বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৮, ২০২১
শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস আজ
১১,জুন,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস আজ। দীর্ঘ ১১ মাস কারাভোগের পর ২০০৮ সালের ১১ জুন সংসদ ভবন চত্বরে স্থাপিত বিশেষ কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি। সেনাসমর্থিত ১/১১-এর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই গ্রেফতার হয়েছিলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় কারাগারের অভ্যন্তরে শেখ হাসিনা অসুস্থ হয়ে পড়েন। তখন বিদেশে চিকিৎসার জন্য তাকে মুক্তি দেয়ার দাবি ওঠে বিভিন্ন মহল থেকে। আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের ক্রমাগত চাপ, আপসহীন মনোভাব ও অনড় দাবির মুখে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। এরপর থেকে দিনটি শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস হিসেবে পালন করে আসছে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলো। ড. ফখরুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দুর্নীতিবিরোধী অভিযানকালে ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই গ্রেফতার হন শেখ হাসিনা। বেশ কয়েকটি মামলায় প্রায় ১১ মাস কারাবন্দি ছিলেন তিনি। পরে জরুরি অবস্থার মধ্যেই নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন ও প্রতিবাদের মুখে এবং উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজনে আট সপ্তাহের জামিনে মুক্তি দেয়া হয় তাকে। মুক্তি পেয়েই চিকিৎসার উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে যান তিনি। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায়ই তার অস্থায়ী জামিনের মেয়াদ কয়েক দফা বাড়ানো হয়। ২০০৮ সালের ৬ নভেম্বর দেশে ফিরলে স্থায়ী জামিন দেয়া হয় তাকে। পরে ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের জাতীয় নির্বাচনে ঐতিহাসিক বিজয়ের মাধ্যমে ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি তার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগসহ মহাজোট সরকার গঠিত হয়। এরপর ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনেও বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ। শেখ হাসিনাও টানা তৃতীয়বারসহ চতুর্থবারের মতো দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অনুদান
১০,জুন,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে সরকার-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা অনুদান দিয়েছে। বৃহস্পতিবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও বিদ্যুৎ-জ্বালানি মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুদানের চেক হস্তান্তর করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে যোগ দেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের করবী হলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন কোটি টাকার চেক হস্তান্তর করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মশিউর রহমান। উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী ও শিক্ষা সচিব মাহবুব হোসেন। অনুদানের তিন কোটি টাকার চেকের মধ্যে করোনা সহায়তা তহবিলে দুই কোটি এবং 'হাউস কনস্ট্রাকশন ফান্ড বাই প্রাইভেট ফাইন্যান্স' তহবিলে এক কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ-জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সোয়া ২২ কোটি টাকা অনুদান :প্রধানমন্ত্রীর করোনা সহায়তা তহবিল ও হাউস কনস্ট্রাকশন ফান্ড বাই প্রাইভেট ফাইন্যান্স তহবিলে ২২ কোটি ২৫ লাখ টাকা দিয়েছে বিদ্যুৎ-জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়। গতকাল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদের কাছ থেকে চেক গ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস। এ সময় গণভবন প্রান্তে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।\হমন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি জানানো হয়, বিদ্যুৎ বিভাগের অধীন দপ্তর-কোম্পানি এবং জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের অধীন পেট্রোবাংলা এবং বিপিসির কোম্পানিগুলো থেকে সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে অনুদান সংগ্রহ করা হয়েছে। চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব আনিছুর রহমান, বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব হাবিবুর রহমান, বিপিসির চেয়ারম্যান এবিএম আজাদ ও পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আবুল মনসুর মো. ফয়েজউল্লাহ ও পিডিবির চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন।
ইসরায়েল বারবার স্বীকৃতি চেয়েছে, দিইনি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
১০,জুন,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ইসরায়েল প্রশ্নে বাংলাদেশের নীতি আগের মতোই থাকার উদাহরণ হিসেবে দেশটিকে এখনও স্বীকৃতি না দেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। পাসপোর্ট থেকে ইসরায়েলের নাম বাদ পড়া নিয়ে আলোচনার প্রেক্ষাপটে তিনি বলেছেন, আমরা এখনও ওদেরকে স্বীকৃতি দিইনি, যদিও তারা বারবার আমাদেরকে অ্যাপ্রোচ করেছেন। ইসরায়েলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ফিলিস্তিনিদের জন্য ওষুধ সহায়তা প্রদান উপলক্ষে বৃহস্পতিবার আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে একথা বলেন মোমেন। তিনি বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, যতদিন স্বাধীন সার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত না হবে, আমরা ততদিন তাদের সাথে আছি। আমরা আমাদের (ফিলিস্তিনি) ভাইদের জন্য, এই যে অত্যাচার তাদের উপরে হচ্ছে তার জন্য এটা শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমরা মোটামুটি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, ওদের (ইসরায়েল) সাথে আমাদের সম্পর্ক হবে না। আট দশক ধরে মধ্যপ্রাচ্যে জিইয়ে থাকা ফিলিস্তিন-ইসরায়েল দ্বন্দ্বে বাংলাদেশ শুরু থেকেই ফিলিস্তিনিদের পক্ষে। জেরুজালেমকে রাজধানী করে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রে সমর্থন দিয়ে আসছে বাংলাদেশ। অনেক মুসলিম দেশের মতো বাংলাদেশ স্বীকৃতিক দেয়নি ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত ইসরায়েল রাষ্ট্রকে। ফলে দেশটির সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কও নেই। বিপরীতে ফিলিস্তিনকে দূতাবাস করতেও ঢাকায় জায়গা দেওয়া হয়েছে, যদিও ফিলিস্তিন রাষ্ট্র হিসেবে জাতিসংঘের স্বীকৃতি এখনও পায়নি। ঢাকায় ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রদূত ইউসুফ সালেহ ওয়াই রামাদানের উপস্থিতিতে বৃহস্পতিবারের অনুষ্ঠানে সরকারের অবস্থান অপরিবর্তিত থাকার কথাই পুনর্বার জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন। ঢাকায় ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রদূত ইউসুফ সালেহ ওয়াই রামাদানের উপস্থিতিতে বৃহস্পতিবারের অনুষ্ঠানে সরকারের অবস্থান অপরিবর্তিত থাকার কথাই পুনর্বার জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন আরও বলেন, চীন, যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, কুয়েত, মালদ্বীপ, নেপাল ও ভুটানসহ বন্ধুপ্রতীম বিভিন্ন দেশকে করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে চিকিৎসা সরঞ্জাম পাঠিয়েছে বাংলাদেশে। তবে ফিলিস্তিনের জন্য সাহায্যের একটি ভিন্ন আঙ্গিক আছে। অন্য দেশগুলোকে আমরা যে সাহায্য পাঠিয়েছি, সরকার সাহায্য পাঠিয়েছে। কিন্তু ফিলিস্তিনিদের ক্ষেত্রে সরকার এবং জনগণ উভয়ে সাহায্য পাঠাচ্ছে। আজকে ওষুধ শিল্প সমিতি পাঠাচ্ছে, ইতোমধ্যে তাদের মতো স্বতঃস্ফূর্তভাবে অন্যরাও পাঠিয়েছে। জনগণের ভালোবাসা হিসাবে এগুলো পাঠানো হচ্ছে। অনুষ্ঠানে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রদূত রামাদান বলেন, গত ৫০ বছর ধরে বাংলাদেশের জনগণ যেভাবে সাহায্য করেছে, আমরা ফিলিস্তিনিরা এটা কোনোদিন ভুলব না। আপনাদের জায়গা কেবল আমাদের ইতিহাসে নয়, আমাদের হৃদয়েও রয়েছে। তিনি বলেন, আমরা আমাদের স্বাধীন সার্বভৌম দেশ পাওয়ার অপেক্ষায় আছি এবং সংগ্রাম চালাচ্ছি। এমন এক সময় আসবে, আমরা আপনাদের প্রতিদান দিতে পারব। অনুষ্ঠানে ওষুধ শিল্প সমিতির সাধারণ সম্পাদক এস এম শফিউজ্জামান বক্তব্য দেন। সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর
মুষ্টিমেয় লোকের কর্মকাণ্ডে ধর্মকে দোষারোপ করা যায় না: প্রধানমন্ত্রী
১০,জুন,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মুষ্টিমেয় লোক সন্ত্রাস ও জঙ্গি কর্মকাণ্ড করে ইসলামকে দোষারোপ করে। আমি বিশ্বের যেখানেই গেছি, এ বিষয়ে কথা উঠলে সব ফোরামে বলেছি, মুষ্টিমেয় লোকের কর্মকাণ্ডে ধর্মকে দোষারোপ করা যায় না। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকে উদ্ধৃত করে বলেন, লেবাসের ইসলাম নয়, আমরা বিশ্বাস করি ইনসাফের ইসলামে। আজ বৃহস্পতিবার (১০ জুন) সারাদেশে নির্মাণাধীন ৫৬০ মডেল মসজিদের মধ্যে কাজ সমাপ্ত হওয়া ৫০টির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন সরকারপ্রধান। মুসলিমরাই জ্ঞান-বিজ্ঞান ও সভ্যতায় এগিয়ে ছিল উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সবকিছুতে মুসলিমরা ছিল পথপ্রদর্শক। তারা কেন আজ পিছিয়ে থাকবে? মুসলিমদের মধ্যে সঠিক ইসলামের জ্ঞান অর্জনে সহায়তা ও তাদের ইতিহাস-ঐতিহ্য জানতে এই মডেল মসজিদ ও ইসলামিক কালচারাল সেন্টার। এখানে তারা মূল কথাটা জানতে ও শিখতে পারবে। ভার্চুয়াল এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন থেকে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাগণ এবং খুলনা জেলা সদর, রংপুরের বদরগঞ্জ ও সিলেটের সুরমা উপজেলা সদর থেকে স্থানীয় সংসদ সদস্য, সরকারি কর্মকর্তা ও মুসল্লিরা সংযুক্ত ছিলেন। শেখ হাসিনা বলেন, আমরা সারাদেশে ৫৬০ মডেল মসজিদ নির্মাণ করছি। এরমধ্যে ৫০টি আজ উদ্বোধন করছি। এই মসজিদ থেকে মানুষ যেন ইসলামের মূল কথাটা শিখতে পারে, জানতে পারে। তিনি বলেন, আমরা চাই, যেন ইসলাম সম্পর্কে সবাই সচেতন হয়। ইসলাম ধর্ম নারীদের অধিকার দিয়েছে। পিতার ও স্বামীর সম্পদে নারীর অধিকার দিয়েছে। এই মসজিদেও নারী-পুরুষের নামাজের ব্যবস্থা আছে। এর মাধ্যমে ধর্মীয় দৃষ্টিতে বাল্যবিয়ে, নারী-শিশুদের নির্যাতন ও মাদকের বিরুদ্ধে মানুষকে সচেতন করতে হবে। এগুলো রোধে সামাজিকভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা ক্ষমতায় এসে হজ যাত্রীদের যাতে কোনো সমস্যা না হয় সে ব্যবস্থা করেছি। যখনি আমি হজে যাই আমাদের হজ যাত্রীদের খোঁজ-খবর নিই। সৌদি আরবের সরকারের সঙ্গে কথা বলে সেগুলো সমাধানও করি। এখন আর হজ যাত্রীদের ভোগান্তি পোহাতে হয় না। ঢাকা বিমানবন্দরের আশকোনা হজ ক্যাম্পেই ইমিগ্রেশনসহ নানা কার্যক্রম শেষ করার সুযোগ রেখেছি। জেদ্দায় নেমে যাতে সমস্যায় না পড়ে সেখানেও হজ্জ অফিস করে দিয়েছি।
প্রধানমন্ত্রী ২০ জুন গৃহহীনদের কাছে আরও ৫৩ হাজার ৩৪০টি বাড়ি হস্তান্তর করবেন
০৯,জুন,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সকল ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে আবাসন সুবিধার আওতায় আনার জন্য সরকারের কর্মসূচির অংশ হিসাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ২০ জুন ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারগুলোর মধ্যে ৫৩ হাজার ৩৪০টি বাড়ি বিতরণ উদ্বোধন করবেন। আজ এখানে জেলার শিবালয় উপজেলার টেওটা ইউনিয়নের আবাসনের সার্বিক অগ্রগতি পরিদর্শন শেষে প্রকল্প পরিচালক মো. মাহবুব হোসেন বলেন, বাড়িগুলোর নির্মাণ কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের দ্বিতীয় ধাপের অধীনে আগামী ২০ জুন তাদের কাছে বাড়িগুলো হস্তান্তর করবেন। তিনি আরও বলেন, এখানে টেওটা ইউনিয়নে মোট ২৪টি পরিবার বাড়ি পাবে। এসময় মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসক এস এম ফেরদৌস, প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব হাসান জাহিদ তুষার, শিবালয় উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা রেজাউর রহমান খান ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার জেসমিন সুলতানা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। প্রতিটি বাড়ি ২ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে উল্লেখ করে মাহবুব বলেন, নতুন বাড়িতে তাদের জিনিসপত্র স্থানান্তরের জন্য সমতল জমির প্রতি বাড়ির মালিক ৫ হাজার টাকা এবং পাহাড়ি ও হাওর অঞ্চলে ৭ হাজার টাকা করে পাবেন। এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে গত ২৩ জানুয়ারি প্রকল্পের প্রথম ধাপে গৃহহীন ও ভূমিহীন পরিবারগুলোর কাছে ৬৯ হাজার ৯০৪ টি বাড়ি হস্তান্তর করেছেন। প্রকল্প পরিচালক জানিয়েছেন, প্রথম ধাপের আওতায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ণ প্রকল্পটি মুজিব বর্ষে ২১ জেলার ৩৬টি উপজেলায় ৭৪৩টি ব্যারাক নির্মাণ করে ৩ হাজার ৭১৫ টি পরিবারকে পুনর্বাসিত করেছে। তিনি বলেন, আশ্রয়ণ প্রকল্প ২০২০ সালে ৮ লাখ ৮৫ হাজার ৬২২টি পরিবারের তালিকা তৈরি করে, যার মধ্যে ২ লাখ ৯৩ হাজার ৩৬১টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার এবং ৫ লাখ ৯২ হাজার ২৬১টি পরিবার রয়েছে যাদের ১-১০ শতাংশ ভূমি আছে, কিন্তু আবাসনের ব্যবস্থা নেই। তিনি আরও বলেন, ১৯৯৭ সাল থেকে আশ্রয়ণের মাধ্যমে প্রায় ৪ লাখ ৭৫ হাজার পরিবার পুনর্বাসিত হয়েছে এবং ২০২০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ৩ লাখ ২০ হাজার ৫৮টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার পুনর্বাসিত হয়েছে। মাহবুব বলেন, আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের (জুলাই ২০১০-জুন ২০২২) আওতায় ৪ হাজার ৮৪০.২৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ২ লাখ ৫০ হাজার ভূমিহীন, গৃহহীন ও বাস্তচ্যুত পরিবারকে পুনর্বাসন করার লক্ষ্য রয়েছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ উপহার হিসাবে সরকার কক্সবাজারের খুরুশকুলে ৬০০ পরিবারের জন্য ২০টি পাঁচতলা ভবনও নির্মাণ করেছে যারা জলবায়ু উদ্বাস্তু। তিনি আরও বলেন, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ বিশদ প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) এর মাধ্যমে আরও ১১৯ টি বহুতল ভবন নির্মান এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকা- বাস্তবায়ন করছে। প্রকল্প পরিচালক জানান, পুনর্বাসিত পরিবারগুলোর সদস্যদেরকে আয়-বৃদ্ধির কাজে নিয়োজিত রাখতে তারা বিভিন্ন বিষয়ে সচেতনতা, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের বিষয়ে প্রশিক্ষণ পাচ্ছেন। মাহবুব বলেন, ভিশন ২০২১ বাস্তবায়ন এবং ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের জন্য দারিদ্র্য দূরীকরণে ভবিষ্যতে প্রকল্পের কার্যক্রম আরও ত্বরান্বিত করা হবে।
প্রধানমন্ত্রী অর্ধশত মডেল মসজিদের উদ্বোধন করবেন কাল
০৯,জুন,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সারাদেশে নির্মিত ৫৬০টি মডেল মসজিদের মধ্যে ৫০টি উদ্বোধনের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী শেখা হাসিনা ভার্চুয়ালি এসব মসজিদের উদ্বোধন করবেন। ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে। মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় একটি করে মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপন শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় মুজিববর্ষ উপলক্ষে মোট ৫৬০টি মসজিদ নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রথম পর্যায়ে ৫০টি মডেল মসজিদের নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার যে ৫০টি উপজেলায় মডেল মসজিদ উদ্বোধন করা হবে সেগুলো হলো: ঢাকার সাভার, ফরিদপুরে মধুখালী, সালথায়, কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া ও কুলিয়ারচর, মানিকগঞ্জের শিবালয়, রাজবাড়ী সদর, শরীয়তপুর সদর ও গোসাইরহাট, বগুড়ার সারিয়াকান্দি, শেরপুর ও কাহালু, নওগাঁর সাপাহার ও পোরশা, সিরাজগঞ্জ জেলা সদর ও উপজেলা সদর, পাবনার চাটমোহর, রাজশাহীর গোদাগাড়ী ও পবা, দিনাজপুরের খানসামা ও বিরল, লালমনিরহাটের পাটগ্রাম, পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ ও উপজেলা সদর, রংপুর জেলা সদর, মিঠাপুকুর, উপজেলা সদর, পীরগঞ্জ, বদরগঞ্জ, ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর, নোয়াখালীর সুবর্ণচর, ময়মনসিংহের গফরগাঁও ও তারাকান্দা, চট্টগ্রাম জেলা সদর, লোহাগড়া, মিরসরাই ও সন্দ্বীপ, জামালপুরের ইসলামপুর ও উপজেলা সদর উপজেলা, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর ও বিজয়নগরে, ভোলা সদর, সিলেটের দক্ষিণ সুরমা, কুমিল্লার দাউদকান্দি, খাগড়াছড়ির পানছড়ি, কুষ্টিয়া সদর, খুলনার জেলা সদর, চাঁদপুরের কচুয়া, ঝালকাঠির রাজাপুর এবং চুয়াডাঙ্গা সদর। সূত্র: সমকাল
পদ্মা সেতু দিয়ে আগামী জুনেই চলবে গাড়ি
০৯,জুন,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দুর্বারগতিতে এগিয়ে চলেছে স্বপ্নের পদ্মা সেতু নির্মাণের কাজ। সবকিছু ঠিকঠাক চললে আগামী বছরের জুনেই পদ্মা সেতু দিয়ে চলবে গাড়ি। এতে দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষের যুগের পর যুগ ধরে যাতায়াতের চরম দুর্ভোগের অবসান ঘটবে। মঙ্গলবার সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, পদ্মা সেতুর জাজিরা প্রান্তের সব রোডওয়ে স্ল্যাব বসে গেছে। সেতুর রেলওয়ে স্ল্যাব বসানো হয়েছে দুই হাজার ৮৪৭টি। আর এক হাজার ৩১২টি স্ট্রিনজারের মধ্যে বসানো বাকি মাত্র ১৬টি। এই কাজ সম্পন্ন করতে চলছে মহাকর্মযজ্ঞ। এতে সেতুটি যানচলাচল উপযোগী হওয়ার আরেক ধাপ এগিয়ে গেল। সেতু বিভাগ আশা করছে, সব কাজ ঠিকমতো এগোলে আগামী বছরের জুনে সেতুটি যানবাহন চলাচলের জন্য খুলে দেয়া হবে। একই দিন ট্রেন চালুরও লক্ষ্য আছে। যদিও ট্রেন চালুর বিষয়টি অনিশ্চিত। পদ্মা বহুমুখী সেতু প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রজব আলী জানান, সেতুর বাকি স্ল্যাবগুলো ইয়ার্ড থেকে সড়কপথে মাওয়ার ১ নম্বর পিয়ার দিয়ে উঠবে। ভরা বর্ষা মৌসুমেও উত্তাল পদ্মার ওপরে সেতুর কাজ চলবে পুরোদমে। ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ চার লেনের পদ্মা সেতুর দুই প্রান্তের ৩ দশমিক ১৪ কিলোমিটারের সংযোগ সেতু দুই লেন করে সড়কে যুক্ত হবে। তিন ভাগে ছয় লেন ইতোমধ্যে যুক্ত হয়ে গেছে। অপরদিকে পদ্মা সেতু প্রকল্পের পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, বৃষ্টি ও বন্যায় কোনো সমস্যা না হলে সড়ক ও রেলপথের স্ল্যাব বসানোর কাজ সেপ্টেম্বরেই শেষ হবে। এরপর চাইলে হেঁটেই সেতু পার হওয়া যাবে। আমরা আশা করছি, আগামী জুনেই পদ্মা সেতু চালু করা যাবে।
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্ট বিল, ২০২১ এর রিপোর্ট চূড়ান্ত
০৮,জুন,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভায় সংসদে উপস্থাপনের জন্য বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্ট বিল, ২০২১ এর রিপোর্ট চূড়ান্ত করা হয়েছে। কমিটির সভাপতি হাসানুল হক ইনুর সভাপতিত্বে আজ সংসদে ভবনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। কমিটির সদস্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসান, বেগম সিমিন হোসেন (রিমি), সাইমুম সরওয়ার কমল, মোহাম্মদ এবাদুল করিম ও খঃ মমতা হেনা লাভলী সভায় অংশগ্রহণ করেন। সভায় কমিটির ৭ম বৈঠকের কার্যবিবরনী নিশ্চিতকরণ ও সিদ্ধান্তসমূহের বাস্তবায়ন অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। কমিটি বাংলাদেশ বেতারের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পদোন্নতি জট নিরসনে বেতারের অর্গানোগ্রাম আগামী ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে চূড়ান্ত করে তথ্য মন্ত্রণালয়ে প্রেরণের সুপারিশ করে। সভায় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্ট বিল, ২০২১ সম্পর্কে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বিস্তারিত আলোচনা হয়। কতিপয় ধারা সংশোধন করে বিলটি সংসদে উত্থাপনের জন্য কমিটি সুপারিশ করে। সভায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মকবুল হোসেন, তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য অফিসার সুরথ কুমার সরকার, বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক সোহরাব হোসেন ও বাংলাদেশ বেতারের মহাপরিচালক আহম্মদ কামরুজ্জামানসহ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন সংস্থার প্রধানগণ, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বাংলাদেশ সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
একনেকে গান গাইলেন প্রধানমন্ত্রী
০৮,জুন,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় কুড়িগ্রামের চিলমারীতে নদীবন্দর নির্মাণ প্রকল্পের বিষয়ে আলোচনা করতে গিয়ে গান গেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সুরে সুরে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, হাঁকাও গাড়ি ভাই চিলমারী বন্দর। মঙ্গলবার (৮ জুন) দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি কক্ষে একনেক সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এ তথ্য জানান। পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, চিলমারী কিন্তু একসময় বিখ্যাত বন্দর ছিল। দেশভাগের পর আসামের সঙ্গে লিংক নষ্ট হওয়ায় গুরুত্ব কমে গেছে। এখন যেহেতু আমরা আঞ্চলিক ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়াচ্ছি, প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের সঙ্গেও বাড়াচ্ছি। চিলমারী বন্দরটা আবার আগের জায়গায় যাবে। তখনই প্রধানমন্ত্রী আমাদের মনে করিয়ে দিলেন, হাঁকাও গাড়ি ভাই চিলমারী বন্দর। একনেক সূত্র জানায়, নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের চিলমারী এলাকায় (রমনা, জোড়গাছ, নয়ারহাট) নদীবন্দর নির্মাণ প্রকল্পটি ২৩৫ কোটি ৫৯ লাখ টাকা খরচে ২০২১ সালের জুলাই থেকে ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মেয়াদে বাস্তবায়ন করা হবে।

জাতীয় পাতার আরো খবর