সোমবার, আগস্ট ২, ২০২১
ভাস্কর্য নিয়ে যারা বিতর্ক সৃষ্টি করতে চায় তারা লেখাপড়া জানেনা: তোফায়েল আহমেদ
১০ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, যারা ভাস্কর্য নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করতে চায়, তারা লেখাপড়া জানেনা। পৃথিবীর বহু মুসলিম দেশে ভাস্কর্য আছে। আজকে ভাস্কর্য নিয়ে রাজনীতি শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুরে ভোলা জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনের উদ্বোধন ও জেলার মডেল মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জেলা প্রশাসন ও গণপূর্ত বিভাগ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। তোফায়েল আহমেদ বলেন, পৃথিবীর প্রথম বৃহত্তম মুসলিম রাষ্ট্র ইন্দোনেশিয়ায় তাদের জাতির পিতার ভাস্কর্য রয়েছে। আমাদের মহানবীর জন্মস্থান সৌদী আরবে আছে মুষ্টিবদ্ধ হাত এবং ঘোড়ার ছবি। ইরানে বিখ্যাত কবি ওমর খৈআম, ফেরদৌসের ভাস্কর্য রয়েছে। ইরাকে আলীবাবা চল্লিশ চোর এর বুদ্ধীমতী নারী মর্জিনা তারও ভাস্কর্য আছে। তিনি বলেন, মলেশিয়ায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে যারা শহীদ হয়েছে তাদের নিয়ে আছে ন্যাশনাল মনুমেন্ট। তুরস্কের বর্তমান প্রেসিডেন্টের নামে ভাস্কর্য রয়েছে। তিউনেশিয়ায়ও ভাস্কর্য আছে। বাংলাদেশেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক আগে থেকেই ভাস্কর্য আছে। তারপরেও ভাস্কর্য নিয়ে কেন বিতর্ক প্রশ্ন রাখেন তিনি। প্রবীণ এই আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, যতদিন বাংলাদেশ থাকবে, বাংলার মাটি ও মানুষ থাকবে, ততদিন জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালীর জাতির হৃদয়ের মনিকোঠায় বিরাজ করবেন। আজকে মাদ্রাসায় যারা পড়ান সেখানেও তারা অন্যায় কাজ করে, কিন্তু সেগুলো নিয়ে সোচ্চার হয়না। সোচ্চার হয় ভাস্কর্য নিয়ে। সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, বিজয়ের আনন্দ ক্ষণস্থায়ী, পরাজয়ের গ্লানি চীরস্থায়ী। ৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর আমরা বিজয় লাভ করেছি। কিন্তু আমরা তা ভুলে গেছি। আর যারা পরাজিত তারা কিন্তু ভোলেনি। তারা ওৎ পেতে আছে। যার কারণে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে, নিস্পাপ রাসেলকেও হত্যা করেছে। যাতে বঙ্গবন্ধুর রক্তের কেউ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হতে না পারে। বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ এই সহচর বলেন, সেদিন জাতির পিতার দুইকন্যা দেশের বাইরে থাকায় তারা বেঁচে যান। আমরা তাঁর কন্যার হাতে আওয়ামী লীগের পতাকা তুলে দিয়েছি। সেই পতাকা হাতে নিয়ে জেল, জুলুম, অত্যাচার, নির্যাতন সহ্য করে বার বার মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েও নিষ্ঠার সাথে আপোষহীনভাবে বাংলাদেশকে পরিচালনা করে পৃথিবীর মধ্যে একটি গর্বিত জাতিতে পরিনত করেছেন। তোফয়েল বলেন, জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে ক্ষমতায় এসে রাষ্ট্রীয় নীতিকে তছনছ করেছে। বাঙালী জাতীয়তাবাদকে বাংলাদেশীয় জাতীয়তাবাদ করেছে। ধর্মভিত্তিক রাজনীতি নিষিদ্ধ ছিলো, তিনি ধর্মভিত্তিক রাজনীতি দিয়েছে। তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিরলস পরিশ্রম করে চলছেন। তার নেতৃত্বে এই করোনাকালেও আমরাও এশিয়ার মধ্যে এগিয়ে রয়েছি। ভারতের চেয়ে আমাদের মাথাপিছু আয় বেশি। মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিনদেরও তিনি সাহায্য করছেন। গরীব দুখী মানুষ যাতে দু’বেলা খেতে পারেন সে ব্যবস্থাও প্রধানমন্ত্রী করেছেন। ব্যবসায়ীরা যাতে আর্থিকভাবে সহায়তা পায় সেই ব্যবস্থাও করেছেন। জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের হলরুমে অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মো. মাসুদ আলম ছিদ্দিকের সভাপতিত্বে আরো বক্তৃতা করেন- জেলা পুলিশ সুপার সরকার মো. কায়সার, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল মমিন টুলু, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. মোশারেফ হোসেন, জেলা গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী কাজী শরিফউদ্দিন আহমেদ।
আগামী বছরের মধ্যেই বৈষম্য বিলোপ আইন : আইনমন্ত্রী
১০ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী বছরের (২০২১) মধ্যেই বৈষম্য বিলোপ আইন করা হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক। বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১০ ডিসেম্বর) ভার্চুয়াল সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা জানান। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের উদ্যোগে এ ভার্চুয়াল সভার আয়োজন করা হয়। এবার দিবসের প্রতিপাদ্য- ঘুরে দাঁড়াবো আবার, সবার জন্য মানবাধিকার। আইনমন্ত্রী বলেন, বৈষম্য বিলোপ আইন আগামী বছর আইন হিসেবে রূপান্তরিত হবে দেখতে পাবেন। আমি আপনাদের কথা দিতে পারি, কারণ এটা শেষ ধাপে এসেছে। আগামী বছর লেজিসলেটিভ ফর্মালিটিজগুলো সম্পন্ন করার বছর। আমি ওই বছরই লেজিসলেটিভ ফর্মালিটিজগুলো কমপ্লিট করে দেব। সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সব বৈষম্য বিলোপে বেশ আগে একটি আইনের খসড়া করা হলেও সেটি আলোর মুখ দেখেছি। আনিসুল হক বলেন, বাংলাদেশ সরকার মানবাধিকারের মূল্যবোধগুলো অত্যন্ত নিবিড়ভাবে উপলব্ধি করে ধারণ করে। আমরা মানবাধিকার নিয়ে গতানুগতিকভাবে যেভাবে চিন্তা করছিলাম করোনাভাইরাস আজকে সেই গতানুগতিক চিন্তাধারা বদলে দিয়েছে। সেজন্যই মনে হয়, ঘুরে দাঁড়াবো আবার, সবার জন্য মানবাধিকার স্লোগান আবিষ্কৃত হয়েছে। তিনি বলেন, মানবাধিকারের লঙ্ঘনগুলো আমরা দেখছি সারা বিশ্বে কোভিড-১৯ পরিস্থিতির মধ্যে হচ্ছে। সেগুলোর পুনরাবৃত্তি যাতে না হয় সেই ব্যবস্থা করতে হবে।
মানবাধিকার সুরক্ষায় সচেতনতা সৃষ্টিতে একযোগে কাজ করার আহবান প্রধানমন্ত্রীর
১০ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সবার মধ্যে মানবাধিকার সুরক্ষায় সচেতনতা সৃষ্টিতে একযোগে কাজ করার উপর গুরুত্বারোপ করে সবাইকে আরো কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সকলের মধ্যে মানবাধিকার সুরক্ষায় সচেতনতা সৃষ্টিতে একযোগে কাজ করে আমরা জাতির পিতার স্বপ্নের ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সমর্থ হবো, ইনশাআল্লাহ। প্রধানমন্ত্রী কোভিড-১৯ মোকাবিলায় মানবাধিকার সুরক্ষার লক্ষ্যে সরকারের পাশাপাশি মানবাধিকার সুরক্ষার কাজে নিয়োজিত জাতীয় মানবাধিকার কমিশনসহ সকল সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থা, উন্নয়ন সহযোগী, সুশীল সমাজ, গণমাধ্যম, মালিক ও শ্রমিক সংগঠনসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে আরো কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। শেখ হাসিনা আগামীকাল মানবাধিকার দিবস ২০২০ পালন উপলক্ষ্যে আজ দেয়া এক বাণীতে এ আহবান জানিয়ে বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের উদ্যোগে মানবাধিকার দিবস পালন করা হচ্ছে জেনে তিনি আনন্দিত। এছাড়াও মানবাধিকার দিবসের এবারের প্রতিপাদ্য ঘুরে দাঁড়াবো আবার, সবার জন্য মানবাধিকার করোনা মহামারির এই সময়ে অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে বলে তিনি মনে করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার দেশের জনগণের মানবাধিকার সুরক্ষায় বদ্ধপরিকর। মানবাধিকার উন্নয়ন ও সুরক্ষার অঙ্গীকার বাস্তবায়নকল্পে সরকার ২০০৯ সালে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন প্রণয়ন করে। ইতোমধ্যে কমিশনকে শক্তিশালী করার জন্য জনবল ও বাজেট বরাদ্দ বৃদ্ধি করাসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। বর্তমানে কমিশন স্বাধীন এবং নিরপেক্ষভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বাংলাদেশ তিনবার জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের সদস্য পদে নির্বাচিত হয়েছে। এছাড়া আমাদের সরকার মানবাধিকার সুরক্ষার লক্ষ্যে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কনভেনশনে স্বাক্ষর ও অনুসমর্থন করেছে। আমরা বিশ্ব মানবতার দিকে লক্ষ্য রেখে মিয়ানমারে নির্যাতিত হয়ে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছি। নিরাপত্তাসহ তাদের জীবন ধারনের জন্য প্রয়োজনীয় সকল সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। এবারের মানবাধিকার দিবস এক ভিন্ন প্রেক্ষাপটে উদ্যাপিত হচ্ছে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে গোটা বিশ্ব এখন বিপর্যস্ত। করোনা মোকাবিলার সকল প্রচেষ্টার মূল কেন্দ্রবিন্দু মানবাধিকার সুরক্ষা এই প্রত্যয় নিয়ে আমরা আমাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি, করোনা মোকাবিলা ও সকলের সমঅধিকার প্রতিষ্ঠিত করতে গিয়ে চিহ্নিত সীমাবদ্ধতাগুলোকে জয় করার মাধ্যমে আমরা আমাদের কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারব। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সারাজীবন শোষিত-বঞ্চিত মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য সংগ্রাম করেছেন। মানবাধিকারের প্রতি তাঁর অঙ্গীকার ছিল অবিচল। শৈশব থেকে আমৃত্যু তিনি মানবাধিকারের প্রতি নিবেদিত ছিলেন। মানুষের রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য বারবার কারাবরণ করেছেন। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব চেয়েছিলেন শোষণ ও বঞ্চনামুক্ত বাংলাদেশ গড়তে যেখানে প্রতিটি মানুষ মানবিক মর্যাদা, সাম্য ও ন্যায়বিচারের নিশ্চয়তা লাভ করবে। আমাদের স্বাধীনতা অর্জনের পর মাত্র দশ মাসের মধ্যে জাতির পিতা যে সংবিধান উপহার দিয়েছিলেন, সেই সংবিধানে ১৯৪৮ সালে জাতিসংঘ ঘোষিত ৩০টি অনুচ্ছেদ সংবলিত সর্বজনীন মানবাধিকার দর্শনের পুরোপুরি প্রতিফলন রয়েছে। শেখ হাসিনা বলেন, মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে এবারের মানবাধিকার দিবসে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন সারা দেশে বঙ্গবন্ধু ও মানবাধিকার শীর্ষক রচনা প্রতিযোগিতা আয়োজন করেছে জেনে তিনি আনন্দিত। প্রধানমন্ত্রী মনে করেন, কমিশনের এই উদ্যোগের ফলে তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকসহ মাঠ প্রশাসনে কর্মরত সকলের মধ্যে বঙ্গবন্ধুর মানবাধিকার দর্শন সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে। তিনি মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।- বাসস
স্বপ্ন পূর্ণ হওয়ার দিন আজ
১০ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আজ ১০ ডিসেম্বর ২০২০। ইতিহাসের পাতায় দিনটি স্বর্ণের অক্ষরে লেখা থাকবে। কারণ বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষের স্বপ্ন পূর্ণ হওয়ার দিন আজ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহসি পদক্ষেপ স্বপ্নের পদ্মা সেতু দৃশ্যমান হচ্ছে আজ। সেতুর ১২ ও ১৩ নম্বর পিলারের ওপর বসানো হচ্ছে টু-এফ নামের শেষ স্প্যান। এর মধ্যে দিয়ে দৃশ্যমান হবে সেতুর ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার। ইতোমধ্যে স্প্যাটি মাওয়া কুমারভোগ কন্সট্রাকশন ইয়ার্ডে থেকে নির্ধারিত পিলারের কাছে পৌঁছেছে। বুধবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে ৩ হাজার ২০০ টন ওজনের ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যরে এই স্প্যানটি নির্ধারিত পিলারের কাছে পৌঁছায়। পদ্মা সেতুর নির্বাহী প্রকৌশলী দেওয়ান আবদুল কাদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, এবার সেতুর দুই প্রান্ত জোড়া লাগার পালা। তিনি আরও জানান, আজ বৃহস্পতিবার সকালের দিকে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ১২ ও ১৩ নম্বর পিলারের ওপর স্প্যান বসানোর কার্যক্রম শুরু করব। আর এতেই দৃশ্যমান হবে ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার। ৪১তম স্প্যান বসানোর মধ্য দিয়ে এক নতুন মাইফলক রচিত হবে। নির্বাহী প্রকৌশলী আরও বলেন, ৪১তম স্প্যান বসানো হলে সেতুর ৪২টি পিলারের ওপর সবকয়টি স্প্যান বসানো সম্পন্ন হবে। ইতোমধ্যে ৪০টি স্প্যান বসে গেছে। এতে দৃশ্যমান হয়েছে ৬ কিলোমিটার। এদিকে জাজিরা প্রান্তে আগেই ২০টি স্প্যান বসানো হয়। আর মাওয়া প্রান্তে বসানো হয়েছে ১৯টি স্প্যান। ১টি স্প্যান বসানো হয় মাওয়া ও জাজিরা প্রান্তের মাঝখানে। ৩ বছর ২ মাস ১০ দিনে ৪০ স্প্যান পদ্মা সেতুতে এ পর্যন্ত ৪০টি স্প্যান বসানো হয়েছে। বাকি আছে মাত্র একটি। এটি আজ বসলে সব স্প্যান বসানো সম্পন্ন হবে। ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ৩৭ ও ৩৮ নম্বর পিলারের ওপর প্রথম স্প্যান বসানোর মধ্যে দিয়ে দৃশ্যমান হয় পদ্মা সেতু। সে হিসাবে ৩ বছর ২ মাস ১০ দিনে বসানো হলো সেতুর সবকয়টি স্প্যান।
রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে চাপ অব্যাহত রাখবে নেদারল্যান্ড ও সুইডেন
০৯ডিসেম্বর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নেদারল্যান্ড এবং সুইডেন জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদেরকে তাদের আদি জন্মভূমি রাখাইনে ফিরিয়ে নেয়ার জন্য মায়ানমারের প্রতি চাপ অব্যাহত রাখবে। ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের দেশ দুটির রাষ্ট্রদূতরা এ কথা বলেন। কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন শেষে বাংলাদেশে নেদারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত হ্যারি ভারুইজ এ কথা বলেন। তিনি বলেন, আমরা অব্যাহতভাবে মিয়ানমারে সংঘটিত নৃশংসতার জন্য জবাবদিহিতার দিকে মনোনিবেশ করবো এবং রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়ার জন্য চাপ অব্যাহত রাখবো। রাষ্ট্রদূত বলেন, এখানে রোহিঙ্গা পরিস্থিতি নিয়ে মধ্যমেয়াদি সমাধান এগিয়ে নিতে বিকল্পগুলো নিয়ে মতবিনিময় জরুরি কেননা স্বল্প মেয়াদে এই প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা কম। নেদারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত আজ রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করেছেন এবং বাংলাদেশে সুইডেনের রাষ্ট্রদূত অ্যালেক্স বার্গ ফন লিন্ডে ৫ ডিসেম্বর রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করেছেন। পরিদর্শনের পরে রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে আজ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সবচেয়ে জরুরি প্রয়োজনের সময় বাংলাদেশ উদারভাবে তাদের আশ্রয় দিয়েছে, এটি গুরুত্বপূর্ণ যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং আশ্রয়দাতাদের প্রতি তাদের সমর্থন অব্যাহত রেখেছে। পরিদর্শনকালে উভয় রাষ্ট্রদূত স্থানীয় সরকারের কর্মকর্তা এবং মানবিক সহায়তা কর্মীদের সঙ্গে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে মত বিনিময় করেছেন।- বাসস
ভাস্কর্য: খালেদা-তারেক-ফখরুলের মামলায় আদেশ বৃহস্পতিবার
০৯ডিসেম্বর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভাস্কর্য ইস্যুতে এবার হেফাজতে ইসলামীর নেতাদের সঙ্গে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার আদেশ হবে বৃহস্পতিবার (১০ ডিসেম্বর)। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সত্যব্রত শিকদার আদেশের জন্য এই দিন ধার্য করেন। এর আগে বুধবার (০৯ ডিসেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সত্যব্রত শিকদারের আদালতে জননেত্রী পরিষদের সভাপতি এ বি সিদ্দিক বাদী হয়ে এই মামলা করেন। আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে মামলাটি আদেশের জন্য রেখেছিলেন। মামলায় খালেদা জিয়াসহ বিএনপি নেতারা ছাড়াও হেফাজতের আমির মাওলানা জুনায়েদ বাবুনগরী, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক ও ইসলামী আন্দোলনের নায়েবে আমির মুফতি ফয়জুল করীমকে আসামি করা হয়েছে। ভাস্কর্য নিয়ে বক্তব্যকে মানহানিকর উল্লেখ করে দণ্ডবিধির ৫০০/৫০৬/৪২৭/১০৯ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। এর মধ্যে হেফাজত নেতাদের বিভিন্ন বক্তব্যকে আর্জিতে অভিযোগ হিসেবে আনা হয়। অপরদিকে এই মৌলবাদী গোষ্ঠীকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা ও জোটগত রাজনীতির মাধ্যমে পৃষ্ঠপোষকতার অভিযোগ আনা হয় খালেদা-তারেক-ফখরুলের বিরুদ্ধে। হেফাজত নিয়ে আওয়ামী লীগের নিষ্ক্রিয়তার সমালোচনাও করা হয় এতে। একই বাদী এবি সিদ্দিক এর আগে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে প্রায় অর্ধশতাধিক মামলা করেন। গণমাধ্যমে এ নিয়ে প্রতিবেদনও প্রকাশিত হয়েছে।
জাতীয় পতাকা সঠিক নিয়মে উত্তোলনের আহ্বান
০৯ডিসেম্বর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উদযাপন কর্মসূচির অংশ হিসেবে সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবন, বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশন এবং কনস্যুলার অফিসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। বুধবার ( ৯ ডিসেম্বর) সরকারি বিবরণীতে জাতীয় পতাকা সঠিক নিয়মে উত্তোলনের আহ্বান জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা বিধিমালা, ১৯৭২ (সংশোধিত ২০১০) এর বিধি ৩ অনুযায়ী জাতীয় পতাকা গাঢ় সবুজ রঙের হবে এবং ১০:৬ দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের আয়তক্ষেত্রাকার সবুজ রঙের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত থাকবে। লাল বৃত্তটি পতাকার দৈঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ ব্যাসার্ধ বিশিষ্ট হবে। পতাকার দৈঘ্যের নয়-বিংশতিতম অংশ হতে অঙ্কিত উল্লম্ব রেখা এবং পতাকার প্রস্থের মধ্যবর্তী বিন্দু হতে অঙ্কিত আনুভূমিক রেখার পরস্পর ছেদ বিন্দুতে বৃত্তের কেন্দ্র বিন্দু হবে। তথ্য বিবরণীতে বলা হয়, জাতীয় পতাকার সঠিক মাপ ও যথাযথ নিয়ম অনুসরণ না করে অনেকে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে থাকেন, যা জাতীয় পতাকার অবমাননার সামিল।
ভাস্কর্য ইস্যুতে অবস্থান পরিষ্কার করুন, বিএনপিকে তথ্যমন্ত্রী
০৯ডিসেম্বর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চলমান ভাস্কর্য ইস্যুতে অবস্থান পরিষ্কার করতে বিএনপির প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। বুধবার (৯ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শেখ ফজলুল হক মণির ৮১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এই আহ্বান জানান। বিএনপির উদ্দেশ্যে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আপনারা তো জিয়াউর রহমানের ভাস্কর্য সারাদেশে বানিয়েছেন। আপনারা আপনাদের বক্তব্য স্পষ্ট করুন। এই অপশক্তির বিরুদ্ধে আপনারা বক্তব্য দিন, এটা করতে আপনাদের এত লজ্জা কেন? এ বিষয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে প্রশ্ন করা হয়েছিল জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল ভাস্কর্য নিয়ে তার অবস্থান কী। তিনি নির্লজ্জের মতো বললেন, এটি আমার কাছে কোনো ইস্যু নয়। সারাদেশ যখন উত্তাল আর এটা ওনার কাছে ইস্যু নয়। ওনার ইস্যু হচ্ছে তারেক রহমানের মতো যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে কীভাবে দেশে ফেরত আনা যায়, দুর্নীতির দায়ে সাজাপ্রাপ্ত খালেদা জিয়ার মুক্তি কীভাবে করা যায়, খালেদা জিয়ার হাঁটুর ব্যথা, পায়ের ব্যথা ওনার কাছে ইস্যু। তিনি বলেন, আমি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেবের কাছে প্রশ্ন রাখতে চাই, আপনি বক্তব্যের মাধ্যমে আপনাদের অবস্থান পরিষ্কার করুন। অন্যথায় অপশক্তির পেছনে ইন্ধনদাতা হিসেবে জনগণ আপনাদের চিহ্নিত করবে। হাছান মাহমুদ বলেন, দেশে ভাস্কর্য হাজার বছর ধরে আছে। এ দেশে ব্রিটিশ আমলে ভাস্কর্য নির্মিত হয়েছে, বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরও আমাদের ইতিহাস ঐতিহ্যকে ধারণ করার স্বার্থে ভাস্কর্য নির্মিত হয়েছে। তখন কেউ কথা বলেনি, বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য যখন নির্মিত হচ্ছে বিভিন্ন জায়গায় তখন তাদের গাত্রদাহ হচ্ছে। এটি হচ্ছে রহস্যজনক। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যবিরোধী কথা বলে আবার গ্রহণযোগ্যতা আদায়ের জন্য বঙ্গবন্ধুর পক্ষে দু-চার কথা বলার চেষ্টা করে। এগুলো হচ্ছে ছলচাতুরি। এটি হচ্ছে তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অপকৌশলের অংশ। আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি সাইফুল আলম, সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন, বিএফইউজের মহাসচিব সাবান মাহমুদ, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের উপদেষ্টা অরুণ সরকার রানা প্রমুখ।
বিশ্বের ক্ষমতাধর নারীর তালিকায় ৩৯ নম্বরে শেখ হাসিনা
০৯ডিসেম্বর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ-বাণিজ্য বিষয়ক সাময়িকী ফোর্বস বিশ্বের ক্ষমতাধর নারীদের তালিকা প্রকাশ করেছে। এই তালিকায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ৩৯তম স্থানে রাখা হয়েছে। মঙ্গলবার প্রকাশিত ফোর্বসের এই বার্ষিক তালিকায় এসেছে ৩০টি দেশের বিভিন্ন বয়সী নারীদের নাম। টানা দশমবারের মতো তালিকার শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা মেরকেল। আর টানা দ্বিতীয়বারের মতো দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রধান ক্রিস্টিন লগার্ড। আর তৃতীয় স্থানে আছে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচিত কমলা হ্যারিস। এবারই প্রথম তার নাম উঠেছে এ তালিকায়। এবারও তালিকায় চতুর্থ স্থানে আছেন ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডেয়ার লাইয়েন। আর মেলিন্ডা গেটস আছেন পঞ্চম স্থানে।

জাতীয় পাতার আরো খবর