রবিবার, মার্চ ৭, ২০২১
ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি দেখা বাকি আছে : হু প্রধান
২১এপ্রিল,মঙ্গলবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা সংক্রমণের মোকাবিলায় বিশ্বজুড়ে চলছে লকডাউন। সারাবিশ্ব এই প্রাণঘাতী ভাইরাসের সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে। কিন্তু সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি এখনও আসা বাকি। পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে। সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা হু ডিরেক্টর জেনারেল টেডরোস আধানোম ঘেবরেসাস এভাবেই সাবধান করলেন। ইতোমধ্যেই করোনা ভাইরাসে সারা বিশ্বে আক্রান্ত হয়েছে ২০ লাখের বেশি মানুষ। মৃত্যু হয়েছে ১ লাখ ৬৬ হাজারের বেশি মানুষের। জন হপকিনস বিশ্ববিদ্যালয়ের রিপোর্ট অনুযায়ী এই তথ্যই পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু হু প্রধান ঠিক কী কারণে মনে করছেন এই পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে তা স্পষ্ট করে বলেননি। তবে বেশ কিছু দেশে ইতোমধ্যেই লকডাউন ও বিভিন্ন বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করেছে। টেডরোস ১৯১৮-র স্প্যানিশ ফ্লু এর প্রসঙ্গ টেনে এনে বলেছেন, করোনাভাইরাস এর চেয়েও সাংঘাতিক। তিনি জেনিভার সংবাদমাধ্যমকে বলছেন, করোনা ভাইরাস খুবই সাংঘাতিক। ১৯১৮-র ফ্লুতে ১০ কোটি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। তিনি আরও বলেছেন, এখন আমাদের প্রযুক্তি উন্নত। আমরা এই বিপর্যয়কে নিয়ন্ত্রণে আনতে পারি। আমাদের সেই ক্ষমতা এখন আছে। বিশ্বাস করুন। কিন্তু এখনও পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। তিনি সাবধান করে বলছেন, আমাদের আরও ভয়াবহ পরিস্থিতি দেখা বাকি আছে। তাই এটা আমাদের আটকাতে হবে। এখনও অনেকে বুঝতে পারছেন না কতটা সাংঘাতিক এই ভাইরাস। উল্লেখ্য, ভারতে আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বেড়েই চলেছে। এই মুহূর্তে ১৭২৬৫ জন আক্রান্ত। মৃত্যু হয়েছে ৫৪৩ জনের। সুস্থ হয়েছেন ২৫৪৬ জন।
স্পেনে আক্রান্ত ২ লাখ ছুঁই ছুঁই, মৃত্যু ২০ হাজার
২০এপ্রিল,সোমবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিপর্যস্ত ইউরোপীয় দেশ স্পেনে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে না আসলেও করোনার তাণ্ডব কিছুটা কমেছে। তারপরও আক্রান্তের সংখ্যা দুই লাখ ছুঁই ছুঁই করছে। বিশ্বখ্যাত ওয়ার্ল্ডমিটার ও জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের দেয়া তথ্যানুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে আরও ৪ হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। এতে করে সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে ১ লাখ ৯৮ হাজার ৬৭৪ জনে পৌঁছেছে। অপরদিকে, এ সময়ে মারা গেছেন আরও ৪১০ জন নাগরিক। যা গত একমাসে সর্বনিম্ন। এ নিয়ে সেখানে প্রাণহানি ২০ হাজার ৪৫৩ জনে ঠেকেছে। যদিও, সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ৭৭ হাজার ৩৫৭ জন। করোনার থাবায় সাধারণ মানুষের সঙ্গে বিপর্যস্ত দেশটির স্বাস্থ্য ব্যবস্থাও। প্রতিনিয়ত আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে থাকায় চিকিৎসকরা সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন। ভাইরাসটির দাপট থামাতে এখনও লকডাউন চলছে। মরণ এ ব্যাধিতে শুধু ইউরোপেই ১ লাখের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। যেখানে সর্বোচ্চ মৃতের সংখ্যা ইতালিতে। ইউরোপের এই দেশটিতে বাংলাদেশ সময় আজ দুপুর পর্যন্ত ২৩ হাজার ৬৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ প্রায় ৭৯ হাজার। গত শনিবার রাতে স্প্যানিশ প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ ঘোষণা দিয়েছেন, আগামী ৯ মে পর্যন্ত দেশটিতে লকডাউন চলবে। যদিও ধীরে ধীরে বিধিনিষেধ কিছুটা শিথিল করা হচ্ছে। তবে এক্ষেত্রে সংক্রমণ বৃদ্ধির ঝুঁকি সামান্য বাড়লেও ফের কড়াকড়ি আরোপ করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। এছাড়া, আগামী ২৭ এপ্রিল থেকে শিশুদের বাইরে খেলাধুলার অনুমতি দেয়া হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী। গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের উহান শহর থেকে ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী ভাইরাসটিতে এখন পর্যন্ত বিশ্বের ১ লাখ প্রায় ৬৫ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত ২৪ লাখ ৫ হাজার ১২৭ জন। আর সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন সোয়া ছয় লাখের বেশি মানুষ।
জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্প
২০এপ্রিল,সোমবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাপানের পূর্ব উপকূলে সোমবার ভোরে একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। রিখটার স্কেলে এর তীব্রতা ছিল ৬.৪। তবে, এতে সুনামির কোন সতর্কতা জারি করা হয়নি। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা একথা জানায়। খবর এএফপির। ইউএসজিএস তাদের ওয়েবসাইটে জানায়, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল প্রশান্ত মহাসাগরের তলদেশের ৪১.৭ কিলোমিটার গভীরে এবং মিয়াগি অঞ্চল উপকূলের ৫০ কিলোমিটারের কম দূরত্বে। এদিকে, জাপানের আবহাওয়া সংস্থা (জেএমএ) জানায়, দেশটিতে আঘাত হানা ভূমিকম্পটির রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৬.১ এবং এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের ৫০ কিলোমিটার গভীরে। জাপানের কিয়োদো বার্তা সংস্থা জানায়, ভূমিকম্পের পর সুনামির কোন সতর্কতা জারি করা হয়নি। ভূমিকম্পটি ভোর সাড়ে ৫ টার (গ্রিনিচ মান সময় ২০৩০ টা) পরপরই আঘাত হানে। এর আগে ২০১১ সালে মিয়াগি অঞ্চলের প্রায় ১৩০ কিলোমিটার পূর্বে রিখটার স্কেলে ৯.০ তীব্রতার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল। এরফলে সৃষ্ট ভয়াবহ সুনামির আঘাতে ফুকুশিমা পরমাণু কেন্দ্র ধ্বংস হয় এবং প্রায় ১৬ হাজার মানুষ প্রাণ হারায়।
সৌদিতে তারাবীহ নামাজ স্থগিত!
১৩এপ্রিল,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজএকাত্তরডটকম:বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে সারাবিশ্ব মারাত্মক ঝুঁকির মুখে চলছে লকডাউন ও কারফিউ। মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরবেও করোনার সংক্রমণ দিন দিন বেড়ে চলছে। যার ফলে আসন্ন পবিত্র রমজান মাসে সৌদি আরবের মসজিদগুলিতে তারাবীহ নামাজ স্থগিত, দাওয়াহ ও গাইডেন্স ঘোষণা করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন সৌদি ইসলামিক বিষয়ক মন্ত্রণালয়। সৌদি আরবে কোভিড-১৯ মহামারী পরিস্থিতি যদি একই রকম থাকে তাহলে মসজিদে তারাবীহ না পড়ে ঘরে পড়া উচিত বলে আল রিয়াদের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন, সৌদি ইসলামিক বিষয়ক মন্ত্রী আবদুল লতিফ আল শেখ। তিনি বলেন, তারাবীহ নামাজের চেয়ে মসজিদে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ বেশি গুরুত্বপূর্ণ। যা করোনা ভাইরাসের কারণে স্থগিত রাখা হয়েছে। ঘরে বসে আমরা তারাবীহ নামাজ আদায় করি এবং মহান আল্লাহপাকের কাছে তারাবীহ নামাজ পড়ে এই সঙ্কটময় পরিস্থিতিতি থেকে উত্তরণের জন্য দোয়া করি।একুশে টেলিভিশন। তিনি বলেন, মসজিদে মসজিদে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সাময়িক স্থগিতাদেশকে সৌদি কর্তৃপক্ষ এক সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসাবে প্রয়োগ করেছিল যাতে দেশটিতে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে না পারে। সৌদি ইসলামি বিষয়ক মন্ত্রী আবদুল লতিফ আল শেখ আরও বলেন, এই পরিস্থিতিতে মৃত্যু ব্যাক্তির জানাজার নামাজ ৫ থেকে ৬ জনের বেশি যেন না হয় সেই দিকে লক্ষ্য রাখা এবং মৃত্যু ব্যক্তির জন্য ঘরে থেকে দোয়া করা উচিত বলে মনে করছেন তিনি। প্রসঙ্গত, সবশেষ তথ্য অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় সৌদি আরবে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪২৯ জন। মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৪৪৬২ জন। মারা গেছে ৭ জন, এই নিয়ে দেশটিতে মৃত্যের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৯ জনে। অন্যদিকে সুস্থ হয়েছেন ৪১ জন, দেশটিতে সর্বমোট সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ৭৬১ জন।
বিশ্বব্যাপি করোনায় মৃত্যু ১ লাখ ১৪ হাজার ২৪৭
১৩এপ্রিল,সোমবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজএকাত্তরডটকম:লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় আরো সাড়ে ৫ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য অনুযায়ী, প্রাণঘাতি ভাইরাসটিতে এ পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন বিশ্বের ১৮ লাখ ৫৩ হাজার ১৫৫ জন। এদের মধ্যে বর্তমানে ১৩ লাখ ১৫ হাজার ২৮৩ জন চিকিৎসাধীন এবং ৫০ হাজার ৮৫৩ জন (৪ শতাংশ) আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন। এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাস আক্রান্তদের মধ্যে ৪ লাখ ২৩ হাজার ৬২৫ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন এবং ১ লাখ ১৪ হাজার ২৪৭জন মারা গেছেন। গত বছরের ডিসেম্বরের চীন থেকে উৎপত্তি হওয়া প্রাণঘাতি করোনাভাইরাস বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২১০টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে।
বিশ্বব্যাপী করোনায় মৃত্যু ছাড়াল ১ লাখ ৮ হাজার
১২এপ্রিল,রবিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজএকাত্তরডটকম:মহামারি করোনা ভাইরাসের ছোবলে মৃতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। এ পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১ লাখ ৮ হাজার ৮২৮ জন। এখন পর্যন্ত এ ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে ১৭ লাখ ৮০ হাজার ৩১৫ জনের শরীরে। রোববার (১২ এপ্রিল) সকাল ৯টা পর্যন্ত এ সংখ্যা নিশ্চিত করেছে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের সংখ্যা ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা ওয়ার্ল্ডওমিটার। এরইমধ্যে ২১০টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়েছে করোনা ভাইরাস। আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছেন ৪ লাখ ৪ হাজার ৩১ জন। বর্তমানে চিকিৎসাধীন ১২ লাখ ৬৭ হাজার ৪৫৬ জন। এদের মধ্যে ১২ লাখ ১৬ হাজার ৮৬৪ জনের অবস্থা স্থিতিশীল এবং ৫০ হাজার ৫৯২ জনের অবস্থা গুরুতর। যুক্তরাষ্ট্রে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের ভয়াবহ তাণ্ডব চলছে। এই ভাইরাসে যুক্তরাষ্ট্রে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০ হাজার ৫৭৭ জনে। আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৩২ হাজার ৮৭৯ জনে। মৃতের সংখ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের পরে অবস্থানে রয়েছে ইউরোপের দেশ ইতালি। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ১৯ হাজার ৪৬৮ জন মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত হয়েছে ১ লাখ ৫২ হাজার ২৭১ জন। মৃত্যুর হিসেবে ইতালির পরের অবস্থানেই রয়েছে স্পেন। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ১৬ হাজার ৬০৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ৬৩ হাজার ২৭ জন। মৃত্যুর তালিকার চার নম্বরে রয়েছে ফ্রান্স। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ১৩ হাজার ৮৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ২৯ হাজার ৬৫৪ জন।
গরীব-অসহায়কে সাহায্য করার সময় সেলফি তুললে শাস্তি
১১এপ্রিল,শনিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:সেলফি তোলার সময় বজায় থাকছে না সামাজিক দূরত্ব। তাই গরীব বা অসহায় মানুষকে সাহায্য করার পর তার সঙ্গে ছবি তোলার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ভারতের রাজস্থানের কোটা জেলা প্রশাসন। কোটার জেলা প্রশাসকের বক্তব্য, সেলফি তোলার মোহে অনেকেই ভুলে যাচ্ছেন সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার কথা। তাই বাধ্য হয়ে সেলফিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে জেলা প্রশাসন। কেউ কোনও গরীব মানুষের মুখে খাবার তুলে দিচ্ছেন, কেউ বা দরিদ্রের হাতে চাল-ডালের মতো খাদ্যবস্তু তুলে দিচ্ছেন, আবার কোথাও হয়তো কোনও ভিক্ষুকের কাছে সামান্য ফল পৌঁছে দিচ্ছে একদল যুবক। সোশ্যাল মিডিয়ায় চোখ রাখলেই দেখতে পাওয়া যাচ্ছে ভারত কিংবা বাংলাদেশের এমন হাজারো ছবি। বেশিরভাগ ছবি দেখলেই মনে হবে কাউকে সাহায্য করাটা গৌণ। ছবি তোলাটাই যেন মূল উদ্দেশ্য! এর ফলে যাকে দান করছেন সেই সহায়-সম্বলহীন মানুষটাকে যে সামাজিক সমস্যায় পড়তে হতে পারে, সে কথা আমাদের মাথায় আসে না! তাছাড়া, বিশ্বজুড়ে করোনা ভাইরাস মহামারীতে ছবি তোলার সময় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার বিষয়টিও মেনে চলা হয় না। এর ফলে একদিকে যেমন সামাজিক অবক্ষয় হচ্ছে, অন্যদিকে তেমনি করোনা ছড়ানোর ঝুঁকিও থাকছে। কাউকে দান করেছি, দেখানোটা তো আমার প্রাপ্য। সেটা কেন ছাড়বো? তথাকথিত দানবীরদের এই মানসিকতার জন্যই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার বড়সড় ঝুঁকি থাকছে। করোনা-মোকাবেলায় বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ার প্রতি আসক্তি। এই ঝুঁকি থেকে বাঁচতে এই নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিয়েছে কোটা প্রশাসন। সাহায্যকারীদের উদ্দেশ্যে তাদের বার্তা- নিঃসন্দেহে আপনারা সাহায্য করে মানুষের উপকার করছেন। সেটা করুন। কিন্তু, কোনওভাবেই খাবার বিতরণের সময় সেলফি তোলা যাবে না এবং সর্বদা নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে কাজ করতে হবে। সূত্রঃ সংবাদ প্রতিদিন
ছাগলদের মুখে মাস্ক
১১এপ্রিল,শনিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:আমেরিকার নিউ ইয়র্ক চিড়িয়াখানায় একটি বাঘ আক্রান্ত হয়েছে কোভিড-১৯এ। সেই খবরে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন ভারতের তেলঙ্গানার এক ব্যক্তি। ছাগল প্রতিপালনই তার জীবিকা। তাই নিজের ছাগলদের করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে বাঁচানোর জন্য তাদের মুখে তিনি বেঁধে দিয়েছেন মাস্ক। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ছবি ছড়িয়ে পড়তেই তা নিয়ে চলছে আলোচনা। ওই ব্যক্তির নাম এ ভেঙ্কটেশ্বর রাও। তিনি তেলঙ্গানার খাম্মাম জেলার কাল্লুর এলাকার বাসিন্দা। বাঘ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে, এই খবর পাওয়ার পরই এই কাজ তিনি করেছেন বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আমার ২০টি ছাগল আছে। আমাদের কোনা চাষের জমি নেই। আমার পরিবার পুরোপুরি ওদের উপরই নির্ভরশীল। তাই বাঘের করোনাভাইরাস হয়েছে, তা শোনার পর আমি ওদেরকেও মাস্ক পরিয়ে দিয়েছি। ছাগলদের চরাতে নিয়ে যাওয়ার সময়ও তাদের মাস্ক পরাবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। কয়েক দিন আগেই নিউইয়র্কের চিড়িয়াখানায় চার বছরের বাঘ নাদিয়া কোভিড-১৯এ আক্রান্ত হয়েছে বলে জানা গিয়েছিল। লক্ষণ প্রকাশ না পাওয়া কোনও চিড়িয়াখানার কর্মীর থেকেই বাঘটি আক্রান্ত হয়েছে বলে, ধারণা কর্তৃপক্ষের। প্রাণীদের দেহ থেকে মানবদেহে করোনাভাইরাস সংক্রমিত হয় না, বলে মত বিশেষজ্ঞদের। কিন্তু মানবদেহ থেকে তা ছড়িয়ে প্রাণীদের মধ্যে সংক্রমণ ঘটাতে পারে। আনন্দবাজার।
বন্ধ যানবাহন ,হিন্দু বৃদ্ধার শেষকৃত্য মুসলিম যুবকদের কাঁধে
১১এপ্রিল,শনিবার,অনলাইন ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম:লকডাউনের জেরে বন্ধ যানবাহন পরিষেবা। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর এই সপ্তাহে মৃত্যু হয়েছিল এক বৃদ্ধার। কিন্তু করোনাভাইরাস আতঙ্কে তাঁর শেষযাত্রায় অংশ নেননি আত্মীয়-স্বজন। শেষে প্রতিবেশী মুসলিম যুবকরা এগিয়ে আসেন। তাঁরাই কাঁধে করে ওই হিন্দু বৃদ্ধার দেহ শেষকৃত্যের জন্য আড়াই কিলোমিটার হেঁটে শ্মশানে নিয়ে যান। এই ঘটনা সম্প্রতি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের ইনদওরে। সেই ঘটনার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক হারে ভাইরাল হয়েছে। তার পরই ওই সম্প্রীতির চিত্রকে কুর্নিশ জানাচ্ছেন নেটাগরিকরা। সেই ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ওই বৃদ্ধার দেহ কাঁধে করে নিয়ে যাচ্ছেন মুসলিম যুবকরা। তাঁদের মুখে মাস্ক ও মাথায় ফেজটুপি।৬৫ বছরের ওই বৃদ্ধা দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। গত সোমবার তাঁর মৃত্যু হয়। কিন্তু লকডাউনের কারণে তাঁর ছেলেদের আসতে দেরি হয়। তাঁর অধিকাংশ আত্মীয়ই অন্ত্যেষ্টীতে যেতে রাজি হননি। তখনই এগিয়ে আসেন ওই মুসলিম যুবকরা। তাঁদের মধ্যে এক যুবক এক সংবাদ সংস্থাকে বলেছেন, আমরা ওঁকে ছোট থেকে চিনতাম। এটা আমাদের কর্তব্যের মধ্যেই পড়ে।এই ঘটনার ছবি নিজের টুইটার হ্যান্ডল থেকে শেয়ার করেছেন মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কমল নাথ। সেই ছবি শেয়ার করে তিনি লিখেছেন, এটা সমাজে একটা উদাহরণ হয়ে রইল। এটাই আমাদের গঙ্গা-যমুনার সংস্কৃতিকে তুলে ধরেছে। এই দৃশ্য পারস্পরিক সৌভ্রাতৃত্ব ও ভালবাসাকে আর দৃঢ় করবে। সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

আন্তর্জাতিক পাতার আরো খবর