শুক্রবার, ফেব্রুয়ারী ২৬, ২০২১
১৯ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করলো বিএনপি
২৪,ফেব্রুয়ারী,বুধবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তী উদযাপনে চলতি বছরের ৩০ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সূবর্ণজয়ন্তী মহাসমাবেশসহ ১৯ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি। বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে দলের স্বাধীনতা সূবর্ণজয়ন্তী উদযাপন জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ড. মোশাররফ বলেন, বিএনপি ও স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তী জাতীয় কমিটির পক্ষ থেকে আমরা এদেশের দলমত নির্বিশেষে সব পেশার জনগণকে আহ্বান জানাচ্ছি। তারা যেন অত্যন্ত উৎসাহ-উদ্দীপনার এবং গুরুত্বের সঙ্গে স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করেন। কারণ এই স্বাধীনতা এদেশের জনগণের প্রস্ফুটিত স্বাধীনতা, এক সাগর রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা, এদেশের জনগণের জন্য এই স্বাধীনতা। তাই আমরা স্বাধীনতার সূবর্ণজয়ন্তী সবার উদযাপন করতে চাই। তিনি বলেন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে আমাদের এসব অনুষ্ঠানের নিরাপত্তা এবং সুষ্ঠুভাবে যাতে করে করতে পারি তারজন্য সহযোহিতা চাইব। তেমনিভাবে আমরা সরকারের কাছেও সহযোগিতা চাই, যাতে করে আমরা এই ৫০ বছরপূর্তির আমাদের আবেগ, আমাদের যে উচ্ছ্বাস নির্বিঘ্নে সুন্দরভাবে উদযাপন করতে পারি। বুধবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টায় পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ সঙ্গে বিএনপির একটি প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎ কর্মসূচি রয়েছে বলে জানিয়েছেন খন্দকার মোশাররফ। সূবর্ণজয়ন্তী উদযাপনে বিএনপি সারাবছর কর্মসূচি প্রণয়ন করেছে। বুধবার মার্চের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। প্রতি মাস শেষ হওয়ার আগে পরবর্তী মাসের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। মার্চ মাসের ঘোষিত কর্মসূচিসমূহ হচ্ছে, ১ মার্চ সূবর্ণজয়ন্তীর কর্মসূচির উদ্বোধন, ২ মার্চ ছাত্র সমাজ কর্তৃক স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলন শীর্ষক আলোচনা সভা, ৩ মার্চ ছাত্র সমাজ কর্তৃক স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ শীর্ষক আলোচনা সভা, ৭ মার্চ আলোচনা সভা, ৮ মার্চ বিশ্ব নারীদিবস পালন, ৯ মার্চ সেমিনার, ১০ মার্চ রচনা প্রতিযোগিতা, ১৩ মার্চ বছরব্যাপী রক্তদান কর্মসূচির উদ্বোধন, ১৫ মার্চ চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, ২০ মার্চ আইনের শাসন ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা বিষয়ক সেমিনার, ২২ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা, মুক্তিযুদ্ধ, জেড ফোর্স এবং বীরউত্তম জিয়াউর রহমান শীর্ষক সেমিনার, ২৩ মার্চ জাতীয়তাবাদী ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য মেলা, ২৪ মার্চ নির্বাচিত বিএনপি সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে স্বৈরাচারী এরশাদের জোরপূর্বক ক্ষমতা দখল শীর্ষক সেমিনার, ২৫ মার্চ কালরাত্রি শীর্ষক আলোচনা সভা, ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসে দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শেরে বাংলা নগরে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরে পুস্পমাল্য অর্পণ, রক্তদান কর্মসূচি, সারাদেশে Railly, ২৭ মার্চ চট্টগ্রাম কালুরঘাট বেতারকেন্দ্রে গমন ও বগুড়ায় বাগবাড়ি গমন এবং দুইখানে আলোচনা সভা, ২৮ মার্চ মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা, ৩০ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সূবর্ণজয়ন্তী মহাসমাবেশ ও ৩১ মার্চ মুক্তিযুদ্ধের বইমেলা ও চিত্রাঙ্কন প্রদর্শনীর উদ্বোধন। এক প্রশ্নের জবাবে দলের কারাবন্দি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার স্থায়ী মুক্তির দাবিও পুনরুল্লেখ করেন খন্দকার মোশাররফ হোসেন। সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে সদ্য প্রয়াত সাংবাদিক আবুল মকসুদ ও বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালিদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন খন্দকার মোশাররফ। সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, সেলিমা রহমান ও সদস্য সচিব আবদুস সালাম উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া আরো ছিলেন চেয়ারপারসনের একান্ত সচিব এবিএম আবদুস সাত্তার, তথ্য গবেষণা সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন নসু ও চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান।
বেয়াদবের স্থান আওয়ামী লীগে হবে না: নানক
২৪,ফেব্রুয়ারী,বুধবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, দলের সিদ্ধান্ত না মেনে যারা পৌরসভা নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন তারা চরম বেয়াদব। বেয়াদবের স্থান আওয়ামী লীগে হবে না। মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে হবিগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী আতাউর রহমান সেলিমের সমর্থনে পথ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। যিনি আমাদের মা সমতুল্য। যিনি তার মা-বাবাকে হারিয়ে ভোট-ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলন ও সংগ্রাম করে রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসে দেশকে উন্নয়নের শিখরে নিয়ে গেছেন। সেই শেখ হাসিনাকে যারা বৃদ্ধাঙ্গুল দেখায় সেই বেয়াদবদেরকে কি ভোট দেবেন এমন প্রশ্ন উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে রাখেন তিনি। এ সময় নানক বলেন, বেয়াদব সন্তানদের যেমন কেউ পছন্দ করেন না। তেমনি আওয়ামী লীগ বেয়াদবদের পছন্দ করে না। আওয়ামী লীগের সিদ্ধান্ত যারা বরখেলাপ করেছেন তারা আর কখনও নৌকার মনোনয়ন পাবেন না। তারা আওয়ামী লীগ থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার হবেন। সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সিলেট বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুর রহমান সফিক, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ সদস্য হবিগঞ্জ জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ডা. মুশফিক হুসেন চৌধুরী, হবিগঞ্জ পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান শহীদ উদ্দিন চৌধুরী, জেলা আওয়ামীর লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আলমগীর চৌধুরী প্রমুখ।
বঙ্গবন্ধুর সততা থেকে শিক্ষা নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে : সেতুমন্ত্রী
২৩,ফেব্রুয়ারী,মঙ্গলবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সততা থেকে শিক্ষা নিয়ে আগামীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে এগিয়ে যেতে হবে। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে হবে। তাঁর সততা থেকে শিক্ষা নিয়ে আগামীর সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে এগিয়ে যেতে হবে। ওবায়দুল কাদের আজ মঙ্গলবার সকালে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর আয়োজিত বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। তিনি তাঁর সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সভায় যুক্ত হন। সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান প্রকৌশলী মোঃ আবদুস সবুরের সভাপতিত্বে সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী, কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মোঃ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব মোঃ তোফাজ্জল হোসেন মিয়াসহ সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের অন্যান্য কর্মকর্তাগণ। এদিকে পরে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের রাজনীতিতে বিএনপির আন্দোলন ভাবনায় সংকটের কালো ছায়া ফেলেছে। নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতেই মানুষের স্বস্তি নষ্ট করার পায়তারা করছে বিএনপি। আন্দোলন ও নির্বাচনে ব্যর্থতার মতো ভ্যাক্সিন নিয়েও বিএনপির অপরাজনীতি জনগণ প্রত্যাখ্যান করেছে উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, তারা ভ্যাক্সিন নিয়ে সংশয় সৃষ্টি এবং দুর্নীতির যে গল্প তৈরির অপচেষ্টা করেছিলো তা হালে পানি পায়নি। ১৩ দিনে ২৩ লাখ মানুষের ভ্যাক্সিন গ্রহণ শেখ হাসিনার সুদক্ষ ও দেশপ্রেমিক নেতৃত্বের সোনালী বার্তা। তিনি বলেন, দেশ বিদেশে অপপ্রচারের বাক্স খুলে বসা বিএনপি আন্দোলনের নামে আগুন সন্ত্রাস এবং দেশ ও সরকার বিরোধী আল জাজিরার অপপ্রচার একই সূত্রে গাঁথা। ওবায়দুল কাদের বলেন, সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি গঠন করতে হবে, পকেট কমিটি করা যাবে না। নেতা বানাতে হবে কর্মীদের সমর্থন ও মতামতের ভিত্তিতে। চাটমোহর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডভোকেট সাখাওয়াত হোসেনের সভাপতিত্বে সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম কামাল হোসেন, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নুরুল ইসলাম ঠান্ডু, মেরিনা জাহান কবিতা ও আবদুল আউয়াল শামীম,সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট শামসুল হক টুকু, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম ফারুক প্রিন্স প্রমুখ। সূত্র : বাসস
পুলিশ প্রধানের সাক্ষাৎ চেয়ে বিএনপির চিঠি
২২,ফেব্রুয়ারী,সোমবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় পুলিশ প্রধান ড. বেনজির আহমেদের সাক্ষাৎ চেয়েছে বিএনপি। সোমবার বিএনপি চেয়ারপারসনের প্রেস উইং সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, পুলিশের মহাপরিদর্শকের (আইজপি) সঙ্গে বিএনপি প্রতিনিধিদল সাক্ষাৎ করতে সময় চাওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল- বিএনপির উদ্যোগে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে গৃহীত কর্মসূচির সার্বিক নিরাপত্তা ও সহযোগিতার প্রয়োজনে আলোচনার জন্য আইজপির সঙ্গে দেখা করতে চায় বিএনপির প্রতিনিধিদল। শায়রুল বলেন, মঙ্গলবার বেলা ১১টায় আইজিপির সঙ্গে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আব্দুস সালামসহ চার সদস্যের প্রতিনিধিদরের সাক্ষাতেরর জন্য সময় চেয়ে চিঠি দিয়েছেন চেয়ারপারসনের একান্ত সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার। আইজিপির সাক্ষাৎ চাওয়া প্রতিনিধিদলে অন্যদরে মধ্যে রয়েছেন- বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিল সদস্য বিজন কান্তি সরকার, দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, কেন্দ্রীয় কমিটির মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক কর্নেল (অব.) জয়নুল আবেদীন।
বামপন্থিরা স্বাধীনতা সংগ্রামের সূত্রপাতে অগ্রগামী ছিলেন: মেনন
২২,ফেব্রুয়ারী,সোমবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বামপন্থিরা এদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সূত্রপাতে অগ্রগামী ছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি এবং সংসদ সদস্য রাশেদ খান মেনন। সোমবার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে সেমিনার হলে স্বাধীন জনগণতান্ত্রিক পূর্ব বাংলার ঘোষণা দিবসের ৫১ বছর পূর্তিতে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় অনলাইনে যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন। বিকেল ৪টার দিকে ওয়ার্কার্স পার্টির পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিবৃতিতে বিষয়টি জানানো হয়। রাশেদ খান মেনন বলেন, স্বাধীনতা আন্দোলনে জাতীয়তাবাদী শক্তির সঙ্গে এদেশের বামপন্থিরাও কেবল গুরত্বপূর্ণ অবদানই রাখেননি, অনেক ক্ষেত্রে অগ্রগামী ভূমিকাও পালন করেছেন। স্বাধীনতা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধের অবিসংবাদিত নেতায় পরিণত হয়েছিলেন। কিন্তু সেই মুক্তিযুদ্ধের ক্ষেত্র প্রস্তুত করতে বামপন্থিরাই আগুয়ান ভূমিকা পালন করেছিলেন। সেই সময় সামরিক শাসনের মধ্যেই ১৯৭০ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি স্বাধীন জনগণতান্ত্রিক পূর্ববাংলার প্রকাশ্য ঘোষণা দিয়েছিলেন বামপন্থিরা। ওই সমাবেশের বক্তাদের সাত বছর ও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছিল। তিনি বলেন, কেবল তাই নয়, তারও আগে থেকেই মওলানা ভাসানী ও বামপন্থিরা এদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সূত্রপাতে অগ্রগামী ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধেও বামপন্থিরা অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করেছেন। কিন্তু দুর্ভাগ্য হচ্ছে এখন ইতিহাসের বামপন্থিদের কেবল অস্বীকার নয়, অনেক ক্ষেত্রে অসত্য তথ্য তুলে ধরা হচ্ছে। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর প্রাক্কালে স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধে মওলানা ভাসানী ও বামপন্থিদের অবদানের স্বীকৃতি দিয়ে সঠিক ইতিহাস তুলে ধরার মধ্য দিয়েই সুবর্ণজয়ন্তী উৎসব উদযাপন স্বার্থক হয়ে উঠবে। আগামী প্রজন্ম জানবে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক এবং সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা। পার্টির পলিটব্যুরোর সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহমুদুল হাসান মানিকের সঞ্চালনায় আলোচনা করেন ভারতের কমিউনিস্ট পাটির (মার্কসবাদী) কেন্দ্রীয় সদস্য গৌতম দাস। সভায় আরও বক্তব্য রাখেন প্রাবন্ধিক ও গবেষক সামসুল হুদা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক মেজবাহ কামাল, শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ওয়ার্কার্স পার্টির ঢাকা মহানগরের সভাপতি আবুল হোসাইন প্রমুখ।
রাজশাহীর তিন স্থান উল্লেখ করে সমাবেশের অনুমতি চেয়েছে বিএনপি
২১,ফেব্রুয়ারী,রবিবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী পহেলা মার্চ রাজশাহীতে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশ। সমাবেশের জন্য মহানগরের তিনটি স্থান উল্লেখ করে এরইমধ্যে পুলিশের কাছে আবেদন করেছে রাজশাহী বিএনপি। তবে, পুলিশের পক্ষ থেকে এখনও সমাবেশের স্থান নির্ধারণ বা সমাবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। আগামী সোমবার (২২ ফেব্রুয়ারি) এই ব্যাপারে আলোচনার জন্য মহানগর বিএনপির শীর্ষ নেতাদের রাজশাহী পুলিশ সদর দপ্তরে ডাকা হয়েছে। জানতে চাইলে-রাজশাহী মহানগর বিএনপির সভাপতি সাবেক মেয়র মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল বলেন, আগামী ১ মার্চ রাজশাহীতে বিএনপির বিভাগীয় সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এই লক্ষ্যে প্রতিদিনই ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে কর্মীসভা ও প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এছাড়া সমাবেশের অনুমতি চেয়ে তিনটি স্থান উল্লেখ করে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী মহানগর পুলিশ কমিশনারের কাছে আবেদন করা হয়েছে।
ভাষা শহীদদের প্রতি ছাত্রলীগের শ্রদ্ধা নিবেদন
২১,ফেব্রুয়ারী,রবিবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম একুশে ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে ছাত্রলীগ। এদিন সকালে ছাত্রলীগের সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী কালো ব্যাজ ধারণ করে প্রভাতফেরী সহকারে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। রাজধানীর নিউ মার্কেটের দক্ষিণ গেট থেকে প্রভাতফেরী শুরু করে শহীদ মিনারে যান ছাত্রলীগের নেতকর্মীরা। এ সময় আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি/ আমি কি ভুলিতে পারি গানের সুর বাজতে থাকে। পুষ্পস্তবক অর্পণের পর ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থেকে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস ও সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সভাপতি ইব্রাহিম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান হৃদয় এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান ও সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। ছাত্রলীগ সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয় বলেন, একুশে ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ দিবসে সকল ভাষা শহীদদের প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা। একুশে ফেব্রুয়ারি বাঙালির চির প্রেরণার প্রতীক। একুশে ফেব্রুয়ারির রক্তঝরা পথ বেয়েই শৃঙ্খলমুক্ত হয়েছিল দুঃখিনী বর্ণমালা, মায়ের ভাষা। এদিন মাতৃভাষার মর্যাদা রাখতে গিয়ে বুকের রক্ত ঢেলে বাঙালি জাতি যে ইতিহাস রচনা করেছিল, তা শুধু বাংলাদেশ নয়, সারাবিশ্ব তাকে বরণ করেছে সুগভীর শ্রদ্ধায়। সেদিন রক্তে কেবল ভাষার অধিকার অর্জিত হয়নি, স্বাধীনতার বীজও রোপিত হয়েছিল। যার ফল আসে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা অর্জন। সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য বলেন, ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি রক্তাক্ত ত্যাগের মহিমায় বাঙালি জাতি খুঁজে পায় তার নিজস্ব জাতিসত্তা, স্বকীয়তা ও সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্য। এদিন মায়ের ভাষার অধিকারের জন্য নিজেদের জীবনকে উৎসর্গ করেছিলেন বাঙালি জাতির সূর্য সন্তানেরা। অমর একুশের পথ ধরেই উন্মেষ ঘটেছিল বাঙালির স্বাধিকার চেতনার। অমর একুশের অবিনাশী চেতনাই আমাদের যুগিয়েছে অফুরন্ত প্রেরণা ও অসীম সাহস এবং বাঙালি জাতিসত্তা বিকাশের যে সংগ্রামের সূচনা সেদিন ঘটেছিল, ১৯৭১ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় পথ বেয়ে, স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের মধ্য দিয়ে তা চূড়ান্ত পরিণতি লাভ করে। রক্তস্নাত সেই অমর একুশে ফেব্রুয়ারি আজ। বাঙালি জাতির শোকের ও গৌরবের দিন। রক্তের বিনিময়ে প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। দিবসটি আজ শুধু বাঙালির নয়, পৃথিবীর সব ভাষাভাষী মানুষের। পৃথিবীর কয়েক হাজার ভাষাভাষী মানুষও দিনটি শ্রদ্ধাভরে পালন করছেন। কিন্তু বাংলাদেশের কাছে এর আবেদন অন্যরকম। রক্তস্নানের মধ্য দিয়ে ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার দিন। ভাষা আন্দোলন দমন করতে ১৯৫২ সালের আজকের এই দিনে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান সরকার ঢাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে। ছাত্ররা ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে মিছিল করেন। সেই মিছিলে গুলি চলে। গুলিতে শহীদ হন সালাম, রফিক, বরকত, জব্বার। তাঁদের স্মরণেই দেশবাসী এই শহীদ মিনারের সামনে এসে বিনম্র শ্রদ্ধা জানায়। শ্রদ্ধা-ভালোবাসার ফুলে ছেয়ে যায় মিনারের বেদি।
একুশের পথ ধরেই আমরা আত্মপরিচয়ের অধিকার অর্জন করেছি: রওশন এরশাদ
২০,ফেব্রুয়ারী,শনিবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ বাংলাভাষীসহ সব ভাষাভাষী জাতিগোষ্ঠীর প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। শনিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) এক বাণীতে তিনি এ অভিনন্দন জানান। বাণীতে রওশন এরশাদ বলেন, একুশের পথ ধরেই আমরা স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, লাল সবুজের পতাকা আর আত্মপরিচয়ের অধিকার অর্জন করেছি। তাই গৌরবোজ্জ্বল প্রেরণার মহিমান্বিত আর চেতনা শানিত করার শক্তি হলো একুশে ফেব্রুয়ারি। বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, বাঙালির ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি তথা যা কিছু মহান সবকিছুতেই একুশের চেতনা বিদ্যমান। বাঙালি জাতিসত্বা বিকাশের যে সংগ্রামের সূচনা হয়েছিল, মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় পথবেয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের মধ্যদিয়ে তা চূড়ান্ত পরিণতি লাভ করে। ভাষা আন্দোলনে শহীদদের অম্লান স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি একুশের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশবাসীকে সব ভেদাভেদ ভুলে দেশমাতৃকার সেবায় কাজ করার আহ্বান জানান।
মহাসড়কে টোল আদায়ের সিদ্ধান্ত জনস্বার্থবিরোধী : ন্যাপ
১৭,ফেব্রুয়ারী,বুধবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মহাসড়কে টোল আদায়ের সরকারি সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ গণবিরোধী ও জনস্বার্থ পরিপন্থী বলে মন্তব্য করে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টির (বাংলাদেশ ন্যাপ) চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেছেন, মহাসড়ক থেকে টোল আদায় করা হলে তা যাত্রীদের পকেট থেকেই দিতে হবে। জনগণের পকেট কাটার এমন সিদ্ধান্ত থেকে ফিরে আসা উচিত সরকারের। বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় এসব কথা বলেন। তারা বলেন, মঙ্গলবার একনেকের সভায় প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন, দেশের মহাসড়ক থেকে টোল আদায় করতে। জনস্বার্থে সরকারের এ সিদ্ধান্ত থেকে বিরত থাকা উচিত। জনগণের পকেট কাটার এমন সিদ্ধান্ত থেকে সরকার সরে আসবেন বলে প্রত্যাশা করি। সরকারকে মনে রাখতে হবে, মহাসড়ক থেকে টোল আদায় করা হলে তা যাত্রীদের পকেট থেকেই দিতে হবে, যানজটের তীব্রতা বাড়বে, নষ্ট হবে সময়। সড়কে টোল আদায় করা হলে বাসভাড়া আরও বাড়বে মন্তব্য করে নেতৃদ্বয় বলেন, এমনিতে বাস ভাড়া অনেক বেশি। সরকার নির্ধারিত ভাড়া পরিবহন মালিকরা নেন না। তারা অনেক বেশি টাকা নেন। এখন টোলের টাকাও যাত্রীদের কাছ থেকে উঠানো হবে। এই টোলের ফলে যাত্রীদের অর্থ অপচয় হবে, সময় অপচয় হবে। ফলে যাত্রীরাই ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। টোল থেকে আদায় হওয়া অর্থ কত অংশ সরকারি কোষাগারে জমা পড়বে, সেটা নিয়েও জনমনে সন্দেহ রয়েছে। তারা বলেন, দেশের বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশে আদৌ কোনো মহাসড়ক নেই। মহাসড়ক বলতে যা বোঝায় বা যে সুযোগ-সুবিধাগুলো থাকা উচিত, তা বাংলাদেশে নেই। কোনো যানবাহন যদি মহাসড়কের সুবিধা না পায়, তাহলে তার জন্য টোল দেবে কেন? আর দিলেও তা হতে হবে অযৌক্তিক। মহাসড়কে যানবাহন চলার নির্দিষ্ট গতি রয়েছে। যে সড়কে উচ্চগতিতে এবং নিরবচ্ছিন্নভাবে যানবাহন চলতে পারবে। ধীরগতির যান চলাচল থাকবে নিয়ন্ত্রিত। চাইলেই যে কোনো যানবাহন সেখানে প্রবেশ করতে পারবে না। নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ এবং সার্বক্ষণিক নজরদারিও মহাসড়কে নিশ্চিত করতে হয়। নেতৃদ্বয় আরও বলেন, সরকার নিজেরা টাকা উঠালে সেখানে দুর্নীতির কারণে নয়-ছয় হয়। আবার ইজারা দিলে খাতিরের লোকজনকে নামমাত্র মূল্যে দেয়া হয়। ফলে সরকারি কোষাগারে খুব বেশি টাকা জমা পড়ে না। তারা বলেন, দুঃখজনক হলেও বলতে হচ্ছে, আমাদের দেশের সড়ক-মহাসড়কগুলো যথাযথভাবে নির্মাণ করা হয় না। নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করা হয়। এতে ঘোষিত ও নির্ধারিত সময়ের আগেই সড়ক মহাসড়কগুলো নষ্ট হয়ে যায়। প্রয়োজন হয় মেরামতের। সড়ক-মহাসড়ক নির্মাণে ব্যয়ও আমাদের দেশে অন্যান্য দেশের তুলনায় বেশি। এক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নেই বললেই চলে। ফলে এ খাতের তথাকথিত ব্যয়ের বেশিরভাগেই লুটপাট হয়ে যায়। শুধু নির্মাণের ক্ষেত্রেই নয়, রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতের ক্ষেত্রেও একই অবস্থা লক্ষ্য করা যায়। নেতৃদ্বয় বলেন, সড়ক-মহাসড়ক ব্যবস্থাপনা বলতে যা বোঝায়, তা অনুপস্থিত। এ কারণে যানজট, দুর্ঘটনা, থ্রি হুইলার ও অযান্ত্রিক যানবাহনের চলাচল, চাঁদাবাজি, নিরাপত্তাহীনতা, টোল প্লাজায় অনিয়ম-দুর্নীতি সহজেই প্রত্যক্ষ করা যায়। সড়ক-মহাসড়ক ব্যবহারের ক্ষেত্রে যে ধরনের সুযোগ-সুবিধা ও অধিকার মানুষের থাকার কথা, তার দুঃখজনক ঘাটতি বিদ্যমান। এমতাবস্থায়, টোল আদায় শুরুর আগেই সড়ক-মহাসড়ক চলাচল উপযোগী, মসৃণ, দুর্ভোগমুক্ত, নিরাপদ করতে হবে।

রাজনীতি পাতার আরো খবর