সোমবার, আগস্ট ২, ২০২১
অগ্নিকাণ্ড: দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ক্ষতিগ্রস্ত খাত রফতানিমুখী পোশাক শিল্প
৬,ফেব্রুয়ারী,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নভেল করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের মধ্যে গত বছরের বড় একটা সময় বন্ধ ছিল রফতানিমুখী তৈরি পোশাক কারখানা। বাতিল হয়েছে অসংখ্য ক্রয়াদেশ। লকডাউনের পর সীমিত পরিসরে কার্যক্রম পরিচালনা করে অল্প সংখ্যক কারখানা। কিন্তু বছর শেষে দেখা যাচ্ছে অগ্নিকাণ্ডে আবাসিক ভবনের পর সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে এ খাতে। সরকারি সংস্থা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে রফতানিমুখী পোশাক শিল্পে আগুনের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির এ চিত্র। ফায়ার সার্ভিসের দেয়া তথ্যমতে, গত বছর সারা দেশে ২১ হাজার ৭৩টি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে আর্থিক ক্ষতি হয়েছে ১৪৬ কোটি ৬৫ লাখ টাকার। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ৬ হাজার ১৫০টি অগ্নিদুর্ঘটনায় ৬৮ কোটি ১১ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বাসাবাড়ি বা আবাসিক ভবনে। আগুনে আর্থিক ক্ষতির দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে রফতানিমুখী তৈরি পোশাক শিল্প। এ খাতে ১৭৭টি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আর্থিক ক্ষতি হয়েছে ৩৭ কোটি ৩০ লাখ টাকার। সংশ্লিষ্টদের মতে, অগ্নিদুর্ঘটনা মোকাবেলার যথেষ্ট প্রস্তুতি নেই অধিকাংশ কারখানার। এমন পরিস্থিতিতে অল্প জায়গার মধ্যে বিপুল সংখ্যক শ্রমিক উৎপাদনকাজে অংশ নেন। ব্যবহার করেন বিভিন্ন ধরনের ভারী যন্ত্রাংশ ও রাসায়নিক। এসব রাসায়নিকের সংস্পর্শে আগুন দ্রুত পুরো কারখানায় ছড়িয়ে পড়ে। এতে তাদের আর্থিক ক্ষতির পরিমাণও বেড়ে যায়। পাশাপাশি প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। শুধু রফতানিমুখী তৈরি পোশাক শিল্পেই নয়, করোনার বছরজুড়ে আগুনে ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে স্থানীয় পোশাক শিল্পও। ফায়ার সার্ভিসের তথ্যমতে, এ শিল্পে গত বছর ৯৬টি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৩ কোটি টাকার বেশি আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। পোশাক শিল্প ব্যতীত অন্য কাল-কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে ৩৮৩টি। আর্থিক ক্ষতি হয়েছে ৮ কোটি ৩০ লাখ টাকার। এছাড়া পাট গুদাম ও পাটকলে বছরজুড়ে ৮০টি অগ্নিকাণ্ডে ৬ কোটি ৪৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। শিল্পপ্রতিষ্ঠান ছাড়াও করোনার বছরজুড়ে অগ্নিদুর্ঘটনা ঘটেছে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র ও উপকেন্দ্রগুলোয়। ফায়ার সার্ভিসের হিসাবে, বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র ও উপকেন্দ্রে ৮৬টি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে আর্থিক ক্ষতি হয় ৯ কোটি ৩৬ লাখ টাকার। ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক দেবাশীষ বর্ধন বলেন, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা কারখানাগুলো চালু করার আগে নিয়ম মেনে বৈদ্যুতিক লাইনগুলো পরীক্ষা করা হয় না। এ কারণেই অধিকাংশ পোশাক কারখানায় বৈদ্যুতিক গোলযোগ থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আর বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলোর অগ্নিকাণ্ড বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই যথাযথ তদারকির অভাব পরিলক্ষিত হয়। এ বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে নেয়া হলে শিল্প-কারখানা ও বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে আগুনের ঘটনা কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।
বাংলাদেশ ও ভারতের মৈত্রীর বন্ধন দৃঢ় থেকে দৃঢ়তর হবে: প্রধানমন্ত্রী
৫,ফেব্রুয়ারী,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির পিতার অসাম্প্রদায়িক চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে বাংলাদেশ ও ভারত দুই বন্ধুপ্রতিম দেশের মৈত্রীর বন্ধন দৃঢ় থেকে দৃঢ়তর হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে ভারতের অবদান চিরস্মরণীয়। মুক্তিযুদ্ধের সময় আমাদের দেশের প্রায় এক কোটি মানুষকে ভারত যেমন আশ্রয়-খাদ্য-রসদসহ সবরকম সহায়তা দিয়েছে, তেমনি হাজার হাজার ভারতীয় সৈন্য এদেশের স্বাধীনতার জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন। সে কারণে আমাদের দু দেশের বন্ধুত্ব রক্তের অক্ষরে লেখা। করোনাভাইরাস জনিত বৈশ্বিক মহামারি মোকাবিলাতেও ভারতের পক্ষ থেকে বিশ লাখ ভ্যাকসিন উপহার সেই বন্ধুত্বেরই স্মারক। প্রধানমন্ত্রী ১৯৭২ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি কলকাতায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর ঐতিহাসিক ভাষণ উপলক্ষ্যে আজ দেয়া এক বাণীতে এ প্রত্যাশার কথা বলেন। এ উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয় আগামীকাল কলকাতায় প্যারেড গ্রাউন্ডে স্মরণ সভার আয়োজন করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৭২ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি কলকাতার বিখ্যাত ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণ বাঙালির ইতিহাসে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। আমাদের মহান স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপনের প্রাক্কালে এবং জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীতে বাংলাদেশের তথ্য মন্ত্রণালয় ভারতীয় কর্তৃপক্ষের আন্তরিক সহায়তায় মহান দিবসটি উপলক্ষ্যে সেই ঐতিহ্যবাহী প্যারেড গ্রাউন্ডে কলকাতাস্থ বাংলাদেশ উপদূতাবাসকে সঙ্গে নিয়ে যে স্মরণসভা আয়োজন করেছে, তা একটি মাইলফলক উদ্যোগ। ছাত্রজীবনে জাতির পিতার কলকাতায় অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্ববহ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই শহরের ইসলামিয়া কলেজ (বর্তমানে মৌলানা আজাদ কলেজ) থেকে বঙ্গবন্ধু উচ্চ মাধ্যমিক ও স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। এ সময়েই তিনি জাতীয় পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের সাথে বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং শুদ্ধ রাজনীতির চর্চা ও গতিপ্রকৃতি সম্পর্কে গভীর জ্ঞান অর্জন করেন। সমাজতন্ত্র ও গণতন্ত্রের অনন্য সম্মিলনে ধর্মনিরপেক্ষতা কীভাবে সমাজজীবনকে বদলে দিতে পারে, তা তিনি কলকাতা শহরে ছাত্রাবস্থাতেই রপ্ত করেছিলেন। শেখ হাসিনা বলেন, মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে পশ্চিমবঙ্গেই প্রায় ৭২ লাখ বাংলাদেশি আশ্রয় নিয়েছিলেন। তখন গোটা কলকাতা হয়ে উঠেছিল বাঙালি জাতীয়তাবাদের মিলনমেলা। ভারত সরকারের সহযোগিতায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অনুরাগী নেতৃবৃন্দ কলকাতাসহ ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে অবস্থান করে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করেছিলেন। সে সময় কলকাতার কবি-সাহিত্যিক বুদ্ধিজীবীসহ সকলেই বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য ভূমিকা রেখেছিলেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীন হলে বাঙালি জাতির পিতার প্রতি তাঁদের আগ্রহ ছিল সীমাহীন। শেখ মুজিবুর রহমান স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দিনে কলকাতায় যাত্রা বিরতি করবেন, এমনটাই ভেবেছিল কলকাতাবাসী। কিন্তু জাতির পিতা তাঁর স্বপ্নের স্বাধীন দেশের মাটিতে আগে যেতে চেয়েছিলেন বলে ১০ জানুয়ারি ১৯৭২ দিল্লী থেকে সরাসরি ঢাকা যাওয়ার পথে কলকাতার দমদম বিমানবন্দরে বার্তা পাঠান যে, তিনি অতি শিগগিরই কলকাতা আসবেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরবর্তীতে জাতির পিতা ১৯৭২ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি তিনদিনের সফরে কলকাতায় যান এবং ঐতিহাসিক ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডের জনসভায় শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধীর উপস্থিতিতে লক্ষ লক্ষ স্বতঃস্ফূর্ত পশ্চিমবঙ্গবাসীর সম্মুখে ভাষণ প্রদান করেন। সেদিন তিনি উত্তাল জনতার উদ্দেশ্যে বলেছিলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী চিরদিন অটুট থাকবে। তাঁর অগ্নিঝরা ভাষণে উপস্থিত জনতা আবেগপ্লুত হয়েছিলেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সর্বাত্মক সহযোগিতার জন্য ভারতের জনগণ, সরকার, সশস্ত্রবাহিনী, বিশেষ করে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধীর প্রতি বঙ্গবন্ধু গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা, মেঘালয় এবং আসামের জনগণের প্রতিও বিশেষ কৃতজ্ঞতা স্বীকার করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্যারেড গ্রাউন্ডে জাতির পিতার ঐতিহাসিক ভাষণের মাহেদ্রক্ষণে স্বাধীনতার মহানায়ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে তাঁর আত্মার শান্তি কামনা করেন। সে সঙ্গে তিনি গভীর কৃতজ্ঞাভরে স্মরণ করেন, বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারতের জনগণের একাত্মতা ও আত্মত্যাগ।
ফাদার যোসেফের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
৫,ফেব্রুয়ারী,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নটর ডেম কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ ও নটর ডেম বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ ফাদার যোসেফ এস পিশোতোর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শুক্রবার (৫ ফেব্রুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠোনো বার্তায় তিনি এ শোক জানান। শোক বার্তায় শেখ হাসিনা বলেন, শিক্ষাক্ষেত্রে অবদানের জন্য ফাদার পিশোতো জাতির কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। প্রধানমন্ত্রী মরহুমের আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। ফাদার যোসেফ স্টিফেন পিশোতো ৮৭ বছর বয়সে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর রামপুরার বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি ২৩ বছর নটর ডেম কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালনসহ ৫০ বছরের বেশি সময় কলেজটিতে শিক্ষকতা করেছেন। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে সেন্ট জোসেফ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের পরিচালক জ্যোতি এফ গমেজ জানান, ফাদার পিশোতো হৃদরোগে ভুগছিলেন এবং তিনি বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডে চিকিৎসা নিয়েছিলেন। গত ডিসেম্বরে ফাদার পিশোতো করোনায় আক্রান্ত হয়ে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন। পরবর্তী সময়ে তিনি সুস্থ হয়ে বাসায় ফেরেন। সেখানেই তিনি মারা গেলেন।
এবার ২১ গুণীজন পাচ্ছেন একুশে পদক
৫,ফেব্রুয়ারী,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সরকার বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২১ বিশিষ্ট নাগরিককে ২০২১ সালের একুশে পদক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বৃহস্পতিবার (০৪ ফেব্রুয়ারি) সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (অনুষ্ঠান) অসীম কুমার দে স্বাক্ষরিত এক স্মারকে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এবছর একুশে পদক প্রাপ্তরা হলেন- ভাষা আন্দোলনে মরহুম মোতাহার হোসেন তালুকদার (মোতাহার মাস্টার) (মরণোত্তর), মরহুম শামছুল হক (মরণোত্তর) এবং মরহুম আফসার উদ্দিন (মরণোত্তর)। শিল্পকলা বিভাগে (সঙ্গীত) বেগম পাপিয়া সরোয়ার, অভিনয়ে রাইসুল ইসলাম আসাদ এবং সালমা বেগম সুজাতা (সুজাতা আজিম), নাটকে আহমেদ ইকবাল হায়দার, চলচ্চিত্রে সৈয়দ সালাউদ্দিন জাকী, আবৃত্তিতে ড. ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায় এবং আলোকচিত্রে পাভেল রহমান। এছাড়া মুক্তিযুদ্ধে গোলাম হাসনায়েন, ফজলুল রহমান খান ফারুক এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুমা সৈয়দা ইসাবেলা (মরণোত্তর)। সাংবাদিকতায় অজয় দাসগুপ্ত, গবেষণায় ড. সমীর কুমার সাহা, শিক্ষায় বেগম মাহফুজা খানম, অর্থনীতিতে ড. মির্জা আব্দুল জলিল, সমাজসেবায় প্রফেসর কাজী কামরুজ্জামান। ভাষা এবং সাহিত্যে এই সম্মাননা পেয়েছেন কবি কাজী রোজী, বুলবুল চৌধুরী এবং গোলাম মুরশিদ।
দুস্থদের মধ্যে নারী ঐক্য পরিষদের সেলাই মেশিন বিতরণ
৪,ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আত্মকর্মসংস্থানের জন্য দুস্থ ছাত্র-ছাত্রী ও নারীদের মধ্যে নগদ অর্থ এবং সেলাই মেশিন বিতরণ করেছে নারী ঐক্য পরিষদ। বৃহস্পতিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পল্টনে নারী ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দুস্থ নারীদের হাতে সেলাই মেশিন ও টাকা হস্তান্তর করা হয়। সেলাই মেশিন ও টাকা প্রদান কর্মসূচিতে নারী ঐক্য পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহানা ফেরদৌসী লাকী এবং প্রচার সম্পাদক জাহেদা আক্তার উপস্থিত ছিলেন। কর্মসূচিতে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সংগঠনের সভাপতি এবং সংসদ সদস্য লুৎফুন নেসা খান সংযুক্ত ছিলেন। এ সময় তিনি বলেন, নারী নির্যাতন বন্ধ করতে হবে এবং এই সঙ্গে মাদকের আগ্রাসনও বন্ধ করতে হবে। সমাজে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে। তিনি আরও বলেন, নারী ও শিশুর সর্বোপরি সাধারণ জনগণের নিরাপত্তা ও মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে। বাংলাদেশে যতক্ষণ পর্যন্ত নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা বন্ধ না হবে, নারীর যথাযথ মর্যাদা ও অধিকার প্রতিষ্ঠা না হবে, ততদিন সাধারণ জনগণকে সঙ্গে নিয়ে নারী ঐক্য পরিষদ তার সামাজিক আন্দোলন চালিয়ে যাবে।
অক্সফোর্ডের সোয়া এক কোটি ভ্যাকসিন পাচ্ছে বাংলাদেশ
৪,ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ এবার কোভ্যাক্সের মাধ্যমে অক্সফোর্ড থেকে করোনা ভাইরাসের ১ কোটি ২৭ লাখ ৯২ হাজার ডোজ ভ্যাকসিন পেতে যাচ্ছে। আগামী পাঁচ মাসে অর্থাৎ জুন পর্যন্ত সময়ে এ ভ্যাকসিন পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বলা হয়েছে, চলতি ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে এ ভ্যাকসিন আসা শুরু হতে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ওয়েবসাইট সূত্রে এ খবর জানা গেছে। বুধবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিভিন্ন দেশে ভ্যাকসিন বণ্টনের তালিকা প্রকাশ করেছে কোভ্যাক্স। এতে বলা হয়েছে, জুনের শেষ নাগাদ বাংলাদেশ ১ কোটি ২৭ লাখ ৯২ হাজার ডোজ কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন পেতে যাচ্ছে। এছাড়া, ভারতকে ৯ কোটি ৭২ লাখ, পাকিস্তানকে ১ কোটি ৭২ লাখ, নাইজেরিয়াকে ১ কোটি ৬ লাখ, ইন্দোনেশিয়াকে ১ কোটি ৩৭ লাখ ও ব্রাজিলকে ১ কোটি ৬ লাখসহ বিভিন্ন দেশকে বিভিন্ন পরিমাণে ভ্যাকসিন দেবে কোভ্যাক্স। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিনস অ্যান্ড ইমিউনাইজেশনস বা গ্যাভি এবং কোয়ালিশন ফর এপিডেমিক প্রিপেয়ার্ডনেস ইনোভেশনসের গড়া প্ল্যাটফর্ম হল কোভ্যাক্স, যা বিশ্বের সব মানুষের সংক্রামক রোগের প্রতিষেধক পাওয়া নিশ্চিত করতে গঠিত হয়েছে।
শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলা : সাবেক এমপিসহ ৫০ আসামির সাজা
৪,ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সাতক্ষীরার কলারোয়ায় তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গাড়িবহরে হামলা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্যসহ ৫০ আসামির বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার সময় সাতক্ষীরার মুখ্য বিচারিক হাকিম মো. হুমায়ুন কবীরের আদালতে এ রায় ঘোষণা করা হয়। সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট এসএম মুনীর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। রায়ে সাতক্ষীরা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য হাবিবুল ইসলাম হাবিবসহ রিপন ও আরিফ নামে মোট তিনজনকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। এছাড়া আব্দুল কাদের নামে এক আসামির ৯ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। বাকি আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়েছে। রায়ে সর্বনিম্ন সাজা দেয়া হয়েছে চার বছর। বৃহস্পতিবার সকালেই এ মামলায় জেলহাজতে থাকা ৩৪ আসামিকে কারাগার থেকে আদালতে তোলা হয়। প্রসঙ্গত, ২০০২ সালের ৩০ আগস্ট সকাল ১০টার দিকে তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী শেখ হাসিনা সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার চন্দনপুর ইউনিয়নের হিজলদি গ্রামের এক মুক্তিযোদ্ধার ধর্ষিতা স্ত্রীকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে দেখে যশোরে ফিরছিলেন। এ সময় কলারোয়া উপজেলা বিএনপি অফিসের সামনে রাস্তার ওপর জেলা বিএনপির সভাপতি ও তৎকালীন এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিবের নির্দেশে বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীরা দলীয় অফিসের সামনে একটি যাত্রীবাহী বাস রাস্তার ওপর আড়াআড়ি থামিয়ে গাড়িবহরে হামলা চালান। হামলায় তৎকালীন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রকৌশলী শেখ মুজিবুর রহমান ও সাংবাদিকসহ কমপক্ষে এক ডজন দলীয় নেতাকর্মী আহত হন। এ ঘটনায় থানায় মামলা না নেয়ায় ওই বছরের ২ সেপ্টেম্বর কলারোয়া মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোসলেমউদ্দিন বাদী হয়ে যুবদল নেতা আশরাফ হোসেন, আব্দুল কাদের বাচ্চুসহ ২৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ৭০/৭৫ জনকে আসামি করে আদালতে মামলা দায়ের করেন। মামলাটি বিভিন্ন আদালত ঘুরে হাইকোর্টের নির্দেশে ২০১৪ সালের ১৫ অক্টোবর এজাহার হিসেবে গণ্য করা হয়। পরবর্তীতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক শফিকুর রহমান ৫০ জনের নাম উল্লেখ করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলাটি তিনটি ভাগে ভাগ হয়ে এসটিসি ২০৭/১৫, এসটিসি ২০৮/১৫ দুটি অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-২য় আদালতে বিচারাধীন। পেনালকোর্ডের মামলাটি (টিআর-১৫১/১৫) সাতক্ষীরার মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে বিচারাধীন। মামলায় ১৬ জন আসামি পলাতক রয়েছেন। গত ২৭ জানুয়ারি যুক্তিতর্ক শেষে কাঠগোড়ায় থাকা ৩৪ জনকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়ে ৪ ফেব্রুয়ারি রায়ের জন্য দিন ধার্য করেন মুখ্য বিচারিক হাকিম মো. হুমায়ুন কবীর।
উত্তরায় বার-হোটেলে পুলিশের অভিযান, গ্রেফতার ৮
৪,ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীর উত্তরায় বিভিন্ন ক্লাব, বার, হোটেল ও রেস্তোরাঁয় অভিযান চালিয়ে বিয়ার ও বিদেশি মদসহ আটজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- উইলিয়াম রোজারিও (৩৮), শাওন (২৭), ইমরান (২৫), শমির উদ্দিন (৩০), কাওছার কিবরিয়া (৫১), মো. রিপন (২৮), মো. রাজন (২৮) ও সহিদুর রহমান মিজান (২৫)। মঙ্গরবার (২ ফেব্রুয়ারি) উত্তরার ৩ ও ৫ নম্বর সেক্টরে অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করা হয়। অভিযানটি উত্তরা বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মো. শহিদুল্লাহর নেতৃত্বে পরিচালিত হয়। এ বিষয়ে উত্তরা জোনের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার মো. কামরুজ্জামান সরদার বলেন, ৩ নম্বর সেক্টরসহ প্যারাডাইস টাওয়ারে অবস্থিত ব্যাম্বু স্যুট চাইনিজ রেস্টুরেন্ট থেকে বিয়ারের আটটি খালি বোতল, বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মদের চারটি খালি বোতল উদ্ধারসহ উইলিয়াম রোজারিও, শাওন, ইমরান ও শমির উদ্দিনকে গ্রেফতার করা হয়। ৫ নম্বর সেক্টর ২ নম্বর রোডে অবস্থিত লিজেন্ড ক্লাব বারে অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন ব্রান্ডের ৪৪ বোতল বিদেশি মদসহ সাহিদুর রহমান মিজানকে গ্রেফতার করা হয়। মো. কামরুজ্জামান সরদার বলেন, এছাড়া ৩ নম্বর সেক্টরের রবীন্দ্র সরণি রোডে অবস্থিত এয়ারোলিং আবাসিক হোটেল থেকে ছয়টি হান্টার বিয়ারের খালি বোতল এবং একটি খালি বিদেশি মদের বোতলসহ কাওছার কিবরিয়া, মো. রিপন ও মো. রাজনকে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়াও উত্তরা ৯ নম্বর সেক্টরসহ হোটেল গ্র্যান্ড প্যালেস, হানসা হোটেল, ১১ নম্বর সেক্টরসহ হোটেল প্লাটিনাম, ১৪ নম্বর সেক্টরসহ হবনব চাইনিজ রেস্টুরেন্ট, ১২ নম্বর সেক্টর শাহ মখ্দুম এভিনিউ রোডে অবস্থিত লাভলীন রেস্টুরেন্টের পঞ্চমতলায় একটি সিসাবারে অভিযান পরিচালনা করে সরঞ্জামাদি জব্দ করা হয়। একই ভবনে অবস্থিত একটি স্পা হাউস ও সিগনেচার ক্লাবেও অভিযান পরিচালনা করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় তিনটি মামলা রুজু করা হয়েছে।
কৃষি ও কৃষকের জন্য যা লাগবে দেব : প্রধানমন্ত্রী
৪,ফেব্রুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাদের দেশ কৃষিনির্ভর। আমাদের অর্থনীতি কৃষিনির্ভর। আমরা এ কৃষিকে গুরুত্ব দিচ্ছি। কৃষিকে যান্ত্রিকীকরণের জন্য কৃষককে যন্ত্রপাতি দিয়েছি। ৭০ হাজার যন্ত্রপাতি কৃষকদের দেয়া হয়েছে। বিশাল অংকের টাকাও দিয়েছি। যখন যা প্রয়োজন দিয়েছি, কৃষি ও কৃষকের জন্য যা লাগবে দেব। তিনি আরও বলেন, কৃষি উৎপাদন বাড়াতে নতুন নতুন প্রযুক্তি ও জাত আবিষ্কারের বিকল্প নেই। এজন্য গবেষণা অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ। তাই আমরা গবেষকদের প্রণোদনা দিতে চাই। প্রণোদনা দেয়ার উপায় বাতলে দিতে কৃষিবিজ্ঞানীদের আহ্বান জানাচ্ছি। বৃহস্পতিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল প্রকাশিত ১০০ কৃষিপ্রযুক্তি এটলাস এর প্রকাশনা অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, নতুন নতুন কৃষিপণ্য উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ ও বাজারজাত করে নিজেদের বাজার ধরে রাখতে হবে। দেশের চাহিদা পূরণ করে বাইরেও রফতানি করতে হবে। এজন্য স্বল্পখরচে বেশি ফলদায়ক পণ্য আবিষ্কার ও চাষাবাদে মনোযোগী হতে হবে। এজন্য গবেষণাটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। গবেষণা বাড়াতে বিজ্ঞানীদের প্রণোদনা দিতে চাই। এজন্য আমি উপায় খুঁজেছি, পাইনি। আপনারা এ বিষয়ে পরামর্শ দেবেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, খাদ্য নিরাপত্তার জন্য কৃষি গুরুত্বপূর্ণ। আপনাদের (বিজ্ঞানী) উদ্ভাবনের জন্য ধন্যবাদ। আপনাদের উদ্ভাবনের অতিগুরুত্বপূর্ণ ১০০টি জাত নিয়ে এটলাস প্রকাশ করেছেন, একটা ভালো উদ্যোগ। এটি ভবিষ্যতের জন্য কাজে লাগবে। অন্যরা উপকার পাবে। এ সময় তার সরকারের কৃষি উন্নয়নের ফিরিস্তি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আজকের কৃষিক্ষেত্রে যে উন্নয়ন, তার শুরুটা জাতির পিতাই করে গেছেন। বীজ তিনিই বপন করেছেন। আমরা ১৯৯৬ ক্ষমতায় এসেও সে কাজ চলমান রেখেছি। এখনও সে কাজ করে যাচ্ছি। কৃষির উন্নয়নে নানা আইন, অর্থ বরাদ্দ, গবেষণাগার ও কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় করেছি। জাতির পিতা বলেছেন, আমার মাটি এত উর্বর সেখানে বীজ পড়লেই গাছ হয়, ফল হয়। এই জায়গার মানুষ কেন না খেয়ে থাকবে? আমিও বলেছি, কোন এলাকায় কোন ফল ভালো হয়, এর একটা ম্যাপিং প্ল্যান দরকার। এখানে অল্পখরচে একেক এলাকায় একেক ফল ভালো হতে পারে। অল্পখরচে অধিক লাভবান হবো, এমন কিছু পণ্য গবেষণা করে বের করতে হবে। সংশ্লিষ্ট এলকার মাটির উর্বরতা, পানির সরবরাহ, আবহাওয়া ও জলবায়ু পরিবেশ বিবেচনায় একটা ভালো গবেষণা করে পরিকল্পনা করা দরকার। তিনি আরও বলেন, করোনায় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণির মানুষকে আমরা সাহায্য দিয়েছি। এ ক্ষেত্রে কৃষিকে গুরুত্ব দিচ্ছি। এই করোনায় কৃষক যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেজন্য দলীয় কর্মীদের নির্দেশ দিয়ে ধান কাটিয়ে বাড়িতে তোলারও ব্যবস্থা করেছি। আমাদের আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ সারাদেশে কৃষকের পাশে দাঁড়িয়েছে। কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাকের সভাপতিত্বে এতে স্বাগত বক্তব্য দেন কৃষি সচিব মেসবাউল ইসলাম, আরও বক্তব্য দেন কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মতিয়া চৌধুরী, সফল কৃষক রফিকুল ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

জাতীয় পাতার আরো খবর