মঙ্গলবার, আগস্ট ৩, ২০২১
ইউনাইটেডে চিকিৎসাধীন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন
৬জুন,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম; আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলির সদস্য ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যাডভোকেট সাহারা খাতুন বেশ কিছুদিন ধরে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। জ্বর, অ্যালার্জিসহ বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে অসুস্থ অবস্থায় কয়েক দিন আগে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন বলে দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। শনিবার (৬ জুন) আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, বর্তমানে সাহারা খাতুনের শারীরিক অবস্থা মোটামুটি ভালো। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার খোঁজ-খবর নিয়েছেন। তাকে আরও কয়েক দিন হাসপাতালে থাকতে হতে পারে। দলের ত্যাগী প্রবীণ এ নেতার জন্য আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে।
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস
৬জুন,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম; ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঝড়-বৃষ্টি বয়ে যেতে পারে। ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সঙ্গেবৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। আজ শনিবার আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে এ তথ্য জানা যায়। এদিকে সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, টাঙ্গাইল, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।এসব এলাকার নদীবন্দরকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস কাল
৬জুন,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আগামীকাল ৭ জুন ঐতিহাসিক ছয়-দফা দিবস। ১৯৬৬ সালের এ দিনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষিত বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ ৬-দফা দাবির পক্ষে দেশব্যাপী তীব্র গণআন্দোলনের সূচনা হয়। এই দিনে আওয়ামী লীগের ডাকা হরতালে টঙ্গি, ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে তৎকালীন পুলিশ ও ইপিআর গু লিতে মনু মিয়া, শফিক ও শামসুল হকসহ ১০ জন বাঙালি শহীদ হন। এরপর থেকেই বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আপোষহীন সংগ্রামের ধারায় ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের দিকে এগিয়ে যায় পরাধীন বাঙালি জাতি। প্রতিবছর বিভিন্ন কমূসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হয়ে আসলেও করোনা ভাইরাসজনিত পরিস্থিতির কারণে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী জনস্বাস্থ্যের বিষয়টি সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে জনসমাগম পরিহার করে ডিজিটাল পদ্ধতিতে এ বছর দিবসটি উদ্যাপন করা হবে আওয়ামী লীগ ৭ জুন -ঐতিহাসিক ৬-দফা দিবস- যথাযথ মর্যাদার সাথে পালন করে । তবে এবছর বৈশি^ক মহামারি করোনার কারণে সৃষ্ট সংকটে দলের সভাপতি শেখ হাসিনার নির্দেশে সব ধরনের জনসমাগমপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচি পরিহার করে আসছে। স্বাস্থ্য বিধি মেনে সীমিত পরিসরে দেশবাসীকে ঐতিহাসিক ৭ জুনের সকল বীর শহীদ ও মহান মুক্তিযুদ্ধের ৩০ লক্ষ শহীদ এবং বাঙালি জাতির স্বাধীনতা, মুক্তি, গণতন্ত্র ও প্রগতি প্রতিষ্ঠায় আত্মদানকারী শহীদ সন্তানদের আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করে পরম করুণাময়ের নিকট এ দিনটিতে প্রার্থনা করার আহ্বান জানিয়েছে দলটি । আগামীকাল ঐতিহাসিক ৬ দফা দিবস উদযাপন উপলক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদ্যাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির পক্ষ থেকে একটি অনলাইন আলোচনা সভা এবং তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করার উদ্দেশে অনলাইন কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনলাইন আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করতে সদয় সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন বলে জানিয়েছেন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী । বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি তাসখন্দ চুক্তিকে কেন্দ্র করে লাহোরে অনুষ্ঠিত সম্মেলনের সাবজেক্ট কমিটিতে ৬-দফা উত্থাপন করেন এবং পরের দিন সম্মেলনের আলোচ্য সূচিতে যাতে এটি স্থান পায় সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ করেন। কিন্তু এই সম্মেলনে বঙ্গবন্ধুর এ দাবির প্রতি আয়োজক পক্ষ গুরুত্ব প্রদান করেনি। তারা এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে। প্রতিবাদে বঙ্গবন্ধু সম্মেলনে যোগ না দিয়ে লাহোরে অবস্থানকালেই ৬-দফা উত্থাপন করেন। এ নিয়ে পশ্চিম পাকিস্তানের বিভিন্ন খবরের কাগজে বঙ্গবন্ধুকে বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা বলে চিহ্নিত করা হয়। পরে ঢাকায় ফিরে বঙ্গবন্ধু ১৩ মার্চ ৬-দফা এবং এ ব্যাপারে দলের অন্যান্য বিস্তারিত কর্মসূচি আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদে পাস করিয়ে নেন। ৬-দফার মূল বক্তব্য ছিল- প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র বিষয় ছাড়া সকল ক্ষমতা প্রাদেশিক সরকারের হাতে থাকবে। পূর্ববাংলা ও পশ্চিম পাকিস্তানে দু;টি পৃথক ও সহজ বিনিময়যোগ্য মুদ্রা থাকবে। সরকারের কর, শুল্ক ধার্য ও আদায় করার দায়িত্ব প্রাদেশিক সরকারের হাতে থাকাসহ দুই অঞ্চলের অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার আলাদা হিসাব থাকবে এবং পূর্ববাংলার প্রতিরক্ষা ঝুঁকি কমানোর জন্য এখানে আধা-সামরিক বাহিনী গঠন ও নৌবাহিনীর সদর দফতর স্থাপন। বঙ্গবন্ধু ঘোষিত ৬-দফা দাবির মুখে পাকিস্তানের তৎকালীন সামরিক শাসক আইয়ুব খান বিচলিত হয়ে পড়েন। তিনি হুমকি দিয়ে বলেন, ৬-দফা নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে অস্ত্রের ভাষায় উত্তর দেয়া হবে। এদিকে ৬-দফা কর্মসূচি জনগণের মাঝে পৌঁছে দেয়ার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ সমগ্র পূর্ববাংলা সফর করেন এবং ৬-দফাকে বাঙালির বাঁচার দাবি হিসেবে অভিহিত করেন। ফলে শাসকগোষ্ঠী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ অন্যান্য নেতাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করে। যশোর, ময়মনসিংহ ও সিলেটসহ অন্যান্য কয়েকটি স্থানে ৬ দফার পক্ষে প্রচারকালে বঙ্গবন্ধু গ্রেফতার হন। পরবর্তী সময়ে ঐতিহাসিক ৬-দফাভিত্তিক নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনই ধাপে ধাপে বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রামে পরিণত হয়। এ দাবির সপক্ষে বাঙালি জাতির সর্বাত্মক রায় ঘোষিত হয় ১৯৭০ সালের ঐতিহাসিক সাধারণ নির্বাচনের মধ্যদিয়ে। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বাঙালিরা বিজয়ী করে। অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধুর দলকে জনগণ বিজয়ী করলেও স্বৈরাচারী পাক শাসকরা বিজয়ী দলকে সরকার গঠন করতে না দিলে আবারো বঙ্গবন্ধু জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে স্বাধীনতার পক্ষে আন্দোলন শুরু করেন। এরই ধারাবাহিকতায় বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অভ্যুদয় ঘটে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ. আ. ম. স আরেফীন সিদ্দিক বলেন, ৬ দফাই এনে দিয়েছে আমাদের তথা বাংলাদেশের স্বাধীনতা। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর দূর দৃষ্টি, অন্তঃদৃষ্টি ও রাজনৈতিক বিচক্ষণতা এতই প্রখর ছিল যে, তিনি ৬ দফাকে এক দফার দাবিতে পরিণত করে বাংলার স্বাধীনতার আন্দোলনের ডাক দেন। অওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ডলীর সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বলেন, ছয় দফার সময়ে এটা কেবল স্বায়ত্তশাসনের দাবি, অর্থনৈতিক মুক্তির দাবি না- এমন বিতর্ক ছিল। তিনি বলেন, ৭০-এর নির্বাচন ছিল ৬-দফার প্রশ্নে ম্যান্ডেট। রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্ব ও লেখক নূহ-উল আলম লেনিন বলেন, পাকিস্তান সৃষ্টির আগেই স্বাধীন বাংলাদেশের বিষয়টি বঙ্গবন্ধুর মাথায় ছিল। তাই ছয় দফা হঠাৎ কোন ব্যাপার ছিল না। বঙ্গবন্ধুর দীর্ঘ রাজনীতির লক্ষ্যই ছিল স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা। ছয় দফার ভেতর দিয়েই প্রকৃত অর্থে স্বাধীনতা এসেছে। সিপিবি সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, ছয় দফা মুক্তির সনদ না হলেও এটা ছিল মুক্তিযুদ্ধের একটা মাইল ফলক, যা অতিক্রম করার মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধ সফল হয়েছিল।
দেশজুড়ে করোনায় আরো ৩৫ জনের প্রাণহানি, শনাক্ত ২৬৩৫
৬জুন,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় আরো ৩৫ জন মারা গেছেন। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা ৮৪৬ জন। একই সময়ে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ৬৩৫ জন। মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ৬৩ হাজার ২৬জন। আজ শনিবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন বুলেটিনে এ তথ্য জানান সংস্থাটির অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা। তিনি জানান, ৫০টি ল্যাবে ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ১২ হাজার ৯০৯টি। এর মধ্যে পরীক্ষা করা হয়েছে ১২ হাজার ৪৮৬টি। পরীক্ষা করা নমুনার মধ্যে ২ হাজার ৬৩৫ জনের দেহে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ পাওয়া যায়।
যুগ্ম সচিব হলেন ১২৩ কর্মকর্তা
৬জুন,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: জনপ্রশাসনের ১২৩ কর্মকর্তাকে যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতি দিয়েছে সরকার। উপসচিব থেকে যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতির দিয়ে শুক্রবার (৫ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে আদেশ জারি করা হয়েছে। উপসচিব থেকে যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতি দিয়ে এ কর্মকর্তাদের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে। পদোন্নতিপ্রাপ্ত যুগ্ম সচিবদের পদায়ন করা হয়নি। পদোন্নতি পাওয়াদের মধ্যে ১১৭ জন বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও অন্যান্য সরকারি দফতরে কর্মরত আছেন। আর বাকি ৬ জন বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাস ও হাইকমিশনে কর্মরত আছেন। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, পদোন্নতির পর যুগ্ম-সচিবের মোট সংখ্যা হল ৭৩৯ জন। যুগ্ম-সচিবের নিয়মিত পদের সংখ্যা ৪১১টি। সর্বশেষ ২০১৯ সালের ১৬ জুন ১৩৬ কর্মকর্তাকে যুগ্ম সচিব পদে পদোন্নতি দেয়া হয়েছিল।
মোহাম্মদ নাসিমের অবস্থা অত্যন্ত সংঙ্কটাপন্ন
৬জুন,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের অবস্থা অত্যন্ত সংঙ্কটাপন্ন। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (আইসিইউ) ভেন্টিলেশনে রয়েছেন। তার জ্ঞান এখনো ফেরেনি। ৭২ ঘণ্টা পার হলে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। আজ শনিবার বিষয়টি জানিয়েছেন মোহাম্মদ নাসিমের ছেলে সাবেক সংসদ সদস্য তানভির শাকিল জয়। এর আগে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হলে গতকাল শুক্রবার জরুরি ভিত্তিতে মোহাম্মদ নাসিমের অস্ত্রোপচার করা হয়। তানভির শাকিল জয় জানান, তার বাবা মোহাম্মদ নাসিমের অবস্থা অত্যন্ত সঙ্কটাপন্ন। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (আইসিইউ) ভেন্টিলেশনে রয়েছেন। ৭২ ঘণ্টা পার হলে চিকিৎসকরা পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন। রক্তচাপজনিত সমস্যা নিয়ে গত ১ জুন রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন মোহাম্মদ নাসিম। ওইদিনই তার করেনা ভাইরাস শনাক্ত হয়। এরপর তার মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হলে শুক্রবার জরুরি ভিত্তিতে অস্ত্রোপচার করতে হয়। এ অস্ত্রোপচার সফল হয় বলে জানিয়েছেন চিকিৎকরা। উল্লেখ্য, মোহাম্মদ নাসিম আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের মুখপাত্রও তিনি। ২০১৪ সালের সংসদ নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান মোহাম্মদ নাসিম। এর আগে ১৯৯৬- ২০০১ সালের আওয়ামী লীগ সরকারের সময় একাধিক মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
লন্ডনে আটকেপড়া বাংলাদেশিদের জন্য বিশেষ ফ্লাইট ১৩ জুন
৬জুন,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে আটকেপড়া বাংলাদেশিদের ফিরিয়ে আনতে ঢাকা-রোম রুটের একটি বিশেষ প্লেনকে রি-রুট করা হয়েছে। প্লেনটি আগামী ১৩ জুন (শনিবার) সকাল ১০টায় লন্ডন হিথ্রো বিমানবন্দর টার্মিনাল ২ থেকে ছেড়ে যাবে। দেশে ফিরে যেতে ইচ্ছুক বাংলাদেশিদের ১১ জুনের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন করে নিজেদের আসন সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে। শুক্রবার (৫ জুন) বংলাদেশ হাইকমিশন লন্ডনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এ সম্পর্কে যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনীম বলেন, বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের এই বিশেষ বিমানটি মূলত রোম থেকে বাংলাদেশি যাত্রীদের নিয়ে ঢাকা যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু লন্ডন মিশনের বিশেষ অনুরোধে ও সরকারের নির্দেশে প্লেনটি ১৩ জুন লন্ডন হিথ্রো হয়ে ঢাকা যাবে। এর ফলে এখনো যেসব বাংলাদেশি যুক্তরাজ্যে আটকেপড়ে আছেন তারা দেশে ফিরতে পারবেন। এই বিশেষ বিমানের ব্যবস্থা করায় প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা জানাই। একইসঙ্গে দেশে ফিরে যেতে ইচ্ছুক বাংলাদেশিদের ১১ জুনের মধ্যে বাংলাদেশ হাই কমিশন লন্ডনের এই লিংকে https.//forms.gle/qFXRvriFCLUUVV857 রেজিস্ট্রেশন করে নিজেদের আসন সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান হাই কমিশনার। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কেবলমাত্র বাংলাদেশ হাই কমিশন লন্ডনের রেজিষ্টার্ড যাত্রীরাই এই বিমানে ভ্রমণ করতে পারবেন। এক্ষেত্রে যাত্রীদের অবশ্যই বাংলাদেশি পাসপোর্ট, এনভিআর এবং বিদেশী পাসপোর্টধারীদের ক্ষেত্রে বাংলাদেশি ভিসা ও করোনায় আক্রান্ত নন এ সংক্রান্ত মেডিক্যাল সনদ থাকতে হবে। বাংলাদেশ হাই কমিশন লন্ডন যথা নিয়মে রেজিস্টার্ড বাংলাদেশি যাত্রীদের মেডিক্যাল সনদপত্র দেবে। আগামী ১৩ জুন বিশেষ বিমানে (ফ্লাইট নং ৪১০৬) নিরাপদ শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে যাত্রীদের আসন বরাদ্দ দেওয়া হবে। এ বিশেষ প্লেনের জন্য ইকোনোমী শ্রেণীর ভাড়া শুল্কসহ নির্ধারণ করা হয়েছে ৬০০ ব্রিটিশ পাউন্ড, অপ্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য ৫৫০ ব্রিটিশ পাউন্ড এবং শিশুদের জন্য ১৫০ ব্রিটিশ পাউন্ড। বিজনেস শ্রেণীর ভাড়া ১৪৩৫ ব্রিটিশ পাউন্ড, অপ্রাপ্ত বয়স্কদের ১৩১৫ ব্রিটিশ পাউন্ড এবং শিশুদের ৩৬০ ব্রিটিশ পাউন্ড। এ ভাড়া কেবল লন্ডন থেকে ঢাকা একমূখী যাত্রার জন্য নির্ধারিত। ইকোনোমী শ্রেণীর প্রতি যাত্রী দুই ব্যাগে ৪০ কেজি এবং বিজনেস শ্রেণীর প্রতি যাত্রী দুই ব্যাগে ৫০ কেজি ব্যাগেজ সুবিধা পাবেন। ভাড়া বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিডেটের নামে নিন্মোক্ত যেকোনো ব্যাংক হিসাবে ট্রান্সফারের মাধ্যমে পরিশোধ করার পর টিকিট ইস্যু করা হবে। ব্যাংক হিসাবগুলো- হাবিব ব্যাংক, হিসাব নম্বর ৭০০২৪৯৩৫, শর্ট কোড ৬০৯৫১১ (যুক্তরাজ্য থেকে ট্রান্সফারের জন্য) এবং স্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক, হিসাব নম্বর -০১২৭০২৫১৭০১, IBN : GB74 SCBL6091 0412 7025 17, SWIFT: SCBLGB2L (আন্তর্জাতিক ট্রান্সফারের জন্য)। এই বিশেষ বিমানের ব্যাপারে বাংলাদেশ হাই কমিশন লন্ডন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, ইউকে ফরেন ও কমনওয়েলথ অফিস, ইউকে হোম অফিস, ইউকে বর্ডার এজেন্সি এবং হিথ্রো এয়ারপোর্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ঘনিষ্টভাবে কাজ করছে। এদিকে বর্তমানে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে- অন এরাইভাল ভিসা প্রদান সাময়িকভাবে বন্ধ থাকায় যেসব যাত্রীর বাংলাদেশে প্রবেশের জন্য ভিসা প্রয়োজন তাদের পক্ষে এই বিশেষ বিমানে ভ্রমণ সম্ভব নয়। এ ব্যাপারে বিস্তারিত তথ্য ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতার জন্য বাংলাদেশ হাইকমিশনের নিন্মোক্ত টেলিফোন ও ই-মেইলে যোগাযোগ করা যেতে পারে: +৪৪-০৭৪৫৯৭৫৫৪৫৭, +৪৪৭৪৩৮৪২৯৯৩৯ এবং ইমেইল: mahfuza.sultana@mofa.gov.bd ও monirul.hoque@mofa.gov.bd। গত ১০ মে বাংলাদেশ হাই কমিশনের উদ্যোগে ও বাংলাদেশ সরকারের নির্দেশে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের ভাড়া করা একটি বিশেষ বিমানে শতাধিক আটকেপড়া বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন।
করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৩০ মৃত্যু, শনাক্ত ২৮২৮
৫জুন,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ৮১১ জনের। নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ২ হাজার ৮২৮ জন। সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬০ হাজার ৩৯১ জনে। শুক্রবার (০৫ জুন) দুপুর আড়াইটার দিকে করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত অনলাইন স্বাস্থ্য বুলেটিনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (মহাপরিচালকের দায়িত্বপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা এ তথ্য জানান। তিনি জানান, ঢাকা সিটিসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৬৪৩ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হয়েছে ১২ হাজার ৮০৪ জন। তিনি আরও জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ৫০টি ল্যাবে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ১৪ হাজার ৬৪৫টি। আর নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা হয়েছে ১৪ হাজার ৮৮টি। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে তিন লাখ ৭২ হাজার ৩৬৫টি। নাসিমা সুলতানা জানান, ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৩০ জনের মধ্যে পুরুষ ২৩ জন, নারী সাত জন। এদের মধ্যে রয়েছে ঢাকা বিভাগের ১১ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের ১২ জন, সিলেট বিভাগের তিন জন, রাজশাহী বিভাগের দুইজন, বরিশাল বিভাগের এক জন, খুলনা বিভাগের এক জন ও রংপুর বিভাগের এক জন। বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে একজন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে দুই জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ছয় জন, ৫১ থেকে ৬০ বছর বয়সের মধ্যে ১১ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে সাত জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে তিন জন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে তিন জন। এদের মধ্যে হাসপাতালে মারা গেছেন ১৭ জন এবং বাড়িতে মারা গেছেন ১৩ জন। তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে এসেছেন ৩৬৫ জন। মোট আইসোলেশনে আছেন ছয় হাজার ৯৪৬ জন।
ঈদযাত্রায় ১৪৯ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৬৮, আহত ২৮৩: যাত্রী কল্যাণ সমিতি
৫জুন,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: গণপরিবহন বন্ধ থাকা অবস্থায় পবিত্র ঈদুল ফিতরের যাতায়াতে দেশের সড়ক-মহাসড়কে ১৪৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১৬৮ জন নিহত হয়েছেন। একইসঙ্গে ২৮৩ জন আহত হয়েছেন। সড়ক, রেল ও নৌ-পথে সম্মিলিতভাবে ১৫৬টি দুর্ঘটনায় ১৮৫ জন নিহত ও ২৮৩ জন আহত হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। শুক্রবার (৫ জুন) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী এ তথ্য জানান। তিনি জানান, সংগঠনটির সড়ক দুর্ঘটনা মনিটরিং সেল প্রতিবেদনটি তৈরি করে। বহুল প্রচারিত ও বিশ্বাসযোগ্য জাতীয় দৈনিক, আঞ্চলিক দৈনিক ও অনলাইন দৈনিক এ প্রকাশিত সংবাদ মনিটরিং করে এ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, সাধারণ ছুটি চলাকালীন দেশে গণপরিবহন বন্ধ ছিল। ৯০ শতাংশ যাত্রীর যাতায়াত বন্ধ থাকলেও সেই তুলনায় এবারের ঈদে সড়ক দুর্ঘটনা বেড়েছে। এখন ব্যক্তিগত যানবাহনের চালকদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া জরুরি হয়ে পড়েছে। ছোট যানবাহন নিয়ন্ত্রণ ও গণপরিবহনকে বিকশিত করা এখন সময়ের দাবিতে পরিণত হয়েছে। সড়ক দুর্ঘটনাকেও মহামারির মতো গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। তিনি বলেন, করোনা ভাইরাসের কারণে এ বছর গণপরিহন বন্ধ থাকায় ঈদযাত্রা ব্যক্তিগত পরিবহনে সীমিত থাকলেও ঈদের আগে-পরে সড়ক দুর্ঘটনা ছিল অতীতের তুলনায় বেশি। বিগত ১৯ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত ১৩ দিনে ১৪৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১৬৮ জন নিহত ২৮৩ জন আহত হয়েছেন। উল্লেখিত সময়ে রেলপথে ট্রেন-যানবাহন সংঘর্ষে একটি ঘটনায় কোনো হতাহত হয়নি। একই সময়ে নৌ-পথে ছয়টি ছোট-বড় বিচ্ছিন্ন দুর্ঘটনায় ১৭ জন নিহত ও ৪৫ জন নিখোঁজের খবর পাওয়া গেছে। মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, এসময় সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা সংগঠিত হয় ২৫ মে। এদিন ২০টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২১ জন নিহত ও ৪৮ জন আহত হন। সবচেয়ে কম সড়ক দুর্ঘটনা সংগঠিত হয় ২৪ মে। এদিন ছয়টি সড়ক দুর্ঘটনায় ছয়জন নিহত ও দুইজন আহত হন। এসময় একদিনে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত হয় গত ১৯ মে। এদিন ১৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২১ জন নিহত ৫৪ জন আহত হন। 'এসময় একদিনে সর্বোচ্চ মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ঘটে ঈদের দিন ২৫ মে। এদিন ১৬টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৬ জন নিহত ও ২৪ জন আহত হন।’ প্রতিবেদনে বলা হয়, ঈদযাত্রায় সড়কে দুর্ঘটনায় আক্রান্ত ৪৫ জন চালক, ৩৩ জন নারী, ২৮ জন পথচারী, ২৭ জন পরিবহন শ্রমিক, ২৪ জন শিশু, ১৯ জন শিক্ষার্থী, পাঁচজন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, তিনজন শিক্ষক, তিনজন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, তিনজন সাংবাদিক ও একজন প্রকৌশলীর পরিচয় মিলেছে। এরমধ্যে নিহত হয়েছেন তিনজন পুলিশ সদস্য, ১৮ জন নারী, ১২ জন শিশু, ১৪ জন শিক্ষার্থী, তিনজন শিক্ষক, ৩২ জন চালক, সাতজন পরিবহন শ্রমিক, একজন প্রকৌশলী ও তিনজন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ছিল। সংগঠিত দুর্ঘটনা বিশ্লেষণ করে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, মোট যানবাহনের ৩৫ দশমিক ৭৪ শতাংশ মোটরসাইকেল, ২৮ দশমিক ৯৮ শতাংশ ট্রাক-পিকআপ-কাভার্ড ভ্যান-লরি, ১২ দশমিক ০৭ শতাংশ কার-মাইক্রো-জিপ, ৮ দমমিক ২১ শতাংশ অটোরিকশা, ৭ দশমিক ৭২ শতাংশ ব্যাটারি রিকশা-ইজিবাইক-ভ্যান-সাইকেল, ৬ দশমিক ২৮ শতাংশ নছিমন-করিমন-ট্রাক্টর-লেগুনা-মাহিন্দ্রা ও ০ দশমিক ৯৭ শতাংশ বাস এসব দুর্ঘটনায় জড়িত ছিল। সংগঠিত দুর্ঘটনার ২৪ দশমিক ১৬ শতাংশ মুখোমুখি সংঘর্ষ, ৩৮ দশমিক ২৫ শতাংশ পথচারীকে গাড়িচাপা দেওয়ার ঘটনা, ২৭ দশমিক ৫১ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ার ঘটনায়, ৯ দশমিক ৪০ শতাংশ অন্যান্য অজ্ঞাত কারণে ও ০ দশমিক ৬৮ শতাংশ রেল-যানবাহন সংঘর্ষ দুর্ঘটনা সংগঠিত হয়েছে। এসময় দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা গেছে, মোট সংঘটিত দুর্ঘটনার ৩০ দশমিক ২০ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কে, ৪৭ দশমিক ৬৫ শতাংশ আঞ্চলিক মহাসড়কে, ১৮ দশমিক ১২ শতাংশ ফিডার রোডে সংঘটিত হয়। এছাড়া সারাদেশে সংঘটিত মোট দুর্ঘটনার ২ দশমিক ৬৮ শতাংশ ঢাকা মহানগরীতে, ০ দশমিক ৬৭ শতাংশ চট্টগ্রাম মহানগরীতে ও ০ দশমিক ৬৭ শতাংশ রেলক্রসিংয়ে সংঘটিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- বুয়েটের সহকারী অধ্যাপক কাজী সাইফুন নেওয়াজ, ড্রাইভার্স ট্রেনিং সেন্টারের চেয়ারম্যান নুর নবী শিমু, যাত্রী কল্যাণ সমিতির সহ-সভাপতি, তাওহীদুল হক লিটন, যাত্রী কল্যাণ সমিতির যুগ্ম মহাসচিব এম মনিরুল হক প্রমুখ।

জাতীয় পাতার আরো খবর