বুধবার, আগস্ট ৪, ২০২১
আমের ঝুড়ি ও প্রেসার কুকারে ৫০ লাখ টাকার হেরোইন, আটক ২
১৫জুন,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোড থেকে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে আমের ঝুড়ি ও প্রেসার কুকারের ভেতরে পাচার হয়ে আসা আধা কেজি হেরোইনসহ ২ জনকে আটক করেছে Rab-2। জব্দকৃত হেরোইনের মূল্য ৫০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে তারা। আজ সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে Rab-2 এর কোম্পানি কমান্ডার পুলিশ সুপার মুহম্মদ মহিউদ্দিন ফারুকীর নেতৃত্বে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে আম ও প্রেসার কুকারের ভেতরে করে পাচার হয়ে আসা ৫০ লাখ টাকা মূল্যের আধা কেজি হেরোইনসহ দুজনকে আটক করে তারা। আটককৃতরা হলেন- হাবিবুর রহমান বাবু (২৯) ও তার স্ত্রী দিলরুবা দিপা। তাদের বাড়ি চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার চাকপাড়া গ্রামে। Rab জানায়, আটককৃতরা দীর্ঘদিন ধরে কুরিয়ার সার্ভিসে শিশু খাদ্য, মৌসুমি ফল ও নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য ও অন্যান্য দ্রব্যাদি পাঠানোর আড়ালে হেরোইন পাচার করে আসছিলেন। স্থানীয়ভাবে আসামিদের সম্পর্কে যাচাই-বাছাই কালে জানা যায়, তারা স্বামী-স্ত্রী হিসেবে মুন্সিগঞ্জে ভাড়া বাসায় বসবাস করেন তারা শাড়ি ও লুঙ্গির ব্যবসা করে জানালেও প্রকৃত অর্থে তারা দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। কুরিয়ারের মাধ্যমে প্রতি মাসে তাদের ৩ থেকে ৪টি করে চালান আসে, যাতে ৫০ লাখ থেকে ২ কোটি টাকার হেরোইন এসে থাকে। আটককৃতদের বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে রাজধানীর নিউমার্কেট থানায় মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানিয়েছে র‍্যাব।
সিলেটে পৌঁছেছে সাবেক মেয়র কামরানের মরদেহ
১৫জুন,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সিলেটে এসে পৌঁছেছে সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরানের মরদেহ। দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে তার মরদেহ নগরীর ছড়ারপাড়স্থ বাসায় এসে পৌছলে হৃদয় বিদারক ঘটনার অবতারনা হয়। সংক্রমন বিধিতে কঠোর বিধি নিষেধ থাকলেও প্রিয় নেতা কামরানকে দেখতে এক নজর দেখতে ভিড় জমান অনেকেই। কামরানের মরদেহ গাড়ি থেকে নামিয়ে গোছল খানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এদিকে- কামরানের মরদেহ বাসায় পৌছলে স্ত্রী আসমা কামরান ও সন্তানরা আহাজারি করেন। তাদের আহাজারিতে ভারী হয়ে উঠে পরিবেশ। বড় ছেলে আরমনা আহমদ শিপলু বাসায় পৌছে আর্তনাদ শুরু করেন। বলেন- বাবাকে তো এভাবে বাসায় নিয়ে আসার কথা ছিলো না। বাবাকে আর দেখতে পারবো না। এ সময় তার আহাজারীতে কেদে উঠেন অনেকেই।
দুর্যোগেই হয় মনুষ্যত্বের পরীক্ষা: প্রধানমন্ত্রী
১৫জুন,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে যে গভীর আঁধারে নিমজ্জিত এই পৃথিবী, সে আঁধার ভেদ করে আমরা একদিন নিশ্চয়ই বেরিয়ে আসবো নতুন দিনের সূর্যালোকে। মনে রাখতে হবে, দুর্যোগেই হয় মনুষ্যত্বের পরীক্ষা। এ ভাইরাস মোকাবিলাও একটি যুদ্ধ। এই অদৃশ্য শক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধে আমরা জয়লাভ করবই, ইনশাআল্লাহ। আজ সকালে গণভবনে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে এসএসএফের ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ সব কথা বলেন। গণভবন থেকে অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতার সরাসরি সম্প্রচার করে। করোনাভাইরাস সংকটে সারাবিশ্বের অসহায়ত্বের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমি চাই, আমাদের মানুষের ভেতর যেন একটি আস্থা- বিশ্বাস থাকে। সেই বিশ্বাস-আস্থাটা ধরে রাখতে হবে। কারণ আমরা হার মানব না। মৃত্যু তো হবেই। মৃত্যু যে কোনো মুহূর্তে যে কোনো কারণে হতে পারে। কিন্তু তার জন্য ভীত হয়ে হার মানতে হবে এই ধরনের একটা অদৃশ্য শক্তির কাছে, এটা তো কাম্য না। সেজন্য আমাদেরকেও প্রচেষ্টা চালাতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাদের সরকারের সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত ও যথাযথ পদক্ষেপের কারণে মহান আল্লাহ তায়ালার অশেষ রহমতে উন্নত অনেক দেশের তুলনায় বাংলাদেশে আক্রান্ত, মৃত্যুর হার অনেক কম। তিনি বলেন, আমাদের এই মুহূর্তের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার এই প্রাণঘাতী ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিহত করা এবং অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখা। দুর্যোগ মোকাবিলায় আমি ৩১ দফা নির্দেশনা দিয়েছি এবং ব্যক্তিগতভাবে মাঠপর্যায়ে এর বাস্তবায়ন তদারকি করছি। ২০২০ সাল আমাদের জন্য একটি তাৎপর্যপূর্ণ বছর উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, এ বছর আমরা জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী মুজিববর্ষ উদযাপন করছি। এই মহান নেতার জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে আমরা বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করি। তবে আমাদের দুর্ভাগ্য যে, প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের কারণে আমরা পরিকল্পনামাফিক অনুষ্ঠানসমূহ উদযাপন করতে পারছি না। জনগণের সার্বিক কল্যাণের কথা বিবেচনা করে জনসমাগম হয় এমন অনুষ্ঠান আমরা স্থগিত করেছি। টেলিভিশন, বেতার এবং ডিজিটাল মাধ্যমে কিছু কিছু অনুষ্ঠান আয়োজন করা হচ্ছে। তবে আমি সুনিশ্চিতভাবে বলতে পারি, জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকীতে আমরা তারই আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে আমাদের দায়িত্ব পালন করে যাবো। তিনি বলেন, করোনাভাইরাসজনিত বৈশ্বিক মহামারির ফলে সমগ্র বিশ্বই আজ বিপর্যস্ত। এই মহামারি গোটা বিশ্বের অর্থনীতি, সমাজব্যবস্থা, রাজনীতিসহ সকল বিষয়ে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে। আমাদের দেশও এই বিপর্যয় থেকে মুক্ত নয়। এই কঠিন পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা ইতিমধ্যে দুর্যোগ মোকাবিলায় বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেছি। যার মধ্যে মানবিক সহায়তা প্রদান, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বজায় রাখাসহ নানা আর্থিক প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা ও সামাজিক সুরক্ষা কার্যক্রম অন্যতম। অনুষ্ঠানে এসএসএফের সদস্যদের উদ্দেশ শেখ হাসিনা বলেন, আমি বিশ্বাস করি, সুযোগ্য নেতৃত্বে সঠিক দিক-নির্দেশনা এবং এই বাহিনীর প্রত্যেক সদস্যের পেশাদারিত্ব এবং আন্তরিকতার মাধ্যমে এসএসএফের উত্তরোত্তর উন্নতি অব্যাহত থাকবে। শৃঙ্খলা, আনুগত্য এবং পেশাগত মান বিচারে এই বাহিনী হয়ে উঠুক একটি আদর্শ নিরাপত্তা বাহিনী। ৩৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে আমি এই প্রত্যাশা করছি।
করোনায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালকের মৃত্যু
১৫জুন,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:নভেল করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক পরিচালক (ডেন্টিস্ট্রি) ডা. নজরুল ইসলাম। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।) মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৫ বছর। রোববার সন্ধ্যায় ঢাকায় আইসিডিডিআর’বি-তে মারা যান তিনি। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চিকিৎসকদের সংগঠন ফাউন্ডেশন ফর ডক্টরস সেফটি, রাইটস অ্যান্ড রেসপনসিবিলিটিসের (এফডিএসআর) যুগ্ম সম্পাদক ডা. রাহাত আনোয়ার চৌধুরী। তিনি জানান, ডা. নজরুল ইসলাম ঢাকা ডেন্টাল কলেজের ১২তম ব্যাচের ছাত্র ছিলেন। বাংলাদেশ ডেন্টাল সোসাইটির সভাপতি অধ্যাপক ডা.মো. আবুল কাশেম এবং মহাসচিব অধ্যাপক ডা. হুমায়ুন কবীর বুলবুল তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
সাবেক মেয়র কামরানের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
১৫জুন,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য ও সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরানের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি আজ এক শোক বিবৃতিতে বলেন, স্বীয় কর্মের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ নেতা কামরান গণমানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকবেন। প্রধানমন্ত্রী মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। সোমবার ভোর ৩টার দিকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় বদর উদ্দিন আহমদ কামরান মারা যান। তার বয়স হয়েছিল ৬৯ বছর।
বদরউদ্দিন আহমদ কামরান গণমানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকবেন: প্রধানমন্ত্রী
১৫জুন,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য ও সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরানের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার (১৫ জুন) শোক বিবৃতিতে শেখ হাসিনা বলেন, স্বীয় কর্মের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ নেতা কামরান গণমানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকবেন। প্রধানমন্ত্রী মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে এ শোক বার্তার কথা জানানো হয়। রোববার (১৪ জুন) দিনগত রাত পৌনে ৩টার দিকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন বদর উদ্দিন আহমদ কামরান। এর আগে গত ০৫ জুন সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পিসিআর ল্যাবে কামরানের শরীরে করোনা ভাইরাসের শনাক্ত হয়।
সাবেক মেয়র কামরানের মৃত্যুতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর শোক
১৫জুন,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য বদরউদ্দিন আহমদ কামরানের মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। সোমবার (১৫ জুন) এক শোকবার্তায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী মরহুমের শোকসন্তপ্ত পরিবার ও রাজনৈতিক অনুসারীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। শোকবার্তায় তিনি আরও পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জনমানুষের নেতা বদরউদ্দিন আহমদ কামরান পৃথিবী ছেড়ে চলে যাওয়ায় দেশ একজন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদকে হারালো। বদরউদ্দিন আহমদ কামরান ছিলেন সিলেটের মাটি ও মানুষের প্রিয় নেতা ও অভিভাবক। তিনি সিলেটের মানুষের সুখে-দুঃখে সবার আগে থাকতেন। বদরউদ্দিন আহমদ কামরান সবসময় দরিদ্র মানুষের সমস্যা নিয়ে এগিয়ে আসতেন। সিলেটের সব আন্দোলন সংগ্রামে তিনি ছিলেন একজন সম্মুখযোদ্ধা। সিলেট আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে তিনি রেখেছেন অসামান্য অবদান। তার মৃত্যুতে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের ধারক ও বাহক একজন লড়াকু নেতাকে আমরা হারালাম এবং সিলেটের রাজনীতিতে যে শূন্যতা সৃষ্টি হলো তা অপূরণীয়। সবশেষে ড. মোমেন মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। এর আগে গত ৫ জুন সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজের পিসিআর ল্যাবে কামরানের করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে। ওইদিন রাত থেকে প্রথমে বাসায় আইসোলেশনে রাখা হলেও ৬ জুন সকালে বমি আর জ্বর নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। তবে বমি ও জ্বর কিছুটা নিয়ন্ত্রণে থাকলেও অবস্থার তেমন কোনো পরিবর্তন হয়নি। পরে অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়াতে রোববার (৭ জুন) সন্ধ্যায় ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে তাকে প্লাজমা থেরাপি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। তার দেহে করোনাজয়ী কারো পজিটিভ রক্তের সংগৃহীত প্লাজমা থেরাপি দেওয়া হয়। তার স্বজনরা জানান, হাসপাতালে প্লাজমা থেরাপি দেওয়ার পর পরই বদর উদ্দিন আহমদ কামরান কিছুটা সুস্থ হয়ে ওঠেন। রোববার (১৪ জুন) দিনগত রাত পৌনে ৩টার দিকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বদরউদ্দিন আহমদ কামরান শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
বদরউদ্দিন আহমদ কামরান আর নেই
১৫জুন,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম:করোনায় আক্রান্ত সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা বদরউদ্দিন আহমদ কামরান মারা গেছেন। (ইন্নালিল্লাহি...রাজিউন)। রোববার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন। তার মৃত্যুর বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল। গত ৫ জুন কামরানের করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে। পরদিন হাসপাতালে ভর্তি হন। পরে অবস্থার অবনতি হওয়াতে গত ৭ জুন সন্ধ্যায় তাকে সিএমএইচে আনা হয়। বদর উদ্দিন আহমদ কামরান ছিলেন তৃনমুল থেকে ওঠে আসা এক রাজনীতিবিদ। তিনি ছিলেন সিলেট নগরীর ছড়ারপারের বাসিন্দা। প্রথম নির্বাচনে অংশনেন ১৯৭৩ সালে। তৎকালীন সিলেট পৌরসভার ৩ নং তোপখানা ওয়ার্ডের কমিশনার নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছিল কামরানের পথচলা। ১৯৯৫ সালে পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন । সিটি করপোরেশন ঘোষণার পর ২০০২ সালে ভারপ্রাপ্ত মেয়র এবং ২০০৩ সালের ২০ মার্চ অনুষ্ঠিত নির্বাচনে তিনি সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রথম মেয়র নির্বাচিত হন । ২০০৮ সালে কারাগারে থেকে সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অংশনেন । সেই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধি প্রার্থীর চেয়ে ৮৫ হাজার ভোট বেশি পেয়ে দ্বিতীয় মেয়াদে মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন কামরান। ২০১৩ সালের নির্বাচনে বিএনপি নেতা আরিফুল হক চৌধুরীর কাছে প্রায় ৩৫ হাজর ভোটে পরাজিত হয়েছিলেন তিনি। এর আগে পর্যন্ত কখনো কমিশনার, দুই দফা পৌরসভার চেয়ারম্যান ও ২ দফা সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হয়েছিলেন কামরান। ২০১৮ সালের সিটি নির্বাচন ছিল তাঁর জীবনের সর্বশেষ নির্বাচন। সেই নির্বাচনে জয়ী হতে পারেননি তিনি। ২০০৪ সালের ৭ আগস্ট সন্ধ্যায় সিলেট নগরীর তালতলাস্থ গুলশান সেন্টারে গ্রেনেড হামলায় আহত হয়েছিলেন। অনেকের সাথে সে দিন আহত হয়েছিলেন তিনি। রাজনৈতিক জীবনে বদর উদ্দিন আহমদ কামরান ছিলেন সিলেট মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি। বিভিন্ন সময়ে তিনি শহর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। সর্বশেষ আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন কামরান।
স্বজন হারাবার বেদনাটা যে কি সেটা আমি জানি: প্রধানমন্ত্রী
১৪জুন,রোববার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী এবং সংসদ নেতা শেখ হাসিনা বলেছেন, তাঁর সরকার করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে উচ্চহারে সংক্রমিত এলাকাগুলোতে লকডাউনের পাশাপাশি কারো যেন খাবারের অভাব না হয় সেজন্য অর্থনীতির চাকাকেও সচল করার উদ্যোগ নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনা ভাইরাস আতঙ্ককটা এখন এমন পর্যায়ে চলে যাচ্ছে যেটা খুব দুঃখজনক। তবু, আমরা ঠিক করেছি কোন কোন এলাকায় বেশি (করোনা সংক্রমণ) দেখা যাচ্ছে সেটা লকডাউন করা। আমরা সেটা আটকাচ্ছি যাতে সেখান থেকে আর কোনভাবে সংক্রমিত না হয়। তিনি আরো বলেন,সাথে সাথে আমাদের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডগুলো যেন সচল থাকে সেদিকেও আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি এবং আমরা একটা বাজেটও দিতে সক্ষম হয়েছি। প্রধানমন্ত্রী এবং সংসদ নেতা শেখ হাসিনা আজ দুপুরে একাদশ জাতীয় সংসদের অষ্টম (বাজেট) অধিবেশনে সাবেক মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম এমপি এবং ধর্ম প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহর মৃত্যুতে জাতীয় সংসদে গৃহীত শোক প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় একথা বলেন। ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এ সময় স্পিকারের দায়িত্ব পালন করছিলেন। বাস্তবতার নিরীখে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের মানুষগুলোকে তো আমরা করোনার ভয়ে না খাইয়েতো মারতে পারি না। তাঁদের বেঁচে থাকার ব্যবস্থাতো আমাদের নিতে হবে। তাঁদের জীবনযাত্রাটা যেন চলে সে ব্যবস্থাটাতো আমাদের করতে হবে। করোনা ভাইরাসকে অত্যন্ত শক্তিশালী আখ্যায়িত করে শেখ হাসিনা বলেন, উন্নত পশ্চিমা দেশগুলোতে এই রোগের যে ধরন দেখেছেন তাতে এই রোগের সংক্রমণ এবং মৃত্যুহার ক্রমেই বেড়ে গিয়ে একটি পর্যায়ে গিয়ে থামে। বর্তমানে যে ওয়েভটি দক্ষিণ এশিয়া তথা বিভিন্ন উন্নয়নশীল দেশগুলোতে চলছে। যে কারণে জনগণকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে তাঁর সরকার, বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি জনগণকে বোঝাতে যে, আপনারা অন্তত একটু স্বাস্থ্যবিধিটা মেনে চলেন। কারণ, এটা খুব সাংঘাতিক একটা সংক্রামক ব্যাধি। কাজেই, সংক্রমণ থেকে নিজেকে রক্ষা করেন। প্রধানমন্ত্রী বর্তমান পরিস্থিতিকে যুদ্ধের সঙ্গে তুলনা করে এ সময় তাঁর দুজন সারথীর বিয়োগকে অত্যন্তদুঃখজনক আখ্যায়িত করে তাঁদের বিভিন্ন অবদানের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে এ সময় আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, এটাও এক ধরনের একটা যুদ্ধ আর সেই সময় আমার দুইজন যাদেরকে সবসময় পাশে পেয়েছি প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে পেয়েছি। কাজেই, তাঁদেরকে হারানো অত্যন্ত কষ্টদায়ক। আমি মোহাম্মদ নাসিম এবং শেখ মো. আব্দুল্লাহর রুহের মাগফিরাত কামনা করে তাঁদের শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আমার সমবেদনা জানাচ্ছি, বলেন তিনি। বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, তাঁদের পরিবারের সদস্যদের শুধু এটুকুই বলবো যে, ধৈয্য ধরতে হবে। কারণ স্বজন হারাবার বেদনাটা যে কি সেটাতো আমি জানি। তিনি বলেন, সবাইকে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন সবর দান করুন, আর আমাদের ছেড়ে যাঁরা চলে গেছেন তাঁদের বেহেস্ত নসীব করুন, সেই কামনাই করি। মোহাম্মদ নাসিম ও শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহর শোক প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নেন, সরকারি দলের বেগম মতিয়া চৌধুরী, হাবিবে মিল্লাত, মৃণাল কান্তি দাস, বিরোধী দলীয় উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ কাদের, জাতীয় পার্টির কাজী ফিরোজ রশীদ ও ওয়ার্কার্স পার্টির মোস্তফা লুতফুল্লাহ। আলোচনা শেষে সর্বসম্মতিক্রমে সংসদে শোক প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়। এরপর মোহাম্মদ নাসিম ও এডভোকেট শেখ মোহাম্মদ আবদুল্লাহর প্রতি শ্রদ্ধা প্রর্দশনের জন্য এক মিনিট নিরবতা পালন ও তাঁদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া। এরপর প্রথা অনুযায়ী কোন সংসদ সদস্যের মৃত্যুতে সংসদ মূলতবির রেওয়াজ থাকায় এদিনের সংসদ মূলতবি ঘোষণা করা হয়। সংসদ নেতা তাঁর ভাষণে বলেন, আজকে আমি সংসদে আসবো কিন্তু আমাকে অনেক জায়গা থেকে নিষেধ করা হয়েছে। ভীষণভাবে বাধা দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, তাঁদের আমি বললাম হুমকি, বোমা, গ্রেনেড কত কিছুই তো মোকাবিলা করে করে এ পর্যন্ত এসেছি। এখন কী একটা অদৃশ্য শক্তি তার ভয়ে ভীত হয়ে থাকবো। তিনি আরো বলেন, আমাদের আওয়ামী লীগ পরিবারের একজন পার্লামেন্ট মেম্বার তাঁকে হারিয়েছি,আমাদের ক্যাবিনেট সদস্য একজন তাঁকেও হারালাম, সেখানে আমি যাবো না, এটা তো হয় না। নেতাকর্মীদের মৃত্যুতে পাশে দাঁড়ানো আওয়ামী লীগের ঐতিহ্য হলেও করোনা সংক্রমণের কারণে সেটা সম্ভব হচ্ছে না, উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, অথচ, আমরা আওয়ামী লীগের যেকোনো একজন কর্মী মারা গেলে ছুটে গিয়েছি। জানাজায় অংশ নেওয়া, ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো, পরিবারের সঙ্গে দেখা করা, সবই করেছি। কিন্তু এখন এমন একটা অস্বাভাবিক পরিবেশ, সেটা আর করতে পারছি না। প্রচন্ড আক্ষেপের সুরে তিনি বলেন, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে একটু দেখা করা, তাদের একটু সান্তনা দেওয়া সেই সুযোগটা পেলাম না কেন, এটা সব থেকে কষ্টকর। এ সময় মোহাম্মদ নাসিমের মৃত্যুকে তিনি অপূরণীয় ক্ষতিআখ্যায়িত করে বলেন, রাজনীতি করতে গিয়ে নাসিম ভাইকে সবসময় আমার পাশে পেয়েছি। রাজনীতিতে পাশে থেকে যারা সাহস ও সমর্থন দিয়েছেন, তারা একে একে আমাদের ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। নাসিম ভাইয়ের পর ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ আব্দুল্লাহ ভাইও চলে গেলেন। এটা আমার জন্য খুবই দুঃখজনক। বক্তব্যের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন গণ আন্দোলন-সংগ্রাম এবং বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে মোহাম্মদ নাসিমের অবদানের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁকে ১৪ দলের দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল। কারণ, তিনি সকলকে নিয়ে চলতে পারতেন। শরিক দলের সদস্যরাও তাকে ভালো জানতেন। তিনি সফলতার সঙ্গে সেই দায়িত্ব পালন করেছেন। তার মৃত্যুতে বিরাট ক্ষতি হয়েছে নিঃসন্দেহে। শেখ আব্দুল্লাহর মৃত্যুতেও যে ক্ষতি হয়েছে তা পূরণ হওয়ার নয়,যোগ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, মোহাম্মদ নাসিমের বাবা মো. মনসুর আলী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে রাজনীতি করতেন। যখন ছোট ছিলাম তখন থেকেই চিনতাম। সে সময় মোহাম্মদ নাসিম ভাইদের সাথে আমাদের একটা পারিবারিক সম্পর্ক ছিল, আসা-যাওয়া ছিল। শেখ হাসিনা স্মৃতি রোমন্থনে বলেন, ১৯৭৫ সালে জাতির পিতাকে হত্যার পর খন্দকার মোশতাক যখন মোহাম্মদ নাসিমের বাবাকে মন্ত্রী হওয়ার জন্য ডেকে নিয়ে যায় তখন তিনি সে প্রস্তাব ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেন। তোমার হাতে বঙ্গবন্ধুর রক্ত, তুমি কী করে ভাবলে আমি তোমার মন্ত্রিসভায় আসব, তা কখনই আমার কাছে গ্রহণযোগ্য নয়,ক্যাপ্টেন মনসুর আলীর এই কথার উদ্ধৃতি দেন প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৫ আগস্ট আমাদের বাসায় আক্রমণ হয়েছে শুনে মনসুর আলী অনেক জায়গায় টেলিফোন করেন, অনেক চেষ্টাও করেছিলেন। এমনকি বাসা থেকে চলে গিয়েছিলেন কিছু করা যায় কিনা। যেহেতু মোশতাকের প্রস্তাব ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছিলেন এ জন্য জাতীয় চার নেতার সাথে তাঁকেও কারাগারে হত্যা করা হয়। মোহাম্মদ নাসিম একজন রাজনৈতিক নেতা হিসেবে অত্যন্ত দক্ষ ছিলেন,উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, আমি ৮১ সালে দেশে ফেরার পর আমার একটা প্রচেষ্টা ছিল শহীদ পরিবারগুলোর ছেলেমেয়েদের নিয়ে আওয়ামী লীগকে আবার পুনরুজ্জীবিত করা, শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ করা। সেই রাজনীতি করতে গিয়ে নাসিম ভাইকে সবসময় আমার পাশে পেয়েছি। তিনি বলেন, এটা ঠিক যে চলার পথ এত সহজ ছিল না,বার বার বাধা এসেছে। সে (নাসিম) প্রতিটি ক্ষেত্রে আমার পাশে থেকেছে, সমর্থন দিয়েছে। সংসদ নেতা বলেন, মোহাম্মদ নাসিম অত্যন্ত সাহসী ছিলেন। যে কারণে যেকোন অবস্থার মোকাবেলা করতে যেতেন। আর এ কারণে তাঁকে বার বার অত্যাচার-নির্যাতন সহ্য করতে হয়েছে। জিয়াউর রহমানের আমলে যেমন তিনি নির্যাতিত হয়েছিলেন এরশাদের আমলেও সেভাবেই নির্যাতিত হয়েছেন। শেখ হাসিনা বলেন, এরশাদ ক্ষমতায় থাকার সময় মার্শাল ল জারির পরপরই সাভারে ফুল দেয়ার জন্য সেনারা তাদের হকিস্টিক দিয়ে প্রত্যেকের ওপর নির্যাতন করেছিল। অনেককেই সাভার থানায় নিয়ে বন্দি করে রাখা হয় সেই সময়। তিনিও (নাসিম) ঘাড়ে ও হাতে আঘাত পান। তিনি বলেন, এরপর খালেদা জিয়ার আমলেতো আরো অত্যাচার। যেটার সীমা পরিসীমা নেই। এরপর এলো ওয়ান ইলেভেন। তাঁকে গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়া হলো এবং সে সময় তাঁর স্ট্রোক হয়। তখন হাসপাতালে সময় মত পৌঁছাতে পারার কারণে সে যাত্রায় নাসিম ভাই বেঁচে যান, উল্লেখ করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, তবে স্ট্রোক করার পর তাঁর শরীরের একটা দিক প্যারালাইজড হয়ে যায়। শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১০টা সাড়ে ১০টার দিকে শুনলাম তিনি (আব্দুল্লাহ) খুব অসুস্থ। তাঁকে হাসপাতালে নিতে হবে। তাঁর বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেখানে না নিয়ে যাওয়া হলো সিএমএইচে। তিনি বলেন, জাহাঙ্গীর গেট পার হতে না হতেই তার আরেকটা হার্ট অ্যাটাক হলো এবং খুব অল্প সময়ের মধ্যে পর পর তিনটা অ্যাটাক। রাত ১১টা প্রায় বাজে তখন খবর এলো তিনি নেই। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জিয়া, এরশাদ, খালেদা জিয়া- যে সময় যে ক্ষমতায় এসেছে তাদের যেন একটা লক্ষই ছিল (রোষানল) গোপালগঞ্জের প্রতি, বহু নেতা-কর্মী নির্যাতিত হয়েছে। সেই দুঃসময়গুলোতে সংগঠনকে ধরে রাখা, নেতা-কর্মীদের দিকে নজর দেওয়া, এই কাজগুলো অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গেই তিনি সামলেছেন। শেখ হাসিনা বলেন, যাঁরা সবসময় পাশে থেকেছেন। একইদিনে এমন দু জনের মৃত্যু আমাদের জন্য অত্যন্ত কষ্টদায়ক। আমার অত্যন্ত কষ্ট হচ্ছে বলতে।

জাতীয় পাতার আরো খবর