বুধবার, আগস্ট ৪, ২০২১
ঐক্যবদ্ধভাবে সব ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে হবে
২১,জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে সংসদ সদস্যরা বলেছেন, সব ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে উন্নয়নের ধারাবাহিকতায়, ৪১ সালের মধ্যে সুখী সমৃদ্ধ শোষনমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে শেখ হাসিনার হাতকে আরো শক্তিশালী করতে হবে। তারা বলেন, পরাজিত শক্তি আবারো ষড়যন্ত্র করছে। ঐক্যবদ্ধভাবে এ ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে হবে। আজ বৃহস্পতিবার ছিল রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনার তৃতীয় দিন। গত ১৮ জানুয়ারি বছরের প্রথম অধিবেশনের প্রথম দিন রাষ্ট্রপতি সংসদে ভাষণ দেন। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৈঠকের শুরুতে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা উত্তর টেবিলে উপস্থাপন ও ৭১ বিধির নোটিশের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়। গত ১৯ জানুয়ারি চিফ হুইপ নুর-ই-আলম চৌধুরী রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাব উত্থাপন করেন। সরকারি দলের সদস্য উপাধ্যক্ষ আবদুস শহীদ এ প্রস্তাব সমর্থন করেন। আজ আলোচনায় অংশ নেন, সরকারি দলের বীরেন শিকদার, ইকবাল হোসেন, মো.আলী আজগর, পংকজ নাথ, বেগম খাদিজাতুল আনোয়ার, বেগম জিন্নাতুল বাকিয়া, বেগম আঞ্জুম সুলতানা সীমা,জাতীয় পার্টির রুস্তম আলী ফরাজী, নুরুল ইসলাম তালুকদার এবং বিকল্প ধারার আব্দুল মান্নান। আলোচনায় অংশ নিয়ে সরকারি দলের সদস্যরা বলেন, ভাষণে রাষ্ট্রপতি সরকার সূচিত গত ১২ বছরের উন্নয়ন অগ্রগতিতে সাফল্যের বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরার পাশাপাশি উন্নত- সমৃদ্ধ দেশ গড়ার দিক-নির্দেশনাও দিয়েছেন। ভাষণে বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়ন দর্শন তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি বৈশ্বিক মহামারি সফলভাবে মোকাবেলা করে দেশ যে আবার ঘুরে দাঁড়াচ্ছে তাও উল্লেখ করা হয় ভাষণে। তারা বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে দেশ যে উন্নত অবস্থানে আসীন হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ ও দূরদর্শী নেতৃত্বের জন্য তা সম্ভব হয়েছে। তারা এ পরিপ্রেক্ষিতে সরকারের কৃষি, বাসস্থান, চিকিৎসা, শিক্ষা, যোগাযোগ, বিদ্যুৎ-জ্বালানি, খাদ্য ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ সব খাতে ব্যাপক সাফল্যের কথা তুলে ধরেন। তারা বলেন,পদ্মা সেতু, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ, কর্নফূলি বঙ্গবন্ধু ট্যানেলসহ ২৪টি মেগা প্রকল্প সাফল্যের সাথে বাস্তবায়িত হচ্ছে। এসব বাস্তবায়ন শেষ হলে দেশের অর্থনীতি বদলে যাবে। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সুখী সমৃদ্ধশালী শোষনমুক্ত সোনার বাংলা বিনির্মানে অনেকদূর এগিয়ে যাবে জাতি। তারা বিশ্ব ব্যাংকসহ উন্নয়ন সহযোগিদের সহযোগিতা ছাড়া শত প্রতিকূলতার মুখে নিজস্ব অর্থায়নে নির্মাণাধীন পদ্মা সেতু শেখ হাসিনার নামে নামকরণ করার প্রস্তাব করেন। তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দৃঢ়তা এবং রাষ্ট্রনায়কোচিত সিদ্ধান্তেই এ সেতু নির্মাণ সম্ভব হয়েছে। তারা কোরোনা মোকাবেলায় সরকারের সাফল্যের কথা তুলে ধরে বলেন, আজ ২০ লাখ ডোজ টিকা দেশে এসেছে। এটাও শেখ হাসিনার যোগ্য নেতৃত্বের কারণে সম্ভব হয়েছে। সূত্র : বাসস
করোনার টিকা হস্তান্তর করলো ভারত
২১,জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশের কাছে ২০ লাখ ডোজ করোনার টিকা হস্তান্তর করেছে ভারত। বৃহস্পতিবার (২১ জানুয়ারি) দুপুর দেড়টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় ভারতীয় হাইকমিশনের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে টিকাগুলো হস্তান্তর করা হয়। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় ভারতীয় হাইকমিশনার বিক্রম কুমার দোরাই স্বামী আনুষ্ঠানিকভাবে টিকাগুলো হস্তান্তর করেন। এসময় পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. জাহিদ মালেক, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমসহ সরকারের দায়িত্বশীল অনেকে উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশকে উপহার হিসেবে ২০ লাখ ডোজ টিকা (ভ্যাকসিন) দিচ্ছে ভারত। টিকাগুলো মুম্বাই থেকে নিয়ে এয়ার ইন্ডিয়ার বিশেষ ফ্লাইটটি বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছায়। প্রতিবেশী দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে এ চিকিৎসা সহায়তা উপহার দিল ভারত।
২০২০ সালে চা উৎপাদন ৮৬ মিলিয়ন কেজি
২১,জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ২০২০ সালে দেশের ১৬৭টি চা বাগান এবং ক্ষুদ্রায়তন চা বাগান থেকে মোট ৮৬.৩৯ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদিত হয়েছে। তবে এ বছর শুধুমাত্র উত্তরবঙ্গে সমতলের চা বাগান ও ক্ষুদ্রায়তন চা বাগান থেকে রেকর্ড পরিমাণ ১০.৩০ মিলিয়ন কেজি চা জাতীয় উৎপাদনে যুক্ত হয়েছে। যা গত বছর ৯.৬০ মিলিয়ন কেজি ছিল। ২০২০ সালে উন্নয়নের পথনকশায় চায়ের উৎপাদনের লক্ষমাত্রা ছিল ৭৫.৯৪ মিলিয়ন কেজি। গত বছর বাম্পার ফলনের ফলে দেশে ৯৬.০৭ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদিত হয়েছিল। এ বছরে কোভিডের কারণে হোটেল রেস্টুরেন্ট বা চায়ের দোকানে জনসমাগম কমে যাওয়ায় চায়ের চাহিদা প্রায় ১০-১৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। অপরদিকে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে এ বছর চায়ের উৎপাদনও ১০ শতাংশ কমেছে। ফলে গত বছরের তুলনায় উৎপাদন কম হওয়া সত্ত্বেও বাজারে চায়ের চাহিদা ও যোগানে ভারসাম্য বজায় রয়েছে। বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো: জহিরুল ইসলাম জানান, কোভিড পরিস্থিতিতেও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় দেশের সকল চা বাগানের সার্বিক কার্যক্রম স্বাভাবিক ছিল। এছাড়াও উৎপাদনের পাশাপাশি স্বাস্থ্য বিধি মেনে চা নিলাম কেন্দ্র চালু রাখা, সঠিক সময়ে ভর্তুকি মূল্যে সার বিতরণ, বাগানে কঠোরভাবে কোভিড প্রটোকল নিশ্চিতকরণ, চা শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি, রেশন এবং স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকরণের ফলে ২০২০ সালে চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে। তিনি বলেন, কোভিড পরিস্থিতিতেও উৎপাদনের এ ধারাবাহিকতা থেকে এটাই প্রতিয়মান হয় যে যেকোন প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও দেশের চা শিল্প উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সক্ষম অর্থ্যাৎ চা শিল্পের সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি আরও জানান, উত্তরবঙ্গে চা চাষিদের ক্যামেলিয়া খোলা আকাশ স্কুলের মাধ্যমে চা আবাদ বিষয়ে হাতে কলমে প্রশিক্ষণ প্রদান এবং আধুনিক প্রযুক্তি সরবরাহের ফলে সমতলের চা বাগান ও ক্ষুদ্রায়তন চা বাগান থেকে এ বছর রেকর্ড পরিমাণ চা উৎপাদন সম্ভব হয়েছে।
করোনাকালে বিশ্বমন্দা এড়াতে পেরেছে বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী
২০,জানুয়ারী,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা বলেছেন, করোনাভাইরাসকালে মানুষের জীবন ও অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় সরকারের বিশেষ পদক্ষেপের ফলে বিশ্বব্যাপী চলমান অর্থনৈতিক মন্দার অনেকটাই বাংলাদেশ এড়াতে পেরেছে। প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা আজ বুধবার একাদশ জাতীয় সংসদের একাদশ অধিবেশনে তাঁর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকার দলীয় সাংসদ হাবিবর রহমান এবং জাতীয় পার্টির রওশন আরা মান্নানের পৃথক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে অন্য অনেক দেশে অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দিলেও বাংলাদেশ তা অনকটাই এড়াতে পেরেছে এবং মানুষের জীবন ও অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় সরকারের বিশেষ পদক্ষেপের ফলে দেশে করোনাভাইরাস পরিস্থিতি সহ অর্থনৈতিক অবস্থা স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হয়েছে। সংসদ নেতা বলেন, ব্রিটেনের অর্থনৈতিক গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর ইকোনোমিক্স এন্ড বিজনেস রিচার্স এর ওয়াল্ড ইকোনোমিক লিগ টেবল ২০২১ অনুযায়ী বাংলাদেশ এখন যে ধরনের অর্থনৈতিক বিকাশের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে তা অব্যাহত থাকলে ২০৩৫ সাল নাগাদ বাংলাদেশ হবে বিশ্বের ২৫তম বৃহৎ অর্থনীতি। এই রিপোর্টে মূলত সামনের বছর এবং আগামী ১৫ বছরে বিশ্বের কোন দেশের অর্থনীতি কি হারে বাড়বে তারই পূর্বাভাষ দেওয়া হয়েছে। ২০২০ সালের সূচক অনুযায়ী বাংলাদেশ এখন বিশ্বের ৪১তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ। প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে অন্য অনেক দেশে অর্থনৈতিক মন্দা দেখা দিলেও বাংলাদেশ তা অনকটাই এড়াতে পেরেছে। ২০২০ সালে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৫ দশমিক ২৪ শতাংশ হয়েছে। ২০১৯ সালে প্রবৃদ্ধি ছিল ৮দশমিক ১৫ শতাংশ, যা ছিল দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি। তিনি আরো বলেন, শুরু থেকেই তাঁর সরকার সতর্কতার সাথে পরিস্থিতি মোকাবিলা করছে, যার ফলে এ পর্যন্ত কোভিড আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা, মৃত্যুর হার এবং অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতি নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ তুলনামূলকভাবে অধিকতর সাফল্য দেখাতে পেরেছে। তিনকোটি ডোজ করোনা ভ্যাকসিন সংগ্রহের কাজ চলমান রয়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা দবলেন, শিগগিরই করোনার টিকা দেয়া শুরু হবে। জাতীয় পার্টির শামীম হায়দার পাটোয়ারির অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, করোনাকালে বাংলাদেশে এসে আটকে পড়া ও চাকুরিচ্যুত প্রবাসীদের নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে শ্রমিক পাঠানোর লক্ষ্যে সরকার বিভীন্ন কাযক্রম গ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, প্রবাসী অধ্যুষিত দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের অনুরোধ জানিয়ে কোভিডকালে চাকুরিচ্যুত প্রবাসীদের সার্বিক কল্যাণে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে ফোনে যোগাযোগসহ পত্র প্রেরণ করা হয়। এতে তিনটি বিষয় গুরুত্ব দেওয়া হয়। চাকরিচ্যুত প্রবাসী কর্মীদের ন্যূনতম খাদ্য ও স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকরণ, চাকুরিচ্যুতদের যাবতীয় দেনা পাওনা পরিশোধসহ ছয় মাসের বেতনভাতা দিয়ে দেশে ফেরত পাঠানো এবং বিদেশে কর্মসস্থান ও ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার জন্য ওই দেশগুলোতে কোভিড-১৯ রিকভারি এন্ড রেসপন্ড ফান্ড গঠনের সুপারিশ। সূত্র : বাসস
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২ পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু
২০,জানুয়ারী,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: এবার মহাকাশে বাংলাদেশের পতাকা নিয়ে যাবে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২। মঙ্গলবার (১৯ জানুয়ারি) একটি পরামর্শক কোম্পানির সঙ্গে চুক্তির মধ্য দিয়ে মহাকাশে বাংলাদেশের দ্বিতীয় কৃত্রিম উপগ্রহ পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২ উৎক্ষেপণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এর ধরণ ও প্রকৃতি নির্ধারণে মঙ্গলবার ফ্রান্সের কোম্পানি প্রাইস ওয়াটার হাউজ কুপার্সের সঙ্গে এ চুক্তি হয়। বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডের (বিএসসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহরীয়ার আহমেদ চৌধুরী এবং প্রাইস ওয়াটার হাউজ কুপার্স অ্যাডভাইজরির ড. লুইগি স্ক্যারিয়া নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেন। বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডের (বিএসসিএল) প্রধান কার্যালয়ে এক অনলাইন অনুষ্ঠানে এ চুক্তি সই হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএসসিএল চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব মো. আফজাল হোসেন, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদার এবং বিএসসিএল পরিচালনা পর্ষদ সদস্য ড. এস এম জাহাঙ্গীর আলম। ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মহাকাশে- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর পর বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২ উৎক্ষেপণের পথযাত্রা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো এ চুক্তির মাধ্যমে। ২০১৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী ২০২৩ সালের মধ্যে এর কার্যক্রম চালু হওয়ার ঘোষণা রয়েছে। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট নির্ভর সম্প্রচার ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে স্বনির্ভরতা অর্জন করেছে।
শহীদ আসাদ গণতন্ত্রপ্রেমী মানুষের মাঝে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন: প্রধানমন্ত্রী
২০,জানুয়ারী,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে আত্মত্যাগকারী শহীদ আসাদ এ দেশের গণতন্ত্রপ্রেমী মানুষের মাঝে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। তার আত্মত্যাগ ভবিষ্যতেও আমাদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে প্রেরণা যোগাবে। বুধবার (২০ জানুয়ারি) শহীদ আসাদ দিবস উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী শহীদ আসাদসহ বাঙালির মুক্তির সংগ্রামে আত্মোৎসর্গকারী সব শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। শেখ হাসিনা বলেন, ২০ জানুয়ারি শহীদ আসাদ দিবস। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে এই দিনটি একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিন। ১৯৬৯ সালের এ দিনে ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনের রাস্তায় চলমান মিছিলে পুলিশ গুলি চালায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্সের ছাত্র মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান ওরফে আসাদ পুলিশের গুলিতে নিহত হন। এভাবে আরও অনেক প্রাণ ঝরে পড়ে এবং আহত হন। শহীদ আসাদের এই আত্মত্যাগ চলমান আন্দোলনে নতুনমাত্রা যোগ করে। তিনি আরও বলেন, পাকিস্তানি শাসকদের বৈষম্যমূলক আচরণ এবং দমন পীড়নে বাংলার মানুষ যখন দিশেহারা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ছয়দফা তখন বাঙালির মুক্তির দিশারি হিসেবে আবির্ভূত হয়। ছয়দফা হয়ে ওঠে বাঙালির প্রাণের দাবি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ছয় দফার সপক্ষে প্রবল জনমতের জোয়ার দেখে আতঙ্কিত সামরিক জান্তা আইয়ুব খান বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার মামলা দায়ের করে, যা আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা নামে সমধিক পরিচিত। বৈষম্য ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর ঘোষিত ছয় দফা আন্দোলনের মাধ্যমে বাঙালি জাতির স্বাধীনতা আন্দোলন নতুনমাত্রা পায়। বঙ্গবন্ধু পরিণত হন নিপীড়িত ও নির্যাতিত বাঙালির মুক্তির মূর্তপ্রতীকে। তিনি বলেন, কারাগারে আটক বঙ্গবন্ধুর মুক্তির দাবিতে গর্জে ওঠে সারা বাংলার মানুষ। ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনের রাস্তায় ছাত্র-জনতার মিছিলে পুলিশ গুলি চালায়। এতে আসাদুজ্জামান শহিদ হন এবং অনেকে আহত হন। স্বাধিকারের দাবিতে সোচ্চার সব শ্রেণি-পেশার মানুষ জেল-জুলুম উপেক্ষা করে রাজপথে নেমে আসে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, পর্যায়ক্রমে আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর আকার ধারণ করে। সেদিনের সেই আন্দোলন পরবর্তীতে গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। পাকিস্তানি স্বৈরসরকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে করা আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহারে বাধ্য হয়। এরই ধারাবাহিকতায় পতন হয় স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের।
স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসে শহীদ আসাদ একটি অমর নাম: রাষ্ট্রপতি
২০,জানুয়ারী,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসে শহীদ আসাদ একটি অমর নাম। গণতান্ত্রিক আন্দোলন সংগ্রামে শহীদ আসাদের অসামান্য অবদান দেশের গণতন্ত্রপ্রেমী মানুষের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ আসাদের আত্মত্যাগ আমাদের মুক্তিসংগ্রাম ও স্বাধীনতার ইতিহাসে একটি অনন্য মাইলফলক। বুধবার (২০ জানুয়ারি) শহীদ আসাদ দিবস উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন দেশে গণতন্ত্রের ইতিহাসে শহীদ আসাদ দিবস একটি অবিস্মরণীয় দিন জানিয়ে আবদুল হামিদ বলেন, ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি তৎকালীন পাকিস্তানি স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে এ দেশের ছাত্র সমাজের ১১ দফা দাবির মিছিলে পুলিশের গুলিতে শহিদ হন ছাত্রনেতা মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান ওরফে আসাদ। শহীদ আসাদকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ এবং তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করে তিনি বলেন, তিনি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। ঊনসত্তরের গণআন্দোলনে তার আত্মত্যাগ আন্দোলনে নতুন মাত্রা যোগ করে। স্বাধিকারের দাবিতে সোচ্চার সব শ্রেণি-পেশার মানুষ জেল-জুলুম উপেক্ষা করে রাজপথে নেমে আসে। পর্যায়ক্রমে আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হতে থাকে উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, পরবর্তীতে সেই আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। পতন হয় স্বৈরশাসক আইয়ুবের। এ গণঅভ্যুত্থানের পথ ধরেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত হয় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ।
ভবিষ্যতে রোহিঙ্গারা দলে দলে ভাসানচরে আসবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
১৯,জানুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রোহিঙ্গারা এতদিন ভুল বুঝেছিল যে, ভাসানচরে তাদের নানা ধরনের অসুবিধা হবে। কিন্তু ভাসানচরের সুযোগ-সুবিধা ও নিরাপত্তা দেখে ভবিষ্যতে রোহিঙ্গারা দলে দলে এখানে আসবে। ভাসানচর থানা উদ্বোধনের পর এমনটাই বলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এমপি। মঙ্গলাবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুর ২টায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নোয়াখালী জেলার দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার আওতাধীন নবগঠিত ভাসানচর থানা উদ্বোধন করেছেন। এটি জেলার দশম থানা। হাতিয়া উপজেলার চরঈশ্বর ইউনিয়নের ৬টি মৌজা নিয়ে এই নতুন থানা গঠিত হয়। থানা উদ্বোধন শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গারা তাদের দেশে ফেরৎ যাবে। ভাসানচর ও আশপাশের এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলার জন্য এ থানা উদ্বোধন করা হয়েছে। রোহিঙ্গারা এতদিন ভুল বুঝেছিল যে, এখানে তাদের নানা ধরনের অসুবিধা হবে। ভাসানচরের সুযোগ সুবিধা ও নিরাপত্তা দেখে ভবিষ্যতে রোহিঙ্গারা দলে দলে এখানে আসবে। ভাসানচর আশ্রয়ণ প্রকল্প-৩ এ বসবাসকারী মিয়ানমার হতে বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাসহ অন্যান্যদের নিরাপত্তা ও আইন-শৃঙ্খলা নিশ্চিতের জন্য একজন পুলিশ পরিদর্শক (অফিসার ইনচার্জ), দুইজন উপ-পরিদর্শক (এসআই), চার জন সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই), ১৭ জন কনস্ট্রেবল সহ মোট ২৪টি পদ নিয়ে মঙ্গলবার ১৯ জানুয়ারি থেকে ভাসানচর থানার কার্যক্রম শুরু হল। পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আলমগীর হোসেনের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এমপি। বিশেষ অতিথি ছিলেন, নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আয়েশা ফেরদৌস, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. মোস্তফা কামাল উদ্দিন, আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ বিপিএম (বার), স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিব মো. শহিদুজ্জামান, বিজিবির মহা-পরিচালক মেজর জেনারেল মো. শফিকুল ইসলাম বিজিবিএম (বার), এনডিসি, পিএসসি এবং ডিআইজি, চট্টগ্রাম রেঞ্জ মো. আনোয়ার হোসেন বিপিএম (বার), পিপিএম (বার). জেলা প্রশাসক মো. খোরশেদ আলম খান, ভাসানচর আশ্রয়ন প্রকল্প-৩ এর প্রকল্প পরিচালক কমোডোর আবদুল্লাহ আল মামুন চৌধুরী ও সরকারের উধ্বর্তন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রসঙ্গত, ভাসানচরে এক লাখ রোহিঙ্গা স্থানান্তরের পরিকল্পনায় তাদের নিরাপত্তা বিধানের লক্ষ্যে ২০১৭ সালে এ নবগঠিত থানা অনুমোদনের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়। ২০১৯ সালে ২১ অক্টোবর প্রশাসনিক পূনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার) এর ১১৬তম সভায় এ থানা স্থাপনের প্রস্তাব অনুমোদিত হয়। ২০১৯ সালের ৯ ডিসেম্বর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ভাসানচর থানার জন্য ২৪টি পদ অনুমোদন করে। ২০২০ সালের ২০ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ পদগুলির মঞ্জুরী প্রদান করে।
ভিভিআইপিরা নয়, ফ্রন্টলাইনাররাই আগে টিকা পাবেন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
১৯,জানুয়ারী,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভিভিআইপিরা নয়, যাদের সবচেয়ে আগে টিকা প্রয়োজন তাদেরকেই আগে দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। মঙ্গলবার (১৯ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সাথে সাক্ষাতকালে মন্ত্রী এ কথা বলেন। তিনি বলেন, আমরা চিন্তাভাবনা করছি যাদের সবচেয়ে আগে টিকা প্রয়োজন তাদের আগে দেব। যেমন ফ্রন্টলাইনার হিসেবে ডাক্তার, নার্স, পুলিশ ও সাংবাদিকদেরও করোনার টিকা দেওয়া হবে। যেটা প্ল্যান করা আছে সেভাবেই হবে। ভিভিআইপিরা আগে টিকা পাবেন না। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ভারত থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ২০ লাখ ডোজ টিকা আগামীকাল অথবা পরশু আসছে। মন্ত্রী বলেন, আমরা আশা করছি আমাদের যে সিডিউল আছে সেই অনুযায়ী আসবে। আগামীকালের একটা সিডিউল আছে। অথবা পরশুদিন আসবে। এটাই সবশেষ খবর। তিনি আরো বলেন, ভারত এই টিকা আমাদের কাছে পৌঁছে দেবে। আমি বিমানবন্দরে গিয়ে টিকা গ্রহণ করবো। স্বাস্থ্যকর্মীদের টিকা প্রয়োগ করে টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে। প্রথমে ইউনিয়ন পর্যায়ে টিকা দেওয়া হবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী শুরুতেই টিকা নিচ্ছেন তবে বাংলাদেশে এমন হবে কি না জানতে চাইলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, আপাতত এ ধরনের চিন্তা নেই।

জাতীয় পাতার আরো খবর