সোমবার, আগস্ট ২, ২০২১
অক্সিজেন উৎপাদনে সহায়তা দেবে যুক্তরাষ্ট্র: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
০৫,মে,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অক্সিজেন উৎপাদনে যুক্তরাষ্ট্র সহায়তা দেবে জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, এ নিয়ে বৃহস্পতিবার (৬ মে) ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা হবে। বুধবার (৫ মে) নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। ড. মোমেন জানান, যুক্তরাষ্ট্র অতিরিক্ত ৬০ মিলিয়ন ডোজ অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা রয়েছে। আমরা সেটা আনার জন্য চেষ্টা করছি। আশা করছি, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভ্যাকসিন ও অক্সিজেন সহায়তা পাবো। তবে এ অতিরিক্ত ডোজ ভারত ও ব্রাজিল নেওয়ারও চেষ্টা করছে। যুক্তরাষ্ট্রে যেসব ভারতীয়রা আছেন, তারা চেষ্টা করছে। আমাদের প্রবাসী, যারা আমেরিকায় আছেন, তারা যদি চেষ্টা করেন, তাহলে আমরাও পাবো। তিনি বলেন, ইউরোপের অনেক দেশ অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা ব্যবহার করছে না। ইউরোপের ৭টি দেশে এ টিকা রয়েছে। আমরা এসব দেশ থেকেও আনার চেষ্টা করছি। এক প্রশ্নের উত্তরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চীনা টিকা আগামী ১২ মে মধ্যে আসবে বলে আমরা আশা করছি। উপহারের ৫ লাখ টিকা আগে আসবে। তবে কবে কখন, কীভাবে আসবে, সেটা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টিকার জন্য ১০ হাজার কোটির তহবিল গঠন করছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, পাবলিক গুড হওয়া উচিৎ। ড. মোমেন বলেন, আমরা চীন ও রাশিয়ার সঙ্গে যৌথভাবে টিকা উৎপাদনে চেষ্টা করছি। তবে উৎপাদনে সময় লাগবে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভারতকে আমরা বলেছি, আমাদের দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার জন্য ৩০ লাখ টিকা আগে লাগবে। সেটা তারা আগে দিক। তবে এখনো তাদের কাছ থেকে এ বিষয়ে বার্তা পাইনি।
ভারতে ১০ হাজার রেমডেসিভির পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ
০৫,মে,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাস মোকাবিলায় ভারতে জরুরি ওষুধ ও চিকিৎসা সামগ্রীর অংশ হিসেবে ১০ হাজার রেমডেসিভির পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ। বুধবার বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে এ ওষুধ পাঠানো হচ্ছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (পূর্ব) মাশফি বিনতে শামস এ তথ্য নিশ্চিত করেন। ভারতে করোনার পরিস্থিতি দ্রুত অবনতি হওয়ায় বাংলাদেশ সরকার সেদেশের মানুষের জন্য জরুরি ভিত্তিতে ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পাঠানোর প্রস্তাব দেয়। তবে এই ওষুধের মধ্যে প্রয়োজনীয় রেমডেসিভিরও রয়েছে। ভারতে এখন প্রচুর রেমডেসিভির সংকট। সে কারণে এই ওষুধ পাঠানো হচ্ছে। ভারতে করোনা অবনতি হওয়ায় গত ৩০ এপ্রিল বাংলাদেশ সরকার জরুরি সহায়তার ঘোষণা দেয়।
জনগণের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার : পলক
০৪,মে,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণসহ জনগণের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার। জননেত্রী শেখ হাসিনার সাহসী ও সৎ নেতৃত্বের কারনেই তা সম্ভব হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী আজ মঙ্গলবার দুপুরে ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে সংযুক্ত হয়ে নাটোরের সিংড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জীন-এক্সপার্ট মেশিনের মাধ্যমে কোভিড-১৯ নমুনা পরীক্ষা কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, বিশ্বের অনেক উন্নত দেশ করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে আমরা করোনা সংক্রমণের প্রথম ঢেউ মোকাবেলায় সক্ষম হয়েছিলাম। চলমান দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় সফলতার সাথে টিকাদান কার্যক্রম চলছে। হাসপাতালগুলোতে করোনা রোগীর চিকিৎসা সেবার পরিধি পর্যায়ক্রমে বাড়ানো হচ্ছে। হাসপাতালে সেবা বৃদ্ধির কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে কোভিড-১৯ নমুনা পরীক্ষার পরিধির সম্প্রসারণ, অক্সিজেনের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ এবং আইসিইউ বেডের সংখ্যা ও পরিধি বাড়ানো। পলক বলেন, নাটোর সদর হাসপাতালে অল্প কয়েকদিনের মধ্যেই কেন্দ্রীয় অক্সিজেন সরবরাহ ব্যবস্থা চালু করা সম্ভব হবে। এই হাসপাতালে করোনা ভাইরাসের নমুনা পরীক্ষার পরিধি বাড়াতে অত্যাধুনিক পিসিআর মেশিন এবং আইসিইউ বেড প্রতিস্থাপন করা হবে। সিংড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ইতোপূর্বে কেন্দ্রীয় অক্সিজেন সরবরাহ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। অদূর ভবিষ্যতে এই হাসপাতালকে ১০০ শয্যায় উন্নীতকরণের চেষ্টা চলছে। ২০০৯ সালের আগের অবস্থার জরাজীর্ণ হাসপাতালের অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে আমার চেষ্টায় বর্তমান সরকারের বিগত ১২ বছরের কার্যকরি পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে উপজেলার এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সাধারণ চিকিৎসা সেবা ছাড়াও টেলিমেডিসিন, ভিশন সেন্টারসহ আধুনিক চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হচ্ছে। পলক আরো বলেন, করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার কার্যকরি সকল পদক্ষেপই গ্রহণ করেছে। তবে ব্যক্তিগত সচেতনতার মাধ্যমে অনেকটাই সুরক্ষা পাওয়া সম্ভব। এজন্যে জরুরী প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের না হওয়া, নিয়মিত হাত ধোয়া, মাস্ক ব্যবহার করা এবং নিরাপদ সামাজিক দূরত্বের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী। ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে সংযুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন- জেলা প্রশাসক মো. শাহরিয়াজ, পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা, সিভিল সার্জন ডা. কাজী মিজানুর রহমান, সিংড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার এম এম সামিরুল ইসলাম,সিংড়া পৌরসভার মেয়র জান্নাতুল ফেরদৌস প্রমুখ। সিংড়া উপজেলা সিনিয়র স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আমিনুল ইসলাম সভাপতি হিসেবে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।
পদ্মা সেতু উদ্বোধনের দিনই রেল চলবে : রেলমন্ত্রী
০৪,মে,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, পদ্মা সেতু উদ্বোধনের দিনই মুন্সীগঞ্জের মাওয়া থেকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা পর্যন্ত চলবে রেল। পদ্মা সেতুর মাওয়া প্রান্তের ভায়াডাক্টারের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে এ রেল লাইন সংযোগ। সেতু উদ্বোধনের দিনই সেতু অতিক্রম করে ভাঙ্গা পর্যন্ত যেতে পারবে রেল। ভাঙ্গা জংশন স্টেশন পায়রা বন্দরের সঙ্গে যুক্ত হবে। এ ছাড়া ফরিদপুর যশোরসহ ৪টি লাইন হয়ে বিভিন্ন গন্তব্যে যাবে। মঙ্গলবার (৪ মে) বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্তে স্থাপন হওয়া রেল সংযোগ ভায়াডাক্টার স্থান পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন তিনি। রেলমন্ত্রী বলেন, ইতোমধ্যে রেলের মূল কাজের প্রায় ৪১ শতাংশ শেষ হয়েছে এবং মাওয়া থেকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা পর্যন্ত কাজের ৬৬ শতাংশ শেষ হয়েছে। বাকী কাজ আগামী জুন-জুলাই মাসের মধ্যে শেষ হবে। পরে মাওয়া প্রান্ত পরিদর্শন শেষে স্পিড বোট যোগে শরিয়তপুরের পদ্মা সেতুর জাজিরা প্রান্তে রেলের সার্বিক কাজের অগ্রগতি পরিদর্শনে যান তিনি। এর আগে বেলা ১১টার দিকে মাওয়া প্রান্ত পরিদর্শনে আসেন তিনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ রেলওয়ে মহা-পরিচালক ধীরেন্দ্র নাথ মজুমদার, প্রকল্প পিডি, অতিরিক্ত মহা-পরিচালক (অবকাঠামো), পদ্মা সেতুর রেলওয়ে প্রকল্পের চীপ ইঞ্জিনিয়ার মন্ত্রীর সফর সঙ্গী নাজনিন আরা প্রমুখ। প্রসঙ্গত, গত ৩ মে মুন্সীগঞ্জের মাওয়া প্রান্তে সেতুর ভায়াডাক্টারের সঙ্গে রেল লাইন সংযোগ স্থাপন করা হয়।
খাল খননের নামে কী হয় জানি, সাবধান : প্রধানমন্ত্রী
০৪,মে,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় মঙ্গলবার (৪ মে) পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দুটি প্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। সেগুলো হলো- ১ হাজার ১৫৮ কোটি ৩৬ লাখ টাকা খরচে চট্টগ্রাম জেলার পটিয়া উপজেলার বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প এবং ১ হাজার ৪৫২ কোটি ৩৩ লাখ টাকা খরচে তিস্তা সেচ প্রকল্পের কমান্ড এলাকার পুনর্বাসন ও সম্প্রসারণ প্রকল্প। একনেক সভায় প্রকল্প দুটির বিষয়ে আলোচনা করতে গিয়ে খাল খননের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাবধান হতে সংশ্লিষ্টদের হুঁশিয়ার করেছেন। সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে খাল খনন প্রকল্পের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য তুলে ধরে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, সাবধান! খাল খননের নামে যেসব কাণ্ড হয়! এটা তিনি (প্রধানমন্ত্রী) জানেন। আমরাও সবাই মোটামুটি জানি। তিনি (শেখ হাসিনা) বলেছেন, সেচে সেচে উপরের দিকে দেখিয়ে। মানে দেখাবার একটা প্রবণতা আছে। সেদিকে আমাদের তিনি সাবধান করেছেন। একনেকে প্রধানমন্ত্রী আরও কিছু অনুশাসন তুলে ধরেছেন। তার একটি হলো সরকারি সংস্থাগুলোকে নিজেদের খরচে চলতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য তুলে ধরে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, সরকারি সংস্থা, যেগুলো ব্যবসার জন্য স্থাপিত হয়েছে, যেমন- বিটিসিএল, বীমা, ব্যাংক, ইন্স্যুরেন্স এগুলো তো নামেই কোম্পানি। তারা যেন নিজেরা নিজেদের খরচ চালাতে পারে। আমরা কতদিন এখান (সরকারি কোষাগার) থেকে টাকা দিয়ে দিয়ে তাদের চালাবো। এটা ইকোনমিক্যালি (অর্থনৈতিকভাবে) গ্রহণযোগ্য নয়। এটা তিনি (প্রধানমন্ত্রী) আজকে আবার মূল্যায়ন করেছেন। আজ একনেক সভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল স্থাপন প্রকল্পের সংশোধনী আনা হয়েছে। সংশোধনীতে প্রকল্পের মেয়াদ ও খরচ দুটোই বাড়ানো হয়েছে। প্রকল্পটির মূল খরচ ছিল ১ হাজার ৩৬৬ কোটি ৩৪ লাখ টাকা। প্রথম সংশোধনীতে ১৯৪ কোটি ৮৫ লাখ টাকা খরচ বাড়িয়ে করা হয়েছে ১ হাজার ৫৬১ কোটি ১৮ লাখ টাকা। ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মেয়াদে প্রকল্পটি শেষ হওয়ার কথা ছিল। সংশোধনীতে প্রকল্পের মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২২ সালের জুন পর্যন্ত করা হয়েছে। পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, বিএসএমএমইউয়ের কাজ শেষ করার জন্য প্রধানমন্ত্রী বলেছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, দীর্ঘদিন ধরে চলছে এটা, তাড়াতাড়ি শেষ করুন। আর কত দিন নেবেন? উপজেলা পর্যায়ে যেসব স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হবে, তা সবার জন্য উন্মুক্ত করা হবে বলেও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এ বিষয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, উপজেলা পর্যায়ে শেখ রাসেল নামে যে স্টেডিয়ামগুলো করা হবে, সেখানে তিনি (শেখ হাসিনা) বলেছেন, সবার জন্য উন্মুক্ত রাখতে হবে। নো রিজার্ভ। কোনো ক্লাবের বা ব্যক্তির আওতায় থাকবে না। ইউএনওরা দেখভাল করতে পারবেন। কিন্তু সবাই খেলার অধিকার পাবে। সেটা উন্মুক্ত রাখতে হবে এবং বসার জায়গাও রাখতে হবে। এভাবে তিনি (প্রধানমন্ত্রী) চাচ্ছেন।
লকডাউনের মেয়াদ ১৬ মে পর্যন্ত বাড়ানো হলো
০৩,মে,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধকল্পে চলমান লকডাউনের মেয়াদ আগামী ১৬ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তবে ৬ মে থেকে জেলার মধ্যে গণপরিবহন চলবে। কিন্তু আন্তঃজেলা গণপরিবহন বন্ধ থাকবে। এছাড়া ট্রেন ও লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে আজ সকালে মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। প্রধানমন্ত্রী তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে এবং মন্ত্রিসভার সদস্যগণ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ভার্চুয়ালি বৈঠকে যুক্ত হন। পরে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বৈঠকের বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। নির্দেশনা অনুযায়ী, লকডাউনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকান ও শপিংমল সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখার প্রসঙ্গ টেনে এক্ষেত্রেও কড়াকড়ি আরোপ করার কথা জানিয়েছেন সচিব। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, গতকাল স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একটা মিটিং হয়েছে। সেখানে সুপারিশ করা হয়, আজকে সেই বিষয়ে ক্যাবিনেট সিদ্ধান্ত দিয়েছে-আজকে থেকে পুলিশ, সিটি কর্পোরেশন, ম্যাজিস্ট্রেট ও অ্যাডমিনিস্ট্রেশন তারা দেশের প্রত্যেকটি মার্কেট সুপারভাইস করবে। কোন মার্কেটে লোক হয়তো কন্ট্রোল করা যাবে না কিন্তু মাস্ক ছাড়া যদি বেশি লোকজন ঘোরাফেরা করে প্রয়োজনে আমরা সেসব মার্কেট বন্ধ করে দেব। ক্লিয়ারলি এটা বলে দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, দোকান-মালিক সমিতির সভাপতি ওনারা আমাদের সহযোগিতা করবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন। ওনারা নিজেরাও এটা সুপারভাইস করবেন। উল্লেখ্য, কোভিড-১৯ এর দ্বিতীয় দফা সংক্রমণ রোধে গত ১৪ এপ্রিল ভোর ৬টা থেকে আট দিনের কঠোর লকডাউন শুরু হয়। লকডাউনের মধ্যে পালনের জন্য ১৮টি নির্দেশনা দেয়া হয় সরকারের পক্ষ থেকে। পরে সাতদিন করে দু-দফা লকডাউনের মেয়াদ বাড়ানো হয়। সেই মেয়াদ শেষ হবে আগামী ৫ মে (বুধবার) মধ্যরাতে।
ঈদে তিন দিনের বেশি বাড়তি ছুটি বন্ধ
০৩,মে,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: এবারের ঈদ উল ফিতরে সরকারি ছুটি তিন দিন। এই তিন দিনের সঙ্গে কোনো প্রতিষ্ঠান নিজস্ব উদ্যোগে অতিরিক্ত ছুটি দিতে পারবে না। সিদ্ধান্তটি সরকারি ও বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে। সোমবার (৩ মে) সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদ বৈঠকে আলোচনার পর এ সিদ্ধান্ত হয় বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের এই বৈঠক সকাল সাড়ে ১০টায় ভার্চ্যুয়াল মাধ্যমে শুরু হয়। এতে গণভবন থেকে অনলাইনে যুক্ত হয়ে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সচিবালয় থেকে অংশ নেন মন্ত্রিসভার সদস্যরা। বৈঠকে বেশ কয়েকটি আইনের খসড়া ও নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, সংক্রমণ রোধে চলমান বিধি-নিষেধ বহাল রাখতে হবে অন্তত ১৬ মে পর্যন্ত। এ সময় দেশে বিপণিবিতান খোলা থাকলেও স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘন করলে সেসব তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
চীন থেকে ৫ লাখ ডোজ টিকা আসবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
০৩,মে,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক এমপি বলেছেন, আগামী ১০ মে চীন থেকে ৫ লাখ ডোজ করোনার টিকা আসবে। ভ্যাকসিনগুলো নিজেদের জাহাজে করে আনা হবে। সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে সোমবার (৩ মে) দুপুরে তিনি এ কথা জানান। স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আগামী ঈদুল ফিতর পর্যন্ত লকডাউন রাখার বিষয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় প্রস্তাব দিয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্ত বন্ধ থাকবে। তিনি আরও বলেন, এই সময়ের মধ্যে কোনো আন্তঃজেলা গণপরিবহন চলবে না। এছাড়াও, যেসব দোকানদার ও ক্রেতা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলবেন না তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তার আগে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, করোনা মহামারির বিস্তার ঠেকাতে চলমান বিধিনিষেধ ১৬ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এ অবস্থায় আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে খোলা থাকা মার্কেট ও দোকানপাটে কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে। তা না হলে বন্ধ করে দেওয়া হবে মার্কেট ও দোকানপাট, করা হবে জরিমানাও। মার্কেটে স্বাস্থ্যবিধি পরিপালনের বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, গতকাল (রোববার) স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একটা মিটিং হয়েছে। সেখানে সুপারিশ করা হয়, আজ সেই বিষয়ে ক্যাবিনেট সিদ্ধান্ত দিয়েছে- আজ থেকে পুলিশ, সিটি করপোরেশন, ম্যাজিস্ট্রেট ও অ্যাডমিনিস্ট্রেশন দেশের প্রত্যেকটি মার্কেট সুপারভাইস করবে। কোনো মার্কেটে এতে লোক হয়তো কন্ট্রোল করা যাবে না। কিন্তু মাস্ক ছাড়া যদি বেশি লোকজন ঘোরাফেরা করে প্রয়োজনে আমরা সেসব মার্কেট বন্ধ করে দেবো।
দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির সম্ভাবনা
০২,মে,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে বলে এক পূর্বাভাসে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের দুই-এক জায়গা। এছাড়া ঢাকাসহ এর পাশ্ববর্তী এলাকার আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। এছাড়া অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টিরও সম্ভাবনা রয়েছে। বয়ে যেতে পারে দমকা হাওয়া বলেও পূর্বাভাসে বলা হয়েছে। এদিকে, রাঙামাটি, কুমিল্লা, নোয়াখালী, নেত্রকোনা, রাজশাহী, পাবনা, দিনাজপুর ও পটুয়াখালি অঞ্চলসহ ঢাকা, সিলেট ও খুলনা বিভাগের উপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের যে তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, তা কোনো কোনো স্থানে কমার সম্ভাবনা রয়েছে।

জাতীয় পাতার আরো খবর