মঙ্গলবার, আগস্ট ৩, ২০২১
ছুটি বাড়ানোর প্রজ্ঞাপন,গণমাধ্যম এ ছুটির আওতাবহির্ভূত থাকবে
১১এপ্রিল,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:করোনা মোকাবেলায় আবারো বাড়ানো হয়েছে সরকারি ছুটির মেয়াদ। সাধারণ ছুটি ও যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ আগামী ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। তবে শনিবার (১১ এপ্রিল) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে সংশোধিত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) পাঁচটি নির্দেশনা পালনের শর্তে আগামী ১৫ থেকে ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে আদেশ জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সন্ধ্যা ৬টার পর কেউ ঘরের বাইরে বের হতে পারবেন না। এই নির্দেশ অমান্য করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে এই নিষেধাজ্ঞা কোন সময় পর্যন্ত বলবৎ থাকবে তা প্রজ্ঞাপনে ছিল না। সংশোধিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সন্ধ্যা ৬টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত কেউ ঘরের বাইরে বের হতে পারবেন না। এই নির্দেশ অমান্য করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। জরুরি পরিষেবার (বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, ফায়ার সার্ভিস, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট ইত্যাদি) ক্ষেত্রে এ ব্যবস্থা প্রযোজ্য হবে না জানিয়ে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, কৃষিপণ্য, সার, কীটনাশক, জ্বালানি, সংবাদপত্র, খাদ্য, শিল্প-পণ্য, চিকিৎসা সরঞ্জামাদি, জরুরি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহন এবং কাঁচাবাজার, খাবার, ওষুধের দোকান ও হাসপাতাল এ ছুটির আওতাবহির্ভূত থাকবে। জরুরি প্রয়োজনেও অফিস খোলা রাখা যাবে। সংশোধিত প্রজ্ঞাপনে সংবাদপত্র বাদ দিয়ে সেখানে গণমাধ্যম (ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া) প্রতিস্থাপন করা হয়েছে।
আগামী ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত গণপরিবহন বন্ধ
১১এপ্রিল,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাস রোধে দেশজুড়ে চলমান গণপরিবহন বন্ধের সিদ্ধান্ত আগামী ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত বর্ধিত করেছে সরকার। শনিবার সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের উপপ্রধান তথ্য কর্মকর্তা আবু নাছেরের সই করা একটি প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে এমন তথ্য জানা গেছে। সাধারণ ছুটির মেয়াদ বাড়ানোর সঙ্গে তাল মিলিয়ে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এ সময়ে পর্যন্ত সন্ধ্যা ৬টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত বাইরে বের হওয়াও নিষিদ্ধ করেছে সরকার। তবে জরুরি পরিষেবাসমূহ, খাদ্যদ্রব্য, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, জ্বালানি, ঔষধ, ঔষধশিল্প ও চিকিৎসা বিষয়ক সামগ্রী পরিবহন, কৃষিপণ্য, সার ও কীটনাশক, মৎস্য এবং প্রাণীসম্পদ খাতের দুগ্ধ ও দুগ্ধজাত পণ্য, শিশুখাদ্য, জীবনধারণের মৌলিক উপাদান উৎপাদন ও পরিবহন, গণমাধ্যম ও ত্রাণবাহী পরিবহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে। পণ্যবাহী যানবাহনে যাত্রী পরিবহন করা যাবে না বলেও সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ জানিয়েছে। এদিকে করোনাভাইরাসের প্রকোপ মোকাবেলায় সাধারণ ছুটির মেয়াদ ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এ সময়ে পর্যন্ত সন্ধ্যা ৬টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত বাইরে বের হওয়াও নিষিদ্ধ করেছে সরকার।
কেন্দ্রীয় কারাগারে রাতেই কার্যকর হতে পারে বঙ্গবন্ধুর খুনি মাজেদের ফাঁসি
১১এপ্রিল,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের খুনি আব্দুল মাজেদের ফাঁসির রায় রাতেই কার্যকর হতে যাচ্ছে। এ জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ফাঁসির মঞ্চ। সূত্র জানায়, মাজেদের ফাঁসি কার্যকর হলে এটিই হবে কেরানীগঞ্জে কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রথম ফাঁসি। কারাগার সূত্র জানায়, এরইমধ্যে মঞ্চটি ধোয়া-মোছার কাজ শেষ হয়েছে। সম্পন্ন প্রস্তুত রয়েছে ফাঁসি কার্যকরের জন্য। প্রাথমিকভাবে বাছাই করা হয়েছে জল্লাদেরও। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় থেকে ফাঁসি কার্যকরের সময় পেলে মহড়া করা হবে। গতকাল মাজেদের সঙ্গে স্ত্রী সালেহা বেগমসহ তার পরিবারের পাঁচ সদস্য দেখা করেছেন।
ত্রাণ বিতরণে অনিয়ম হলে তা সহ্য করা হবে না:সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের
১১এপ্রিল,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে ত্রাণ বিতরণে অনিয়ম হলে তা সহ্য করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। আজ শনিবার সকালে নিজ বাসভবনে ব্রিফিংকালে এই হুঁশিয়ারি দেন তিনি। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ত্রাণ বিতরণের নামে কোন রকম অনিয়ম সহ্য করা হবে না। খেটে খাওয়া মানুষের ত্রাণ ঘরে ঘরে গিয়ে পৌঁছে দিতে হবে। সমাজের বিত্তবান ও দলের নেতাকর্মীদের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহবান জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, এই চলমান প্রয়াস আরও জোরদার করতে হবে। একটি কুচক্রী মহল গুজব ছড়াচ্ছে অভিযোগ করে তাদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোমার আহ্বান জানান সেতুমন্ত্রী। ঘরে অবস্থান এবং সামাজিক দূরত্ব যারা মানবেন না তারা নিজেরাই নিজেদের বিপদ ডেকে আনছে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের। তিনি আরও বলেন, অচেনা ভাইরাসটি যেন ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে না পড়ে সেজন্য সাবধানতার অংশ হিসেবে সরকার বাস, ট্রেন, লঞ্চ চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে। এছাড়া দেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু দেশ এক ধরনের লকডাউনের মধ্যে থাকায় বিপাকে পড়েছেন দিন এনে দিন খাওয়া মানুষরা। রোজগারের পথ বদ্ধ হয়ে যাওয়ায় তাদের কঠিন সময় পার হতে হচ্ছে। এ অবস্থায় তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে সরকার। কিন্তু ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করতে গিয়ে অনেক জায়গায় অনিয়মের খবর আসছে গণমাধ্যমে। ত্রাণ বিতরণে যেন অনিময় না হয় সেজন্য হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন ওবায়দুল কাদের। এ সময় সকল মতপার্থক্য ভুলে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সংস্কৃতিক, পেশাজীবী ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনকে ধৈর্য এবং সাহসিকতার সঙ্গে করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলা করারও আহ্বান জানান ওবায়দুল কাদের। পদ্মাসেতু নিয়ে মন্ত্রী বলেন, এই সংকটের সময়েও সুখবর হচ্ছে দেশের বৃহত্তর প্রকল্প পদ্মাসেতুর ২৮ তম স্প্যান আজ বসানো হয়েছে। ফলে ৬ দশমিক এক পাঁচ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সেতু এখন ৪ দশমিক দুই কিলোমিটার দৃশ্যমান হলো।
চাল চোরদের প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড দেয়া উচিত
১১এপ্রিল,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কমলিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রেসিডেন্ট ও জাতীয় মুক্তিমঞ্চের আহ্বায়ক ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম বলেছেন, লকডাউনের কারণে সমগ্র দেশে কয়েক কোটি হতদরিদ্র এবং বেকার মানুষ অতি কষ্টে জীবন যাপন করছেন। জাতির এই ক্রান্তিকালে যারা গরিবের হক মেরে খায় তাদের প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড দেয়া উচিত। কারণ এরা দেশের শত্রু এবং মানবতার শক্রু। এ ধরনের পশুদের বেঁচে থাকার কোনো অধিকার নেই। শনিবার এলডিপির সাংগঠনিক সম্পাদক সালাহউদ্দিন রাজ্জাক স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, মানুষের এই কষ্ট লাঘবের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে স্বল্পমূল্যে চাল এবং নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রী বিতরণের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। কিন্তু করোনাভাইরাসের মতো এতো বড় মহামারির মধ্যেও দুর্নীতিবাজরা এই ত্রাণ সামগ্রী ও স্বল্পমূল্যের চাল আত্মসাৎ করতে ব্যস্ত। প্রতিদিন আমরা মিডিয়াতে যে পরিমাণ করোনা ভাইরাসের রোগীর তালিকা পাচ্ছি তার চেয়েও বেশি পাচ্ছি চাল চোরের সংখ্যা। কর্নেল (অবঃ) অলি আহমদ সরকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেন, সরকারকে অনুরোধ করবো এই ত্রাণ সামগ্রী এবং স্বল্পমূল্যের চালগুলো সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের তত্ত্বাবধানে বিতরণ করা একান্তই প্রয়োজন। এতে হতদরিদ্র, বেকার শ্রমিকরা উপকৃত হবে এবং জনগণও শান্তিতে থাকবে ।
আগামীকাল ১৬টি জেলার সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্স প্রধানমন্ত্রীর
১১এপ্রিল,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:এবার খুলনা ও বরিশাল বিভাগের করোনা সম্পর্কিত খোঁজ খবর নেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দুই বিভাগের ১৬টি জেলার সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে তিনি যুক্ত হবেন আগামীকাল রোববার। গণভবন সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র জানায়, রোববার সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে এই ভিডিও কনফারেন্স করবেন শেখ হাসিনা। কনফারেন্সটি বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতার সরাসরি সম্প্রচার করবে। এর আগে ৫ এপ্রিল ভিডিও কনফারেন্সে সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগের ১৩টি জেলার করোনা সম্পর্কিত খোঁজ নেন এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
জিনপিংকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি
১১এপ্রিল,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনাভাইরাস মহামারির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের আহবান জানিয়েছেন। এ ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে বাংলাদেশে চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহের জন্য চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংকে ধন্যবাদ জানিয়ে লেখা এক চিঠিটিতে তিনি এ আহবান জানান। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম বলেন, চিঠিতে প্রধানমন্ত্রী এই মারাত্মক রোগ মোকাবিলার জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানো এবং এই অভূতপূর্ব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে প্রেসিডেন্ট জিনপিংয়ের প্রতি আহবান জানান। প্রধানমন্ত্রী এই মহামারি মোকাবিলায় বাংলাদেশকে সহযোগিতা এবং চিকিৎসা সামগ্রী সরবরাহ করায় চীন সরকারকে ধন্যবাদ জানান। বাংলাদেশে বিপুল সংখ্যক টেস্টিং কিট, মাস্ক, পিপিই এবং ইনফ্রারেড থার্মোমিটার প্রদান করায় শেখ হাসিনা চীন সরকার, জনগণ এবং প্রেসিডেন্ট জিনপিংয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী করোনা মোকাবিলায় চিকিৎসা সামগ্রী দেওয়ায় জ্যাক মা ফাউন্ডেশন এবং আলিবাবা ডটকমকে ধন্যবাদ জানান। এই বৈশ্বিক সংকটে চীন সরকার এবং জনগণ বাংলাদেশের পাশে থাকবে বলেও শেখ হাসিনা দৃঢ় আস্থা ব্যক্ত করেন।সূত্র বাসস। তিনি বলেন, চীনের এই সহযোগিতা রোগ শনাক্তকরণ এবং আমাদের চিকিৎসা পেশায় নিয়োজিতদের সুরক্ষা প্রদানসহ অনেকদূর পর্যন্ত নিয়ে যাবে।করোনাভাইরাস মোকাবিলায় চীনের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া এবং সাফল্যের প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সমগ্র বিশ্বের কাছে চীন একটি নজির সৃষ্টি করেছে এবং বাংলাদেশও চীনের অভিজ্ঞতা থেকে শিখছে।
পদ্মা সেতুর ৪২০০ মিটার দৃশ্যমান
১১এপ্রিল,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:পদ্মা সেতুর ২৮তম স্প্যানটি বসানো হয়েছে। শনিবার সকাল নয়টার দিকে মুন্সীগঞ্জ ও মাদারীপুরের সীমান্ত অংশের ২০ ও ২১নং পিয়ারে বসানো হয় স্প্যানটি। ২৭তম স্প্যান বসানোর ১৪ দিনের মাথায় ২৮তম স্প্যানটি বসানো হয়। এর মাধ্যমে সেতুর ৪ হাজার ২০০ মিটার দৃশ্যমান হলো। প্রকৌশলী সূত্রে জানা যায়, গতকাল শুক্রবার সকালে মুন্সীগঞ্জের মাওয়া কুমারভোগ কন্সট্রাকশন ইয়ার্ড থেকে তিয়ান-ই ভাসমান ক্রেনে স্প্যানটি নির্ধারিত দুটি পিয়ারের কাছে পিলারের কাছে নোঙর করে রাখা হয়। শনিবার সকালে স্প্যানটি বসানোর কার্যক্রম শুরু হয়। নয়টার দিকে স্প্যানটি পিলারের ওপর বসানো হয়। এর মধ্যে মূল সেতুর ৪২টি পিয়ারের কাজ শেষ হয়েছে। সর্বশেষ গত ১ই এপ্রিল পিয়ার ২৬ তৈরি মধ্য দিয়ে মূল সেতুর পিয়ার তৈরির কাজ শতভাগ সর্ম্পূণ হয়। ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে পদ্মাসেতুর নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়। ২০১৭ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ৩৭ ও ৩৮ নম্বর খুঁটিতে প্রথম স্প্যানটি বসানোর মধ্য দিয়ে দৃশ্যমান হয় পদ্মা সেতু। এরপর একে একে বসানো হয় ২৭টি স্প্যান। প্রতিটি স্পেনের দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার। ৪২টি পিলারের ওপর ৪১টি স্প্যান বসিয়ে ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ পদ্মা সেতু নির্মাণ করা হবে। এর মধ্যে সবকটি পিলার দৃশ্যমান হয়েছে। মূল সেতু নির্মাণের জন্য কাজ করছে চীনের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি (এমবিইসি)। আর নদী শাসনের কাজ করছে দেশটির আরেকটি প্রতিষ্ঠান সিনো হাইড্রো করপোরেশন। দুটি সংযোগ সড়ক ও অবকাঠামো নির্মাণ করেছে বাংলাদেশের আবদুল মোমেন লিমিটেড। ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ বহুমুখী সেতুর মূল আকৃতি হবে দোতলা। কংক্রিট ও স্টিল দিয়ে নির্মিত হচ্ছে এ সেতুর কাঠামো। পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ সম্পূর্ণ হওয়ার পর আগামী ২০২১ সালেই খুলে দেয়া হবে।

জাতীয় পাতার আরো খবর