সোমবার, আগস্ট ২, ২০২১
মন্ত্রীরা আগে ভ্যাকসিন নিলাম, তাতেও সমস্যা দেখাবে অপপ্রচারকারীরা: খাদ্যমন্ত্রী
৮,ফেব্রুয়ারী,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, জনগণকে ভ্যাকসিন সম্পর্কে অভয় দেয়ার জন্য আমরা মন্ত্রীরা আগেই ভ্যাকসিন গ্রহণ করলাম। এরপরও অপপ্রচারকারীরা বলবে, মন্ত্রীরা ভ্যাকসিন নিলো জনগণকে রেখেই। সোমবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর শ্যামলীতে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট টিবি হাসপাতালে কোভিড-১৯ টিকার প্রথম ডোজ গ্রহণ শেষে তিনি এসব কথা বলেন। টিকা গ্রহণ শেষে খাদ্যমন্ত্রী কিছু সময় অপেক্ষা করেন। এরপর তিনি বলেন, আমি শারীরিকভাবে সম্পূর্ণ সুস্থ আছি। কোনো সমস্যা অনুভব করছি না। খাদ্যমন্ত্রী আরও বলেন, দেশবিরোধী একটি চক্র দেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে আসছে। যখন ভ্যাকসিন নিয়ে ভারতের সঙ্গে চুক্তি হয় তখন তারা বলেছিল ভ্যাকসিন এ দেশে আসবে না। জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ভ্যাকসিন দেশে এসে পৌঁছেছে। এখন তারা ভ্যাকসিন নিয়ে নেতিবাচক অপপ্রচার চালিয়ে জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। এ সময় করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে নেতিবাচক প্রচারণায় বিভ্রান্ত না হওয়ারও আহ্বান জানান খাদ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, এখনো পৃথিবীর অনেক দেশ করোনা ভ্যাকসিন নিতে পারেনি। বাংলাদেশ দ্রুততম সময়ের মধ্যে ভ্যাকসিন আনতে সক্ষম হয়েছে। করোনা মহামারিতে দেশের মানুষের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রত্যাবর্তনই রোহিঙ্গা সঙ্কটের সমাধান: তুর্কি রাষ্ট্রদূত
৭,ফেব্রুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের নিজ মাতৃভূমি মিয়ানমারে ফিরে যাওয়ার মধ্যেই এ সঙ্কটের একমাত্র সমাধান দেখছে তুরস্ক। রোববার (৭ জানুয়ারি) সকালে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতকালে ঢাকায় নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত মুস্তাফা ওসমান তুরান বলেন, মিয়ানমারের নাগরিকদের নিজ মাতৃভূমিতে প্রত্যাবর্তনই এ সঙ্কটের একমাত্র সমাধান। রোহিঙ্গা সঙ্কটে তুরস্ক বাংলাদেশের পাশে থাকবে বলেও জানান তিনি। পরে প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব এম এম ইমরুল কায়েস সাংবাদিকদের এ বিষয়ে ব্রিফ করেন। তুরস্কের রাষ্ট্রদূত মুস্তাফা ওসমান তুরান বলেন, রোহিঙ্গা সঙ্কট সমাধানে তুরস্ক সব সময় বাংলাদেশের পাশে থাকবে। এসময় বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা দেখতে তুর্কি ফাস্ট লেডির কক্সবাজারের ক্যাম্প পরিদর্শনের কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দু'দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের সফর বিনিময়ের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুই দেশের বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং আগামীতে আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা প্রকাশ করেন। বাংলাদেশে তুর্কি বিনিয়োগকারীদের বিনিয়োগ আগ্রহের কথা জেনে সন্তোষ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া লেবানরের বৈরুত বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশে নৌবাহিনীর জাহাজ মেরামত করে দেওয়ার জন্য তুর্কি সরকারকে ধন্যবাদ দেন তিনি। রাষ্ট্রদূতের মাধ্যমে তুর্কি প্রেসিডেন্টকে শুভেচ্ছা জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মুস্তফা ওসমান তুরান বলেন, তার দেশের অনেক ব্যবসায়ী ও ব্যবসায়ী সংগঠন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী। তুর্কি একটি ব্যবসায়ী সংগঠন এলপিজি সেক্টরে বাংলাদেশে ১০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করতে যাচ্ছে বলেও জানান রাষ্ট্রদূত। বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের নাম সাবেক তুর্কি প্রেসিডেন্ট মুস্তফা কামাল আতার্তুকের নামে রাখায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।
কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে বঙ্গবন্ধুকে স্মরণ
৭,ফেব্রুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ১৯৭২ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে দশ লক্ষাধিক বাঙালির উপস্থিতিতে বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণের ৪৯ বছর পূর্তি দিবসে সেখানে দাঁড়িয়ে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অসামান্য ভূমিকার কথা বলতে গিয়ে স্মরণ করলেন বঙ্গবন্ধুর উদ্ধৃতি- বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী চিরদিন অটুট থাকবে, স্মারক তুলে দিলেন মুক্তিযুদ্ধ মৈত্রী সম্মাননাভূষিত পশ্চিমবঙ্গের গুণীজনদের হাতে। শনিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে কলকাতায় বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের সহায়তায় সেই ঐতিহাসিক দিবসটি স্মরণে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা দেন ড. হাছান মাহমুদ। ১৯৭২ সালে পশ্চিমবঙ্গের তরুণ এমএলএ হিসেবে সেদিনের জনসমুদ্রের প্রত্যক্ষসাক্ষী পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী সুব্রত মুখার্জি সম্মানীয় অতিথি হিসেবে, ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার মোহাম্মদ ইমরান ও তথ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সাইমুম সারওয়ার কমল বিশেষ অতিথি হিসেবে এবং কলকাতায় বাংলাদেশ উপহাইকমিশনার তৌফিক হাসানের সভাপতিত্বে প্রথম সচিব (প্রেস) ড. মোফাখখারুল ইকবাল স্বাগত বক্তা হিসেবে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। মুক্তিযুদ্ধে বন্ধুরাষ্ট্র ভারতের অবদান স্মরণ করেই এদিনের আয়োজন, উল্লেখ করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান বলেন, সেদিনের ঐতিহাসিক ব্রিগেডে গোটা পশ্চিমবঙ্গ মিলিত হয়েছিল। আমার তথ্য মতে সেদিন ব্রিগেডের ঐতিহাসিক জন সমাবেশে প্রায় ১৫ লাখ মানুষ ছিলেন এবং সেদিনের বিগ্রেডে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের মানুষের মিলনের মধ্যে দিয়ে আমাদের বিজয় উৎসব সম্পন্ন হয়েছিল বলেই আমি মনে করি। এই ব্রিগেডের মঞ্চে যারা মুক্তিযুদ্ধ সম্মাননা পেয়েছিলেন তাদেরকে আবার সম্মান দিতে পেরে গর্বিত বোধ করছি উল্লেখ করে তথ্যমন্ত্রী বলেন, যে পাকিস্তানের সাথে যুদ্ধ করে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে, মানবিক-অর্থনৈতিকসহ সকল সূচকে সেই পাকিস্তানকে অনেক পেছনে ফেলে আমরা এগিয়ে গেছি। আজ পাকিস্তানের জনগণ বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব উন্নতি দেখে হা-হুতাশ করে, তারা বাংলাদেশের মতো হতে চায়, এখানেই স্বাধীনতার বিরাট সার্থকতা। ৭২ সালের ব্রিগেডের প্রত্যক্ষসাক্ষী পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মন্ত্রী সুব্রত মুখার্জি বলেন, বঙ্গবন্ধু পশ্চিমবঙ্গের কাছের মানুষ ছিলেন। ১৯৭২ সালের সেদিন দুপুর একটার মধ্যে কানায় কানায় ভরে গিয়েছিল ব্রিগেড। তিনটের সময় রাজভবন থেকে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ইন্দিরা গান্ধী এই ব্রিগেডে আসেন। আমি তখন মঞ্চের নীচে ছিলাম। এটা আজ পর্যন্ত আমার দেখা ব্রিগেডে সর্বকালের সেরা জনসমাবেশ যেখানে ভাষণ দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। বঙ্গবন্ধুর কালজয়ী সেই ভাষণে ছিলো স্বাধীনতার আনন্দ, স্বজন হারানোর বেদনা, ভারতের প্রতি অকুণ্ঠ কৃতজ্ঞতা ও চিরঞ্জীব সম্প্রীতি আর স্বাধীনতাবিরোধীদের সমালোচনা। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য ভূমিকার জন্য মুক্তিযুদ্ধ মৈত্রী সম্মাননাপ্রাপ্ত ভারতীয় গুণীজনদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন ড. হাছান মাহমুদ ও সুব্রত মুখার্জি। মৈত্রী সম্মাননাভূষিতদের মধ্যে জাদুকর প্রদীপ চন্দ্র সরকার, সাংবাদিক মানস ঘোষ, সুখরঞ্জন দাসগুপ্ত, পঙ্কজ সাহা, দিলীপ চক্রবর্তী, মানবাধিকার কর্মী উৎপলা মিশ্রা, অধ্যাপক জিষ্ণু দে ও তার স্ত্রী মীরা দে, প্রণবরঞ্জন রায়, ভাষাবিদ পবিত্র সরকার এসময় উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি কালজয়ী কবি গোবিন্দ হালদার, কালজয়ী গায়ক মান্না দে, তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ও পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধার্থ রায়, কংগ্রেস নেতা বিজয় সিং নাহার, উপন্যাসিক মৈত্রী দেবী, সমাজসেবী লেডি রানু মুখার্জি, সমাজসেবী ইলা মিত্র, সাংবাদিক পান্নালাল দাশগুপ্ত, বাম নেতা রনেন মিত্র, আকাশবাণী ঘোষক দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়, সাংবাদিক দিলীপ চক্রবর্তী, সাংবাদিক উপেন তরফদার, গায়ক অংশুমান রায়, সাংবাদিক দিলীপ মুখার্জি, লোকসভা ও রাজ্যসভার সাবেক সাংসদ ও সমাজসেবী ফুলরেনু গুহ, সাংবাদিক বাসব সরকার নিবেদিতা নাগ ও নেপাল নাগের মত মুক্তিযুদ্ধ মৈত্রী সম্মাননা প্রাপকদের পরিবারের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন ড. হাছান ও সুব্রত মুখার্জি । অতিথিদের সাথে নিয়ে দিবসটি উপলক্ষে কলকাতা উপহাইকমিশন প্রকাশিত স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন করেন তারা। মন্ত্রীর সফরসঙ্গী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, সফররত তথ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ, বিশিষ্ট সাংবাদিক সন্তোষ শর্মা, সুভাষ সিংহ রায়, বাংলাদেশ হাইকমিশন দিল্লির প্রেস মিনিস্টার শাবান মাহমুদ ও অভিনয়শিল্পীসহ বিশিষ্টজনেরা অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
টিকা নিয়ে অসুস্থবোধ করছি না: ডিএমপি কমিশনার
৭,ফেব্রুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাসের টিকা নেওয়ার পর কোনো ধরনের অসুস্থবোধ করছেন না বলে জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম। রোববার (৭ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স মাঠে অতিরিক্ত কমিশনাদের সঙ্গে নিয়ে করোনার টিকা নেন ডিএমপি কমিশনার। টিকা নেওয়া শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। ডিএমপি কমিশনার বলেন, সম্মুখ সারির যোদ্ধা হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশ টিকা পাওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাচ্ছে। করোনা যুদ্ধে ডিএমপির ২৭ জন পুলিশ সদস্য মারা গেছেন। অন্য সাধারণ মানুষের মতো আমাদেরও অর্থাৎ বিশেষ করে আমাদের নিচের স্তরের পুলিশ সদস্যদের মধ্যে সংশয় ছিল করোনার টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নিয়ে। টিকার বিষয়ে সংশয় দূর করার জন্য ডিএমপির সিনিয়র কমান্ড অর্থাৎ আমিসহ আমার সব অতিরিক্ত কমিশনাররা আজকে সবার সামনে করোনার টিকা নিয়েছেন। যাতে ভীতি কেটে যায়, করোনার টিকা নিলে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিলে তো আমরা কেউই টিকা নিতাম না। করোনার টিকা নিয়ে অসুস্থবোধ করছেন না উল্লেখ করে ডিএমপি কমিশনার বলেন, আমরা টিকা নিয়ে কেউ অসুস্থবোধ করছি না। টিকা নেওয়ার আগে অনেকে বলেছে স্যার ১০ থেকে ১৫ মিনিট মাথা ঘুরতে পারে। আসলে এটা মানসিক বিষয় মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকলে কোনো কিছুই হবে না। করোনার টিকা আর চার পাঁচটা টিকার মতোই একটি টিকা। আমি সবাইকে বলব আপনারা টিকা নেন। কারণ করোনা একটি প্রাণঘাতী রোগ। এটা থেকে বাঁচতে আমাদের টিকা নেওয়া জরুরি। বিজ্ঞানীরা করোনা প্রতিরোধের একটি ব্যবস্থা আবিষ্কার করেছেন, তাহলে সেটি আমরা কেন নেব না। পৃথিবীর ২০-২২টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ একটি দেশ যারা করোনার টিকা পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী প্রচেষ্টায় এ অল্প দেশের মধ্যে আমরা রয়েছি। আমার মনে হয়, আমরা সবাই নির্ভয়ে, নির্দ্বিধায় টিকা নিতে পারি। এখানে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কোনো ভয় নেই। ডিএমপির প্রায় ৮ হাজার পুলিশ সদস্য এরইমধ্যে টিকা নেওয়ার জন্য রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, পর্যায়ক্রমে বাকি সদস্যরাও রেজিস্ট্রেশন করছেন। প্রতিদিন ৪০০ জন ডিএমপির সদস্য টিকা গ্রহণ করবেন। এ ৪০০ জনের সবাই যে একসঙ্গে টিকা নেবেন এ রকম না, অনেকে হয়তো ভাববেন যে আমি এক সপ্তাহ পরে নেব এমনও হতে পারে। এ সময় ডিএমপির কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) প্রধান মনিরুল ইসলাম, অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স) কৃষ্ণ পদ রায়, অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) এ কে এম হাফিজ আক্তারসহ অন্য ঊর্ধ্বতনরা উপস্থিত ছিলেন।
টিকা নিলেন জাফরুল্লাহ, বললেন টিকায় ভয়ের কিছু নেই
৭,ফেব্রুয়ারী,রবিবার,নিউজ ডেস্ক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রোববার (৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে দেশব্যাপী করোনাভাইরাসের টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। এরইমধ্যে টিকা গ্রহণ করেছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। টিকা নেয়ার পর তিনি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বলেছেন, টিকা নিয়ে ভয়ের কিছু নেই। রোববার (৭ ফেব্রুয়ারি) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি করোনার টিকা নেন। পরে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী দেশবাসীকে এই টিকা নেয়ার আহ্বান জানান। এর আগে একই দিন সকাল ১০টায় স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে গণহারে করোনাভাইরাসের টিকাদান কর্মসূচি উদ্বোধন করার পর তিনি টিকা গ্রহণ করেন। এ ছাড়াও টিকা নেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, সাবেক খাদ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলামসহ আরও অনেক বিশিষ্টজন। স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগনিয়ন্ত্রণ শাখা সূত্রে জানা গেছে, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সর্বমোট এক হাজার ১৫টি হাসপাতালে টিকা বা ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। স্বাস্থ্যকর্মীদের ২ হাজার ৪০২টি দল টিকাদানে নিয়োজিত থাকবে। এদিন সকাল ৯টা থেকে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে। ঢাকায় ৬৫টি স্থানে টিকাদান হবে। সেখানে কাজ করবে স্বাস্থ্যকর্মীদের ২০৬টি দল। ঢাকার বাইরে সারাদেশের বিভিন্ন হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মিলিয়ে ৯৫৯ স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। এসব জায়গায় ২ হাজার ১৯৬টি দল টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনা করবে। দুজন স্বাস্থ্যকর্মী এবং দুজন স্বেচ্ছাসেবক মিলিয়ে প্রতিটি দলে চারজন সদস্য থাকবেন। টিকার জন্য নিবন্ধন করা না থাকলেও কেন্দ্র থেকে কাউকে ফেরত পাঠানো হবে না। কেন্দ্রেই নিবন্ধনের ব্যবস্থা করা হবে।
টিকা নিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী
৭,ফেব্রুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গণহারে করোনা টিকাদান কার্যক্রমের প্রথম দিনই টিকা নিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মহাখালী শেখ রাসেল জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে তিনি টিকা গ্রহণ করেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছাড়াও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বীরপ্রতীক, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন টিকা নেয়ার কথা রয়েছে। এছাড়াও প্রধান বিচারপতিসহ উচ্চ আদালতের বেশ কয়েকজন বিচারপতি, মন্ত্রী পরিষদ সচিবসহ বেশ কয়েকজন সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তা বিভিন্ন হাসপাতালে টিকা নিয়েছেন ও নেবেন। এরআগে সকালে বিচারপতি জিন্নাতারা হক ও বিচারপতি এনায়েতুর রহিম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রে টিকা নিয়েছেন। এদিকে রাজধানীর ঢাকার ৫০টিসহ সারা দেশে মোট এক হাজার ৫টি হাসপাতালে একযোগে করোনা ভ্যাকসিন প্রদান শুরু হয়েছে। রাজধানীর ৫০টি হাসপাতালের জন্য ২০৪টিসহ এবং সারাদেশে ২ হাজার ৪০০টি টিম কাজ করছে। তাছাড়া, প্রতিটি কেন্দ্রে সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২.৩০ মিনিট পর্যন্ত হাসপাতালের বহির্বিভাগে টিকা নিতে পারবেন নিবন্ধিতরা।
সারাদেশে করোনার টিকাদান কর্মসূচি শুরু
৭,ফেব্রুয়ারী,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সারাদেশে করোনার টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। রোববার (৭ ফেব্রুয়ারি) সাড়ে দশটায় এ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এসময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সারা দেশের সব টিকা কেন্দ্রে নিজ নিজ এলাকার সংসদ সদস্য, উপজেলার চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র, রাজনীতিবিদসহ জনপ্রতিনিধিরা টিকা নেবেন। তারা এই টিকা কার্যক্রমকে চালিয়ে নেওয়ার জন্য অন্যদের উদ্বুদ্ধ করবেন এবং বিশেষ করে ৫০ বছরের ঊর্ধ্বে যাদের বয়স তাদের টিকা নেওয়ার সুযোগ করে দেবেন। এর আগে শনিবার (০৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ভ্যাকসিন বিষয়ক প্রস্তুতি সম্পর্কে জানাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অধ্যাপক খুরশীদ আলম বলেন, রোববার (০৭ ফেব্রুয়ারি) সারাদেশে জাতীয়ভাবে করোনা ভাইরাসের টিকা দেওয়া শুরু হবে। আর এজন্য রাজধানী ঢাকায় ৫০টি হাসপাতাল ও সারাদেশে ৯৫৫টি হাসপাতালকে প্রস্তুত করা হয়েছে। অর্থাৎ সারাদেশে মোট এক হাজার পাঁচটি হাসপাতালে টিকাদান কার্যক্রম চলবে। সারাদেশে কোভিড-১৯ টিকাদান কার্যক্রম উদ্বোধনের সময় উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা ও অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা প্রমুখ। এসময় প্রত্যেক জেলার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জনসহ অন্যরা অনলাইনে যুক্ত ছিলেন।
সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে টিকা নেবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
৬,ফেব্রুয়ারী,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম সারাদেশে করোনা ভাইরাসের টিকাদান কর্মসূচির প্রথম দিন সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে টিকা নেবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। একই দিনে রাজধানীর মহাখালীর শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে থেকে টিকা নেবেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। এছাড়াও প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে টিকা নেবেন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম। শনিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ভ্যাকসিন বিষয়ক প্রস্তুতি সম্পর্কে জানাতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান তিনি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জানান, রোববার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া টিকা নেবেন ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস অ্যান্ড হাসপাতালে। কেবিনেট সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে, দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী ডা. এনামুর রহমান, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন টিকা নেবেন শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল থেকে টিকা নেবেন। এছাড়া আরও কয়েকজন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী এদিন টিকা নেবেন। তিনি বলেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক আগামীকাল সকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে সারাদেশের কেন্দ্রের সঙ্গে অনলাইনের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে কথা বলবেন। অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম বলেন, রোববার সারাদেশে জাতীয়ভাবে করোনাভাইরাসের টিকা দেওয়া শুরু হবে। আর এজন্য রাজধানী ঢাকায় ৫০টি হাসপাতাল ও সারাদেশে ৯৫৫টি হাসপাতালকে প্রস্তুত করা হয়েছে। এ সকল টিকা কেন্দ্রে বিভিন্ন জেলার সংসদ সদস্য, রাজনীতিবিদসহ জনপ্রতিনিধিরা টিকা নেবেন। তারা এই টিকা কার্যক্রমকে চালিয়ে নেওয়ার জন্য এবং অন্যদের উদ্বুদ্ধ করার জন্য টিকা নেবেন। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা ও অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা প্রমুখ।
প্রতিমন্ত্রী, সচিবসহ করোনার টিকা নিতে চান নৌপরিবহনের ৫০ জন
৬,ফেব্রুয়ারী,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন এবং মন্ত্রণালয় ও অধীন সংস্থার গুরুত্বপূর্ণ ৪৮ জন কর্মকর্তা করোনাভাইরাসের টিকা নিতে আগ্রহী। এজন্য গত ২ ফেব্রুয়ারি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে তাদের তালিকা স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিবের কাছে পাঠানো হয়েছে। ভ্যাকসিন নিতে ইচ্ছুক উল্লেখযোগ্য কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন- বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমোডোর সুমস মাহমুদ সাব্বির, বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান কমোডোর গোলাম সাদেক, বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান সৈয়দ মো. তাজুল ইসলাম, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম শাহজাহান, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ মুসা, পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যার কমোডোর হুমায়ুন কল্লোল, নদী রক্ষা কমিশনের চেয়ারম্যার এএসএম আলী কবীর এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব, যুগ্মসচিব ও উপসচিবরা।

জাতীয় পাতার আরো খবর