সোমবার, আগস্ট ২, ২০২১
নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ- প্রত্যয় দেশে ফিরেছে
১৫,মার্চ,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল ডিফেন্স এক্সিবিশন ও নেভি ডিফেন্স এক্সিবিশনে সফলভাবে অংশগ্রহণ শেষে সোমবার (১৫ মার্চ) দেশে ফিরেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ প্রত্যয়। এ সময় কমান্ডার বিএন ফ্লিটের চিফ স্টাফ অফিসার ক্যাপ্টেন মোস্তফা জিল্লুর রহিম খান জাহাজটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানান। জাহাজটি বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তনকালে ভারতের মুম্বাই এবং শ্রীলঙ্কার রাজধানী কলম্বোতে যাত্রা বিরতি করে। ক্যাপ্টেন আহমেদ আমিন আব্দুল্লাহর নেতৃত্বে বানৌজা প্রত্যয় সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে গত ২০-২৫ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল ডিফেন্স এক্সিবিশন ও নেভি ডিফেন্স এক্সিবিশনে অংশগ্রহণ করে। প্রদর্শনীতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নৌবাহিনীর জাহাজ, উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি, পর্যবেক্ষক, সমরবিশারদ এবং সামরিক ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন। এ প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ জাহাজের কর্মকর্তা ও নাবিকদের পেশাগত মানোন্নয়নের পাশাপাশি বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর সঙ্গে সামরিক সুসম্পর্ক জোরদার করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
১ এপ্রিল শুরু হচ্ছে জাতীয় সংসদের অধিবেশন
১৫,মার্চ,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী ১ এপ্রিল থেকে শুরু হচ্ছে জাতীয় সংসদের দ্বাদশ অধিবেশন। বেলা ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনে এ অধিবেশন শুরু হবে। সোমবার (১৫ মার্চ) জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ১৪২৭ বঙ্গাব্দের ১৮ চৈত্র মোতাবেক ২০২১ সালের ১ এপ্রিল বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় ঢাকার শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে একাদশ জাতীয় সংসদের দ্বাদশ (২০২১ সালের ২য়) অধিবেশন আহ্বান করেছেন। তিনি বাংলাদেশের সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের (১) দফায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ অধিবেশন আহ্বান করেন।
নিজের পায়ে চলতে হবে : প্রধানমন্ত্রী
১৫,মার্চ,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগের সরকারগুলোর পরনির্ভরশীলতার সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আওয়ামী লীগের চিন্তা হলো স্বাবলম্বী হয়ে আত্মমর্যাদা নিয়ে চলা। গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত মানুষকে স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলা। উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে আমাদের নিজের পায়ে চলতে হবে। নিজেদের অর্থায়নে কাজ করতে হবে। সেজন্য বাংলাদেশ অবকাঠামো উন্নয়ন তহবিল গঠন করলাম। সোমবার (১৫ মার্চ) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ অবকাঠামো উন্নয়ন তহবিলের উদ্বোধন এবং তহবিল থেকে পায়রা বন্দরের রাবনাবাদ চ্যানেলের ক্যাপিটাল ও মেইনটেনেন্স ড্রেজিং শীর্ষক স্কিমে অর্থায়নের লক্ষ্যে ত্রিপক্ষীয় ঋণচুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, উন্নয়নশীল দেশে হিসেবে আমাদেরকে নিজের পায়ে চলতে হবে। নিজেদের অর্থায়নে কাজ করতে হবে। আমরা আমাদের দেশকে উন্নত করব, এটাই আমাদের লক্ষ্য। আর সে লক্ষ্য বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আমাদের অনেক কাজ করার দরকার আছে। তিনি বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে আমাদের জীবনযাত্রা স্থবির হয়ে পড়ে। তবে এখানে অনেককে আমরা হারিয়েছি। সাথে সাথে এই কারোনায় আমরা আরেকটি বিষয় দেখতে পাচ্ছি, আমাদের রিজার্ভ বৃদ্ধি পেয়েছে, রেমিটেন্স বৃদ্ধি পেয়েছে। এই রিজার্ভের টাকা কিভাবে উন্নয়নে ব্যয় করতে পারি, সেটাই চিন্তা করছি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বার বার অন্যের কাছে হাত পাতা, আর ধার না করে নিজেদের অর্থ দিয়ে নিজেদের অব্কাঠোমো উন্নয়ন করা এবং যারা বিনিয়োগ করতে আসবে তাদের ঋণ নেবার বিষয়টি আমরা নিজেদের অর্থ থেকে ব্যয় করতে পারি। তাতে দেশেরও লাভ, আমাদেরও আত্মবিশ্বাস জন্মাবে। আমরা যে পারি, বিশ্বের কাছে দেখাতে পারি। তিনি বলেন, আমাদের ৬ মাসের আমদানির টাকাটা রাখতে হবে। দুর্যোগ-দুর্বিপাকের দেশ। যেকোনো সঙ্কটে খাদ্য ক্রয় যেন করতে পারি। ছয় মাসের টাকা রিজার্ভে রেখে বাকি টাকা বিনিয়োগ করতে পারি। এজন্য আমরা নিজস্ব তহবিল গঠন করার চিন্তা করেছি। এ থেকে বিনিয়োগকারীরা ঋণ নিতে পারবে। আর অবকাঠামো উন্নয়নে বিনিয়োগ করবো। শেখ হাসিনা বলেন, পায়রা বন্দর আমি নিজেই করছি। মংলা বন্দর চালু করেছি। মহেশখালীর মাতারবাড়ি বন্দর তৈরি হয়ে গেছে। সেটা আরও উন্নত হবে। আমাদের একটা গভীর সমুদ্র বন্দরও করতে হবে। ভৌগলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশের কতগুলো সুবিধা রয়েছে। ভারত, নেপাল ও ভুটানকে বন্দরগুলো ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছি। আরও অনেক দেশও ব্যবহার করতে পারবে। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ অবকাঠামো উন্নয়ন তহবিল (বিআইডিএ) উদ্বোধন ঘোষণা করেন। পাশাপাশি এই তহবিল থেকে প্রথম ঋণচুক্তিও অবলোকন করেন। বিআইডিএফ থেকে পায়রা বন্দরের রাবনাবাদ চ্যানেলের ক্যাপিটাল ও মেইনটেনেন্স ড্রেজিং শীর্ষক স্কিমে অর্থায়নের লক্ষ্যে ত্রিপক্ষীয় ঋণচুক্তি স্বাক্ষর করে অর্থবিভাগ, পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ এবং সোনালী ব্যাংক। এ সময় প্রধানমমন্ত্রী বলেন, আজকে আমাদের অত্যন্ত আনন্দের দিন। উন্নয়নের ক্ষেত্রে নিজেদের অর্থায়নের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারলাম। রাবনাবাদ চ্যানেলের ক্যাপিটাল ও মেইনটেনেন্স ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের জীবনে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। এর মাধ্যমে আমাদের উন্নয়নের ছোঁয়া সারাদেশে পড়বে। আগের সরকারগুলোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, উন্নয়ন তখনই হবে, দেশকে যখন চিনতে পারবে, ভালোবাসতে পারবে। চিন্তা চেতনায় বিষয়টি আসবে। দেশটি সবসময় গণতান্ত্রিক ধারায় থাকেনি। তারপরও আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর বিভিন্ন পরিকল্পনা নিয়ে নানান পদক্ষেপ নিয়েছি। আওয়ামী লীগ ছাড়া যারাই ক্ষমতায় আসছে, তাদের মাথায় ছিল অন্যের কাছে হাত পাতা। নিজের পায়ে দাঁড়াতে হবে। এটা তাদের চিন্তায় ছিল না। শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের দেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল। অনেকে বলেন, ম্যাজিকটা কি? আমি বলি, এটা কোনো ম্যাজিক নয়। ম্যাজিকটা হচ্ছে, দেশপ্রেম। দেশ ও দেশের মানুষের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্যবোধ। আমার চিন্তা দেশের মানুষকে দুপায়ে দাঁড় করিয়ে তাদের স্বাবলম্বী করে তোলা। এসময় বক্তব্য দেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল, নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী ও বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির। এর আগে পায়রা বন্দরের ওপর নির্মিত একটি ভিডিও ডকুমেন্টারি উপস্থাপন করা হয়। পাশাপাশি দেশের সামষ্টিক অর্থনীতির বর্তমান অবস্থা নিয়ে পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনা করেন অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিব আবদুর রউফ তালুকদার এবং আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন সরকারের নানা পদক্ষেপ ও উদ্যোগ তুলে ধরেন মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস।
বিমানের যাত্রীসেবার মান আরও বাড়াতে বললেন প্রধানমন্ত্রী
১৪,মার্চ,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সে যাত্রীসেবার মান আরো বাড়াতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার (১৪ মার্চ) সকালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জন্য নতুন কেনা ড্যাশ-৮কিউ ৪০০ উড়োজাহাজ আকাশতরী ও শ্বেতবলাকার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স যখন সারা বিশ্বে ঘোরে, বিদেশে যখন যায় তখন বাংলাদেশেরই প্রতিনিধিত্ব করে। সেজন্য সব সময় আমাদের প্রচেষ্টা ছিল যে এই বিমান যেন ভালোভাবে, সুন্দরভাবে আমরা গড়তে পারি। তিনি বলেন, আমাদের যাত্রীসেবাটা আরও উন্নত করতে হবে। ২১টি জাহাজ আছে, সেগুলো যেন সুন্দরভাবে সুরক্ষিত থাকে। যাত্রীসেবার মান যেন উন্নত হয় সেদিকে বিশেষভাবে দৃষ্টি দেওয়ার জন্য আপনাদের কাছে আমার আহ্বান থাকবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এয়ারলাইন্সের সঙ্গে যারা জড়িত সবাইকে আমি অনুরোধ করবো- এটা আমাদের দেশ, লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমরা এদেশ স্বাধীন করেছি। এদেশের ভাবমূর্তি আমাদের উজ্জ্বল করা সবারই দায়িত্ব, কর্তব্য। আমাদের যাত্রীসেবা যত উন্নত করতে পারবো তত দেশের লাভ হবে, দেশের মানুষের লাভ হবে। আমাদের দেশটাও আরও উন্নত হবে। সেদিকে লক্ষ্য রেখেই আপনারা আপনাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব আপনারা পালন করবেন। সেটাই আমি চাই। বিমানের সক্ষমতা বাড়ানোর কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, হজযাত্রীরা যখন যান, আগে বাইরে থেকে প্লেন নিয়ে আসতে হতো। এখন আমরা আমাদের নিজস্ব প্লেনেই হাজিদের খুব ভালোভাবে পাঠাতে পারি এবং ফেরত আনতে পারি। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্মাণাধীন অত্যাধুনিক টার্মিনালের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, হযরত শাহজালাল দ্বিতীয় টার্মিনাল, অত্যন্ত আধুনিক টার্মিনাল আমরা নির্মাণ করে দিচ্ছি। যাতে প্লেনসেবাটা আরও উন্নত মানের হয়। আকাশপথে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে আওয়ামী লীগ সরকারের অবদানের কথা তুলে ধরে টানা তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারে আসার পর রাজশাহী বিমানবন্দর, বরিশাল বিমানবন্দর, সৈয়দপুর বিমানবন্দর সবই প্রায় বন্ধই করে দিয়েছিল। আমরা ২০০৯ সালে সরকারে আসার পর আবার সেগুলো চালু করি। সরকার সৈয়দপুর বিমানবন্দরের উন্নতি করছে, চট্টগ্রাম ও রাজশাহী, বরিশাল সবগুলো বিমানবন্দর যেমন চালু করা হয়েছে পাশাপাশি কক্সবাজার বিমানবন্দরকে উন্নত ও আন্তর্জাতিকমানের বিমানবন্দর হিসেবে গড়ে তোলার কাজ শুরু হয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল এয়াররুটে কক্সবাজার বিমানবন্দর খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং এর মাধ্যমে বাংলাদেশ আর্থিকভাবে লাভবান হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে যুক্ত হওয়া সবশেষ দুটি উড়োজাহাজ হলো অত্যাধুনিক ড্যাশ ৮-৪০০ মডেলের দুই প্লেন আকাশতরী ও শ্বেতবলাকা। এই দুটি যুক্ত হওয়ার ফলে বিমানের প্লেনের সংখ্যা দাঁড়ালো ২১টি। যা বাংলাদেশের কোনো এয়ারলাইন্সের মধ্যে সর্বোচ্চ। বাংলাদেশ ও কানাডা সরকারের মধ্যে জিটুজি ভিত্তিতে কেনা তিনটি উড়োজাহাজের মধ্যে দ্বিতীয় ও তৃতীয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই বিমানের অন্য উড়োজাহাজের মতো এই উড়োজাহাজ দুটিরও নাম রাখেন। কানাডার বিখ্যাত এয়ারক্রাফট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ডি হ্যাভিল্যান্ড নির্মিত অত্যাধুনিক ৭৪ আসন সম্বলিত নতুন ড্যাশ ৮-৪০০ উড়োজাহাজ। ড্যাশ-৮ প্লেনটি খুব ছোট রানওয়ে থেকে উড্ডয়নে সক্ষম ও স্বল্প খরচে নিরবচ্ছিন্ন ও মসৃণ উড্ডয়নের জন্য বিখ্যাত। এই মডেলের বিমানগুলোতে কেবিন নয়েজ সাপ্রেশনের ব্যবস্থা রয়েছে। প্লেন দুটি উদ্বোধন উপলক্ষে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিভিআইপি ভবনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী, মন্ত্রণালয়ের সচিব এম মোকাম্মেল হোসেন, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এম মফিদুর রহমান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সালেহ মোস্তফা কামালসহ মন্ত্রণালয় ও বিমানের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এসবি প্রধান হলেন মনিরুল ইসলাম
১৪,মার্চ,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) প্রধান হয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার ও কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের প্রধান মো. মনিরুল ইসলাম। রোববার (১৪ মার্চ) সকালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের উপসচিব ধঞ্জয় কুমার দাস স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে তাকে পুলিশের বিশেষ শাখার অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (চলতি দায়িত্ব) করে আদেশ জরি করা হয়েছে। মনিরুল ইসলাম এসবি প্রধান হিসেবে অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক মীর শহীদুল ইসলামের স্থলাভিষিক্ত হলেন। ২০১৬ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদ নির্মূলে পুলিশের নবগঠিত কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম। মনিরুল ইসলামের জন্ম ১৯৭০ সালের ১৫ জুন। তিনি নর্থামব্রিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্রিটিশ আইনে স্নাতক। তিনি ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) পরীক্ষার মাধ্যমে এএসপি হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন। তিনি গোয়েন্দা শাখায় ৯ বছর এবং স্পেশাল ব্রাঞ্চে দুই বছর দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এছাড়া তিনি সিটিটিসির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা কর্মকর্তা। কর্মজীবনে স্বীকৃতি হিসেবে তিনি বাংলাদেশ পুলিশ পদক ও রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক পেয়েছেন।
অত্যাধুনিক মডেলের দুই প্লেন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
১৪,মার্চ,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে যুক্ত হওয়া অত্যাধুনিক ড্যাশ ৮-৪০০ মডেলের দুই প্লেনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার (১৪ মার্চ) বেলা ১১টা ১০ মিনিটে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে 'আকাশতরী' ও 'শ্বেতবলাকা' নামে এই দুই প্লেন উদ্বোধন করেন তিনি। প্লেন দুটি উদ্বোধন করে বিমানের সেবা বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্লেন দুটি উদ্বোধন উপলক্ষে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিভিআইপি ভবনে অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। সেখান থেকে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে যোগ দেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী, মন্ত্রণালয়ের সচিব এম মোকাম্মেল হোসেন, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এম মফিদুর রহমান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সালেহ মোস্তফা কামালসহ মন্ত্রণালয় ও বিমানের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। ৭৪ আসন বিশিষ্ট প্লেন দুটি বাংলাদেশ ও কানাডা সরকারের মধ্যে জিটুজি ভিত্তিতে ক্রয় করা ৩টি উড়োজাহাজের মধ্যে দ্বিতীয় ও তৃতীয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই এই উড়োজাহাজ দুটির নাম রাখেন আকাশতরী ও শ্বেতবলাকা। কানাডার বিখ্যাত এয়ারক্রাফট নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ডি হ্যাভিল্যান্ড নির্মিত অত্যাধুনিক ৭৪ আসন সম্বলিত নতুন ড্যাশ ৮-৪০০ উড়োজাহাজ। ড্যাশ-৮ বিমানটি খুব ছোট রানওয়ে থেকে উড্ডয়নে সক্ষম ও স্বল্প খরচে নিরবচ্ছিন্ন ও মসৃণ উড্ডয়নের জন্য বিখ্যাত। এই মডেলের বিমানগুলোতে কেবিন নয়েজ সাপ্রেশনের ব্যবস্থা রয়েছে। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ও ৫ মার্চ বিমানের বহরে যুক্ত হয় সর্বাধুনিক প্রযুক্তি সম্বলিত সম্পূর্ণ ড্যাশ ৮-৪০০ মডেলের আকাশতরী ও শ্বেতবলাকা। এই দুটি যুক্ত হওয়ার ফলে বিমানের প্লেনের সংখ্যা দাঁড়ালো ২১টি। যা বাংলাদেশের কোনো এয়ারলাইন্সের মধ্যে সর্বোচ্চ।
মোদি বাংলাদেশে আসছেন এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা : পররাষ্ট্রমন্ত্রী
১৩,মার্চ,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেছেন, বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী এবং বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণতন্ত্রের দেশ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশ সফরে আসছেন এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এটা আমাদের জন্য বড় আনন্দের বিষয়। আজ শনিবার (১৩ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমাদের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিসহ পাঁচ দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান ঢাকা সফরে আসছেন। নরেন্দ্র মোদির সফরে তার সঙ্গে বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে সম্মত হওয়া আগের ইস্যুগুলোর অগ্রগতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কথা বলতে পারেন। তিনি জানান, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে সরাসরি যোগ দিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি ইব্রাহিম মুহাম্মদ সলিহ, শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপক্ষে, নেপালের রাষ্ট্রপতি বিদ্যা দেবী ভান্ডারী ও ভুটানের প্রধানমন্ত্রী লোটে শেরিং ঢাকায় আসার সম্মতি দিয়েছেন। সরাসরি যোগ দিতে না পারায় চীনের রাষ্ট্রপতি, ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি ও কানাডার প্রধানমন্ত্রী ভিডিও আকারে বক্তব্য পাঠাবেন। তবে চীনের রাষ্ট্রপতির বার্তা নিয়ে দেশটির একজন মন্ত্রী ঢাকায় আসবেন বলে তিনি জানান।
আধুনিকতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে রেলের উন্নয়ন করতে চাই: রেলমন্ত্রী
১৩,মার্চ,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রেলপথ মন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, আধুনিকতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে রেলের উন্নয়ন করতে চাই। তিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ রেলওয়েতে লোকবল সংকট থাকা সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে যাত্রীসেবার মান বৃদ্ধি করা হচ্ছে। শনিবার (১৩ মার্চ) দুপুরে রাজশাহীর মনিবাজারে থাকা নানকিং দরবার হলে রেলওয়ে স্টেশনে পাবলিক টয়লেট নির্মাণ, সংস্কারসহ ওয়াশ ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন এবং পারস্পরিক শিখন বিষয়ক কর্মশালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। রেলপথ মন্ত্রী বলেন, রেলসেবা ত্বরান্বিত করতে খুব শিগগিরই ১০-১৫ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা চলছে। রেল ব্যবস্থাকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করে গড়ে তোলা হবে। বিগত সময়ে রেলসেবা ভেঙে পড়েছিল, তা থেকে আমরা কাটিয়ে উঠছি। মন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল রেলওয়ে। বঙ্গবন্ধু যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে রেল ব্যবস্থার সংস্কারের কাজে হাত দিয়েছিলেন। কিন্তু ১৯৭৫ সালে তাকে সপরিবারে হত্যার মধ্য দিয়ে রেলের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা ব্যাহত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী পিছিয়ে পড়া রেলের ক্ষতি কাটিয়ে রেলওয়ে ব্যবস্থাকে আরও সমৃদ্ধ করতে কাজ করছেন। তিনি বলেন, রেলওয়েকে এগিয়ে নিতে সেকেলে চিন্তা-চেতনা পরিবর্তন করে নতুন নতুন চিন্তা-চেতনা যোগ করতে হবে। আমরা দেখতে চাই রেলওয়ের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কোনো যাত্রীর যেন অভিযোগ না থাকে। একইসঙ্গে যাত্রীদের সঙ্গে ভালো ব্যবহারের চর্চা গড়ে তুলতে হবে। আমরা রেলকে একটি নিয়মতান্ত্রিক অবস্থায় আনতে এবং যাত্রীসেবার মান নিশ্চিত করার মাধ্যমে রেলের নিজস্ব সক্ষমতা তৈরি করতে চাই। তিনি বলেন, রাজশাহী-আব্দুলপুর পর্যন্ত ডাবল লাইন এবং সমস্ত রেল ব্যবস্থাকে ব্রডগেজ লাইনে রূপান্তর করার কাজ চলছে। প্রতিটি জেলার সঙ্গে রেল লাইনের সংযোগ থাকবে। ঈশ্বরদী-জয়দেবপুর পর্যন্ত ডাবল লাইন করা হবে। মন্ত্রী বলেন, ওয়াটার এইডের সহায়তায় বাংলাদেশ রেলওয়ের উপযুক্ত স্থানে অন্তত তিনটি স্টেশনে ক্রমান্বয়ে তিনটি মানসম্পন্ন পাবলিক টয়লেট সংস্কার/নির্মাণ করা হবে। সবার জন্য পানি ও স্যানিটেশনের টেকসই ব্যবস্থাপনা এবং প্রাপ্যতা নিশ্চিতকরণ, কাউকে বাদ দিয়ে নয় এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে পাবলিক টয়লেটগুলো যাত্রী, পথবাসী ও পথচারীদের স্যানিটেশন ও নিরাপদ পানির চাহিদা মেটাতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। মহাপরিচালক ডি এন মজুমদারের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বাংলাদেশ রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সেলিম রেজা, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) সরদার সাহাদাত আলী, মহাপরিচালক (পশ্চিম) মিহিরকান্তি গুহ, বাংলাদেশ ওয়াটার এইডের কান্ট্রি ডিরেক্টর হাসিন জাহান ও মন্ত্রীর একান্ত সচিব মো. আতিকুর রহমান বক্তব্য রাখেন।
সন্ত্রাসমুক্ত বিশ্বের জন্য বৃহত্তর আন্তর্জাতিক সংহতির আহ্বান: জাতিসংঘ রাষ্ট্রদূত
১৩,মার্চ,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা বলেছেন, আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য সন্ত্রাসবাদ একটি বড় হুমকি এবং এটি ২০৩০ উন্নয়ন এজেন্ডা অর্জনের ক্ষেত্রে অন্তরায়। যেকোনো ধরনের সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে আমাদের প্রয়োজন আন্তর্জাতিক সংহতি ও সব স্তরে একতাবদ্ধ প্রচেষ্টা। সাধারণ পরিষদে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের বৈশ্বিক সন্ত্রাসদমন কৌশলের উচ্চ পর্যায়ের প্লেনারি সভায় তিনি একথা বলেন। শনিবার (১৩ মার্চ) জাতিসংঘের বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। রাবাব ফাতিমা আরও বলেন, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের রয়েছে অটল রাষ্ট্রীয় নীতি। জাতিসংঘের বৈশ্বিক সন্ত্রাসদমন কৌশল বাস্তবায়নে কোভিড-১৯ এর প্রভাব বিষয়ক মহাসচিবের প্রতিবেদনটিকে স্বাগত জানান রাষ্ট্রদূত ফাতিমা। এক্ষেত্রে কোভিড-১৯ অতিমারির সময়ে সৃষ্ট ইনফোডেমিক, ঘৃণাত্মক বক্তব্য ও জাতিগত বিদ্বেষের মতো সন্ত্রাসবাদের নব্য ধারার প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়ার ওপর জোর দেন বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করার জন্য জাতিসংঘ সদস্য দেশসমূহের মধ্যে নিবিড় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সৃষ্টি ও পারস্পরিক আইনি সহায়তা দেওয়ার আহ্বান জানান রাষ্ট্রদূত ফাতিমা। জাতিসংঘের বৈশ্বিক সন্ত্রাস দমন কৌশলের বাস্তবায়ন এগিয়ে নিতে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থায়ন প্রতিরোধ ও নির্মূল করতে সদস্য দেশসমূহকে প্রয়োজনীয় সব প্রচেষ্টা গ্রহণ করা উচিত মর্মে উল্লেখ করেন তিনি। এছাড়া কৌশলটির বাস্তবায়নে সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়টিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বাংলাদেশসহ অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশগুলো সক্ষমতা বিনির্মাণ ও প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রে জাতিসংঘ থেকে যথোপযুক্ত সহায়তা পাবে। উল্লেখ্য, সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে সদস্য দেশসমূহকে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সহায়তার লক্ষ্যে ২০০৬ সালে জাতিসংঘ বৈশ্বিক সন্ত্রাসদমন কৌশল গ্রহণ করে। বর্তমানে কৌশলটির ৭ম দ্বিবার্ষিক রিভিউ চলমান রয়েছে, যা ২০২১ সালের জুন মাসের মধ্যে শেষ হবে।

জাতীয় পাতার আরো খবর