বুধবার, ডিসেম্বর ৮, ২০২১
বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
০৬আগস্ট,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের অর্থনীতিকে আরো এগিয়ে নেয়ায় পর্যাপ্ত বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতি যাতে এগিয়ে যায় সেদিকে লক্ষ্য রেখে আমাদের কাজ করতে হবে এবং আমাদের বিনিয়োগ পরিবেশটাকে আরো আকর্ষণীয় করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী আজ সকালে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-র গভর্নিং বডির সভার প্রারম্ভিক ভাষণে একথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই সভায় যোগ দেন। শেখ হাসিনা বলেন, আজকে দেশে বিনিয়োগের পরিবেশ থাকলেও করোনা ভাইরাসের কারণে সবদেশেরই সমস্যা হচ্ছে। কিন্তু এই সমস্যার মধ্যে দিয়েই কিভাবে আমাদের দেশের অর্থনীতি এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায় সেদিকে লক্ষ্য রেখে আমাদের কাজ করতে হবে। আমাদের বিনিয়োগ পরিবেশটাকে আকর্ষণীয় করতে হবে। তিনি বলেন, আমরা জাতিসংঘ নির্ধারিত এমডিজি খুব দক্ষতার সঙ্গে বাস্তবায়ন করেছি। এখন এসডিজি (সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোল) বাস্তবায়নের প্রচেষ্টা চালাচ্ছি। যে কারণে, ইতোমধ্যে আমরা কতকগুলো বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছি। যার মধ্যে অবকাঠামো উন্নয়ন অন্যতম। অবকাঠামো উন্নয়ন না হলে দেশে কখনো বিনিয়োগ আসতে পারে না উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাস্তাঘাট থেকে শুরু করে নৌপথ, রেলপথ, আকাশ পথে যোগাযোগ উন্নত করার জন্য তাঁর সরকার যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। দেশের উন্নয়নে বিদ্যুৎ আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ খাত উল্লেখ করে দেশে এক সময় বিদ্যুৎখাতে অব্যবস্থাপনা এবং সীমিত উৎপাদনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, বিদ্যুতের সমস্যা আামাদের ছিল, কিন্তু আজকে বিদ্যুৎ আমাদের উদ্বৃত্ত আছে। গ্যাসের সমস্যা সমাধানে নিজেদের গ্যাস উত্তোলনের ব্যবস্থার পাশাপাশি সরকার এলএনজি আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিনিয়োগের জন্য যেসব পদক্ষেপ তাঁর সরকার নিয়েছে তার সুফল মানুষ পেতে শুরু করেছে উল্লেখ করে সরকার প্রধান বলেন, বিনিয়োগের ক্ষেত্রে আমরা কর অবকাশের সুবিধা দিয়েছি, সমগ্র বাংলাদেশে একশ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। তিনি বলেন, উন্নয়নটা যাতে একটা জায়গায় না হয়ে সমগ্র বাংলাদেশে হয় সে ব্যবস্থা তাঁর সরকার নিয়েছে। যেখানে দেশী-বিদেশী বিনিয়োগ সহজে করা যাবে এবং শ্রমিকও খুব সহজে পাওয়া যাবে। শিল্পায়নের ত্বরান্বিত করতে কর রেয়াত দেওয়া হচ্ছে, মুলধনী সরঞ্জাম আমদানির ক্ষেত্রে বিভিন্ন সুযোগ আমরা দিচ্ছি, যোগ করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর সরকার গৃহীত পদক্ষেপের ফলে দেশে ইতোমধ্যে বৈদেশিক বিনিয়োগ বৃদ্ধি পেয়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, ২০১৬-১৭ অর্থবছরে দেশে আসা সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ ২ দশমিক ৪৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৩ দশমিক ৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারী শিল্প এবং বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, পিএমও সচিব তোফাজ্জ্বল হোসেন মিয়া এবং প্রেস সচিব ইহসানুল করিম গণভবনে উপস্থিত ছিলেন। অর্থমন্ত্রী, শিল্পমন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী, পরিকল্পনা মন্ত্রী, কৃষিমন্ত্রী, বিদুৎ, জ্বালানী এবং খনিজ সম্পদ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী, গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এবং সচিববৃন্দ, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান, এফবিসিসিআই সভাপতি, চট্টগ্রাম চেম্বার্স অব কমার্স ইন্ডাষ্ট্রির সভাপতি, বাংলাদেশ ওমেন চেম্বার এন্ড কমার্সের সভাপতি অন্যান্যের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে সংযুক্ত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০৮ আমরা ঘোষণা দিয়েছিলাম ব্যবসা বাণিজ্য শিক্ষা, সব কিছু সহজ করার জন্য আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়বো। সেই ডিজিটাল বাংলাদেশ করতে পেরেছি বলেই আজকে আমরা এই রকম একটা অস্বাভাবিক পরিস্থিতিতেও এখানে বসে বিডার গর্ভনিং বোর্ডের সভা করতে পারছি। তিনি বলেন, করোনা ভাইরাসের একটা ধাক্কা আমাদের এসেছে এটা ঠিক কিন্তু আবার একটা সুযোগও সৃষ্টি হয়েছে। সেটা কিন্তু মাথায় রাখতে হবে। মুজিববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে বিনিয়োগকে আরো আকর্ষণীয় করার জন্য বঙ্গবন্ধু ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট সামিট শীর্ষক আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সম্মেলন আয়োজনের যে পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে পরিবর্তিত করোনা পরিস্থিতির কারণে সেটা ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে করার বিষয়েও প্রধানমন্ত্রী অভিমত ব্যক্ত করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদেরকে আরও বেশি বৈদেশিক আনতে হবে, এটার সুযোগ আছে। অনেক দেশে এখন ইন্ড্রাস্টি বন্ধ। আমাদের জনসংখ্যা আছে, জমি তৈরি আছে, অন্যান্য সুযোগ সুবিধা আছে। এই সুযোগটায় আমরা কিন্তু ইনভেস্টমেন্ট আরও বেশি আকর্ষণ করতে পারি এবং আনতে পারি। তিনি প্রাপ্ত সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তোলায় আত্মনিবেদনের জন্যও সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
ওসি প্রদীপসহ সিনহা হত্যা মামলার ৭ আসামি কারাগারে
০৬আগস্ট,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ হত্যা মামলার প্রধান আসামি বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের আইসি মো. লিয়াকত, টেকনাফ থানার প্রত্যাহার হওয়া ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ সাত পুলিশ সদস্য আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। কিন্তু আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (০৬ আগস্ট) বিকেলে টেকনাফের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ওই মামলার নয় আসামিকে নেওয়া হয়। এরমধ্যে সাতজন জামিন আবেদন রেখে আত্মসমর্পণ করেন। ওসি প্রদীপ বৃহস্পতিবার দুপুরে চট্টগ্রাম বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতাল থেকে আদালতের উদ্দেশে রওনা হন। বিকেল ৫টার দিকে প্রদীপ কুমার আত্মসমর্পণের জন্য আদালতে আসেন। এর আগে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। এরপরও কেন গ্রেফতার করা হয়নি, এমন প্রশ্নের জবাবে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ কমিশনার মো. মাহবুবর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, প্রদীপ নিজ থেকেই আদালতের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন। তিনি যাতে পালিয়ে যেতে না পারেন, সে জন্য পুলিশ পাহারা রয়েছে। ৩১ জুলাই রাত সাড়ে ১০টার দিকে টেকনাফ থেকে কক্সবাজারের দিকে আসার পথে বাহারছড়া শামলাপুর পুলিশ চেকপোস্টে তল্লাশির নামে গাড়ি থেকে নামিয়ে মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় বুধবার (০৫ আগস্ট) টেকনাফ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারাহর আদালতে ওসি প্রদীপ, মো. লিয়াকতসহ নয়জনকে অভিযুক্ত করে হত্যা মামলা দায়ের করেন সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস। আদালত বিষয়টি আমলে নিয়ে টেকনাফ থানার ওসিকে এফআইআর হিসেবে রুজু এবং Rapid Action Battalion (Rab) তদন্তের নির্দেশ দেন। ওসি প্রদীপ ও লিয়াকত ছাড়া এ মামলার বাকি আসামিরা হলেন, এসআই নন্দলাল রক্ষিত, এসআই টুটুল, এএসআই লিটন মিয়া, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কনস্টেবল কামাল হোসেন, কনস্টেবল আবদুল্লাহ আল মামুন ও কনস্টেবল মো. মোস্তফা।
সাবেক আইন সচিব জহিরুলের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
০৬আগস্ট,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সাবেক আইন সচিব আবু সালেহ শেখ মো. জহিরুল হক দুলালের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শোক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী মরহুমের আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত বুধবার (৫ আগস্ট) রাত ১১টা ২০ মিনিটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত সচিব আবু সালেহ শেখ মো. জহিরুল হক দুলাল মারা যান (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। আবু সালেহ শেখ মো. জহিরুল হক ১৯৫৮ সালের ৮ আগস্ট সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর উপজেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই মেয়ে ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
সিনহার মৃত্যুর ঘটনায় দুই বাহিনীর সম্পর্কে চিড় ধরবে না
০৫আগস্ট,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ ও পুলিশের মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ বুধবার (৫ আগস্ট) কক্সবাজারে যৌথ সংবাদ সম্মেলন করেছেন। সেখানে তারা পুলিশের গুলিতে মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খানের নিহত হওয়ার ঘটনাকে একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে উল্লেখ করেছেন। কক্সবাজারের সেনাবাহিনীর বাংলো জলতরঙ্গে আয়োজিত যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তারা জোর দিয়ে বলেন, এতে দুই বাহিনীর সম্পর্কে চিড় ধরবে না। জেনারেল আজিজ আহমেদ বলেন, সেনাবাহিনী ও পুলিশ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছে। যে ঘটনা ঘটেছে, অবশ্যই সেনাবাহিনী ও পুলিশ বাহিনী মর্মাহত। আমি আপনাদের মাধ্যমে যে ম্যাসেজ দিতে চাই, তা হলো এটাকে আমরা বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে দেখতে চাই। সেনাপ্রধান আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে একটি জয়েন্ট ইনকোয়ারি টিম (যৌথ তদন্ত দল) গঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ খানের মাকে ফোন করে সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দিয়েছেন। তার কথার ওপর সেনাবাহিনী ও পুলিশ বাহিনীর আস্থা আছে। যে যৌথ তদন্ত দল গঠিত রয়েছে, তার ওপরও দুটি বাহিনীই আস্থাশীল। জেনারেল আজিজ বলেন, আমরা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলতে চাই, দুই বাহিনীর সম্পর্কে চিড় ধরে এমন কিছু হবে না। এ ঘটনা নিয়ে যেন সেনাবাহিনী ও পুলিশের ভেতর অনাকাক্সিক্ষত চিড় ধরানোর মতো ঘটনা না ঘটে, সে ব্যাপারে সতর্ক থাকারও অনুরোধ করেছেন তিনি। পুলিশের মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ বলেন, বাংলাদেশ আধুনিক গণতান্ত্রিক দেশ। এখানে আইনের শাসন আছে। সংবাদমাধ্যম সর্বোচ্চ স্বাধীনতা ভোগ করছে। বিচার বিভাগ মুক্ত। এ ঘটনা নিয়ে অনেকে উসকানিমূলক কথা বলার চেষ্টা করছেন। যারা উসকানি দিয়ে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছে, তাদের উদ্দেশ্য সফল হবে না। বেনজীর আহমেদ বলেন, সেনাবাহিনীর সঙ্গে তাদের পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বিশ্বাস ও আস্থার সম্পর্ক। মেজর (অব.) সিনহার মৃত্যুতে পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোনো ব্যত্যয় হবে না। কমিটি প্রভাবমুক্ত পরিবেশে তদন্ত করবে। কমিটি যে সুপারিশ দেবে, সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।- বণিক বার্তা
কক্সবাজারে সেনা প্রধান ও আইজিপি
০৫আগস্ট,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: কক্সবাজারে পৌঁছেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ ও আইজিপি বেনজীর আহমেদ। সাবেক সেনা কর্মকর্তা সিনহা মো. রাশেদ খান (৩৬) পুলিশের গুলিতে যেখানে নিহত হয়েছেন সে স্থানটি তারা পরিদর্শন করবেন। বুধবার (০৫ আগস্ট) দুপুর ১টার দিকে তারা কক্সবাজার পৌঁছান। তারা সেনাবাহিনীর রেস্ট হাউস জলতরঙ্গে উভয় বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করছেন। বৈঠক শেষে ঘটনাস্থল টেকনাফের শামলাপুর পরিদর্শনে যাওয়ার কথা রয়েছে। এদিকে পুলিশের গুলিতে নিহত সাবেক সেনা কর্মকর্তা সিনহা মো. রাশেদ খানের (৩৬) বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস টেকনাফ বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের আইসি লিয়াকতকে প্রধান আসামি করে ৯ জনের বিরুদ্ধে টেকনাফ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
আজ থেকে অধস্তন আদালতে স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু
০৫আগস্ট,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাসের কারণে দীর্ঘ প্রায় চারমাস বন্ধ থাকার পর আজ বুধবার থেকে দেশের অধস্তন আদালতে স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আদালতে প্রাঙ্গণে আসা প্রত্যেককে মানতে হচ্ছে স্বাস্থ্যবিধি, এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দিয়েছে সুপ্রিমকোর্ট প্রশাসন। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোভিড-১৯ এর বিস্তার রোধে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও দেশের স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা সকলকে মানতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে সামাজিক ও শারীরিক দূরত্ব প্রতিপালন করতে হবে। এজলাস, সাক্ষী ডক এবং কাঠগড়ায় প্রয়োজনীয় অংশে গ্লাস দিয়ে পৃথক-পৃথক প্রতিরোধক প্রকোষ্ঠ প্রস্তুত ব্যবস্থা নিতে হবে। আদালত প্রাঙ্গণে প্রবেশ দ্বারে হাত ধোঁয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা রাখতে হবে। আরও বলা হয়, প্রত্যেককে মাস্ক ও হ্যান্ড গ্লাভস ব্যবহার করতে হবে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া আদালত প্রাঙ্গণে আসা থেকে বিরত থাকতে হবে। আদালত প্রাঙ্গণে এবং এজলাস কক্ষে প্রবেশের পূর্বে প্রত্যেকের তাপমাত্রা মাপার ব্যবস্থা রাখতে হবে। সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারক আদালতের কার্যক্রমের সময় এমনভাবে নির্ধারণ করবেন যেন অতিরিক্ত সমাগম না হয়। একটি মামলায় দুই জনের বেশি আইনজীবী থাকা যাবে না। মামলার কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট আসামীর এজলাস কক্ষে হাজিরের আবশ্যকতা নেই। কোভিড-১৯ রোধকল্পে অধস্তন আদালতের জন্য স্বাস্থ্যবিধি বিষয়ে প্রশাসনের নির্দেশনার বিস্তারিত সুপ্রিমকোর্টের ওয়েবসাইটেও প্রকাশ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসজনিত উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবেলায় গত ২৬ মার্চ থেকে ৩০ মে পর্যন্ত দেশে সাধারণ ছুটি ছিল। ৩১ মে থেকে সীমিত পরিসরে অফিস খুললেও দেশের আদালতে স্বাভাবিক কার্যক্রম বন্ধ ছিল। তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন প্রণীত তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার সংক্রান্ত বিধানের অধীনে দেশের অধস্তন আদালতে সীমিত পরিসরে ভার্চুয়ালি বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছিল। কিন্তু দীর্ঘদিন পর আজ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসছে দেশের অধস্তন আদালত অঙ্গন। সরেজমিন দেখা যায়, আজ সকাল থেকে দেশের অধস্তন আদালতে আইনজীবীসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত হচ্ছেন। সূত্র: বাসস
শেখ কামাল ক্ষমতার কেন্দ্রে থেকেও ছিলেন অতি সাধারণ: কাদের
০৫আগস্ট,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, শহীদ শেখ কামাল ছিলেন দূরদর্শী ও গভীর চিন্তাবোধের অধিকারী এবং নির্লোভ, নির্মোহ। যিনি ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে থেকেও ছিলেন অতি সাধারণ। বুধবার (০৫ আগস্ট) শহীদ শেখ কামালের ৭১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে প্রথমে আবাহনী ক্লাব ও বনানী কবরস্থানে দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে নিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সংসদ ভবন এলাকার বাসভবন থেকে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন সেতুমন্ত্রী। ওবায়দুল কাদের বলেন, রাজনৈতিক সংস্কৃতি হলো আদর্শবাদী রাজনীতি মজবুত করার নিখাদ বুনিয়াদ। তাই শেখ কামাল রাজনীতির সংস্কৃতিকে টেকসই করার জন্য সংস্কৃতির রাজনীতির ওপর গুরুত্বারোপ করেছিলেন। সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক উৎকর্ষ সাধনে ক্রীড়া ও সংস্কৃতির নিগূঢ় শক্তিতে বলীয়ান হতে পারলে সবকিছুই কল্যাণমূখী হবে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, এ বোধ শেখ কামালের মধ্যে প্রবলভাবে জেগে উঠেছিল। তিনি উপমহাদেশের অন্যতম সফল ক্রীড়া সংগঠক ছিলেন। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এসএসএফের সাবেক কর্মকর্তা সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খানের মর্মান্তিক মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

জাতীয় পাতার আরো খবর