে, ওটা ছিল একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। ২১ আগস্ট মামলায় প্রথমদিকে যা হয়েছে, তদন্ত কর্মকর্তা ভালো হলে তাঁর ওপর সরকারের চাপ থাকলে প্রয়োজন হলে তিনি চাকরি ছেড়ে দিতে পারতেন। তা কিন্তু করেননি। দুর্নীতিপরায়ণ দুই-চারজন তদন্ত কর্মকর্তার কারণেই মাঝে মাঝে পুলিশের ওপর দোষ চাপে। নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলি, আমি চাঁদপুরের এসপি পদে থাকার সময় সেখানে একজন ওসি ছিল, মিয়া মো. শরীফ। তাকে কোনোভাবেই বাগে আনা যাচ্ছিল না। এক প্রভাবশালীর ছত্রচ্ছায়ায় একের পর এক অপকর্ম করেই যাচ্ছিল। একপর্যায়ে তাকে বদলির আদেশ দেওয়া হলো। কিন্তু সে ওই প্রভাবশালী ব্যক্তির কাছে চলে গেল। এরপর একদিন তৎকালীন আইজি মহোদয় আমাকে ফোন করে বললেন, এটা নিয়ে যেন আমি আর কথা না বলি। কিন্তু আমি থেমে থাকিনি। আমি চাপের কাছে নতি স্বীকার করিনি। প্রশ্ন : কিন্তু এ রকম একজন-দুজনের কারণে তো গোটা পুলিশ বাহিনীর ওপরই দায় চলে আসছে। শহীদুল হক : এক-দুজনের কারণে গোটা বাহিনী কলঙ্কিত হতে পারে না। হয়ও না। দেশের মানুষ সচেতন। তারা সব বোঝে। দেখুন, করোনাভাইরাসের মতো মহামারির সময় এই পুলিশ বাহিনীর কর্মকাণ্ড সর্বমহলে প্রসংশিত হয়েছে। জঙ্গি দমনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা সবাই দেখছে। পুলিশের এত ভালো কাজের মধ্যে দু-একটি ঘটনা গোটা বাহিনীর সাফল্যকে ম্লান করে দিতে পারে না। প্রশ্ন : প্রতিটি ক্রসফায়ারের ঘটনার পর আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে যে ব্যাখ্যা দেওয়া হয়, তা সব ঘটনার ক্ষেত্রে একই ধরনের। সত্যি বললে মানুষের কাছে এর কোনো গ্রহণযোগ্যতা নেই। হাসাহাসিই হয় অনেক ক্ষেত্রে। শহীদুল হক : আমি নিজেও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডে বিশ্বাস করি না। কেউ অপরাধ করলে তাকে বিচারের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা উচিত। তবে একটা কথা, আমাদের দেশে মাঝে মাঝে কিছু এনকাউন্টার বা ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটছে। এই ক্রসফায়ারের ঘটনার প্রেক্ষাপট জানতে হবে। দেশে অনেক বড় বড় সন্ত্রাসী ছিল, যাদের গ্রেপ্তার করে রাখা যেত না। কয়েক দিন কারাগারে থাকার পর জামিনে বেরিয়ে এসে আরো বড় বড় অপরাধ করত। আইন-শৃঙ্খলার চরম অবনতির প্রেক্ষাপটে ২০০৪ সালে শুরু হয় ক্রসফায়ারের ঘটনা। তখন বড় সন্ত্রাসীরা ক্রসফায়ারে নিহত হয়েছে। দেশের মানুষ ওটাকে ব্যাপকভাবে সমর্থন দিয়েছে। এভাবে দেখলে, সেই সময় ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটেছে বলেই দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। আরেকটা কথা, কোনো মামলায় অপরাধীকে গ্রেপ্তারের পর অভিযোগপত্র দেওয়া হয় আদালতে। কিন্তু আদালতে মামলা বছরের পর বছর পড়ে থাকে। বিচারের এই দীর্ঘসূত্রতার কারণেই আসামিরা জামিনে বেরিয়ে এসে আরো অপরাধ করে। দেশে যদি দ্রুত বিচারকাজ সম্পন্ন হতো এবং আসামিদের যদি জামিন না হতো তাহলে এই ক্রসফায়ারের ঘটনা ঘটত না বল মনে করি। প্রশ্ন : ক্রসফায়ারে নিরীহ মানুষ হত্যার অভিযোগ উঠছে। কখনো কখনো অর্থ নিয়ে বা অর্থের জন্য এ ধরনের ঘটনা ঘটছে এমনও আমরা দেখছি... শহীদুল হক : এ রকম দু-একটি ঘটনা যে ঘটছে না তা বলা যাবে না। এ কারণেই তো এটা নিয়ে এত কথা হচ্ছে। আমার কথা হলো, এ রকম নিরীহ মানুষ হত্যা করা হলে জড়িত আইন-শৃঙ্খল বাহিনীর সদস্যদের কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনা দরকার। প্রশ্ন : দেখা যায়, আইন-শৃঙ্খল বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে বড়জোর দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করার ঘটনা ঘটে। এরপর আর কিছু হয় না। শহীদুল হক : এ কথা সত্য নয়। প্রথামিকভাবে প্রত্যাহার করা হয়। এরপর তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকে চাকরিচ্যুত, বেতন কমানো, পদের অবনমন ইত্যাদি ঘটনা ঘটে। এ রকম বহু ঘটনা আছে। যা কখনো মিডিয়ায় আসে না বলেই মানুষ প্রথমটুকুই দেখে মূল্যায়ন করে। পরেরটুকু দেখলে বা মিডিয়ায় এলে মানুষের ভুল ধারণা কেটে যাবে।
জামাল খানের উন্নয়নই আমার একমাত্র চাওয়া: কাউন্সিলর প্রার্থী শৈবাল দাশ সুমন
০১মার্চ,রবিবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত কাউন্সিলর প্রার্থী শৈবাল দাশ সুমন এলাকার উন্নয়ন ভাবনা ও আগামী নির্বাচন নিয়ে তার পরিকল্পনার কথা নিউজ একাত্তর এর কাছে তুলে ধরেন। শনিবার ২৯শে ফেব্রুয়ারি বিকালে তার নিজ কার্যালয়ে নিউজ একাত্তরকে দেয়া একান্ত এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার নানা কর্মকাণ্ড ও এলাকার উন্নয়ন নিয়ে তার চিন্তা ধারার কথা তথা আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি এলাকার জন্য কি কি কাজ করবেন তা সবিস্তর ব্যক্ত করেছেন। দলীয় মনোনয়ন পেয়ে তিনি তার অনুভুতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, তিনি দলীয় মনোনয়ন পেয়ে অনেক খুশী যে তাকে আবারও মুল্যায়ন করেছেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রীকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানান তাকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য। তার উপর আস্থা রাখার জন্য। তিনি প্রধানমন্ত্রীর আস্থার প্রতিদান দিবেন। তিনি মনে করেন এই মনোনয়ন এর মধ্য দিয়ে তার দায়বদ্ধতা আরও বেড়ে গেলো এবং কাজের গতি দ্বিগুন বেড়ে গেছে। কাউন্সিলর প্রার্থী শৈবাল দাশ সুমন জানান, আজকের এই নান্দনিক জামাল খানের রুপান্তর সম্ভব হয়েছে মানুষের সহযোগিতার জন্য। ওয়ার্ডবাসী তাদের মুল্যবান রায় দিয়ে আমাকে নির্বাচিত করেছে এবং আমার উপর আস্থা রেখেছেন। যার ফলে তিনি বিগত পাঁচ বছরে নগরীর জামাল খান ওয়ার্ডকে একটি নান্দনিক জামাল খানে রুপান্তর করতে সক্ষম হয়েছেন। এক সময় যে জামাল খানে একটু রাত হলেই ঘনিয়ে আসতো অন্ধকার, স্ট্রিট লাইট গুলো জ্বলত মিট মিট করে। গনি ব্যাকারী থেকে জামাল খান পর্যন্ত নেমে আসা নিরবতার কারনে বেড়ে যেত ছিনতাই আর নেশা খোরদের আনাগোনা। সেই জামাল খান আজ চট্টগ্রাম তথা বাংলাদেশের একটি আদর্শ ওয়ার্ডে রূপান্তরিত হয়েছে। ৪১ টি ওয়ার্ডের মধ্যে একটি অন্যতম ওয়ার্ড হিসাবে পরিচিত। চারিদিকে সবুজের সমারোহ তিরি করা হয়েছে, লাগানো হয়েছে বিচিত্র গাছ গাছালি ও ফুলের বাগান। সেই সাথে রয়েছে দর্শনার্থীদের জন্য বসার স্থান। সড়ক জুড়ে স্থাপন করা হয়েছে এলডি বাল্ব।পথচারীদের বিশ্রামের জন্য বসানো হয়েছে ছাউনি। জামাল খানের প্রতিটি দেয়ালে দেয়ালে বাংলার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সুনিপুণ কারুকাজ করা হয়েছে। যা ইতিহাস ঐতিহ্যের সাথে মানুষকে পরিচয় করিয়ে দেয়। গোল চক্করে স্থাপন করা হয়েছে রঙ্গিন ফোয়ারা যা জামাল খানের সৌন্দর্যকে অনেক খানি বাড়িয়ে দিয়েছে। বসানো হয়েছে লাইভ ফিশ একুরিয়াম( স্ট্রিট একুরিয়াম)। অতি সম্প্রতি দেয়ালে স্থাপন করা হয়েছে বাংলাদেশের প্রথম কাঁচের তৈরি বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল। তিনি এলাকার মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। মাদক, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলবেন। যুবক সমাজকে মাদক ও সন্ত্রাস মুক্ত রাখতে কাজ করবেন। তার এলাকায় জলজট নেই তবে কিছুটা জলাবদ্ধতা আছে। তিনি আশা বাদী সিডিএ ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর যৌথ ভাবে জলাবদ্ধতা নিরসনে একটি প্রকল্পের কাজ করছে। এটির বাস্তবায়ন হলে জলাবদ্ধতা পুরোপুরি নিরসন করা যাবে। আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে এই জামাল খানকে বিশ্বের একটি আধুনিক ওয়ার্ডে রুপান্তর করবেন। পার্কের আদলে গড়ে তুলবেন পুরো জামাল খানকে। জামাল খানে গড়ে তুলবেন একটি সমন্বিত বার্ড জোন ও একটি পাঠাগার। জামালখান কে তামাক মুক্ত ও ফুটপাত হকার মুক্ত রাখতে কাজ করে যাচ্ছেন। তাছাড়া এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আনসার নিয়োগের পরিকল্পনা ও রয়েছে। তিনি ২১ নং জালাল খানের ওয়ার্ড বাসীর কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন, তার শৈশব কৈশোর কেটেছে এই জামাল খানে। এই এলাকার সাথে তার আত্মার সম্পর্ক। আপনারা আমার পরম আত্মীয়। তাকে আবারও নির্বাচিত করে আরও একটিবার সুযোগ দেওয়ার জন্য যাতে এলাকাবাসীর সেবা করতে পারেন। সেই সাথে দলীয় নেতা কর্মীদের কাছে উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন তাকে সহযোগিতা করার জন্য। তিনি নির্বাচিত হলে সব সময় সুখে দুঃখে এলাকাবাসীর পাশে থাকবেন। অতীতের মত নিরলস ভাবে কাজ করে যাবেন এবং জনগনের ভালোবাসার প্রতিদান দিবেন। জামালখান বাসী আমরা সবাই একটা পরিবার। আপনারা যদি মনে করেন আমাকে বিগত পাঁচ বছরে আপনাদের কাছে পেয়েছেন তাহলে আমাকে আবার সেবা করার সুযোগ দিবেন।
জলাবদ্ধতা নিরসন,মহিলাদের আত্ম কর্মসংস্থান ও প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করে যাবো
২৭ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সংরক্ষিত মহিলা আসন ২২, ৩০ ও ৩১ এর মহিলা কাউন্সিলর নিলু নাগ এলাকার উন্নয়ন ভাবনা ও আগামী নির্বাচন নিয়ে তার পরিকল্পনার কথা নিউজ একাত্তর এর কাছে তুলে ধরেন। সোমবার ২৪শে ফেব্রুয়ারি্ বিকালে তার নিজ কার্যালয়ে নিউজ একাত্তরকে দেয়া একান্ত এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার নানা কর্মকাণ্ড ও এলাকার উন্নয়ন নিয়ে তার চিন্তা ধারার কথা তথা আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি এলাকার জন্য কি কি কাজ করবেন তা সবিস্তর ব্যক্ত করেছেন। মহিলা কাউন্সিলর নিলু নাগ জানিয়েছেন, তিনি চলতি মেয়াদে(২০১৬-২০২০ইং) ২২,৩০ ও ৩১ নং ওয়ার্ডের এর মহিলা কাউন্সিলর হিসাবে আছেন। বর্তমানে তিনি কোতোয়ালী থানা আওয়ামী লীগের মহিলা সম্পাদিকা। সেই সাথে তিনি বেশ কিছু সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের সাথে ও যুক্ত আছেন, একাধারে মহানগর মহিলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদিকা, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট যুগ্ম সাধারন সম্পাদিকা বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ মহিলা শাখার মহানগর সাধারন সম্পাদিকা। তিনি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে যুক্ত থেকে মানুষের কল্যানে কাজ করে যাচ্ছেন। সেই সাথে তার তিন ওয়ার্ডের জলাবদ্ধতা নিরসন ও মহিলাদের আত্ম কর্মসংস্থান ও স্বাবলম্ভি করার জন্য কাজ করে যাবেন। দলীয় মনোনয়ন পেয়ে তিনি তার অনুভুতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন,তিনি দলীয় মনোনয়ন পেয়ে অনেক খুশী যে তাকে আবারও মুল্যায়ন করেছেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রীকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানান তাকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য। তার উপর আস্থা রাখার জন্য।তিনি প্রধানমন্ত্রীর আস্থার প্রতিদান দিবেন। তিনি গর্বিত প্রধানমন্ত্রীর একজন কর্মী হিসাবে। তিনি এলাকার মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। মাদক, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলবেন। তিনি তার ওয়ার্ডের পুরুষ কমিশনার, মেয়র ও এলাকাবাসীকে সাথে নিয়ে তার তিন ওয়ার্ডের উন্নয়নে কাজ করে যাবেন। এলাকার বিশেষ বিশেষ সমস্যা গুলো চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের জন্য কাজ করে যাবেন। প্রধানমন্ত্রীর জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে কাজ করে যাবেন। যেহেতু মহিলা কাউন্সিলরদের তেমন কাজ থাকে না তবুও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন এবং আগামীতেও সেই ধারা অব্যাহত রাখবেন। তিনি জানান, তার তিন ওয়ার্ডের প্রধান সমস্যা জলাবদ্ধতা। তার তিন ওয়ার্ডই জলাবদ্ধ প্রবন এলাকা তাই মেয়র ও সাধারন(পুরুষ)কাউন্সিলরের সহযোগিতা নিয়ে জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করে যাবেন। তিনি বিগত পাঁচ বছরে মেয়রের সহযোগিতায় জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করেছেন। তিনি জানান, আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে এলাকার উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সহযোগিতা করে যাবেন। তার ওয়ার্ডের সাধারন(পুরুষ) কমিশনার, মেয়র এর যৌথ সমন্বয়ে এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করে যাবেন। বিশেষ করে আমাকে মনোনয়ন দেয়া তিন ওয়ার্ডের নারীদের কে বিভিন্ন সহযোগিতা দিয়ে স্বাবলম্ভি করে গড়ে তোলা। আমি এদের জীবন মান উন্নয়ন ও কল্যানে সাধ্যমত কাজ করে যাব। তিনি ২২,৩০ ও ৩১ ওয়ার্ডের জনগনের কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন, তাকে আবারও নির্বাচিত করে আরও একটিবার সুযোগ দেওয়ার জন্য যাতে এলাকাবাসীর সেবা করতে পারেন। সেই সাথে দলীয় নেতা কর্মীদের কাছে উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন তাকে সহযোগিতা করার জন্য। তিনি নির্বাচিত হলে সব সময় সুখে দুঃখে এলাকাবাসীর পাশে থাকবেন। অতীতের মত নিরলস ভাবে কাজ করে যাবেন এবং জনগনের আস্থার প্রতিফলন ঘটাবেন।
এলাকার অবহেলিত মানুষের পাশে থাকবো ও প্রধানমন্ত্রীর আস্থার প্রতিদান দিবো: কাউন্সিলর প্রার্থী
২৫ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সংরক্ষিত মহিলা আসন ১৬,২০ ও ৩২ এর মহিলা কাউন্সিলর রুমকি সেনগুপ্ত এলাকার উন্নয়ন ভাবনা ও আগামী নির্বাচন নিয়ে তার পরিকল্পনার কথা নিউজ একাত্তর এর কাছে তুলে ধরেন। রবিবার ২৩শে ফেব্রুয়ারি সকালে তার নিজ বাসায় নিউজ একাত্তরকে দেয়া একান্ত এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার নানা কর্মকাণ্ড ও এলাকার উন্নয়ন নিয়ে তার চিন্তা ধারার কথা তথা আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি এলাকার জন্য কি কি কাজ করবেন তা সবিস্তর ব্যক্ত করেছেন। মহিলা কাউন্সিলর রুমকি সেনগুপ্ত জানিয়েছেন, তিনি তৃণমুল থেকে উঠে এসেছেন। বর্তমানে তিনি ৩২ নং আন্দরকিল্লা ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের মহিলা সম্পাদিকা। সেই সাথে তিনি বেশ কিছু সামাজিক সংগঠনের সাথে ও যুক্ত আছেন, একাধারে তিনি চট্টগ্রাম জন্মাষ্টমী কেন্দ্রীয় পরিষদ এর কেন্দ্রীয় সদস্য, বাংলাদেশ পুজা উদযাপন পরিষদের চট্টগ্রাম মহানগর এর মহিলা সম্পাদিকা, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের দপ্তর সম্পাদিকা, দ্যা চট্টগ্রাম ট্রাস্টের যুগ্ম মহাসচিব, বাংলাদেশ মানবাধিকার চট্টগ্রাম দক্ষিন জেলার এর মহিলা সম্পাদিকা। তিনি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথে যুক্ত থেকে মানুষের কল্যানে কাজ করে যাচ্ছেন। দলীয় মনোনয়ন পেয়ে তিনি তার অনুভুতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, তিনি দলীয় মনোনয়ন পেয়ে অনেক খুশী। প্রধানমন্ত্রীকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানান তাকে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য। তার উপর আস্থা রাখার জন্য। তিনি প্রধানমন্ত্রীর আস্থার প্রতিদান দিবেন। তিনি এলাকার মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। মাদক, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলবেন। তিনি তার ওয়ার্ডের পুরুষ কমিশনার, মেয়র ও এলাকাবাসীকে সাথে নিয়ে তার তিন ওয়ার্ডের উন্নয়নে কাজ করে যাবেন। এলাকার বিশেষ বিশেষ সমস্যা গুলো চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের জন্য কাজ করে যাবেন। তিনি জানান, আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে এলাকার উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সহযোগিতা করে যাবেন। তার ওয়ার্ডের পুরুষ কমিশনার, মেয়র এর যৌথ সমন্বয়ে এলাকার সমস্যা সমাধানে কাজ করে যাবেন। এলাকার যে সকল যুবকরা নানা অপরাধে জড়িয়ে আছে তাদেরকে কর্মমুখী করার জন্য কাজ করে যাবেন। বিশেষ করে আমাকে মনোনয়ন দেয়া তিন ওয়ার্ডে সবচেয়ে বেশী অবহেলিত নারী ও শিশু। আমি এদের জীবন মান উন্নয়ন ও কল্যানে সাধ্যমত কাজ করে যাব। তিনি ১৬, ২০ ও ৩২ ওয়ার্ডের জনগনের কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন, তাকে একটি বার সুযোগ দেওয়ার জন্য যাতে এলাকাবাসীর সেবা করতে পারি। সেই সাথে দলীয় নেতা কর্মীদের কাছে উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন তাকে সহযোগিতা করার জন্য। তিনি নির্বাচিত হলে সব সময় সুখে দুঃখে জনগনের পাশে থাকবেন এবং একজন দলীয় একনিষ্ঠ কর্মী হিসাবে কাজ করে যাবেন। ওয়ার্ডের জনগনের দারে দারে দিয়ে তাদের সমস্যার কথা শুনবো ও সমাধানে যথাসাধ্য চেষ্টা করে যাবো।
এলাকার উন্নয়নের ধারা অব্যহত রাখতে আবারো নির্বাচিত হবার আশাবাদ ব্যক্ত
২২ফেব্রুয়ারী,শনিবার,কমল চক্রবর্তী,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম:আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে নিউজ একাত্তর ধারাবাহিক ভাবে বর্তমান কাউন্সিলরদের নির্বাচন ভাবনা, এলাকার উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন , মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে ভুমিকা এবং এলাকার উন্নয়ন পরিকল্পনার চিত্র তুলে ধরছে। এরই ধারাবাহিকতায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ৭ নং পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর মোহাম্মদ মোবারক আলী এলাকার উন্নয়ন ও আগামী নির্বাচন নিয়ে তার পরিকল্পনার কথা নিউজ একাত্তর এর কাছে তুলে ধরেন। তার নিজ কার্যালয়ে নিউজ একাত্তরকে দেয়া একান্ত এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার নানা কর্মকাণ্ড ও এলাকার উন্নয়ন চিত্র তথা আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি এলাকা উন্নয়নে কি কি কাজ করবেন তা সবিস্তর ব্যক্ত করেছেন। কাউন্সিলর মোহাম্মদ মোবারক আলী জানিয়েছেন, জনগন চাইলে তিনি আবার নির্বাচন করবেন এবং তিনি আশাবাদী এলাকায় যে সকল কাজ করেছেন তাতে এলাকার জনগন তাকে পুনরায় আবার কাউন্সিলর হিসাবে নির্বাচিত করবে। তিনি এলাকার উন্নয়নে কাজের ধারা অব্যহত রাখতে চান। তিনি তার ওয়ার্ডকে একটি জনবাদ্ধব ওয়ার্ড হিসাবে গড়ে তুলেছেন। আর এই জনমুখি সেবা প্রদানের জন্য পাঁচ বছর মেয়াদ যথেষ্ট নয়।এলাকার উন্নয়নে কাজের ধারা অব্যহত রাখতে আবারো নির্বাচিত হবার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি আরো জানান, এরমধ্যে প্রায় ১৫০ কোটি টাকার বিভিন্ন প্রকল্পে কাজ হয়েছে তার এলাকায়। তারমধ্যে এলাকার ১১৭ টি রাস্তা পাকাকরনের কাজ করেছেন। প্রায় ৯০ শতাংশ রাস্তা পাকাকরনের কাজ হয়েছে। বাকি কাজ গুলো চলমান আছে। শতভাগ কাঁচা রাস্তা মুক্ত ওয়ার্ড করার জন্য কাজ করছেন। এলাকার স্কুল গুলোতে শিক্ষা প্রসারে লজিস্টিক সহায়তা করা হয়েছে। ড্রেন গুলো সম্প্রসারণ করেছেন। রাস্তায় ব্যপক এলইডি বাল্ব স্থাপন করেছেন। প্রায় ১৩শ সড়ক বাতি লাগিয়েছেন। এলাকার ময়লা আবর্জনা অপসারনের জন্য ডাস্টবিন বসানো হয়েছে। প্রতি ঘরে ময়লা ফেলার জন্য প্রায় ৪৫ হাজার বিম বিতরন করা হয়েছে। সেইসাথে ডোর টু ডোর ময়লা অপসারনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ওয়ার্ডকে বর্জ্য মুক্ত ওয়ার্ড হিসাবে ঘোষণা করতে কাজ করে যাচ্ছেন। এখানে প্রায় ৯২ জন পরিচ্ছন্নতা কর্মী রয়েছে যারা প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে। এখানে ময়লা আবর্জনা ব্যবস্থাপনার জন্য একটি কমিটি করা হয়েছে। যারা নিয়মিত মনিটরিং করে থাকে। ময়লা আবর্জনা অপসারনে ব্যাকের সহযোগিতায় বেশ কিছু গাড়ি সংযুক্ত করা হয়েছে। অচিরেই এটি একটি আবর্জনা মুক্ত মডার্ন ওয়ার্ডে রুপান্তরিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। মাদক, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদের ব্যপারে তিনি জিরো টলারেন্স। ওয়ার্ডের জনগনেকে সাথে নিয়ে মাদক নির্মূলে কাজ করে যাচ্ছেন। ইতিমধ্যে জগননের মধ্যে ব্যপক সচেতনতা তৈরি হয়েছে। মেয়র মহোদয়ের সার্বিক সহযোগিতায় ও এলাকার জনগনের আন্তরিক প্রচেষ্টায় মাদক বিরোধী সভা সমাবেশ করেছেন। অভাবগ্রস্ত মাদকাসক্ত পরিবারকে আর্থিক সহযোগিতা ও মাদক নিরাময় কেন্দ্রে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়েছে। মাদক, সন্ত্রাস নির্মূলে এলাকার জনগন সোচ্চার আছে। এই ওয়ার্ড অনেকটাই মাদক, সন্ত্রাস মুক্ত ওয়ার্ড হিসাবে পরিনত হয়েছে। তিনি জানান,তার ওয়ার্ডে কিছু জলাবদ্ধ প্রবন এলাকা রয়েছে। জলাবদ্ধতা নরসনে বেশ কিছু পদক্ষেপ হাতে নিয়েছেন। খতিবের হাট, মরাদপুর, জাংগাল পাড়া, মোহাম্মদ পুর, নাজির পাড়া,হাদি নাজির পাড়া এইসব এলাকাগুলো বর্ষা মৌসুমে জলমগ্ন থাকে। ইতিমধ্যে ওই সব এলাকার সকল ড্রেন থেকে ময়লা ও মাটি অপসারন করা হয়েছে। সিডিএ ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৪ ইঙ্গিনিয়ারিং ব্রিগেড জলাবদ্ধতা নিরসনকল্পে যে প্রকল্পের কাজ হচ্ছে তাদের সাথে সমন্নয় করে কাজ করে যাচ্ছি। তাছাড়া ত্রিপুরা খাল খনন, সিডিএ এভিনিউর পাশের মির্জা খালের অংশটি সম্প্রসারন করা। আশা করছি এই প্রকল্পটি সম্পূর্ণ হলে জলাবদ্ধতার সমস্যা অনেকটাই কমে যাবে। তিনি আরো জানান, আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি তার কাজের ধারা অব্যহত রাখবেন। জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করে যাবেন এবং তার ওয়ার্ডকে একটি আদর্শ ওয়ার্ডে রুপান্তরিত করবেন। প্রতিবেদকের সাথে কথা হয় ৭নং পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডের কয়েকজন এলাকাবাসীর সাথে এখানে তাদের মতামত তুলে ধরা হলঃ ৭নং পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডের এলাকার স্থানীয় এক বাসিন্দা মনির হোসেন চৌধুরী (৪৩) জানান, বর্তমান কাউন্সিলর মোহাম্মদ মোবারক আলী সাহেব এলাকা্র উন্নয়নে অনেক করেছেন। রাস্তা ঘাটেরও অনেক উন্নয়ন করেছেন। জলাবদ্ধতা নিরসনে অনেক কাজ হাতে নিয়েছেন। মাদক নির্মূলে ওনি বলিষ্ঠ ভুমিকা রেখেছেন। আগামী নির্বাচনে আবার নির্বাচিত হবে বলে আশা করি। ৭নং পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডের এক হোটেল ব্যবসায়ী সাইমন জাকির (৪৭) জানান,বর্তমান কাউন্সিলর মোবারক আলী ভাই ব্যক্তি হিসাবে ভালো।এলাকায় ওনার ভালো গ্রহণযোগ্যতা আছে। তাকে যে কোন সময় কাছে পাওয়া যায়। তিনি আবার নির্বাচিত হবেন এতে কোন সন্দেহ নেই। ৭নং পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডের এক কাঁচামাল ব্যবসায়ী মোঃ ফারুক হাসান ভূঁইয়া (৪৬) জানান, বর্তমান কাউন্সিলর মোবারক আলী ভাই একসময় ছাত্র রাজনীতি করেছেন।বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সাথেও তিনি জড়িত আছেন। এলাকার লোকজনের সাথে ওর ভালো সম্পর্ক আছে । আমি ব্যক্তিগত ভাবে মনে করি তিনি আবার নির্বাচিত হবেন। ৭নং পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ডের এক স্থানীয় বাসিন্দা মইনুল হাসান চৌধুরী (৫৪) জানান, জলাবদ্ধতার সমস্যা আমাদের এখানে বড় সমস্যা যা বর্ষা মৌসুমে আমাদের বড় ভোগান্তিতে ফেলে। সন্ত্রাস ও মাদকের সমস্যা তেমন নেই আমাদের এলাকায়। তাছাড়া কাউন্সিলর এলাকায় মোটামুটি উন্নয়ন কাজ করেছেন।
মাদক-সন্ত্রাসমুক্ত ও কর্মসংস্থান মুখী একটি আধুনিক ওয়ার্ড গড়তে চাইঃ কাউন্সিলর এইচ এম সোহেল
১২ফেব্রুয়ারী,বুধবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে নিউজ একাত্তর ধারাবাহিক ভাবে বর্তমান কাউন্সিলরদের নির্বাচন ভাবনা, এলাকার উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন , মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে ভুমিকা এবং এলাকার উন্নয়ন পরিকল্পনার চিত্র তুলে ধরছে। এরই ধারাবাহিকতায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ২৭ নং দক্ষিন আগ্রাবাদ ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর আলহাজ্ব এইচ এম সোহেলএলাকার উন্নয়ন ও আগামী নির্বাচন নিয়ে তার পরিকল্পনার কথা নিউজ একাত্তর এর কাছে তুলে ধরেন। সোমবার ১০ই ফেব্রুয়ারি্ বিকালে তার নিজ কার্যালয়ে নিউজ একাত্তরকে দেয়া একান্ত এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার নানা কর্মকাণ্ড ও এলাকার উন্নয়ন চিত্র তথা আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি এলাকা উন্নয়নে কি কি কাজ করবেন তা সবিস্তর ব্যক্ত করেছেন। কাউন্সিলর এইচ এম সোহেল জানিয়েছেন, এলাকার জনগন চাইলে আবার নির্বাচন করবেন। বিশেষ করে তার কিছু কর্মপরিকল্পনা আছে সে গুলো বাস্তবায়নের জন্য। তার চলতি মেয়াদে ২৪৫ কোটি টাকার কাজ হচ্ছে তার মধ্যে ৮০ ভাগ কাজ প্রায় শেষ। বাকি কাজ গুলো চলমান আছে। তিনি আশাবাদী এলাকায় যে সকল কাজ করেছেন তাতে এলাকার জনগন তাকে পুনরায় আবার কাউন্সিলর হিসাবে নির্বাচিত করবে। তিনি গ্রিন সিটি ক্লিন সিটি তথা মাদক-সন্ত্রাসমুক্ত ও কর্মসংস্থান মুখী একটি আধুনিক ওয়ার্ড গড়ে তুলতে চান। তিনি আরো জানান, তার চলতি মেয়াদে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে থোক ফান্ড বরাদ্ধকৃত ৭ কোটি ২৫ লক্ষ ৭৪ হাজার টাকা ব্যায়ে প্রায় ৩১টি প্রকল্পের কাজ হয়। তার মধ্যে উল্লেখ যোগ্য হল,.২,৬,৭,৮,৯,১১,১৩ ও ১৫ নং ইসলামিয়া ব্রিক ফিল্ড বাইলেইনের উন্নয়ন। আগ্রাবাদ সিঙ্গাপুর-ব্যংকক মার্কেটের সংস্কার কাজ। আগ্রাবাদ শপিং কমপ্লেক্স ভবনের অবশিষ্ট কাজ সম্প্রসারণ। নাছির খাল ছড়ার মাটি উত্তোলন কাজ। বেপারি পাড়া রুহুল আমিন চেয়ারম্যান গলির নির্মাণ কাজ। আবিদার পাড়া এলাকার মিয়া খায়ের সওদাগর বাড়ি বাইলেইনের উন্নয়ন কাজ। বেপারি পাড়া এলাকার আবুল হোসেন বাইলেইনের উন্নয়ন কাজ। বেপারি পাড়া এলাকার সিডিএ বাইলেইনের উন্নয়ন কাজ। সিডিএ আবাসিক এলাকার ২০নং রোড উচু করন কাজ। বেপারি পাড়া মাজার বাড়ি বাইলেইনের উন্নয়ন কাজ।ছোট পুল এলাকার শেখ দেওয়ান আলি লেইনের সংস্কার কাজ। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে এডিপি ফান্ড বরাদ্ধকৃত ১১ কোটি ৫৭ লক্ষ টাকা ব্যায়ে ৫টি প্রকল্পের কাজ হয়। তার মধ্যে ৩ কোটি ৭৯ লক্ষ টাকা ব্যায়ে সিডিএ আবাসিক রোডের উন্নয়ন। ২ কোটি ৭৩ লক্ষ টাকা ব্যায়ে সিডিএ আবাসিক ১ নং রোডের পাশ্বের নাছির খালের রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণ। ৯৫ লক্ষ টাকা ব্যায়ে সিডিএ আবাসিক এলাকার নালা নির্মাণ। ২ কোটি ১ লক্ষ টাকা ব্যায়ে সাইফুল ইসলাম সড়ক এবং সালে আহম্মেদ সড়ক, ফয়েজ আহমেদ পেসকার লেইন, নজির মাঝি লেইন এবং সিডিএ আবাসিক এলাকার ২৩/২ রোডের উন্নয়ন। ২ কোটি ৭ লক্ষ টাকা ব্যায়ে জাফর আহমেদ রোড, বুড়ির মাজার পাশ্বের রোড, সিডিএ ১নং রোড থেকে ৩নং রোড কেজি স্কুল পর্যন্ত রাস্তার উন্নয়ন। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে থোক ফান্ড বরাদ্ধকৃত ৩১ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা ব্যায়ে ২২ টি প্রকল্পের কাজ হয়। তার মধ্যে উল্লেখ যোগ্য হল আগ্রাবাদ এক্সেস রোড থেকে নালার পাড় বাজার পর্যন্ত সড়কের উন্নয়ন। জাম্ভুরি মাঠের দক্ষিন পূর্ব পাশ্বের নালা নির্মাণ। ইসলামিয়া ব্রিক ফিল্ড ৫নং রোডের উন্নয়ন। সিডিএ আবাসিক এলাকার ব্যাংক কর্মচারী নিবাসের প্রবেশ মুখে কাল্ভাট নির্মাণ। সিডিএ আবাসিক এলাকার ৭,৬,১০ নং রোডের উন্নয়ন। সিঙ্গাপুর –ব্যংকক মার্কেটের বেজইমেন্ট ফ্লোর থেকে ৫ম তলা পর্যন্ত আধুনিকায়তন। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে থোক ফান্ড বরাদ্ধকৃত ১শত ৬৩ কোটি চৌষট্টি লক্ষ ৭৮ হাজার টাকা ব্যায়ে ১০টি প্রকল্পের কাজ হয়। তার মধ্যে উল্লেখ যোগ্য হল সিংগাপুর ব্যংকক মার্কেট , হাইটেক পার্ক নির্মাণ। মহেশ খালের উপর রিটেইনিং ওয়াল নির্মাণ। হালিশহর রোডের উন্নয়ন। সিডিএ ১,২,১৬,২৬,২৭ ও ২৯ নং রোডের উন্নয়ন। আগ্রাবাদ এক্সেস রোডের উন্নয়ন। ২৭ নং দক্ষিন আগ্রাবাদ ওয়ার্ড অফিসের জায়গায় বহুমুখী বহুতল ভবন নির্মাণ। চলমান প্রকল্প গুলো হল ৪ কোটি ৮৪ লক্ষ টাকা ব্যায়ে সিডিএ ২০ নং রোডস্থ মহেশ খালের উপর ব্রিজ নির্মাণ। ৭ কোটি ৮১ লক্ষ টাকা ব্যায়ে সিডিএ ৪ নং রোডস্থ মহেশ খালের উপর ব্রিজ নির্মাণ। এছাড়া এলাকার প্রতিটি রাস্তা পাকাকরন ও সম্প্রসারণ করেছেন। ড্রেন ও নালা গুলো সম্প্রসারণ ও সংস্কার করেছেন। ড্রেন ও নালা গুলো পরিস্কার করেছেন। মাদক ও সন্ত্রাসের ব্যপারে তিনি জিরো টলারেন্স। তিনি জানান, মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে কাজ করে যাচ্ছেন। তাছাড়া মাদক ও সন্ত্রাস বিরোধী গঠিত কমিটি নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করেন। মাদক বিরোধী সভা সমাবেশ করা হয়েছে। বাস্তুহারা বস্তি উচ্ছেদ করা হেয়েছে যেখানে মাদক সহ নানা অসামাজিক কাজ হত। সেইসাথে প্রশাসনকে সাথে নিয়ে মাদক বিরোধী প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছেন। তাছাড়া এলাকার ফুটপাত ৯০ ভাগ দখল মুক্ত করা হয়েছে। জলাবদ্ধতা নিরসনে ওয়ার্ডের বড় নালা ও খালের ময়লা ও মাটি অপসারনে তিনি কার্যকর ভুমিকা রেখেছেন। নাছির খাল ছড়ার মাটি অপসারন করেছেন। আগ্রাবাদ এক্সেস রোডের দক্ষিন পাশ্বের নালার মাটি অপসারন করেছেন। মা ও শিশু হাসপাতালের আশে পাশের সড়কের উন্নয়ন। সিডিএ আবাসিক এলাকার রোড সমুহ ও সংযোগ সেতুর উন্নয়ন কাজ করেছেন। এলাকার নালা ও ড্রেন গুলো প্রসস্থ করন ও গভীর করা হয়েছে। তাছাড়া সিডিএ ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে জলাবদ্ধতা নিরসনে যে প্রকল্পের কাজ চলছে তা সম্পূর্ণ হলে আশা করছি আর জলাবদ্ধতা থাকবে না। তিনি জানান একসময় জলাবদ্ধতার জন্য সিডিএ আবাসিক এলাকার নিচ তলার বাসিন্দারা বাসা ছেড়ে অন্যত্র চলে গিয়েছিল। এখন জলাবদ্ধতা নেই তাই তারা আবার ফিরে এসেছে। তবে জোয়ারের প্রভাবে যেখানে কোমড় সমান পানি হত এখন সেখানে পায়ের পাতা সমান পানি হয়। আশা করছি জলাবদ্ধতা একেবারেই থাকবেনা। ময়লা আবর্জনা অপসারনে মেয়রের ঘোষিত ক্লিন সিটি গ্রিন সিটি বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন। সেইসাথে ডোর টু ডোর ময়লা অপসারন করার ফলে এই এলাকায় কোন ডাস্টবিন নেই। তিনি জানান, আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে এলাকার উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে চান। মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে কাজ করে যাবেন। এলাকার প্রতিটি অলি গলিতে এলইডি বাতির ব্যবস্থা করবেন। চলমান কাজ গুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শেষ করা। হাইটেক পার্ক নির্মাণ কাজ শেষ করবেন। এর নির্মাণ কাজ শেষ হলে এখানে প্রায় ১০ হাজার লোকের কর্মসংস্থান হবে বলে মনে করেন।এলাকার গরিব ও অসহায়দের পাশে দাঁড়ানো। সেইসাথে এই ওয়ার্ডকে একটি মাদ্কমুক্ত ও সন্ত্রাসমুক্ত ওয়ার্ড হিসাবে গড়ে তুলবেন। একটি কমিউনিটি সেন্টার খুলবেন যেখানে কম দামে এলাকার জনগন এটি ব্যবহার করতে পারে। পূর্বের ওয়ার্ড অফিসের ৩৩ কাঠা জমির উপর আয় বর্ধক একটি প্রকল্পের আওতায় সদরঘাটের মেমন হাসপাতালের আদলে একটি হাসপাতাল গড়ে তোলা হবে।এর ফলে এলাকার লোকজন সদরঘাটের মেমন এর সুযোগ সুবিধা আগ্রাবাদে উপভোগ করতে পারে। প্রতিবেদকের সাথে কথা হয় ২৭ নং দক্ষিন আগ্রাবাদ ওয়ার্ডের কয়েকজন এলাকাবাসীর সাথে এখানে তাদের মতামত তুলে ধরা হলঃ ২৭ নং দক্ষিন আগ্রাবাদ ওয়ার্ডের বেপারিপাড়া মোড় এলাকার স্থানীয় এক বাসিন্দা হাজী আমানুল্লাহ (৫৫) জানান, বর্তমান কাউন্সিলর এইচ এম সোহেল চলতি মেয়াদে এলাকা্র উন্নয়নে বেশ কিছু কাজ করেছেন। রাস্তা ঘাট গুলো সংস্কার করেছেন। জলাবদ্ধতা নিরসনে নানা মুখি কাজ করেছেন। এলাকার কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার স্বার্থে ওনাকে আবারও সুযোগ দেওয়া দরকার বলে আমি মনে করি। ২৭ নং দক্ষিন আগ্রাবাদ ওয়ার্ডের আগ্রাবাদ এক্সেস রোড এলাকার এক ফার্নিচার ব্যবসায়ী মোঃ জানে আলম (৪৮) জানান,বর্তমান কাউন্সিলর এইচ এম সোহেল ব্যক্তি হিসাবে অনেক ভালো।এলাকায় ওনার ভালো গ্রহণযোগ্যতাও আছে। তিনি এলাকার রাস্তা ঘাটের উন্নয়নে কাজ করেছেন। আশা করছি এলাকার জনগন আবার নির্বাচিত করবে। ২৭ নং দক্ষিন আগ্রাবাদ ওয়ার্ডের সিডিএ আবাসিক এলাকার এক কাপড় ব্যবসায়ী মোবারক হোসেন (৫২) জানান, কাউন্সিলর এইচ এম সোহেল এলাকার রাস্তা ঘাটের ব্যাপক সংস্কার কাজ হয়েছে। এলাকার জনগন আবারও নির্বাচিত করবেন বলে আশা করি। ২৭ নং দক্ষিন আগ্রাবাদ ওয়ার্ডের বেপারি পাড়া রুহুল আমিন চেয়ারম্যান গলির এক সব্জি বিক্রেতা মোঃ সাইফুল আলম (৪৬) জানান, বর্তমান কাউন্সিলর একজন যোগ্য লোক। তিনি এলাকার উন্নয়নে বেশ কিছু কাজ করেছেন। তিনি আবার নির্বাচিত হবেন এতে কোন সন্দেহ নেই।
এলাকার উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে চাইঃ কাউন্সিলর গোলাম মোহাম্মদ জোবায়ের
১২ফেব্রুয়ারী,বুধবার,কমল চক্রবর্তী,বিশেষ প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: আসন্ন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে সামনে রেখে ,নিউজ একাত্তর ধারাবাহিক ভাবে বর্তমান কাউন্সিলরদের নির্বাচন ভাবনা, এলাকার উল্লেখযোগ্য উন্নয়ন , মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে ভুমিকা এবং এলাকার উন্নয়ন পরিকল্পনার চিত্র তুলে ধরছে। এরই ধারাবাহিকতায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ২৯ নং পশ্চিম মাদারবাড়ি ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর গোলাম মোহাম্মদ জোবায়ের এলাকার উন্নয়ন ও আগামী নির্বাচন নিয়ে তার পরিকল্পনার কথা নিউজ একাত্তর এর কাছে তুলে ধরেন। সোমবার ১০ই ফেব্রুয়ারি্ সকালে তার নিজ কার্যালয়ে নিউজ একাত্তরকে দেয়া একান্ত এক সাক্ষাৎকারে তিনি তার নানা কর্মকাণ্ড ও এলাকার উন্নয়ন চিত্র তথা আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে তিনি এলাকা উন্নয়নে কি কি কাজ করবেন তা সবিস্তর ব্যক্ত করেছেন। কাউন্সিলর গোলাম মোহাম্মদ জোবায়ের জানিয়েছেন, এলাকার জনগন তাকে আবার নির্বাচন করার জন্য চাপ দিচ্ছেন। তাই জনগনকে সেবা দিতে আগামী নির্বাচনে আবারও প্রার্থী হবেন। তিনি আশাবাদী এলাকায় যে সকল কাজ করেছেন তাতে এলাকার জনগন তাকে পুনরায় আবার কাউন্সিলর হিসাবে নির্বাচিত করবে। তিনি বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে জনগনের ক্ষমতায়ন শেখ হাসিনার দর্শন এই দর্শনকে সামনে রেখে ঘোষিত রূপকল্প ২০২০ আলোকে উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখা। তিনি আরো জানান, তার এলাকায় সর্বমোট প্রায় ৩৫ কোটি ৯৭ লক্ষ টাকা টাকা ব্যায়ে ১৭টি প্রকল্পে উন্নয়ন কাজ হয়েছে। এবং বেশ কিছু প্রকল্প চলমান আছে। উল্লেখযোগ্য কাজ গুলো হল ৭ কোটি টাকা ব্যায়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ভবন নির্মাণ। ২ কোটি ৭২ লক্ষ টাকা ব্যায়ে মাঝিরঘাট থেকে কদমতলী নোয়াখালী বাস স্ট্যান্ড মোড় পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার কাজ। প্রায় ৫ কোটি ৭২ লক্ষ টাকা ব্যায়ে শুভপুর স্ট্যান্ড থেকে বারিক বিল্ডিং পর্যন্ত তিনটি বড় ড্রেন নির্মাণসহ রাস্তার সংস্কার কাজ। ৮৫ লক্ষ টাকা ব্যায়ে রশিদ মাষ্টার লেইন গন্ডারিয়া পাড়ার রাস্তা সংস্কার কাজ। ৯০ লক্ষ টাকা ব্যায়ে টং ফকির মাজার লেইনের রাস্তা সংস্কার কাজ। ১ কোটি টাকা ব্যায়ে বরই গাছ থেকে ২নং গলি এবং নাজিম উদ্দিন লেইনসহ রাস্তা সংস্কার কাজ। ১নং গলি থেকে চট্রলা বেকারী পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার কাজ। ৪০ লক্ষ টাকা ব্যায়ে বায়তুল জান্নাত মসজিদ আলো সিঁড়ি ক্লাব রাস্তা সংস্কার ও নর্দমা সংস্কার কাজ। ৯৫ লক্ষ টাকা ব্যায়ে উদয়ন গলির মুখ থেকে শেষ মাথা পর্যন্ত রাস্তা সংস্কার নর্দমা সংস্কার কাজ। ২২ লক্ষ টাকা ব্যায়ে এস আর বি/ কাচার্যা লি রাস্তা সংস্কার ও নর্দমা সংস্কার কাজ। ৮০ লক্ষ টাকা ব্যায়ে আলি ফজর মেম্বার বাড়ির মুখ থেকে নজু ফকির মাজার বড় লেইনের রাস্তা সংস্কার ও বড় নালা আরসিসি ঢালাই এর কাজ। চলমান প্রকল্প গুলো হল হাজী বাদশা মিয়ার বাড়ির রাস্তা সংস্কার কাজ। দক্ষিন মাদারবাড়ি ফকির পাড়া স্ট্যান্ড রোড এর সংস্কার কাজ। ঝাড়ু গলি বাই লেইনের সংস্কার কাজ। কদমতলি রওশন মসজিদ লেইনের সংস্কার কাজ। হাজী এনায়েত আলি সর্দারের বাড়ির রাস্তা সংস্কার কাজ। এছাড়া এলাকার প্রতিটি রাস্তা পাকাকরন ও সম্প্রসারণ করেছেন। ড্রেন ও নালা গুলো সম্প্রসারণ ও সংস্কার করেছেন। ড্রেন ও নালা গুলো পরিস্কার করেছেন। মাদক ও সন্ত্রাস ব্যপারে তিনি জিরো টলারেন্স। তিনি জানান, মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে কাজ করে যাচ্ছেন। তাছাড়া মাদক ও সন্ত্রাস বিরোধী গঠিত কমিটি নিয়ে বিভিন্ন এলাকায় ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করেন। মাদকের আখড়া বরিশাল কলোনি উচ্ছেদ করে সেখানে এতিমদের জন্য একটি মাদ্রাসা নির্মাণ করা হয়েছে। মাদক বিরোধী মানব্বন্ধন করা হয়েছে। সেইসাথে প্রশাসনকে সাথে নিয়ে মাদক বিরোধী প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছেন। জলাবদ্ধতা নিরসনে ওয়ার্ডের বড় নালা ও খালের ময়লা ও মাটি অপসারনে তিনি কার্যকর ভুমিকা রেখেছেন। রশিদ মাষ্টার লেইন ও মাঝির ঘাট উদয়ন গলিতে কিছু জোয়ারের পানি আসে। গুলজার খালের খনন কাজ চলছে। এর ফলে জোয়ারের পানি দ্রুত নেমে যাবে। তাছাড়া সিডিএ ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে জলাবদ্ধতা নিরসনে যে প্রকল্পের কাজ চলছে তা সম্পূর্ণ হলে আশা করছি সামনের দিন গুলিতে আর জলাবদ্ধতা থাকবে না। ময়লা আবর্জনা অপসারনে মেয়রের ঘোষিত ক্লিন সিটি গ্রিন সিটি বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছেন। সেইসাথে ডোর টু ডোর ময়লা অপসারন করার ফলে এই এলাকায় কোন ডাস্টবিন নেই। প্রতিদিন পরিচ্ছন্ন কর্মীরা ময়লা অপসারনে কাজ করে যাচ্ছে। এই ওয়ার্ড অনেকটাই ময়লা আবর্জনা মুক্ত বলা চলে। মানুষের অসচেতনার জন্য কিছুটা সমস্যা হয়।তবে আমরা শত ভাগ ময়লা অপসারণে কাজ করে যাচ্ছি। তিনি জানান, আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হলে এলাকার উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে চান। মাদক ও সন্ত্রাস নির্মূলে কাজ করে যাবেন। এলাকার প্রতিটি অলি গলিতে সড়ক বাতির ব্যবস্থা করা। চলমান কাজ গুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শেষ করা। এলাকার গরিব ও অসহায়দের পাশে দাঁড়ানো। সেইসাথে এই ওয়ার্ডকে একটি মাদ্কমুক্ত, ইভটিজিং মুক্ত ও সন্ত্রাসমুক্ত ওয়ার্ড হিসাবে গড়ে তুলবেন। প্রতিবেদকের সাথে কথা হয় ২৯ নং পশ্চিম মাদারবাড়ি ওয়ার্ডের কয়েকজন এলাকাবাসীর সাথে এখানে তাদের মতামত তুলে ধরা হলঃ ২৯ নং পশ্চিম মাদারবাড়ি ওয়ার্ডের শুভপুর বাস স্ট্যান্ড রোড এলাকার স্থানীয় এক বাসিন্দা মইজ ঊদ্দিন (৪৮) জানান, বর্তমান কাউন্সিলর গোলাম মোহাম্মদ জোবায়ের ভাই চলতি মেয়াদে এলাকা্র উন্নয়নে বেশ কিছু কাজ করেছেন। রাস্তা ঘাট গুলো সংস্কার করেছেন ও কারপেটিং এর কাজ করেছেন। মাদক নির্মূলেও কাজ করেছেন। এলাকার কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার স্বার্থে ওনাকে আবারও সুযোগ দেওয়া দরকার বলে আমি মনে করি। ২৯ নং পশ্চিম মাদারবাড়ি ওয়ার্ডের ট্রাক স্ট্যান্ড এলাকার এক মেশিনারি ব্যবসায়ী মোঃ সাইফুল আলম (৫৩) জানান,বর্তমান কাউন্সিলর গোলাম মোহাম্মদ জোবায়ের ব্যক্তি হিসাবে অনেক ভালো।এলাকায় ওনার ভালো গ্রহণযোগ্যতাও আছে। তিনি এলাকার রাস্তা ঘাটের উন্নয়নে কাজ করেছেন। আশা করছি এলাকার জনগন আবার নির্বাচিত করবে। ২৯ নং পশ্চিম মাদারবাড়ি ওয়ার্ডের মাদার বাড়ি এলাকার এক লৌহ ব্যবসায়ী জাবের হোসেন (৫৫) জানান, কাউন্সিলর গোলাম মোহাম্মদ জোবায়ের ভাই এলাকার রাস্তা ঘাটের ব্যাপক সংস্কার কাজ হয়েছে। এলাকার জনগন আবারও নির্বাচিত করবেন বলে আশা করি। ২৯ নং পশ্চিম মাদারবাড়ি ওয়ার্ডের রেল গেইট এলাকার এক চা বিক্রেতা মোঃ সামছুউদ্দিন (৪৩) জানান, বর্তমান কাউন্সিলর একজন যোগ্য লোক। তিনি এলাকার উন্নয়নে বেশ কিছু কাজ করেছেন। তিনি আবার নির্বাচিত হবেন এতে কোন সন্দেহ নেই। আমিও ব্যাক্তিগত ভাবে ওনাকে পছন্দ করি।

স্বাস্থ্যযত্ন পাতার আরো খবর