সোমবার, আগস্ট ২, ২০২১
ঈদের আগে দূরপাল্লার গণপরিবহন চালুর দাবি মালিক-শ্রমিকদের
০৮,মে,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্বাস্থ্যবিধি মেনে দূরপাল্লার যাত্রী এবং পণ্যবাহী পরিবহন চালুর দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতি, বাংলাদেশ বাস-ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন। শনিবার (৮ মে) বেলা ১১টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এই দাবি জানায় সংগঠনগুলো। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি শাজাহান খান। তিনি বলেন, গত ৬ মে থেকে লকডাউন শিথিল রেখে মহানগর ও জেলার অভ্যন্তরে গণপরিবহন পরিচালনার সিদ্ধান্ত দিয়েছে সরকার। কিন্তু দূরপাল্লার গণপরিবহন বন্ধ রয়েছে। এতে মালিক ও শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। অথচ বাস-মিনিবাস, সিএনজি চালিত অটোরিকশায় গাদাগাদি করে মানুষ যাতায়াত করছে। এতে করোনা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই স্বাস্থ্য বিধি মেনে দূরপাল্লার গণ এবং পণ্য পরিবহন চালু করে দিতে হবে। লিখিত বক্তব্যে পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছেন শাজাহান খান। তিনি বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে মোট আসনের অর্ধেক যাত্রী নিয়ে দূরপাল্লার পরিবহনসহ সব ধরনের গণপরিবহন এবং স্বাভাবিক মালামাল নিয়ে পণ্য পরিবহন চলাচলের সুযোগ দিতে হবে। লকডাউনের কারণে কর্মহীন সড়ক পরিবহন শ্রমিকদের আসন্ন ঈদের আগে আর্থিক অনুদান ও খাদ্য সহায়তা প্রদান করতে হবে। লকডাউনে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় মালিকদের যানবাহন মেরামত, কর্মচারী ও শ্রমিকের বেতন, ভাতা ও ঈদ বোনাস ইত্যাদি দেয়ার জন্য নামমাত্র সুদ ও সহজ শর্তে পাঁচ হাজার কোটি টাকা প্রণোদনা দিতে হবে। সারাদেশে বাস ও ট্রাক টার্মিনালগুলোতে পরিবহন শ্রমিকদের জন্য আসন্ন ঈদের আগে ও পরে ১০ টাকায় ওএমএস-এর চাল বিক্রির ব্যবস্থা করতে হবে। কোভিড-১৯ এর কারণে গণপরিবহন ব্যবসায় অর্থ বিনিয়োগের বিপরীতে সব ব্যাংক ঋণ, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ঋণ ও ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের ঋণের সুদ মওকুফসহ কিস্তি আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত স্থগিত করতে হবে এবং ২ শতাংশ ডাউন পেমেন্ট নিয়ে ক্লাসিফাইড ঋণগুলো আনক্লাসিফাইড করতে হবে। এছাড়া লকডাউনে বন্ধ থাকার সময় গাড়ির ট্যাক্স-টোকেন, রুট পারমিট ফি, আয়কর, ড্রাইভিং লাইসেন্স ফিসহ সব ধরনের ফি, কর ও জরিমানা মওকুফ করে ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ পর্যন্ত কাগজপত্র হালনাগাদ করার সুযোগ দিতে হবে। এই ৫ দফা দাবি বাস্তবায়ন করা না হলে ঈদের নামাজ শেষে সারাদেশের মালিক ও শ্রমিকরা নিজ নিজ এলাকায় বাস ও ট্রাক টার্মিনালে সকাল ১০টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচি পালন করবে বলেও জানান শাজাহান খান। এছাড়া, ঈদের পর পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি মসিউর রহমান রাঙ্গা, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব খন্দকার এনায়েত উল্লাহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শান্তি ও মানবতার কবি : প্রধানমন্ত্রী
০৮,মে,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিশ্বসাহিত্যের এক উজ্জ্বলতম নক্ষত্র। বাংলা ও বাঙালির অহংকার। প্রতিভা ও শ্রমের যুগলবন্দির সম্মিলনে তিনি অসাধারণ সব সাহিত্যকর্ম দিয়ে বাংলাসাহিত্যকে করেছেন ঐশ্বর্যমণ্ডিত। কালজয়ী এ কবি জীবন ও জগৎকে দেখেছেন অত্যন্ত গভীরভাবে। যা তার কবিতা, ছোটগল্প, উপন্যাস, নাটক, গীতিনাট্য, প্রবন্ধ, ভ্রমণকাহিনী, সঙ্গীত ও চিত্রকলার সহস্রধারায় উৎসারিত হয়েছে। আবহমান বাংলার রূপ যেমন তার সাহিত্যসৃষ্টিতে ভাস্বর হয়েছে, তেমনই মানবতাবাদী বাণী তার সাহিত্যকে দিয়েছে অতুলনীয় মহিমা। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দেয়া বাণীতে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর ১৬০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আমি তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ছিলেন বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী। সাহিত্য, সঙ্গীত ও শিল্পের প্রতিটি শাখায় তার অনায়াস বিচরণ সত্যিই বিস্ময়কর। কবির সমস্ত সৃষ্টির মূলে নিহিত মানবতাবাদ তাকে বিশিষ্টতা দান করেছে। শান্তি ও মানবতার কবি রবীন্দ্রনাথ ছিলেন প্রকৃতির চিরন্তন সৌন্দর্য ও বৈচিত্র্যের সাধক। শেখ হাসিনা বলেন, রবীন্দ্রনাথের জাতীয়তাবোধ বাঙালির অনন্ত প্রেরণার উৎস। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার কবিতা ও গান মুক্তিকামী বাঙালিকে উদ্দীপ্ত করেছে শত্রুর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে। জীবনের প্রতিটি সমস্যা-সঙ্কট, আনন্দ-বেদনা এবং আশা-নিরাশার সন্ধিক্ষণে রবীন্দ্রসৃষ্টি আমাদের চেতনাকে আন্দোলিত করে। তিনি বলেন, কবিগুরু ছিলেন বাংলাদেশের মাটি ও মানুষের একান্ত আপনজন। শিলাইদহ, শাহজাদপুর ও পতিসরে অবস্থানকালে এ অঞ্চলের মানুষের জীবনমানোন্নয়নে তার অবদান অনস্বীকার্য। গ্রামীণ দরিদ্র মানুষের জন্য তার পল্লীউন্নয়ন প্রচেষ্টা আজও আমাদের কাছে অনুসরণীয় হয়ে আছে। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতি সম্মান জানিয়ে সিরাজগঞ্জে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছে আওয়ামী লীগ সরকার। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাঙালি জাতির স্বপ্নপূরণের লক্ষ্যে কলোত্তীর্ণ এ কবির সৃষ্টিকে প্রেরণা হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন। রবি ঠাকুরের অমর সৃষ্টি আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি গানটি বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে গ্রহণ করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব। তিনি আরও বলেন, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবনাদর্শ এবং তার সৃষ্টিকর্ম শোষণ-বঞ্চনামুক্ত অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মাণে চিরদিন বাঙালিকে অনুপ্রাণিত করবে- এ আমার প্রত্যাশা। আমি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬০তম জন্মবার্ষিকীর সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।
শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন গণতন্ত্রের অগ্নিবীণার দেশে ফেরা : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী
০৭,মে,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ৭ মে বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন গণতন্ত্রের অগ্নিবীণার দেশে ফিরে আসা। তিনি শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সীমিত পরিসরে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে একথা বলেন। ২০০৭ সালের এই দিনে শেখ হাসিনা তৎকালীন সরকারের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে যুক্তরাষ্ট্র থেকে যুক্তরাজ্য হয়ে দেশে ফিরে আসেন উল্লেখ করে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, আপনারা জানেন, ২০০৭ সালে দেশে যে সেনাসমর্থিত সরকার এসেছিলো, তারা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার বিদেশে চিকিৎসা শেষে দেশে ফেরার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিলো। শুধু তাই নয়, সকল এয়ারলাইন্সকে তারা সেই নিষেধাজ্ঞার চিঠি দিয়েছিলো এবং জননেত্রীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করেছিলো। বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তখন বলেছিলেন, তিনি সেইসব মামলা আদালতে আইনগতভাবে মোকাবিলা করতে চান এবং নিজের দেশে ফেরার ওপর নিষেধাজ্ঞা কখনও গ্রহণযোগ্য নয়, জানান তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, এই প্রত্যাবর্তনের ফলে যে জননেত্রীর ওপর আক্রমণ হতে পারে, নিষেধাজ্ঞাকারীরা যে কোনো কিছু করার চেষ্টা করতে পারে, সেই সমস্ত ঝুঁকি মাথায় নিয়েই বঙ্গবন্ধুকন্যা ফিরে এসেছিলেন। আর তার ফিরে আসার মধ্য দিয়েই লড়াই-সংগ্রামে দেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো। এরপরই ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন জোট ধস নামানো বিজয় অর্জন করেছিলো এবং সেই পথ ধরেই বাংলাদেশে গণতন্ত্রের অভিযাত্রা এবং এর পাশাপাশি উন্নয়নের অগ্রযাত্রাও অব্যাহত রয়েছে, উল্লেখ করে ড. হাছান বলেন, সেকারণেই বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন হচ্ছে গণতন্ত্রের অগ্নিবীণার দেশে ফিরে আসা।
ফের বাড়ছে গরম
০৭,মে,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মাঝে তিনদিন স্বস্তিদায়ক থাকলেও আবারও বাড়ছে গরম অনুভূতি। বাতাসের জলীয় বাষ্পের উপস্থিতি বেশি থাকার কারণে এই অবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, তাপমাত্রা না বাড়লেও গরম অনুভূতি হচ্ছে কিছুটা বেশি। কেননা বৃষ্টিপাতের প্রবণতা মাসের শুরুর দিকে বেশি থাকায় বর্তমানে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বাতাসে বেশি। ফলে ভ্যাপসা গরম অনুভূত হচ্ছে। এই অবস্থা আবার আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝিতে কমে যাবে। আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, এপ্রিলের চেয়ে বৃষ্টিপাত মে মাসে বেড়েছে। তবে এই সময়ে যে পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়, তার তুলনায় কম হচ্ছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী মে মাসেও স্বাভাবিকের চেয়ে বৃষ্টিপাত কম হতে পারে। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে একেকদিন একেক সময় বৃষ্টিপাত হচ্ছে। আবহাওয়া অধিদফতর বৃহস্পতিবার (০৬ মে) রাতে এক পূর্বাভাসে জানিয়েছে, পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ অবস্থান করছে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে। এই অবস্থায় শুক্রবার (০৭ মে) সন্ধ্যা পর্যন্ত রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। ঢাকায় এ সময় পশ্চিম/দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে বাতাসের গতিবেগ থাকবে ঘণ্টায় ৮ থেকে ১৬ কিমি, যা দমকা আকারে ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিমিতে ওঠে যেতে পারে। আগামী দুদিনে আবহাওয়ার তেমন পরিবর্তন নেই। তবে বর্ধিত পাঁচদিনে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হতে পারে। বৃহস্পতিবার ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৫০ শতাংশ। সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে রাজশাহীতে, ৬১ মিলিমিটার। দেশে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে খুলনায় ৩৫ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিন্ম তাপমাত্রা ছিল তেঁতুলিয়ায়, ২০ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় সর্বোচ্চ ও সর্বনিন্ম তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে যথাক্রমে ৩৩ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও ২৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিকে এক সতর্ক বার্তায় বলা হয়েছে- যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, ঢাকা, ফরিদপুর, নোয়াখালী, কুমিল্লা, রংপুর, রাজশাহী, দিনাজপুর এবং সিলেটে ৪৫ থেকে ৬০ কিমি বেগে ঝড় বয়ে যেতে পারে। তাই এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে এক নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ নিলেন রাষ্ট্রপতি
০৬,মে,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) কনভেনশন সেন্টারে বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর ও রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিয়েছেন। এসময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ সঙ্গে ছিলেন। বৃহস্পতিবার (৬ মে) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সেকশন অফিসার (জনসংযোগ) প্রশান্ত কুমার মজুমদার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কনভেনশন সেন্টারে দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিয়েছেন ১ হাজার ৭০৩ জন। আর ৬ মে পর্যন্ত দ্বিতীয় ডোজের টিকা নিয়েছেন ৩৪ হাজার ৩০৪ জন। এবং ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত প্রথম ডোজের টিকা নিয়েছেন ৫৪ হাজার ৫৬৪ জন। বেতার ভবনের পিসিআর ল্যাবে ৬ মে পর্যন্ত ১ লাখ ৩৯ হাজার ৪৫৬ জনের করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে। বেতার ভবনের ফিভার ক্লিনিকে ৬ মে পর্যন্ত ৯৪ হাজার ১৮৬ জন রোগী চিকিৎসাসেবা নিয়েছেন। অন্যদিকে করোনা ইউনিটে বৃহস্পতিবার (৬ মে) সকাল ৮টা পর্যন্ত ৮ হাজার ৫১৮ জন রোগী সেবা নিয়েছেন। ভর্তি হয়েছেন ৪ হাজার ৮০৯ জন। সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরেছেন ৪ হাজার ৬৯ জন। বর্তমানে ভর্তি আছেন ৯৪ জন রোগী এবং আইসিইউতে ভর্তি আছেন ১২ জন রোগী। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ৯ জন।
চালু হলো গণপরিবহন
০৬,মে,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা সংক্রমন রোধে ২২ দিন বন্ধ থাকার পর অবশেষে আজ বৃহস্পতিবার থেকে চালু হয়েছে গণপরিবহন। সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ৬ মে ভোর থেকে অর্ধেক যাত্রী আর বর্ধিত ভাড়া নিয়ে রাজধানী ঢাকাসহ সব জেলায় বাস চলাচল শুরু হয়েছে। তবে আন্তঃজেলা গণপরিবহন বন্ধ রয়েছে। গত ১৪ এপ্রিল থেকে সরকার ঘোষিত লকডাউনের আদলে কঠোর নিষেধাজ্ঞার শুরু দিন থেকেই সারাদেশে গণপরিবহন বন্ধ ছিল। টানা তিন দফার নিষেধাজ্ঞাতেই বন্ধ ছিল গণপরিবহন। বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া চতুর্থ দফার কঠোর নিষেধাজ্ঞায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহন চালু হয়েছে। সরকারি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, শুধুমাত্র জেলার গাড়ি জেলাতে চলাচল করতে পারবে। করোনার সংক্রমণ এড়াতে আন্তঃজেলা গণপরিবহন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে বন্ধ রয়েছে যাত্রবাহী ট্রেন ও নৌযান চলাচল। এসব নিষেধাজ্ঞা আগামী ১৬ মে পর্যন্ত বহাল থাকবে। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে এলে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এদিকে, সড়কে গণপরিবহন চলাচলের ক্ষেত্রে পাঁচটি নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।বিআরটিএর নির্দেশনাগুলো হলো : ১. আন্তঃজেলা গণপরিবহন বন্ধ থাকবে। ২. কোনোভাবেই সংশ্লিষ্ট মোটরযানের রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটে উল্লিখিত মোট আসন সংখ্যার অর্ধেকের (৫০%) বেশি যাত্রী বহন করা যাবে না। ৩. কোনোভাবেই সমন্বয়কৃত ভাড়ার (বিদ্যমান ভাড়ার ৬০% বৃদ্ধি) অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা যাবে না। ৪. ট্রিপের শুরু ও শেষে জীবাণুনাশক দিয়ে গাড়ি জীবাণুমুক্ত করতে হবে। ৫. পরিবহন সংশ্লিষ্ট মোটরযান চালক, অন্যান্য শ্রমিক কর্মচারী ও যাত্রীদের বাধ্যতামূলক মাস্ক পরিধান ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। এদিকে, বুধবার (৫ মে) ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির পক্ষ থেকে পরিবহনের মালিক, শ্রমিক ও যাত্রীদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য বেশ কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্দেশনার মধ্যে রয়েছে- মাস্ক ছাড়া কোনো যাত্রী গাড়িতে ওঠাতে পারবে না এবং গাড়ির স্টাফদের মালিক মাস্ক সরবরাহ করবেন। গাড়িতে সিটের অর্ধেক যাত্রী বহন করতে হবে। লকডাউনে মালিক-শ্রমিকেরা মানবেতর জীবন-যাপন করছেন। এক্ষেত্রে রুট মালিক সমিতি/পরিবহন কোম্পানির জিপির নামে কোনো ধরনের অর্থ গাড়ি থেকে আদায় করতে পারবে না। এর আগে বুধবার সকালে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে লকডাউন তথা মানুষের চলাচলে বিধি-নিষেধ ১৬ মে পর্যন্ত বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। প্রজ্ঞাপনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে জেলার অভ্যন্তরে বাস চালু রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে বন্ধ থাকবে দূরপাল্লার বাস এবং লঞ্চ-ট্রেন চলাচল। দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হলে ২০২০ সালের ২১ মার্চ থেকে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয় সরকার। দুই মাসের বেশি সময় বন্ধ থাকার পর গেল বছরের ১ জুন থেকে স্বাস্থ্যবিধি মানার শর্ত সাপেক্ষে অর্ধেক যাত্রী নিয়ে গণপরিবহন চলাচলের অনুমতি দেয় সরকার। তখন ৬০ শতাংশ ভাড়া বাড়ানো হয়। দীর্ঘদিন চলার পর করোনা সংক্রমণ একটু কমে এলে গত সেপ্টেম্বর মাসে শতভাগ আসনে যাত্রী নিয়ে চলাচলের অনুমতি দেয় সরকার। তখন থেকে মঙ্গলবার (৩০ মার্চ) পর্যন্ত শতভাগ আসনেই যাত্রী নিয়ে চলছিল গণপরিবহন। পরে গত ৩১ মার্চ থেকে ৬০ শতাংশ বাড়তি ভাড়ায় অর্ধেক যাত্রী নিয়ে শুরু হয় গণপরিবহনের চলাচল। তবে এর নিষেধাজ্ঞার কারণে ৫ ও ৬ এপ্রিল বন্ধ থাকে গণপরিবহনের চলাচল। অফিস খোলা রেখে গণপরিবহন বন্ধ রাখার তীব্র সমালোচনার মুখে ৭ এপ্রিল থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে আবার গণপরিবহন চলাচল শুরু হয়। ১৪ এপ্রিল থেকে জারি করা কঠোর নিষেধাজ্ঞার কারণে ৫ মে পর্যন্ত বন্ধ ছিল গণপরিবহন চলাচল।
যুক্তরাষ্ট্র থেকে দ্রুত সময়ে ৪০ লাখ টিকা চেয়েছে বাংলাদেশ
০৬,মে,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশকে করোনা টিকা দিতে আন্তরিকভাবে চেষ্টা করছেন বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন। বৃহস্পতিবার (৬ মে) সকালে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডেভিড মিলার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ড. এ কে আবদুল মোমেনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান মন্ত্রী। পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, তিনি রাষ্ট্রদূতকে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র থেকে এক থেকে দুই কোটি টিকা পেতে চায় বাংলাদেশ। এর মধ্যে ৪০ লাখ টিকা দ্রুত সময়ের মধ্যে চাওয়া হয়েছে। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ দূতাবাস এবং মার্কিন প্রবাসী বাংলাদেশিদেরও টিকার জন্য জোর লবিং করতে বলা হয়েছে। ভারত থেকেও বিশেষ উদ্যোগে বা যে কোনো উপায়ে টিকা পাঠানোর অনুরোধ করা হয়েছে। মার্কিন রাষ্ট্রদূত জানিয়েছেন ভারতে এখনো তারা টিকা পাঠায়নি। পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ১২ মে চীনের টিকা আসবে। বাংলাদেশ নিজস্ব পরিবহন খরচে তা আনবে।
আরও ১০ হাজার কিলোমিটার নদী খনন করা হবে : প্রধানমন্ত্রী
০৬,মে,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ২০২৫ সাল নাগাদ আরও ১০ হাজার কিলোমিটার নদী খনন করা হবে। নৌপথকে কার্যকর করতে চায় সরকার। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় আয়োজিত অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে এই তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, নৌপথে চলাচলকারী প্রতিটি যানবাহনের রেজিস্ট্রেশন থাকতে হবে। এছাড়া নৌযানের ব্যবসা যারা করেন তাদের যাত্রীদের সুরক্ষার কথা চিন্তা করে ব্যবসা করতে হবে। করোনা মহামারির এই সময়ে সকলকে ধৈর্য ধরারও আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। এসময় তিনি বলেন, একান্ত প্রয়োজন ছাড়া মহামারির সময়ে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাতায়াত না করা যাবে না।

জাতীয় পাতার আরো খবর