সোমবার, আগস্ট ২, ২০২১
নাসিমের শারীরিক অবস্থার অবনতি
৫জুন,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনায় আক্রান্ত আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ১৪ দলের মুখপাত্র সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের শারীরিক অবস্থার অবনীতি হয়েছে। গত রাতে ব্রেন স্টোক করার পর এখন তার অপারেশন চলছে। এমন পরিস্থিতিতে দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন তার পরিবার। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মোহাম্মদ নাসিমের ব্যক্তিগত সহকারি মীর মোশাররফ হোসেন। জানা গেছে, করোনায় আক্রান্ত মোহাম্মদ নাসিম রাজধানীর স্পেশাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত রাতে হাসপাতালের আইসিইউতে তার ব্রেন স্ট্রোক করে। সিএমএইচ এর অ্যাম্বুলেন্স এসেছিল। কিন্তু রোগীর অবস্থা খারাপ হওয়ায় নেয়া যায়নি। তাকে বাংলাদেশ স্পেশালাজড হসপিটালেই অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিউরো সার্জন বিভাগের প্রধান প্রফেসর ডা. রাজিউল হকের নেতৃত্বে অপারেশন চলছে। এর আগে, গত সোমবার শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালে ভর্তির পর করোনাভাইরাস পজিটিভ আসে মোহাম্মদ নাসিমের।
৫০ এমপিকে সংসদে যেতে মানা
৫জুন,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাজেট অধিবেশনকে ঘিরে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের নিরাপত্তায় আরোপ করা হচ্ছে বেশ কড়াকড়ি। করোনা ভাইরাস সংক্রমণের আশঙ্কা থেকে অর্ধশতাধিক বয়স্ক সংসদ সদস্যকে নিষেধ করা হচ্ছে অধিবেশনে যোগ না দিতে। মূল অডিটরিয়ামে প্রধানমন্ত্রীসহ সংসদ সদস্যদের আসন বিন্যাসে আনা হচ্ছে পরিবর্তন। এছাড়া প্রতিদিনের পরিবর্তে একদিন পরপর অধিবেশন চালানোর পরিকল্পনা সংসদ সচিবালয়ের। ৩১ মে থেকে দেশে অফিস চালু হলেও সরকারের পক্ষ থেকে রয়েছে স্বাস্থ্যবিধির ব্যাপক কড়াকড়ি। এর মাঝেই বসছে একাদশ জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশন। সংরক্ষিত ৫০ জনসহ সংসদের সদস্য সংখ্যা ৩৫০। এর মধ্যে ৬০ জন সদস্য উপস্থিত হলেই পূরণ হয় কোরাম। সংবিধানের অক্ষুন্নতা রাখতে এর আগে গত ১৮ এপ্রিল স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাত্র এক দিনের জন্য বসেছিলো অধিবেশন। এবারও প্রধানমন্ত্রীর আশপাশের কয়েকটি চেয়ার রাখা হবে খালি। সংশ্লিষ্টদের মধ্যে করোনা ভাইরাস টেস্টে উর্ত্তীন কর্মকর্তারাই সুযোগ পাবেন তার সাথে কাজ করার।- somoynews.tv
প্রধানমন্ত্রীকে আরএসএফসহ পাঁচ সংগঠনের খোলা চিঠি
৪জুন,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার পক্ষে কাজ করা আন্তর্জাতিক সংগঠন রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স (আরএসএফ)-সহ দেশ-বিদেশের পাঁচটি সংগঠন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে একটি খোলা চিঠি লিখেছে। এতে করোনাভাইরাস মহামারির সময় বাংলাদেশে সাংবাদিক সহিংসতার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। এছাড়া সাংবাদিকদের সুরক্ষার জন্য তিন দফা আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনগুলো। চিঠিতে স্বাক্ষরকারী অন্য চার সংগঠন হলো ফোরাম ফর ফ্রিডম এক্সপ্রেশন (মুক্ত প্রকাশ), আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক), কার্টুনিস্ট রাইটস নেটওয়ার্ক ইন্টারন্যাশনাল (সিআরএনআই) এবং কার্টুনিস্ট ফর পিস (সিএফপি)। চিঠিতে বলা হয়েছে, প্রিয় প্রধানমন্ত্রী, ২০১৮ সালের ১৯ নভেম্বর সংকটে সাংবাদিকদের সুরক্ষা নিশ্চিতে কাজ করা একটি সংগঠনকে তহবিল প্রদানের সময় আপনি বলেছিলেন, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতায় সরকার দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে। আপনি আরও বলেছিলেন, কেউ বলতে পারবে না আমরা কখনও কারও কণ্ঠরোধ করেছি; আমরা কখনও তা করিনি এবং কখনও তা করবো না। তবু এটা অস্বীকার করার উপায় নেই যে, আপনার দাবির সঙ্গে তথ্য সাংঘর্ষিক। আপনার ওই বক্তব্যের পর আরএসএফ কর্তৃক প্রকাশিত ওয়ার্ল্ড ফ্রিডম ইনডেক্সে বাংলাদেশের পাঁচ ধাপ অবনতি হয়েছে। ২০২০ সালের সূচকে ১৮০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৫১তম। আর গত কয়েক সপ্তাহে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা লঙ্ঘনের ঘটনায় আমরা আশঙ্কা করছি, আগামী বছরে বাংলাদেশের আরও অবনতি হতে পারে। শুধু মে মাসেই ২০১৮ সালের ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে অন্তত ১৬ সাংবাদিক ও ব্লগারের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তাদের মধ্যে গত ৬ মে বাংলাদেশের সন্ত্রাস দমন সংস্থা Rapid Action Battalion (Rab)কর্তৃক গ্রেফতার হন কার্টুনিস্ট আহমেদ কবির কিশোর। তার একমাত্র সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ছিল লাইফ ইন টাইম অব করোনা শিরোনামে রাজনীতিকদের নিয়ে একটি কার্টুন সিরিজ প্রকাশ করা। তিনি এখনও কারাবন্দি এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা হতে পারে তার। এই আইনে গ্রেফতার হওয়া বেশিরভাগ সাংবাদিক শুধু এমন তথ্য প্রকাশ করেছেন, যা স্থানীয় রাজনীতিকদের বিরুদ্ধে গেছে। বাংলাদেশে সরকারি-বেসরকারি ছুটি শুরুর পর অন্তত ১৩ সাংবাদিক পরিকল্পিত সহিংসতার শিকার হয়েছেন। কয়েকটি ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন তারা। গত ১ এপ্রিল শাহ সুলতান আহমদ নামের সাংবাদিককে লোহার রড দিয়ে মারধর করা হয়। মহামারিতে সরকারের পাঠানো জরুরি খাদ্য সহায়তা বিতরণে অনিয়মের খবর প্রকাশের কারণে স্থানীয় এক রাজনীতিক প্রতিশোধ নিতে মারধরের নির্দেশ দেওয়ায় ঘটনাটি আরও ভয়ংকর রূপ নেয়। আরএসএফের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মানবিক ত্রাণ বিতরণের দায়িত্বে নিয়োজিত জেলা কর্মকর্তাদের দুর্নীতি অনুসন্ধানের কারণে আরও ছয় সাংবাদিক একই ধরনের সহিংসতার শিকার হয়েছেন। জাতিসংঘ এই সময়কে ভুল তথ্যের মহামারি হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। এমন সময়ে বাংলাদেশের সাংবাদিকরা নাগরিকদের নির্ভরযোগ্য ও স্বাধীনভাবে প্রতিবেদন তৈরিতে সামনে থেকে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। এমন পরিস্থিতিতে সাংবাদিকদের সহিংসতার শিকার হওয়া মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়। সাংবাদিকোচিত স্বাধীনতা সুরক্ষা এবং শারীরিক বা বিচারিক প্রতিহিংসার আতঙ্ক ছাড়াই যেন সাংবাদিকরা কাজ করতে পারেন তা নিশ্চিত করতে আপনার সরকারের কর্তব্য রয়েছে। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় কাজ করা বাংলাদেশি ও আন্তর্জাতিক পাঁচটি সংগঠন প্রধানমন্ত্রী ও তার নেতৃত্বাধীন সরকারের কাছে কয়েকটি আহ্বান জানিয়েছে। * সাংবাদিকদের ওপর শারীরিক হামলা চালানো ব্যক্তিরা যেন বিচারহীন না থাকে সেজন্য অ্যাটর্নি জেনারেলের পক্ষ থেকে তদন্তের নির্দেশ এবং প্রয়োজনে হামলাকারী ও উসকানিদাতাদের গ্রেফতার ও বিচার করা। * ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের অধীনে সাংবাদিক, ব্লগার ও কার্টুনিস্টদের অবমাননাকর শাস্তির ধারা বাতিল করা। * সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার আইন সংস্কার করা, যাতে জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাকে ২০১৮ সালের ১৪ মে বাংলাদেশ সরকারের দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী হয়। এক্ষেত্রে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংস্কার করা উচিত এবং সাংবাদিকদের সুরক্ষায় একটি খসড়া আইন প্রণয়ন করা দরকার। এসব লক্ষ্য অর্জনে সরকারের সঙ্গে সংলাপ শুরুর জন্য সংগঠনগুলো প্রস্তুত আছে বলে চিঠিতে জানানো হয়।
অনিশ্চিত হজযাত্রা, সিদ্ধান্ত ১৫ জুনের পর
৪জুন,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: হজের আর দুই মাসও বাকী নেই। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ৩০ জুলাই (৯ জিলহজ্ব) পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। হাতে একেবারে কম সময়ে করোনাভাইরাস সংক্রমণের বর্তমান পরিস্থিতিতে হজ আদৌ অনুষ্ঠিত হবে কিনা এখনো জানেন না কেউ। করোনার কারণে গত মার্চ মাস থেকে বন্ধ রয়েছে হজের সব কার্যক্রম। বর্তমান পরিস্থিতিতে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে কিনা এ সিদ্ধান্তের জন্য সৌদি আরব সরকারের দিকে তাকিয়ে বাংলাদেশ। ইতোমধ্যে হজের চূড়ান্ত নিবন্ধনও শেষ করে রেখেছে সরকার। বাকী রয়েছে সৌদি অংশের হোটেল, ট্রান্সপোর্ট ইত্যাদি কার্যক্রম। ধর্মমন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এবার হজ অনুষ্ঠিত হবে কিনা তা জানা যাবে ১৫ জুন কিংবা তার পরে। এসময়ে সৌদি সরকার হ্যাঁ- না যে কোনো একটা সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেবে। আর সৌদি সিদ্ধান্ত অনুসরণ করে বাংলাদেশ সরকার দেশের করোনা পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরবর্তী কার্যক্রম চালু করবে বাংলাদেশ। হজ আদৌ অনুষ্ঠিত হবে কিনা- কবে জানা যাবে সিদ্ধান্ত জানতে চাইলে বুধবার রাতে ধর্মমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শেখ মো. আব্দুল্লাহ জানান, আশা করছি ১৫ জুনের দিকে হজের বিষয়ে সৌদি সরকারের কাছ থেকে সিদ্ধান্ত আসতে পারে। আমরা সৌদি সরকারের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছি। যেই সিদ্ধান্তই আসুক না কেন আমরা প্রস্তুত। তাদের সিদ্ধান্ত আসার পরে আমরা আলোচনা করবো। দেশের পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রধানমন্ত্রীর দিক-নির্দেশনা অনুযায়ী হজের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সৌদি আরবে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ কমে যাওয়ায় লকডাউন শিথিল করা হয়েছে। পবিত্র বায়তুল্লাহ শরীফ বন্ধ রেখে পবিত্র মসজিদে নববীসহ সেদেশের সব মসজিদ দীর্ঘ ৭৭দিন পর খুলে দিয়েছে সৌদি সরকার। গত ৩১ মে থেকে সৌদি আরবের সব মসজিদে শুরু হয়েছে জামাতে নামাজ আদায়। মুসল্লিদের স্বাস্থ্যবিধিসহ বেশ কিছু শর্ত মেনে নামাজ আদায় করতে হচেছ। এরমধ্য দিয়ে সীমিত পরিসরে হলেও হজের দুয়ার খুলতে যাচ্ছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। হজ অনুষ্ঠানের সুরক্ষার জন্যই আপাতত পবিত্র বায়তুল্লাহ শরীফ বন্ধ রাখা হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। যাতে সবধরনের ভাইরাস থেকে মুক্ত রাখা যায়। সূত্রমতে, সৌদি সরকার ১৫ জুন কিংবা পরে যে কোনো দিন হজ কার্যক্রম চালু করবে কিনা সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেবে। যদি হজ চালুর সিদ্ধান্ত আসে এক্ষেত্রে বাংলাদেশ থেকে হজযাত্রী যাবে কিনা তা করোনা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে। দিন যতই বাড়ছে ততই বাংলাদেশে করোনা আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। এমতাবস্থায় ঝুঁকি এড়িয়ে সম্পূর্ণ সুরক্ষায় বাংলাদেশ থেকে হজযাত্রী সৌদি আরবে আদৌ যেতে পারবে কিনা তা এখনো নিশ্চিত নয়। তাছাড়া হজের সঙ্গে সরকারের বেশ কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের কর্মযজ্ঞ জড়িত। করোনার এ সময়ে তারা কতটুকু প্রস্তুত সেটাও দেখার বিষয় রয়েছে। বিশেষ করে হজের বিষয় পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রধানমন্ত্রীর দিক নির্দেশনা নেওয়া হবে। সবকিছু বিবেচনা করেই হজের সিদ্ধান্ত নেবে ধর্মমন্ত্রণালয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে হজযাত্রা হবে কিনা জানতে চাইলে ধর্মসচিব নুরুল ইসলাম জানান, আমরা জেনেছি, প্রথম কিংবা দ্বিতীয় সপ্তাহে এ ব্যাপারে একটা সিদ্ধান্ত আসতে পারে। তবে যেই সিদ্ধান্তই আসুক না কেন ধর্মমন্ত্রণালয় একক কোনো সিদ্ধান্ত নেবে না। পরিস্থিতি নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক হবে, নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে আলোচনার পর এ বিষয়ে বাস্তবমুখী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তিনি বলেন, হজের কার্যক্রমের সঙ্গে অনেকগুলো মন্ত্রণালয় সম্পৃক্ত। বিমানের কাজ রয়েছে। তাদের ক্লিয়ারেন্স লাগবে। এখন যে পরিস্থিতি তাতে স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়ের ক্লিয়ারেন্স লাগবে। সবকিছু বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানান সচিব। এদিকে এবার হজ পালনের জন্য বাংলাদেশের ৬৫ হাজার ৫১২ হজযাত্রী চূড়ান্ত নিবন্ধন করে পবিত্র হজ পালনের জন্য অপেক্ষায় রয়েছেন। সৌদি সরকার হজ চালু করলে এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের হজযাত্রীরা হজে যেতে পারবেন কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তবে এ পরিস্থিতিতেও যাত্রীরা হজের জন্য প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ হজযাত্রী কল্যাণ পরিষদের সভাপতি ড. আব্দুল্লাহ আল নাসের। তিনি বলেন, সৌদি আরবে করোনা সংক্রমণ কমে এসেছে। পরিস্থিতি উন্নতির দিকে। এসময়ে যদি হজ কার্যক্রম চালু করা হয় তাহলে আমাদের যাত্রীরা যেতে পারবেন। কারণ বাংলাদেশ অংশের কাজ শেষ, সৌদি আরবের অংশে হোটেল চুক্তি, ট্রান্সপোর্ট, মিনা মোযাদালিফায় তাবুতে থাকাসহ বাকী কাজ করতে লাগবে মাত্র ৫থেকে ১০দিন। সরকার চাইলে হজযাত্রীদের পাঠানো সম্ভব বলেও মনে করেন তিনি। হজের সর্বশেষ প্রস্তুতি জানতে চাইলে হজ এজেন্সি মালিকদের সংগঠন ‘হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব) সভাপতি এম শাহাদত হোসাইন তসলিম বলেন, আমাদের ৬৫ হাজার ৫১২ নিবন্ধনকারী হজযাত্রী হজের জন্য প্রস্তুত। এখন সৌদি সরকারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায়। পরের সপ্তাহে সিদ্ধান্ত আসতে পারে। আশা করছি, প্রতিবছরের মতো এবারও হজ অনুষ্ঠিত হবে। এখন সেটা সীমিত পরিসরে, না ঘটা করে, তা সৌদি সিদ্ধান্ত ও দেশের করোনা পরিস্থিতিরে ওপর নির্ভর করছে। সৌদি সরকারের সঙ্গে ২০২০ সালের হজ চুক্তি অনুযায়ী এবার হজে যেতে পারবেন এক লাখ ৩৭ হাজার বাংলাদেশি। এর মধ্যে ১৭ হাজার ১৯৮ জন যাবেন সরকারি ব্যবস্থাপনায়, বাকি ১ লাখ ১০ হাজার হজযাত্রী বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজে যাওয়ার কথা রয়েছে। কিন্তু এবার সরকারি- বেসরকারি মিলিয়ে হজের চূড়ান্ত নিবন্ধন করেছেন ৬৫ হাজার ৫১২জন হজযাত্রী। করোনা পরিস্থিতিতে সৌদি সিদ্ধান্ত এবং বাংলাদেশের করোনা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করছে নিবন্ধনকারী সবাই আদৌ হজে যেতে পারবেন কিনা? গেলে কতজন হজযাত্রী হজে যাবেন। কারণ করোনার কারণে সীমিত আকারে হজ অনুষ্ঠিত হলে বাংলাদেশ থেকে হজযাত্রী কমে যাবে।
মানুষকে সুরক্ষিত রাখতে সরকার প্রাণপণ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী
৪জুন,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনা ভাইরাস মহামারীর কবল থেকে দেশের জনগণকে বাঁচাতে এবং অর্থনীতি সচল রাখায় তাঁর সরকারের পদক্ষেপসমূহের উল্লেখ করে বলেছেন, মানুষকে সুরক্ষিত রাখতে সরকার প্রাণপণ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা বাংলাদেশে প্রাণপণ চেষ্টা করে যাচ্ছি এই করোনা ভাইরাস থেকে দেশের মানুষকে রক্ষা করতে, তাঁদের সুরক্ষিত করতে। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পিএমওতে তাঁর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিভিন্ন সরকারী, সেরকারী ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তিবর্গের নিকট থেকে অনুদান গ্রহণকালে একথা বলেন। শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠানে সংযুক্ত হয়ে ভাষণ দেন। তাঁর পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস পিএমওতে অনুদানের চেক গ্রহণ করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষিত করা, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সচল করা, তাদের সামাজিক নিরাপত্তা দেওয়া-সবদিক থেকে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রী লকডাউন শিথিল করার প্রসঙ্গে বলেন, যেহেতু অর্থনীতি একেবারে স্থবির অবস্থায় রয়েছে আমরা কিছু কিছু ক্ষেত্র এখন উন্মুক্ত করছি। কারণ, মানুষকে আমাদের তো বাঁচাতে হবে। তিনি বলেন, এই কর্মকাণ্ডগুলো না করলে, আমরা আর কতটা সহযোগিতা করতে পারবো। তারপরেও আমি বলবো-এই ক মাস এদেশের নিম্ন থেকে মধ্যবিত্ত এবং উচ্চবিত্ত সহ প্রায় প্রতিটি শ্রেণীর মানুষকে ব্যাপকভাবে সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে আমরা করেছি, আমাদের দলের পক্ষ থেকেও করেছি। অনেক বিত্তশালী, তারাও মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে এই আন্তরিকতাটুকু আছে বলে এখনো তারা খেতে পারছে বা চলতে পারছে। এই সহানূভূতিটুকু যেহেতু মানুষ দেখাতে পারছে সেজন্য কিন্তু এখনো আমাদের দেশের একেবারে তৃণমূল পর্যায়ের মানুষেরও নিজের জীবিন জীবিকা চালিয়ে নেওয়ার সঙ্গতি রয়েছে। সেটা অব্যাহত থাকুক, সেটাই আমরা চাই, যোগ করেন তিনি। শেখ হাসিনা প্রায় এক কোটি তালিকাভুক্ত লোকজনকে খাদ্য সহায়তা প্রদানে তাঁর সরকারের প্রচেষ্টার উল্লেখ করে বলেন, বিনা পয়সায় খাদ্যের ব্যবস্থা যেমন করেছি আবার একটু যারা বিত্তশালী, কিনতে চান তাঁদের জন্য ১০ টাকা কিলো দরে আমরা চাল সরবরাহ করছি। দলমত নির্বিশেষে যাঁদের প্রয়োজন তাঁদের প্রত্যেকের দোরগোড়ায় খাবার ও সহযোগিতা পৌঁছে দেওয়ায় তাঁর সরকারের উদ্যোগ তুলে ধরে তিনি বলেন, চেষ্টা করে যাচ্ছি প্রত্যেকটা শ্রেণি-পেশার মানুষ সবার কাছে যেন আমরা কিছু না কিছু সহযোগিতা পৌঁছাতে পারি। যেন তাঁরা কষ্ট না পান। সেটাই আমাদের লক্ষ্য। আর সে লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করে যাচ্ছি,বলেন তিনি। চিকিৎসাসেবা প্রদান প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেন, চিকিৎসাসেবা আমরা ব্যাপকভাবে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছি এবং আমরা দিয়ে যাচ্ছি। বিনা পয়সায় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। করোনাভাইরাস টেস্ট করা বা চিকিৎসা করাটা বেশ ব্যয়বহুল। তারপরও আমরা সেটা করে যাচ্ছি। অর্থনীতি সচল রাখতে নেওয়া পদক্ষেপের প্রসংগে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড যাতে চলে, সেদিকে লক্ষ্য রেখে আমাদের শিল্প থেকে শুরু করে সর্বস্তরের সবাই যেন তাদের কার্যকক্রম চালাতে পারে তার জন্য বিশেষ প্রণোদনাও আমরা দিচ্ছি। জিডিপির প্রায় ৩ শতাংশ ৭ প্রণোদনা দিচ্ছি,বলেন তিনি। আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, গত ৩/৪ মাস ধরে আমাদের অর্থনীতি একেবারে স্থবির। তারপরেও আমরা অন্তত মানুষের কথা চিন্তা করে, মানুষের কল্যাণের কথা চিন্তা করে কাজ করে যাচ্ছি। তিনি বলেন, এটা মনে রাখতে হবে, আওয়ামী লীগ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া সংগঠন। কাজেই সবসময় জনগণের কল্যাণেই আমরা কাজ করি। আওয়ামী লীগ সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার সুবিধা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০৮ সালে আমরা যখন নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করি তখন বাংলাদেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশ হিসেবে ঘোষণা করবো, এটাই আমাদের লক্ষ্য ছিল। আজকে আমি বলবো সেই ডিজিটাল বাংলাদেশ আমরা করতে পেরেছি বলেই আমাদের অনেক কাজ সহজ হয়েছে। উদাহারণ টেনে তিনি বলেন, মানুষকে সহযোগিতা দেওয়া, তাদের কাছে নগদ টাকা পৌঁছানো, চিকিৎসা সেবা দেওয়া বা ঘরে বসে চিকিৎসা পরামর্শ যাতে পেতে পারেন সেই ব্যবস্থা করা, ব্যবসা বাণিজ্য চালানো, ক্রয়-বিক্রয়,আত্মীয় স্বজন বা আপনজনের সঙ্গে কথা বলা বা সাক্ষাৎ- সবকিছুই এখন অনলাইনের মাধ্যমে মানুষ করতে পারছে। সরকার প্রধান আরো বলেন, আমরা যদি এই ডিজিটাল বাংলাদেশ না করতাম বা বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ যদি উৎক্ষেপণ না করতাম এবং বাংলাদেশটা যদি একটা নেটওয়ার্কের মধ্যে না আসতো তাহলে হয়ত এই কাজগুলো করা সম্ভব হতো না। তাঁর সরকারের সময়োচিত এবং যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহনের ফলেই বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের করোনা পরিস্থিতি ভাল অবস্থায় রয়েছে, বলেন তিনি। করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই চালানোর জন্য সহযোগিতায় এগিয়ে আসা বিভিন্ন সংস্থা এবং ব্যক্তিবর্গকে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী এ সময় সকলের সহযোগিতায় তাঁর সরকার ও দেশবাসী এই দুঃসময় কাটিয়ে উঠতে পারবে বলেও দৃঢ় আশাবাদ পুণর্ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, সকলের সম্মিলিত প্রয়াসে বাংলাদেশ অবশ্যই এই অদৃশ্য শত্রুর (করোনা ভাইরাস) বিরুদ্ধে যুদ্ধে জয়ী হতে পারবে। যেসব সংস্থা এবং ব্যক্তিবর্গ অনুদান দিয়েছেন তাঁরা হচ্ছেন- মুক্তযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সেতু বিভাগ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান পরিবহন এ পর্যটন কতৃর্পক্ষ, কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড, বাংলাদেশ লিজিং এন্ড ফিন্যান্স কোম্পানীজ এসোসিয়েশন, আইপিডিসি ফিন্যান্স লি, লংকা-বাংলা ফিন্যান্স লি, উত্তরা ফিন্যান্স এন্ড ইনভেস্টমেন্ট লি., বিজ্ঞান ও প্রযুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় যশোর, জিএমএস কম্পোজিট নিটিং ইন্ডাস্ট্রিজ লি এবং দিএমএস টেক্সটাইল লি, বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব কনস্ট্রাকশন ইন্ডাস্ট্রিজ, আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক, কর্মসংস্থান ব্যাংক, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, আলিবাবা এন্ড জ্যাক মা ফাউন্ডেশন, ফ্যাশন গ্লোব গ্রুপ, আনোয়ার গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ, বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার এন্ড ইনফর্মেশন সার্ভিস, সৎসঙ্ঘ হেমায়েতপুর, পাবনা এবং পিপিএস পাইপ ইন্ডাস্ট্রিজ লি। একইসঙ্গে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য মোহাম্মাদ শাহাবুদ্দিন চুপ্পু, অবস এবং গাইনি বিশেষজ্ঞ ডা. রাফা ইসলাম, বারডেমর মেডিকেল অফিসার ডা. সোনিয়া জামিন প্রিত এবং জেডএইচ সিকদার মেডিকেল কলেজের প্রভাষক ডা. সাদিয়া আহমেদ অনুদান প্রদান করেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
জুন থেকেই গার্মেন্টে শ্রমিক ছাঁটাই, ঘোষণা দিলেন রুবানা হক
৪জুন,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশের তৈরি পোশাক কারখানাগুলো ৫৫ শতাংশ ক্যাপাসিটি নিয়ে কাজ করছে। কারখানার অর্ডার বাতিল হয়েছে। এ অবস্থায় শতভাগ শ্রমিক নিয়ে কাজ করা সম্ভব হবে না। এ কারণে চলতি মাস (জুন) থেকেই শ্রমিক ছাঁটাই করা হবে। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) গাজীপুর চন্দ্রায় বিজিএমইয়ের- স্টেট অব দ্য আর্ট কোভিড-১৯ ল্যাব উদ্বোধন উপলক্ষে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বিজিএমইএ সভাপতি ড. রুবানা হক। রুবানা হক বলেন, কারখানাগুলোতে অর্ডার কমেছে অর্ধেক। এ অবস্থায় পোশাক কারখানাগুলো ৫৫ শতাংশ ক্যাপাসিটি নিয়ে কাজ করছে। বর্তমানে দুই হাজার ২৭৪টি কারখানার মধ্যে এক হাজার ৯২৬টি উৎপাদনে রয়েছে। বাকিগুলো বন্ধ হয়ে গেছে। এর মধ্যে ৪৬টি কারখানার প্রায় ১৮ হাজার শ্রমিকের কয়েক মাসের বেতন বাকি রয়েছে। এছাড়া বেশ কিছু কারখানা ঈদের আগে তাদের বোনাস দিতে পারেনি। তবে এসব কারখানা আগামী ৬ মাসের মধ্যে পর্যায়ক্রমে বোনাস-বকেয়া দিয়ে দেবে। বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, পোশাক কারখানা শ্রমিকদের জন্য তহবিল গঠন নিয়ে সরকারের সঙ্গে বসা হবে। তবে এ সময়ের মধ্যে (জুনে) যাদের চাকরি যাবে তাদের বিষয়ে বিজিএমইএ কোনও ব্যবস্থা নেবে না। তবে এপ্রিল ও মে মাসে যেসব শ্রমিক চাকরি হারিয়েছেন তাদের বিষয়টি আমরা দেখবো। তিনি বলেন, বুধবার রাত পর্যন্ত ২৬৪ জন শ্রমিক করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তাদের সবাই চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেন, চিকিৎসার সব ব্যয় বহন করছে কারখানা মালিক। রপ্তানি নিয়ে তিনি বলেন, চলতি বছর দেশের তৈরি পোশাক খাত থেকে রপ্তানি আয় হবে ২৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। করোনা ভাইরাসের কারণে স্থগিত হওয়া ৩ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে ২৬ শতাংশ অর্ডার পুনরায় ফিরে পেয়েছি। পোশাক কারখানাগুলো ৫৫ শতাংশ ক্যাপাসিটি নিয়ে কাজ করছে। কারখানার অর্ডার বাতিল হয়েছে। এ অবস্থায় শতভাগ শ্রমিক নিয়ে কাজ করা সম্ভব হবে না। এ কারণে চলতি মাস (জুন) থেকেই শ্রমিকদের ছাঁটাই করা হবে। এ ব্যাপারে আমাদের মালিকদের কিছুই করার নেই। ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব কে এম আব্দুস সালাম, এফবিসিসিআই ও বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন (এমপি), ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ)-এর সাবেক সভাপতি মতিন চৌধুরী, বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদী (এমপি), ডায়াবেটিক অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (বাডাস)-এর সভাপতি প্রফেসর ডাক্তার এ কে আজাদ খান।
আইনমন্ত্রী করোনায় আক্রান্ত নন
৪জুন,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত নন। তিনি বাসায় আছেন এবং সুস্থ আছেন। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ড. মো. রেজাউল করিম স্বাক্ষরিত একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমনটাই দাবি করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কিছু কিছু সংবাদ মাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে খবর রটেছে, আইনমন্ত্রী করোনায় আক্রান্ত। যা মোটেও সত্য নয়। প্রকৃত সত্য হলো, বুধবার (৩ জুন) একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেল থেকে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির শারীরিক অবস্থার খোঁজ-খবর নেওয়ার জন্য আইনমন্ত্রীকে ফোন করা হয়। এর জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, প্রধান বিচারপতি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত নন, তিনি পুরনো অ্যাজমা সমস্যার কারণে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং সেখানে ডাক্তারের পর্যবেক্ষণে আছেন এবং সুস্থ আছেন। এতে আরও বলা হয়, চ্যানেলটিতে আইনমন্ত্রীর উক্ত বক্তব্য অস্পষ্টভাবে উপস্থাপিত হওয়ায় বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়ে যে, আইনমন্ত্রী করোনায় আক্রান্ত। আবার কোনো কোনো সংবাদমাধ্যম খবর প্রকাশ করে যে, প্রধান বিচারপতি করোনার উপসর্গ নিয়ে সিএমএইচ-এ ভর্তি হয়েছেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আইনমন্ত্রী। আইনমন্ত্রী জানিয়েছেন তিনি এ কথা বলেননি। এগুলো গুজব ও ভিত্তিহীন সংবাদ।
করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৩৫ মৃত্যু, শনাক্ত ২৪২৩ জন
৪জুন,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৩৫ মৃত্যু হয়েছে। এনিয়ে মোট ৭৮১ জনের মৃত্যু হয়েছে। নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ২৪২৩ জন। সবমিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৭ হাজার ৫৬৩ জনে। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত অনলাইন স্বাস্থ্য বুলেটিনে এ তথ্য দেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (মহাপরিচালকের দায়িত্বপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা। নাসিমা সুলতানা বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ আরও ৫৭১ হয়েছেন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ১২ হাজার ১৬১ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ১৩ হাজার ৭৮৮টি। এরমধ্যে পরীক্ষা করা হয়েছে ১২ হাজার ৬৯৪টি। পরীক্ষায় ২৪২৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

জাতীয় পাতার আরো খবর