বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৮, ২০২১
নারী সহিংসতা রোধে উদ্ভাবনী নীতি ও আইনের পাশাপাশি অধিক নারী নেতৃত্ব প্রয়োজন : স্পিকার
৭সেপ্টেম্বর ২০২১, নিজেস্ব সংবাদদাতা , নিউজ একাত্তর : স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, নারীর প্রতি সহিংসতা রোধে উদ্ভাবনী নীতি ও আইন প্রণয়নের পাশাপাশি অধিক নারী নেতৃত্ব প্রয়োজন। আজ অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় অনুষ্ঠিত উইমেন স্পিকার্স অফ পার্লামেন্টের ১৩তম সামিটে ২০৩০ সালের মধ্যে নারী ও মেয়েদের প্রতি সহিংসতা, বাল্যবিয়ে এবং নারীদের জন্য ক্ষতিকর অন্যান্য প্রথাগুলো বিলীন হয়ে যাবে" শীর্ষক আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন। ইন্টার-পার্লামেন্টারী ইউনিয়নের (আইপিইউ) এর উদ্যোগে এবং জাতিসংঘ ও অস্ট্রিয়ান পার্লামেন্টের সহযোগিতায় এ সামিট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তিনি বলেন, ২০৩০ সাল খুব সন্নিকটে এবং নারী ও মেয়েদের প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে লক্ষ্যগুলো অর্জনে সময় খুব বেশি নেই। নারীর ক্ষমতায়ন ও নারী-পুরুষ সমতা আনয়নে নারীর প্রতি সহিংসতা একটি জটিল বাধা। প্রচলিত রীতিনীতি, প্রথা, অভ্যাস, আর্থ-সামাজিক প্রতিবন্ধকতা, লিঙ্গ বৈষম্য নিরসনে নারীশিক্ষা ও নারীর ক্ষমতায়নের প্রসার জরুরী। স্পিকার বলেন, বিভিন্ন প্রকার উদ্যোগ গ্রহণ করা সত্ত্বেও আমরা নারীর ক্ষমতায়নের কাক্সিক্ষত লক্ষ্যে এখনো পৌঁছাতে পারিনি। নারীর প্রতি সহিংসতা সামাজিকভাবে প্রতিরোধ করতে হবে। এজন্য নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা একান্ত জরুরি। ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, কোভিড-১৯ পরিস্থিতিতে নারীদের জন্য উদ্ভাবনী পরিকল্পনা প্রণয়ন জরুরি। করোনা মহামারী ও পরবর্তী সময়ে নারী ও মেয়েদের প্রতি সহিংসতা বেড়েছে। যথাযথ আইন থাকা সত্ত্বেও এখনো বাল্যবিয়ে পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। বাল্যবিয়ে রোধে পারিবারিক ও সামাজিক কাঠামো মেয়েদের জন্য শক্তিশালী করা প্রয়োজন। নারী নেতৃত্বকে সামনে এগিয়ে নিয়ে সমস্যা সমাধানে সচেষ্ট হতে হবে। আলোচনা অনুষ্ঠানে জিম্বাবুয়ের সিনেট প্রেসিডেন্ট ম্যাবেল এম চিনোমনা, ওএসসিই পার্লামেন্টারি এসেম্বলির মার্গারেটা সেডারফেল্ট, স্পেনের কংগ্রেস অফ ডেপুটিজ এর প্রেসিডেন্ট মেরিটজেল ব্যাটেট, উরুগুয়ে জেনারেল এসেম্বলির প্রেসিডেন্ট বিয়াট্রিজ আরজিমন, মোজাম্বিক এসেম্বলির স্পিকার স্পেরানকা লরিন্দা ফ্রান্সিসকো নিউয়ান বায়াসসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ বক্তব্য রাখেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের স্পিকার, বাংলাদেশের সংসদীয় প্রতিনিধিদলের বদরুদ্দোজা মোঃ ফরহাদ হোসেন এমপি, রুমানা আলী এমপি, গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকার এমপি ও অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। নিউজ একাত্তর/বিল্পব
বিমানবন্দরগুলোতে শিগগির পিসিআর টেস্টের ব্যবস্থা করার নির্দেশ মন্ত্রিসভার
৬সেপ্টেম্বর ২০২১, নিজেস্ব সংবাদদাতা , নিউজ একাত্তর : মন্ত্রিসভা আজ দেশের তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীদের নিয়ে বিমান উড্ডয়নের চার ঘন্টার মধ্যে করোনাভাইরাসের পিসিআর পরীক্ষা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছে। এসব বিমানবন্দরগুলো হচ্ছে- ঢাকার হযরত শাহজালাল, চট্টগ্রামের শাহ আমানত এবং সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে আজ সকালে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এই নির্দেশনা দেয়া হয়। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান। গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী ও সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে মন্ত্রীরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠকে ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, অনেকগুলো দেশ বিমান উড্ডয়নের চার, ছয় অথবা আট ঘন্টার মধ্যে যাত্রীদের পিসিআর পরীক্ষার দাবি জানিয়ে আসছে। বিষয়টি নিয়ে গত কয়েক দিন থেকে আলোচনা চলছিল। আজকে এ ব্যাপারে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। খুব দ্রুত দুই বা তিন দিনের মধ্যে বিমানবন্দরেই একটা টেস্টিং ফ্যাসিলিটিজের ব্যবস্থা করতে হবে। অন্যান্য দেশে যে রকম আছে ঠিক সে রকম। যাতে বিমান উড্ডয়নের চার ঘণ্টার মধ্যে যাত্রীরা পরীক্ষা করতে পারেন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, বিশ্বের বড় বড় এয়ারপোর্টে এখন তাৎক্ষণিক করোনা পরীক্ষা করার ব্যবস্থা আছে। বিশ্বের অনেক দেশ যদিও দাবি করছে- চার, ছয়, অথবা আট ঘন্টার মধ্যে পিসিআর পরীক্ষা করতে। কিন্তু আমরা বলেছি ৪৮ ঘণ্টা আগে পিসিআর পরীক্ষা করলে চলবে। আমাদের লোকরা যে দেশে আছে, তারা সেখান থেকে পরীক্ষা করে আসবে। অনেক দেশ আছে ৪ থেকে ৮ ঘণ্টা সময় দেয়। সচিব বলেন, যে যে দেশে যাবে তার যে রকম প্রয়োজন হবে সে অনুযায়ী যাতে এয়ারপোর্ট থেকেই সে পরীক্ষা করে নিতে পারে। বিমানবন্দরে কবে নাগাদ পিসিআর টেস্ট চালু হচ্ছে জানতে চাইলে খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, আজকেই নির্দেশনা দিয়ে দেয়া হয়েছে। যত তাড়াতাড়ি পারা যায় দুই-তিন দিন অথবা সাত দিন। না হলে আপনিতো ওই দেশে যেতে পারছেন না। এ বিষয়ে খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম আরো বলেন, তারা কথা বলে দেখেছেন ৪ ঘণ্টার মধ্যেই এই টেস্টের রিপোর্ট দেয়া সম্ভব হবে। নিউজ একাত্তর/ভুঁইয়া
যুদ্ধ চাই না, তবে প্রস্তুত থাকতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
৫সেপ্টেম্বর ২০২১, নিজেস্ব সংবাদদাতা , নিউজ একাত্তর : বহিঃশত্রুর আক্রমণ হতে দেশকে রক্ষা করতে সশস্ত্র বাহিনীকে সব সময় প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উদার পররাষ্ট্রনীতি এবং যুদ্ধ নয় শান্তির পক্ষে বাংলাদেশের অবস্থানের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। রোববার (০৫ সেপ্টেম্বর) নৌ ও বিমান বাহিনীর নির্বাচনী পর্ষদ (প্রথম পর্ব) ২০২১-এ ভার্চ্যুয়ালি অংশ নিয়ে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। ঢাকা সেনানিবাসের নৌবাহিনী এবং বিমানবাহিনী সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত এ সভায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে অংশ নেন সরকারপ্রধান। বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, এখানে একটি কথা স্পষ্ট বলতে চাই, আমরা কারও সঙ্গে যুদ্ধ করতে চাই না। টানা তিনবারের সরকারপ্রধান বলেন, আমরা যুদ্ধ চাই না, আমরা শান্তি চাই। কারণ শান্তি ছাড়া কোনো দেশের উন্নতি করা সম্ভব নয়। যুদ্ধ ধ্বংস ডেকে আনে, আমরা ধ্বংসের পথে যেতে চাই না। কিন্তু কেউ যদি আক্রমণ করে, বহিঃশত্রুর আক্রমণ থেকে দেশকে রক্ষা করার সব রকম প্রস্তুতি আমাদের থাকতে হবে। তিনি বলেন, সব সময় প্রশিক্ষণ এবং সরঞ্জামাদি সবদিক থেকে আমাদের যতটুকু ক্ষমতা আছে তার মধ্যে দিয়ে আমাদের সেভাবে প্রশিক্ষণও অব্যহত রাখতে হবে এবং আধুনিক প্রযুক্তি সম্পন্ন হতে হবে। শেখ হাসিনা বলেন, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। বিশ্ব যেখানে এগিয়ে যাচ্ছে। নতুন নতুন প্রযুক্তি আসছে, প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে যাচ্ছে বর্তমান বিশ্ব। আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে যেন তাল মিলিয়ে আমরা চলতে পারি, সেই প্রস্তুতিও আমাদের থাকতে হবে। বাংলাদেশ দক্ষতা নিয়ে প্রতিটি দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রেখে এগিয়ে যাচ্ছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নীতি সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়। আমি এইটুকু বলতে পারি, আমরা অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে প্রতিটি দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রেখে এগিয়ে যাচ্ছি। তিনি বলেন, আমাদের দেশের সার্বিক উন্নয়নে যার কাছ থেকে যতটুকু সহযোগিতা নেওয়া দরকার বা আমাদের উন্নয়ন সহযোগী যারা হবে সকলের সঙ্গে একটা ভালো সদ্ভাব রেখে, ভালো সম্পর্ক রেখে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। দক্ষদের পদোন্নতি দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে নৌ ও বিমান বাহিনীর নির্বাচনী পর্ষদ সদস্যদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারা পদোন্নতির জন্য যে পদ্ধতিগুলো নিয়েছেন টিআরএসিই-ট্রেস (টেবুলেটেড রেকর্ড অ্যান্ড কম্পারেটিভ ইভালুয়েশন) আমি মনে করি, এটা একটা আধুনিক পদ্ধতি। এই পদ্ধতির ভিত্তিতেই আপনাদেও জ্ঞান এবং প্রজ্ঞা দিয়ে আপনারা নির্বাচনী পর্ষদ আগামী দিনে যারা দক্ষতার সঙ্গে নৌবাহিনী এবং বিমান বাহিনী পরিচালনা করবে তাদের নির্বাচিত করবেন। শেখ হাসিনা বলেন, ভবিষ্যতে আমাদের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দক্ষ যারা, তারা প্রমোশন পেয়ে প্রত্যেকটি বাহিনী পরিচালনার দায়িত্ব পাবে এবং দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ নিয়ে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়ে বাংলাদেশ চলবে এবং বাংলাদেশ হবে ভবিষ্যতে উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ। তিনি আরও বলেন, আমি এটাও বলব যে, অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় অনেকে কর্তব্য পালনে অনেক দক্ষতার পরিচয় দিতে পারে। কাজে তারাও যেন অবহেলিত না হয় সেদিকটাও আপনারা বিবেচনা করবেন। অনুষ্ঠানে নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম শাহীন ইকবাল এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল শেখ আব্দুল হান্নান প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে স্বাগত বক্তব্য দেন। আইএসপিআর জানায়, নৌবাহিনীর কর্মকর্তাদের পদোন্নতির লক্ষ্যে নৌবাহিনী সদর দপ্তরে আয়োজিত নৌবাহিনীর নির্বাচনী পর্ষদের মাধ্যমে ক্যাপ্টেন থেকে কমডোর, কমান্ডার থেকে ক্যাপ্টেন, লে. কমান্ডার থেকে কমান্ডার পদবিতে পদোন্নতির জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এছাড়া বিমান বাহিনীর সদর দপ্তরে আয়োজিত বিমান বাহিনীর নির্বাচনী পর্ষদের মাধ্যমে বিমান বাহিনীর গ্রুপ ক্যাপ্টেন থেকে এয়ার কমডোর, উইং কমান্ডার থেকে গ্রুপ ক্যাপ্টেন এবং স্কোয়াড্রন লিডার থেকে উইং কমান্ডার পদে যোগ্য প্রার্থীদের পদোন্নতির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। নিউজ একাত্তর/বিল্পব
ঘা-এ ব্যান্ডেজ না করে ক্লিন করছি: আইজিপি
৫সেপ্টেম্বর ২০২১, নিজেস্ব সংবাদদাতা , নিউজ একাত্তর : পুলিশ সদস্যদের বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ বলেছেন, আমরা তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে পারতাম। কিন্তু আমরা ঘা-এ ব্যান্ডেজ না করে একেবারে ক্লিন করছি। রোববার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে পুলিশ সদর দপ্তরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। পুলিশের কনস্টেবল হতে অতিরিক্ত আইজি পর্যন্ত প্রত্যেক পুলিশ সদস্যদের জন্য পদমর্যাদা ভিত্তিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি উদ্বোধন উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ বলেন, পুলিশ সদস্যদের মধ্যে কেউ কোনো অপরাধ করলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ইচ্ছা করলে তাদের বিরুদ্ধে আমরা বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে পারতাম, ইচ্ছা করলে ঘা-এ ব্যান্ডেজ করতে পারতাম। কিন্তু আমরা এর মধ্যে নাই, এসব একেবারে ক্লিন করতে চাচ্ছি। তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি ফৌজদারি মামলা দেওয়া হচ্ছে। এর আগে আইজিপি বলেন, আজকের দিনটি প্রশিক্ষণের দিক থেকে পুলিশের জন্য একটি বিশেষ দিন। আজ পুলিশ নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করতে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন প্রতিটি পুলিশ সদস্যকে বছরে যেন অন্তত একবার ট্রেনিংয়ে পাঠানো হয়। আমরা সেই লক্ষ্যে পুলিশের ২ লাখ ১২ হাজার সদস্যকে বছরে একবার প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করছি। পুলিশের সব ট্রেনিং সেন্টারগুলোতে একযোগে এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে জানিয়ে আইজিপি ড. বেনজীর বলেন, প্রতি সপ্তাহে প্রতি ব্যাচে আমরা ৪ হাজার ৩১৯ জন সদস্যকে প্রশিক্ষণ দিতে পারবো। সে হিসেবে এ বছরে ১৪ সপ্তাহে ৬০ হাজার ৬৬৬ জনকে প্রশিক্ষণ দিতে পারবো। সামনের বছর থেকে সারা বছরব্যাপী এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চলমান থাকবে। পুলিশের সব সদস্যকে প্রশিক্ষণ দিতে ৪৮ সপ্তাহ প্রয়োজন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, কনস্টেবল থেকে অতিরিক্ত আইজি পদমর্যাদার প্রত্যেক পুলিশ সদস্যের বছরে এক সপ্তাহ প্রশিক্ষণ প্রাপ্তির বিষয়টি বিবেচনায় রেখে প্রশিক্ষণ পরিকল্পনা প্রস্তুত করা হয়েছে। এএসপি এবং তদুর্ধ্ব কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি (বিপিএ) সারদায়, সাব-ইন্সপেক্টর থেকে ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ বিপিএ, টিডিএস, টিটিএস, এসটিএস, পিএসটিএস সব পিটিসি ও ডিএমপি ট্রেনিং একাডেমিতে অনুষ্ঠিত হবে। কনস্টেবল, নায়েক এবং এএসআই পর্যায়ের প্রশিক্ষণ ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের তত্ত্বাবধানে দেশের ১০৮টি পুলিশ ইউনিটের প্রশিক্ষণ ৫৫ ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হবে। বিপিএ, পিটিসি, সব ইনসার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারসহ দেশের ১০৫টি পুলিশ ইউনিটের সব পদমর্যাদার প্রশিক্ষণ একযোগে শুরু হবে, যা পর্যায়ক্রমে সারা বছর চলমান থাকবে। নিউজ একাত্তর/বিল্পব
প্রধানমন্ত্রী ১২ সেপ্টেম্বর পাঁচটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র উদ্বোধন করবেন
৪সেপ্টেম্বর ২০২১, নিজেস্ব সংবাদদাতা , নিউজ একাত্তর : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ১২ সেপ্টেম্বর মোট ৮৭৯ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন পাঁচটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র উদ্বোধন করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিপিডিবি) পরিচালক (জনসংযোগ) সাইফুল ইসলাম আজ বাসসকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ওই দিন সকাল ১০টায় তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো উদ্বোধন করবেন। তিনি বলেন, পাঁচটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র হল হাবিবগঞ্জের বিবিয়ানা-৩ ৪০০ মেগাওয়াট কম্পাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্র, চট্টগ্রামের জুলদায় ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ইউনিট-২, মেঘনাঘাট ১০৪ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র, বাঘারহাটের মধুমতি ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং সিলেটে ১৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ২২৫ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে উন্নীতকরণ কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎ কেন্দ্র। বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয় সূত্রের মতে, ২০০৯ সালে ক্ষমতা গ্রহণের পর সরকার সরকার সফলতার সঙ্গে ১১৯ টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করে যার উৎপাদন ক্ষমতা ২০,২৯৩ মেগাওয়াট। এতে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের লক্ষ্য ছিল ২০২১ সালের মধ্যে ২৪,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা। কিন্তু এর মধ্যেই লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করা হয়েছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নাসরুল হামিদ বাসসের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা এখন ২৫,২৩৫ মেগাওয়াটে পৌঁছেছে (ক্যাপটিভ বিদ্যুতসহ) যা ২০০৯ সালে ছিল মাত্র ৪,৯৪২ মেগাওয়াট। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহসী ও গতিশীল নেতৃত্বের কারণে আমরা প্রায় ৯৯.৫ শতাংশ জনসংখ্যাকে বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় আনতে পেরেছি। নাসরুল হামিদ বলেন, আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন সরকার গত ১২ বছরে বিদ্যুৎ খাতে অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছে এবং দেশের সার্বিক উন্নয়নে এই সেক্টরের গুরুত্ব বিবেচনায় অগ্রাধিকার দিয়েছে। তিনি আরও বলেন, সরকারের আন্তরিক ও নিরলস প্রচেষ্টায় মাথাপিছু বিদ্যুৎ উৎপাদন ৫৬০ কিলোওয়াট-এ পৌঁছেছে, যা ২০০৯ সালে ছিল মাত্র ২২০ কিলোওয়াট এবং সিস্টেম লস ১৪.৩৩ শতাংশ থেকে ৮.৪৯ শতাংশে নেমে এসেছে। নিউজ একাত্তর/ভুঁইয়া
বঙ্গবন্ধুকে সম্মান করতে চাই: সংসদে বিএনপির হারুন
৪সেপ্টেম্বর ২০২১, নিজেস্ব সংবাদদাতা , নিউজ একাত্তর : বিএনপির সংসদ সদস্য হারুন-অর-রশীদ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ জাতীয় নেতাদের নিয়ে বিতর্ক বন্ধ করার দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, আমরা বঙ্গবন্ধুকে সম্মান করতে চাই। জাতীয় নেতা যেই হোন না কেন, তাদের আমরা সম্মান করতে চাই। আজ ৪৫ বছর আগের ইতিহাস নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করে আমরা জাতিকে হিংসাত্মক জায়গায় নিয়ে যেতে চাই না। আমরা মনে করি যার যেটা সম্মান প্রাপ্য, তার সেই মর্যাদা দেয়া হোক। এতে আমাদের জাতির কল্যাণ রয়েছে। শনিবার (৪ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে একটি বিল পাসের সময় জনমত যাচাই এবং বাছাই প্রস্তাবের ওপর কথা বলতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন শুরু হয়। বিএনপিদলীয় সংসদ সদস্য হারুন-অর-রশীদ বলেন, আমি এটা নিয়ে বিতর্ক করতে চাই না, আমি এটা নিয়ে কথা বলতে চাই না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তার পরিবার হারিয়েছেন, তার পিতা-মাতা ও ভাই হারিয়েছেন। যে জন্য নিঃসন্দেহে তার কষ্ট সবচেয়ে বেশি। তিনি বলেন, ওই সময় তো সারাদেশে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায়। জেলা ও থানা পর্যায়ে কোথাও কোনো বিদ্রোহ করেনি কেন? আমি এটা নিয়ে আর বিতর্ক বাড়াতে চাচ্ছি না। আইনমন্ত্রী বলেছেন সত্যের মুখোমুখি হওয়া দরকার। সাহস আছে? আমরা বঙ্গবন্ধুকে সম্মান করতে চাই। জাতীয় নেতা যেই হোন না কেন, তাদের আমরা সম্মান করতে চাই। আজ ৪৫ বছর আগের ইতিহাস নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করে আমরা জাতিকে হিংসাত্মক জায়গায় নিয়ে যেতে চাই না। নিউজ একাত্তর/ভুঁইয়া
বীর মুক্তিযোদ্ধা লুৎফুর রহমানের মৃত্যুতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর শোক
৩সেপ্টেম্বর ২০২১, নিজেস্ব সংবাদদাতা , নিউজ একাত্তর : সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সিলেট জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাডভোকেট মো. লুৎফুর রহমানের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আব্দুল মোমেন। যুক্তরাজ্য সফররত পররাষ্ট্রমন্ত্রী এক শোক বার্তায় বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা লুৎফুর রহমানের মৃত্যুতে জাতি একজন দেশপ্রেমিক নেতা এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের ধারক ও বাহককে হারালো। অসাম্প্রদায়িক ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অধিকারী লুৎফুর রহমান সিলেটের রাজনীতিতে যে অবদান রেখেছেন সিলেটবাসী তা চিরদিন স্মরণ রাখবে । ড. মোমেন মরহুমের শোকসন্তপ্ত পরিবার ও রাজনৈতিক অনুসারীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। নিউজ একাত্তর/বিল্পব
বিআরটি প্রকল্পের কাজ আগামী বছরের ডিসেম্বরে শেষ হবে : সড়ক পরিবহন মন্ত্রী
৩সেপ্টেম্বর ২০২১, নিজেস্ব সংবাদদাতা , নিউজ একাত্তর : সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট বিআরটি প্রকল্পের নির্মাণ কাজ আগামী বছরের ডিসেম্বরে শেষ হবে। তিনি বলেন, বিআরটি প্রকল্পের আওতায় ৪ দশমিক ৫ কিলোমিটার এলিভেটেড সড়ক, ৬টি ফ্লাইওভার ও ২৫টি বিআরটি স্টেশনসহ মোট ২০ দশমিক ৫০ কিলোমিটার করিডোর নির্মাণ করা হবে। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী আজ গাজীপুরের চেরাগ আলীতে বৃহত্তর ঢাকা সাসটেইনেবল আরবান ট্রান্সপোর্ট প্রকল্পের সর্বশেষ অগ্রগতি পরিদর্শনে এসে এ কথা জানান। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে প্রতি ঘন্টায় উভয় দিকে ২০ হাজার যাত্রী পরিবহন করতে পারবে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, হাউজ বিল্ডিং থেকে চেরাগ আলী পর্যন্ত সাড়ে চার কিলোমিটার এলিভেটেড অংশ সেতু বিভাগ বাস্তবায়ন করছে। অবশিষ্ট অংশ সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ করছে। এ করিডোরে দুইটি সংরক্ষিত বিআরটি লেন, চারটি মিক্সড ট্রাফিক লেন, দুইটি অযান্ত্রিক লেন,পথচারীদের জন্য ফুটপাথের ব্যবস্থা থাকবে। তিনি বলেন, বর্তমানে প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি ৬৩ দশমিক ২৭ ভাগ। এ মহাসড়কটি অত্যন্ত খারাপ, যে কারণে জনগণের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, ভোগান্তির শেষ বর্ষাকাল এটাই। তাই বর্ষাকাল শেষ হলেই জনগণের ভোগান্তির অবসান হবে। সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের প্রকল্পের অফিসে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে প্রকল্প বিষয়ে মতবিনিময় করেন। এ সময় সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব মো. নজরুল ইসলাম, সেতু বিভাগের সচিব আবু বক্কর ছিদ্দিক, সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী আবদুস সবুরসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। নিউজ একাত্তর/বিল্পব
জানুয়ারির মধ্যে সাড়ে ১৬ কোটি ডোজ টিকা আসবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
২সেপ্টেম্বর ২০২১, নিজেস্ব সংবাদদাতা , নিউজ একাত্তর : করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে আরও সাড়ে ১৬ কোটি ডোজ টিকা কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা সেপ্টেম্বর থেকে আগামী জানুয়ারির মধ্যে বাংলাদেশে চলে আসবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, আমাদের ৩ কোটি ৮৩ লাখ রেজিস্ট্রেশন হয়ে গেছে। টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছেন ১ কোটি ৮৬ লাখ মানুষ। দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ৮২ লাখ মানুষ। এছাড়া আমাদের হাতে ১ কোটি ২২ লাখ ডোজ টিকা আছে। বৃহস্পতিবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আগের তুলনায় করোনা পরিস্থিতি উন্নতি হয়েছে। সংক্রমণের হার ১১ শতাংশে নেমে এসেছে। যেটা ৩২ শতাংশ হয়েছিল। আপনারা জানেন শিল্পকারখানাসহ অনেক কিছু খুলে দেওয়া হয়েছে। তবে, ভালো খবর এটাই সংক্রমণের হার কমে যাচ্ছে। হাসপাতালে প্রায় ৭৫ শতাংশ বেড এখন খালি আছে। সুতরাং রোগীর সংখ্যা অনেক কমেছে। মৃত্যুর হারও কমেছে। আমাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা মেনে কাজ করতে হবে। সবকিছু খুলে দেওয়ার অর্থ এ নয় যে, আমরা ঘুরে বেড়াবো। করোনা এখনও চলে যায়নি। সরকার জনগণের পাশে আছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, টিকার জন্য সরকারকে কত টাকা ব্যয় করতে হয়েছে। এ কয়দিনে আমরা দেখলাম শুধু টিকার খরচ প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকা। সামনে আরো কিনতে হবে। আমরা যে অর্ডার দিয়েছি সেগুলো কিন্তু টাকা দিয়ে কিনতে হবে। সেখানে হাজার হাজার কোটি টাকা লাগবে। টিকা কেনার খরচ আছে, রাখার খরচ আছে, ম্যানপাওয়ার খরচ আছে। জনগণের পাশে এ সরকার আছে। টিকা কার্যক্রমের বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় আমরা চীনে অর্ডার দিয়েছি সাড়ে ৭ কোটি টিকা। প্রথমে অর্ডার দেওয়া হয় দেড় কোটি। কিছুদিন আগেই আমরা ৬ কোটি টিকা অর্ডার দিয়েছি। আগামী তিন মাসে এ ৬ কোটি টিকা চলে আসবে, প্রত্যেক মাসে ২ কোটি করে। এছাড়া বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) থেকে একটা প্রস্তাব আমাদের কাছে এসেছিল, সাড়ে ১০ কোটি টিকার। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে উনার অনুমতি সাপেক্ষে এ টিকা কেনার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ সাড়ে ১৬ কোটি টিকা আমরা কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। টিকাগুলো সেপ্টেম্বর থেকে আগামী জানুয়ারির মধ্যে বাংলাদেশে চলে আসবে। তিনি বলেন, ডব্লিউএইচও থেকে ৬ কোটি ৮০ লাখ টিকা আমরা বিনামূল্যে পাই, সেটা চলমান থাকবে। গতকাল আমরা ফাইজারের ১০ লাখ টিকা পেয়েছি। এটা এভাবে চলমান থাকবে। আমাদের পরিকল্পনা হলো সেপ্টেম্বর থেকে টিকা প্রাপ্তি সাপেক্ষে দেড় থেকে ২ কোটি লোককে টিকা দেওয়া হবে। বয়স্কদের অগ্রাধিকার দিয়ে টিকা দেওয়া হবে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বয়স্কদের সঙ্গে শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। মডার্নার যে টিকা আমরা পাবো তার বেশিরভাগ ছাত্র-ছাত্রীদের দেওয়ার চেষ্টা করবো। আমাদের ছেলে-মেয়েরা টিকা দিয়ে স্কুলে যেতে পারলে ভালো। শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কেন মডার্নার টিকা দেওয়া হবে এমন প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, ইউরোপ-আমেরিকাতে ফাইজার এবং মডার্নার টিকা বাচ্চাদের দেওয়া হয়েছে। তারা পরীক্ষা নিরীক্ষা করে বাচ্চাদের টিকা দিয়েছে। সে কারণে আমরাও এটা আমাদের দেশে দেওয়ার চিন্তাভাবনা করছি। চুক্তি অনুযায়ী সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে টিকা পাওয়ার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে জাহিদ মালেক বলেন, আমাদের ভারতে যে অর্ডার দেওয়া ছিল, তার ২ কোটি ৩০ লাখ টিকা এখনও পাইনি, অপেক্ষায় আছি। আমরা যোগাযোগে থাকি, ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট ও বাংলাদেশের বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের সঙ্গে যোগাযোগে থাকি, ওনারা আমাদের আশ্বস্ত করে আসছেন, আমরা টিকা পাবো। যদি কিনা আমরা এ টিকা না পাই, তাহলে অবশ্যই আমাদের টাকা-পয়সা নিয়ে আসতে হবে এবং ফেরত দিতে হবে। আমরা আশা করি টিকা পাবো। নিউজ একাত্তর/ভুঁইয়া

জাতীয় পাতার আরো খবর