মঙ্গলবার, অক্টোবর ১৯, ২০২১
নির্বাচন প্রতিযোগিতামূলক, অবাধ ও নিরপেক্ষ হবে: সিইসি
৩১জানুয়ারী,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচন প্রতিযোগিতামূলক, অবাধ ও নিরপেক্ষ হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার নূরুল হুদা। তিনি বলেছেন, আমরা পক্ষপাতদুষ্ট নির্বাচন করিনি, করবো না। শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজে ইভিএমসহ নির্বাচনীসামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এক প্রশ্নের জবাবে সিইসি আরও বলেন, এই দেশে নির্বাচন কমিশনের প্রতি রাজনৈতিক দলের আস্থা কোনোদিন দেখিনি। কমিশনের ওপর রাজনৈতিক দলগুলোর আস্থা-অনাস্থা তাদের মানসিকতার ওপর নির্ভর করে। সুতরাং যারা ক্ষমতায় আছেন তাদের বক্তব্য একরকম হবে আর অন্য দলের ইসির ওপর আস্থা আসবে না- এটা দেশের পকিটিক্যাল কালচার হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি বলেন, সিটি নির্বাচন উপলক্ষে পর্যাপ্ত সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য আছে, নিরাপত্তার দিক থেকে কোনো অসুবিধা হবে না। ভোটাররা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন- এটাও বিশ্বাস করি না। ঢাকা সিটির সব ভোটারকে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে নূরুল হুদা বলেন, আগামীকাল নিরাপদে ভোট হবে, বিশেষ করে ইভিএমে ভোট হবে। প্রিজাইডিং অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ইভিএম বিষয়ে যথেষ্ঠ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তারা যেকোনো সাহায্য-সহযোগিতা করবেন। ভোটাররা নিজেদের ইচ্ছামতো ইভিএমের মাধ্যমে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন এই আহ্বান জানাই আমি। কেন্দ্রে বহিরাগতরা প্রবেশ করে সমস্যা করতে চাইলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়ে সিইসি নূরুল হুদা বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বলেছি, তারা যেন নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটরা তাদের দায়িত্ব পালন করবেন। প্রার্থীরা নিজেদের ইচ্ছামতো প্রচারণা চালিয়েছেন। আমি মনে করি, তাতে ভোটারদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ ও আস্থার সৃষ্টি হয়েছে।
আমরা শিক্ষায় বৈষম্য কমাতে চাই: পরিকল্পনা মন্ত্রী
৩১জানুয়ারী,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পরিকল্পনা মন্ত্রী এমএ মান্নান বলেছেন, আমরা সমন্বিত শিক্ষাব্যবস্থা চালু করে ব্রিটিশদের তৈরি কেরানিগিরির শিক্ষাব্যবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে চাই। আমরা চাই শিক্ষায় বৈষম্য কমাতে। তবে সমন্বিত শিক্ষাব্যবস্থার জন্য আমরা মিলিটারি হুকুম বা শক্তি দেখাব না। শিক্ষার্থী ও জনতার সমর্থনে শিক্ষায় সমন্বিত ব্যবস্থা ও সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা চালু করব। এ লক্ষ্যে সরকার গভীর চিন্তা-ভাবনা করে কাজ করছে। সারাদেশে শিক্ষা বিস্তারে বিস্ফোরণ ঘটেছে। শুক্রবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে সুনামগঞ্জ জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের দেশের অনেক সরকারি চাকুরে আছেন যারা দায়িত্ব পালন করতে চান না। পোস্টিং একটু দূরে হলেই যেতে চান না। এসব কাজ নিন্দনীয়। এম এ মান্নান বলেন, আমাদের দেশের মানুষ স্বাধীন। আমাদের আয় বাড়ছে। আমরা সমুদ্রে ট্যানেল বানাচ্ছি। আকাশে উপগ্রহ পাঠিয়েছি। পায়রা সমুদ্র বন্দর ও রূপপুরে পারমাণবিক বিদ্যুকেন্দ্র করছি। এই বিদ্যুৎ আমাদের হাওরে, পাহাড়ে, উপকূলে সর্বত্র পৌঁছে যাবে। কোনো ব্রিটিশ, পাঞ্জাবি, মোগল, সেন, পাঠান আর নেই। আমাদের শাসক আমরাই। তাই আমাদের উন্নয়নে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরও বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট শামীমা শাহরিয়ার, পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম। পরে মন্ত্রী জেলা শহরের সরকারি এসসি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়েও বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন।- আলোকিত বাংলাদেশ
চীন থেকে বাংলাদেশিদের আনতে যাচ্ছে বিমান
৩১জানুয়ারী,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রাণঘাতি করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে চীনের উহান শহরে আটকে পড়া তিন শতাধিক বাংলাদেশিকে দেশে ফিরিয়ে আনা হচ্ছে। আজ শুক্রবার দুপুরে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইট তাদের আনতে চীনের উদ্দেশে রওনা হবে। সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান-আইইডিসিআরের পরিচালক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এই ৩৪১ জনকে এনে প্রথমে আশকোনার হজ ক্যাম্পে রাখা হবে। তিনি আরও বলেন, উহানে আটকে পড়া বাংলাদেশিদের ফিরিয়ে আনার বিষয়টি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেখভাল করছে। আমাদের যেভাবে বলা হচ্ছে সেভাবেই প্রস্তুতি গ্রহণ করছি। সে প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আইইডিসিআরের সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মুশতাক হোসেন ইতিমধ্যে কাজে নেমেছেন। সংস্থাটি এই সঙ্কটে তার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাচ্ছে। মুশতাক হোসেন বৃহস্পতিবার রাতে গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আইইডিসিআর থেকে আমাকে শুক্রবার সকাল ৯টায় এয়ারপোর্টে যেতে বলা হয়েছে। সেখান থেকে আমরা হজ ক্যাম্পে যাব। তিনি আরও বলেন, তাদের দেশে আনার পর কোথায় রাখা হবে, কিভাবে রাখা হবে, সার্বিক বিষয় সরেজমিনে দেখার জন্য যেতে বলা হয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন বৃহস্পতিবার বিকেলে সাংবাদিকদের বলেছিলেন, চীনের অনুমতি পেলে বাংলাদেশিদের ফেরত আনার জন্য উড়োজাহাজ তৈরি রাখা হয়েছে। তাদের আলাদাভাবে রাখতে হাসপাতালে বিশেষ আয়োজন করেছি। আনার পরে দায়িত্ব স্বাস্থ্যমন্ত্রীর। তবে প্রাণঘাতী এই ভাইরাস চীনের সব অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়লেও দেশটিতে থাকা বাংলাদেশি কেউ এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হননি বলেও জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী। প্রসঙ্গত, গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের উহান শহরে প্রথম এই ভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত করা হয়। এরপর দেশটির সীমানা পেরিয়ে এই ভাইরাস বিশ্বের ১৯টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। চীনের বাইরে ৯১ জনের দেহে করোনাভাইরাস সংক্রমণের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তবে চীনের বাইরে এ ভাইরাসে কারও মৃত্যুর তথ্য এখন পর্যন্ত আসেনি।
তথ্য কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পেলেন আবদুল মালেক
৩০জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: সাবেক সচিব আবদুল মালেককে সিনিয়র সচিবের মর্যাদায় তথ্য কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি এ নিয়োগ দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়েছে। তথ্য কমিশনার হিসেবে আবদুল মালেক যোগদানের তারিখ থেকে এ পদে অধিষ্ঠিত থাকাকালীন সিনিয়র সচিব পদমর্যাদায় পারিশ্রমিক, ভাতা ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক সুবিধা প্রাপ্য হবেন বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে। বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা মালেক ইতোপূর্বে তথ্য মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সচিব, প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিবসহ সচিবালয় ও মাঠ প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন।
রাজনীতিতে এখন বনিকায়ন চলছে: তথ্য মন্ত্রী
৩০জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিনিধি,চট্টগ্রাম,নিউজ একাত্তর ডট কম: তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, রাজনীতি একটি ব্রত। রাজনীতিবিদের ব্রত নিয়ে রাজনীতি করতে হবে। রাজনীতি এখন রাজনীতিবিদের মধ্যে নেই। রাজনীতিতে এখন বনিকায়ন শুরু হয়েছে। এটা শুরু করেছে তারেক রহমান। বিএনপির বড় নেতারা মির্জা ফখরুল, মওদূদ , রিজভী এরা সবাই রাজনীতির হাটে বিভিন্ন সময় বেচা কেনা হয়েছেন। মন্ত্রী আজ চট্টগ্রাম এলজিইডি ভবনে চট্টগ্রাম, উওর জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত চট্টগ্রাম উওর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য , বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল আলম চৌধুরীর ১ম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণ সভায় প্রধান আলোচকের বক্তব্যে এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, সবাই এখন সুবিধার রাজনীতি করছেন। এটা রাজনীতির জন্য অবক্ষয়। এটা সব দলকে স্পর্শ করছে। জাতির পিতার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, জাতির পিতা ব্রত নিয়ে রাজনীতি করেছেন। রাজনীতি করলে সংসার হয় না। জাতির জনক সংসার পেতেছিলেন কিন্তু সংসার করতে পারেননি। নুরুল আলম চৌধুরীও ব্রত নিয়ে রাজনীতি করেছেন। রাজনীতি দেশ সেবার জন্য উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এখন ছোট নেতারও অনেক সম্পদ। তারা রাজনীতি করে স্বার্থের জন্য। এরা রাজনীতিবিদ নয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন বলেন, নুরুল আলম চৌধুরী একজন স্বচ্ছ রাজনীতিবিদের দৃষ্টান্ত। তাঁর রাজনৈতিক জীবন থেকে এ প্রজন্মের রাজনৈতিক নেতাদের অনেক কিছু শিক্ষা নেওয়ার প্রয়োজন আছে। সততা ও দক্ষতার সঙ্গে তাঁর রাজনৈতিক জীবন তিনি সম্পন্ন করেছেন। তার মৃত্যুতে চট্টগ্রামের রাজনৈতিক অঙ্গনের শুণ্যতা অপুরনীয়। তিনি একজন রাষ্ট্রদূত ছিলেন কিন্তু রাজনৈতিক নেতাদের সাথে তিনি কাঁধে কাধ মিলিয়ে রাজনীতি করেছেন। তিনি জাতির পিতার আদর্শ ধারন ও লালন করে রাজনীতি করেছেন। জাতির জনককে মনেপ্রাণে ভালোবাসতেন। তিনি বলেন, এ যুগের নেতাদের মধ্যে ত্যাগী মনোভাব নেই। এখন দেশে রাজনীতি চলছে পদ পদবি পাওয়ার জন্য। নুরুল আলম চৌধুরী রাজনীতি করে আলোকিত করেছেন ফটিকছড়ি ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগকে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে রাজনীতি করে তিনি চট্টগ্রামের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। তিনি জাতির পিতার ঘনিষ্ঠ সহচর ছিলেন। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উত্তর জেলা আওয়াম লীগের সভাপতি এম এ সালাম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন, সংসদ সদস্য খাদিজাতুল আনোয়ার সানি, উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান আতা, মরহুমের ছেলে সাকিব চৌধুরী, উওর জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দিলোয়ারা ইউসুফসহ চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বক্তৃতা করেন।
তরুণদের নিতে হবে সমৃদ্ধ দেশ গড়ার দায়িত্ব : প্রধানমন্ত্রী
৩০জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার যে প্রত্যয় নিয়েছিলেন তা বাস্তবায়নে তরুণ ও যুব সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে। উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ গড়ার দায়িত্ব তাদেরকেই নিতে হবে। আজ বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সফল আত্মকর্মী ও যুব সংগঠনের মাঝে জাতীয় যুব পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দীর্ঘ ত্যাগ তিতিক্ষার বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতার সুফল যেন সবাই পায়, যুব সমাজ যেন আত্মনির্ভশীল হতে পারে সে চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে সরকার। তিনি বলেন, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে যুবকদের জন্য কর্মসংস্থান ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেছিল। তারই ধারাবাহিকতায় তরণদের এগিয়ে নিতে বিনা জামানতে ঋণ দিচ্ছে সরকার। শুধু চাকরি নয়, খেলাধুলাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তরুণরা যাতে এগিয়ে যেতে পারে সরকার তার ব্যবস্থা করছে। তরুণদের চিন্তা ও মেধার বিকাশ ঘটাতে সরকারের নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, মানসিক শক্তি বিকাশে ক্লাস সিক্স থেকে তরুণদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হচ্ছে। ন্যাশনাল সার্ভিসের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। সারাদেশে ২ হাজার ৮০০ ডিজিটাল সেন্টার করা হয়েছে, যাতে ফ্রিল্যান্সিক খাতে আমাদের সন্তানরা এগিয়ে যেতে পারে। উদ্যোক্তা হওয়ার প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের সন্তানরা পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মেধাবী। তারা চাইলে যেকোনো অসাধ্যকে সাধন করতে পারে। চাকরি নেয়া নয়, দেয়ার মানসিকতা ও দক্ষতা অর্জন করতে হবে। মুজিববর্ষের মধ্যেই কেউ যাতে বেকার না থেকে সে চেষ্টা চালাচ্ছে সরকার। শুধু ছেলে নয়, মেয়েদেরও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে জানিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, সকল ডিজিটাল সেন্টারে ছেলেদের পাশাপাশি মেয়েদেরও কাজ করার সুযোগ আছে। যুব সমাজকে আত্মনির্ভরশীল করে তুলতে বেসরকারিভাবে প্রশিক্ষণের পাশপাশি সমাজ কল্যাণ ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং যুব উন্নয়ন বিভিন্ন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছে। এগুলো কাজে লাগাতে পারলে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠিত হবে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।
করোনা আক্রান্ত সন্দেহে বাংলাদেশিকে হাসপাতালে ভর্তি
৩০জানুয়ারী,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাস আক্রান্ত সন্দেহে চীন থেকে আসা এক বাংলাদেশি নাগরিককে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাকে। জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে চীন থেকে আসা এই যাত্রীর অতিরিক্ত তাপমাত্রা (জ্বর) ধরা পড়ে বিমানবন্দরের থার্মাল স্ক্যানারে। এরপর তাকে পর্যবেক্ষণের জন্য সরকারি অ্যাম্বুলেন্সে করে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এ বিষয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের হেলথ সেন্টারের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শাহরিয়ায় সাজ্জাদ বলেন, করোনার প্রাথমিক কিছু লক্ষণ থাকায় চীন থেকে আসা এক বাংলাদেশিকে আমরা কুর্মিটোলা হাসপাতালে পাঠিয়েছি। হাসপাতালে আরও পরীক্ষার পর এ ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া যাবে।-আলোকিত বাংলাদেশ
অনেক প্রতিশ্রুতি পাই, সহায়তা পাই না
২৯জানুয়ারী,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তন প্রভাব মোকাবিলায় অনেক দেশ, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা ও উন্নত দেশের প্রতিশ্রুতি পেলেও সহায়তা পাওয়া যায় না। অথচ জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য বাংলাদেশ দায়ী না হলেও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এজন্য দায়ীদেরই বেশি দায়িত্ব পালন করা উচিত বলে মনে করেন তিনি বুধবার (২৯ জানুয়ারি) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম ২০২০ (বিডিএফ) উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় নিজস্ব অর্থেই তহবিল গঠন করা হয়েছে বলেও উন্নয়ন সহযোগীদের জানান প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে খুব বেশি শর্ত না দিয়ে উন্নয়ন সহযোগীদের সহায়তা দেওয়া প্রয়োজন। বাংলাদেশ ১৯৪১ সালে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে উন্নত ও সমৃদ্ধশালী হবে। দারিদ্র নিরসনে বিশ্বেও উদাহরণ তৈরি করেছে বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধুর স্বাধীন করা দেশে মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করছে আওয়ামী লীগ। প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি দেশকে গড়ে তুলতে গেলে যেমন একটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের দরকার, তেমনি একটি পরিকল্পনাও দরকার। প্রতিটি রাজনৈতিক দলেরই একটি পরিকল্পনা থাকবে যে দেশটাকে তারা কীভাবে গড়তে চায়। সেভাবেই তারা দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করবে। আমরা সেই কাজটিই করেছি। তিনি বলেন, ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর আমরা একটি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করি। সেটি ছিল ৬ষ্ঠ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা। পাশাপাশি আমরা একটি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নেই ২০১০ থেকে ২০২০, এর মধ্যে বাংলাদেশকে আমরা কীভাবে আমরা গড়তে চাই। এ লক্ষ্যে আমরা রূপকল্প ২০২১ প্রণয়ন করি। রূপকল্পে আমরা দেশের মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণকে অগ্রাধিকার দিয়ে পরিকল্পনা প্রণয়ন করি। আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নের দিক তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি মানুষও গৃহহারা থাকবে না, না খেয়ে থাকবে না, বিনা চিকিৎসায় মারা যাবে না। সে লক্ষ্যে কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। কমিউনিটি ক্লিনিক তৈরি করে মানুষকে স্বাস্থ্য সেবা দেওয়া হচ্ছে। হাওড়, চর ও পাহাড়ী এলাকায় আবাসিক স্কুল তৈরি করা হচ্ছে। যাতে শিশুরা সেখানে থেকে পড়াশুনা করতে পারে। কারিগরি শিক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, প্রতিটি উপজেলায় কারিগরি স্কুল করে দিচ্ছি। সাড়ে ৩ হাজার ইউনিয়নে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপন করা হয়েছে। ই-গভর্নেন্স চালু করা হয়েছে। ডিজিটাল ইউনিয়ন সেন্টার চালু করা হয়েছে। ঘরে বসেই অনলাইনে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছে মানুষ। লার্নিং এন্ড আর্নিং কমসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এসব কর্মসূচি টেকসই করতে আর্থিক সহযোগিতা প্রয়োজন। অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশীয় ভাইস প্রেসিডেন্ট হার্ডউইগ স্কেফার, জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী মিয়া সেপ্পো, এডিবির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট শিক্সিন চেন জাইকার সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মি. জুনিচি ইয়ামাদা, এছাড়া ৩০ থেকে ৪০টি উন্নয়ন সহযোগি সংস্থা ও দেশের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। দুই বছর পর আবার হচ্ছে বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম সম্মেলন (বিডিএফ)। এবারের সম্মেলনের শ্লোগান, কার্যকর অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে টেকসই উন্নয়ন। সম্মেলনে সরকার এবং দাতাগোষ্ঠীর অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা ও বাংলাদেশের মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার বিষয়গুলো তুলে ধরা হবে। গত ২৭ জানুয়ারি সাংবাদিকদের এসব জানান, ইআরডি সচিব মনোয়ার আহমেদ। দুই বছর পর আবার হচ্ছে বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম সম্মেলন (বিডিএফ)। এবারের সম্মেলনের শ্লোগান, কার্যকর অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে টেকসই উন্নয়ন। সম্মেলনে সরকার এবং দাতাগোষ্ঠীর অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা ও বাংলাদেশের মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার বিষয়গুলো তুলে ধরা হবে। এবারের বিডিএফ সম্মেলন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী স্মরণে উৎসর্গ করা হয়েছে।- আলোকিত বাংলাদেশ
রাজউক নিয়ে টিআইবির প্রতিবেদন উদ্দেশ্যপ্রণোদিত: শ ম রেজাউল করিম
২৯জানুয়ারী,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলছেন, ভুল তথ্যের ভিত্তিতে রাজউককে হেয় করে বাহবা নেয়ার চেষ্টা করেছে টিআইবি। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) দুর্নীতি নিয়ে টিআইবির গবেষণা প্রতিবেদনকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন তিনি। বুধবার (২৯ জানুয়ারি) সচিবালয়ে নিজ দফতরে এক প্রতিক্রিয়ায় সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। এর আগে ধানমন্ডিতে মাইডাস সেন্টারে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) : সুশাসনের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায় শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। টিআইবির প্রতিবেদনে বলা হয়, রাজউকে অধিকাংশ ক্ষেত্রে ছাড়পত্র-নকশা অনুমোদনে দালালের মাধ্যমে চুক্তি হয়ে থাকে। রাজউকের কর্মকর্তা, দালাল ও সেবাগ্রহীতার মধ্যে ত্রিপক্ষীয় আঁতাতের মাধ্যমে চুক্তি করে সুনির্দিষ্ট হারে নিয়মবহির্ভূত অর্থ নেয়া হয়। এ ছাড়া সেবাগ্রহীতা ইমারত নকশা অনুমোদনে সর্বোচ্চ ২ কোটি টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিতে হয়। গণপূর্তমন্ত্রী আরো বলেন, সংবাদপত্রে টিআইবির প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে যে সংবাদ এসেছে সেখান থেকে আমি অবহিত হয়েছি- রাজউকে সেবা নিতে ২ কোটি টাকা পর্যন্ত ঘুষ লাগে। এই বক্তব্যটি কোনোভাবে সত্য নয়, এর কোনো ভিত্তি নেই। এটা সম্পূর্ণরূপে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। জনবান্ধব একটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে হয়তো কারও দেয়া ভুল তথ্যের ভিত্তিতে হেয়প্রতিপন্ন করে আলাদা একটা বাহবা নেয়ার চেষ্টা করেছে তারা। তিনি বলেন, তাদের এই অভিযোগের কী ভিত্তি, সেই ভিত্তি কোথায়? তারা সুস্পষ্টভাবে বলেননি একটি অভিযোগে তারা বলেছেন বিশেষ প্রকল্পের ক্ষেত্রে রিয়েল স্টেট ডেভেলপারকে ১৫ লাখ থেকে ২ কোটি টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিতে হয়। আমি মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করার পর এ জাতীয় কোনো প্রকল্পের অনুমোদনই হয়নি। রেজাউল করিম বলেন, আমি এক বছরের বেশি সময় আগে মন্ত্রী হয়েছি। বিশেষ প্রকল্পে ১৫ লাখ থেকে ২ কোটি টাকা ঘুষ দিতে হয় এই তথ্য তারা কোথায় পেলেন? এই জাতীয় কোনো প্রকল্পই তো পাস করা হয়নি। তিনি বলেন, তারা (টিআইবি) বলেছেন, নিয়োগের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রভাব রয়েছে। আমি মন্ত্রী হওয়ার পর আজ পর্যন্ত কোনো নিয়োগই হয়নি। নিয়োগ না হলে রাজনৈতিক প্রভাবের অবকাশ আসল কোথা থেকে? নিয়োগের জন্য আবেদন করা হয়েছে, আমরা এখন পর্যন্ত এডমিট কার্ডও ইস্যু করিনি। এর ভেতরে তারা বললেন, রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার, এটাতে তারা দুর্নীতির একটি অভিযোগ হিসেবে উত্থাপন করেছেন। গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী আরও বলেন, চাবি প্রদানের ক্ষেত্রে টাকা দিতে হয় বলেছেন- একবারই মাত্র উত্তরা থার্ড ফেজে ফ্ল্যাট বরাদ্দ করা হয়েছে। রাজউকে সংবাদ মাধ্যমকর্মীদের উপস্থিতিতে লটারি করে চাবি দেয়া হয়েছে। কেউ যদি অ্যাবসেন্ট থেকে থাকেন তারা পরবর্তী সময়ে চাবি নিয়েছেন। তাই টাকা নিয়ে দেয়ার কথাটি যথার্থ নয়। টিআইবি ভূমির ছাড়পত্র, আমমোক্তার নামা গ্রহণ ইত্যাদি বিষয়ে টাকা দেয়ার কথা বলেছে জানিয়ে তিনি বলেন, মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর রাজউকে আইন করে দেয়া হয়েছে যে সেবা নিতে গেলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দিতে হবে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে আমরা অটোমেশন পদ্ধতি চালু করেছি। এখন ঘরে বসেও একটি প্ল্যান স্ক্যান করে ল্যাপটপের মাধ্যমে নির্ধারিত অনলাইন পদ্ধতিতে আবেদন করা যায়। সরকারি যে ফি দিতে হয় তা জমা দিয়ে রিসিট ও নম্বর দিলে সেই সেবাটা গ্রহণ করা যায়। ফলে এক্ষেত্রে আলাদা ঘুষ দেয়ার অভিযোগ আসার কোনো যৌক্তিকতা নেই। তিনি বলেন, তারা দালালের কথা বলেছেন- একটা সময় রাজউক দালাল পরিবেষ্টিত থাকার অভিযোগ ছিল। বেশ কিছু দালালকে গ্রেফতার ও ফৌজদারি মামলা করা হয়েছে, এরমধ্যে অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তিরাও রয়েছেন। যারা রাজউকের পরিত্যক্ত কক্ষের মধ্যে আলাদা অফিস করে সেখানে কমিশনারের প্যাড-সিল ব্যবহারের মাধ্যমে বিভিন্ন কর্মকাণ্ড করতেন। দৃশ্যমানভাবে বলা যেতে পারে রাজউকে এখন দালালের উপস্থিতি নেই। তিনি বলেন, এরপরও যদি সুনির্দিষ্টভাবে তারা অভিযোগদাতার কথা আমাদের বলতেন আমরা তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারতাম। এ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে আমি দ্ব্যর্থহীনভাবে বলতে পারি- রাজউকে নতুন চেয়ারম্যান এসেছেন। উনি স্বচ্ছতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করছেন। মন্ত্রী বলেন,আশা করব টিআইবি এ জাতীয় কোনো অভিযোগ আনার আগে আমাদেরকেও জানাবে, কী অভিযোগ পেয়েছেন, কাদের কাছ থেকে। টিআইবি কখনও রাজউক ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়কে আত্মপক্ষ সমর্থনে কোনো অভিযোগের বিষয়ে জানায়নি। যদি জানাতো তবে নিশ্চয়ই তাদেরকে আমরা সাহায্য করতে পারতাম। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের কথা বলেছেন। আমরা সেটাকে শক্ত ও কঠোরভাবে ধারণ করেছি। অনিয়ম যে সব দূর হয়ে গেছে, এ কথা বলা যাবে না। তবে যে সব দুর্নীতির অভিযোগ ছিল এর অধিকাংশই আমরা বিনাশ করেছি। আগামীতেও করতে চাই। আনুষ্ঠানিকভাবে টিআইবির কাছে কোনো প্রতিবাদ জানানো হবে কিনা- জানতে চাইলে রেজাউল করিম বলেন, টিআইবি এমন কোনো প্রতিষ্ঠান নয় যে তাদেরকে আনুষ্ঠারিকভাবে...তারাই তো আমাকে কোনো অভিযোগ জানায়নি। তারা অনুমানভিত্তিক করেছে, আমরা গণমাধ্যম থেকে জেনেছি। সেজন্য গণমাধ্যমের মাধ্যমেই জানালাম তাদের অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই, অসত্য ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। মানহানীর মামলা বা অভিযোগ করবেন কিনা জানতে চাইলে বলেন, বিষয়টি আজকেই জেনেছি। আমরা বিষয়গুলো আরও গভীরভাবে পর্যালোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করব। দুর্নীতি বন্ধে এর আগে দুদকের সুপারিশ কতটা বাস্তবায়ন করা হয়েছে- জানতে চাইলে পূর্তমন্ত্রী বলেন, দুদক আমাদের কিছু গাইডলাইন দিয়েছিল, এর প্রেক্ষিতে আমরা ১৪ দফা নির্দেশনা দিয়েছি। সেই নির্দেশনার আলোকে চলমান কর্মকাণ্ডে অনেক বেশি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা এসেছে।

জাতীয় পাতার আরো খবর