সোমবার, আগস্ট ২, ২০২১
মসজিদে তারাবি নামাজে ইমামসহ অংশ নিতে পারবেন ২০ জন
১২,এপ্রিল,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতির কারণে এবারের রমজানে পাঁচ ওয়াক্ত এবং তারাবির নামাজের জামাতে মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমসহ সর্বোচ্চ ২০ জন মুসল্লি অংশ নিতে পারবেন। তবে জুমার নামাজে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সব মুসল্লি অংশ নিতে পারবেন। সোমবার সন্ধ্যায় ধর্ম মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই নির্দেশনা দেয়া হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, করোনাভাইরাস ভয়াবহ মহামারি আকার ধারণ করায় যথাযথ সুরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে বর্তমান পরিস্থিতিতে বুধবার থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত মসজিদে নামাজ আদায়ের ক্ষেত্রে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তা হলো- (ক) মসজিদে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের প্রতি ওয়াক্তে সর্বোচ্চ ২০ জন মুসল্লি অংশগ্রহণ করবেন। (খ) তারাবির নামাজে খতিব, ইমাম, হাফেজ, মুয়াজ্জিন ও খাদেমসহ সর্বোচ্চ ২০ জন মুসল্লি অংশগ্রহণ করবেন। (গ) জুমার নামাজে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে মুসল্লিরা অংশগ্রহণ করবেন। এছাড়াও মুসল্লিদের রমজানে তেলাওয়াত ও জিকিরের মাধ্যমে আল্লাহর রহমত ও বিপদ থেকে মুক্তির জন্য দোয়া করার অনুরোধ করা হয়েছে। করোনার সংক্রমণ রোধে স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণকারী বাহিনী, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সংশ্লিষ্ট মসজিদের পরিচালনা কমিটিকে উল্লিখিত নির্দেশনা বাস্তবায়ন করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
বাড়ানো হলো যাত্রীবাহী নৌযান চলাচলের নিষেধাজ্ঞা
১২,এপ্রিল,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সব ধরনের যাত্রীবাহী নৌযান বন্ধের সিদ্ধান্তের সময়কাল বাড়ানো হয়েছে। যা বাড়িয়ে আগামী ২১ এপ্রিল পর্যন্ত করা হয়েছে। তবে পণ্যবাহী নৌযান চালু থাকবে বলে জানা গেছে। মহামারি করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে সর্বাত্মক লকডাউনের কারণেই এই নিষেধাজ্ঞা বাড়ানো হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জারি করা আদেশ অনুযায়ী এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ। কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কমোডর গোলাম সাদেক বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী যাত্রীবাহী নৌযান বন্ধ থাকবে। তবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের আদেশ অনুযায়ী, পণ্যবাহী নৌযান ও বন্দরগুলো খোলা থাকবে। যারা ওই পণ্যবাহী নৌযানে কাজ করবেন তারাও স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাজ করবেন। প্রসঙ্গত, করোনাভাইরাস মহামারীর লকডাউনের কারণে ৫ এপ্রিল থেকে সকাল ৬টা থেকে সব ধরনের যাত্রীবাহী নৌযান বন্ধ রয়েছে। করোনার সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকার ৫ এপ্রিল থেকে ৭ দিনের জন্য গণপরিবহন চলাচলসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ জারি করেছিল। গতকাল এই বিধিনিষেধ শেষ হওয়ার দিন তা আরও দুদিন বাড়ানো হয়। এখন নতুন করে ১৪ থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত সর্বাত্মক লকডাউন হতে যাচ্ছে। এ সময়ে মানুষের কাজ ও চলাচলে কঠোর বিধিনিষেধ জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুমোদনের পর আজ সোমবার এ বিষয়ে আদেশ জারি করা হয়। এতে সরকারি-বেসরকারি অফিস, গণপরিবহন বন্ধ রাখাসহ ১৩ দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে শিল্পকারখানাগুলো স্বাস্থ্যবিধি মেনে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চালু থাকবে।
লকডাউনে জরুরি চলাচলে লাগবে পুলিশের- মুভমেন্ট পাস
১২,এপ্রিল,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) প্রাদুর্ভাবের মধ্যেও যাদের একান্তই বাইরে যাওয়া প্রয়োজন তাদের জন্য মুভমেন্ট পাস ব্যবস্থা করছে বাংলাদেশ পুলিশ। এই পাসধারী ব্যক্তি নির্বিঘ্নে সড়কে চলাচল করতে পারবেন। তবে সবাই এই পাস পাচ্ছেন না। শুধু জরুরি সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের দেয়া হবে এ পাস। তারা এই পাস ব্যবহার করে নিজেদের কাজে বেরোতে পারবেন। আগামী মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে আনুষ্ঠানিকভাবে মুভমেন্ট পাস অ্যাপ্লিকেশনটির উদ্বোধন করবেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ। করোনাভাইরাসের সংক্রমণরোধে ১৪ থেকে ২১ এপ্রিল পর্যন্ত কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। এতে বলা হয়েছে, অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না। সোমবার (১২ এপ্রিল) পুলিশ সদরদফতর সূত্র জানায়, সদরদফতরের আইসিটি উইংয়ের সমন্বয়ে শুরু হতে যাচ্ছে- মুভমেন্ট পাস কার্যক্রম। জরুরি পণ্য পরিবহন, সেবাদাতা, ব্যবসায়ী ও চাকরিজীবীদের যাচাই-বাছাই করে দেয়া হবে এই পাস। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মুদি দোকানে কেনাকাটা, কাঁচাবাজার, ওষুধপত্র, চিকিৎসাকাজে নিয়োজিত, কৃষিকাজ, পণ্য পরিবহন ও সরবরাহ, ত্রাণ বিতরণ, পাইকারি/খুচরা ক্রয় পর্যটন, মৃতদেহ সৎকার, ব্যবসা ও অন্যান্য ক্যাটাগরিতে দেয়া হবে এই পাস। যাদের বাইরে চলাফেরা প্রয়োজন কিন্তু কোনো ক্যাটাগরিতেই পড়েন না, তাদের অন্যান্য ক্যাটাগরিতে পাস দেয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। পাসটি পেতে আবেদনের জন্য ক্লিক করুন https://movementpass.police.gov.bd/
বিশ্বে শান্তি নিশ্চিত করাটাই চ্যালেঞ্জ: প্রধানমন্ত্রী
১২,এপ্রিল,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বর্তমানে বিশ্বশান্তি নিশ্চিত করা চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার (১২ এপ্রিল) বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে অনুশীলন শান্তির অগ্রসেনার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান। তাঁর সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে এ অনুষ্ঠানে যুক্ত হন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে বিশ্বশান্তি নিশ্চিত করা অতীতের চেয়ে অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে। করোনা ভাইরাসের মতো অদৃশ্য শত্রুর আবির্ভাব, প্রযুক্তির দ্রুত প্রসার এবং সময়ের অগ্রযাত্রার সঙ্গে সঙ্গে নতুন নতুন হুমকির উপাদান সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনগুলোতে শান্তিরক্ষীদের বহুমাত্রিক ও জটিল পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হচ্ছে। সাম্প্রতি শান্তিরক্ষীদের প্রাণহানির সংখ্যাও উদ্বেগজনক হারে বেড়ে চলেছে। এযাবৎ বাংলাদেশি ১৫৮ জন শান্তিরক্ষী প্রাণোৎসর্গ করেছেন এবং ২৩৭ জন আহত হয়েছেন। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা অপারেশনে আগামী দিনের নতুন সংকটগুলো মোকাবিলায় শান্তিরক্ষীদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ও সরঞ্জামাদি দিয়ে প্রস্তুত করা এখন সময়ের দাবি। শেখ হাসিনা বলেন, অনুশীলন শান্তির অগ্রসেনায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সাম্প্রতিক সময়ের উদ্ভুত পরিস্থিতি নিয়ে কিছু ঘটনা অংশগ্রহণকারীদের সামনে উপস্থাপন করা হয়েছে, যাতে এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় উপযুক্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণে আমাদের ভবিষ্যত শান্তিরক্ষীরা সুপ্রশিক্ষিত হয়ে উঠতে পারে। এই অনুশীলনে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা অপারেশনে নারীদের অবদান তুলে ধরা হয়েছে জেনে আমি অত্যন্ত আনন্দিত হয়েছি। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে অত্যন্ত নিখুঁত এবং সফলভাবে এই অনুশীলনটি আয়োজন করার জন্য আমি সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানাই। জাতির পিতার শান্তিদর্শন প্রতিষ্ঠায় এই বহুজাতিক অনুশীলনটি একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে। যেকোনো দেশের জাতীয় মর্যাদা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য যথাযথভাবে প্রশিক্ষিত সশস্ত্র বাহিনী অপরিহার্য। তেমনি, সামরিক বাহিনীর সদস্যদের সক্ষমতা যাচাইয়ে নিয়মিত অনুশীলনের বিকল্প নেই। জাতির পিতা স্বাধীন বাংলাদেশে একটি সুশৃঙ্খল ও পেশাদার সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলার উপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছিলেন। তিনি অত্যাধুনিক সামরিক একাডেমি প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখেছিলেন। বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর আদর্শকে ধারণ করে তাঁর প্রতি সম্মান জানাতে আমরা ২০২০-২০২১ সালে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন করছি। পাশাপাশি সমগ্র বাঙালি জাতি গৌরবের সঙ্গে উদযাপন করছে আমাদের মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী। বিশ্বের ১১৬টি দেশের নেতারা ভিডিও এবং লিখিত অভিনন্দনবার্তা প্রেরণ করেছেন। এসব বার্তায় অত্র অঞ্চলসহ বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবদানের স্বীকৃতি মিলেছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত ১২ বছরে আমরা আমাদের তিন বাহিনীর আধুনিকায়নের ক্ষেত্রে যথেষ্ট অগ্রসর হয়েছি। আমাদের সামরিক বাহিনীতে অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র ও প্রযুক্তির সংযোজন করেছি। সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ নিরসনে আমরা শূন্য সহনশীলতার নীতি গ্রহণ করেছি। মহামারির সময়েও ৫.৪ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছি। স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত করেছি। এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৮০০ নারী শান্তিরক্ষীসহ ১ লাখ ৭৫ হাজারের অধিক বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী ৫টি মহাদেশের ৪০টি দেশে ৫৪টি মিশনে অংশগ্রহণ করেছে। বর্তমানে ৭ হাজারের অধিক বাংলাদেশি সেনা ও পুলিশ সদস্য ১০টি মিশনে শান্তিরক্ষার উদ্দেশ্যে মোতায়েন আছে। আমাদের শান্তিরক্ষীরা যে মিশনেই গেছেন, সেখানে জাতিসংঘের পতাকাকে সমুন্নত ও উড্ডীন রাখার পাশাপাশি বাংলাদেশের ভাবমূর্তি সমুজ্জ্বল করেছেন। একারণেই বাংলাদেশ আজ বিশ্বের সর্বোচ্চ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশগুলোর একটিতে পরিণত হয়েছে। এই অনুশীলনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সঙ্গে বন্ধুপ্রতিম দেশ ভারত, ভুটান ও শ্রীলংকা থেকে আসা অংশগ্রহণকারী সামরিক সদস্যদের আন্তরিক অভিবাদন জানান প্রধানমন্ত্রী। স্বাগত জানান যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, তুরস্ক, সৌদি আরব, কুয়েত এবং সিঙ্গাপুর থেকে আসা আমন্ত্রিত পর্যবেক্ষকদের।
২০ এপ্রিল পর্যন্ত অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট স্থগিত করে বেবিচকের বিজ্ঞপ্তি
১২,এপ্রিল,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের অভ্যন্তরীণ সব রুটে ফ্লাইট চলাচলে স্থগিতাদেশ আগামী ২০ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়িয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। রোববার (১১ এপ্রিল) বেবিচক (ফ্লাইট স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড রেগুলেশন) মেম্বার গ্রুপ ক্যাপ্টেন চৌধুরী এম জিয়াউল কবীর স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি হয়। প্রথম দফায় সাত দিনের জন্য, ৫ এপ্রিল থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট চলাচলের ওপর স্থগিতাদেশ জারি করা হয়। পরবর্তীতে সরকার পূর্বের ধারাবাহিকতায় ১২ ও ১৩ এপ্রিল চলাচলে বিধিনিষেধ অব্যাহত রাখার নির্দেশ দেয়। এছাড়া ১৪ এপ্রিল থেকে সর্বাত্মক লকডাউনের ঘোষণা আসে। এ সময় বিশ্বের কোনো দেশ থেকে বাংলাদেশে কোনো ফ্লাইট আসবে না বা বাংলাদেশ থেকে কোনো ফ্লাইট বিশ্বের কোথাও যাবে না। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ সময়ে যাত্রী চলাচলে ফ্লাইট বন্ধ থাকলেও মানবিক সাহায্য, পণ্যবাহী উড়োজাহাজ (কার্গো), রিফুয়েলিং ও বিশেষ ফ্লাইট (চার্টার্ড ফ্লাইট), এয়ার অ্যাম্বুলেন্স চলাচল করবে। এ ধরনের ফ্লাইটের ক্রু, যাত্রীসহ অন্যান্যদের সকল প্রকার স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে পালন করতে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বের সুফল হচ্ছে ডিজিটাল বাংলাদেশ : তাজুল
১১,এপ্রিল,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বের সুফল হচ্ছে তথ্য ও প্রযুক্তি নির্ভর বর্তমান ডিজিটাল বাংলাদেশ। ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে ই-ক্যাব ও বেসরকারী খাতও কাজ করছে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, উন্নয়নের অন্যতম উপায় হচ্ছে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি। এ কথা সব সমযের জন্য সত্যি। বর্তমান সময়ে শুধু যোগাযোগ নয়, তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে যে যোগাযোগ হয়, সেটাও অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। মন্ত্রী আরো বলেন, বর্তমানে আমরা খাদ্য থেকে শুরু করে বিলাসীপণ্যসহ সবকিছুতে ই-কমার্সের প্রতি ঝুঁকছি। প্রথমে স্বল্প পরিসরে হলেও বর্তমানে সেটা এক ধরণের নির্ভরশীলতা তৈরি হয়েছে। মো. তাজুল ইসলাম আজ সকালে ডিজিটাল প্লাটফর্মে ই-কমার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব)র উদ্যোগে আয়োজিত রুরাল টু গ্লোবাল ই-কমার্স পলিসি কনফারেন্স ২০২১র ক্রস বর্ডার পলিসি, ট্রেড চ্যালেঞ্জেস এন্ড অপরচুনিটি শীর্ষক সেমিনারের উদ্ভোধনী বক্তব্যে এ কথা বলেন। ই-ক্যাবের সভাপতি শমী কায়সারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি। এতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. জাফর উদ্দিন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডব্লিউ টি ও সেলের মহাপরিচারক হাফিজুর রহমান, এটুআইয়ের পলিসি এডভাইজার আনির চৌধুরী, বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর কাহার মোহাম্মদ নাছের, বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (বিডা)র মহাপরিচালক শাহ মোহাম্মদ মাহবুব, বেসিসের সভাপতি সৈয়দ ্আলমাস কবির ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য প্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ডক্টর বি এম মাইনুল হোসেন।
এক সপ্তাহ বন্ধ থাকবে সব আন্তর্জাতিক ফ্লাইট, চলবে কার্গো
১১,এপ্রিল,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ১৪ এপ্রিল থেকে কঠোর লকডাউনে যাচ্ছে সরকার। বন্ধ থাকবে সব ধরনের যানবাহন। এরই মধ্যে এক সপ্তাহের জন্য সব অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইটও বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। রোববার (১১ এপ্রিল) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে বেবিচক। বেবিচক জানায়, লকডাউনে আরো এক সপ্তাহের জন্য অভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বন্ধ থাকলেও কার্গো ফ্লাইট চালু থাকবে। এই সময়ের মধ্যে বিশেষ কোনো ফ্লাইট থাকলে সেটা পরিচালনা করতে কোনো বাধা নেই। বেবিচক চেয়ারম্যান এম মফিদুর রহমান বলেন, লকডাউনের কারণে সব ডমেস্টিক ও ইন্টারন্যাশনাল ফ্লাইট এক সপ্তাহ বন্ধ থাকবে। তবে কার্গো প্লেন চালু থাকবে। বিশেষ বিবেচনায় কোনো বিশেষ ফ্লাইট থাকলে সেটা পরিচালনা করা হবে।
মিতা হকের ইন্তেকালে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর শোক
১১,এপ্রিল,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ প্রখ্যাত রবীন্দ্র সংগীতশিল্পী মিতা হকের ইন্তেকালে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। রোববার সকালে রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৫৯ বছর বয়সে এই প্রখ্যাত সঙ্গীত শিল্পীর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগের সংবাদে ইউরোপ সফররত তথ্যমন্ত্রী আজ প্রয়াতের আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তার শোকাহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। ড. হাছান মাহমুদ তার শোকবার্তায় বলেন, মিতা হকের একনিষ্ঠ শিল্পী জীবন দেশের সঙ্গীত অঙ্গনে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
লকডাউনে বৃহত্তর স্বার্থে ঘরে থাকার আহ্বান ওবায়দুল কাদেরের
১১,এপ্রিল,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে সর্বাত্মক লকডাউনে জরুরি সেবা ছাড়া সবাইকে বৃহত্তর স্বার্থে ঘরে থাকার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। দূরপাল্লার যাত্রী পরিবহন বন্ধ থাকবে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বলেও তিনি জানান। রোববার (১১ এপ্রিল) ওবায়দুল কাদের তার সরকারি বাসভবন থেকে নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান। তিনি বলেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় বিশেষজ্ঞদের পরামর্শের ভিত্তিতে শেখ হাসিনা সরকার সর্বাত্মক প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছেন। এর ধারাবাহিকতায় সরকার লকডাউন ঘোষণা করে। ১৪ এপ্রিল থেকে সর্বাত্মক লকডাউন। এ সময় জরুরি সেবা ছাড়া সবাইকে ঘরে অবস্থান করতে হবে আমাদের বৃহত্তর স্বার্থে। চলমান লকডাউন ১১ এপ্রিল শেষ হবে। কিন্তু ১২ ও ১৩ এপ্রিল প্রথম ধাপের বা চলমান লকডাউনের ধারাবাহিকতা চলবে। প্রয়োজনীয় নির্দেশনাসহ সরকার সময়মতো প্রজ্ঞাপন জারি করবে বলেও জানান ওবায়দুল কাদের। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, আগামী সোমবার এবং মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) যথারীতি শুধুমাত্র দেশের সিটি করপোরেশন এলাকায় শর্তসাপেক্ষে সমন্বিত ভাড়ার অর্ধেক আসন খালি রেখে গণপরিবহন চলবে এবং দূরপাল্লার যাত্রী পরিবহন বন্ধ থাকবে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত। দেশের মানুষকে এই সংকটকালে ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়ে কাদের বলেন, স্বাস্থ্যবিধির প্রতি সামান্য অবহেলা আমাদের চিরচেনা জীবন থেকে ছিটকে দিতে পারে। হয়ে যেতে পারে পরিবার-পরিজন আত্মীয়-স্বজনের এই মায়াময় পৃথিবী অচেনা। জীবনের পাশাপাশি জীবিকার চাকা সচল রাখতে আমাদের আস্থার ঠিকানা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওপর আস্থা রাখুন, ভরসা রাখুন স্রস্টার প্রতি। সবার প্রচেষ্টা এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে নিশ্চয়ই এ মহামারি থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে আবারও ফিরবে পৃথিবী নিজ রূপে।

জাতীয় পাতার আরো খবর