বুধবার, ডিসেম্বর ৮, ২০২১
কমনওয়েলথের শীর্ষ ৩ অনুপ্রেরণীয় নারী নেতার তালিকায় শেখ হাসিনা
৬,মার্চ,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কমনওয়েলভুক্ত ৫৪টি দেশের সরকার প্রধানদের মধ্যে শীর্ষ তিনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামোল্লেখ করা হয়েছে। গত ৪ মার্চ কমনওয়েলথ মহাসচিব পেট্রেসিয়া স্কটল্যান্ড কিউসি আন্তর্জাতিক নারী দিবস ২০২১ উপলক্ষে দেওয়া এক বিশেষ ঘোষণায় শেখ হাসিনার নাম জানিয়েছেন। শনিবার (৬ মার্চ) লন্ডনের বাংলাদেশ হাইকমিশন এ তথ্য জানায়। মহাসচিব পেট্রেসিয়া স্কটল্যান্ড কিউসি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বার্বাডোসের প্রধানমন্ত্রী মিয়া আমোর মোটলে ও নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিকা আরডেনকে অসাধারণ নারী নেতৃত্ব ও গভীর অনুপ্রেরণা হিসেবে অভিহিত করে কোভিড মহামারি মোকাবিলায় নিজ নিজ দেশে তাদের সফল নেতৃত্বের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, আমাদের কমনওয়েলভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে আমি তিনজন অসাধারণ নেতৃত্বের কথা উল্লেখ করতে চাই। তারা হলেন, নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিকা আরডেন, বার্বাডোসের প্রধানমন্ত্রী মিয়া আমোর মোটলে ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কোভিড মহামারি মোকাবিলায় তারা নিজ নিজ দেশে অসাধারণ নেতৃত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। এই তিন ব্যক্তিত্ব বিশ্বের আরো অনেক নারীর পাশাপাশি আমাকে এমন একটি বিশ্ব গড়ে তোলার ব্যাপারে অনুপ্রেরণা যুগিয়েছেন যেখানে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবার সম্মিলিত সুন্দর ভবিষ্যত ও কল্যাণ সুনিশ্চিত ও সুরক্ষিত থাকবে।
দেশে পৌঁছেছে উড়োজাহাজ- শ্বেতবলাকা
৬,মার্চ,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ ও কানাডা সরকারের মধ্যে জি-টু-জি ভিত্তিতে ক্রয় করা ৩টি ড্যাশ-৮ উড়োজাহাজের ৩য় উড়োজাহাজটি আজ বিকেল ৫ টা ৩৬ মিনিটে দেশে পৌঁছেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই উড়োজাহাজের নাম রেখেছেন- শ্বেতবলাকা। উল্লেখ্য, নতুন কেনা তিনটি ড্যাশ-৮ উড়োজাহাজের প্রথমটি- ধ্রুব তারা ২০২০ সালের ২৭ ডিসেম্বর বিমান বহরে যুক্ত হয় এবং দ্বিতীয় উড়োজাহাজ আকাশ তরী গত ২৪ ফেব্রুয়ারী দেশে পৌঁছেছে। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ মাহবুব আলী এমপি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে নতুন উড়োজাহাজটি গ্রহণ করেন। এসময় এভিয়েশন ফ্যানফেয়ারের অংশ হিসেবে উড়োজাহাজটিকে ওয়াটার ক্যানন স্যালুট দিয়ে স্বাগত জানানো হয়। তখন আরো উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মোকাম্মেল হোসেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের চেয়ারম্যান মোঃ সাজ্জাদুল হাসান, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোঃ মফিদুর রহমান ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. আবু সালেহ্ মোস্তফা কামাল প্রমূখ। উড়োজাহাজটি গ্রহণের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ মাহবুব আলী এমপি জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে। দেশের সকল সেক্টরের উন্নয়ন আজ দৃশ্যমান। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সেও ঢেলে সাজানো হচ্ছে। বিমানের বহরকে আধুনিকায়ন ও সেবার মান বৃদ্ধি করা হয়েছে। তার অংশ হিসেবেই নতুন উড়োজাহাজ শ্বেতবলাকা দেশে এসেছে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শততম জন্মবার্ষিকীতে তাঁর জন্মদিন উদযাপনের পূর্বে এই মার্চ মাসে উড়োজাহাজটি দেশে পৌঁছায় আমরা আনন্দিত। আশাকরি আগামী ১৪ মার্চ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী- আকাশ তরী ও শ্বেতবলাকা আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করবেন। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে এই ড্যাশ- ৮ উড়োজাহাজগুলো যুক্ত হওয়ার ফলে বিমান তার অভ্যন্তরীণ, স্বল্প দুরত্বের আন্তর্জাতিক রুট ও আঞ্চলিক রুট গুলোতে ফ্লাইট ফ্রিকোয়েন্সি বৃদ্ধি করবে। একই সাথে অভ্যন্তরীণ ও স্বল্প দূরত্বের আন্তর্জাতিক রুটে যাত্রীদের আরো উন্নত ইন-ফ্লাইট সেবা প্রদান করা সম্ভব হবে। কানাডার বিখ্যাত এয়ারক্রাফট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ডি হ্যাভিল্যান্ড নির্মিত অত্যাধুনিক নতুন ড্যাশ ৮-৪০০ চুয়াত্তর সিট সম্বলিত উড়োজাহাজ। পরিবেশবান্ধব এবং অত্যাধুনিক সুযোগ-সুবিধা সমৃদ্ধ এ উড়োজাহাজে রয়েছে হেপা ফিল্টার প্রযুক্তি যা মাত্র ৪ মিনিটেই ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাসসহ অন্যান্য জীবাণু ধ্বংসের মাধ্যমে উড়োজাহাজের অভ্যন্তরের বাতাসকে সম্পূর্ণ বিশুদ্ধ করে যা সম্মানিত যাত্রীগণের যাত্রাকে করে তোলে অধিক সতেজ ও নিরাপদ। এছাড়াও এ উড়োজাহাজে বেশি লেগস্পেস, এল ই ডি লাইটিং এবং প্রশস্ত জানালা থাকার কারণে ভ্রমণ হয়ে উঠবে অধিক আরামদায়ক ও আনন্দময়। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের নতুন উড়োজাহাজটি বহরে যুক্ত হওয়ার পর উড়োজাহাজের সংখ্যা হবে ২১টি । তন্মধ্যে ১৬ টি নিজস্ব এবং ৫টি লীজ। নিজস্ব ১৬টির মধ্যে বোয়িং৭৭৭-৩০০ ইআর ৪টি, বোয়িং ৭৮৭-৮ ৪টি, বোয়িং ৭৮৭-৯ ২টি, বোয়িং ৭৩৭ ২টি এবং ড্যাশ-৮ ৪টি।
প্রতিবেশী দেশগুলোর সমস্যা আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত : প্রধানমন্ত্রী
৫,মার্চ,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যকার সমস্যা আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্ধৃতি দিয়ে প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে সমস্যা থাকতেই পারে। আমরা মনে করি, এ সমস্যা আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত। সফররত ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. সুব্রামনিয়াম জয়শঙ্কর আজ বিকেলে গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ কালে তিনি এ কথা বলেন। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ায় তাঁর প্রশংসা করেন। জয়শঙ্কর বলেন, এটি একটি বিশাল অর্জন, বাংলাদেশের উন্নয়ন অভূতপূর্ব। জয়শঙ্কর প্রধানমন্ত্রীকে জানান, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনে যোগদানের লক্ষে ঢাকা সফর নিয়ে ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেনের সঙ্গে তার ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী এবং জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উৎসব উদযাপনে যোগদান ভারতের জন্য একটি বিরাট সম্মানজনক বিষয়। কোভিড-১৯ এর প্রাদুর্ভাব সম্পর্কে ভারতীয় মন্ত্রী বলেন, এ মহামারীর কারণে এতদাঞ্চলের আমরা সবাই সঙ্কটের মুুখোমুখি। তিনি করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবেলায় বাংলাদেশকে সহযোগিতা করার ভারতের প্রতিশ্রুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। প্রধানমন্ত্রী কোভিড-১৯ এর ভ্যাকসিন সহায়তার জন্য ভারতের প্রশংসা করেন। গত মাস থেকে বাংলাদেশে টিকা প্রদান শুরু করার কথা জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, সশস্ত্র বাহিনী, পুলিশ, বিজিবি এবং তাঁর দলের নেতা-কর্মীসহ সরকারি সংস্থাগুলোর মহামারী মোকাবেলায় সফলভাবে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, সরকারের সময়োচিত পদক্ষেপের কারণে কোভিড-১৯ মহামারী, বন্যা এবং ঘূর্ণিঝড় সত্ত্বেও বাংলাদেশের অর্থনীতি এগিয়ে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী পাকিস্তানী গোয়েন্দা বিভাগের সিক্রেট ডকুমেন্টের ৭টি ভলিউম ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে উপহার দেন। ভারতের মন্ত্রী তার বাবা ভারতের সিভিল সার্ভেন্ট কে সুব্রামনিয়াম লিখিত লিবারেশন ওয়ার অব বাংলাদেশ সহ দুটি গ্রন্থ প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দেন। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আজ সকালে সংক্ষিপ্ত সরকারি সফরে ঢাকা আসেন। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেনের আমন্ত্রণে তিনি এ সফরে আসেন। সাক্ষাতকালে প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, বাংলাদেশে ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম কে দোরাইস্বামী উপস্থিত ছিলেন।
জাপান থেকে বাংলাদেশের পথে প্রথম মেট্রো ট্রেন
৫,মার্চ,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাপানের কোবে বন্দর থেকে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে দেশের প্রথম মেট্রো ট্রেন সেট। বৃহস্পতিবার জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) বাংলাদেশ এবং ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সরকারের ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) প্রত্যাশার চেয়ে ১২ দিন পর রওনা দিল মেট্রো ট্রেন সেটবাহী জাহাজটি। এর আগে ডিএমটিসিএল জানিয়েছিল, গত ২০ ফেব্রুয়ারি রওনা দেবে মেট্রো ট্রেন সেটবাহী জাহাজ। ডিএমটিসিএলের ফেসবুক পেজে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের প্রথম মেট্রো ট্রেন সেট ৪ মার্চ বিকেল ৩টা (জাপানের স্থানীয় সময় ১৮.০০ ঘটিকা) জাপানের কোবে বন্দর থেকে জাহাজে করে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেছে। বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে ডিএমটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এম এ এন ছিদ্দিককে কল করা হলেও তা রিসিভ হয়নি। ডিএমটিসিএল সূত্র জানায়, রোলিং স্টক বা রেল কোচ ও ডিপো ইকুইপমেন্টের বাস্তব কাজ ২০১৭ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর শুরু হয়েছে জাপানে। মেট্রো ট্রেনের মক-আপ ২০১৯ সালের ২৬ ডিসেম্বর উত্তরা ডিপোতে এসে পৌঁছেছে। আর ২০২০ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি উত্তরা ডিপোর মেট্রো রেল এক্সিবিশন অ্যান্ড ইনফরমেশন সেন্টারে স্থাপন করা হয়েছে। ছয়টি যাত্রীবাহী কোচ সংবলিত প্রথম মেট্রো ট্রেন সেটের নির্মাণ ২০২০ সালের এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে, দ্বিতীয় মেট্রো ট্রেন সেটের নির্মাণ ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে এবং তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম মেট্রো ট্রেন সেটের নির্মাণ ২০২০ সালের ডিসেম্বরে সম্পন্ন হয়েছে। চলমান করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে বিশেষ উদ্যোগে থার্ড পার্টি ইন্সপেকশনের মাধ্যমে মেট্রো ট্রেন সেট বাংলাদেশে নিয়ে আসা হচ্ছে। প্রথম মেট্রো ট্রেন সেট জাপানের কোবে বন্দর থেকে যাত্রা শুরু করেছে ২০ ফেব্রুয়ারি এবং বাংলাদেশের মোংলা বন্দর হয়ে উত্তরার ডিপোতে আসবে আগামী ২৩ এপ্রিল। সূত্র আরও জানায়, দ্বিতীয় মেট্রো ট্রেন সেট কোবে বন্দর থেকে যাত্রা শুরু করবে আগামী ১৫ এপ্রিল এবং ডিপোতে আসবে ১৬ জুন। তৃতীয় মেট্রো ট্রেন সেট জাপান থেকে যাত্রা করবে আগামী ১৩ জুন এবং ডিপোতে পৌঁছাতে পারে ১৩ আগস্ট। পর্যায়ক্রমে চতুর্থ মেট্রো ট্রেন এবং পঞ্চম মেট্রো ট্রেন সেট শিগগিরই বাংলাদেশে আসবে বলেও জানিয়েছে ডিএমটিসিএল। তবে এই দুই সেটের সম্ভাব্য তারিখ এখনও নির্ধারণ করা হয়নি। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি এমডি এম এ এন ছিদ্দিক জানিয়েছিলেন, মেট্রো ট্রেন সেটগুলো বাংলাদেশে পৌঁছনোর পর পর্যায়ক্রমে ইন্টিগ্রেটেড টেস্ট শুরু করা হবে। ইন্টিগ্রেটেড টেস্ট শেষ হলে ট্রায়াল রান শুরু করা হবে। মেট্রো ট্রেন সেটের এই প্যাকেজের বাস্তব অগ্রগতি ৩৭ শতাংশ।
৬৬০ থানায় একযোগে ৭ মার্চ উদযাপন করবে পুলিশ
৫,মার্চ,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পুলিশের হাইওয়ে থানাসহ দেশের ৬৬০টি থানায় একযোগে, একসময়ে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উদযাপন করবে বাংলাদেশ পুলিশ। সেখানে স্মরণ করা হবে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। আলোচনা হবে, প্রীতিভোজ এবং মিষ্টি বিতরণও হবে। শুক্রবার (৫ মার্চ) সকালে রাজারবাগ পুলিশ লাইনস অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ। ড. বেনজীর বলেন, গত মাসের ২৬ তারিখে বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে জাতিসংঘের চূড়ান্ত সুপারিশ প্রাপ্তি ও ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষনের দিনটিতে দেশব্যাপী আনন্দ উদযাপন করবে পুলিশ। দিনটি দেশের ৬৬০টি থানায় বিকেল ৩টায় একযোগে উদযাপন করা হবে। দেশের সব থানার বাইরে আলোচনা সভা ও প্রীতিভোজের আয়োজন করা হবে, মিষ্টি বিতরণ করা হবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সবাই এসব অনুষ্ঠানে যোগ দেবে। অনুষ্ঠানে পুলিশ সদস্য ছাড়াও স্থানীয় জনপ্রশাসনসহ নেতৃবৃন্দ থাকবে। তিনি আরও বলেন, আমি সবাইকে হাত ধুয়ে, মাস্ক পরে স্বাস্থ্যবিধি মেনে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করার অনুরোধ করছি। এর আগে ২৬ ফেব্রুয়ারি স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বের হয়ে যাওয়ার সুপারিশ পায় বাংলাদেশ। জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি (সিডিপি) এ সুপারিশ করেছে। তবে বাংলাদেশকে এলডিসি থেকে বের হতে ২০২৬ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। সাধারণত উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে যেসব দেশ তুলনামূলক দুর্বল, সেসব দেশকে স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ১৯৭১ সালে প্রথম স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা করা হয়। বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়। সবকিছু ঠিক থাকলে পাঁচ বছর পর এলডিসি থেকে বের হয়ে অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের কাতারে চলে যাবে বাংলাদেশ। আইজিপি বলেন, ২০০৮ সালের পর থেকে বাংলাদেশের উন্নয়নে আমূল পরিবর্তন এসেছে। দারিদ্র্য অনেক কমেছে, এখন মিউজিয়ামে যাওয়ার উপক্রম। আগে সবাই বলতো ইলেকট্রিসিটি কবে আসবে, এখন বলে কবে যাবে। দেশের এসব উন্নয়নকেই উদযাপন করবে পুলিশ। ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো ৭ মার্চের ভাষণকে- ডকুমেন্টারি হেরিটেজ (বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য) হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।বাংলাদেশ পুলিশ প্রথমবারের মতো এই দিনটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদযাপন করবে।
কিছুদিনের মধ্যেই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধন: আইনমন্ত্রী
৫,মার্চ,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক বলেছেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন কিছুদিনের মধ্যে সংশোধন হবে। শুক্রবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া রেলওয়ে জংশনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান। এসময় নিজ এলাকার জনগণকে করোনার টিকা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনার দূরদর্শিতার কারণেই তুলনামূলক মৃতের সংখ্যা কম হয়েছে। যদিও একটি মৃত্যুও আমাদের কাম্য নয়। পরে মন্ত্রী স্টেশনের বাইরে স্থানীয়দের উদ্দেশে বক্তব্য দেন। এ সময় তিনি বলেন, আপনারা সবাই যদি শেখ হাসিনার সঙ্গে থাকেন, তাহলে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ পাল্টে যাবে। আপনাদের সাহসে পদ্মা সেতু নিজেদের টাকায় করা হয়েছে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক মানচিত্র বদলে গেছে। বাংলাদেশ এখন সারা বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে পরিচিত। সবই সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের কারণে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিসুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর দপ্তর) মো. আবু সাঈদ, আখাউড়া পৌরসভার মেয়র মো. তাকজিল খলিফা কাজল, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ নূর-এ আলমসহ অনেকে এ সময় উপস্থিত ছিলেন। এদিকে, করোনা পরিস্থিতির কারণে প্রায় এক বছর পর এদিন আখাউড়ায় এলেন মন্ত্রী। তিনি এখানে পৌঁছালে শতাধিক সংগঠন ও ব্যক্তি তাকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান।
দেশেই ডিজিটাল ডিভাইস উৎপাদন ও রফতানির পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর
৪,মার্চ,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশে ডিজিটাল ডিভাইস উৎপাদন এবং উৎপাদিত ডিভাইস রফতানির ওপর গুরুত্ব দিতে গবেষক ও উদ্যোক্তাদের পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার (০৪ মার্চ) সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, বিজ্ঞানী, গবেষক এবং বিজ্ঞান শিক্ষার্থীদের মধ্যে বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ, এনএসটি ফেলোশিপ এবং গবেষণা-অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে এ পরামর্শ দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, রফতানি খাতে আমরা শুধু একটা বা দুইটা পণ্যের ওপর নির্ভরশীল না হয়ে বহুমুখী পণ্য উৎপাদন করে রফতানি করতে পারি। তার মধ্যে যেমন ডিজিটাল ডিভাইসগুলো। অর্থাৎ এখন আমরা যেহেতু ডিজিটাল বাংলাদেশ, কাজেই এ ক্ষেত্রে যা যা প্রয়োজন আমরা কিন্তু সেগুলো করতে সক্ষম, আমরা তা পারি। নতুন নতুন পণ্য উৎপাদন ও রফতানির ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, আমাদের দেশে অনেক সুযোগ রয়েছে, আমাদের রফতানি পণ্য বাড়াতে হলে কিন্তু গবেষণার প্রয়োজন আছে। কাজেই আমি আশা করি, সবাই নতুন নতুন পণ্য উৎপাদন এবং আমাদের রফতানি যেন অব্যাহত থাকে, সেদিকে বিশেষ দৃষ্টি দেবেন। শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোকে গবেষণার ওপর গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দিয়ে সরকার প্রধান বলেন, প্রতিটি শিল্প কারখানায় গবেষণা ও উন্নয়ন শাখাকে কার্যকরী ও শক্তিশালী করতে হবে। গবেষণার মধ্য দিয়ে আমরা ব্যয় কমাতে পারি। উৎপাদনে উৎকর্ষতা বাড়াতে পারি, পরিমাণ বৃদ্ধি করতে পারি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা এরই মধ্যে ১০০ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলছি, যেসব অঞ্চলে শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠবে। সেখানেও গবেষণা একান্ত প্রয়োজন। দেশকে এগিয়ে নিতে গবেষণা ও বিজ্ঞান চর্চার গুরুত্ব তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, গবেষণা ও বিজ্ঞানের প্রসার একটা দেশের উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য। কাজেই আপনারা এ গবেষণা চালিয়ে যাবেন। আপনাদের পথ ধরে আগামী প্রজন্মও এ বিজ্ঞানের গবেষণা করবে বলে আশা করি। বিজ্ঞানকে ব্যবহার করে আমরা এগিয়ে যাবো। গবেষণায় আরও জোর দিতে হবে, যাতে বাংলাদেশ যেন জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে উঠতে পারে সেটাই আমরা চাই। মানবকল্যাণে গবেষণার তাগিদ দিয়ে সরকার প্রধান বলেন, মানবকল্যাণেই কাজ করতে হবে। আপনারা এটুকু মনে রাখবেন, আমরা যে ফেলোশিপ দিচ্ছি বা অর্থ বরাদ্দ করেছি, এটা কিন্তু জনগণেরই অর্থ। কাজেই তা যেন জনগণের কল্যাণে লাগে। আমরা চাই, জনগণের কল্যাণেই যেন সে অর্থ কাজে লাগে, সেদিকে বিশেষ দৃষ্টি দিয়ে আপনারা গবেষণা চালিয়ে যাবেন। দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে সরকারের কার্যক্রম তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টি করে দেশে এবং বিদেশেও কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা যাবে। আমরা সেদিকে লক্ষ্য রাখছি। বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়ার চিত্র তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ যে এগিয়ে যাচ্ছে, এ অগ্রযাত্রা কেউ থামাতে পারবে না। আর করোনা ভাইরাস যখন পারে নাই, তখন আর কেউ পারবে না- এটাই আমার বিশ্বাস। ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ, জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ এবং বিশেষ গবেষণা অনুদান তুলে দেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান। ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন প্রান্তে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আ ফ ম রুহুল হক, মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আনোয়ার হোসেনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
ঢাকায় ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
৪,মার্চ,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকায় পৌঁছেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। এক দিনের সফরে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে তিনি ভারতীয় বিমানবাহিনীর একটি বিশেষ ফ্লাইটে দিল্লি থেকে ঢাকায় আসেন। বিএএফ বাশার ঘাঁটিতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন তাঁকে স্বাগত জানান। মূলত, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের বিষয়টি চূড়ান্ত করতেই এস জয়শঙ্কর ঢাকায় এসেছেন। ঢাকা সফরের শুরুতে এস জয়শঙ্কর আজ দুপুরে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেবেন। দুপুরের পর গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। বিকেলে ভারতীয় হাইকমিশনে নাগরিক সমাজের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে তিনি মতবিনিময় করবেন। পূর্বে থেকে নির্ধারিত রুটিন কাজ শেষে আজ রাতেই দিল্লি ফিরে যাবেন এস জয়শঙ্কর। প্রসঙ্গত, দুদিনের সফরে আগামী ২৬ মার্চ বাংলাদেশে আসার কথা রয়েছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির।
এইচ টি ইমামের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রী-রাষ্ট্রপতির শোক
৪,মার্চ,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমামের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার (০৩ মার্চ) রাতে আলাদা শোক বার্তায় তারা এ দুঃখ প্রকাশ করেন। বঙ্গভবন প্রেস উইং জানায়, শোক বার্তায় রাষ্ট্রপতি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে এইচ টি ইমামের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি স্বাধীনতা ও মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিকাশে আজীবন কাজ করে গেছেন। সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে সদ্য স্বাধীন দেশে সরকার পরিচালনায় তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনায়ও তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তার মৃত্যুতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ একজন নিবেদিতপ্রাণ নেতাকে হারালো। রাষ্ট্রপতি মরহুম এইচ টি ইমামের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন ও তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং জানায়, এইচ টি ইমামে মৃত্যুতে দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শোক বার্তায় শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ প্রশাসনিক সার্ভিসে জনাব এইচ টি ইমামের অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে প্রবাসী সরকারের মন্ত্রিপরিষদ সচিবের দায়িত্ব পালন করেছেন। বঙ্গবন্ধু সরকারের পুরো সময়টাও তিনি একই পদে থেকে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০৯ সাল থেকে জনাব ইমাম আমার প্রশাসনিক উপদেষ্টা হিসেবে এবং ২০১৪ সাল থেকে আমৃত্যু রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে অত্যন্ত প্রজ্ঞার সঙ্গে প্রজাতন্ত্রের সেবক হিসেবে কাজ করেন। জাতির পিতার আদর্শের এই কর্মী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামন্ডলীর অন্যতম সদস্য হিসেবে দলকেও সমৃদ্ধ করেছেন। শোক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। বুধবার (০৩ মার্চ) দিবাগত রাত সোয়া ১টার দিকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান এইচ টি ইমাম। মৃত্যুকালে হোসেন তৌফিক ইমামের বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। তিনি কিডনির জটিলতাসহ বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভুগছিলেন। তাকে অসুস্থ অবস্থায় গত ৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকার সিএমএইচে ভর্তি করা হয়েছিল।

জাতীয় পাতার আরো খবর