বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৮, ২০২১
ব্যবসায়ী আজিজ হত্যা মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড
২১সেপ্টেম্বর,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীর লালবাগের কাচ ব্যবসায়ী আব্দুল আজিজ চাকলাদার ওরফে ঢাকাইয়া আজিজ হত্যা মামলায় আসামি জয়নালের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া জয়নালকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯ এর বিচারক শেখ হাফিজুর রহমান এ আদেশ দেন। এ মামলায় রুস্তম নামে একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। রুস্তমকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। আরেক ধারায় দুইজনকে ৫ বছর করে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। তবে এই দুই আসামিই পলাতক আছেন। এ মামলায় জামাই ফারুক ও ইদ্রিস জামাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তারা খালাস পেয়েছেন। এ দুইজন কারাগারে ছিলেন। রায় ঘোষণার সময় তাদের আদালতে হাজির করা হয়। ১৯৯৮ সালের ৫ মার্চ সকাল ৭টায় আজিজ চাকলাদার ওরফে ঢাকাইয়া আজিজ লালবাগ রোডের বাসা থেকে খুলনা যাওয়ার পথে নিখোঁজ হন। আজিজকে খুঁজে না পেয়ে ছোট ভাই মো. বাচ্চু মিয়া লালবাগ থানায় একটি জিডি করেন। এর ১২ দিন পর একই বছর ১৭ মার্চ মাকসুদ ও আমানুল্লাহ নামে দুজনের বিরুদ্ধে লালবাগ থানায় অপহরণ মামলা করেন বাচ্চু মিয়া। মামলার তদন্ত চলাকালে রূপসা নদী থেকে আজিজের মাথার খুলি ও হাড্ডি উদ্ধার করা হয়। মামলাটিতে ২০০০ সালের ৪ এপ্রিল লালবাগ থানার তৎকালীন এসআই মো. আব্দুর রাকিব খান সাতজনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন। তারা হলেন, খুলনার শীর্ষ সন্ত্রাসী এরশাদ শিকদার, লস্কর মোহাম্মদ লিয়াকত, মো. নূরে আলম, ইদ্রিস জামাই, জয়নাল, জামাই ফারুক ও মো. রুস্তম আলী। চার্জশিটভূক্ত সাত আসামির মধ্যে কুখ্যাত সন্ত্রাসী এরশাদ শিকদারের অন্য মামলায় ২০০৪ সালের ১০ মে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। অপর আসামি লস্কর মো. লিয়াকত বিচার চলাকালে মারা যাওয়ায় তাকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।
বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হবে
২১সেপ্টেম্বর,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভায় জানানো হয়েছে শিগগিরই বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হবে। কমিটির সভাপতি মুহাম্মদ ফারুক খানের সভাপতিত্বে আজ সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সভায় আরও জানানো হয় ইতিমধ্যে জাতির পিতার পলাতক খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে যথেষ্ট অগ্রগতি হয়েছে। কমিটির সদস্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ.কে.আব্দুল মোমেন, প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম, নুরুল ইসলাম নাহিদ, গোলাম ফারুক প্রিন্স, মো. হাবিবে মিল্লাত, নাহিম রাজ্জাক, কাজী নাবিল আহমেদ এবং নিজাম উদ্দিন জলিল (জন) সভায় অংশগ্রহণ করেন। সভার শুরুতে কমিটির বিগত বৈঠকের সিদ্ধান্তসমূহের বাস্তবায়ন অগ্রগতি সম্পর্কে কমিটিকে অবহিত করা হয়। সভায় বাংলাদেশের সাথে প্রতিবেশী দেশ ও নিকট প্রতিবেশী দেশসমূহের সাথে বর্তমান সম্পর্কের চ্যালেঞ্জসমূহ চিহ্নিত করে পদক্ষেপ গ্রহণ এবং সম্পর্ক উন্নয়নের প্রক্রিয়া জোরদার করণে করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বাণিজ্য সম্প্রসারণে প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে পারস্পরিক ব্যবসায়ীক প্রতিনিধি দলের নিয়মিত বৈঠক আয়োজন, স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ ও শীর্ষ পর্যায়ে মতামত বিনিময় করার সুপারিশ করা হয়। এছাড়াও, বিজিবি ও বিএসএফ দুই পক্ষই সীমান্ত দূর্ঘটনা শূণ্যের কোঠায় নামিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন বলে সভায় জানানো হয়। সভায় জানানো হয়, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পলাতক খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে যথেষ্ট অগ্রগতি হয়েছে। শিগগিরই খুনিদের দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করা হবে। সভায় জানানো হয়, বন্ধুপ্রতিম যে সব দেশ কোভিড-১৯ এর ভ্যাকসিন আবিষ্কার করেছে ও সফলভাবে পরীক্ষা চালিয়েছে, সেসব দেশের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করা হচ্ছে। বাজারে আসার সাথে সাথেই বাংলাদেশ পেয়ে যাবে বলে সংশ্লিষ্ট দেশসমূহ আশ্বস্থ করেছে। এবিষয়ে সংশ্লিষ্ট দেশসমূহে বাংলাদেশি মিশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন। এছাড়া, দেশে প্রতিষ্ঠিত ঔষধ প্রস্তুতকারী ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো যদি কোভিড-১৯ এর ভ্যাকসিন আবিষ্কার ও পরীক্ষা চালিয়ে সফলতা অর্জন করে, তবে তাদের থেকেও সংগ্রহ করা যেতে পারে বলে কমিটি অভিমত ব্যক্ত করে। সভায় আন্তর্জাতিক রীতি-নীতি অনুযায়ী কোন মন্ত্রণালয় বিদেশি কোন প্রতিষ্ঠান বা দেশ হতে কোন প্রকার গিফট বা সম্মাননা অথবা সাহায্য গ্রহণের পূর্বে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সহিত পরামর্শ করতে সুপারিশ করা হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম প্রতিবেদন তৈরি করে সংসদের পরবর্তী অধিবেশনে উপস্থাপনের জন্য সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ মন্ত্রণালয় এবং সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ সভায় উপস্থিত ছিলেন।- বাসস
দেশে আসছে তুরস্কের পেঁয়াজ, দাম ২০ টাকা!
২১সেপ্টেম্বর,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশে সঙ্কটের কথা বিবেচনা করে পুরো ১৫ হাজার টন পেঁয়াজ পাঠাতে চায় তুরস্ক। তুরস্কের বাংলাদেশ মিশন থেকে এ প্রস্তাবনা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে জানানো হয়েছে। সম্প্রতি তুরস্ক সফর শেষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেন, তুরস্ক সফরকালে পেঁয়াজের সমস্যার কথা জেনে বাণিজ্যমন্ত্রীকে ফোন করি, তার সম্মতিতে বাংলাদেশ মিশনকে দায়িত্ব দেই স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করতে। এরপর সরকারিভাবে দুই দেশের মধ্যে না হলেও বেসরকারিভাবে আলোচনা এগিয়েছে। তুরস্কের ব্যবসায়ীদের পেঁয়াজ রফতনির আগ্রহের কথা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছে। অবশ্য বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বেসরকারিভাবে তুরস্ক থেকে পেঁয়াজ আমদানির বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত জানাতে পারেনি। একটি সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশের চাহিদা মতো পেঁয়াজ সরবরাহে প্রস্তুত তুরস্ক। দেশটিতে কয়েক রকমের পেঁয়াজ রয়েছে। এর আগেও তুরস্ক থেকে পেঁয়াজ আমদানি করেছে বাংলাদেশ। তবে এবার উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে তুরস্ক থেকে পেঁয়াজ কিনে ঢাকায় আনতে পরিবহন খরচসহ প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম ২০ থেকে ২৫ টাকা পড়বে।
শিগগিরই সিনেমা হল খোলার সিদ্ধান্ত: তথ্যমন্ত্রী
২১সেপ্টেম্বর,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে শিগগিরই সিনেমা হল খোলার সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। বেলজিয়াম সফর শেষে ফিরে গতকাল দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সমসাময়িক বিষয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন তথ্যমন্ত্রী। এ সময় সিনেমা হল খোলা প্রসঙ্গে তিনি এ কথা বলেন। তথ্যমন্ত্রী বলেন, সিনেমা হলগুলো খুলে দেয়ার জন্য হল মালিক, পরিচালক, প্রযোজকদের পক্ষ থেকে দাবি আছে। তাদের সঙ্গে এ মাসের শুরুতে আমি বসেছিলাম। এ মাসের ১৫ তারিখের পর বৈঠক করে আমাদের সিদ্ধান্ত নেয়ার কথা। খুব সহসাই তাদের সঙ্গে বসে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে আমরা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করব। মন্ত্রিপরিষদে সম্ভাব্য রদবদল বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, এটি প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ার, তিনি ছাড়া অন্য কেউ এ নিয়ে কথা বলার ক্ষমতা রাখেন না। আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, খালেদা জিয়ার প্রতি প্রধানমন্ত্রী যে মহানুভবতা দেখিয়েছেন তার পরিপ্রেক্ষিতে বিএনপি নেতাদের কথাবার্তায় মনে হয়, সাজাপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে বেগম জিয়া কারাগারে থাকলেই ভালো হতো। বেলজিয়াম সফর থেকে ফিরে গতকাল সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে সমসাময়িক বিষয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন তথ্যমন্ত্রী। খালেদা জিয়াকে গৃহে অন্তরীণ রাখা হয়েছে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুলের এমন অভিযোগের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি এ কথা বলেন। মির্জা ফখরুলের বক্তব্যকে হাস্যকর অভিহিত করে ড. হাছান বলেন, প্রধানমন্ত্রী সিআরপিসিতে (দণ্ডবিধি) উল্লিখিত ক্ষমতাবলে খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে প্রথমে ছয় মাস মুক্তি দিয়েছেন, পরে আরো ছয় মাস সেটি বর্ধিত করেছেন। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেবের উচিত ছিল এ মহানুভবতার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানানো, কৃতজ্ঞতা জানানো। কারণ তিনি শাস্তিপ্রাপ্ত সাজাপ্রাপ্ত আসামি, তার তো কারাগারের ভেতরেই থাকার কথা ছিল, তিনি আদালত থেকে জামিন পাননি। কিন্তু তার পরিবর্তে তারা যেভাবে কথাবার্তা বলছেন, এতে মনে হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী যে মহানুভবতা দেখিয়েছেন, এটি না দেখালেই ভালো হতো। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের ইতিহাসে নজিরবিহীনভাবে সাজাপ্রাপ্ত বেগম জিয়াকে মুক্তি দেয়ার পরও বিএনপি নেতাদের কথার কারণে জনগণের পক্ষ থেকে বেগম জিয়াকে আবার কারাগারে পাঠানোর দাবি উঠতে পারে, এ শঙ্কাও প্রকাশ করেন তথ্যমন্ত্রী। এ সময় বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভীর বক্তব্য বিএনপি কখনো হত্যার রাজনীতি করে না এ প্রসঙ্গে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, হত্যার রাজনীতির মাধ্যমেই তো বিএনপির উন্মেষ।
শীতে করোনা পরিস্থিতি অবনতির ইঙ্গিত, এখনই প্রস্তুতির নির্দেশ
২০সেপ্টেম্বর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সামনের শীতে করোনা পরিস্থিতির আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কার কথা জানিয়ে এখন থেকে প্রস্তুতি নিতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে অনুদান নেওয়ার সময় এ নির্দেশনা দেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে তার মূখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস অনুদান নেন। এসময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় সবাই আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করেছে। সবাই, আমি কাউকে বাদ দিতে পারবো না। সেজন্য হয়তো আমরা এটা মোকাবিলা করতে সক্ষম হয়েছি। তবে সামনে শীত, পরিস্থিতি আরেকটু হয়তো খারাপের দিকে যেতে পারে। তবুও আমাদের এখন থেকে প্রস্তুত থাকতে হবে। সবাই সুস্থ থাকেন এটাই আমরা চাই। দোয়া করেন দেশটা যাতে এই করোনা ভাইরাসের মহামারি থেকে মুক্তি পায়। সারাবিশ্বই যাতে মুক্তি পায়। মানুষের সত্যিই খুব কষ্ট হচ্ছে এই করোনা ভাইরাসের কারণে। তিনি আরও বলেন, তবুও বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্য সচল রাখার জন্য আমরা যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছি। আমরা প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছি। তার জন্য যা যা দরকার সেটা আমরা দিয়ে যাচ্ছি। আমরা জনগণের জন্য কাজ করবো এটাই আমাদের লক্ষ্য। সামাজিক ও মানবতার কাজে এগিয়ে আসায় ব্যাংকসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, যেকোনো সময় একটা কিছু হলেই কোনো দুযোগ, দুর্বিপাক যা কিছু হোক এমনকি মুজিববর্ষে সবসময় আপনারা এগিয়ে এসেছেন। নিজেরা এগিয়ে এসেছেন তাই আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। প্রাইভেট ব্যাংক প্রসঙ্গে সরকার প্রধান বলেন, ব্যবসা-বাণিজ্য চালাতে হবে। আর আসলে প্রাইভেটে ব্যাংকটা দেওয়ার সিদ্ধান্ত আমরাই নিয়েছিলাম, আমরা দিয়েছি সব থেকে বেশি। গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত মানুষ যাতে ব্যাংকিং ব্যবহারে অভ্যস্ত হয় তার ব্যবস্থাও আমরা নিয়েছি। এমনকি কৃষকদের ১০ টাকায় অ্যাকাউন্ট খোলার ব্যবস্থাও করে দিয়েছি। অর্থাৎ মানুষকে অভ্যস্ত করা, যাতে ব্যাংকের মাধ্যমে তারা যেন তাদের আর্থিক লেনদেন করতে পারে সেই পদক্ষেপও আমরা নিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা যত বেশি প্রাইভেট ব্যাংক দিয়েছি, এতে ব্যাপক হারে কর্মসংস্থান হয়েছে। অনেক মানুষের চাকরি হয়েছে। এটাই হচ্ছে সব থেকে বড় কথা। আর আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্যও সম্প্রসারিত হয়েছে। সেখানে ব্যাংকগুলো যাতে ভালোভাবে চলে আমরা সেটাই চাই। সেক্ষেত্রে ব্যাংকের আইন বা যা কিছুই আমরা করি, আপনারা যখন যে দাবিটাবি আনেন, যেটা যুক্তিসঙ্গত সেটা আমরা সবসময়ই বিবেচনা করি। ব্যাংক সেক্টর নিয়ে বিএবি চেয়ারম্যানের দাবিগুলো বিবেচনার আশ্বাস দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, বিএবি চেয়ারম্যান নজরুল সাহেব যে কথাগুলো বলেছেন- আমি সেটা দেখবো। যদি সেখানে সমস্যা থাকে তবে সেখানে যাতে সমস্যা না হয় তা আমরা অবশ্যই বিবেচনা করবো। আপনাদের কাছে আমাদের অনুরোধ থাকবে ব্যাংকটা যেন ভালোভাবে চলে সেদিকে আপনারা বিশেষভাবে দৃষ্টি দেবেন। তিনি বলেন, কিছু কিছু ব্যাংক আছে অতি দুর্বল হয়ে যায়। সেক্ষেত্রে অনেক সময় মার্জ করাতে হয়। সেটা অবশ্যই বিবেচনা করতে হবে। কোনটা ঠিকমতো চালাতে পারছে কিনা? সেগুলো বিবেচনা করেই করা হবে। অবিবেচনা করে কিছুই করা হবে না এইটুকু ভরসা রাখবেন। প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিলে অনুদান দিয়েছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস এর ৩৪টি ব্যাংক, ফরেইন অফিসার্স স্পাউজ অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ স্থপতি ইনস্টিটিউট, মিনিস্টার গ্রুপ, খাদ্য মন্ত্রণালয়, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ বিচার বিভাগীয় কর্মচারী অ্যাসোসিয়েশন।
সাহেদের অস্ত্র মামলায় রায় ২৮ সেপ্টেম্বর
২০সেপ্টেম্বর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদ করিমের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে করা মামলায় রায়ের দিন ধার্য করেছেন আদালত। আজ রবিবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালত আসামি পক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর রায়ের এ দিন ধার্য করেন। গত ২৭ আগস্ট সাহেদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে দিয়ে আদালত তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। পরে আদালত সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ১০ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেন। এরপর ধারাবাহিক সাক্ষ্যগ্রহণ চলে গত ১৫ সেপ্টেম্বর শেষ হয়। মামলায় মোট ১৪ সাক্ষীর মধ্যে ১১ জনের সাক্ষ্যগ্রহন করেন আদালত। তারপর ১৬ সেপ্টেম্বর আসামি পক্ষের আত্মপক্ষ সমর্থনে সাহেদ নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন। পরের দিন ১৭ আগস্ট আদালতে রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবীরা যুক্তি উপস্থাপনে এ মামলায় সাহেদের সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রত্যাশা করেন। একই দিন রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষ হলে আসামি পক্ষের আংশিক যুক্তি উপস্থাপন হয়। পরে আদালত পরবর্তী যুক্তি উপস্থাপনের জন্য ২০ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেন। এর আগে গত ১৯ আগস্ট মামলাটি আমলে নিয়ে অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য ২৭ আগস্ট দিন ধার্য করেন আদালত। গত ১৩ আগস্ট ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম জুলফিকার হায়াত মামলার অভিযোগপত্রে স্বাক্ষর করেন। এরপর মামলার নথি বিচারের জন্য মহানগর দায়রা জজ আদালতে বদলি করেন। এর আগে ৩০ জুলাই ঢাকা মহানগর হাকিম মোর্শেদ আল মামুন ভূঁইয়ার আদালতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মো. শায়রুল আসামি সাহেদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এ মামলায় গত ২৬ জুলাই তাকে সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। গত ১৫ জুলাই সাতক্ষীরার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে সাহেদকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। এরপর গত ১৯ জুলাই তাকে নিয়ে উত্তরায় অভিযানে যায় ডিবি পুলিশ। সেখান থেকে সাহেদের গাড়ি থেকে অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করা হয়।
বনানীতে বহুতল ভবনের ভয়াবহ আগুন নিয়ন্ত্রণে
২০সেপ্টেম্বর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাজধানীর বনানীর একটি বহুতল ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। বনানীর আহমেদ টাওয়ারের ১৫ তলায় এ অগ্নিকাণ্ড ঘটে। রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টা ৩৪ মিনিটে আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ৮ ইউনিট। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের ফায়ার ফাইটার মো. আনিসুর রহমান। ডিউটি অফিসার এরশাদ উল্লাহ টেলিফোনে নিউজ একাত্তরকে জানান, রোববার বেলা ১১ টা ৩৪ মিনিটে আহমেদ টাওয়ারে আগুন লাগে। খবরে পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ৮ টি ইউনিট সেখানে পাঠানো হয়। ফায়ার ফাইটার আনিসুর রহমান জানান, ফায়ার সার্ভিসের সর্বাত্মক প্রচেষ্টায় ১২ টা ৩৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তাৎক্ষণিকভাবে আগুনের সূত্রপাত কিংবা ক্ষয়ক্ষতির পরিমান জানা যায়নি।
২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ঢাকায় ফ্লাইট চালু করছে সৌদি এয়ারলাইন্স
২০সেপ্টেম্বর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে দীর্ঘ দিন ধরে বন্ধ থাকা সৌদি এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট অবশেষে আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে ঢাকায় পুনরায় ফ্লাইট চালু করতে যাচ্ছে সৌদি এরাবিয়ান এয়ারলাইন্স। প্রাথমিকভাবে সপ্তাহে দুটি ফ্লাইট পরিচালনা করবে এ সংস্থাটি। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সৌদি এয়ারওয়েজের এক কর্মকর্তা এ তথ্য জানান। জানা গেছে, করোনা মহামারিতে নিয়মিত ফ্লাইট স্থগিত থাকায় বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি শ্রমিক আটকে থাকার বিষয়টি বিবেচনা করে প্রতি সপ্তাহে দুটিরও বেশি ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি চেয়েছিল সৌদি এরাবিয়ান এয়ারলাইন্স। কিন্তু বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) তাদের সপ্তাহে দুটি ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি দিয়েছে। কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ রোধে চলতি বছর মার্চের মাঝামাঝি থেকে চীন ছাড়া সব দেশের সঙ্গে নিয়মিত প্লেন চলাচল বন্ধ করে দেয় সরকার। তিন মাস পর ১৬ জুলাই থেকে বেবিচক প্রাথমিকভাবে বিমান ও কাতার এয়ারওয়েজকে ঢাকা থেকে সীমিত আকারে ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি দেয়। বর্তমানে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ১১টি বিদেশি সংস্থাসহ ১৩টি এয়ারলাইন্স সাতটি দেশে সপ্তাহে ৪৬টি ফ্লাইট পরিচালনা করছে। এদিকে সৌদি এয়ারের এক কর্মকর্তা জানান যে তারা সপ্তাহে আরও অধিক ফ্লাইটের অনুমতির জন্য বেবিচকের কাছে আবেদন করবেন।
উন্নত জাত উদ্ভাবনে তুলা উৎপাদন দিন দিন বাড়ছে: কৃষিমন্ত্রী
১৯সেপ্টেম্বর,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশে হাইব্রিড উন্নত জাত উদ্ভাবন ও চাষের মাধ্যমে তুলা উৎপাদন দিন দিন বাড়ছে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক। তিনি আজ রাজধানীর খামারবাড়ি সড়কে তুলা উন্নয়ন বোর্ড ভবন তুলা ভবনর ভিত্তি প্রস্তরের ফলক উম্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা জানান। আব্দুর রাজ্জাক বলেন, সারা বিশ্বেই তুলা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ফসল। বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ৮০ থেকে ৮৬ লাখ বেল তুলা আমদানি করে থাকে। সেখানে দেশে তুলার উৎপাদন মাত্র ২ লাখ বেলের মতো। আগে ১ লাখ বেলের কম তুলা উৎপাদন হতো। তিনি বলেন, এই বিপুল পরিমাণ তুলা আমদানিতে বছরে ২৪ থেকে ৩০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়। যদিও আমদানি করা তুলা ভ্যালু অ্যাডের মাধ্যমে সুতা ও কাপড়ের আকারে বিদেশে রপ্তানি হয়ে থাকে। তিনি বলেন, এসব তুলা দেশে উৎপাদন করতে পারলে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করা সম্ভব হতো। মন্ত্রী বলেন, অন্যান্য ফসলের মতো তুলা উৎপাদনের ওপরও সরকার অত্যন্ত গুরুত্ব প্রদান করেছে। কারণ তুলা উন্নয়ন বোর্ড হওয়া মানে এই ফসল উৎপাদনে গুরুত্বারোপ করা। তিনি বলেন, তুলা উন্নয়ন বোর্ডকে সবদিক দিয়ে শক্তিশালী করেছে সরকার। ভৌত অবকাঠামো, যন্ত্রপাতি, ল্যাবরোটরি স্থাপন ও দক্ষ জনবল নিয়োগ দেয়া হয়েছে। যাতে করে দেশের আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপযোগী নতুন জাত উদ্ভাবন করে তুলা উৎপাদন ত্বরান্বিত ও লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা যায়। আব্দুর রাজ্জাক বলেন, দেশে প্রায় ৭৪ ভাগ জমিতে ধানের আবাদ হয়। এদেশের কৃষি উৎপাদন ও ফসল ব্যবস্থা মূলত ধানকেন্দ্রিক। ইদানিং চালের কনজাম্পশন কমে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকলে অনেক জমি অনাবাদী হয়ে পড়ে থাকবে। সেখানে শাক-সবজি, ফলমূল ও তুলার মতো উচ্চ মূল্যের অর্থকরী ফসল উৎপাদন করা যাবে। সেই লক্ষ্য নিয়ে তুলা উন্নয়ন বোর্ডকে শক্তিশালী করা হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, রপ্তানির ক্ষেত্রে শুধু গার্মেন্টস নির্ভরতা নয়, বরং রপ্তানিকে বহুমুখীকরণ করতে হবে। কৃষি মানুষের আহার পুষ্টি জাতীয় খাবারের যোগানের পাশাপাশি শিল্পের কাঁচামালেরও যোগান দেয়। তিনি আরও বলেন, আগামী দিনে কৃষি বহুমুখীকরণ হবে, রপ্তানি বহুমুখীকরণ হবে এবং প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব হবে। তুলা উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক মো. ফরিদ উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সচিব মো. নাসিরুজ্জামান।

জাতীয় পাতার আরো খবর