রবিবার, মার্চ ৭, ২০২১
ঘুষের বিনিময়ে কাজ, ক্ষমতাচ্যুত পেরুর প্রেসিডেন্ট
১০নভেম্বর,মঙ্গলবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঘুষের বিনিময়ে সরকারি কাজ নির্দিষ্ট একটি সংস্থাকে দেয়ার অভিযোগে পেরুর প্রেসিডেন্ট মার্টিন ভিজকারা দেশটির পার্লামেন্টে অভিশংসিত হয়েছেন। মঙ্গলবার পেরুর এই প্রেসিডেন্টকে ক্ষমতাচ্যুত করার পক্ষে পার্লামেন্টের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য ভোট দেন। ভিজকারা বলেছেন, তিনি সংসদ সদস্যদের ভোটের রায় মেনে নেবেন এবং এর বিরুদ্ধে কোনও ধরনের আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন না। শিগগিরই প্রেসিডেন্ট প্রাসাদ ছেড়ে যাবেন বলেও জানিয়েছেন তিনি। প্রেসিডেন্ট ক্ষমতাচ্যুত হওয়ায় কংগ্রেসের স্পিকার ম্যানুয়েল মেরিনো স্থলাভিষিক্ত হতে যাচ্ছেন বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে। প্রেসিডেন্ট ভিজকারার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল আগামী জুলাইয়ে। প্রেসিডেন্টের দুর্নীতি ঘিরে গত কয়েক মাস ধরে পেরুতে রাজনৈতিক সঙ্কট চলছে। গত দুই মাসে প্রেসিডেন্ট ভিজকারাকে ক্ষমতাচ্যুত করতে পার্লামেন্টে অন্তত দুবার উদ্যোগ নেয়া হয়। পেরুর দক্ষিণের মোকুগুয়া অঞ্চলের গভর্নর থাকাকালীন ৫৭ বছর বয়সী ভিজকারা প্রায় ৬ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার ঘুষের বিনিময়ে একটি সংস্থাকে সরকারি কাজ দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ উঠে। তবে বারবারই তিনি এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছিলেন। পার্লামেন্টে ভোটাভুটির আগে অভিশংসনের যেকোনও পদক্ষেপ দেশকে অর্থনৈতিক অস্থিতিশীলতার মধ্যে ফেলে দিতে পারে বলে সতর্ক করে দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট ভিজকারা। করোনাভাইরাস মহামারিতে বিপর্যস্ত দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশের অর্থনীতি ইতোমধ্যে তীব্র মন্দার কবলে পড়েছে।কিন্তু সোমবার দেশটির পার্লামেন্টের ১০৫ সদস্য প্রেসিডেন্ট ভিজকারাকে অভিশংসনের পক্ষে ভোট দেন। এছাড়া বিপক্ষে ভোট দেন পার্লামেন্টের মাত্র ১৯ জন সদস্য। ভোট দেয়া থেকে বিরত থাকেন চারজন।
মুসলিম দেশগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা বাতিল করবেন বাইডেন
০৯নভেম্বর,সোমবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন ডেমোক্র্যাট দলের জো বাইডেন। নির্বাচনে তিনি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছেন। আগামী জানুয়ারিতে তিনি প্রেসিডেন্ট হিসেবে ক্ষমতা গ্রহণ করবেন। তিনি ক্ষমতা গ্রহণের পর ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের অনুসৃত বেশকিছু নীতি বদলে দেয়ার পরিকল্পনা নিয়েছেন বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে। ২০২১ সালের ২০ জানুয়ারি জো বাইডেন আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমতা গ্রহণ করবেন। এরপর তিনি ট্রাম্প প্রশাসনের বেশ কিছু নীতি বাতিল করে নির্বাহী আদেশ দেবেন। ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে, যেসব মুসলিম প্রধান দেশের উপর ডোনাল্ড ট্রাম্প অভিবাসী নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিলেন সেগুলো খুব দ্রুত তিনি বাতিল করবেন। নিষেধাজ্ঞার তালিকায় ছিল ইরান, সিরিয়া, লিবিয়া, সোমালিয়া, ইয়েমেন, ভেনেজুয়েলা, উত্তর কোরিয়া, নাইজেরিয়া এবং মিয়ানমার। আফ্রিকার দেশ সুদানও এই তালিকায় ছিল। তবে পরবর্তীতে সৌদি নেতৃত্বাধীন আরব জোটে যোগ দিয়ে ইয়েমেনে বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নেয়ার কারণে সুদানকে সন্ত্রাসী তালিকা থেকে বাদ দেয় ট্রাম্প প্রশাসন। এছাড়া, যে সব কিশোর-তরুণ অবৈধভাবে তাদের স্বপ্ন পূরণের জন্য আমেরিকায় প্রবেশ করেছে তাদেরকে সে দেশে থাকার অনুমতি দেবেন বলে জানিয়েছেন বাইডেন। তিনি এ সংক্রান্ত আইন পুনর্বহাল করতে চাচ্ছেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকে বেরিয়ে গেছেন। এ চুক্তিও পুনর্বহাল করতে চান জো বাইডেন। এমনকি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে ট্রাম্প প্রশাসন বেরিয়ে গেলেও বাইডেন তাতে আবার ফিরে আসবেন বলে জানিয়েছেন। এদিকে, বাইডেনের কাছে পরাজয় স্বীকার করতে নারাজ প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। আইনি পথে নির্বাচনী ফলাফল চ্যালেঞ্জ করার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। তবে এসব নিয়ে মোটেও মাথা ঘামাচ্ছেন না নব-নির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট। বাইডেন জানিয়েছেন, তিনি দলমত নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ থাকতে চান। নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর জাতির উদ্দেশে দেয়া প্রথম ভাষণে জো বাইডেন বলেন, এই দেশের মানুষ মুখ খুলেছে। তারা আমাদের পরিষ্কার বিজয় দিয়েছে, একটা বিশ্বাসযোগ্য বিজয়। ডেলাওয়ারের উইলমিংটনে অগণিত সমর্থকের সামনে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, আমি এমন এক প্রেসিডেন্ট হওয়ার শপথ করছি, যে বিভাজন নয়, ঐক্যবদ্ধ করবে।
যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন
০৮নভেম্বর,রবিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: হেরে গেলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ডেমোক্রেট প্রার্থী জোসেফ রবিনেট বাইডেন জুনিয়র। এপির সর্বশেষ তথ্য বলছে, ওয়াশিংটন ডিসিসহ ৪৭ অঙ্গরাজ্যের ভোটই নির্ধারণ করেছে চূড়ান্ত ফল। তবে বিজয় নিশ্চিত হওয়ার পরে আরও এক রাজ্য জিতেছেন বাইডেন। সংবাদমাধ্যমটির তথ্য মতে, দেশজুড়ে বাইডেন পেয়েছেন ৭ কোটি ৪৮ লাখ ৭২ হাজারের বেশি ভোট। আর ট্রাম্প পেয়েছেন ৭ কোটি ৬ লাখ ২ হাজারের বেশি। আর ইলেকটোরাল কলেজেও বাইডেন ২৯০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। ট্রাম্প পেয়েছেন ২১৪ ভোট। এপির হিসাবে জো বাইডেন জয় পেয়েছেন পেনসিলভানিয়া, নাভাডা, ওয়াশিংটন, অরিগন, ক্যালিফোর্নিয়া, কলোরাডো, নিউ মেক্সিকো, ইলিনয়, ভার্জিনিয়া, নিউ জার্সি, ম্যারিল্যান্ড, নিউ ইয়র্ক, ভারমন্ত, ম্যাসাচুসেটস, নিউ হ্যাম্পশায়ার, কানেকটিকাট, রোড আইল্যান্ড, ডেলাওয়্যার, ডিস্টিক অব কলম্বিয়া, মেইন, মিশিগান, উইসকনসিন এবং অ্যারিজোনায়। অন্যদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প জিতেছেন আইডাহো, ওয়েমিং, ইউটাহ, নর্থ ডাকোটা, সাউথ ডাকোটা, নেব্রাস্কা, ক্যানসাস, ওকলাহোমা, আরকানসাস, লুইজিয়ানা, মিসিসিপি, টেনেসি, কেন্টাকি, ইন্ডিয়ানা, আলাবামা, সাউথ ক্যারোলাইনা, মিসৌরি, ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া, মন্টানা, টেক্সাস, ফ্লোরিডা, ওহাইও, আইওয়া এবং লোয়াতে। এখনো ফল বাকি আলাস্কা, জর্জিয়া, নর্থ ক্যারোলাইনার। এর মধ্যে জর্জিয়ায়ও জয় পেতে পারেন বাইডেন। সে হিসাবে তার মোট ইলেকটোরাল ভোট দাঁড়াবে ৩০৬ এ। এদিকে বাইডেনের জয়ে অভিনন্দন জানিয়েছেন দেশ-বিদেশের নেতারা।
ভিয়েনায় সন্ত্রাসী হামলা: বাংলাদেশি দ্বৈত নাগরিকসহ গ্রেফতার ১৪
০৬নভেম্বর,শুক্রবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় গত মঙ্গলবার ১৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে বাংলাদেশি দ্বৈত নাগরিকও রয়েছে বলে জানা গেছে। গ্রেফতারদের বয়স ১৮ থেকে ২৮ বছরের মধ্যে। ১৮টি বাড়ি তল্লাশি করে তাদের গ্রেফতার করা হয়। রয়টার্সসহ অস্ট্রিয়ার গণমাধ্যমগুলো এসব তথ্য জানিয়েছে। খবর বিবিসির। গত সোমবার এক বন্দুকধারী ভিয়েনায় গুলি চালিয়ে চারজনকে হত্যা করে। এ হামলার দায় স্বীকার করেছে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস)। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) তাদের পক্ষ থেকে দায় স্বীকার করে টেলিগ্রামে ছবিসহ একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে। হামলার ঘটনায় গ্রেফতারদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য-উপাত্তগুলো বিশ্লেষণ করা হচ্ছে বলে সংবাদমাধ্যমে জানানো হয়েছে। দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কার্ল নেহামার জানান, গ্রেফতার প্রায় সবারই অভিবাসনের ইতিহাস আছে। মোবাইল ফোনের ফুটেজ দেখে নিশ্চিত হওয়া যায়, সোমবার ভিয়েনায় বন্দুকধারী একাই ওই চারজনকে হত্যা করে। তবে এ নিয়ে অস্ট্রিয়ার গোয়েন্দা বাহিনী নানা বিভ্রান্তির মধ্যে ছিলেন বলেও জানান তিনি। ভিয়েনার পুলিশ প্রধান গেরহার্ড পুয়ার্স্টেল জানান, গ্রেফতারদের মধ্যে কয়েকজনের বাংলাদেশ, উত্তর ম্যাসেডোনিয়া, তুরস্ক বা রাশিয়ার দ্বৈত নাগরিকত্ব রয়েছে। বন্দুকধারী একাই হামলা চালিয়েছে বলে জানা যায়। তবে হামলার এই ঘটনা নিয়ে অস্ট্রিয়া ও স্লোভাকিয়ার মধ্যে গোয়েন্দা তথ্য নিয়ে বড় ধরনের বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। তাদের সঙ্গে কোনো সন্ত্রাসী সংগঠনের যোগসূত্র আছে কি-না, সে বিষয়ে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। গত জুলাইয়ে স্লোভাকিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা এক চিঠির মাধ্যমে অস্ট্রিয়া কর্তৃপক্ষকে জানায়, ২১ জুলাই দুজন ব্যক্তি, সম্ভবত আরব, তুর্কি বা চেচেন নাগরিক, তারা ব্রাতিস্লাভার অস্ত্রের দোকানে যায়। সেখান থেকে তারা একে-ফর্টি সেভেনের সরঞ্জাম কেনে। তাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ওই দুই ব্যক্তি অস্ট্রিয়ার নম্বর প্লেটযুক্ত বিএমডব্লিউ গাড়িতে করে আসে। এসব তথ্য ২৩ জুলাই ইউরোপোলের মাধ্যমে অস্ট্রিয়াকে জানানো হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কার্ল নেহামার বলেন, পরবর্তী পর্যায়ে তাদের মধ্যে যোগাযোগের ক্ষেত্রে কিছু বড় ধরনের ভুল হয়ে যায়। সেই ত্রুটিগুলোর বিষয়ে জানতে একটি স্বাধীন কমিশন গঠনের আহ্বান জানানো হয়েছে। ওই চিঠি অনুযায়ী, গত ১০ সেপ্টেম্বর ইউরোপীয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ইউরোপোলের মাধ্যমে অস্ট্রিয়ান কর্তৃপক্ষ স্লোভাকিয়াকে জানায়, অস্ট্রিয়ান পুলিশ দুজনের মধ্যে একজনের পরিচয় শনাক্ত করেছে। ওই দুই ব্যক্তি অস্ট্রিয়ান পুলিশের কাছে সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে জড়িত হিসেবে আগে থেকেই পরিচিত। এর মধ্যে একজনকে ২২ মাসের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছিল। চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়, গোলাবারুদ কেনার চেষ্টায় ব্যবহৃত গাড়িটি অন্য ২১ বছর বয়সী আরেক ব্যক্তির মায়ের নামে নিবন্ধিত ছিল। উগ্রপন্থী হওয়ায় তার বিরুদ্ধে আগেই মামলা হয়েছিল। ভিয়েনায় হামলার পরে তাকে গ্রেফতারের জন্য আদালতে আবেদনও জানানো হয়। অস্ট্রিয়ার জননিরাপত্তা বিভাগের মহাপরিচালক ফ্রানজ রুফ বলেন, স্লোভাকিয়া থেকে এই তথ্য পাওয়ার পর অস্ট্রিয়ার কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক পর্যায়ের গোয়েন্দা সংস্থা তথ্যগুলো প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই করে ব্রাতিস্লাভাতে আবারও প্রশ্ন পাঠায়। ওই বন্দুকধারী একইসঙ্গে অস্ট্রিয়া ও উত্তর ম্যাসেডোনিয়ার নাগরিক বলে জানা গেছে। তিনি গুলি চালানোর কয়েক মিনিটের মধ্যেই পুলিশ তাকে গুলি করে হত্যা করে। ওই তরুণের জন্ম ভিয়েনায়। তিনি সেখানেই বেড়ে ওঠেন। ইতোমধ্যে সিরিয়ায় ইসলামিক স্টেটে যোগদানের চেষ্টা করার জন্য দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন এবং কারাগারে ছিলেন তিনি। ২০১৮ সালের শেষের দিকে কর্তৃপক্ষ জানতো, অস্ট্রিয়ার ৩২০ জন ব্যক্তি সিরিয়া ও ইরাকের সন্ত্রাসী কাজে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিল বা অংশ নিতে চেয়েছিল। এর মধ্যে প্রায় ৫৮ জন এই অঞ্চলে মারা গেছেন এবং ৯৩ জন অস্ট্রিয়ায় ফিরেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। আরও ৬২ জনকে দেশ ছাড়তে বাধা দেয়া হয়েছিল। ২০ হাজারেরও বেশি মানুষ তাদের মোবাইল ফোনের ভিডিও কর্তৃপক্ষকে দিয়েছে। ওইসব ভিডিও বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ঘটনাস্থলে কেবল একজন বন্দুকধারী ছিল। সুইজারল্যান্ডও এই হামলার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে দুজনকে গ্রেফতার করেছে। দেশটির আইনমন্ত্রী বলেন, গ্রেফতার দুজনের সঙ্গে ওই বন্দুকধারীর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। অস্ট্রিয়ার সাথে সুইজারল্যান্ড এবং অন্য একটি দেশের সাথে যোগাযোগ ছিল। পুরো তদন্তকালে তিনি তাদের শনাক্ত করার বিষয়টি অস্বীকার করেন। গত মঙ্গলবার উত্তর ম্যাসেডোনিয়া জানিয়ে, তিনজন কোনো না কোনোভাবে এই হামলায় জড়িত ছিল এবং তাদের সবার অস্ট্রিয়ান ও উত্তর ম্যাসেডোনিয়ার দ্বৈত নাগরিকত্ব আছে।
নেভাদা ম্যাজিকের অপেক্ষায় যুক্তরাষ্ট্র
০৫নভেম্বর,বৃহস্পতিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট কে হচ্ছেন, সেই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করবে নেভাদা অঙ্গরাজ্য। মাত্র ছয়টি ইলেক্টোরাল কলেজ ভোট থাকা নেভাদাই এখন দেশটির ডিসাইডিং স্টেটে এ পরিণত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) পর্যন্ত ২৬৪ ইলেক্টোরাল কলেজ ভোট নিয়ে হোয়াইট হাউজের দ্বারপ্রান্তে আছেন ডেমোক্রেট প্রার্থী জো বাইডেন। জয়ের জন্য চাই আর মাত্র ৬ ভোট। সর্বশেষ উইসকনসিন এবং মিশিগানে শুরুতে পিছিয়ে থেকেও চমক সৃষ্টি করে শেষ পর্যন্ত রাজ্য ২টি থেকে ১৬ ইলেক্টোরাল ভোট নিজের সংগ্রহে আনেন বাইডেন। অবশ্য আশা আছে দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট এবং রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পেরও। সেক্ষেত্রে ফলাফল প্রকাশে বাকি থাকা পাঁচটি অঙ্গরাজ্যের সবগুলোতেই জিততে হবে তাকে। এ পর্যন্ত ট্রাম্প পেয়েছেন ২১৪টি ইলেক্টোরাল ভোট। এগুলোর মধ্যে ৪টিতেই এগিয়ে আছেন ট্রাম্প। আলাস্কা, জর্জিয়া, নর্থ ক্যারোলিনা এবং পেনসিলভানিয়া। এগুলোর বেশিরভাগ ভোটই গণনা হয়ে যাওয়ায় বাইডেনের এখানে তেমন কোনো আশা নেই। আর ঠিক এখানেই গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে আবির্ভাব হয় নেভাদার। রাজ্যটিতে এখনও ২৫ শতাংশ ভোট গণনা বাকি আছে। উভয় প্রার্থীর ব্যবধানও খুবই কম। মাত্র ৭ হাজার ৬৪৭ ভোটে এগিয়ে আছেন বাইডেন। শতকরার হিসেবে ৪৯.৩ শতাংশ ভোট পেয়েছেন বাইডেন। আর ৪৮.৭ শতাংশ ভোট পড়েছে ট্রাম্প শিবিরে। যেভাবে বাইডেন উইসকনসিন এবং মিশিগানে শেষ মুহূর্তের জয় এনেছেন একইভাবে ট্রাম্প ও বিজয়ী হতে পারেন। আর এমনটা হলে হোয়াইট হাউজ এর ঠিক দরজার বাইরে থেকে ফিরে যেতে হবে বাইডেনকে। বাইডেন এখানকার আর ৬টি ভোট ডেমোক্রেট শিবিরে তুলতে পারলে আগামী জানুয়ারিতে নতুন প্রেসিডেন্টকে বরণ করে নেবে হোয়াইট হাউস। কাজেই পুরো বিশ্বের নজর এখন নেভাদায়।
ভিয়েনায় সন্ত্রাসী হামলার দায় স্বীকার আইএসের
০৪নভেম্বর,বুধবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় সন্ত্রাসী হামলার দায় স্বীকার করেছে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস)। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) তাদের পক্ষ থেকে দায় স্বীকার করে টেলিগ্রামে ছবিসহ একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে। খবর রয়টার্সের। বিবৃতিতে কোনো প্রমাণ না দিয়ে কমপক্ষে চারজনকে হত্যা এবং ২২ জনকে আহত করেছে বলে তারা দাবি করেছে। জঙ্গিগোষ্ঠী তাদের বিবৃতিতে ওই ব্যক্তিকে আবু দুজানা আল-আলবানী হিসাবে চিহ্নিত করেছে। এর আগে ভিয়েনার ছয় স্থানে রাইফেল নিয়ে একদল হামলাকারী হামলা চালায়। যেখানে এক বন্দুকধারীসহ মোট চারজন নিহত হয়। ওই হামলায় আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে বলে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়। এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গোলাগুলির ঘটনায় ১৪ জন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এদের মধ্যে ছয়জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। হামলার ঘটনায় এক পুলিশ কর্মকর্তাও আহত হয়েছেন। অস্ট্রিয়ায় করোনার কারণে নতুন করে দেশজুড়ে কড়াকড়ি আরোপ করার কয়েক ঘণ্টা আগেই এই হামলার ঘটনা ঘটেছে। চলতি মাসের শেষ পর্যন্ত এই কড়াকড়ি জারি থাকবে বলে জানানো হয়েছে। কড়াকড়ির আওতায় সব ধরনের বার এবং রেস্টুরেন্ট বন্ধ রাখা হবে। অস্ট্রিয়ার চ্যান্সেলর সেবাস্তিযান কার্য এই হামলাকে বিদ্বেষপূর্ণ সন্ত্রাসী হামলা বলে উল্লেখ করেছেন। এদিকে, ভিয়েনায় গোলাগুলির ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ইউরোপীয় নেতারা। এই ভয়াবহ হামলায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।
সীমান্ত উত্তেজনার মধ্যেই বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন মোদি-শি জিনপিং
০৩নভেম্বর,মঙ্গলবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারত-চীন সীমান্তে উত্তাপ কমেনি। এর মধ্যেই চলতি নভেম্বর মাসে তিনবার চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত উত্তেজনা শুরুর পর এই প্রথমবার চীনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছেন মোদি। জানা গেছে, মোদি ও শি জিনপিং দুজনই সাংহাই কোঅপারেশন অরগানাইজেশনের বৈঠকে যোগ দিতে চলেছেন। আগামী ১০ নভেম্বর হওয়ার কথা এই বৈঠক। এরপর তারা যোগ দেবেন নভেম্বরের ১৭ তারিখ হতে চলা ব্রিকস সামিটে। ২১ ও ২২ নভেম্বর জি২০ সামিটেও অংশ নেবেন তারা। ব্রিকস ও এসসিও বৈঠকের নেতৃত্ব দিতে চলেছে রাশিয়া। এই দুই সম্মেলনের আয়োজকও রাশিয়া। অন্যদিকে জি২০ সামিট আয়োজন করছে সৌদি আরব। এই প্রথম এত বড় সামিটগুলো ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে আয়োজন করা হচ্ছে। জুন মাসের ১৫ তারিখে গালওয়ান সংঘর্ষের পর মোদি-শি জিনপিং বৈঠকের দিকে তাকিয়ে রয়েছে দুই দেশ। এই বৈঠকগুলোতে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে অভ্যন্তরীণ সহযোগিতা ও ক্রস বর্ডার টেররিজম নিয়ে কথা হতে পারে। ভারত ও চীনের মধ্যে সীমান্ত সমস্যার প্রসঙ্গও উঠে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এর আগে এই ধরনের বৈঠকের সাইড লাইন বৈঠকে ভারত-চীন সীমান্ত সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে এবার ভার্চুয়াল বৈঠকের কারণে সাইডলাইন বৈঠক সম্ভব নয়। তাই সরাসরি এই বৈঠকের মূল আলোচনার অংশেই ভারত-চীন সীমান্ত সমস্যার কথা উঠে আসতে পারে বলে বিশেষজ্ঞদের ধারণা। নভেম্বরকে এমনিতেই সম্মেলনের মাস হিসেবে ধরা হয়। এই বছর নভেম্বর মাসে এসসিও, জি২০ ও ব্রিকস ছাড়াও রয়েছে আশিয়ান সামিট। আশিয়ান ভার্চুয়াল সম্মেলন হতে চলেছে ১৩ থেকে ১৫ নভেম্বর। অন্যদিকে নভেম্বরের ৩০ তারিখ এসসিও-র সদস্য দেশগুলোর প্রধানদের আলোচনা হওয়ার কথা। আসিয়ানের আয়োজক দেশ ভিয়েতনাম। এসসিও প্রধানদের বৈঠক আয়োজন করছে নয়া দিল্লি। প্রোটোকল মেনে পাকিস্তান ও চীনকেও এই বৈঠকে আমন্ত্রণ জানাতে হবে। এসসিও সদস্যদেশগুলো হল ভারত, রাশিয়া, চীন, পাকিস্তান, কাজাখস্তান, কিরঘিজস্তান, তাজিকিস্তান, উজবেকিস্তান। তথ্যসূত্র: কলকাতা২৪
তুরস্ক-গ্রিসে শক্তিশালী ভূমিকম্প: নিহত বেড়ে ২৬
০২নভেম্বর,সোমবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তুরস্ক ও গ্রিসে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত মানুষের সংখ্যা বেড়ে ২৬ এ পৌঁছেছে। এরমধ্যে তুরস্কেরই ২০ জনের মতো। এছাড়া ধসে পড়া ভবনগুলোর ধ্বংসস্তূপে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা। এএফপি বলছে, ভূমিকম্পের কারণে উপকূলে আছড়ে পড়েছে ঢেউ। বেশকিছু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। সামোস দ্বীপতীরবর্তী অ্যাজিয়ান সাগরে ছোট আকারে সুনামি সৃষ্টি হয়েছে। সাগরে জলোচ্ছ্বাসের কারণে তুরস্কের পশ্চিম উপকূলের একটি শহরে রাস্তাগুলো নদীতে পরিণত হয়েছে। ভূমিকম্পে বহু ঘরবাড়ি ভেঙে পড়েছে। চাপা পড়েছে বহু গাড়ি। প্লাবিত হয়েছে সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল। ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও মরদেহ থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তুরস্ক জানিয়েছে, ১৭টি বিধ্বস্ত ভবনে উদ্ধার অভিযান চালানো হচ্ছে। এখন পর্যন্ত ৭০ জনের বেশি মানুষকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ১৯৬টি ভূমিকম্প পরবর্তী কম্পন অনুভূত হয়েছে। এর মধ্যে ২৩টির মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৪ এর উপরে। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) বলছে, ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৭। তবে তুরস্কের দুর্যোগ ও জরুরি ব্যবস্থাপনা সংস্থা (এএফএডি) বলছে, গ্রিনিচ সময় ১১টা ৫০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিট) আঘাত হানা ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৬ দশমিক ৬। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করা ভিডিওগুলোতে দেখা যাচ্ছে, পানির তোড়ে রাস্তা দিয়ে বিভিন্ন আসবাবপত্র ভেসে যাচ্ছে। এমনকি গাড়িও ভেসে যেতে দেখা যাচ্ছে। অপরদিকে গ্রিসের স্যামোস দ্বীপে অন্তত ৪৫ হাজার মানুষের বাস। তাদের সমুদ্র উপকূল থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ইউএসজিএস বলছে, ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল তুরস্কের ইজমির প্রদেশ। এটি এথেন্স এবং ইস্তাম্বুলেও অনুভূত হয়। তুরস্ক অন্যতম ভূমিকম্পপ্রবণ একটি দেশ। ১৯৯৯ সালের আগস্টে সেখানে ৭ দশমিক ৬ মাত্রার ভূমিকম্পে ইজমিত শহরে ১৭ হাজার মানুষ মারা যান। ২০১১ সালের ভূমিকম্পে ভ্যান শহরে মারা যান কমপক্ষে ৫০০ মানুষ।
লকডাউন জারি করছে ইংল্যান্ড
৩১অক্টোবর,শনিবার,আন্তর্জাতিক ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পুরো ইংল্যান্ডে এক মাসের লকডাউন জারি করতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। এই লকডাউন ক্রিসমাসের আগেই শেষ হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে। সোমবার নতুন করে স্টে অ্যাট হোম অর্ডার ঘোষণা হতে পারে। নতুন বিধি-নিষেধের আওতায় সব স্কুল, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হবে। খবর বিবিসির। ইউরোপজুড়ে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়েছে। ফলে অনেক দেশই ইতোমধ্যেই কড়াকড়ি ও লকডাউন জারি করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে ইউরোপের অন্যান্য দেশের তুলনায় যুক্তরাজ্যে করোনা সংক্রমণে মৃত্যুর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করা গেছে। দেশটিতে সংক্রমণও দ্রুত গতিতে বাড়তে শুরু করেছে। ফলে নতুন করে কড়াকড়ি আরোপ করতে বাধ্য হচ্ছে প্রশাসন। সাম্প্রতিক সময়ে সতর্ক করা হয়েছে যে, দেশটিতে করোনা সংক্রমণে দৈনিক মৃত্যু ৪ হাজারে পৌঁছাতে পারে। মাত্র দুদিন আগেই বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন যে, ইংল্যান্ডে প্রতিদিন প্রায় এক লাখ মানুষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছে। সাম্প্রতিক এক বিশ্লেষণ থেকে এ তথ্য উঠে এসেছে। লন্ডনের ইম্পেরিয়াল কলেজের এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, মহামারির গতি ত্বরান্বিত হচ্ছে এবং প্রতি ৯ দিনে সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা দ্বিগুণ হচ্ছে। গবেষকরা বলছেন, আমরা একটি জটিল অবস্থার মধ্যে আছি। বেশ কিছু জিনিস পরিবর্তন করা প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেন তারা। পুরো ইউরোপজুড়েই করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়েছে। বেশিরভাগ দেশেই সংক্রমণ ও মৃত্যু দ্রুত গতিতে বাড়তে দেখা গেছে। তবে ইংল্যান্ডে পরবর্তীতে কি পদক্ষেপ নেওয়া হবে সে বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদের সব সদস্যদের নিয়ে এখনও কোনো আলোচনা হয়নি এবং এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তও হয়নি। তবে করোনা নিয়ন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী জনসন কঠোর পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছেন বলেই ধারণা করা হচ্ছে। ব্রিটেনে শীতকালীন সময়ে করোনায় প্রায় ৮৫ হাজার মানুষের মৃত্যু হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় শুধু ইংল্যান্ডই নয়, এর মধ্যেই জার্মানি, ফ্রান্স, বেলজিয়ামের মতো দেশগুলোও দ্বিতীয় দফায় লকডাউনে ফিরেছে। গত ৩১ ডিসেম্বর চীনের হুবেই প্রদেশে প্রথম করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ে। তারপর থেকে এখন পর্যন্ত বিশ্বের দুই শতাধিক দেশ ও অঞ্চলে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এখন পর্যন্ত করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুতে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এই তালিকায় ৯ম স্থানে রয়েছে যুক্তরাজ্য। ওয়ার্ল্ডোমিটারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৯ লাখ ৮৯ হাজার ৭৪৫। এর মধ্যে মারা গেছে ৪৬ হাজার ২২৯ জন।

আন্তর্জাতিক পাতার আরো খবর