সোমবার, আগস্ট ২, ২০২১
অভিনেতা কাদেরের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
২৬ডিসেম্বর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জনপ্রিয় অভিনেতা আব্দুল কাদেরের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার (২৬ ডিসেম্বর) এক শোক বার্তায় শেখ হাসিনা বলেন, সাবলীল ও স্বতঃস্ফূর্ত অভিনয়ের মধ্য দিয়ে তিনি মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকবেন। প্রধানমন্ত্রী মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। প্রসঙ্গত, গুণী অভিনেতা আব্দুল কাদের শনিবার সকালে মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৯ বছর। সকাল সোয়া ৮টার দিকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান বলে আবদুল কাদেরের পুত্রবধূ জাহিদা ইসলাম জেমি নিশ্চিত করেছেন। সম্প্রতি ক্যানসার ধরা পড়ার পর গত ২১ ডিসেম্বর অভিনেতা আব্দুল কাদেরের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। তার পরিবারের সদস্যরা জানান, গত ২০ ডিসেম্বর চেন্নাইয়ের ভেলর শহরের মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে থেকে দেশে ফিরিয়ে এনে সরাসরি রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় কাদেরকে। সেখানে করোনার পরীক্ষা করা হলে ২১ ডিসেম্বর তার ফলাফল পজিটিভ আসে। অসুস্থ বোধ করার পর গত ৮ ডিসেম্বর চেন্নাইয়ে নেয়া হয় আব্দুল কাদেরকে। সেখানে পরীক্ষার পর তার শরীরে অগ্ন্যাশয়ের ক্যানসার শনাক্ত হয়, যা সংক্রমণের চতুর্থ স্তরে পৌঁছে গেছে বলে জানান চিকিৎসকরা। তবে গুরুতর শারীরিক দুর্বলতার কারণে এই অভিনেতাকে কেমোথেরাপি দিতে পারেননি চেন্নাইয়ের চিকিৎসকরা। আব্দুল কাদেরের শারীরিক অবস্থার উন্নতির জন্য অপেক্ষায় ছিলেন তার পরিবারের সদস্যরা যাতে কেমোথেরাপির মাধ্যমে চিকিত্সা করা যায়। কিন্তু করোনা আক্রান্ত হওয়ায় কাদেরের জন্য পরিস্থিতি আেএরা জটিল হয়ে উঠে। আব্দুল কাদের অভিনীত নাটকগুলোর মধ্যে রয়েছে, মাটির কোলে, নক্ষত্রের রাত, শীর্ষবিন্দু, সবুজ সাথী, তিন টেক্কা, যুবরাজ, আগুন লাগা সন্ধ্যা, এই সেই কণ্ঠস্বর, আমার দেশের লাগি, সবুজ ছায়া, দীঘল গায়ের কন্যা, ভালমন্দ মানুষেরা, দূরের আকাশ, ফুটানী বাবুরা, এক জনমে, জল পড়ে পাতা নড়ে, ফাঁপড়, চারবিবি, সুন্দরপুর কতদূর, ভালোবাসার ডাক্তার, চোরাগলি, বয়রা পরিবার ইত্যাদি।
কাঁচের জারে ৭৫ কোটি টাকার সাপের বিষ, গ্রেফতার ৬
২৫ডিসেম্বর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানী দক্ষিণখানে ৭৫ কোটি টাকা মূল্যের প্রায় ৯ কেজি কোবরা সাপের বিষসহ আন্তর্জাতিক চোরাচালান চক্রের ৬ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৪ ডিসেম্বর) বিকেলে দক্ষিণখান থানাধীন ৫০ নম্বর ওয়ার্ডের গুলবার মুন্সি স্মরণী রোড এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, মো. মাসুদ রানা (২৪), মো. তমজিদুল ইসলাম ওরফে মনির (৩৪), মো. ছফির উদ্দিন শানু (৫০), ফিরোজা বেগম (৫৭), মো. আলমগীর হোসেন (২৬) এবং আসমা বেগম (৪২)। Rab-02 এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এসপি মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন গণমাধ্যমকে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি ঢাকার দক্ষিণখান থানাধীন ৫০ নম্বর ওয়ার্ডের গুলবার মুন্সি স্মরণী রোডে কয়েকজন আন্তর্জাতিক চোরাচালান চক্রের সদস্য বিপুল পরিমাণ সাপের বিষ নিয়ে অবস্থান করছে। এমন খবর পেয়ে Rabর আভিযানিক দল বিকেল ৩টা ২০ মিনিটে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। এসময় তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে চক্রের সদস্যরা দৌঁড়ে পালানোর চেষ্টা করলে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি জানান, গ্রেফতারকৃতরা প্রথমে সাপের বিষ চোরাচালানের বিষয় অস্বীকার করে। পরে তাদের সাথে থাকা ব্যাগ তল্লাশি করে কাচের জারে রাখা ৮ কেজি ৯৬ গ্রাম (জারসহ) সাপের বিষ পাওয়া যায়। যার আনুমানিক মূল্য ৭৫ কোটি টাকা। এছাড়াও তাদের সাথে থাকা সাপের বিষ সংক্রান্ত সিডি এবং বিষের ম্যানুয়াল বই ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের গ্রেফতারকৃতদের দেয়া তথ্যমতে, একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর কাছে সাপের বিষের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এ কারণে তারা অধিক মুনাফার লাভে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে চোরাইপথে সাপের বিষ সংগ্রহ করে সরবরাহ করে আসছে বলেও জানান Rabর এ কর্মকর্তা।
ধর্ম যার যার, উৎসব সবার- বড়দিনের বাণীতে প্রধানমন্ত্রী
২৫ডিসেম্বর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ধর্ম যার যার, উৎসব সবার- এ মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে আমরা সবাই একসঙ্গে উৎসব পালন করব। আমাদের সংবিধানে সকল ধর্ম ও বর্ণের মানুষের সমান অধিকার সুনিশ্চিত করা হয়েছে। বাংলাদেশ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের নিরাপদ আবাসভূমি। শুক্রবার (২৫ ডিসেম্বর) বড়দিন উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। শেখ হাসিনা বলেন, পৃথিবীতে ন্যায় ও শান্তি প্রতিষ্ঠা করার মাধ্যমে শোষণমুক্ত সমাজ ব্যবস্থা প্রবর্তনই ছিল যিশু খ্রিস্টের অন্যতম ব্রত। বিপন্ন ও অনাহারক্লিষ্ট মানুষের জন্য যিশু নিজেকে উৎসর্গ করেন। তার জীবনাচারণ ও দৃঢ় চারিত্রিক গুণাবলীর জন্য মানব ইতিহাসে তিনি অমর হয়ে আছেন। তিনি আরো বলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণে বর্তমানে বিপর্যস্ত বিশ্ব। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবকে মহামারি হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। এ প্রেক্ষাপটে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সবাইকে এবারের বড়দিন পালনের আহ্বান জানাচ্ছি। মহান সৃষ্টিকর্তা আমাদের দেশ ও জাতি তথা বিশ্ববাসীকে এই মহামারি হতে যেন মুক্তি দেন, এ প্রার্থনা করি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আসুন সবাই মিলে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে সাম্প্রদায়িক সকল অপশক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে জাতির পিতার ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত ও সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলি। বড়দিনে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীসহ সকল নাগরিকের শান্তি, কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনা করছি।
আজ শুভ বড়দিন
২৫ডিসেম্বর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আজ শুভ বড়দিন। খ্রিষ্টধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসবের দিন। এই দিনে খ্রিষ্টধর্মের প্রবর্তক যিশুখ্রিষ্ট বেথলেহেমে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। খ্রিস্টানদের বিশ্বাস অনুসারে, ডিসেম্বরের ২৫ তারিখের ঠিক নয় মাস আগে মেরির গর্ভে প্রবেশ করেন যিশু। সম্ভবত, এই হিসাব অনুসারেই ২৫ ডিসেম্বর তারিখটিকে যিশুর জন্ম তারিখ ধরা হয়। বড়দিন খ্রিষ্টীয় ধর্মানুষ্ঠান হওয়া সত্ত্বেও, বিশ্বময় একাধিক অ-খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ও বড়দিন উৎসব পালন করে। বড়দিন উদযাপনে উপহার দেওয়া, সংগীত, বড়দিনের কার্ড বিনিময়, গির্জায় ধর্মোপাসনা, ভোজ, এবং বড়দিনের বৃক্ষ, আলোকসজ্জা, যিশুর জন্মদৃশ্য এবং হলি সমন্বিত এক বিশেষ ধরনের সাজসজ্জার আয়োজন করা হয়। যুগ যুগ ধরে বড়দিন উপলক্ষে ব্যবসা-বাণিজ্য ও ক্রয়-বিক্রয়ের একটি বিশেষ মৌসুম চলে আসছে। যদিও মহামারি কোভিডের কারণে এবারের বড়দিনের চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ভারত ও বাংলাদেশেও বড়দিন রাষ্ট্রীয় ছুটির দিন হিসেবে পালিত হয়। যিশু খ্রিষ্টের জন্মোৎসবকে বাংলায় বড়দিন নামকরণ প্রসঙ্গে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ ঘোষ বলেন, মর্যাদার দিক থেকে এটি একটি বড়দিন। যিশু যেহেতু বিশাল জনগোষ্ঠীর জন্য ধর্ম ও দর্শন দিয়ে গেছেন, বিশ্বব্যাপী বিশাল অংশের মানুষ তার দেওয়া ধর্ম ও দর্শনের অনুসারী। যিনি এত বড় ধর্ম ও দর্শন দিলেন ২৫ ডিসেম্বর তার জন্মদিন। সে কারণেই এটিকে বড়দিন হিসেবে বিবেচনা করে খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষ। বিশ্বের অধিকাংশ রাষ্ট্রেই বড়দিন একটি প্রধান উৎসব এবং সরকারি ছুটির দিন হিসেবে পালিত হয়। তবে চীন (হংকং ও ম্যাকাও বাদে), জাপান, সৌদি আরব, আলজেরিয়া, থাইল্যান্ড, নেপাল, ইরান, তুরস্ক ও উত্তর কোরিয়ার মতো কয়েকটি উল্লেখযোগ্য দেশে বড়দিন সরকারি ছুটির দিন হিসেবে পালিত হয় না। ২৫ ডিসেম্বর অধিকাংশ দেশে, প্রতি বছর বড়দিন পালিত হলেও রাশিয়া, জর্জিয়া, মিশর, আর্মেনিয়া, ইউক্রেন ও সার্বিয়ার মতো কয়েকটি ইস্টার্ন ন্যাশানাল চার্চ ৭ জানুয়ারি তারিখে বড়দিন পালন করে থাকে। সাংস্কৃতিক ও জাতীয় ঐতিহ্যগত পার্থক্যের কারণে, দেশ ভেদে বড়দিন উৎসব উদযাপনের রূপটিও ভিন্ন হয়ে থাকে। জাপান ও কোরিয়ার মতো দেশে খ্রিষ্টানদের সংখ্যা আনুপাতিকভাবে কম হলেও বড়দিন এদের একটি জনপ্রিয় উৎসব। বড়দিন উপলক্ষে এসব দেশে উপহার প্রদান, সাজসজ্জা, ও বড়দিনের বৃক্ষের মতো বড়দিনের ধর্মনিরপেক্ষ দিকগুলো গৃহীত হয়। খ্রিষ্টানরা নানাভাবে বড়দিন উদযাপন করে থাকে। গির্জার উপাসনায় যোগ দেওয়া সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ও জনপ্রিয় প্রথা বলে মনে করেন তারা। বড়দিন উৎসব পর্বের অন্যতম অঙ্গ হল গৃহসজ্জা ও উপহার আদান-প্রদান। কোনো কোনো খ্রিষ্টীয় সম্প্রদায়ে ছোটো ছেলে-মেয়েদের দ্বারা খ্রিষ্টের জন্মসংক্রান্ত নাটক অভিনয় করানো হয়। আবার খ্রিষ্টানদের কেউ কেউ তাদের গৃহে পুতুল সাজিয়ে খ্রিষ্টের জন্মদৃশ্যের ছোটো প্রদর্শনীও করে থাকেন।
কোস্টগার্ডের ডকইয়ার্ড ও বেইসের ভিত্তি স্থাপন
২৫ডিসেম্বর,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গজারিয়া ও মুন্সিগঞ্জে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড ডকইয়ার্ড ও বেইসের প্রশাসনিক ভবন ও অফিসার্স মেসের ভিত্তি স্থাপন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২৫ ডিসেম্বর) সকালে প্রধান অতিথি হিসেবে কোস্টগার্ডের মহাপরিচালক অ্যাডমিরাল এম আশরাফুল হক এসব ভবনের ভিত্তি স্থাপন করেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ ও স্থানীয় সম্মানিত ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। এসময় কোস্টগার্ডের মহাপরিচালক এবং অন্যান্য কর্মকর্তারা বৃক্ষরোপণ করেন। বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের এ ভবনগুলো স্থাপনের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, জননিরাপত্তার পাশাপাশি বনদস্যুতা, ডাকাতি দমন ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।
তিন কোটি টাকা পাচ্ছে ৭৩৪ যুব সংগঠন
২৪ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আত্ম-কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দারিদ্র্য বিমোচনে সফল কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের ৭৩৪টি যুব সংগঠনের মধ্যে তিন কোটি টাকার অনুদান বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল। বৃহস্পতিবার (২৪ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ২০১৯-২০ অর্থবছরে আত্ম-কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্দেশ্যে যুব সংগঠনগুলোর মধ্যে অনুদানের চেক বিতরণ করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষা, সংস্কৃতি, সমাজসেবা, জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমসহ সব ধরনের সামাজিক উন্নয়নে দেশের যুব সংগঠনগুলো অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। দেশের যে কোনো দুর্যোগময় মুহূর্ত এমনকী করোনার কঠিন দুঃসময়েও যুব সংগঠনগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। যুব সংগঠনগুলো আরো বেশি গতিশীল ও কার্যকর করে গড়ে তুলতে প্রতিবছরের মতো আমরা এবারো মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দেশের ৭৩৪টি যুব সংগঠনের মধ্যে তিন কোটি টাকার অনুদান দিয়েছি। আমি বিশ্বাস করি, এ প্রণোদনার মাধ্যমে যুব সংগঠনগুলো দারুণভাবে উৎসাহিত হয়ে দেশ ও জাতি গঠনে আরো বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে সমর্থ হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে যুব সমাজের আইকন উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাদের যুব সমাজের অনিঃশেষ অনুপ্রেরণার উৎস। তার বিচক্ষণ ও দৃঢ় নেতৃত্বে বাংলাদেশ বৈশ্বিক মহামারি কোভিড-১৯ সংকট সফলভাবে মোকাবিলা করছে, যা আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে বিশ্বব্যাপী আদর্শ পথিকৃৎ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তিনি আরো বলেন, করোনা মহামারি প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ও আহ্বানে বাংলাদেশের যুবারাও তাদের অদম্য মানসিকতাকে তুলে ধরে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমের সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ত করেছে। জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে তাদের এই অনন্য মানবিক অবদানের স্বীকৃতি দিতে- ঢাকা ওআইসি ইয়্যুথ ক্যাপিটাল ২০২০-এর অধীনে প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রীর নামে- শেখ হাসিনা ইয়্যুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড ২০২০ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আমরা অনলাইনে এ সংক্রান্ত আবেদন গ্রহণ করছি। যুবদের জনকল্যাণে উদ্বুদ্ধ করতে এখন থেকে প্রতিবছরই এ পুরস্কার দেওয়া অব্যাহত থাকবে। যুব ও ক্রীড়া সচিব মো. আখতার হোসেনের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আখতারুজ্জামান খান কবীর। ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও দেশের বিভিন্ন জেলার জেলা প্রশাসকরা ভার্চ্যুয়াল প্ল্যাটফর্মে বক্তব্য দেন। এ সময় যুব ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও যুব সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রণালয় জানায়, দেশের সব জেলায় একযোগে ভার্চ্যুয়াল পদ্ধতিতে জেলা প্রশ
সৌদি আরবে এক সপ্তাহ বিমানের সব ফ্লাইট বাতিল
২১ডিসেম্বর,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে সৌদি আরব সরকার নিষেধাজ্ঞা প্রদান করায় আজ সোমবার থেকে এক সপ্তাহের জন্য জেদ্দা, রিয়াদ ও দাম্মামগামী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। সোমবার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জনসংযোগ বিভাগের উপ-মহাব্যবস্থাপক তাহেরা খন্দকার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এ সময় বিমানের টিকিট কাটা যাত্রীদের পুনরায় ফ্লাইট চালুর পর অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আসন বরাদ্দ দেয়া হবে। উল্লেখ্য, যুক্তরাজ্যে করোনাভাইরাসের নতুন ধরন শনাক্ত হওয়ায় গত রোববার আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ ঘোষণা করেছে সৌদি আরব। এছাড়া স্থল ও সমুদ্র বন্দরের সকল প্রবেশও বন্ধ করা হয়েছে। অন্তত এক সপ্তাহ পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। বর্তমানে সৌদি আরবে অবস্থানকারী আন্তর্জাতিক ফ্লাইটগুলো এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বে না। ফ্লাইটগুলো সৌদি ছেড়ে যেতে পারবে।
অনন্তকাল এলডিসির তকমা গায়ে নিয়ে বেড়াতে চাই না: পরিকল্পনামন্ত্রী
২০ডিসেম্বর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, আমরা অনন্তকাল এলডিসির (স্বল্পোন্নত দেশ) তকমা গায়ে নিয়ে বেড়াতে চাই না। আমাদের যথেষ্ট সক্ষমতা আছে, সেটাকে ব্যবহার করব আমরা। রোববার (২০ ডিসেম্বর) দুপুরে গেটিং রেডি ফর এলডিসি (স্বল্পোন্নত দেশ) গ্র্যাজুয়েশন শীর্ষক এক ওয়েবিনারে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, করোনাউত্তর বিশ্ব সম্পূর্ণ নতুন হবে। চায়নার উত্থানসহ ভূ-প্রকৃতিগতভাবে বিশাল পরিবর্তন আসবে ব্যবসা-বাণিজ্যে ও রাজনীতিতে। মধ্যম কাতারের দেশ হিসেবে বৈশ্বিক কোনো ভিশন আমাদের আছে কি না, জানি না। আমি ওই পয়েন্টে নই। তবে আমি মনে করি, আমাদের মাথা ঠাণ্ডা রেখে ঘরের কাজ দিনরাত করা উচিত। তিনি আরও বলেন, ব্যবসা-বাণিজ্যে শেষ বিচারে আমাদের কম্পিটিটিভ থাকতে হবে। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আমাদের টেকনিক্যাল ক্যাপাবিলিটি, প্রযুক্তির ব্যবহার, সাংস্কৃতিক কিছু জড়তা আছে সেগুলোকে কাটিয়ে উঠতে হবে। সেদিকে আশা করি আমরা সবাই কাজ করব। আমরা শিক্ষা ক্ষেত্রে এখনো একটু পেছনে আছি। সবাই মিলে এখন যদি এটাকে পুশ করি, এটাও উতরে যাব। পিচলে পড়ার শঙ্কা আছে, তবে হাজার হাজার ধরনের সুযোগ সামনে আসবে। সেগুলো গ্রহণ করার জন্য মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি খুবই জরুরি। আমরা মানসিকভাবে একধরনের বিভ্রান্তিতে ভুগি। সেটা আমাদের পরিষ্কার হওয়া দরকার। বিশ্ব আমাদের ঠিকানা, এটা মনে করা দরকার। কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য অনেকে বিশ্বকে ঠিকানা মনে করেন না। ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের বিষয়ে এম এ মান্নান বলেন, বিশ্বের উন্নত দেশগুলোর অনেকের সঙ্গে কথা বলা খুব কঠিন। যেসব তথাকথিত খুব উন্নত দেশ, তাদের নিজস্ব একটা এজেন্ডা থাকে তা অনেক সময় আমাদের চোখের সামনেও থাকে না। অনুমান করতে পারি কিন্তু দেখি না। ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) মোটামুটি একটা পর্যায়ে আছে, যেখানে আমরা স্বাচ্ছন্দ্যে কথা বলতে পারি। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতি আমার সুপারিশ থাকবে ইইউর সঙ্গে যোগাযোগ যেন আরও বাড়ানো হয়। তিনি বলেন, ব্র্যাক্সিট হওয়ার পর ব্রিটেনের সঙ্গে আমরা আলাদা কমনওয়েলথ দেশের সদস্য হিসেবে কিছু সুযোগসুবিধা চাইতে পারি। ইইউ ও যুক্তরাজ্যের সঙ্গে যদি আমরা দ্বি-মুখী আলোচনা করি এবং কিছু ম্যানেজ করতে পারি, তাহলে খুব ক্ষতি হবে বলে মনে হয় না। মন্ত্রী বলেন, কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের একটা ট্র্যাক আছে। আমাদের নতুন গন্তব্য চীন। একই সঙ্গে আমাদের প্রতিবেশী ভারতের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য প্রতিনিয়ত বাড়াবার চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। বিশেষ করে প্রতিবেশীর সঙ্গে ব্যবসা বেশি লাভজনক হবে। ট্রান্সপোর্ট খরচ ও সময় খরচ কম।

জাতীয় পাতার আরো খবর