আওয়ামী লীগ কখনও প্রতিশোধের রাজনীতি করে না: ওবায়দুল কাদের
২১নভেম্বর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সমালোচনা রুখতে নাকি সরকার বিরোধীদের গুম করছে, বিএনপি নেতাদের এমন অভিযোগের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, এটা তাদের চিরাচরিত মিথ্যাচার। সমালোচনা করলে গুম করা হয় এমন কোন তথ্য কি বিএনপির কাছে আছে? এ ধরনের মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন পরিহার করুন। শনিবার মিরপুর-নারায়ণগঞ্জ রুটে বিআরটিসির দোতলা বাস সার্ভিস উদ্বোধনকালে তিনি একথা বলেন। ওবায়দুল কাদের তার সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে যুক্ত হন। ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রতিশোধের রাজনীতি গণতন্ত্রের জন্য সুখকর নয়, আওয়ামী লীগ কখনও প্রতিশোধের রাজনীতি করে না। গণতন্ত্র একটি বিকাশমান প্রক্রিয়া, সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ এবং পরিচর্যায় গণতন্ত্র বিকশিত হয়। কিন্তু দুঃখজনকভাবে বিএনপি গণতন্ত্রের কথা বললেও গণতন্ত্রকে এগিয়ে নিতে যেই ভূমিকা দরকার তা থেকে তারা অনেক দূরে অবস্থান করে। বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেয় নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে। তিনি বলেন, বিএনপি একদিকে গণতন্ত্রের কথা বলে অন্যদিকে নির্বাচন প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপপ্রয়াস চালায়। এ দেশের সবচেয়ে সহিষ্ণু রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগ ৭৫ এর ১৫ আগস্টের নির্মমতা দেখেছে, দেখেছে ৩ নভেম্বরের অমানবিকতা, গ্রেনেড হামলাসহ ২০ বারের মতো শেখ হাসিনাকে হত্যার অপপ্রয়াস চালাতেও দেখেছে। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, এ দেশের রাজনীতিতে সন্ত্রাসনির্ভরতা, ষড়যন্ত্র আর হত্যার জনক বিএনপি, তারা সেটাই চর্চা করে চলেছে। আওয়ামী লীগ জনগণের সংগঠন বলেই জনগণের সঙ্গে ছিল এবং আছে। এ সময় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সুস্বাস্থ্য ও রোগমুক্তি কামনা করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। সমালোচনা রুখতে নাকি সরকারবিরোধীদের গুম করছে, বিএনপি নেতাদের এমন অভিযোগ প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, এটা তাদের চিরাচরিত মিথ্যাচার। সমালোচনা করলে গুম করা হয় এমন কোন তথ্য কি বিএনপির কাছে আছে? আওয়ামী লীগ সমালোচনাকে ভয় পায় না। আওয়ামী লীগ গঠনমূলক সমালোচনা থেকে শিক্ষা নেয়ার সৎসাহস রাখে। এ ধরনের তথ্য পরিহার করার জন্য বিএনপির প্রতি অনুরোধ জানান ওবায়দুল কাদের। অদক্ষ গাড়িচালক যেন কোনোভাবেই গাড়ির ড্রাইভিং সিটে না বসতে পারে সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, বাসের চালকসহ সব স্টাফদের বাধ্যতামূলক নির্ধারিত ড্রেস পরিধান করতে হবে।
রিজভীর হার্টে এনজিওপ্লাস্টি সম্পন্ন
২১নভেম্বর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর হার্টে সফলভাবে এনজিওপ্লাস্টি করা হয়েছে। শনিবার (২১ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ল্যাব এইড হাসপাতালে তার এনজিওপ্লাস্টি করা হয় বলে জানান তার ব্যক্তিগত সহকারী আরিফুর রহমান তুষার। তিনি বলেন, ল্যাব এইডের অধ্যাপক ডা. সোহরাবুজ্জামান, অধ্যাপক ডা. লুৎফর রহমান, অধ্যাপক ডা. মাহবুবুর রহমান, ডা. আবদুর জাহেদ, ডা. মনোয়ারুল কাদির বিটুর নেতৃত্বে সফলভাবে রিজভী আহমেদের এনজিওপ্লাস্টি করা হয়েছে। গত ১৩ অক্টোবর প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন শেষে নয়াপল্টনে অফিসে যাওয়ার পথে তার হার্ট অ্যাটাক হয়। প্রথমে তাকে কাকরাইলের ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে ধানমন্ডির ল্যাবএইড হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে তার এনজিওগ্রাম করা হয়। এ সময় তার হার্টে একটি ব্লক ধরা পড়লে ইনজেকশনের মাধ্যমে সেটির ৪০ থেকে ৪৫ শতাংশ অপসারণ করা হয়। ২৮ অক্টোবর তিনি হাসপাতাল থেকে বাসায় যান। গত ১১ নভেম্বর তিনি আবার বিএসএমএমইউ হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে তার হার্টের এমপিআই (মাইওকার্ডিয়াল পারফিউশন ইমেজিং) টেস্ট করা হয়। এমপিআই পরীক্ষায় কিছু সমস্যা ধরা পরে। সেজন্য শনিবার আবারও তার এনজিওগ্রাম করে হার্টে সমস্যা ধরা পড়ায় হার্টে রিং পরানো হয়। রিজভীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপির সহ-স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম জানান, রুহুল কবির রিজভীর হার্টের ভায়াবিলিটি (কার্যক্ষমতা) দেখার পর পরবর্তী চিকিৎসা সম্পন্ন করতে শনিবার আবারও এনজিওগ্রাম করলে হার্টের ব্লক থাকায় একটি রিং পরানো হয়। ব্যক্তিগত সহকারী আরিফুর রহমান তুষার বলেন, রিজভী স্যার তার সুস্থতা কামনায় দলীয় নেতাকর্মীসহ দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।
সশস্ত্র বাহিনী দিবস গৌরবের স্মারক : ন্যাপ
২০নভেম্বর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী দিবসে বাহিনীতে কর্মরত সব সদস্যের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ (ন্যাপ) চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেন, বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা সংগ্রামের অগ্রযাত্রা এবং বিজয় গৌরবের স্মারক হিসেবে সেনাবাহিনী জাতির কাছে চিহ্নিত। ২১ নভেম্বর বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে শুক্রবার (২০ নভেম্বর) গণমাধ্যমে প্রেরিত এক শুভেচ্ছা বার্তায় নেতৃদ্বয় এই দিবসে দেশের জন্য শহীদ হওয়া সশস্ত্র বাহিনীর বীর যোদ্ধাদের স্মৃতির প্রতি গভীরতম শ্রদ্ধা এবং তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। তারা বলেন, এই দেশ আর এই দেশের স্বাধীনতা অর্জনে সশস্ত্র বাহিনীর অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৭১ সালের এই দিনে বাংলাদেশের সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর সদস্যরা সম্মিলিতভাবে দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে আক্রমণ শুরু করে। আর এই সমন্বিত আক্রমণের সামনে টিকতে না পেরে পিছু হটতে শুরু করে পাকিস্তানি বাহিনী। তাই ২১ নভেম্বর আমাদের মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে বিশেষ দিন হয়ে সবার মাঝে বিরাজ করছে। নেতৃদ্বয় বলেন, আমাদের মুক্তি সংগ্রাম ছাড়াও যুদ্ধ পরবর্তী দেশ গঠনে, স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং বিদেশে জাতিসংঘের শান্তি মিশনে এই সশস্ত্র বাহিনীর ভূমিকা আমাদের দেশের মুখ উজ্জ্বল করেছে বারবার। সোমালিয়া, আইভরিকোস্ট, কঙ্গো, লেবানন, হাইতি, সিয়েরালিয়ন, লাইবেরিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী ওইসব দেশের আর্থিক ও সামাজিক উন্নয়ন এবং শান্তি রক্ষার পাশাপাশি নির্যাতিত ও নিপীড়িত মানুষের পাশে সার্বিক সহযোগিতা করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। ন্যাপ নেতৃদ্বয় আরো বলেন, বাংলাদেশে সশস্ত্র বাহিনী পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি রক্ষায় কাজ করছে প্রায় চার দশক ধরে। যা এই এলাকার এবং বাংলাদেশের অখণ্ডতা রক্ষার অনন্য উদাহরণ। এছাড়া সামাজিক উন্নয়ন, রাস্তাঘাট তৈরি এবং দুস্থ মানুষের জন্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী। দক্ষতা ও দেশ প্রেমের সমন্বয় ঘটিয়ে প্রিয় সশস্ত্রবাহিনী তার যাত্রা মসৃণ রাখবে সশস্ত্র বাহিনী দিবসে এই আমাদের প্রত্যাশা। তারা বলেন, জাতীয় উন্নয়নে সশস্ত্র বাহিনীর গৌরবোজ্জ্বল অবদান আজ সর্বজন স্বীকৃত। সশস্ত্রবাহিনী এমনি এক বাহিনী যার প্রতি এদেশের জনগণের রয়েছে অগাধ আস্থা, বিশ্বাস ও ভালোবাসা। বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কল্যাণে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের উদ্ধার ও ত্রাণ তৎপরতা ছাড়াও দেশের অবকাঠামো ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন, ছিন্নমূল মানুষের জন্য বাসস্থান তৈরি করা এবং অন্যান্য জনকল্যাণমুখী কাজে প্রতিনিয়ত সশস্ত্রবাহিনী নিবেদিতপ্রাণ।
২-১ দিনের মধ্যেই আ.লীগের উপ-কমিটি : ওবায়দুল কাদের
১৯নভেম্বর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দু-একদিনের মধ্যেই দলের উপ-কমিটি দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। বৃহস্পতিবার (১৯ নভেম্বর) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের সম্পাদকমণ্ডলীর সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান। ওবায়দুল কাদের বলেন, কোনো একজন একাধিক পদে থাকতে পারবেন না। মহানগরসহ সহযোগী সংগঠন গুলোতেও যদি কোনো ব্যক্তি সদস্য পদেও থাকেন তাহলে তিনি সাব-কমিটিতে থাকতে পারবেন না। তিনি বলেন, সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে দেশি-বিদেশি নানা ষড়যন্ত্র চলছে। ফেসবুক-ইউটিউবে গুজব-অপপ্রচার চলছে। এসবের ওপর ভিত্তি করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের অপচেষ্টা চলছে, আমরা দেখতে পাচ্ছি। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমরা পরিষ্কারভাবে বলতে চাই, এ পার্টি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পার্টি। যার নেতৃত্ব দিচ্ছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। যেকোনো অবস্থায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধর্মনিরপেক্ষতার চেতনার বাইরে যাওয়ার আমাদের সুযোগ নেই। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, স্বাধীনতার আদর্শের প্রশ্নে কোনো আপস নেই। তিনি বলেন, সারাবিশ্ব করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ধাক্কায় বিপর্যস্ত। আমাদের এখনই আরও বেশি সতর্ক থাকতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরাসরি নির্দেশনা দিয়েছেন। সকলকে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে, এর কোনো ব্যত্যয় ঘটনো যাবে না। কাদের বলেন, আমরা দলীয়ভাবে সচেতনতা কার্যক্রম চালাব। আমি আমাদের সাংগঠনিক ইউনিটগুলোকে এ বিষয়ে সরাসরি নির্দেশনা দিয়েছি। মহানগর-জেলা থেকে শুরু করে ইউনিয়ন পর্যন্ত ইউনিটগুলো সচেতনতা কার্যক্রম চালাবে। ওবায়দুল কাদেরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, এস এম কামাল, মির্জা আজম, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ, আইন সম্পাদক নজিবুল্লা হীরু, দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, বন ও পরিবেশ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, উপ দফতর সম্পাদক সায়েম খান প্রমুখ।
আবারও রিজভীর এনজিওগ্রাম করার সিদ্ধান্ত
১৯নভেম্বর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর আবারও এনজিওগ্রাম করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মেডিকেল বোর্ড। ল্যাবএইড হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. সোহরাবুজ্জামানের নেতৃত্বে মেডিকেল বোর্ড আগামী শনিবার (২১ নভেম্বর) আবারও তার এনজিওগ্রাম করবেন। এনজিওগ্রাম করে হার্টের অবস্থা দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ও রিজভীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. মনোয়ারুল কাদির বিটু। এর আগে গত ১৫ অক্টোবর ল্যাবএইড হাসপাতালে রিজভীর হার্টের এনজিওগ্রাম করা হয়। এ সময় তার হার্টে একটি ব্লক ধরা পড়লে ইনজেকশনের মাধ্যমে সেটির ৪০ থেকে ৪৫ শতাংশ অপসারণ করা হয়। গত ১১ নভেম্বর বিএসএমএমইউতে তার হার্টের মায়োকার্ডিয়াল পারফিউশন ইমেজিং (এমপিআই) টেস্ট করা হয়। এমপিআই পরীক্ষায় কিছু সমস্যা ধরা পরে। রিজভী পরবর্তী চিকিৎসা নিতে গত সোমবার (১৬ নভেম্বর) থেকে আবার ল্যাবএইড হাসপাতালের ৬০১ নম্বর কেবিনে ভর্তি হয়েছেন। রিজভীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপির সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম জানান, বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর হার্টের ভায়াবিলিটি (কার্যক্ষমতা) দেখার পর পরবর্তী চিকিৎসা সম্পন্ন করা হবে।
বিএনপির নীলনকশায় বাসে আগুন: ওবায়দুল কাদের
১৩নভেম্বর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পূর্বপরিকল্পিত নীলনকশা অনুযায়ী বিএনপি বাসে আগুন দিয়ে নাশকতা করেছে বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। শুক্রবার (১৩ নভেম্বর) আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডি রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের পক্ষ থেকে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি। ওবায়দুল কাদের বলেন, ঢাকা-১৮ আসনের নির্বাচনী এলাকার তিনটি স্থানসহ রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে আগুন সন্ত্রাস চালানো হয়েছে। এটা তাদের (বিএনপি) আগুন সন্ত্রাস সংস্কৃতির পুনরাবৃত্তি। ইতোমধ্যে একটি ভিডিও উদ্ধার করা হয়েছে। সেটা পুলিশের কাছে আছে। ভিডিওতে বিএনপি কর্মীদের উপস্থিতি চেহারা দেখলে বোঝা যায়। কৌশলটা এমন ছিল যে, বাসের ভেতরে যাত্রী সেজে বসে থেকে আগুন লাগিয়ে নিজেরাই চিৎকার করে পেছনের দরজা দিয়ে বেরিয়ে যায়। তিনি আরও বলেন, গতকাল যে ঘটনাটি ঘটেছে, সেটা বিএনপিরই কাজ। এই নাশকতা প্রমাণ করেছে, বিএনপি তাদের চিরাচরিত সন্ত্রাসী পথ পরিহার করতে পারেনি। এ ধরনের সন্ত্রাসী চরিত্র ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের কারণে জনগণ তাদের বারবার প্রত্যাখান করেছে। অতীতের মতো আওয়ামী লীগ জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের দাঁতভাঙা জবাব দেবে বলে জানান ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, এখন বিএনপি কোনো ধরনের গণতন্ত্র, নিয়মকানুন ও বিধিনিষেধের তোয়াক্কা না করে তাদের নাশকতামূলক চরিত্রকে আঁকড়ে ধরে রাখছে। আমরা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলতে চাই, তাদের এ ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। উল্লেখ্য, ঢাকা-১৮ আসনের উপনির্বাচন চলাকালে বৃহস্পতিবার (১২ নভেম্বর) রাজধানীর অন্তত ৯ স্থানে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত দেড় শতাধিক ব্যক্তিকে আসামি করে মোট ৮টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৮ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
বিএনপিতে কোনো দ্বন্দ্ব নেই: মির্জা ফখরুল
১৩নভেম্বর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বিএনপিতে কোনো দ্বন্দ্ব নেই। প্রতি শনিবার দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠক হয়। সেখানে সব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বিএনপি ঐক্যবদ্ধ রয়েছে। শুক্রবার (১৩ নভেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনী মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া শারীরিকভাবে অসুস্থ হলেও মানসিকভাবে সক্রিয় রয়েছেন। আমাদের রাজনীতিতে তার প্রভাব রয়েছে। তিনি রাজনীতি থেকে যাননি, যাবেন না। তার অস্তিত্ব গভীরভাবে দেশের জনগণের মাঝে আছে। খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, তার চিকিৎসার জন্য সকল ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। চিকিৎসার জন্য তার বিদেশে যাওয়াটা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে। রাজধানীর বেশ কয়েকটি জায়গায় বাসে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, দেশে গণতন্ত্র না থাকলে দুষ্কৃতিকারীরা এমন নাশকতা চালায়। সরকারের কিছু এজেন্ট থাকে যারা এগুলো করে ভালো আন্দোলন বাধাগ্রস্ত করতে গাড়ি পুড়িয়ে নাশকতার সৃষ্টি করে। বাধাগ্রস্ত এমন নাশকতার তীব্র নিন্দা জানাই। ডিআরইউয়ের সাগর-রুনী মিলনায়তনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মঈনুল আহসানের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সভাপতি রফিকুল ইসলাম আজাদ এবং মির্জা ফখরুলের জীবনী পাঠ করেন সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ চৌধুরী। এ সময় দফতর সম্পাদক মো.জাফর ইকবালসহ কমিটির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
নানা আয়োজনে যুবলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন
১১নভেম্বর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বুধবার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন আওয়ামী যুবলীগের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বুধবার সকাল ১০টায় ধানমন্ডি ৩২ নম্বর সড়কের সামনে রক্ষিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হয়। এ সময়ে আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মো. মাইনুল হোসেন খান নিখিল উপস্থিত ছিলেন। এরপর ঢাকা উত্তর-দক্ষিণ যুবলীগসহ প্রতিটি ওয়ার্ড কমিটির নেতৃবৃন্দ বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে আলাদা আলাদা শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এর আগে সকাল ৯ টার দিক থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন ওয়ার্ড হতে বর্ণিল শোভাযাত্রাসহ যুবলীগের নেতাকর্মীরা ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে আসেন। সকালে জাতীয় পতাকা ও দলীয় পতাকা উত্তোলন ও পায়রা উড়িয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভ সূচনা করেন শেখ ফজলে শামস পরশ ও মাইনুল হোসেন খান নিখিল। এ সময় ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকির হোসেন বাবুল, সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাঈন উদ্দিন রানা, সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনের পরসেখানে উপস্থিত দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের মাঝে সাদাছড়ি, পক্ষাঘাত প্রতিবন্ধীদের মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ করা হয়। একইসঙ্গে প্রত্যেক প্রতিবন্ধীকে শাড়ি, লুঙ্গি, শীত বস্ত্রসহ নগদ অর্থ বিতরণ করেন যুবলীগ চেয়ারম্যান। এ সময় সভাপতির বক্তব্যে যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে ১৯৭২ সালের ১১ নভেম্বর শহীদ শেখ ফজলুল হক মনি যুবলীগ প্রতিষ্ঠা করেন। আজ সেই যুবলীগের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবাষির্কী। প্রতিষ্ঠার পর হতেই নানা সংকট ও চ্যালেঞ্জ যুবলীগ মোকাবেলা করে যাচ্ছে। একেক দশকে যুবলীগ একক চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে এসেছে। তিনি বলেন, যেখানে অন্যায়, অত্যাচার, সেখানে যুবলীগ প্রতিবাদ করবে। অসহায়দের পাশে দাঁড়াবে। যুবলীগ কোনও এলিট শ্রেণিদের সংগঠন নয়, যুবলীগ সাধারণ মানুষের সঙ্গে ছিল এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। যুবলীগের চেয়ারম্যান বলেন, আগামীতে যুবলীগ হবে মেধা ও রাজনৈতিক এবং সাংগঠনিক ক্ষমতা সম্পন্ন। যুবলীগে দুর্নীতি ও ক্যাসিনোবাজদের ঠাঁই হবে না। যুবলীগ মানুষের কল্যাণে কাজ করবে। এরপর বেলা ১১ টায় বনানী কবরস্থানে যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদ শেখ ফজলুল হক মণিসহ ৭৫-এর ১৫ আগস্ট নিহত সকল শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন ও ফাতেহা পাঠ এবং মোনাজাতে অংশ নেন যুবলীগ চেয়ারম্যান ও সাধারণ সম্পাদক। পরে দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ করেন। উল্লেখ্য, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে শেখ ফজলুল হক মণির নেতৃত্বে ১৯৭২ সালের ১১ নভেম্বর রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এক যুব কনভেশনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা লাভ করে যুবলীগ। অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক ও শোষণমুক্ত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে যুবসমাজকে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্য নিয়েই প্রতিষ্ঠিত হয় এই সংগঠন।
নির্বাচন কমিশনকে ব্যর্থ বলা বিএনপির পুরোনো কৌশল: ওবায়দুল কাদের
১৫,অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিএনপি আসন্ন উপনির্বাচনে আগে থেকেই ভরাডুবির আশঙ্কা করছে। তাই নানা অভিযোগ করছে তারা। ভোটের আগে অভিযোগ, ভোটের দিন সরে দাঁড়ানো এবং পরে নির্বাচন কমিশনকে ব্যর্থ বলা বিএনপির পুরোনো কৌশল। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) নিজ বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের সিরাজগঞ্জে এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লায় পণ্যবাহী যানবাহন চালকদের জন্য দুটি বিশ্রামাগার নির্মাণকাজ উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, নিরাপদ ও উন্নয়নবান্ধব সড়ক নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা সরকারের অগ্রাধিকার। এ লক্ষ্যে আইনগত কাঠামো শক্তিশালী করার অংশ হিসেবে সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ কার্যকর করা হয়েছে। নিরাপদ মহাসড়ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন মহাসড়কে ১২১টি দুর্ঘটনাপ্রবণ বাঁকের ঝুঁকি হ্রাস করা হয়েছে। সড়ক নিরাপত্তায় সংশ্লিষ্ট স্ অংশীজনের মাঝে সুদৃঢ় সমন্বয় গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। তিনি বলেন, সমন্বয় যত দৃঢ় হবে মহাসড়ক তত নিরাপদ হবে। সড়ক নিরাপত্তায় জনসচেতনতা তৈরিতে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থাসমূহকে এগিয়ে আসতে হবে। ওবায়দুল কাদের জানান, মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করায় মুখোমুখি সংঘর্ষ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে। জেলা ও আঞ্চলিক মহাসড়কে সিএনজি অটোরিকশাসহ নন-মোটরাইজড যানবাহনের চলাচল বন্ধে সংশ্লিষ্টদের আরও কঠোর হতে হবে। উল্লেখ্য, প্রায় ২২৬ কোটি টাকা ব্যয়ে ঢাকা-রংপুর, ঢাকা-চট্টগ্রাম, ঢাকা-খুলনা এবং ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে পণ্যবাহী গাড়িচালকদের জন্য চারটি বিশ্রামাগার নির্মাণ করা হবে। এসব বিশ্রামাগারে পার্কিং, গাড়ি চালকদের বিশ্রাম ও রাতযাপনের সুবিধা ছাড়াও গাড়ি মেরামত ও বিনোদনের ব্যবস্থা থাকবে। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মো. নজরুল ইসলাম, সড়ক ও জনপথ অধিদফতরের প্রধান প্রকৌশলী কাজী শাহরিয়ার হোসেন, প্রকল্পের পরিচালক ড. আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ সড়ক ও জনপথ অধিদফতর এবং প্রকল্প কর্মকর্তারা এসময় ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত ছিলেন।

রাজনীতি পাতার আরো খবর