সোমবার, আগস্ট ২, ২০২১
আওয়ামী লীগ সবসময়ই দরিদ্র মানুষের কল্যাণে কাজ করে আসছে: প্রধানমন্ত্রী
০১,জানুয়ারী,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জাতির পিতার দেখানো পথ অনুসরণ করে আওয়ামী লীগ সবসময়ই দেশের দরিদ্র ও পিছিয়ে পড়া মানুষের কল্যাণে কাজ করে আসছে। ২ জানুয়ারি জাতীয় সমাজসেবা দিবস-২০২১ উপলক্ষে শুক্রবার (১ জানুয়ারি) দেয়া এক বাণীতে একথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতাসহ অন্যান্য ভাতার প্রচলন এবং সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর অধিক্ষেত্র, বরাদ্দ ও উপকারভোগীর সংখ্যা বাড়ানো হয়েছিল। আমরা শিশু (সংশোধন) আইন ২০১৮, মানসিক স্বাস্থ্য আইন ২০১৮, বাংলাদেশ রিহ্যাবিলিটেশন কাউন্সিল আইন ২০১৮, প্রণয়ন করেছি। এ উপলক্ষে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি বলেন, দিবসটির এ বছরের প্রতিপাদ্য, ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত সমাজ বিনির্মাণে, সেবা ও সুযোগ প্রান্তজনে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক ও সময়োপযোগী হয়েছে। শেখ হাসিনা জানান, তার সরকার ভবঘুরে ও নিরাশ্রয় ব্যক্তি (পুনর্বাসন) বিধিমালা ২০১৫, নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল প্রতিবন্ধী সুরক্ষা ট্রাস্ট বিধিমালা ২০১৫, প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার ও সুরক্ষা বিধিমালা ২০১৫ এবং প্রতিবন্ধী বিষয়ক জাতীয় কর্ম পরিকল্পনা ২০১৯ প্রণয়ন করেছে। তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠীকে হিজড়ালিঙ্গ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। এছাড়া সরকার প্রতিবন্ধী ব্যক্তির তথ্য-উপাত্ত ব্যবহার নীতিমালা ২০১৯, প্রতিবন্ধিতা সম্পর্কিত সমন্বিত বিশেষ শিক্ষা নীতিমালা ২০১৯ এবং শহর সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন নীতিমালা, ২০১৯ প্রণয়ন করেছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরাসরি অর্থ প্রেরণের লক্ষ্যে আমরা ৪৯ লাখ বয়স্ক, ২০.৫ লাখ বিধবা, স্বামী নিগৃহীতা ও দুঃস্থ নারী এবং ১৮ লাখ অসচ্ছল প্রতিবন্ধী, শিক্ষা উপবৃত্তির আওতায় ১ লাখ প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীর নামে ব্যাংক হিসাব খুলে দিয়েছি। আমরা ভাতা ভোগীদের তথ্য ডাটাবেইজ সফটওয়ারে সন্নিবেশ করেছি এবং ই-পেমেন্টের মাধ্যমে ১১.৬৫ লাখ ভাতাভোগীকে অর্থ প্রেরণ করেছি। আমরা ক্ষুদ্রঋণ ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ দিয়ে দরিদ্র ও বিপন্ন ব্যক্তিদের আত্মকর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছি, এতিম শিশুদের প্রতিপালনের ব্যবস্থা করেছি এবং আইনের সংস্পর্শে আসা শিশু ও ব্যক্তিদের সমাজে পুনঃ একত্রিত করেছি। শিশুদের জন্য ২৪ ঘণ্টা চাইল্ড হেল্পলাইন ১০৯৮ টোল-ফ্রি সেবা চালু করেছি। তিনি আরও বলেন, হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যক্রমের আওতায় ক্যান্সার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকে প্যারালাইজড ও জন্মগত হৃদরোগীদের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করছি। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য কোটার অতিরিক্ত ভাতা প্রদান করছি। সমাজকর্মীদের দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ দিচ্ছি। দেশের ৩৬ লাখ প্রতিবন্ধীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা-থেরাপি এবং প্রায় ২৪ হাজার লোককে সহায়ক উপকরণ দিয়েছি। অটিজম রিসোর্স সেন্টারের মাধ্যমে কাউন্সেলিং প্রদান করছি। ২০১৯ সালের ৩ ডিসেম্বর জাতীয় প্রতিবন্ধী কমপ্লেক্স উদ্বোধন করেছি এবং প্রতিবন্ধীদের জন্য ক্রীড়া কমপ্লেক্স নির্মাণের পদক্ষেপ নিয়েছি। চলমান করোনা মহামারিতে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, সমাজসেবা অধিদফতর, জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদ এবং জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন গরীব, দুস্থ ও প্রতিবন্ধীদের দুর্যোগকালীন সহায়তা হিসেবে নগদ অর্থ ও খাদ্যপ্রদান অব্যাহত রাখায় সংশ্লিষ্ট সবাইকে অভিবাদন জানান প্রধানমন্ত্রী । তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী দিনগুলোতে দেশের দুস্থ, অসহায় ও প্রতিবন্ধী মানুষের অধিকার সুরক্ষা ও উন্নয়নে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্ব আরও প্রশংসিত হবে।
আয়েশা খানমের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির শোক
০১,জানুয়ারী,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিশিষ্ট নারীনেত্রী, মহিলা পরিষদের সভাপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আয়েশা খানমের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। এক শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি বলেন, নারী অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আয়েশা খানম ছিলেন একজন সাহসী যোদ্ধা। দেশে নারীর ক্ষমতায়নে তিনি অত্যন্ত প্রশংসনীয় ভূমিকা রেখেছেন। রাষ্ট্রপতি মরহুমা আয়েশা খানমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। শনিবার (২ জানুয়ারি) ভোরে রাজধানীর বিআরবি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন আয়েশা খানম। ১৯৪৭ সালের ১৮ অক্টোবর নেত্রকোনার গাবড়াগাতিতে জন্মগ্রহণ করেন আয়েশা খানম। বাবা গোলাম আলী খান ও মা জামাতুন্নেসা খানম। হামিদুর রহমান শিক্ষা কমিশন বাতিলের দাবিতে ১৯৬২ সালের ছাত্র আন্দোলন থেকেই ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে সম্পর্ক আয়েশার। তবে ১৯৬৬ সাল থেকে ছাত্র আন্দোলনে পুরোপুরি সক্রিয়ভাবে জড়িয়ে পড়েন তিনি। ফলে ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান, সত্তরের নির্বাচন এবং একাত্তরের অসহযোগ আন্দোলনসহ স্বাধীনতাযুদ্ধের পথে এগিয়ে যেতে যেসব আন্দোলন-সংগ্রাম সংঘটিত হয়েছিল সবগুলোতেই তিনি সামনের সারিতে ছিলেন। ১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী এবং সংগ্রামী নেত্রী আয়েশা খানম বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি ছিলেন তিনি। এছাড়া রোকেয়া হলের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক ও সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
নতুন বছরে ভেদাভেদ ভুলে জোরদার হোক ভ্রাতৃত্বের বন্ধন
০১,জানুয়ারী,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: খ্রিষ্টীয় নতুন বছর ২০২১ উপলক্ষে দেশবাসী এবং প্রবাসী বাঙালিসহ বিশ্ববাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ২০২০ খ্রিষ্টাব্দ বাঙালি জাতির জীবনে ছিল এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। শুক্রবার (১ জানুয়ারি) খ্রিষ্টীয় নববর্ষ ২০২১ উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে এ কথা বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রকৃতির নিয়মেই যেমন নতুনের আগমনী বার্তা আমাদের উদ্বেলিত করে, তেমনি অতীত-ভবিষ্যতের সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে পুরনো স্মৃতি সম্ভারে হারিয়ে যাওয়ার চিরায়ত স্বভাব কখনো আনন্দ দেয়, আর কখনোবা কৃতকর্মের শিক্ষা নব উদ্যোমে সুন্দর আগামীর পথচলার জন্য অনুপ্রেরণা যোগায়। তিনি বলেন, ২০২০ খ্রিষ্টাব্দ বাঙালি জাতির জীবনে ছিল এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। কেননা ১০০ বছর পূর্বে ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করা এক ছোট্ট খোকা কালক্রমে হয়ে উঠেছিলেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, আমাদের জাতির পিতা, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। যার সারাজীবনের আত্মত্যাগ ও দূরদর্শী নেতৃত্বে এবং ৩০ লাখ শহীদের রক্ত ও ২ লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। তিনি বলেন, জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের লক্ষ্যে আমরা ২০২০-২১ সময়কে মুজিববর্ষ ঘোষণা করেছি। কিন্তু, এরই মধ্যে বৈরী করোনা মহামারি বিশ্বকে যেন একটি মৃত্যুপুরীতে পরিণত করেছে। অন্যান্য দেশের মতো আমরাও পূর্বঘোষিত পরিকল্পনা সীমিত পরিসরে চালু রেখে এ মহামারি থেকে পরিত্রাণের লক্ষ্যে জীবনযুদ্ধে নেমে পরেছি। আমি ৩১ দফা নির্দেশনা দিয়েছি, ক্রান্তিকাল উত্তোরণে ডাক্তার-নার্স-টেকনিশিয়ান নিয়োগ করেছি। দরিদ্র অসহায় মানুষের পাশে দাড়ানো, অর্থনীতির চাকা সচল রাখা এবং উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে ২১টি প্যাকেজের আওতায় ১ লাখ ২১ হাজার ৩৫৩ কোটি টাকার প্রণোদনা দিয়েছি। তিনি বলেন, গত এক যুগ ধরে আওয়ামী লীগ সরকারের গৃহীত জনকল্যাণমুখী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নীতি বাস্তবায়নের ফলে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অগ্রগতির মানদণ্ডে বিশ্বের প্রথম ৫টি দেশের মধ্যে স্থান করে নিয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে গত অর্থবছরের প্রাথমিক প্রক্ষেপণ অনুযায়ী ৮.২ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন সম্ভব ছিল। তাছাড়া, গোটা বিশ্ব যেখানে প্রবৃদ্ধির ঋণাত্মক হার ঠেকাতে ব্যতিব্যস্ত, সেখানে করোনাকালেও আমরা ৫.২৪ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছি। আমরা দারিদ্র্যের হার ২০.৫ শতাংশের নিচে নামিয়ে এনেছি। মাথাপিছু আয় ২ হাজার ৬৪ মার্কিন ডলারে উন্নীত করেছি। স্বাস্থ্যখাতেও অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধন করেছি, এখন আমাদের মানুষের গড় আয়ু ৭২.৬ বছর। ৯৭.৫ শতাংশ মানুষকে বিদ্যুৎ সুবিধা দিচ্ছি। তিনি আরও বলেন, পদ্মা সেতুর সকল স্প্যান বসানোর ফলে বিশ্বের অন্যতম খরস্রোতা নদীর দুপ্রান্ত এখন সংযুক্ত। রাজধানীতে মেট্রোরেল ও এক্সপ্রেসওয়ে এবং কর্ণফুলী নদীর তলদেশে টানেল নির্মাণ-কাজ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। সড়ক, রেল ও বিমান যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আধুনিক করেছি। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১১কোটি ছাড়িয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর কর্মসংস্থানের অবাধ সুযোগ সৃষ্টি করেছি। প্রথম বাংলাদেশ প্রেক্ষিত পরিকল্পনা-এর সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমে রূপকল্প-২০২১ অর্জন প্রায় শেষ। মুজিববর্ষে আমরা অঙ্গীকার করেছি কেউ গৃহহীন থাকবে না। শহরের সকল সুযোগ-সুবিধা প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলেও পৌঁছে দেব। ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জন এবং ২০৪১ সালের মধ্যে ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা প্রণয়ন করেছি। ২৬ মার্চ ২০২১ আমরা স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করবো। তিনি বলেন, নতুন বছরে আমরা একটি নতুন বিশ্ব ব্যবস্থার দিকে অগ্রসর হচ্ছি। করোনা মহামারি বিশ্ববাসীকে এক কঠিন বার্তা দিয়েছে। যতই উন্নত হোক না কেন, একা কোনো দেশ শ্রেষ্ঠত্বের দাবি নিয়ে দাঁড়াতে পারবে না। পারস্পরিক সহযোগিতা ও অংশীদারিত্বের মাধ্যমেই যেকোনো বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলা করা সম্ভব। আমাদের সকলকে এ থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি তারুণ্যের শক্তি ও প্রযুক্তিজ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবে নেতৃত্বে দেয়ার সক্ষমতা অর্জন করতে হবে। আওয়ামী লীগ সরকার মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রেখে ধর্মীয় উগ্রবাদসহ যেকোনো সন্ত্রাসবাদ দমনে প্রতিজ্ঞাবন্ধ। শেখ হাসিনা বলেন, আসুন আমরা নতুন বছরে প্রতিজ্ঞা করি, মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অটুট রেখে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করবো। নতুন বছর ধর্ম-বর্ণের ভেদাভেদ ভুলে মানুষে-মানুষে সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন জোরদার করুক, সকল সংকট মোকাবিলার শক্তি দান করুক এবং সকলের জীবনে বয়ে আসুক অনাবিল সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি এই প্রার্থনা করি।
দেশের রাজনীতিতে ইতিবাচক ধারা ফিরবে : কাদের
০১,জানুয়ারী,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশবাসীকে ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। শুক্রবার সংসদ ভবনস্থ তার সরকারি বাসভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই শুভেচ্ছা জানান। সেতুমন্ত্রী আশা প্রকাশ করে বলেন, দেশের রাজনীতিতে নেতিবাচক ধারার পরিবর্তে ইতিবাচক ধারা ফিরে এসে নতুন বছরের নতুন আশার মালা গেঁথে এগিয়ে যাবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ। করোনা মহামারিতে থমকে যাওয়া পুরো বিশ্ব নতুন বছরে পাবে করোনা মুক্তির মাধ্যমে নতুন জীবনের রূপ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ব্যক্তি, সমাজ এবং রাষ্ট্রীয় জীবনে প্রস্ফুটিত হবে সম্ভাবনার নতুন কলি বলেও আশাবাদ করেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, নতুন বছরে করোনা জনিত নানান খাতে সংকট কাটিয়ে এক উন্নত, সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে এগিয়ে যাবে সম্ভাবনার নব দিগন্তে। সূত্র : বাসস
ইমরান মাসুদের জম্মদিন আজ
০১,জানুয়ারী,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের স্বনামধন্য জাতীয় দৈনিক আজকের বিজনেস বাংলাদেশর মফস্বল ইনচার্জ ইমরান মাসুদের জন্মদিন আজ । ১৯৮৫ সালের আজকের এই দিনে চাদঁপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলার মধ্য ইসলামাবাদ গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। পিতা আবুল হোসেন প্রধান ও মাতা মৃত: মাকসুদা বেগমের তিন সন্তানের মধ্যে তিনি সবার বড় সন্তান । তিনি ১২৮ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ৫ম শ্রেনী থেকে বৃত্তি লাভ করে নন্দলালপুর ছামাদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ব্যবসা শিক্ষা থেকে ২০০২ সালে এসএসসি ও ২০০৬ সালে ড.খন্দকার মোশাররফ হোসেন কলেজের মানবিক বিভাগ থেকে এইচএসসি সম্পন্ন করেন। এরপর তিনি উচ্চ শিক্ষার জন্য ঢাকায় বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তির জন্য আবেদন করেন পরে ঢাকা কলেজ (২০০৬-২০০৭) ইং শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হন। এবং সফলতার সাথে অনার্স শেষ করেন। পরে একই কলেজ থেকে মাস্টার্স সম্পন্ন করেন । তিনি ছাত্রবস্থায় থাকাকালে বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় লেখালেখি শুরু করেন তারপর ২০১১ সালের নভেম্বরে অনলাইন নিউজ পোর্টাল বিজনেস টাইমস টুয়েন্টিফোর ডটকমে সহ-সম্পাদক পদে যোগদানের মধ্য দিয়ে সাংবাদিকতা শুরু করেন। এরপর ২০১২ সালের সেপ্টেম্বরে অনলাইন নিউজ পোর্টাল কান্ট্রি নিউজে নিজস্ব প্রতিবেদক হিসাবে কাজ করেন । ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে তিনি দৈনিক জাতীয় পত্রিকা অর্থনীতি প্রতিদিন এর প্রতিবেদক ছিলেন। ২০১৪ সালে দৈনিক জাতীয় পত্রিকা শফিকুল ইসলাম কাজল সম্পাদিত পক্ষকাল এর সহ-সম্পাদক পদে যোগ দেন। তাছারা তিনি জাতীয় দৈনিক যায়যায়কালে দীর্ঘদিন মফস্বল সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন । তিনি ২০১৫ সালে অনলাইন নিউজ পোর্টাল নিউজপেজ২৪.কম এর সহ সম্পাদক হিসাবে যোগদান করেন। সাংবাদিকতার পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন সমাজ সেবামুলক সংগঠনের সাথে জড়িত। মুলত তিনি ২০১৫ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় সমাবর্তন চাই আন্দোলনের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন । তার ভূয়ঁসী সাহসীকতার মধ্য দিয়ে সমাবর্তন পায় জাতীয় বিশ্ব বিদ্যালয়ের মেধাবি শিক্ষার্থীরা । তিনি বর্তমানে সরকারি চাকুরীতে প্রবেশে বয়সসীমা ৩০ থেকে বাড়িয়ে ৩৫ করার আন্দোলনের যুগ্ন আহবায়ক হিসাবে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন । এছাড়া তিনি দাউদকান্দি উপজেলা প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক এবং দাউদকান্দি প্রেসক্লাবের কার্য নির্বাহি সদস্য হিসাবে এবং মতলব উপজেলা প্রেসক্লাব এর কার্যকরী সদস্য হিসেবে রয়েছেন । তিনি ঢাকা কলেজ সাংবাদিক ফেডারেশনের সাবেক কার্যকরী সদস্য ছিলেন । ইমরান মাসুদ জানান, তার পছন্দের রং সাদা ও হালকা আকাশি। প্রিয় ফুল গোলাপ। খেলতে ভালবাসেন ফুটবল ও দেখতে পছন্দ করেন ক্রিকেট, খেতে ভালবাসেন সাদা ভাতের সঙ্গে হরেক রকমের ভর্তা ও সবজি। আর অবসর সময়ে টিভি দেখা সাংবাদিকতার পাশাপাশি তিনি সেবামূলক কাজ করতেই বেশি পছন্দ করেন। সাংবদিকতার পাশাপাশি তিনি দুইটি অরাজনৈতিক সেচ্ছাসেবক সংগঠনের উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনি আরও জানান, বর্তমানে তিনি আজকের বিজনেস বাংলাদেশ পত্রিকায় মফস্বল ইনচার্জ এর দায়িত্বে কর্মরত রয়েছেন জাতীয় দৈনিক পত্রিকার পাশাপাশি তিনি টেলিভিশনেও কাজ করতে আগ্রহী । প্রসঙ্গ, সারা বিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশে ও মহামারি করোনার কারনে এ বছর জম্মদিনের যে কোন অনুষ্ঠান ও পারিবারিকভাবে সকল প্রকার অনুষ্ঠান পালন করবেন না বলে আমাদেরকে জানান। জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পৌটাল নিউজ একাত্তর ডট কম পরিবারের পক্ষ থেকে ইমরান মাসুদকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন
স্বাগতম ২০২১
০১,জানুয়ারী,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অবশেষে বিদায় নিলো ২০২০। এসে গেছে নতুন বছর ২০২১। পৃথিবীর মানুষ ২০২১-কে স্বাগত জানিয়েছে পরম আগ্রহে। পাওয়া না পাওয়ার নানা কাব্য নিয়ে মহাকালের গর্ভে হারিয়ে গেল ২০২০। পুরাতনের গ্লানি ভুলে পূর্বাকাশে উদিত হয়েছে নতুন সূর্য। পুরানো সকল আনন্দ-বেদনা কালের মহাস্রোতে হয়েছে ইতিহাস। বিদায়ী ২০২০। গত বছর গোটা বিশ্ব মহামারির থাবায় ছিল বিধ্বস্ত। তার কড়ালগ্রাস থেকে রক্ষা পায়নি বাংলাদেশও। সামাজিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক এবং শিক্ষাসহ সবক্ষেত্রেই করোনাভাইরাসের প্রভাবে এসেছে স্থবিরতা। আমাদের জাতীয় জীবনে এসেছে নানা দুর্ভোগ, এসেছে উত্থান-পতন। করোনার ছোবলে প্রিয়জন হারিয়ে, ভবিষ্যৎ অনিশ্চিয়তায় বিষাদময় হয়ে উঠেছে জীবন ধারণ। ২০২০ ছিল মহামারি ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের বছর। নতুন বছরে এসকল দুঃখ-বেদনা ভুলে ঘুরে দাঁড়াতে চান মানুষ। তাই সবার একটাই প্রার্থনা করোনার ভয়াল গ্রাস থেকে নতুন বছরটি যেন ভালো যায়। সবার প্রত্যাশা করোনাভাইরাসের এই ক্ষত থেকে নিরাময় হয়ে মুক্তি পাবে গোটা পৃথিবী। সারা বিশ্বে করোনা কেড়ে নিয়েছে বুদ্ধিজীবী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বসহ লাখো মানুষকে। নতুন বছরে প্রিয়জন হারানোর বেদনা ভুলে আবার ঘুরে দাঁড়াবে মানুষ। প্রতিবছরই বিশ্বের নানা প্রান্তে বর্ণিল আয়োজনের মধ্যে উদযাপিত হত এই ইংরেজি বর্ষবরণ। তবে এবার লাখো প্রাণকেড়ে নেওয়া করোনার কারণে বিষণ্নতা মোড়ানো এ উৎসব। স্বাস্থ্যবিধি মেনে অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও সীমাবদ্ধ আয়োজনে বরণ করে নেওয়া হচ্ছে নতুন বছর। সীমিত পরিসরে বর্ণিল আলোকচ্ছটার মধ্য দিয়ে ২০২১ কে স্বাগত জানাচ্ছে বিশ্বের দেশগুলো। ২০২০ সাল বিষাদের বছর হলেও অর্জনও বাংলাদেশের কম নয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী, পদ্মার বুকে স্বপ্নের সেতু দৃশ্যমান হওয়া, রেমিট্যান্স ও রিজার্ভে রেকর্ড, রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে পাঠানো, যুবা ক্রিকেট দলের আইসিসির অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জয় ছিল বড় প্রাপ্তি। যা হোক- করোনায় বিধ্বস্ত পৃথিবীতে সকল অনিশ্চিয়তা কাটিয়ে, মৃত্যুকে জয় করে আবারও সবাই স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসবে- এটাই ২০২১ সালের প্রত্যাশা। সবাইকে নিউজ একাত্তরের পক্ষ থেকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা।
হাতিরঝিলে নেই থার্টি ফাস্টের উদযাপন
৩১ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: হাতিরঝিলসহ রাজধানীর উন্মুক্ত যায়গায় এবার হচ্ছে না থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপন। বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যার পর থেকে হাতিরঝিলে ঢোকার সব রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন। এই নিষেধাজ্ঞা ১ জানুয়ারি ভোর পর্যন্ত বহাল থাকবে। হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রশিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। হাতিরঝিলে প্রবেশের পাঁচটি রাস্তাই বন্ধ করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, বিকেল ৫ টার পর হাতিরঝিল এলাকায় ঘুরতে না আসার জন্য আগেই বলা হয়েছে। এ ব্যাপারে স্থানীয়দের সহায়তা চাওয়া হয়েছে। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে রাতভর হাতিরঝিলের বিভিন্ন পয়েন্টে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নজরদারি থাকবে। এর আগে করোনার কারণে জনসমাগম এড়াতে উন্মুক্ত জায়গায় থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপনে নিষেধাজ্ঞা জারি করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
জানুয়ারিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার প্রস্তুতি শুরু : প্রধানমন্ত্রী
৩১ডিসেম্বর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাস পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। তাই জানুয়ারি থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার প্রস্তুতি শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) পাঠ্যপুস্তক বিতরণ উৎসব-২০২১ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভার্চুয়ালি অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, দুই মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আফছারুল আমীন ও মোস্তাফিজুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থীরা বাসায় বসে অনেক কষ্ট পাচ্ছে। তাদের কথা বিবেচনা করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত নেয়া হলে, শীতের কারণে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হয়। এ কারণে আমরা সে সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে আসি। তিনি বলেন, বর্তমানে আবারও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। জানুয়ারি মাস থেকে প্রস্তুতি শুরু করা হবে। দেখা যাক পরিস্থিতি কী হয়। তার ওপরেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও সংসদ টেলিভিশন ও অনলাইন মাধ্যমে পাঠদান কর্মসূচি অব্যাহত রাখা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের শিখন ফল অর্জনে প্রত্যেকটি স্কুলে অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। এতে ৮৫ শতাংশ শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও শিক্ষার অগ্রগতিতে আমাদের সকল কাজ অব্যাহত রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা শিক্ষা আইন চূড়ান্ত করা হয়েছে। বৃত্তি কার্যক্রম ডিজিটালাইজড করাসহ যুগোপযোগী শিক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে শিক্ষার্থীর শরীর ও মনের দিক থেকে গড়ে তুলতে আমাদের সকল চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে বলে জানান দীপু মনি। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নতুন পাঠ্যবই বিতরণ করা হবে। তিনটি ধাপে বই বিতরণ কাজ শেষ করা হবে। পরে ভার্চুয়াল মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেয়া হয়। এ সময় শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ৩ সচিব ও অধীনস্থ দফতর সংস্থার প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।
স্বাধীনতার চেতনা হৃদয়ে ধারণ করতে হবে: আইজিপি
৩০ডিসেম্বর,বুধবার,আহাম্মদ হোসেন ভূইয়া,ঢাকা,নিউজ একাত্তর ডট কম: হাজার বছরের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, আমরা কখনো স্বাধীন ছিলাম না। ক্ষুধা ও দারিদ্র পীড়িত অমানিশার অন্ধকারে নিমজ্জিত জাতি ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে সমবেত হয়েছিল। বঙ্গবন্ধুর আহবানে সাড়া দিয়ে নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মধ্য দিয়ে এক নদী রক্তের বিনিময়ে, লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে আমাদের মহান স্বাধীনতা। তাই 'স্বাধীনতার চেতনা' আমাদের হৃদয়ে ধারণ করতে হবে। একে ছড়িয়ে দিতে হবে প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম পর্যন্ত। ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি), বাংলাদেশ ড. বেনজীর আহমেদ বিপিএম (বার) আজ বুধবার বিকালে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স হতে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে চেতনায় স্বাধীনতা ম্যুরাল উদ্বোধনকালে একথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি হাবিবুর রহমান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন গাজীপুর জেলার পুলিশ সুপার শামসুন্নাহার। পুলিশ প্রধান বলেন, স্বাধীনতা আমাদের অন্যতম চালিকাশক্তি। একে মূলমন্ত্র হিসেবে ধরে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। আইজিপি বলেন, বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য তনয়া মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ বর্তমানে উন্নয়নের পথে ধাবমান। সমগ্র বিশ্বকে তাক লাগিয়ে বাংলাদেশ 'ম্যাজিক' হিসেবে এগিয়ে যাচ্ছে। এ সময় পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অতিরিক্ত আইজিগণ, ডিআইজিগণসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। গাজীপুর জেলার পুলিশ সুপার শামসুন্নাহারসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ গাজীপুর প্রান্ত থেকে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যুক্ত ছিলেন। ম্যুরালটির মূল উপজীব্য মাস্তুলসহ একটি নৌকার প্রতিচ্ছবি যা আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের চেতনার প্রতীক। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের আটটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক পৃথকভাবে আটটি ফলকে প্রতিস্থাপিত হয়েছে। নৌকার মাস্তুলের বাঁ দিকের চারটি ফলকে ৫২, ৫৪, ৫৬ ও ৬২ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ঐতিহাসিক ঘটনা এবং ডান দিকের চারটি ফলকে ৬৬, ৬৯, ৭০ ও ৭১ সালের উল্লেখযোগ্য ঘটনা বিধৃত হয়েছে পোড়া মাটির তৈরি শিল্পকর্মের নান্দনিকতায়। মাস্তুলের উপরিভাগের পটভূমিতে রয়েছে একটি উদীয়মান লাল সূর্য, লাল সূর্যের বুকে রয়েছে বাংলাদেশের একটি সোনালী মানচিত্র। মানচিত্রের সম্মুখে আছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং বঙ্গবন্ধুর চার সহযোদ্ধা বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রথম প্রধানমন্ত্রী শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ, শহীদ ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী ও শহীদ এএইচএম কামরুজ্জামান এর আবক্ষ ভাস্কর্য।

জাতীয় পাতার আরো খবর