সোমবার, আগস্ট ২, ২০২১
সবাই যেন ভ্যাকসিন পায়, জাতিসংঘ মহাসচিবকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী
১৮,জুন,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতিসংঘ সদর দফতরে মহাসচিবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন সাথে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে করোনার ভ্যাকসিন সবাই যেন পায়, সে বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়ার জন্য জাতিসংঘ মহাসচিবের প্রতি অনুরোধ করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এ সময় কোভিড ১৯ ভ্যাকসিনকে জনসাধারণের সম্পত্তি হিসেবে ঘোষণা করার জন্য জাতিসংঘ মহাসচিবকে ধন্যবাদ জানান তিনি। শুক্রবার জাতিসংঘের বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন থেকে এ তথ্য জানানো হয়। বৈঠকে জাতিসংঘ মহাসচিব সাম্প্রতিক জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে ভ্যাকসিন তৈরির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সক্ষমতা সম্পর্কে উল্লেখ করেন। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে জাতিসংঘের বিশেষ সম্পর্ক রয়েছে। তিনি জাতিসংঘের কার্যক্রমে বিশেষত শান্তিরক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তন ও নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশের নেতৃত্বের ভূমিকার প্রশংসা করেন। বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন দ্বিতীয় মেয়াদে পুনরায় নিয়োগের জন্য মহাসচিবকে অভিনন্দন জানান এবং তার প্রথম মেয়াদে জাতিসংঘের নেতৃত্বের প্রশংসা করেন। রোহিঙ্গা ইস্যুতে অব্যাহত মনোযোগের জন্য তাকে ধন্যবাদ জানান ড. মোমেন। তিনি বলেন, মিয়ানমারের রাজনৈতিক পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় মহাসচিবের ব্যক্তিগত হস্তক্ষেপ এখন আগের চেয়ে বেশি প্রয়োজন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, প্রকাশ্যে মানবাধিকার লঙ্ঘনের পরেও অনেক প্রভাবশালী দেশ মিয়ানমারের সঙ্গে তাদের অর্থনৈতিক ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক বাড়িয়েছে, যা হতাশাজনক। রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মানবিকতা উল্লেখ করে মহাসচিব বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, বিশ্বের বৃহত্তম শরণার্থী গোষ্ঠীকে আশ্রয় দেওয়ায় বিশ্ব বাংলাদেশের উদারতা ভুলে যাবে না। বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মহাসচিবকে ভাসানচরের সুবিধাগুলি সম্পর্কেও অবহিত করেন এবং সেখানে জাতিসংঘের কার্যক্রমের গুরুত্বের উপর জোর দেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, বাংলাদেশ এসডিজি বাস্তবায়নের পথে রয়েছে। তিনি এসডিজির গ্রাজুয়েশন দেশগুলোর জন্য অব্যাহত সহায়তা ব্যবস্থা গ্রহণেরও আহ্বান জানান। বৈঠকে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন।
গ্লোবাল কল টু অ্যাকশন প্রস্তাবনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ
১৮,জুন,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলনে (আইএলসি) সারা বিশ্বের শ্রমিকদের জন্য টিকা এবং ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী লাভের সুযোগ নিশ্চিত করার জন্য বৈশ্বিক আহ্বান জানানো হয়েছে। কোভিড মহামারির কারণে বিশ্বব্যাপী শ্রমবাজারে যে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে তা থেকে দ্রুত উত্তরণের লক্ষ্যে এবারের আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলনে একটি গ্লোবাল কল টু এ্যাকশন গৃহীত হয়েছে। প্রস্তাবনায় কোভিড মহামারিতে শ্রমিক শ্রেণী বিশেষত স্বাস্থ্য কর্মীদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি নিরসনে তাদের কোভিড টিকা প্রদান ও ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রী (পিপিই) এর প্রাপ্যতা এবং যথাযথভাবে বেতন-ভাতার সুরক্ষা নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়। বিশ্ব শ্রমবাজার ও অর্থনীতি পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে পৃথিবীর সকল দেশের সকল মানুষের জন্য সময়োচিত ও সাশ্রয়ী কোভিড টিকার ন্যায়সঙ্গত প্রাপ্যতার প্রয়োজনীয়তা জোরালোভাবে তুলে ধরা হয়। এছাড়া কোভিড-১৯ এর প্রতিকূল প্রভাবে বিশ্বের উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে ক্রমবর্ধমান অসমতা দূরীকরণ এবং শ্রম বাজারে সৃষ্ট চ্যালেঞ্জসমূহ মোকাবেলায় রাষ্ট্রসমূহকে যথাযথ সহায়তা প্রদানের জন্য আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থাকে অধিকতর কার্যকরী ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়। মহামারিকালীন ক্ষতি কাটিয়ে উঠার লক্ষ্যে নারী, বৃদ্ধ ও অভিবাসীদের জন্য বিশেষ কর্মপন্থা প্রণয়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি সম্প্রসারণের ওপর আলোকপাত করা হয়। প্রস্তাবনায় মহামারি পরবর্তী একটি টেকসই, গণমুখী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের উপর ও গুরুত্বারোপ করা হয়। এ গুরুত্বপূর্ণ দলিলটি শ্রম সম্মেলনের কোভিড সংক্রান্ত টেকনিক্যাল কমিটিতে দীর্ঘ আলোচনার পর চূড়ান্ত করা হয়। জেনেভাস্থ বাংলাদেশ মিশনের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মো. মোস্তাফিজুর রহমান উক্ত কমিটিতে সভাপতিত্ব করেন। একই সময়ে কমিটিতে বাংলাদেশ এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর সমন্বয়কের ভূমিকাও পালন করে এবং এ অঞ্চলের মহামারি সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরে তা মোকাবেলায় করণীয় সম্পর্কে দিক-নির্দেশনা প্রদান করে।
বাংলাদেশ জাতিসংঘের এফএও কাউন্সিলের সদস্য নির্বাচিত
১৮,জুন,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: এশিয়া অঞ্চলের প্রতিনিধি হিসেবে ২০২২-২০২৪ সাল পর্যন্ত জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) কাউন্সিলের সদস্য নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশ। সংবাদমাধ্যমকে বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে রোমের বাংলাদেশ দূতাবাস। জানা গেছে, বিশ্বের ১৮৩টি দেশের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে চলমান ৪২তম এফএও কনফারেন্সে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ অন্যান্য কাউন্সিল সদস্য রাষ্ট্রের সঙ্গে নীতি ও নির্বাহী পর্যায়ে এফএওর কার্যক্রম, বাজেট বাস্তবায়ন, ফলাফল ভিত্তিক কাঠামোর আওতায় কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ এবং পরিচালনা পরিষদের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণসহ এর প্রশাসনিক দিকগুলো তদারকিতে নেতৃত্ব দেবে। রোমের এফএও সদর দফতরে ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে চলমান এফএও কনফারেন্সে কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক আট সদস্য বিশিষ্ট বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন এবং অন্যান্যদের মধ্যে আছেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম, রোমস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত ও এফএও-তে স্থায়ী প্রতিনিধি মো. শামীম আহসান। খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা যা বিশ্বব্যাপী ক্ষুধা ও দারিদ্র দূরীকরণে প্রচেষ্টা চালায়।
বাংলাদেশে স্বাধীনভাবেই কাজ করছে গণমাধ্যম : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী
১৭,জুন,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বাংলাদেশে স্বাধীনভাবেই কাজ করছে গণমাধ্যম। তিনি বলেন, বাংলাদেশের গণমাধ্যম যে পরিমাণ স্বাধীনতা ভোগ করে, সেটি অনেক দেশেই করে না। এমনকি বাংলাদেশে যেমন স্বাধীনভাবে গণমাধ্যমের মাধ্যমে মানুষ মতপ্রকাশ করতে পারে, সংবাদ পরিবেশিত হয়, অনেক উন্নত দেশেও সেক্ষেত্রে অনেক প্রতিবন্ধকতা আছে। আমরা অনেক দেশের তুলনায় অনেক বেশি এগিয়ে আছি। বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় নর্থ সাউথ ইউনির্ভাসিটির ডিজিটাল মিডিয়া ল্যাব উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী একথা বলেন। উপাচার্য অধ্যাপক ড. আতিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে এসময় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান এম এ কাশেম। ড. হাছান বলেন, আমরা চাই এই গণমাধ্যমের অবাধ বিকাশ। কারণ গণমাধ্যমের অবাধ বিকাশ ছাড়া রাষ্ট্রের বিকাশ সম্ভবপর নয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই আমাদের দেশে গণমাধ্যমের অবাধ বিকাশ ঘটেছে। গত ১২ বছরের খতিয়ান যদি আমি দেই তাহলে দেখা যায়, আমাদের দেশে বেসরকারি টেলিভিশনের যাত্রা শুরু হয়েছিল মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরেই। ১২ বছর আগে টেলিভিশন ছিল ১০টি এখন বেসরকারি টেলিভিশন ৩৫টি চালু এবং আরো ১০টি সম্প্রচারের অপেক্ষায়। আমাদের বেসরকারি রেডিও চ্যানেল ২২টি এবং হাজার হাজার অনলাইন পত্রিকা চালু রয়েছে। অনেকগুলো আইপি রেডিও এবং টেলিভিশন চালু রয়েছে। একইসাথে পত্রিকার সংখ্যা সাড়ে ১২ বছর আগে ছিল সাড়ে ৪শ এখন সেটি সাড়ে ১২শ অর্থাৎ প্রায় তিনগুণ বেড়েছে। এই ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে ড. হাছান বলেন, আমরা দেখেছি বহু অনলাইন বা আইপি টিভি খুলে অনেকে সেটি ভিন্ন উদ্দেশ্যে পরিচালনা করছে এবং সেখানে নানাধরণের বিষয় প্রচার করা হয় যেগুলো আমাদের সমাজ, সংস্কৃতির সাথে যায় না, যেগুলো তরুণ সমাজকে বিপথে পরিচালিত করে। আমরা এই সমস্ত আইপি টিভির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। তবে বিশ্ববদ্যালয়ের মতো যে সমস্ত প্রতিষ্ঠান আইপি টিভি চালু করবে, আমরা সেটিকে সাধুবাদ জানাই, অভিনন্দন জানাই। এটি শিক্ষার প্রসার ও ছাত্রছাত্রীদের মেধা বিকাশের ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখবে এবং একই সাথে প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীসহ সবাইকে সংযুক্ত রাখার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব টিভি ও রেডিও ছাত্রদের মেধা বিকাশের জন্য অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমি যদি আমার নিজের জীবনের পেছনে ফিরে তাকাই তাহলে দেখতে পাই, আমার স্কুলের শিক্ষা, কলেজের শিক্ষা আমাকে শুধু ডিগ্রী দিয়েছে তা নয়, ডিগ্রীর পাশাপাশি আমার অন্য সুপ্ত বিষয়গুলো যদি বিকশিত করার সুযোগ করে না দিতো, তাহলে আমি আজকের এই জায়গায় কখনো আসতে পারতাম না। বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শুধু বিশ্বমানের শিক্ষাই দেবে না, এমন উন্নত মানুষ তৈরি করবে, যারা পৃথিবীকে পথ দেখাবে। হাছান মাহমুদ বলেন, ছাত্রদেরকে শুধুমাত্র জ্ঞান দিলেই হয় না, একজন পূর্ণাঙ্গ মানুষ হিসেবে একজন ছাত্রকে গড়ে তুলতে হলে তার মেধার সাথে মূল্যবোধ, দেশাত্মবোধ, মমত্ববোধের সমন্বয় ঘটানো প্রয়োজন। কারণ আজকের পৃথিবীতে মানুষ শুধুমাত্র নিজেকে নিয়ে ভাবে, অপরের জন্য ভাবে না। তিনি আরো বলেন, আমাদের পারিবারিক মূল্যবোধ, পারিবারিক বন্ধন, সামাজিক মূল্যবোধ এবং সামাজিক বন্ধন পশ্চিমা দেশের চেয়ে অনেক বেশি উন্নত এবং অনেক গভীরে প্রোথিত। আধুনিকতার ছোঁয়া অবশ্যই দরকার, আধুনিক হওয়া প্রয়োজন। কিন্তু আধুনিক হতে গিয়ে আমরা যেন পাশ্চাত্যের অন্ধ অনুকরণ না করি। আমাদের পারিবারিক-সামাজিক মূল্যবোধগুলো যেন হারিয়ে না যায়, আমরা যেন ক্রমাগত আত্মকেন্দ্রিক হয়ে না যাই। মেধাবিকাশের জন্য ডিগ্রি দেয়ার পাশাপাশি মেধার নানামুখী বিকাশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ পৃথিবীতে বহু মানুষ আছে ডিগ্রির বিবেচনায় তাদের কোনো ডিগ্রিই নেই, যারা বিশ্ববিদ্যালয় শেষ করতে পারেনি কিন্তু পৃথিবীটাকে বদলে দিয়েছে উল্লেখ করে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, রবীন্দ্রনাথ স্কুল থেকে পালিয়েছিলেন, কাজী নজরুল তো পড়তেই পারলেন না, মেট্রিক পাস করতে পারেনি, লালন তো স্কুল কি সেটা জানতেই পারেনি। আবার ভারতের সংবিধান প্রণেতা আহমেদ কর তিনি নি বর্নের হিন্দু ছিলেন বিধায় স্কুলে ক্লাসে ঢুকতে দিতো না, বারান্দায় বসে তিনি পাঠদান অনুসরণ করতেন, মাইলের পর মাইল হেঁটে স্কুলে যেতেন, কোনো গাড়ি তাকে নিতো না, অথচ তিনি পৃথিবীর অন্যতম সমৃদ্ধ সংবিধান ভারতের সংবিধান প্রণেতা। তৈমুর লং খোড়া ছিলেন, নেপোলিয়ান বেঁটে ছিলেন, বিলগেটস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফেল করে বের হয়ে গিয়েছেন, তিনি কম্পিউটার সাইন্সেরই ছাত্র ছিলেন। কম্পিউটার সাইন্সে পাস করতে না পারার কারণে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ড্রপআউট ছিলেন। আজ এদের নিয়ে পৃথিবী গবেষণা করে, তাদের ওপর পিএইচডি ডিগ্রিও হয়। তাই জীবনে উন্নতি লাভ করতে কোনো কিছুই বাধা নয়। শুধু স্বপ্ন দেখার পাশাপাশি, স্বপ্ন পূরণের জন্য নিরন্তর প্রচেষ্টা চালাতে হয়, তাহলেই স্বপ্ন পূরণ হয়। অনুষ্ঠানে নর্থ সাউথ ইউনির্ভাসিটির ওয়েবসাইট থেকে পরিচালিত এনএসইউ রেডিও এবং এনএসইউ টিভির অনুষ্ঠান দেখানো হয় এবং তথ্যমন্ত্রী একটি সংক্ষিপ্ত টক শোতে অংশ নেন।
দ্বিতীয় পর্যায়ে ৫৩ হাজার পরিবার ভূমিসহ ঘর পাচ্ছে
১৭,জুন,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী ২০ জুন দ্বিতীয় পর্যায়ে ৫৩ হাজার ৩৪০টি গৃহহীন ও ভূমিহীন পরিবারের মধ্যে বিনামূল্যে দুই শতাংশ জমি ও সেমিপাকা ঘর করে হস্তান্তর করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে এ প্রসঙ্গে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব ড. আহমদ কায়কাউস। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব তোফাজ্জল হোসেন ও আশ্রয়ণ প্রকল্প-২-এর পরিচালক মাহবুব হোসেন। তিনি বলেন, মুজিববর্ষে বাংলাদেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না প্রধানমন্ত্রীর এ নির্দেশনা বাস্তবায়নে দেশের সব ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান কার্যক্রম চলমান। ইতোমধ্যে এ বছরের ২৩ জানুয়ারি প্রথম পর্যায়ে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সেমিপাকা গৃহ ও ব্যারাকে ৬৯ হাজার ৯০৪টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে বিনামূল্যে জমিসহ গৃহ প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী। সে ধারাবাহিকতায় আগামী ২০ জুন দ্বিতীয় পর্যায়ে ৫৩ হাজার ৩৪০টি পরিবারকে বিনামূল্যে জমিসহ গৃহ প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে আরও এক লাখ ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব বলেন, সামাজিক আন্দোলনে পরিণত হয়েছে এই গৃহপ্রদান কার্যক্রম। আশ্রয়ণ প্রকল্প একটি নজিরবিহীন ও অসাধারণ কার্যক্রম। কায়কাউস বলেন, দেশব্যাপী বেদখল হয়ে যাওয়া সরকারি জমিও উদ্ধার করা হচ্ছে এবং সেসব জমিতে অসহায় মানুষ থাকতে পারছে। বৈশ্বিক মহামারির মধ্যেও প্রধানমন্ত্রী অসহায় মানুষের গৃহদান করে চলেছেন। যা একটি স্বপ্নযাত্রার উদ্যোগ। তিনি আরও বলেন, পরবর্তীতে এই দুই শতাংশ জমির ওপর তারা নতুন করেও বাড়ি তৈরি করতে পারবেন। এটি তো আর চিরস্থায়ী না। এসব জমি তাদের নামে নামজারি করে দেওয়া হচ্ছে। তারা চাইলেই এসব জমি বিক্রি করা সম্ভব হবে না। কেউ বিক্রি করতে চাইলে সেসব দলিল ট্র্যাক করতে পারবে ভূমি মন্ত্রণালয় তথা সরকার। আর আশ্রয়ণ প্রকল্প নিয়ে যারা দুর্নীতি বা অনিয়ম করেছে তাদের ছাড় দেওয়া হচ্ছে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি। ভ্যাকসিন প্রসঙ্গে মুখ্যসচিব বলেন, দেশে ১৪ হাজার কোটি টাকা ভ্যাকসিনের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে। আশা করা হচ্ছে জুলাই থেকে আবারও গণটিকা কার্যক্রম শুরু হবে তিনি বলেন, পৃথিবীতে যারাই ভ্যাকসিন বানাচ্ছে তাদের সঙ্গেই যোগাযোগ করছে বাংলাদেশ। এর মধ্যেও এখন পর্যন্ত সবচেয়ে কম দামে ভ্যাকসিন কেনা হয়েছে। শিগগিরই বড় আকারে ভ্যাকসিন মিলবে বলে আশা করা হচ্ছে। কায়কাউস বলেন, ভ্যাকসিনের বিষয়টা সেলার্স মার্কেট হয়ে গেছে। অগ্রিম কিছু বলা যাচ্ছে না। আগে থেকেই কিছু বললে, অনেকে (দেশ) রাগও করে বসছে। ভ্যাকসিন উৎপাদক দেশগুলো প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে, কিন্তু বাস্তবায়ন করছে না। এ ছাড়া করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে লকডাউনের ব্যাপারে তিনি বলেন, নতুন করে দেশব্যাপী লকডাউনের আর কোনো পরিকল্পনা নেই সরকারের।
যেখানেই আইন ভঙ্গ হবে সেখানেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যবস্থা নিবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
১৬,জুন,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রিসোর্ট হোক অথবা বার হোক যেখানেই আইন ভঙ্গ করা হবে সেখানেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যবস্থা নিচ্ছে এবং নিবে। ছয় দিন ধরে নিখোঁজ ইসলামি বক্তা আবু ত্বহা মুহাম্মদ আদনানের নিখোঁজের বিষয়ে শুনেছি। আমরা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। বুধবার গাজীপুরের কালিয়াকৈরে সফিপুর আনসার ভিডিপি একাডেমিতে ২১ তম ব্যাচ (পুরুষ) নবীন ব্যাটালিয়ন আনসারদের ৬ মাসের মৌলিক প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠান শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান এসব কথা বলেছেন। মন্ত্রী নবীন ব্যাটালিয়ন আনসার সদস্যদের উদ্দেশে্য বলেন, প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান, মেধা , শ্রম ও দক্ষতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীকে আপনারা অনন্য উচ্চতায় এগিয়ে নিয়ে যাবেন। সুশৃঙ্খল বাহিনীর গর্বিত সদস্য হিসেবে পেশাগত ক্ষেত্রে আত্মনিবেদিত থেকে একটি মর্যাদাসীন ও সুদৃঢ় অবস্থানে এ বাহিনীকে দাঁড় করাতে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখবেন। আনসার কর্মকর্তারা জানান, ৯৭৯ জন নবনিযুক্ত ব্যাটালিয়ন আনসার ৬ (ছয়) মাস মেয়াদী মৌলিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ শেষে সমাপনী কুচকাওয়াজে অংশগ্রহণ করে। কুচকাওয়াজের শুরুতেই প্রধান অতিথি একটি সুসজ্জিত খোলা জীপে প্যারেড পরিদর্শন করেন। এ সময় বাহিনীর মহাপরিচালক ও প্যারেড কমান্ডার প্রধান অতিথির সাথে উপস্থিত ছিলেন। পরে প্রশিক্ষণার্থীগণ ৬ সারিতে মার্চ পাস্ট করে প্রধান অতিথিকে অভিবাদন জানান। এরপর প্রধান অতিথি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কৃতী ও চৌকস প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে পুরস্কার প্রদান করেন। মৌলিক প্রশিক্ষণে সজীব মন্ডল শ্রেষ্ঠ ড্রীল, মহিউদ্দিন ফাহিম শ্রেষ্ঠ ফায়ারার এবং রাকিব আকন্দ চৌকস প্রশিক্ষণার্থী ব্যাটালিয়ন আনসার হিসেবে প্রথম স্থান অধিকার করেন । পুরস্কার প্রদান শেষে প্রশিক্ষণার্থী নবীন ব্যাটালিয়ন আনসার সদস্যদের উদ্দেশ্যে প্রধান অতিথি তার বক্তব্য বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ থেকে বাহিনীর সুনাম এবং ভাবমূর্তি অক্ষুন্ন রাখতে নিজেদের উপর অর্পিত দায়িত্ব ও কর্তব্য সঠিকভাবে পালন করে আপনারা দেশ এবং জাতির সার্বিক উন্নয়নে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে সক্ষম হবেন। প্রশিক্ষণলদ্ধ জ্ঞান, মেধা, শ্রম ও দক্ষতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীকে আপনারা অনন্য উচ্চতায় এগিয়ে নিয়ে যাবেন। সু-শৃঙ্খল বাহিনীর গর্বিত সদস্য হিসেবে পেশাগত ক্ষেত্রে আত্মনিবেদিত থেকে একটি মর্যাদাসীন ও সৃদৃঢ অবস্থানে এ বাহিনীকে দাঁড় করাতে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখবেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দীন, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মিজানুর রহমান শামীম, বাহিনীর অতিরিক্ত মহাপরিচালক কমান্ড্যান্ট, উপ-মহাপরিচালক(প্রশাসন), উপ-মহাপরিচালক (অপারেশনস) সহ সদর দপ্তর ও একাডেমির উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, রংপুর থেকে ফেরার পথে রাজধানীর গাবতলী এলাকা থেকে গত বৃহস্পতিবার (১০ জুন) ইসলামি বক্তা আবু ত্বহা মুহাম্মদ আদনান নিখোঁজ হন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়। নিখোঁজ হওয়ার পর তার স্ত্রী এবং মা রংপুর ও ঢাকায় এ বিষয়ে পুলিশকে লিখিত অভিযোগ করেন। নিখোঁজের ছয় দিন পরেও আবু ত্বহার কোনো হদিস বা সন্ধান দিতে পারেনি পুলিশ। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ও রংপুর জেলা পুলিশ বলছে, তারা কাজ করে যাচ্ছেন। কিন্তু আবু ত্বহা ঠিক কোথা থেকে নিখোঁজ হয়েছেন তা এখনও নিশ্চিত নয় পুলিশ।
সাংবাদিকদের ৪৫ শতাংশ মহার্ঘভাতা আইন চূড়ান্ত
১৬,জুন,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকার গণমাধ্যমকর্মীদের ৪৫ শতাংশ মহার্ঘভাতা নিশ্চিত করতে আইন প্রণয়ন করেছে। এটি অনুমোদনের জন্য চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। তিনি বলেন, প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া উভয়ক্ষেত্রে সাংবাদিকরা কর্মস্থলে চাকরির অনিশ্চয়তায় ভোগেন। এটা স্বাধীন গণমাধ্যমের জন্য হুমকি। তাদের চাকরির এ অনিশ্চয়তা দূর করতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় গণমাধ্যমকর্মী (চাকরির শর্তাবলি) আইন প্রণয়ন করছে, যা বর্তমানে অনুমোদনের চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। সাংবাদিকদের আবাসনের জন্যও বিশেষ প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বুধবার (১৬ জুন) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য শহীদুজ্জামান সরকারের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব তথ্য জানান। স্পিকার ড. শিরীন শারমিনের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সাংবাদিকদের পরিবারকে সহায়তা দেয়ার জন্য ১০ কোটি টাকা আর্থিক অনুদান দেয়া হয়েছে। করোনায় প্রেসক্লাবের আয় কমে যাওয়ায় মে মাসে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ও অন্যান্য ব্যয় নির্বাহের জন্য ৫০ লাখ টাকা আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়েছে। সংবাদকর্মীদের কল্যাণে বর্তমান সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সরকার ২০১৩ সালে অষ্টম সংবাদপত্র মজুরি বোর্ড রোয়েদাদ ঘোষণার মাধ্যমে সাংবাদিক ও সংবাদকর্মীদের বেতন এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করেছে। তিনি বলেন, বর্তমানে ১৮৮টি পত্রিকায় অষ্টম ওয়েজ বোর্ড রোয়েদাদ বাস্তবায়িত হয়েছে। এছাড়া নবম ওয়েজবোর্ড রোয়েদাদ ঘোষণার মাধ্যমে সাংবাদিক ও সংবাদকর্মীদের বেতন এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। সরকার দেশের সংবাদপত্র ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় নিরপেক্ষ সংবাদ পরিবেশনের লক্ষ্যে নানা সুবিধা দেয়ার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন সময় গুরুতর আহত সাংবাদিকদের দেশ-বিদেশে উন্নত চিকিৎসার ব্যয়ভার সরকার বহন করে। প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকেও সাংবাদিকদের জন্য অর্থ প্রদানসহ বিভিন্ন সহযোগিতা করা হয়।
সুদানের জন্য ৬৫ কোটি টাকা অনুদান দিল বাংলাদেশ
১৬,জুন,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঋণগ্রস্ত ও দরিদ্র আফ্রিকান দেশ সুদানের আন্তর্জাতিক ঋণ ভার কমানোর জন্য বাংলাদেশ ৬৫ কোটি টাকা অনুদান দিয়েছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের(আইএমএফ) অনুরোধে বাংলাদেশ এ অনুদান দিয়েছে। মঙ্গলবার আইএমএফকে অনুদানের ৫৩ লাখ ২০ হাজার এসডিআর(আইএমএফের মুদ্রা) দিয়েছে বাংলাদেশ। বুধবার অর্থ মন্ত্রনালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আইএমএফের আহ্বানে সাড়া দিয়ে অত্যাধিক ঋণগ্রস্ত দরিদ্র রাষ্ট্র এবং ওআইসি সদস্যভুক্ত বন্ধুপ্রতীম দেশ সুদানের ঋণ মওকুফের ৫৩ কোটি ২০ লাখ এসডিআর, যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৬৫ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। সরকার আশা করে ঋণ ত্রাণ(ডেট রিলিফ)হিসেবে বাংলাদেশ সরকারের এ অর্থায়ন দারিদ্র্য বিমোচনে সুদানের সংগ্রামকে আরও শক্তিশালী করবে। উল্লেখ্য, গত বছরেও আইএমএফের উদ্যোগের অংশ হিসেবে আফ্রিকান দেশ সোমালিয়ার দারিদ্র্য মুক্তির লক্ষ্যে বাংলাদেশ ৮ কোটি টাকা অনুদান দিয়েছিলো।
টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সেরা তিনে বাংলাদেশ
১৫,জুন,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সেরা তিনে উঠে এসেছে বাংলাদেশ। সোমবার সাসটেইনেবল ডেভেলপ-২০২১ প্রকাশ হলে এ তথ্য জানা যায়। বাংলাদেশ ছাড়াও আফগানিস্তান ও দক্ষিণ আফ্রিকার কোট ডিবায়ারও সূচকে অগ্রগতি পেয়েছে। ২০৩০ সালে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ২০১৫ সালে যেই এজেন্ডা নেয়া হয়েছিল তাতে সবচেয়ে বেশি অগ্রগতি হয় এই তিন দেশের। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অন্যান্য অঞ্চলের মধ্যে পূর্ব ও দক্ষিণ এশিয়ায় টেকসই উন্নয়নে সবচেয়ে বেশি অগ্রগতি হয়েছে। দক্ষিণ এশিয়ায় ভারত, পাকিস্তান এবং আফগানিস্তানকে পেছনে ফেলে বাংলাদেশের ৫ম অবস্থানে রয়েছে। অবস্থান আর অবনতির তালিকায় রয়েছে ভেনেজুয়েলা, তুভালু ও ব্রাজিল। টেকসই উন্নয়নের সূচক অনুয়ায়ী বাংলাদেশের বতর্মান অবস্থান ১০৯ নম্বরে; আর ভারত ১২০ নম্বরে। এ তালিকায় শীর্ষে রয়েছে ফিনল্যান্ড।

জাতীয় পাতার আরো খবর