ডি-৮ সভাপতি হলেন শেখ হাসিনা
৯,এপ্রিল,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: উন্নয়নশীল দেশগুলোর জোট ডি-৮-এর দশম শীর্ষ সম্মেলনে সংস্থার সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগামী দুই বছর তিনি এ পদে দায়িত্ব পালন করবেন। বৃহস্পতিবার (৮ এপ্রিল) জোটের বৈঠকে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট ও সংস্থার বর্তমান সভাপতি রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোয়ানের কাছ থেকে দায়িত্ব গ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ডি-৮-এর দশম শীর্ষ সম্মেলনের শুরুতে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট উদ্বোধনী ভাষণ দেন এবং এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে সভাপতিত্বের দায়িত্ব তুলে দেন। শীর্ষ সম্মেলনে ভাষণ দেয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ডি-৮-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে এই সংগঠনের জন্য তার সবসময়ই একটি বিশেষ দুর্বলতা রয়েছে। ১৯৯৭ সালে ডি-৮ প্রতিষ্ঠার সময় তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ইস্তাম্বুলে প্রথম শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন। ১৯৯৯ সালে ঢাকায় দ্বিতীয় ডি-৮ শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার সময়ও শেখ হাসিনা সভাপতিত্ব করেছিলেন। উন্নয়নশীল-৮ নামে পরিচিত ডি-৮ অর্থনৈতিক সহযোগিতার জন্য আটটি উন্নয়নশীল মুসলিম-প্রধান দেশ- বাংলাদেশ, মিশর, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, মালয়েশিয়া, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান ও তুরস্কের সমন্বয়ে গঠিত হয়। ডি-৮-এর সব রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান, পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা, ডি-৮ মহাসচিব প্রতিনিধিরা ভার্চুয়ালি এই সম্মেলনে যোগ দেন।
করোনা থেকে মানুষকে বাঁচাতে প্রয়োজনে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে : প্রধানমন্ত্রী
৮,এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মহামারি করোনা ভাইরাস থেকে দেশের মানুষকে বাঁচাতে, আগামীতে আরও কঠোর ব্যবস্থার প্রয়োজন হলেও সেটি নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ বৃহস্পতিবার সকালে ভার্চুয়াল মাধ্যমে সাভারের লোকপ্রশাসন কেন্দ্রের ৭১তম বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী বক্তব্যে এ কথা জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ভবিষ্যতে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে, মানুষকে বাঁচানোর জন্য। আপনারাও স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি মেনে চলবেন। সবাইকে উৎসাহিত করবেন। মাস্ক পরবেন। ঘরে ফিরে গরম পানির ভাপ নেবেন। গড়গড়া করবেন। বিসিএস কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে জাতিসংঘের সুপারিশ পেয়েছি আমরা। ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠন করবো। আপনাদের ওপরই ওই দায়িত্ব পড়বে। ৪১-এ উন্নত বাংলাদেশ গড়ার মূল সৈনিক আপনারা। মনে রাখতে হবে- আমরা বাঙালি, আমাদের মর্যাদার সঙ্গে দাঁড়াতে হবে। এজন্য মানুষের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে আপনাদের কাজ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০২০-২১ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী। এ উপলক্ষে নানা কর্মসূচি নিয়েছিলাম। করোনার কারণে অনেক কিছু করতে পারিনি। তবে সব ভূমিহীন ও গৃহহীনকে ঘর দিচ্ছি। গ্রামে শহরের সেবা দেব, এটা নিশ্চিত করতে চাই। তিনি আরও বলেন, গণমুখী প্রশাসন করতে নানা কার্যকর উদ্যোগ নিয়েছি। উচ্চতর ডিগ্রি ও প্রশিক্ষণের জন্য ফেলোশিপ বৃত্তি প্রদানসহ সব পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। বিজ্ঞানের নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাওয়ার জন্য প্রশিক্ষণকে গুরুত্ব দিচ্ছি।
করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া শুরু
৮,এপ্রিল,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিনের (টিকা) দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার কার্যক্রম সারাদেশে শুরু করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (০৮ এপ্রিল) এ কার্যক্রম শুরু হয়। এর আগে স্বাস্থ্যসচিব লোকমান হোসেন মিয়া জানান, টিকা নিলেও আমাদের মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। আমরা যতো বেশি সচেতন হবো তত বেশি সুরক্ষিত থাকতে পারবো। তিনি বলেন, আমরা চেষ্টা করবো ডাক্তার-নার্সসহ সব পর্যায়ের মানুষকে নিয়ে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে মোকাবিলা করতে পারি। মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ২য় ডোজ টিকা নিয়ে অনেক ধরনের আলোচনা ছিল। আমাদের প্রধানমন্ত্রী পরিষ্কার করে বলে দিয়েছেন ৮ এপ্রিল থেকে যে দ্বিতীয় ডোজ শুরু হওয়ার কথা, এটা যথারীতি চলবে।
১১ এপ্রিলও দেয়া হচ্ছে না স্বাধীনতা পুরস্কার
৭,এপ্রিল,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী ১১ এপ্রিলও স্বাধীনতা পুরস্কার দেয়া হচ্ছে না। বুধবার (৭ এপ্রিল) সরকারি এক তথ্য বিবরণীতে এ কথা জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, আগামী ১১ এপ্রিল ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে পূর্বনির্ধারিত- স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২১ প্রদান অনুষ্ঠিত হচ্ছে না বলে জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। গতকাল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ সিদ্ধান্তের কথা জানায়। জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ৯ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠান ২০২১ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন। গত ৭ মার্চ স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীতদের তালিকা প্রকাশ করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। গত ২৪ মার্চ ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে স্বাধীনতা পুরস্কার হস্তান্তর অনুষ্ঠানের সময় নির্ধারণ করা হয়। করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতি ক্রমেই অবনতির দিকে যেতে থাকলে ২৪ মার্চের অনুষ্ঠান স্থগিত করা হয়। নতুন সময় নির্ধারণ করা হয় ১১ এপ্রিল। কিন্তু করোনা সংক্রমণ পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ায় ইতোমধ্যে সাত দিনের কঠোর বিধিনিষেধ দিয়েছে সরকার। এই প্রেক্ষাপটে ১১ এপ্রিলের অনুষ্ঠানও স্থগিত করা হলো। এটি দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার। ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সরকার ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতিবছর এ পুরস্কার দিয়ে আসছে।
সম্মিলিত প্রচেষ্টায় করোনা মোকাবিলা করতে হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
৭,এপ্রিল,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট মহামারিকে মোকাবিলা করতে হবে। প্রতিরোধের ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে। সেজন্য মাস্ক পরা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং হাত ধোয়াসহ অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষে বুধবার (৭ এপ্রিল) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) ডা. মিল্টন হলে আয়োজিত জুম মিটিংয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, কোভিড-১৯ জনিত সংক্রমণ বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে সরকার ইতোমধ্যে মহাখালীর আইসোলেশন সেন্টারকে আইসিইউসহ ৯০০ শয্যার হাসপাতাল করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রম চলমান রয়েছে। জাহিদ মালেক বলেন, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের সেবা, শনাক্তকরণ পরীক্ষা, ভ্যাকসিন প্রদান কার্যক্রমসহ অন্যান্য চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম প্রদানের ক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএসএমএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ। সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, এবারে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসের প্রতিপাদ্য হল- সকলের জন্য সুন্দর এবং স্বাস্থ্যকর বিশ্ব গড়ি। সবাই মিলেমিশে করোনা মুক্ত বিশ্ব, অসমতা বিহীন মানবিক সমাজ গড়ে তুলতে হবে। এটাই হোক ২০২১ সালের ৭ এপ্রিল বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসে আমাদের দৃঢ় অঙ্গীকার। দেশে মানুষের মাঝে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এবং মৃত্যু বেড়েছে। এ অবস্থায় জনগণকে অবশ্যই আরও সচেতন হতে হবে।
৮ ঘণ্টা বিঘ্নিত হতে পারে মোবাইল নেটওয়ার্ক
৭,এপ্রিল,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বুধবার (৭ এপ্রিল) রাত ১১টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা পর্যন্ত আট ঘণ্টা মোবাইল নেটওয়ার্ক বিঘ্নিত হতে পারে। ২১০০ মেগাহার্টজ তরঙ্গের নতুন বিন্যাসের জন্য বুধবার রাত থেকে আট ঘণ্টা মোবাইল নেটওয়ার্ক বিঘ্নিত হতে পারে বলে সতর্ক করেছে বিটিআরসি। বুধবার দুপুরে এ সতর্কতা জারি করেছে বিটিআরসি। প্রতিষ্ঠানের মিডিয়া উইংয়ের উপ-পরিচালক জাকির হোসেন খাঁনের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়। এর আগে বিটিআরসি প্রথম ধাপের ১৮০০ মেগাহার্টজের তরঙ্গ বিন্যাসের কারণে ১ এপ্রিল রাত ১১টা থেকে ২ এপ্রিল সকাল ৭টা পর্যন্ত ৮ ঘণ্টা মোবাইল ফোন সেবায় বিঘ্ন ঘটতে পারে বলেও গ্রাহকদের সতর্ক করেছিল। প্রথম দফায় অবশ্য তরঙ্গ বিন্যাসে কোনো সমস্যা না হওয়ায় মোবাইল ফোন গ্রাহকরা নিরবচ্ছিন্নভাবে মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করতে পেরেছিলেন।
তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবলে যুক্ত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ
৭,এপ্রিল,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবলে যুক্ত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। এ লক্ষ্যে সবমেরিন ক্যাবল স্থাপনে সংশ্লিষ্ট অংশের ক্রয় কাজের জন্য রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে ৬৯৩ কোটি টাকা ব্যয়ে এসইএ-এমই-ডব্লিউই-৬ ক্রয়ের নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। বুধবার (৭ এপ্রিল) অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ভার্চুয়াল বৈঠকে এ প্রস্তাবের নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়। বৈঠকে কমিটির সদস্য, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সচিব, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা যুক্ত ছিলেন। বৈঠক শেষে অনুমোদিত প্রস্তাবগুলো বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. শাহিদা আক্তার। তিনি বলেন, আজকের বৈঠকে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অধীন বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবল কোম্পানি লিমিটেড কর্তৃক তৃতীয় সবামেরিন ক্যাবল স্থাপন সংশ্লিষ্ট অংশের ক্রয় কাজ রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে জনস্বার্থে এসইএ-এমই-ডব্লিউই-৬ কনসোর্টিয়ামের নিজস্ব ক্রয় প্রক্রিয়া অনুযায়ী ক্রয়ের নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়েছে। প্রকল্পের মূল কাজ এসইএ-এমই-ডব্লিউই-৬ কনসোর্টিয়ামের মাধ্যমে নতুন একটি সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপন। অন্যান্য কনসোর্টিয়াম ক্যাবলের মতো এসএমডব্লিউ-৬ সাবমেরিন ক্যাবলে প্রধানত দুটি অংশ রয়েছে। কোর অংশ ও ব্রাঞ্চ অংশ। কোর অংশ হবে সিঙ্গাপুর থেকে জিবুতি, মিশর হয়ে ফ্রান্স পর্যন্ত বিস্তৃত মূল ক্যাবল এবং ব্রাঞ্চ অংশ (বাংলাদেশ ব্রাঞ্চ) হবে কক্সবাজারের সঙ্গে মূল কোর ক্যাবলের সংযোগস্থল (ব্রাঞ্চিং ইউনিট) পর্যন্ত প্রায় এক হাজার ৮৫০ কিলোমিটার। প্রকল্পের মোট প্রাক্কলন ব্যয় ৬৯৩ কোটি ১৭ লাখ টাকা। এরমধ্যে জিওবি ৩৯২ কোটি ৩৪ লাখ টাকা এবং বিএসসিসিএল এর নিজস্ব অর্থায়ন তিনশ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। অনুমোদিত ডিপিপি-এর ক্রয় পরিকল্পনায় পণ্য সংগ্রহের জন্য চারটি ও পূর্ত কাজের জন্য দুটি প্যাকেজ রয়েছে। পণ্য সংগ্রহের একটি প্যাকেজ সাবমেরিন ক্যাবল ও সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম এর ক্ষেত্রে ক্রয় আন্তর্জাতিক কনসোর্টিয়ামের মাধ্যমে বাস্তবায়িত হচ্ছে। অনুমোদিত ডিপিপি অনুযায়ী, যার প্রাক্কলিত ব্যয় ৬৫৩ কোটি ৯০ লাখ টাকা। বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশের সমন্বয়ে গঠিত একটি আন্তর্জাতিক কনসোর্টিয়ামের মাধ্যমে এসডব্লিউ-৬ ক্যাবলটি স্থাপনের কার্যক্রম বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়ায় প্রকল্পের সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপন অংশের ক্রয় প্রক্রিয়া স্বাভাবিকভাবে কনসোর্টিয়ামের নিজস্ব ক্রয় পদ্ধতিতেই হবে। সে অনুযায়ী এসইএ-এমই-ডব্লিউই-৬ সাবমেরিন ক্যাবল প্রকল্পের ঠিকাদার নিয়োগের ক্ষেত্রে কনসোর্টিয়ামের সব সদস্যের মতামতের ভিত্তিতে পর্যাপ্ত তথ্য সংগ্রহ করে দরপত্র আহ্বান করা হয়। জানা গেছে, দরপত্রে চারটি কোম্পানি অংশ নেয়। এক্ষেত্রে কনসোর্টিয়াম নির্ধারিত ক্রয় প্রক্রিয়া অনুযায়ী আর্থিক ও কারিগরি দিক যাচাই-বাছাই করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্ধারণ করে কনসোর্টিয়ামের সঙ্গে নির্বাচিত ঠিকাদারের চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে এবং কনসোর্টিয়ামের সদস্যদের মধ্যে কন্সট্রাকশন এবং মেইনটেইন্যান্স চুক্তি স্বাক্ষর হবে। দেশে বিদ্যমান দুটি সাবমেরিন ক্যাবলের পূর্বমুখী পূর্ণ ক্ষমতা ২০২২ সালের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে এবং এই পরিস্থিতিতে দেশকে তৃতীয় একটি সাবমেরিন ক্যাবলে সংযুক্ত করা না হলে সাবমেরিন ক্যাবলের পূর্বমুখী (সিঙ্গাপুরমুখী) ব্যান্ডউইথের সংকটের কারণে দেশে ইন্টারনেট সেবার ক্ষেত্রে বিপর্যয় পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার আশংকা রয়েছে।
টিকাদানে বিশ্বের প্রথম ২০ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী
৭,এপ্রিল,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিশ্বের অনেক দেশের আগেই বাংলাদেশে কোভিড-১৯ মোকাবিলায় টিকাদান কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। এ পর্যন্ত ১ কোটি ২ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন দেশে আনা হয়েছে। করোনাভাইরাসের টিকাদানে বিশ্বের প্রথম সারির ২০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ চলে এসেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস-২০২১ উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে বুধবার (৭ এপ্রিল) তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৭ এপ্রিল বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। এ উপলক্ষে আমি সবাইকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। এবারের বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসের প্রতিপাদ্য বিল্ডিং অ্যা ফেয়ারার, হেলদিয়ার ওয়ার্ল্ড যার মর্মার্থ দাঁড়ায়- সবার জন্য সুন্দর ও স্বাস্থ্যকর বিশ্ব গড়ি। প্রতিপাদ্যটি তাৎপর্যপূর্ণ ও সময়োপযোগী হয়েছে বলে আমি মনে করি। তিনি আরও বলেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে সারাবিশ্ব এখন একটি কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে পার হচ্ছে। আমাদের সরকার করোনা বিস্তারের প্রথম দিক থেকে একটি সমন্বিত ও কার্যকর কর্মসূচি হাতে নেয়। আমাদের সীমিত জনবল, চিকিৎসা-সামগ্রী ও জনগণের মাঝে করোনা রোগ প্রতিরোধের ব্যাপারে সচেতনতা বৃদ্ধি, করোনা টেস্টিং, টেলি-মেডিসিনের মাধ্যমে পরামর্শ প্রদান, সঙ্গনিরোধ, কোভিড হাসপাতাল স্থাপন, হাসপাতালে অক্সিজেনসহ জীবন রক্ষাকারী সামগ্রীর ব্যবস্থা, চিকিৎসক ও নার্স নিয়োগসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে অন্যান্য দেশের তুলনায় করোনা নিয়ন্ত্রণে সফলতা অর্জন করি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনা মহামারি সফলভাবে মোকাবিলা, সময়োচিত ও যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ, অর্থনীতি পুনরুদ্ধার এবং জীবনযাত্রার মান সচল রাখার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের ব্লুমবার্গ প্রণীত কোভিড-১৯ সহনশীল র্যাং কিংয়ে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় শীর্ষ ও বিশ্বে ২০তম স্থান অর্জন করেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক ব্যক্তিগতভাবে বাংলাদেশের করোনা মোকাবিলার জন্য আমাদের বিভিন্ন পদক্ষেপের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, গ্রামীণ, প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর জন্য কমিউনিটি ক্লিনিকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ প্রদান করা হচ্ছে। শিশুমৃত্যু ও মাতৃমৃত্যু হার উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাসমান। গড় আয়ু ৭২.৬ বছরে এসে দাঁড়িয়েছে। টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট ও সার্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা অর্জনে আমরা বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। দেশে কোভিড-১৯-এর দ্বিতীয় ঢেউ প্রতিরোধের জন্য মাস্ক ব্যবহার, হাত ধোয়ার স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ, হাঁচি-কাশির শিষ্টাচারসহ অন্যান্য নিরাপদ অভ্যাসসমূহ আমাদের মেনে চলতে হবে। করোনার পাশাপাশি আমাদের অত্যাবশ্যকীয় জরুরি স্বাস্থ্যসেবা যেন কোনো ধরনের ব্যাহত না হয় সে ব্যাপারে সবাইকে সজাগ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। শেখ হাসিনা আরও বলেন, আমি বিশ্বাস করি, এ মহামারি মোকাবিলায় আমরা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি অভিজ্ঞ, দক্ষ, প্রশিক্ষিত ও সাহসী। এই সঙ্কটকালে সেবা দিতে গিয়ে অনেক চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য সেবাদানকারী মারা গেছেন। আমি তাদের আত্মার মাগফেরাত ও শান্তি কামনা করি এবং পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করছি। আমি বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস ২০২১-এর সার্বিক সাফল্য কামনা করি।

জাতীয় পাতার আরো খবর