প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে পাট পণ্যের বিস্তার ঘটেছে
০৬মার্চ,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:গত অর্থবছরের তুলনায় চলতি অর্থবছরে পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি আয় ২০ দশমিক ৮২ শতাংশ বেড়েছে বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী। শুক্রবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর অফিসার্স ক্লাবে পাট দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। পাটমন্ত্রী বলেন, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত সময়ে পাট ও পাটজাত পণ্যে ৬শ ১৬ দশমিক ২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের রপ্তানি আয় করেছি আমরা। এই আয় গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ২০ দশমিক ৮২ শতাংশ বেশি। প্রতিবছর ৬ মার্চকে জাতীয় পাট দিবস ঘোষণা দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে অনেক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়ে গোলাম দস্তগীর গাজী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে পাট পণ্যের বিস্তার ঘটেছে। অনেকে আগে বলতো পাট মরে গেছে, কিন্তু এখন থেকে মনে করতে হবে পাঠ জেগে উঠেছে। বাংলাদেশ ২৮২টি পাটজাত পণ্য উৎপাদন করছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, প্লাস্টিকের অতি ব্যবহারের ফলে পরিবেশের ক্ষতি বেড়েছে। পরিবেশ রক্ষায় পাটের তৈরি বহুমুখী পাটপণ্য উৎপাদন করছে বাংলাদেশ। আমরা ইতোমধ্যে ২৮২টি বহুমুখী পণ্য উৎপাদন করছি। যা অনেকেই জানেন না। তাদের কাছে অনুরোধ আপনারা পাট মেলায় যাবেন এবং পাট সম্পর্কে জানবেন। সেখানে গেলে কোনো না কোনো পণ্য আপনাদের পছন্দ হবেই। এ বিশ্বাস আমাদের আছে। এ সময় পাটখাতে অংশীজন সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন মন্ত্রী। অনুষ্ঠান শেষে চার দিনব্যাপী পাট মেলার উদ্বোধন ঘোষণা করেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর। এসময় তিনি মেলা প্রাঙ্গন ঘুরে দেখেন। এর আগে বস্ত্র ও পাট খাতে বিশেষ অবদানের জন্য ১১টি ক্যাটাগরিতে ১১ জনকে পুরস্কৃত করা হয়। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি মির্জা আজম, পাট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) সওদাগর মোস্তাফিজুর রহমানসহ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
মুজিববর্ষের ভাবগাম্ভীর্য বজায় রাখবেন
০৬মার্চ,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনকে ঘিরে কোনো চাঁদাবাজি হলে তা সহ্য করা হবে না বলে হুঁশিয়ার করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। আজ শুক্রবার দলটির বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের যৌথসভায় তিনি এ কথা জানান।সেতমন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে অনুরোধ করবো যেকোনও পরিস্থিতিতে মাথা ঠাণ্ডা করে, এই মুজিববর্ষের ভাবগাম্ভীর্য বজায় রাখবেন। বঙ্গবন্ধু যে বিনয়ের শিক্ষা, ধৈর্য ও ত্যাগের শিক্ষা দিয়ে গেছেন, তা থেকে শিক্ষা নেবেন। মুজিববর্ষ উদযাপনের নামে এলাকায় এমন কোনও আচরণ কারো সঙ্গে করবেন না, যাতে মানুষ কোনও প্রকার হয়রানির শিকার হন ও কষ্ট পান।ওবায়দুল কাদের বলেন, মুজিববর্ষের কোনও অনুষ্ঠান নিয়ে কেউ যেন চাঁদাবাজির দোকান খুলে না বসে। চাঁদাবাজি করে এই অনুষ্ঠান যাতে কেউ না করে। ঘরে ঘরে গিয়ে মুজিববর্ষ করতে হবে, চাঁদা দিতে টাকা হবে ধার্য করবেন, অমুক দোকানদারকে এত দিতে হবে, অমুক ব্যবসায়ীকে অত দিতে হবে, অমুক বাড়িওয়ালাকে এত দিতে হবে, এসব বাড়াবাড়ি কোনও অবস্থায় সহ্য করা হবে না।
মোদিকে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে না দেয়ার ঘোষণা
০৬মার্চ,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে না দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন সমমনা ইসলামী দলগুলোর নেতারা। তারা বলেন, ভারতে মুসলমানদের ওপর মোদি সরকার নির্যাতন, হত্যাকাণ্ড চালাচ্ছে। বাংলাদেশে সম্প্রীতির সুন্দর পরিবেশ বিরাজ করছে। এমন সময় কোনোভাবেই মোদিকে এখানে ঢুকতে দেয়া হবে না।শুক্রবার জুমার নামাজের পর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেইটে বিক্ষোভ সমাবেশে তারা এসব কথা বলেন। এসময় আগামী ১২ই মার্চ বৃহস্পতিবার দেশব্যাপী মানববন্ধনের পাশাপাশি রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থেকে গাবতলী এবং সদরঘাট থেকে টঙ্গি পর্যন্ত মানবপ্রাচীর তৈরির কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মাওলানা নূর হোসাইন কাসেমীর সভাপতিত্বে ৪৮টি সমমনা ইসলামী দলসমূহের নেতারা এ কর্মসূচিতে অংশ নেন।
বাংলাদেশের অর্থনীতির লাইফ লাইন চট্টগ্রাম-বাণিজ্য মন্ত্রী
০৫মার্চ,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাণিজ্য মন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, বাংলাদেশের অর্থনীতির লাইফ লাইন চট্টগ্রাম। বাণিজ্যে বসতি লক্ষী এ লক্ষীর অবস্থান হচ্ছে চট্টগ্রাম। চট্টগ্রামকে বাণিজ্যের উপযোগি করে সাজাতে হবে। আমাদের প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলো চট্টগ্রামের সাথে বাণিজ্য করতে চায়। এতে রেভিনিউ বাড়বে, দেশও উন্নত হবে। মন্ত্রী আজ ৫ মার্চ পলোগ্রাউন্ড মাঠে ২৮তম চট্টগ্রাম আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমন মন্তব্য করেন। চট্টগ্রাম চেম্বার সভাপতি মো: মাহাবুবুল আলম এর সভাপতিত্বে এসময় শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, সংসদ সদস্য এম এ লতিফ, ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এর সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম, সিএমপি কমিশনার মো. মাহাবুবুর রহমানসহ সাবেক চেম্বার পরিচালকগণ ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বাণিজ্য মন্ত্রী বলেন, ১৯৭৫ এর ১৫ আগষ্ট পরাজিত শক্তিরা জাতির জনককে হত্যা করে। তারা কেবল শেখ মুজিবকে হত্যা করেনি, পুরো বাঙ্গালি জাতিকে হত্যা করেছে। ৭৫ এর পর দেশে উন্নয়নতো হয়ইনি, দেশের অর্থনীতি ধ্বংস হয়েছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এখন দেশের সুষম উন্নয়ন করে যাচ্ছেন। তিনি দেশের মানুষের জীবন-জীবিকা নিজের চোখে দেখে রাজনীতি করছেন। তিনি বলেন, এখন উন্নয়ন শহরমূখী নয়। শহর ও গ্রামে সমপর্যায়ে উন্নয়ন হচ্ছে। শহরের সকল সুবিধা গ্রামে পৌঁছে যাচ্ছে। মানুষ ঘরে বসেই সকল ধরণের সুবিধা গ্রহণ করতে সক্ষম হয়েছেন শেখ হাসিনার নেতৃত্বের জন্য। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেন, পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠিকে আমাদের এগিয়ে নিতে হবে। এখন শিক্ষা পাঠ্যপুস্তক নির্ভর নয়, সময় উপযোগি হওয়া প্রয়োজন। পুস্তকনির্ভর ও ক্লাসনির্ভর শিক্ষা থেকে বেরিয়ে কারিগরি শিক্ষা নিতে হবে। জনসংখ্যাকে দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করতে হবে। এসময় ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এর সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম বলেন, করোনাভাইরাসের জন্য বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কোন ধরণের প্রভাব পড়বে না। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মাধ্যমে জানা যায় করোনাভাইরাস যতটা ভয়াবহ মনে হচ্ছে , ততটা ভয়াবহ নয়। চেম্বার সভাপতি মো: মাহাবুবুল আলম বলেন, এবারের মেলায় বেশ নতুনত্ব রয়েছে। মুজিববর্ষ উপলক্ষে মুজিব কর্ণার, জাতির জনকের জীবনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোকচিত্র প্রদর্শনের জন্য থিয়েটার রুম, একটি ভিআইপি লাউঞ্জ ও একটি কনফারেন্স রুম রয়েছে। এতে বঙ্গবন্ধু সংক্রান্ত তথ্যচিত্র, প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান বাতিঘরের সহায়তায় বিভিন্ন বই ও প্রকাশনা প্রদর্শনের ব্যবস্থা থাকছে। এবারের মেলায় ৪ শতাধিক স্টল ও ২০ টি প্রিমিয়ার প্যাভিলিয়ন রয়েছে। মেলায় দেশী বিভিন্ন কোম্পানীর পাশাপাশি থাইল্যান্ড, ভারত, ইরান ও তুরস্ক বিভিন্ন স্টলের মাধ্যমে তাদের নিজস্ব পণ্য বিক্রি ও প্রদর্শন করবে। শিশুদের বিনোদনের জন্য ৩ হাজার ৪ শ ফুটের গেম জোন রাখা হচ্ছে। মেলার সহযোগি পার্টনার থাইল্যান্ড। মাসব্যাপী এ মেলা প্রতিদিন সকাল ১০ টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত চলবে।
করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সরকার কী ব্যবস্থা নিয়েছে : হাইকোর্ট
০৫মার্চ,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে করোনা ভাইরাস। এটি প্রতিরোধে সরকার কী ব্যবস্থা নিয়েছে-তা আগামী সোমবারের মধ্যে জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট। সংবাদমাধ্যমে এ বিষয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন আদালতের নজরে আনার পর আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি এফআরএম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কেএম কামরুল কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ তিনটি মৌখিক নির্দেশনা দেন। সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী ইশরাত হাসান প্রকাশিত প্রতিবেদন আদালতের নজরে আনেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবিএম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার। পরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, বাংলাদেশ করোনা ভাইরাসের ঝুঁকিতে রয়েছে-এই মর্মে প্রকাশিত সংবাদ সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী আদালতের নজরে নিয়ে আসলে, উচ্চ আদালত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে তিনটি মৌখিক নির্দেশনা দিয়েছেন। নির্দেশনার মধ্যে রয়েছে- - স্থল বন্দর, নৌ বন্দর, বিমানবন্দর, বিশেষ করে বিমানবন্দরে যখন বিদেশিরা বাংলাদেশে আগমন করছেন, তখন অভ্যন্তরে প্রবেশের আগে তাদের কী ধরনের পরীক্ষা করা হচ্ছে, যারা পরীক্ষা করছেন তারা প্রশিক্ষিত কি না এবং যে যন্ত্রপাতি দিয়ে পরীক্ষা করা হচ্ছে-সেগুলোর সক্ষমতা রয়েছে কিনা তা জানাতে বলেছেন। - সারা বাংলাদেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে করোনা ভাইরাসের জন্য পৃথক কেবিনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। কিন্তু বেসরকারি হাসপাতালগুলো এখন পর্যন্ত প্রাক প্রস্তুতিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় নাই। আদালত নির্দেশনা দিয়েছেন, সরকারি হাসপাতালের পাশাপাশি সকল বেসরকারি হাসপাতালগুলোতেও করোনা ভাইরাসের জন্য প্রাক প্রস্তুতিমূলক সকল ধরনের ব্যবস্থা (পৃথক কেবিনসহ চিকিৎসকের সরঞ্জাম) গ্রহণ করতে হবে। - প্রত্যেকটি হাসপাতালে বা বন্দরগুলোতে যেখানে শনাক্তের জন্য করোনাভাইরাস পরীক্ষার প্রয়োজন হবে সেখানের জন্য সরঞ্জামগুলো দেশে পর্যাপ্ত রয়েছে কিনা, যদি না থাকে জরুরি ভিত্তিতে আমদানি করার জন্য সরকারকে নির্দেশনা দিয়েছেন। সোমবারের মধ্যে এ বিষয়ে আদালতে জানাতে হবে। এ বিষয়ে কেউ যেন ভীতি সঞ্চার না করে সে বিষয়ে সচেতনতার জন্য জোর তাগিদ দিয়েছেন বলে জানান ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল।
সোনিয়া গান্ধী আসছেন ২৬ মার্চ
০৫মার্চ,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মুজিববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে ২৬ মার্চ ভারতের বিরোধী দল কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী বাংলাদেশ সফরে আসছেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেন বুধবার এ কথা নিশ্চিত করেছেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শততম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করতে বাংলাদেশ সরকার বছরব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। ১৭ মার্চ ঢাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে কর্মসূচি শুরু হবে। এখন তার ক্ষণগণনা চলছে। মুজিব শতবর্ষের অনুষ্ঠানে বিদেশি অতিথিরাও যোগ দেবেন। জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবদুল মোমেন বলেন, বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সারা বছরই বিদেশি অতিথিরা ঢাকায় আসবেন। উৎসবের সূচনায় ১৭ মার্চ ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিসহ অল্পসংখ্যক বিদেশি অতিথি ঢাকায় আসবেন। পর্যায়ক্রমে গণ্যমান্য অতিথিরাও ঢাকায় পৌঁছবেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে যথোপযুক্ত সম্মান জানানো হবে। পাশাপাশি, বাংলাদেশের আশপাশে ভারতের যেসব রাজ্য রয়েছে; ওই সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদেরও ১৭ মার্চের অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানিয়েছি। তবে তারা মূল অনুষ্ঠানের মঞ্চে থাকবেন না। মঞ্চে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশাপাশি ভারতের অতিথিদের মধ্যে শুধু নরেন্দ্র মোদিই উপবিষ্ট থাকবেন। মুজিববর্ষের কর্মসূচিতে যোগ দেয়ার লক্ষ্যে ২২ মার্চ ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি ঢাকায় আসবেন বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেছেন। মুজিববর্ষ উপলক্ষে ওই দিন জাতীয় সংসদের বিশেষ অধিবেশন হওয়ার কথা রয়েছে। অধিবেশনে প্রণব মুখার্জির ভাষণ দেয়ার কর্মসূচি রয়েছে। যদিও প্রণব মুখার্জি শারীরিকভাবে কিছুটা অসুস্থ থাকায় তার সফর নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তাও রয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, করোনা ভাইরাসের কারণে বিদেশি অতিথিদের নিয়ে আসতে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে। অনেক দেশে আন্তর্জাতিক ইভেন্ট বাতিল হচ্ছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে আগামী ২ বছর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে খুব ব্যস্ততা চলছে। প্রস্তুতি নিয়ে বিভিন্ন বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
এখন আর কেউ বাঁকা চোখে তাকাতে পারে না : প্রধানমন্ত্রী
০৫মার্চ,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছি। সেই দেশকে কেউ অবহেলার চোখে দেখবে তা মেনে নিতে পারিনি। তাই যখনই ক্ষমতায় এসেছি দেশের জন্য কাজ করেছি। আজ বাংলাদেশ এগিয়ে গেছে। এখন আর কেউ বাঁকা চোখে তাকাতে পারে না। সেই বাংলাদেশ আজ ডিজিটাল বাংলাদেশে রূপান্তরিত হয়েছে। তিনি আজ বৃহস্পতিবার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ, এনএসটি ফেলোশিপ এবং বিশেষ গবেষণা অনুদান প্রদান- ২০২০ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এ কথা বলেন। শেখ হাসিনা বলেন, আমরা প্রযুক্তিতে উন্নত হয়েছি। এখন সবার হাতে হাতে মোবাইল ফোন। অথচ আগে প্রতি মিনিটে এই মোবাইলে কল করলেও দশ, ধরলেও দশ টাকা দিতে হতো। বাংলাদেশের উন্নয়নে গবেষণার গুরুত্ব উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে বাংলাদেশে স্ট্রবেরি উৎপাদন করা হচ্ছে। আজকে খাদ্যে যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে বাংলাদেশে, সেটাও কিন্তু গবেষণার ফসল। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পাশাপাশি এখন পুষ্টির নিশ্চয়তা নিয়ে কাজ চলছে। মাছ, সবজি উৎপাদনেও আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণ। এসবই হয়েছে গবেষণার জন্য। তিনি গবেষণার মাধ্যমে দেশের মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে গবেষকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, গবেষণাটা সব থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তবে শুধু গবেষণা করলেই চলবে না, গবেষণার ফলাফল কী সেটাও জানতে চাই, সেটা যে দেশের জন্য কাজে লাগছে তা নিশ্চিত হতে হবে। দেশ স্বাধীনের পরেই বঙ্গবন্ধু আধুনিক শিক্ষার ব্যাপারে উদ্যোগ নিয়েছিলেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, মানুষ রোগে মারা গেলে আগে আল্লাহর ওপর চাপিয়ে দিতো, হায়াত নাই তাই বাঁচলো না বলা হতো। এই পরিস্থিতির উন্নয়নে ড. কুদরত ই খুদাকে দিয়ে, একজন বিজ্ঞানীকে দিয়ে, শিক্ষানীতি প্রণয়ন করেন বঙ্গবন্ধু। বিজ্ঞান শিক্ষার প্রতি বঙ্গবন্ধু যে গুরুত্ব দিয়েছিলেন, তা এই ঘটনা থেকেই বোঝা যায়। আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থার যাত্রা শুরু করতেও পদক্ষেপ নিয়েছেন তিনি সেসময়েই। প্রধানমন্ত্রী জানান, এবারের ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৩ হাজার ২০০ জনকে উচ্চশিক্ষার জন্য ১৯ কোটি ৩৮ লাখ টাকার ফেলোশিপ প্রদান করা হচ্ছে। আমরা প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা ট্রাস্ট ফান্ড গঠন করেছি। সেখান থেকেও উচ্চ শিক্ষার জন্য, গবেষণার জন্য অর্থ দিয়ে থাকি।
বিচারককে তাৎক্ষণিক বদলি আইনের শাসন ও বিচারব্যবস্থার জন্য অশনি সংকেত
০৪মার্চ,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)র মামলায় পিরোজপুর-১ আসনের ক্ষমতাসীন দলের সাবেক সংসদ সদস্য ও তার স্ত্রীর জামিন নামঞ্জুরের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট বিচারকের তাৎক্ষণিক ওএসডিসহ বদলি, এবং কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ভারপ্রাপ্ত জজ কর্তৃক জামিন মঞ্জুরের ঘটনা বাংলাদেশের অধন্তন আদালতের বিচারিক ইতিহাসে বিরল ও ভয়াবহ দৃষ্টান্ত বিবেচনা করে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। একইসঙ্গে, দেশে আইনের শাসন ও ন্যায়বিচারের সম্ভাবনা বিকাশের স্বার্থে বিচার বিভাগকে কার্যকরভাবে নির্বাহী বিভাগের নিয়ন্ত্রণমুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি। গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের সূত্র ধরে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান এক বিবৃতিতে বলেন, দুদকর মামলায় জেলা ও দায়রা জজ কর্তৃক ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং তার স্ত্রীর জামিন নামঞ্জুরকে কেন্দ্র করে, তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট বিচারককে ওএসডি ও বদলি করে মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা এবং কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ভারপ্রাপ্ত জজ কর্তৃক জামিন মঞ্জুরের ঘটনা অভূতপূর্ব, যা দেশে আইনের শাসন, ন্যায়বিচার ও জবাবদিহিমূলক গণতন্ত্রের পথ রুদ্ধ করার এক ভয়াবহ দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হবে। এই ঘটনা আদালতের ওপর নির্বাহী বিভাগ ও রাজনৈতিক প্রভাবের ব্যাপক বিস্তার, প্রভাবশালীদের হাতে আইনের শাসনের জিম্মি হওয়া ও বিচারহীনতার সংস্কৃতিকে ক্রমাগত বিকাশে তৎপর স্বার্থান্বেষী মহলকে আরো ক্ষমতায়িত করবে। তিনি আরো বলেন, আমরা সরকারের রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি এ ধরনের আত্মঘাতী পথ পরিহার করে বিচার বিভাগকে বাস্তবেই স্বাধীন করার উপযোগী কার্যকর পথ অনুসরণের জন্য আহ্বান জানাই।
রোহিঙ্গাদের জন্য অর্থ সহায়তার ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্রের
০৪মার্চ,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর হাতে গণহত্যার শিকার হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় দেশটির রোহিঙ্গা মুসলিম জনগোষ্ঠিকে আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য আরও ৫ কোটি ৯০ লাখ ডলার অর্থ সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আজ বুধবার বিকালে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থার সদর দফতরে রোহিঙ্গা মানবিক সংকট মোকাবিলায় ২০২০ সালের যৌথ কর্মপরিকল্পনা (জয়েন্ট রেসপন্স প্ল্যান বা জেআরপি) ঘোষণা করে জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা এবং সহযোগী এনজিওগুলো। জেআরপিতে ৮৭৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৮৭ কোটি ৭০ লাখ কোটি ডলার) তহবিল গঠনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। এর পরদিনই যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এ সহায়তার ঘোষণা এলো। সংবাদ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত আর্ল রবার্ট মিলার বলেন, জাতিসংঘ ও সহযোগী সংস্থাগুলো গতকাল রোহিঙ্গা মানবিক সংকট মোকাবিলায় ২০২০ সালের জয়েন্ট রেসপন্স প্ল্যান' প্রকাশ করে। এতে রোহিঙ্গা শরণার্থী, তাদের আশ্রয় দেওয়া বাংলাদেশের স্থানীয় জনগোষ্ঠী এবং মিয়ানমারে অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা ও ক্ষতিগ্রস্ত অন্যান্য জনগোষ্ঠীর জন্য অতিরিক্ত মানবিক সহায়তা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ৫ কোটি ৯০ লাখ ডলারের বেশি সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে। মিলার বলেন, ‘মিয়ানমার ও বাংলাদেশের এই সংকটে মানবিক সহায়তায় সাড়া দেওয়ার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র এখনও শীর্ষ অবস্থানে আছে। ২০১৭ সালের আগস্টে মিয়ানমারে জাতিগত সহিংসতার সূত্রপাত ও দেশটির সেনাবাহিনীর হামলার পর থেকে প্রতিবছরই আমরা এ অবস্থানে রয়েছি। এই নতুন তহবিল ঘোষণার মাধ্যমে রোহিঙ্গা সংকটে যুক্তরাষ্ট্রের মোট মানবিক সহায়তা প্রায় ৮২ কোটি ডলারে উপনীত হলো। এর মধ্যে প্রায় ৬৯ কোটি ৩০ লাখ ডলারই দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন কর্মসূচির জন্য।

জাতীয় পাতার আরো খবর