শুক্রবার, ফেব্রুয়ারী ২৬, ২০২১
পবিত্র শবে মেরাজ ১১ মার্চ
১২,ফেব্রুয়ারী,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি রোববার থেকে পবিত্র রজব মাস গণনা শুরু হবে। এ প্রেক্ষিতে পবিত্র শবে মেরাজ পালন করা হবে আগামী ১১ মার্চ বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে। শুক্রবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির এক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আলতাফ হোসেন চৌধুরী। সভায় জানানো হয়, পবিত্র রজব মাসের চাঁদ দেখা সম্পর্কে সব জেলা প্রশাসন, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এবং মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত তথ্য নিয়ে পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে, বাংলাদেশের আকাশে আজ শুক্রবার (১২ ফেব্রুয়ারি) কোথাও ১৪৪২ হিজরি সালের পবিত্র রজব মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে আগামীকাল শনিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) পবিত্র জমাদিউস সানি মাস ৩০ দিন পূর্ণ হবে এবং আগামী রোববার (১৪ ফেব্রুয়ারি) থেকে পবিত্র রজব মাস গণনা করা হবে। এই প্রেক্ষিতে আগামী ২৬ রজব ১৪৪২ হিজরী, ২৬ ফাল্গুন ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১১ মার্চ বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে পবিত্র শবে মেরাজ পালিত হবে। সভায় তথ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মিজান-উল-আলম, ওয়াকফ প্রশাসক আব্দুল্লাহ সাজ্জাদ, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহা-পরিচালক ফারুক আহম্মেদ (অতিরিক্ত দায়িত্ব), মন্ত্রি পরিষদ বিভাগের উপ-সচিব মো. শাফায়াত মাহবুব চৌধুরী, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মো. মাহবুব আলম, অতিরিক্ত প্রধান তথ্য কর্মকর্তা মো. শাহেনুর মিয়া, বাংলাদেশ টেলিভিশনের উপ-পরিচালক মো. আবদুর রহমান, বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠানের পিএসও আবু মোহাম্মদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
কাবা শরিফ-মদিনায় জুমআ পড়াবেন শায়খ জুহানি ও হুসাইন
১৫,জানুয়ারী,শুক্রবার,ধর্ম ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আলহামদুলিল্লাহ! কাবা শরিফ ও মদিনায় পবিত্র জুমআ অনুষ্ঠিত হবে। মহামারি করোনার প্রাদুর্ভাবের সর্বোচ্চ সতর্কতা ও নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে জুমাদা আল-আখিরাহর প্রথম জুমআ আজ। দুই পবিত্র মসজিদের খুতবাহ ও জুমআর নামাজের জন্য দুইজন সম্মানিত শায়খকে নির্বাচিত করেছে হারামাইন কর্তৃপক্ষ। আজ ১৫ জানুয়ারি ২০২১ মোতাবেক ০২ জুমাদা আল আখিরা। নতুব বছরের তৃতীয় জুমআ ও জুমাদা আল-আখিরার প্রথম জুমআ আদায়ে মুসলিম উম্মাহর সবার জন্য উন্মুক্ত রয়েছে মক্কা ও মদিনা। যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে নামাজে অংশগ্রহণকারীরা যাদের খুতবাহ শুনবেন- কাবা শরিফ : প্রখ্যাত ইসলামিক স্কলার প্রসিদ্ধ ইমাম ও খতিব শায়খ ড. আব্দুল্লাহ আওয়াদ আল জুহানি।- মদিনা মুনাওয়ারা : প্রসিদ্ধ ইমাম ও খতিব শায়খ ড. হুসাইন আল আশ-শায়খ। তবে সর্বোচ্চ স্বাস্থ্য নিরাপত্তা জন্য যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাস্ক পরে নিজস্ব মুসাল্লাসহ এ দুই পবিত্র মসজিদে জুমআর নামাজে পড়তে মুসল্লিদের অংশগ্রহণ করতে হবে। উল্লেখ্য, সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জুমআর নামাজের খুতবা ও নামাজ সরাসরি সম্প্রচার করবেন। হারামাইনডট ইনফোসহ অনেক চ্যানেলেও এ নামাজ সরাসরি সম্প্রচারিত হয়।
যেসব ভুলে পর্বত সমান নেক আমলও ধূলিকণায় পরিণত হবে
০৭,জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,ধর্ম ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মর্যাদার দিক থেকে সৃষ্টি জগতে মানুষই সেরা। এদের মধ্যে যারা আল্লাহর বিধান যথাযথভাবে পালন করেন তারা দুনিয়া ও পরকালে সফল। কিন্তু এমন কিছু মানুষ আছে যারা আল্লাহর ইবাদত-বন্দেগি করার পরও কিছু ভুল বা অন্যায়ের কারণে তাদের আমলনামায় থাকা পর্বত সমান নেকগুলো কোনো কাজে আসবে না বলে সতর্ক করেছেন বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। সেসব লোক কারা? কী তাদের অন্যায়? প্রকাশ্যে ভালো কাজ তথা ইবাদত-বন্দেগির বিনিময়ে মহান আল্লাহ তাআলা বান্দাকে অনেক নেক দান করবেন। বড় বড় পর্বত সমান নেকও সামান্য ভুল তথা অন্যায়ের কারণে কোনো কাজে আসবে না। হাদিসে বর্ণনায় তাদের সুস্পষ্ট বিবরণ ওঠে এসেছে- হজরত সাওবান রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, অবশ্যই আমি আমার উম্মাতের কয়েকটি দল সম্পর্কে জানি, যারা কেয়ামতের দিন তিহামার শুভ্র পর্বতমালার সমতুল্য নেক আমল নিয়ে উপস্থিত হবে। কিন্তু মহান আল্লাহ তাআলা সেগুলোকে বিক্ষিপ্ত ধূলিকণায় পরিণত করে দেবেন। (এ কথা শুনে) হজরত সাওবান রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, হে আল্লাহর রাসুল! তাদের পরিচয় পরিস্কারভাবে আমাদের কাছে বর্ণনা করুন; যাতে আমরা যেন নিজেদের অজান্তে তাদের দলভূক্ত হয়ে না যাই। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন- তারা তোমাদেরই ভাই; তোমাদের সম্প্রদায়ের অন্তর্ভূক্ত। তোমাদের সঙ্গেই (একই সমাজে) বসবাস করে। তারা রাতের বেলা তোমাদের মতই (আল্লাহর) ইবাদত করে। কিন্তু তারা এমন লোক যে- একান্ত গোপনে আল্লাহর হারামকৃত বিষয়ে লিপ্ত হয়। (ইবনে মাজাহ)। হারাম কাজগুলো কী হতে পারে? কুরআনুল কারিমের ঘোষণা- নিশ্চয়ই শয়তান মানুষের প্রকাশ্য দুশমন। এ শয়তানের প্ররোচনায় মানুষ অনেক সময় আল্লাহ তাআলা কর্তৃক হারাম ঘোষিত কাজও করে থাকে। অথচ তারা সমাজে সবার সঙ্গে আল্লাহর সব বিধান মেনে চলা ব্যক্তি। কিন্তু গোপনে সুযোগ পেলেই- দৃষ্টির খেয়ানত করে। সামনাসামনি কারো দিকে না তাকালেও পেছনে কিংবা লুকিয়ে এ কাজটি করে থাকে। লজ্জাস্থানের খেয়ানত করে। সবার সামনে অনেক পরহেজগার কিন্তু লোক চোখের অন্তরালে চারিত্রিক কুলষতায় জড়িয়ে পড়ে। মানুষের অধিকার নষ্ট করে। গোপনে মানুষ ধন-সম্পদ, জমা-জমি ও ফল-ফসলের ক্ষতি করে। নির্জনে ইচ্ছা-অনিচ্ছায় জানা-অজানা হারাম অনেক কাজে নিয়োজিত হয়। প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এ হাদিসে মানুষের গোপন সেসব অন্যায় অপরাধের ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন করার কথা বলেছেন। যেন তাদের এসব অন্যায় অপরাধের কারণে দুনিয়ার জীবনের সব নেক আমলগুলো পরকালে ধূলিকনায় পরিণত না হয়। আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে হাদিসের ওপর যথাযথ আমল করার তাওফিক দান করুন। গোপনে হারাম কাজে জড়িত হওয়া থেকে বিরত থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন।
নবিজীকে কেন ভালোবাসবেন?
১৯নভেম্বর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সন্তান-সন্তুতি, মা-বাবা তথা নিজের জীবনের চেয়েও বেশি ভালোবাসতে হবে যাকে; তিনি হলেন হজরত মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। কেন নবিজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে এতবেশি ভালোবাসতে হবে? এ সম্পর্কে কুরআন-সুন্নাহর নির্দেশনাই বা কী? হাদিসে পাকে প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামই এ কেন ভালোবাসতে হবে- এর উত্তর দিয়েছেন সুস্পষ্টভাবে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে এতটা ভালোবাসার নামই- ঈমান। তাতে মুমিন মুসলমানের ঈমান পরিপূর্ণতা লাভ করে। হাদিসে এসেছে- হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, সেই আল্লাহর শপথ! যাঁর হাতে আমার প্রাণ, তোমাদের কেউ প্রকৃত মুমিন হতে পারবে না; যতক্ষণ না আমি তার নিজের জীবনের চেয়ে, তার বাবা-মা ও সন্তানাদির চেয়ে অধিক ভালোবাসার পাত্র হই। (বুখারি)। হ্যাঁ পরিপূর্ণ মুমিন হতে দুনিয়ার জীবনে সবকিছুর চেয়ে বেশি প্রিয় নবিকে ভালোবাসতে হবে। তবে এমন ভালোবাসা নয় যে, মুখে মুখে এ কথা বলা- হে রাসুল! আমি তোমাকে ভালোবাসি; হে রাসুল! আমি আপনাকে ভালোবাসি। না, এমন ভালোবাসা নয়। এ ভালোবাসা হবে প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আদর্শকে ভালোবাসা। যার প্রথমেই রয়েছে- তাওহিদ ও রেসালাত তথা আল্লাহ ছাড়া ইবাদতের উপযুক্ত কোনো উপাস্য নেই আর হজরত মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মহান আল্লাহর রাসুল-এ কথার প্রতি মনে প্রাণে বিশ্বাস করা। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের রেখে যাওয়া সুন্নাতের হুবহু অনুসরণ ও অনুকরণ করা। আর এর মাধ্যমেই মুমিন বান্দার জন্য দুনিয়া ও পরকালের সফলতা লাভ করা। কুরআনুল কারিমে আল্লাহ তাআলা এ ভালোবাসার কথাই তুলে ধরেছেন। আল্লাহ তাআলা বলেন- (হে রাসুল! আপনি) বলে দিন, তোমরা যদি আল্লাহকে ভালোবাসতে চাও তবে আমাকে অনুসরণ কর। তাহলে আমার (রেখে যাওয়া আদর্শ) অনুসরণ করলে আল্লাহ তোমাদের ভালোবাসবেন আর (যারফলে আল্লাহ) তোমাদের গোনাহ ক্ষমা করে দেবেন। আল্লাহ অত্যন্ত ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু। (সুরা আল- ইমরান : আয়াত ৩১)। এ আয়াতে দুইটি বিষয় সুস্পষ্টভাবে বলে দেয়া হয়েছে। প্রথমটি হলো- আল্লাহর ভালোবাসা লাভে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অনুসরণ করতে হবে। অর্থাৎ রাসুলকে মুখে মুখে ভালোবাসি বলে তার সুন্নাতের অনুসরণ-অনুসরণ না করলে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জিত হবে না। পাওয়া যাবে না আল্লাহর ভালোবাসা। দ্বিতীয় বিষয়টি হলো- আল্লাহর ঘোষণা অনুযায়ী ভালোবাসার সঙ্গে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাতের অনুসরণ করলেই আল্লাহর ভালোবাসা অর্জিত হবে। আর তাতে আল্লাহ তাআলা বান্দাকে ক্ষমা করে দেবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন। যার ফলে বান্দা নিষ্পাপ হয়ে পরকালের সফলতা লাভ করবে। সুতরাং মুমিন মুসলমান, ছোট-কিংবা বড়, শুভ্র কিংবা প্রেীঢ়, কিশোর কিংবা যুবক প্রতিটি বয়সের মানুষের জন্য বিশ্বনবিকে ভালোবাসা এবং সুন্নাতের অনুসরণ ও অনুকরণ করাই হলো মুমিন হওয়ার পূর্বশর্ত। যে বিষয়টি সুস্পষ্ট করতে অন্য আয়াতে আল্লাহ তাআলা তাঁর জিকিরকারী বান্দাদের উদ্দেশ্যে ঘোষণা করেন- তোমাদের মধ্যে যারা আল্লাহ ও পরকালকে ভয় করে এবং আল্লাহকে বেশি স্মরণ করে তাদের জন্য রাসুলুল্লাহর (চরিত্রের) মধ্যে উত্তম (অনুসরণীয়) আদর্শ রয়েছে। (সুরা আহজাব : আয়াত ২১)। কেন নবিজীকে ভালোবাসবো? কারণ প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জীবনভর এ আদর্শ বাস্তবায়নে ত্যাগের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন। এমন কষ্ট খুব কম আছে, যা তিনি ভোগ করেননি। এত কষ্টের পরও তিনি নিজ উম্মতকে ভুলে যাননি। কোনো উম্মতের উপর নিজ জাতিকেও স্থান দেননি। কেননা তার কণ্ঠের সূরধ্বনিই ছিল- উম্মতি, উম্মতি অর্থাৎ হে আমার উম্মাত! হে আমার উম্মাত। তাওহিদ-রেসালাতে জীবন গড়ো। আমারই আদর্শ অনুসরণ ও অনুকরণ করো। এতেই রয়েছে নাজাত। আর এতেই রয়েছে মুক্তি। কেন নবিজীকে ভালোবাসবেন? এর উত্তর রয়েছে, তায়েফে ইসলাম প্রচারের ঘটনায়। তাওহিদ ও রেসালাতের দাওয়াত দিতে গিয়ে রক্তাত হয়েছিলেন তায়েফের জমিনে। ফেরেশতারা পাহাড় উল্টিয়ে দেয়ার অনুমতি চেয়েছিল। তিনি তোতে সম্মতি হননি বরং তাদের জন্য দোয়া করেছিলেন। তাদের ক্ষমা করে দিয়েছিলেন। উদ্দেশ্য একটাই- মানুষকে পরকালের কঠিন পরিস্থিতি থেকে হেফাজত করা। মুসলমানকে প্রিয় নবির চেতনায় উদ্বুদ্ধ হতে হবে যে, তাঁর আদর্শ বাস্তবায়নে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হতে হবে। দুনিয়ার দিকে দিকে ইসলামের শান্তি ও সৌন্দর্য তুলে ধরতে হবে। পরিপূর্ণ মুমিন হওয়ার দাবিতে এগিয়ে আসতে হবে। মুসলিম উম্মাহর হৃদয়ে বিশ্বনবি ভালোবাসা অটুট রাখতে হবে। আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আদর্শ বাস্তবায়নের মাধ্যমে তাঁর খাঁটি প্রেমিক হওয়ার তাওফিক দান করুন। পরিপূর্ণ ঈমানদার হওয়ার জন্য তাঁকে জীবনের চেয়েও বেশি ভালোবাসার তাওফিক দান করুন। গোনাহমুক্ত জীবন লাভ ও পরকালের নাজাত লাভের তাওফিক দান করুন। আমিন।
জুমআর দিনজুড়ে যেসব আমল করবেন মুমিন
১৬,অক্টোবর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সপ্তাহ ঘুরে ফিরে আসে জুমআ। এটি মুসলিম উম্মাহর ইবাদতের শ্রেষ্ঠ দিন। এ দিনজুড়ে রয়েছে অনেক আমল ও ইবাদত। প্রতিটি আমল ও ইবাদত সম্পর্কেই রয়েছে হাদিসের নির্দেশনা। কিন্তু বিশেষ একটি ইবাদত হলো সুরা কাহফ তেলাওয়াত করা। কিন্তু কোন সময়ে এ সুরাটি তেলাওয়াত করতে হয়? জুমআর দিন অযথা সময় নষ্ট না করে দ্রুত ইবাদত-বন্দেগিতে ধাবিত হওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে কুরআনুল কারিমে মহান আল্লাহ ঘোষণা করেন- হে ঈমানদরগণ! জুমআর দিনে যখন নামাজের আজান দেয়া হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণের পানে দ্রুত ধাবিত হও এবং বেচাকেনা বন্ধ কর। এটা তোমাদের জন্যে উত্তম যদি তোমরা বুঝ। (সুরা জুমআ : আয়াত ৯) জুমআর দিন মুমিন বান্দার ইবাদত-বন্দেগির দিন। পুরো দিনজুড়ে বিভিন্ন মুহূর্তে আল্লাহ তাআলা বান্দার জন্য বিশেষ পুরস্করের ঘোষণা দিয়েছেন। আমলের বর্ণনা দিয়েছেন। এ দিনজুড়ে বিভিন্ন কাজের উপদেশও দিয়েছেন। যার প্রতিটিই ইবাদত ও আমলের শামিল। এসব আমলের সবই হাদিসে বর্ণিত। তা হলো- ১.গোসল করা। ২.ফজরের ফরজ নামাজে সুরা সাজদা ও সুরা দাহর/ইনসান তেলাওয়াত করা। ৩.উত্তম পোশাক পরা। ৪. সুগন্ধি ব্যবহার করা। ৫.আগেভাগে মসজিদে যাওয়া। ৬.সুরা কাহফ তেলাওয়াত করা। ৭.মসজিদে গিয়ে কমপক্ষে দুই রাকাআত সুন্নত নামাজ আদায় করা। ৮.ইমামের কাছাকাছি গিয়ে বসা। ৯.মনযোগ দিয়ে খোতবা শোনা। ১০.খোতবা চলাকালে কোনো কথা না বলা। ১১.দুই খোতবার মাঝের সময়ে বেশি বেশি দোয়া করা। অন্য সময়ে দোয়া করা। কারণ এদিন দোয়া কবুল হয়। ১২.রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উপর সারাদিন যথাসম্ভব বেশি দরূদ পাঠ করা। জুমআর দিনের বিশেষ আমল: জুমআর দিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত রয়েছে আমলের হাতছানি। হাদিসের বিভিন্ন বর্ণনায় ফজর থেকে শুরু করে সন্ধ্যা পর্যন্ত পুরো দিনটিই আমলের নির্দেশনা রয়েছে। দিনের যে কোনো সময় সুরা কাহফ তেলাওয়াতের বর্ণনা যেমন রয়েছে, তেমনি এ সুরার তেলাওয়াতেরও রয়েছে বিশেষ ফজিলত ও মর্যাদা। হাদিসে এসেছে- হজরত ইবনে উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমআর দিন সুরা কাহফ তেলাওয়াত করবে; তার পায়ের তলদেশ থেকে আসমান পর্যন্ত একটি আলো উৎসারিত হবে, যা কেয়ামতের দিন তার আলোর কাজে দেবে। আর তার দুই জুমআর মাঝের (সগিরা গোনাহ) মাফ করে দেয়া হবে। (আত-তারগিব ওয়াত-তারহিব)। হজরত আবু সাঈদ খুদরি রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি জুমআর দিন সুরা কাহফ পড়বে; তার জন্য তা দুই জুমআর মধ্যবর্তী সময়ে নুর হয়ে আলো দান করবে। (মুসতাদরাকে হাকেম, বায়হাকি)। হজরত আবু সাঈদ খুদরি রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, যে ব্যক্তি জুমআর দিন সুরা কাহ্ফ পড়বে, তা তার জন্য তার ও কাবা ঘরের মধ্যবর্তী স্থানকে নুর দ্বারা আলোকিত করে তুলবে। (বায়হাকি)। সুরা কাহফ তেলাওয়াতের সময়: বৃহস্পতিবার সূর্য ডোবার পর থেকে শুক্রবার সন্ধ্যা হওয়ার আগ পর্যন্ত দীর্ঘ সময় জুমআর দিন হিসেবে পরিগণিত। এ সময়ের মধ্যে সুরা কাহফ তেলাওয়াত করলেই হাদিসে উল্লেখিত ফজিলত লাভ করবে মুমিন। সুতরাং মুমিন মুসলমানের উচিত, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে শুরু করে জুমআর দিন সকাল, নামাজে যাওয়ার প্রস্তুতি, খোতবা শোনা, জুমআ আদায় করা, দরূদ পড়া, আসর থেকে মাগরিব ইবাদত-বন্দেগিতে নিয়োজিত থাকা। সুরা কাহফ তেলাওয়াত করা। আল্লাহর কাছে দুনিয়া ও পরকালের কল্যাণে দোয়া করা এবং ক্ষমা প্রার্থণা করা। আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে জুমআর দিনব্যাপী উল্লেখিত আমল ও কাজে নিজেদের নিয়োজিত রাখার তাওফিক দান করুন। হাদিসের উপর আমল করার তাওফিক দান করুন। আমিন।
এবার দ্বিতীয় দফায় ওমরাহ করতে পারবেন আড়াই লাখ মানুষ
১৩,অক্টোবর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী ১৮ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে এবারের ওমরাহের দ্বিতীয় পর্ব। এ পর্বে প্রবাসীসহ সৌদি আবরের আড়াই লাখ নাগরিক ওমরাহ পালনের সুযোগ পাবেন। এই আড়াই লাখ নাগরিকসহ এই দফায় মোট ছয় লাখ মুসলিমকে মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদে ইবাদত করার অনুমতি দিয়েছে সৌদি সরকার। তবে আগামী ১ নভেম্বর থেকে শুরু হতে যাওয়া ওমরাহের তৃতীয় পর্বে সৌদির আবরের বাইরের দেশের নাগরিকরা ওমরাহ করার সুযোগ পাবেন। এ সময় থেকে প্রতিদিন ২০ হাজার মানুষ ওমরাহ পালন করতে পারবেন এবং মসজিদের ভেতরে ৬০ হাজার মানুষকে নামাজ পড়ার অনুমতি দেয়া হবে বলেও ঘোষণা করেছে সৌদি হজ ও ওমরাহ কর্তৃপক্ষ। সৌদির হজ ও ওমরাহ সম্পর্কিত জাতীয় কমিটির সদস্য হানি আল ওমাইরি জানিয়েছেন, এবার মুসল্লিরা আল রাওয়াদাহ আল শরিফা এবং মদিনায় মসজিদে নববির পুরোনো মসজিদ এলাকায় যাওয়ার সুযোগ পাবেন। তিনি আরও জানান, ওমরাহ পালনের অনুমতি গ্রহণের পাশাপাশি গ্র্যান্ড মসজিদ এবং রাওয়াদাহ শরিফ পরিদর্শনের ইতামারনা অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন করতে হবে। ওমরাহের জন্য মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদ দিনে ১০ বার পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত করা হয়। এছাড়া ওমরাহ পালনকারীদের প্রবেশ এবং বের হওয়ার সময় স্যানিটাইজার দিয়ে জীবাণুমুক্ত করে নেয়া হচ্ছে। মহামারি করোনাভাইরাসে পুরো বিশ্ব আক্রান্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পবিত্র নগরী মক্কায় ওমরাহ পালন স্থগিত করা হয়। করোনা পরবর্তী কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং নিয়ম ও শর্তপালন সাপেক্ষে গত ৪ অক্টোবর থেকে ওমরাহ পালন শুরু হয়। ইতোমধ্যে প্রথম ব্যাচ নিয়মতান্ত্রিকভাবে ওমরাহ সম্পন্ন করেছেন।
নম্র ও বিনয়ীকে আল্লাহ পছন্দ করেন
০৬,অক্টোবর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাব্বুল আলামিনের শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি যেন ঐক্যবদ্ধ হয়ে শান্তিপূর্ণভাবে জীবন যাপন করে, এটাই তার প্রত্যাশা। পরস্পর মতভেদ এবং বিভিন্ন দলে উপদলে বিভক্ত হয়ে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকে তিনি মোটেও পছন্দ করেন না। তাই আচার-ব্যবহারে অযথা রাগ ও ক্রোধ থেকে আমাদের দূরে থাকতে হবে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সবসময় রাগ ও ক্রোধ থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিতেন। তিনি মানুষকে সাবধান করে দিয়ে বলেছেন- যে ব্যক্তি নম্র-বিনয়ী হয়, আল্লাহ তাকে উচ্চাসনে আসীন করেন আর যে অহংকারী হয়, আল্লাহ তাকে অপদস্থ করেন। (মিশকাত) কুরআনুল কারিমে মহান আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, তোমাদের মাঝে এমন একটি দল থাকা দরকার; যারা কল্যাণের দিকে আহবান করবে এবং সৎকাজের নির্দেশ দেবে আর অসৎকাজ থেকে বারণ করবে। আর এরাই সফলকাম। (সুরা আল-ইমরান : আয়াত ১০৪)। মূলত এটাই আল্লাহ তাআলা চান। আমাদের ভেবে দেখতে হবে আমরা কি আল্লাহ পাকের ইচ্ছা অনুযায়ী নিজেদের জীবন পরিচালনা করছি কি ন। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন- তুমি প্রজ্ঞা ও সদুপদেশের মাধ্যমে তোমার প্রভু-প্রতিপালকের পথের দিকে আহ্বান জানাও। আর তুমি উত্তম যুক্তিপ্রমাণের মাধ্যমে তাদের সাথে তর্ক কর যা সর্বোত্তম। নিশ্চয় আপনার পালনকর্তাই ওই ব্যক্তি সম্পর্কে বিশেষভাবে জ্ঞাত রয়েছেন, যে তাঁর পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়েছে এবং তিনিই ভাল জানেন তাদেরকে, যারা সঠিক পথে আছে। (সুরা আন-নাহল: আয়াত ১২৫)। আলহামদুলিল্লাহ! আমরা শ্রেষ্ঠ উম্মত হওয়ার সৌভাগ্য লাভ করেছি। তাই এর মর্যাদাও আমাদেরকে রক্ষা করে চলতে হবে। আমাদের আচার-আচরণ এবং পবিত্রতার মান উন্নত করতে হবে। অন্ধকারে নিমজ্জিত পথহারা মানুষকে বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পতাকাতলে একত্রিত করার দায়িত্বও আমাদেরই নিতে হবে। কিন্তু এই দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কোনোভাবেই কারও প্রতি জোর-জবরদস্তি করা যাবে না বরং প্রজ্ঞা ও সদুপদেশের মাধ্যমে বুঝাতে হবে। বিপথগামী মানুষকে অগ্নিগহ্বর থেকে রক্ষা করে প্রকৃত শান্তির ধর্ম ইসলামের সুশীতল ছায়ায় আশ্রয়ের সন্ধান দিতে হবে। পথহারা মানুষকে প্রকৃত ইসলামের ছায়াতলে আনতে হলে প্রথমে নিজের আমল-আখলাকে আনতে হবে পরিবর্তন। কেননা আমাদের নিজেদের আদর্শ যখন উন্নত হবে কেবল তখনই আমাদের দাওয়াতে অন্যরা প্রভাবিত হবে। নিজেকে মুসলমান বলে পরিচয় দিয়ে আমরা যদি কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বা খারাপ কাজ করি তাহলে অন্যান্য ধর্মের লোকেরা এই কথা বলার সুযোগ পাবে যে, এরা মুসলমান, এরাই সন্ত্রাসী। নাউজুবিল্লাহ! অথচ ইসলাম হলো শান্তির ধর্ম। ইসলাম কল্যাণের ধর্ম। একজন প্রকৃত মুসলমান সে কখনই সন্ত্রাসী এবং নৈরাজ্যকারী হতে পারে না। ইসলামের নামে যারা বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে, তারা মূলত সন্ত্রাসী, প্রকৃতপক্ষে তাদের কোনো ধর্ম নেই। তাই আমরা যে যেখানে যেভাবেই থাকি না কেন বা যে কর্মই করি না কেন, আমাদের সবাইকে নিজ নিজ স্থানে প্রকৃত ইসলামের শিক্ষা তুলে ধরতে হবে এবং নিজেদের আদর্শবান হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। আমাদের কাজ-কর্মে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আদর্শ ফুটিয়ে তুলতে হবে। বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আদর্শের অনুসরণ ও অনুকরণে আমাদেরও হতে হবে নম্র ও বিনয়ী। অর্জিত হবে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য। তবেই মহান আল্লাহ তাআলা আমাদের ভালোবাসবেন। আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা অনুযায়ী নিজেদের জীবন পরিচালনা করার তাওফিক দান করুন। আমিন। সূত্রঃ জাগো নিউজ
আজ থেকে চালু হচ্ছে ওমরার কার্যক্রম
০৪,অক্টোবর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা মহামারির কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর সীমিত পরিসরে পবিত্র ওমরাহ চালু হচ্ছে। দীর্ঘ সাত মাস ধরে বন্ধ থাকার পর অবশেষে আজ রোববার (৪ অক্টোবর) থেকে সীমিত পরিসরে খুলে দেয়া হচ্ছে পবিত্র নগরী মক্কা। তবে ওমরাহ পালনের সময় মুসল্লিদের প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে সৌদির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আরব নিউজ জানিয়েছে, তিনটি ধাপে ওমরার কার্যক্রম চালু হবে। প্রথম ধাপে শুধু সৌদি আরবের স্থানীয়রা ৪ অক্টোবর থেকে এতে অংশ নিতে পারবেন। প্রথম অবস্থায় ওমরায় মোট ধারণক্ষমতার প্রায় ৩০ শতাংশ অর্থাৎ একদিনে ছয় হাজার জনকে পবিত্র মসজিদুল হারামে ঢোকার সুযোগ দেয়া হবে। দ্বিতীয় ধাপে ১৮ অক্টোবর থেকে একদিনে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার জন ওমরাহ করতে পারবে। এই সময়ে একসঙ্গে ৪০ হাজার মুসল্লি পবিত্র মসজিদুল হারামে ঢুকতে পারবেন। যা সম্মিলিতভাবে মোট ধারণক্ষমতার ৭৫ শতাংশ। তৃতীয় ধাপে ১ নভেম্বর থেকে সৌদি আরবে অবস্থান করা এবং বাইরে থেকেও হজ ও ইবাদতের উদ্দেশে সব মুসলিমকে মসজিদুল হারামে ঢুকতে দেয়া হবে। সে সময় প্রতিদিন ২০ হাজার জন ওমরাহ হাজি এবং ৬০ হাজার ইবাদতকারীকে মসজিদুল হারামে ঢুকতে দেয়া হবে, যা মোট ধারণক্ষমতার সমান।
ঘুম থেকে উঠে যে দোয়া পড়া উত্তম
২৩সেপ্টেম্বর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আল্লাহ রাব্বুল আলামীন দুনিয়াতে অগণিত অসংখ্য মাখলুক সৃষ্টি করে প্রত্যেককে তার পরিধিতে সংসার জীবন প্রতিপালনে ব্যস্ত করে রেখেছেন এবং এ সকল কাজে মাখলুকের মাঝে ক্লান্তি আসে; আবার তা থেকে মুক্তির ব্যবস্থাও করেছেন ঘুমের মাধ্যমে। আল্লাহ বলেছেন, তোমাদের ঘুম বা নিদ্রাকে করেছি ক্লান্তি দূরকারী হিসেবে। রাত্রিকে করেছি আবরণ। দিনকে করেছি জীবিকা অর্জনের সময়। (সুরা আন-নাবা; আয়াত- ৯, ১০ ও ১১)। ঘুমের মাধ্যমে মানুষের প্রশান্তি লাভের পর ঘুম থেকে উঠার সময় মানুষকে আল্লাহর শোকরিয়া আদায় করার কথা বলেছেন। হাদীস শরীফে এসেছে, আলহামদুলিল্লাহিল্লাজি আহইয়ানা বাদা মা আমাতানা ওয়া ইলাইহিন নুশুর। (সহিহ বুখারী)। হযরত হুযাইফা (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন তিনি জাগ্রত হতেন তখন বলতেন, সমস্ত প্রশংসাই আল্লাহর জন্য। যিনি আমাদেরকে মারার পর জীবিত করেছেন। আর তার দিকেই আমাদের ফিরে যেতে হবে। (সহিহ বুখারী, রিয়াদুস সালেহীন-৮১৭)। অতঃপর কালিমাতুশ শাহাদাত পড়বে- আশহাদুআল্লাইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আব্দুহু ওয়া রাসুলুহু।