বুধবার, আগস্ট ৪, ২০২১
করোনার টিকা উৎপাদন হবে দেশেই: প্রধানমন্ত্রী
২৭ জুলাই ২০২১, নিজস্ব সংবাদদাতা, নিউজ একাত্তর : করোনার ভ্যাকসিনের কোনো সংকট হবে না জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশেই করোনা ভ্যাকসিন উৎপাদন হবে। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সকালে গণভবন থেকে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনের এক পদক প্রদান অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়ে এ কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক মনোনীত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের হাতে পদক তুলে দেন। এ সময় জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ ফরহাদ হোসেন ও মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। জনপ্রশাসনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে দক্ষতা ও সৃজনশীল কাজের অবদানের জন্য ২০১৬ সাল থেকে প্রতি বছর ২৩ জুলাই সফল কর্মকর্তা কর্মচারী ও প্রতিষ্ঠানকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রদান করা হয় জনপ্রশাসন পদক। সেই থেকে এ দিনটি জাতীয় পাবলিক সার্ভিস দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। করোনা সংক্রমণের কারণে ২০২০ সালে আয়োজনটি বাতিল করায় এবার ২০২০ ও ২০২১ এ দুই বছরের পদক একসঙ্গে তুলে দেওয়া হয়। ২০২০ সালের জন্য ১৫টি ও ২০২১ সালের জন্য ২০টি মিলিয়ে মোট ৩৫টি পদক তুলে দেওয়া হয় মনোনীত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধির হাতে। জাতীয় পর্যায়ে তিন ক্যাটাগরিতে ১৮ ক্যারেটের এক ভরি ওজনের স্বর্ণপদক এবং সনদপত্র প্রদান করা হয়। ব্যক্তি শ্রেণিতে এক লাখ টাকা, দলগত অবদানের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা এবং প্রাতিষ্ঠানিক শ্রেণিতে শুধু পদক ও সম্মাননাপত্র প্রদান করা হয়। অপরদিকে জেলা পর্যায়ে ব্যক্তি শ্রেণিতে ৫০ হাজার টাকা ও সনদপত্র এবং দলগত শ্রেণিতে এক লাখ টাকা ও সনদপত্র প্রদান করা হয়। নিউজ একাত্তর /আলী হোসেন
সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৫১তম জন্মদিন
২৭ জুলাই ২০২১, নিজস্ব সংবাদদাতা, নিউজ একাত্তর : যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা আর দেশপ্রেম, এই তিনের সমন্বয়ে দেশের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) খাতকে শুধু এগিয়েই নেননি, নিজ হাতে গড়ে তুলেছেন ডিজিটাল বাংলাদেশ। ক্ষমতার খুব কাছাকাছি থেকেও নির্লোভ ও পরিচ্ছন্ন জীবন-জীবিকার অধিকারী থেকে ঠাঁই করে নিয়েছেন দেশের আপামর মানুষের মনে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৌহিত্র এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিশিষ্ট পরমাণু বিজ্ঞানী ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় আজ পা রাখলেন ৫১ বছরে। যুদ্ধের দামামার মাঝেই ১৯৭১ সালের ২৭ শে জুলাই বিশিষ্ট পরমাণু বিজ্ঞানী এম এ ওয়াজেদ মিয়া ও শেখ হাসিনা ঘর আলো করে জন্ম নেয় ফুটফুটে এক শিশু। পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয়ের পর নানা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রিয় দৌহিত্রের নাম রাখেন জয়। 'জয়' দিয়ে জীবনের শুরু হলেও শৈশবেই তাকে হতে হয় কঠিন নিষ্ঠুরতার মুখোমুখি। ৭৫-এ ঘাতক দলের নির্মম বুলেটে নানা-নানীসহ ছিন্নভিন্ন হয় যায় পুরো পরিবার। ৭৫ পরবর্তী লন্ডন হয়ে মায়ের সঙ্গে রাজনৈতিক আশ্রয়ে থাকেন ভারতে। পড়াশোনা করেন বিশ্বের প্রসিদ্ধ সব বিদ্যাপীঠে। নিজেকে গড়ে তোলেন একজন প্রতিষ্ঠিত কম্পিউটার প্রকৌশলী হিসেবে। জীবনের বড় একটি সময় প্রবাস জীবন-যাপন করলেও দেশ ভাবনা থেকে কখনো পিছপা হননি বঙ্গবন্ধু দৌহিত্র সজীব ওয়াজেদ জয়। ২০১৪ সালে দায়িত্ব নেন মা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবৈতনিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ইশতেহারে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার বিষয়টি নিয়ে আসেন তিনি। পর্দার অন্তরালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশে থেকে গোটা দেশে তথ্যপ্রযুক্তির বিপ্লব ঘটান এই তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ। মহাকাশে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ, দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে হাইটেক পার্ক নির্মাণ, ফোর-জি চালু, ইন্টারনেটের দাম কমানো, কম্পিউটারের শুল্কমুক্ত আমদানি, ফ্রিল্যান্সিংয়ে উৎকর্ষ সাধনসহ অনলাইনে নাগরিক সুবিধা নিশ্চিতে সজীব ওয়াজেদ জয়ের অবদান অনন্য। যার সুফল আজ ভোগ করছে কোটি বাঙালি। কেননা করোনা মহামারিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থমকে গেলেও তথ্য প্রযুক্তিতে এগিয়ে থাকা বাংলাদেশ পাচ্ছে বাড়তি সুবিধা। সজীব ওয়াজেদ জয় মনে করেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের পথে বাংলাদেশ হতে চলেছে আগামীর নেতা। যার নেতৃত্বে থাকবে দেশের তরুণ প্রজন্ম। আর তাই তরুণ উদ্যোক্তা ও নেতৃত্বকে একসঙ্গে যুক্ত করার পাশাপাশি প্রশিক্ষিত করতে বৃহত্তম প্ল্যাটফরম ইয়াং বাংলার সূচনা হয় সজীব ওয়াজেদ জয়ের নেতৃত্বেই। শ্রমনির্ভর অর্থনীতিকে প্রযুক্তিনির্ভর করে তুলতে জাতীয় পর্যায়ে চলমান কর্ম-প্রয়াসের কেন্দ্রবিন্দুতে সজীব ওয়াজেদ জয়। যার নেতৃত্বে দেশের উত্তরণ ঘটেছে অফলাইন থেকে অনলাইনে। প্রযুক্তির বরপুত্র, ডিজিটাল বাংলাদেশের এই রূপকারের হাত ধরেই আরও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ। এগিয়ে যাবে তারুণ্য। নিউজ একাত্তর /আলী হোসেন
সংক্রমণের হার ৩০ শতাংশের নিচে নামেনি
২৫ জুলাই ২০২১, অনলাইন ডেস্ক, নিউজ একাত্তর ঃঈদের বন্ধে পরীক্ষা কম হলেও করোনা সংক্রমণের হার কমেনি বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। আজ রোববার দুপুরে কোভিড-১৯ পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আয়োজিত ভার্চুয়াল স্বাস্থ্য বুলেটিনে অধিদপ্তরের মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, জেলাভিত্তিক শনাক্তের হিসাবে ঢাকা শীর্ষে অবস্থান করছে। ঢাকায় ইতিমধ্যে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৪ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। তারপর আছে যথাক্রমে চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, সিলেট, বগুড়া, নারায়ণগঞ্জ, খুলনা, ফরিদপুর এবং সবচেয়ে কম সংখ্যক রোগী চিহ্নিত হয়েছে রাজশাহীতে ১৮ হাজার ৪১৬ জন। বিভাগভিত্তিক মৃত্যুর হারেও এগিয়ে আছে ঢাকা। এরপরই রয়েছে খুলনা বিভাগ। গত ৭ দিনের সংক্রমণ পরিস্থিতি দিকে তাকালে দেখা যাচ্ছে নমুনা সংগ্রহ কম হয়েছে, সে হিসাবে পরীক্ষা হয়েছে কম। ফলে মোট রোগীর সংখ্যা কমেছে। তবে শতকরা হিসেবে সংক্রমণের হার ৩০ শতাংশের নিচে নামেনি। বরং ২৪ শে জুলাই ৩২ দশমিক ৫৫ শতাংশ রোগী শনাক্ত হয়েছে। ১৯শে জুলাই সবচেয়ে বেশি প্রাণহানি ঘটেছে ২৩১ জন। সবচেয়ে কম মারা গেছেন ২৩শে জুলাই ১৬৬ জন। ২৯তম এপিডেমিক সপ্তাহে ২৪শে জুলাই পর্যন্ত ২ লাখ ২ হাজার ১১৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। আগের সপ্তাহের তুলনায় পরীক্ষার হার ২৮ দশমিক ৯৪ শতাংশ কমেছে। ঈদের বন্ধের কারণে এই সংখ্যা কমতে পারে। তবে সুস্থতার হার ১৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ বেড়েছে বলেন তিনি। এক প্রশ্নের জবাবে ডা. নাজমুল বলেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে যে মোবাইল ভেন্টিলটরগুলো এসেছে সেগুলো আমাদের বিশেষজ্ঞরা পরীক্ষা করে দেখছেন। এগুলো যখন যেখানে প্রয়োজন সেখানে স্থাপন করা হবে। নিউজ একাত্তর / ভুঁইয়া
গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মারা গেলেন ২২৮, শনাক্ত ১১,২৯১
২৫ জুলাই ২০২১, অনলাইন ডেস্ক, নিউজ একাত্তর ঃগত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ২২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১৯ হাজার ২৭৪ জনে।এ সময় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ১১ হাজার ২৯১ জন। এ নিয়ে মোট আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১১ লাখ ৬৪ হাজার ৬৩৫ জন। নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ৩০ দশমিক ০৪ শতাংশ। মোট পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ৬২ শতাংশ। আজ রবিবার(২৫ জুলাই) বিকালে স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, একই সময়ে সরকারি ও বেসরকারি ৬৩৯টি ল্যাবরেটরিতে ৩৭ হাজার ৯৭২টি নমুনা সংগ্রহ হয় ও ৩৭ হাজার ৫৮৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এ নিয়ে মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা দাঁড়ালো ৭৪ লাখ ৫৫ হাজার ২৮১টি। মৃত ২২৮ জনের মধ্যে পুরুষ ১২৫ ও নারী ১০৩ জন। এদের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে ১৭৪, বেসরকারি হাসপাতালে ৪০ এবং বাড়িতে ১৪ জন মারা যান। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১০হাজার ৫৮৪ জন। এ নিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা ৯ লাখ ৯৮ হাজার ৯২৩ জন। সুস্থতার হার ৮৫ দশমিক ৭৭ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত ২২৮ জনের মধ্যে শূন্য থেকে দশ বছরের কম বয়সী একজন, দশোর্ধ্ব ২ জন, বিশোর্ধ্ব ৮ জন, ত্রিশোর্ধ্ব ২২ জন, চল্লিশোর্ধ্ব ৩৪ জন, পঞ্চাশোর্ধ্ব ৫০ জন, ষাটোর্ধ্ব ৭০ জন, সত্তোরোর্ধ্ব ৩৩ জন, আশির্ধ্ব ৬ জন এবং নব্বই বছরের বেশি ২ জন মারা যান। একই সময়ে করোনায় মৃত ২২৮ জনের মধ্যে বিভাগওয়ারী হিসাবে দেখা গেছে, ঢাকায় ৬৯, চট্টগ্রামে ৪০, রাজশাহীতে ২১, খুলনায় ৫০, বরিশালে ৬, সিলেটে ১১, রংপুরে ১৬ এবং ময়মনসিংহে ১৫ জনের মৃত্যু হয়। এর আগে গতকাল শনিবার ১৯৫, শুক্রবার ১৬৬, বৃহস্পতিবার ১৮৭, বুধবার ১৭৩, মঙ্গলবার ২০০ ও সোমবার সর্বোচ্চ ২৩১ জনের মৃত্যু হয়। রোববার ২২৫ ও শনিবার ২০৪ জন মারা যান। গত ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়ায়। এদিন মৃত্যু হয় ২০১ জনের। গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। নিউজ একাত্তর / ভুঁইয়া
মাসে এক কোটি মানুষকে টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে
২৫ জুলাই ২০২১, নিজস্ব সংবাদদাতা, নিউজ একাত্তর ঃপ্রতি মাসে এক কোটি মানুষকে টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। জাতীয় পরিচয় পত্র দিয়ে টিকা দেওয়ার ব্যবস্থাও করা হবে। রবিবার (২৫ জুলাই) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল পরিদর্শনে শেষে তিনি সাংবাদিকদের একথা বলেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় চারটি হাসপাতাল নির্ধারণ করেছে সরকার। এগুলো হলো স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, আহসানুল্লাহ হাসপাতাল, লালকুঠি হাসপাতাল ও রেলওয়ে হাসপাতাল। এছাড়া আরও কয়েকটি হাসপাতাল নির্ধারণ করা হয়েছে। করোনায় ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের ৭৫ শতাংশই গ্রাম থেকে আসা। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব কনভেনশন হল ফিল্ড হাসপাতাল করা হয়েছে এখানে এক হাজার বেডের হাসপাতাল করা হচ্ছে। নিউজ একাত্তর / ভুঁইয়া
পদ্মায় ধাক্কা - দুর্ঘটনার জন্য দুই চালককে দায়ী করা হয়েছে
২৫ জুলাই ২০২১,অনলাইন ডেস্ক, নিউজ একাত্তর ঃপদ্মা সেতুর পিলারে ধাক্কার ঘটনায় ফেরির দুই চালককে (মাস্টার ও সুকানি) দায়ী করে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে তদন্ত কমিটি। শুক্রবার সকালে বাংলাবাজার ঘাট থেকে ২৯টি যানবাহন নিয়ে শিমুলিয়া ঘাটে আসার পথে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা সেতুর ১৭ নম্বর পিলারে আঘাত করে। এ সময় ফেরিতে থাকা যাত্রীরা ছিটকে একে অপরের ওপর পড়ে কমপক্ষে ২০ জন যাত্রী মারাত্মক আহত হন। ওই দিনই বিআইডব্লিউটিসির পরিচালক (বাণিজ্য) এসএম আশিকুজ্জামানকে প্রধান করে চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। রবিবার (২৫ জুলাই) বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান সৈয়দ মো. তাজুল ইসলাম গণমাধ্যমে বলেন, আজ দুপুরে কমিটি তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। দুর্ঘটনার জন্য ফেরি দুই চালককে দায়ী করা হয়েছে। তদন্ত কমিটিকে তিনদিনের মধ্যে কমিটিকে রিপোর্ট দিতে বলা হয়। শুক্রবার কমিটির সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও ফেরিতে কর্মরত ছয়জনের বক্তব্য নেন। শনিবার খসড়া প্রতিবেদন তৈরি করেন। রবিবার বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যানের কাছে এ প্রতিবেদন জমা দেয় কমিটি। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, তেল খরচ কমাতে সংক্ষিপ্ত পথে চলতে গিয়ে পদ্মা সেতুতে আঘাত করে রো রো ফেরি শাহজালাল। স্রোতের অনুকূলে কম গতিতে চালাতে (২৫০ আরপিএম) গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেতুর ১৭ নম্বর পিলারে ধাক্কা দেয় ফেরিটি। অথচ স্রোতের বিপরীতে কিছুটা উপরের দিকে চালিয়ে পদ্মা সেতুর ১২ ও ১৩ নম্বর পিলারের ফাঁক দিয়ে নদী পাড়ি দিলে এ ঘটনা এড়াতে পারতেন ফেরির দুই চালক (মাস্টার ও সুকানি)। সেক্ষেত্রে পথটি দীর্ঘ হতো এবং গতিও বাড়াতে হতো। এতে তেল খরচ হতো বেশি। তাদের উদ্দেশ্য ছিল তেল বাঁচানো। ফেরির আঘাতে সেতুর ১৭ নম্বর পিলারের ক্যাপে কিছুটা স্ক্যাচ পড়েছে। আর কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। তবি ফেরিটির বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। ডকইয়ার্ডে নিয়ে মেরামতের আগে এটি চলাচল করতে পারবে না। এদিকে এ ঘটনা ধামাচাপা দিতে কৌশল নেন ফেরির দুই চালক ও অন্যান্য স্টাফরা। সেতুতে আঘাত দেয়ার আগে স্টিয়ারিং কাজ করছিল না বলে তদন্ত কমিটির সদস্যদের কাছে দাবি করেন তারা। যদিও তদন্ত কমিটির পর্যবেক্ষণে স্টিয়ারিং ভালো পাওয়া গেছে। তবে তারা ধীরগতিতে চালানোর কথা স্বীকার করেছে। নিউজ একাত্তর / ভুঁইয়া
মাওলানা ভাসানীর ন্যাপ রাজনীতি করেছেন মানুষের কল্যাণে
২৫ জুলাই ২০২১,নিজস্ব সংবাদদাতা, নিউজ একাত্তর ঃমাওলানা ভাসানী প্রতিষ্ঠিত ন্যাপ সবসময়ই অপরাজনীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার, বলেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। মওলানা ভাসানীর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে ড. হাছান বলেন, তিনি ক্ষমতার জন্য নয়, রাজনীতি করেছেন মানুষের কল্যাণে। এই নির্মোহ জননেতার কাছ থেকে আমাদের রাজনীতিবিদদের অনেক শেখার আছে। রবিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে প্রগতিশীল ন্যাপের ৬৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলের কেন্দ্রীয় আহবায়ক ও মওলানা ভাসানীর দৌহিত্র পরশ ভাসানীর সভাপতিত্বে অনলাইন আলোচনা সভায় মন্ত্রী ঢাকায় তার বাসভবন থেকে যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় একথা বলেন। প্রগতিশীল ন্যাপ দলটির জনমুখী কার্যক্রমের প্রশংসা করে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক বলেন, ২০১৩-১৪-১৫ সালে যখন দেশে বিভীষিকাময় পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টায় দিনের পর দিন মানুষকে অবরুদ্ধ করে রাখা হচ্ছিল এবং পেট্রোল বোমায় ঝলসে শত শত মানুষকে হত্যা, হাজার মানুষকে দগ্ধ করা হচ্ছিল, তখন যে কয়টি রাজনৈতিক দল প্রতিবাদমুখর ছিল, প্রগতিশীল ন্যাপ তাদের অন্যতম। তথ্যমন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু, সকল মুক্তিযোদ্ধা, মওলানা ভাসানী এবং জাতীয় চারনেতার স্বপ্নের ঠিকানায় বাংলাদেশকে পৌঁছে দেয়া। আর এজন্য অন্য দলগুলোকেও এগিয়ে আসতে হবে এবং পরশ ভাসানীর নেতৃত্বে প্রগতিশীল ন্যাপ এক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে, উল্লেখ করেন তিনি। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী মহামারির এসময় অক্সিজেন পাঠানোর জন্য এবং আমদানির পাশাপাশি কয়েক লাখ টিকা উপহার হিসেবে দেবার জন্য ভারত সরকারের প্রতি ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এটি প্রকৃত বন্ধুত্বের উদাহরণ। একইসাথে বাকি প্রতিশ্রুত টিকাও অচিরেই আসবে বলে আশাপ্রকাশ করেন তিনি । লকডাউন নিয়ে অপর এক প্রশ্নের জবাবে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, করোনা সংক্রমণ কমাতে না পারলে হাসপাতালে শুধু শয্যা সংখ্যা ক্রমাগত বাড়িয়ে লাভ হবে না। প্রত্যেকের নিজের ও পরিবারের সুরক্ষার জন্য সরকারপ্রদত্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে দেশবাসীর প্রতি অনুরোধ জানান তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী। প্রগতিশীল ন্যাপের সদস্য সচিব মোহাম্মদ আলী কিসমতের সঞ্চালনায় দলের সহআহ্বায়ক মোহা. ইলিয়াস, যুগ্ম আহ্বায়কবৃন্দ মো. বাবুল আহমেদ, মোহাম্মদ মনিরুল হাসান মনির, মৌসুমী দেওয়ান মিনু এবং জেলা প্রতিনিধিবৃন্দ সভায় অংশ নেন। নিউজ একাত্তর / ভুঁইয়া
দেশে করোনায় আরও ১৯৫ জনের মৃত্যু
২৪ জুলাই ২০২১, এ.হক.কাজল,নিউজ একাত্তর ঃদেশে একদিনে করোনায় আরও ১৯৫ জনের মৃত্যু হয়েছ। এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৯ হাজার ৪৬ জনে। নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৬ হাজার ৭৮০ জন। সরকারি হিসাবে এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত ১১ লাখ ৫৩ হাজার ৩৪৪ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ৩২ দশমিক ৫৫ শতাংশ। এ যাবতকালে একদিনেন সর্বোচ্চ। এটা চলতি জুলাই মাসের ২২ তারিখে ছিল ৩২ দশমিক ১৯ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় ৯ হাজার ৭২৩জন এবং এখন পর্যন্ত ৯ লাখ ৮৮হাজার ৩৩৯ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন। আজ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এতে আরও জানানো হয়, ৬৩৯টি পরীক্ষাগারে গত ২৪ ঘণ্টায় ২০ হাজার ৫৩৬টি নমুনা সংগ্রহ এবং ২০ হাজার ৮২৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ৭৪ লাখ ১৭ হাজার ৬৯৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ৩২ দশমিক ৫৫ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৫ দশমিক ৬৯শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৬৫ শতাংশ। নিউজ একাত্তর /আলী হোসেন

জাতীয় পাতার আরো খবর