বুধবার, আগস্ট ৪, ২০২১
নির্বাচন করোনা সংক্রমণের একমাত্র মাধ্যম নয়: সিইসি
১৩,জুন,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নির্বাচন করোনা সংক্রমণের একমাত্র মাধ্যম নয়, পরিস্থিতি বিবেচনা করে মেয়াদোত্তীর্ণ ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা। আজ রোববার (১৩ জুন) বেলা ১২টার দিকে মাদারীপুর জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় কালে এ কথা বলেন তিনি। সিইসি বলেন, আমরা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মেনে নির্বাচনের আয়োজন করছি। যেসব এলাকায় করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি সেখানে নির্বাচন স্থগিত রাখা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ভোটারদের মধ্যে দিন দিন ইভিএমের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এমনকি জনপ্রতিনিধিরাও সুষ্ঠ নির্বাচনের স্বার্থে ইভিএম পদ্ধতিতে নির্বাচন চাচ্ছেন। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন-২০২১ উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা। সভায় সভাপতিত্ব করেন মাদারীপুর জেলা প্রশাসক ড. রহিমা খাতুন। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম সচিব ও আঞ্চলিক নির্বাচন কমিশনার মোস্তফা ফারুক, জেলা পুলিশ সুপার গোলাম মস্তফা রাসেল, জেলা নির্বাচন কমিশনার মো. মনিরুজ্জামান প্রমুখ। অনুষ্ঠানে নির্বাচন সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, আগামী ২১ জুন জেলার শিবচর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
শেখ হাসিনার সমকক্ষ কেউ নেই: দীপু মনি
১৩,জুন,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমকক্ষ কোনো নেতা বাংলাদেশে নেই বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তিনি বলেন, অনেকেই শেখ হাসিনার সঙ্গে অন্য কাউকে এক পাল্লায় মাপে। কিন্তু এটি অসম্ভব। শেখ হাসিনার সমকক্ষ কোনো নেতা বাংলাদেশে নেই। একমাত্র শেখ হাসিনাই বাংলাদেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। বাকিরা খালি দেশকে পেছনের দিকে নিয়ে গেছেন। রোববার (১৩ জুন) জাতীয় প্রেসক্লাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে স্বপ্ন ফাউন্ডেশন আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। দীপু মনি বলেন, সেদিন শুধু শেখ হাসিনা মুক্তি পাননি, বাংলাদেশের গণতন্ত্র ফিরে আসার পথ তৈরি হয়েছিল। তিনি মুক্তি পেয়েছেন বলেই আমরা ২০০৮ সালের নির্বাচন পেয়েছিলাম। এরপর একাধিকবার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়ে শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে সারা বিশ্বের সামনে শক্ত অবস্থানে নিয়ে গেছেন শেখ হাসিনা। আজ তিনি শুধু আমাদের নয় সারা বিশ্বের বাতিঘর। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী ও সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির৷ সভাপতিত্ব করেন স্বপ্ন ফাউন্ডেশনের সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন রিয়াজ।
শিশুশ্রম প্রতিরোধে সকলকে কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
১২,জুন,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিশুশ্রম প্রতিরোধ ও শিশুদের কল্যাণে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট সকলকে কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার (১২ জুন) বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের পাশাপাশি শিশুশ্রম প্রতিরোধ ও শিশুদের কল্যাণে বেসরকারি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থা, উন্নয়ন-সহযোগী, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, সিভিল-সোসাইটি ও গণমাধ্যম, মালিক ও শ্রমিক-সংগঠনসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে আরও কার্যকর ভূমিকা পালনের জন্য আমি আহ্বান জানাই। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য- মুজিববর্ষের আহ্বান, শিশুশ্রমের অবসান অত্যন্ত সময়োপযোগী হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও ১২ জুন যথাযথভাবে বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবস পালন করা হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। শেখ হাসিনা বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম তথা শিশুদের শিক্ষা, নিরাপত্তা ও সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে আমরা বদ্ধপরিকর। আমাদের সরকার জাতিসংঘের শিশু অধিকার সনদ ও ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম বিষয়ক আইএলও কনভেনশন অনুসমর্থন করেছে। তিনি বলেন, শিশুশ্রম-নিরসনের লক্ষ্যে জাতীয় শিশুশ্রম নিরসন নীতি-২০১০ প্রণয়ন করা হয়েছে। এসডিজির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ২০২৫ সালের মধ্যে দেশকে সব ধরনের শিশুশ্রম থেকে মুক্ত করতে হবে। এসডিজিকে সামনে রেখে ২০২৫ সাল পর্যন্ত জাতীয় কর্মপরিকল্পনার মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে। এই কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জাতীয় শিশুশ্রম কল্যাণ পরিষদ কাজ করছে। গৃহকর্মে নিয়োজিত শিশুদের অধিকার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে গৃহকর্মী সুরক্ষা ও কল্যাণ নীতি-২০১৫ প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় শিশুশ্রম-নিরসনে বিভাগীয়, জেলা ও উপজেলা কমিটিগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কাজ করে যাচ্ছে। এ পর্যন্ত মোট ৮টি সেক্টরকে শিশুশ্রমমুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। শিশুদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ৩৮ ধরনের কাজ চিহ্নিত করে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এ তালিকা হালনাগাদ করার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিযুক্ত শিশুদের প্রত্যাহার করে বৃত্তিমূলক ও কারিগরি শিক্ষা প্রদান করা হচ্ছে। তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালে শিশু আইন প্রণয়ন ও প্রাথমিক শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করেন। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার উন্নয়ন ও সুরক্ষার বিভিন্ন কার্যক্রমের সাথে জাতীয় শিশু নীতি-২০১১, শিশু আইন-২০১৩, বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন-২০১৭ প্রণয়ন করেছে। এছাড়া জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শিশুদিবস উদযাপন, সুবিধাবঞ্চিত পথশিশুদের পুনর্বাসন এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুর বিকাশে কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। আওয়ামী লীগ সরকার প্রিয় মাতৃভূমিকে শিশুদের জন্য নিরাপদ আবাসভূমিতে পরিণত করতে বদ্ধপরিকর উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের বছরের শুরুতে বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক প্রদান করা হচ্ছে। প্রায় শতভাগ শিশু স্কুলে যাচ্ছে। সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে ২০১৩ সালে শিশুশ্রম সমীক্ষায় শ্রমে নিয়োজিত শিশুর সংখ্যা হ্রাস পেয়ে ১.৭ মিলিয়নে দাঁড়িয়েছে। শিশুশ্রম-নিরসনে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এসব কর্মসূচির সফল বাস্তবায়নসহ সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দেশ থেকে শিশুশ্রম নিরসন সম্ভব। প্রধানমন্ত্রী দিবসটি উপলক্ষে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।
রানি এলিজাবেথের জন্মদিনে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা
১২,জুন,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: ব্রিটেনের রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের ৯৫তম জন্মদিন উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী পৃথক বার্তায় রানির সুস্বাস্থ্য, সুখ এবং দীর্ঘায়ু কামনা করেছেন। এছাড়া যুক্তরাজ্য, গ্রেট ব্রিটেন এবং উত্তর আয়ারল্যান্ডের জনগণের শান্তি, অগ্রগতি এবং সমৃদ্ধি কামনা করেছেন। শনিবার (১২ জুন) লন্ডনের বাংলাদেশ হাইকমিশন এ তথ্য জানায়। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ তার বার্তায় বলেন, আজকের এই শুভক্ষণে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০তম বার্ষিকীতে দুই দেশের বন্ধুত্ব আরও সুদৃঢ় ও সম্প্রসারণে মহামহিমের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতির সুযোগটি নিতে চাই। ২০২১-২০২২ সালে কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০তম বার্ষিকীতে দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা আরও জোরদার হবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বার্তায় বলেন, আপনার অনুকরণীয় অনুগ্রহ, কর্তব্য ও সেবার জন্য আমি আপনাকে বিশেষ শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। এসবের মধ্যে দিয়ে আপনি আপনার দেশ ও কমনওয়েলথ পরিবারে গত সাত দশক ধরে সেবা করেছেন। আপনি আমাদের ঐক্য ও সংহতির প্রতীক, বিশেষ করে কমনওয়েলথ পরিবারের প্রধান হিসেবে আমাদের জন্য অনুপ্রেরণা। বরাবরের মতোই আপনার মহিমা বাংলাদেশের জনগণ তাদের হৃদয়ে সর্বোচ্চ স্নেহ ও প্রশংসার সঙ্গে ধরে রেখেছে। উল্লেখ্য, প্রতি বছর ১২ জুন রানি এলিজাবেথের অফিসিয়ালভাবে জন্মদিন পালিত হয়ে থাকে।
ডিজিটাল বিশ্বের নেতৃত্ব দেবে মেধাবী তরুণরা : পলক
১২,জুন,শনিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, শুধু ডিজিটাল বাংলাদেশ নয়, ডিজিটাল বিশ্বের নেতৃত্ব দেবে আমাদের মেধাবী তরুণরা। আমরা যদি তাদের সুযোগ্য করে গড়ে তুলতে চাই এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ ও ডিজিটাল বিশ্বের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত করতে চাই তাহলে অবশ্যই তাদের কম্পিউটারের প্রোগ্রামিং শেখাতে হবে। শুক্রবার (১১ জুন) ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে ন্যাশনাল হাইস্কুল প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা (এনএইচএসপিসি) ২০২১-এর জাতীয় পর্বের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। জানুক সবাই দেখাও তুমি এই স্লোগানকে সামনে রেখে শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রোগ্রামিং করার লক্ষ্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে অনলাইনে এ আয়োজন করা হয়। প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের তরুণ প্রজন্ম মেধাবী। তাদের মেধাকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলেই বাংলাদেশের মাটিতেই স্যাটেলাইট তৈরি ও উৎক্ষেপণ করার সক্ষমতা অর্জন সম্ভব হবে। এছাড়াও তাদের মেধা, যোগ্যতা ও পরিশ্রম দিয়ে নিজেদের স্বপ্নগুলো পূরণ করবে। আমরা যদি তাদের প্রোগ্রামিং শেখাতে না পারি, তাহলে তাদের বড় স্বপ্ন পূরণের সুযোগটা করে দিতে পারব না। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৪১ সালের রূপকল্প শুধু শ্রমনির্ভর অর্থনীতি দিয়ে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না। শ্রমনির্ভর অর্থনীতির পাশাপাশি মেধাকে সঠিকভাবে কাজে লাগাতে হবে, তাহলেই কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব হবে। বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক পার্থপ্রতিম দেবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন আইসিটি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল এবং শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মোহাম্মদ কায়কোবাদ। দেশের সকল জেলা এবং ৪৪৪ উপজেলা থেকে ১১ হাজার ৬৯৩ জন শিক্ষার্থী চার ঘণ্টাব্যাপী এ প্রোগ্রামিং ও কুইজ প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। যাদের মধ্যে তিন হাজার ৯৫ জন শিক্ষার্থীই ছিলেন নারী।
১০ লাখ টিকা দিচ্ছে কোভ্যাক্স: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
১১,জুন,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন জানিয়েছেন, কোভ্যাক্স অ্যালায়েন্সের আওতায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি ১০ লাখ ৮০০ ডোজ করোনা টিকা পাচ্ছি। শুক্রবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান তিনি। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কবে নাগাদ এ টিকা দেশে আসবে তার দিনক্ষণ এখনো ঠিক হয়নি। তবে শিগগিরই চলে আসবে। বাংলাদেশ অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা দিয়ে গত ফেব্রুয়ারিতে গণটিকাদান শুরু করলেও দুই চালানের পর আর দিতে পারেনি টিকা উৎপাদনকারী ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট। ফলে সরকার নতুন করে টিকার প্রথম ডোজ দেয়া বন্ধ রেখেছে। যে টিকা এখন মজুদ আছে, দ্বিতীয় ডোজও সবার দেয়া সম্ভব হবে না। এমন পরিস্থিতিতে সরকার চীন ও রুশ টিকা আনার তোড়জোড় শুরু করলেও যারা অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছেন, তাদের জন্য ওই টিকার বিকল্প নেই। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছিল, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ৬ কোটি ডোজ টিকা তারা বিভিন্ন দেশে পাঠাবে। সংকটে পড়া বাংলাদেশ এখন সেই টিকা থেকে কিছু চাইছে। গতকাল বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেন রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার দ্বিতীয় ডোজের টিকার ঘাটতি পূরণের জন্য বিভিন্ন দেশের কাছে টিকা চেয়ে অনুরোধ জানানো হয়েছে। সবাই টিকা দেবে বলে। কিন্তু কবে দেবে সেটা বলে না। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে অনেক অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা আছে জেনে সঙ্গে সঙ্গে তাদের অনুরোধ জানালাম। পরে জানা গেল, করোনাভাইরাসে মৃত্যুর সংখ্যা কম বলে যে দেশগুলোতে টিকা দেয়া হবে, তার অগ্রাধিকারের তালিকায় বাংলাদেশ নেই। পরে অবশ্য আমরা জেনেছি আমাদের অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা দেবে। এছাড়া কোভ্যাক্স থেকেও দেবে। তবে সেটা কবে তা বলেনি। যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে টিকা পাওয়ার ব্যাপারে বাংলাদেশ আশাবাদী।
মানুষকে আশাবাদী করতে গণমাধ্যমকর্মীদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী
১১,জুন,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: রাষ্ট্রের স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার প্রয়াসের পাশাপাশি মানুষের সামনে জাতির অদম্য পথচলা তুলে ধরে আশাবাদী করে তোলার জন্য গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তথ্যমন্ত্রী বলেন, পৃথিবীর সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ দেশ, ঝড়-বন্যা-জলোচ্ছ্বাস যার নিত্যসঙ্গী, সেই বাংলাদেশ করোনা মহামারির মধ্যেও অদম্য গতিতে এগিয়ে চলেছে। মাথাপিছু আয়ে অনেক আগে পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে আজ ভারতকেও ছাড়িয়ে গেছে। এই অদম্য পথচলার কথা মানুষের সামনে উপস্থাপন করতে হবে, তাহলেই মানুষ আশাবাদী হবে। তথ্যমন্ত্রী শুক্রবার (১১ জুন) দুপুরে রাজধানীর বিজয়নগরে পল্টন টাওয়ারের ইআরএফ মিলনায়তনে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম-বিএসআরএফ-এর দ্বি-বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। আজকের দিনটিকে গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, দীর্ঘ ১১ মাস কারাভোগের পর জনগণের আন্দোলনের মুখে ২০০৮ সালের ১১ জুন জননেত্রী শেখ হাসিনা এ দিনে মুক্তিলাভ করেন। দিনটি প্রকৃতপক্ষে গণতন্ত্রের মুক্তি দিবস। প্রধানমন্ত্রীকে অত্যন্ত গণমাধ্যমবান্ধব হিসেবে উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বলেন, আশাহীন মানুষ যেমন এগোতে পারে না, আশাহীন সমাজও তাই। গণমাধ্যম অবশ্যই সমাজের অসঙ্গতি তুলে ধরবে, সেইসঙ্গে জানাবে সাফল্য, উন্নয়ন, অগ্রগতির কথাও। তথ্যমন্ত্রী বলেন, এক সময় আমরা ধনী ছিলাম, যখন বিশ্ব অর্থনীতি কৃষিনির্ভর ছিল। বছরে তিনটি ফসল বিশ্বের খুব কম দেশেই হয়। এরপর বিশ্ব অর্থনীতি শিল্পনির্ভর হয়ে গেলে, আমাদের থেকে কাঁচামাল নিয়ে প্রক্রিয়াজাত করে শিল্পোন্নত দেশগুলো আমাদের কাছেই শিল্পপণ্য বিক্রি শুরু করে। এতে তারা অনেক এগিয়ে যায়। আমরা এই দৃশ্যপট পাল্টে দিতে চাই। আবারো হতে চাই সমৃদ্ধ দেশ। আর সেজন্য প্রয়োজন গণমাধ্যমকর্মীসহ সবার ঐক্যবদ্ধ কার্যক্রম। বিএসআরএফ সভাপতি তপন বিশ্বাসের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমেদের সঞ্চালনায় সৈয়দ শাহনেওয়াজ করিম, শ্যামল সরকারসহ বিএসআরএফ-এর সাবেক নেতা ও সদস্যরা সভায় অংশ নেন। আগামী ১৩ জুন রোববার সংগঠনের পরবর্তী নির্বাচনের তারিখ ধার্য করা হয়েছে।
শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস আজ
১১,জুন,শুক্রবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস আজ। দীর্ঘ ১১ মাস কারাভোগের পর ২০০৮ সালের ১১ জুন সংসদ ভবন চত্বরে স্থাপিত বিশেষ কারাগার থেকে মুক্তি পান তিনি। সেনাসমর্থিত ১/১১-এর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই গ্রেফতার হয়েছিলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় কারাগারের অভ্যন্তরে শেখ হাসিনা অসুস্থ হয়ে পড়েন। তখন বিদেশে চিকিৎসার জন্য তাকে মুক্তি দেয়ার দাবি ওঠে বিভিন্ন মহল থেকে। আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের ক্রমাগত চাপ, আপসহীন মনোভাব ও অনড় দাবির মুখে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার শেখ হাসিনাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। এরপর থেকে দিনটি শেখ হাসিনার কারামুক্তি দিবস হিসেবে পালন করে আসছে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলো। ড. ফখরুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দুর্নীতিবিরোধী অভিযানকালে ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই গ্রেফতার হন শেখ হাসিনা। বেশ কয়েকটি মামলায় প্রায় ১১ মাস কারাবন্দি ছিলেন তিনি। পরে জরুরি অবস্থার মধ্যেই নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন ও প্রতিবাদের মুখে এবং উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজনে আট সপ্তাহের জামিনে মুক্তি দেয়া হয় তাকে। মুক্তি পেয়েই চিকিৎসার উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে যান তিনি। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায়ই তার অস্থায়ী জামিনের মেয়াদ কয়েক দফা বাড়ানো হয়। ২০০৮ সালের ৬ নভেম্বর দেশে ফিরলে স্থায়ী জামিন দেয়া হয় তাকে। পরে ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের জাতীয় নির্বাচনে ঐতিহাসিক বিজয়ের মাধ্যমে ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি তার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগসহ মহাজোট সরকার গঠিত হয়। এরপর ২০১৪ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনেও বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ। শেখ হাসিনাও টানা তৃতীয়বারসহ চতুর্থবারের মতো দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অনুদান
১০,জুন,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে সরকার-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা অনুদান দিয়েছে। বৃহস্পতিবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও বিদ্যুৎ-জ্বালানি মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুদানের চেক হস্তান্তর করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে যোগ দেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের করবী হলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন কোটি টাকার চেক হস্তান্তর করেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মশিউর রহমান। উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী ও শিক্ষা সচিব মাহবুব হোসেন। অনুদানের তিন কোটি টাকার চেকের মধ্যে করোনা সহায়তা তহবিলে দুই কোটি এবং 'হাউস কনস্ট্রাকশন ফান্ড বাই প্রাইভেট ফাইন্যান্স' তহবিলে এক কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ-জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সোয়া ২২ কোটি টাকা অনুদান :প্রধানমন্ত্রীর করোনা সহায়তা তহবিল ও হাউস কনস্ট্রাকশন ফান্ড বাই প্রাইভেট ফাইন্যান্স তহবিলে ২২ কোটি ২৫ লাখ টাকা দিয়েছে বিদ্যুৎ-জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়। গতকাল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদের কাছ থেকে চেক গ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস। এ সময় গণভবন প্রান্তে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।\হমন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি জানানো হয়, বিদ্যুৎ বিভাগের অধীন দপ্তর-কোম্পানি এবং জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের অধীন পেট্রোবাংলা এবং বিপিসির কোম্পানিগুলো থেকে সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে অনুদান সংগ্রহ করা হয়েছে। চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব আনিছুর রহমান, বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব হাবিবুর রহমান, বিপিসির চেয়ারম্যান এবিএম আজাদ ও পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান আবুল মনসুর মো. ফয়েজউল্লাহ ও পিডিবির চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন।

জাতীয় পাতার আরো খবর