বুধবার, আগস্ট ৪, ২০২১
৬ মাস পর শতভাগ আসনে যাত্রী নিয়ে স্বাভাবিক ট্রেন চলাচল
১৬সেপ্টেম্বর,বুধবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রায় ছয় মাস পর স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরেছে ট্রেন চলাচল। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) থেকে আগের মতো প্রতি আসনে যাত্রী নেওয়া হচ্ছে। ফলে দীর্ঘদিন পর শতভাগ আসনে যাত্রী নিয়ে গন্তব্যে ছুটছে ট্রেন। তবে বুধবার থেকে অর্ধেক আসনে যাত্রী নেওয়ার নিয়ম বদল করে শতভাগ আসনে ট্রেনের টিকিট বিক্রি হলেও বন্ধ রয়েছে স্ট্যান্ডিং টিকিট। ফলে আপাতত যাত্রীদের দাঁড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ বন্ধ রয়েছে। কমলাপুর ও বিমানবন্দর স্টেশনে টিকিট ছাড়া প্ল্যাটফর্মে প্রবেশের সুযোগও বন্ধ করা হয়েছে। এতে ট্রেনে অতিরিক্ত যাত্রী দাঁড়িয়ে নেওয়ার সুযোগ কমেছে অসাধু রেল কর্মকর্তাদের। বুধবার সকালে কমলাপুর রেলস্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাউন্টারে ট্রেনের ৫০ শতাংশ টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে। টিকিট কেনার সময় দূরত্ব বজায় রাখতে আনসার বাহিনী কাজ করছে। প্ল্যাটফর্মের প্রবেশপথে রয়েছে হ্যান্ড স্যানিটাইজার। বাকি ৫০ শতাংশ টিকিট অনলাইন থেকে কিনছেন যাত্রীরা। শতভাগ টিকিট দেওয়ার ফলে অনলাইন ও কাউন্টার থেকে যাত্রার ১০ দিন আগে অগ্রিম টিকিট কিনতে পারছেন যাত্রীরা। প্রতিটি ট্রেনে সব আসনে শতভাগ যাত্রী পরিবহন করতে দেখা গেছে। কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে বিভিন্ন গন্তব্যে আগের মতো যাত্রী নিয়ে ছুটছে ট্রেন। দীর্ঘদিন পর পাশাপাশি সিটে বসে যাত্রা করছেন যাত্রীরা। তবে আন্তঃনগর সব ট্রেনে স্ট্যান্ডিং টিকিট বিক্রি বন্ধ রয়েছে। কমলাপুর রেলস্টেশনের স্টেশন ম্যানেজার মোহাম্মদ মাসুদ সারোয়ার বলেন, অনেক দিন পর শতভাগ আসনে যাত্রী নিয়ে চলছে ট্রেন। যাত্রীদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে উৎসাহিত করা হচ্ছে। মোবাইল অ্যাপ-অনলাইনে ৫০ শতাংশ টিকিট ও স্টেশন কাউন্টার থেকে ৫০ শতাংশ টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে। ভোর ৬টা থেকে অনলাইনে ও সকাল ৮টা থেকে কাউন্টারে টিকিট কাটতে পারবেন যাত্রীরা। দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ায় গত ২৫ মার্চ থেকে ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। দুই মাস পর গত ৩১ মে থেকে সীমিত পরিসরে আন্তঃনগর ট্রেন চালু করা হয়। তারপর কয়েকটি ধাপে মোট ১০৯ জোড়া অর্থাৎ ২১৮টি যাত্রীবাহী ট্রেন ফের চালু করা হয়েছে। সব মিলে সারা দেশে ৩৬২টি যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল করে।
শামুকের পাশাপাশি ঝিনুকও সংরক্ষণ করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
১৫সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশজ প্রতিটি উদ্ভিদ ও প্রাণীকে সংরক্ষণ করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শামুকের পাশাপাশি ঝিনুক সংরক্ষণেও তাগাদা দিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় দেশীয় প্রজাতির মাছ এবং শামুক সংরক্ষণ ও উন্নয়ন শিরোনামে একটি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ প্রকল্পের বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে দেশজ উদ্ভিদ ও প্রাণী সংরক্ষণের কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। সভা শেষে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার কথা তুলে ধরে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, তিনি (প্রধানমন্ত্রী) বলেছেন, দেশজ যা কিছু আছে উদ্ভিদ-প্রাণী প্রত্যেকটাকে আমরা সংরক্ষণ করব। শামুক নিয়ে প্রকল্প আছে- ঝিনুক ও কাঁকড়াকেও আনতে হবে। বাংলাদেশের যা প্রাণিজ, জলজ, ভূমিজ সম্পদ আমাদের আছে, প্রত্যেকটা আইটেমকে কাজে আনতে হবে। নিজের মতামত তুলে ধরে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, শামুক আমাদের দেশের অনেক নাগরিকরা খায়, তারা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের। সুতরাং এটা দেশের ভালো কমার্শিয়াল আইটেম। আমি না খাই, আপনি তো খেতে পারেন। প্রকল্পের বিষয়ে বলতে গিয়ে পরিকল্পনামন্ত্রী আরও বলেন, মূল বার্তা হলো দেশি প্রজাতির মাছ। এগুলোকে বাঁচানো, সংরক্ষণ ও বৃদ্ধি করা। তার সঙ্গে সঙ্গে শামুক, যা একটি জলজ প্রাণী; শামুক নিয়ে অনেক কথাবার্তা হয়েছে। প্রাইম মিনিস্টার ওয়াজ হাইলি এক্সাইটেড যে, আমরা এটা নিয়ে কাজ করছি। কারণ, তার বাড়ি ওই অঞ্চলে। ছোটবেলায় শামুক দেখেছেন। ওই এলাকায় শামুক থেকে চুন তৈরি হয়। কোটালীপাড়ায় চুন হয়। তিনি (প্রধানমন্ত্রী) বলেন, আপনারা যে গুণগান করছেন শামুক নিয়ে- হাঁসের খাবার হয়। আরেকটা যে কাজ হয়, সেটা মনে আছে? চুন হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতা শুধু মানুষের স্বাধীনতা নয়, বাংলার প্রকৃতি পরিবেশ সংরক্ষণ হলো আমাদের আরেকটা উদ্দেশ্য। আমরা নাগরিকরা যারা মানুষ, প্রকৃতির সামান্য অংশ। সুতরাং আমাদের শামুক, টেংরা, পুটি- এদেরও সংরক্ষণ করা উচিত। এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য তাই, যোগ করেন পরিকল্পনামন্ত্রী।
উড়ো চিঠি যাচাই করা হচ্ছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
১৫সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সম্প্রতি একটি কারাগার থেকে আসামি পালানোর ঘটনার পরই দেশের কারাগারগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেন, একটি কারাগারে যে উড়ো চিঠি এসেছে, সেটা যাচাইয়ের জন্য গোয়েন্দা সংস্থার কাছে পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন। করোনাভাইরাস পরিস্থিতির মধ্যে মানবিক দিক বিবেচনায় গত মার্চে খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিত করে ছয় মাসের জন্য তাকে মুক্তি দেয় সরকার। সেই মুক্তির মেয়াদ মঙ্গলবার আরও ছয় মাস বাড়িয়েছে সরকার। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, খালেদা জিয়ার ভাইয়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তার দণ্ডাদেশ শর্তসাপেক্ষে আরও ছয় মাসের জন্য স্থগিত করা হয়েছে। তিনি এ সময় ঢাকায় থেকে চিকিৎসা নিতে পারবেন। তবে বিদেশ যেতে পারবেন না। কারারক্ষীদের দুর্বলতার কারণে একজন আসামি সম্প্রতি পালিয়ে গেছে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এমন প্রেক্ষাপটে দেশের কারাগারগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। লালমনিরহাট কারাগারে একটি উড়ো চিঠি এসেছে জানিয়ে তিনি বলেন, ওই কারাগারে এমন চিঠি সব সময়ই আসে। তারপরও চিঠিটি যাচাইয়ের জন্য গোয়েন্দাদের কাছে পাঠানো হয়েছে। সূত্র: জাগো নিউজ
করোনার কারণে চাকরি প্রত্যাশীদের বয়সে ছাড় দিচ্ছে সরকার
১৫সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা মহামাররির মধ্যে গত ২৫ মার্চ যাদের বয়স ৩০ বছর পূর্ণ হয়েছে তাদের সরকারি চাকরিতে আবেদনের সুযোগ দিতে যাচ্ছে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সরকারি চাকরি প্রত্যাশীদের এই সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। মঙ্গলবার জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন। এর আগে করোনা মহামারির মধ্যে যাদের সরকারি চাকরির বয়স পার হয়েছে, তাদের বিষয়টি বিবেচনা করতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রস্তাব পাঠায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। একজন কর্মকর্তা জানান, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। গত ২৫ মার্চ যাদের বয়স ৩০ বছর পূর্ণ হয়েছে তাদের সরকারি চাকরিতে আবদন করার সুযোগ দিতে বলেছেন সরকারপ্রধান। গত ২৫ মার্চ যাদের বয়স ৩০ বছর পার হয়েছে তাদের কত মাস পর্যন্ত সরকারি চাকরিতে আবেদনের সুযোগ দেওয়া হবে, তা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সার্কুলারের মাধ্যমে নির্ধারণ করে দেবে বলে জানান ওই কর্মকর্তা।
করোনাকালে দেশে ফিরেছেন ১ লাখ ২৭ হাজারেরও বেশি প্রবাসী
১৫সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনা ভাইরাস মহামারিতে বিদেশে টিকতে না পেরে গত সাড়ে পাঁচ মাসে দেশে ফিরেছেন ১ লাখ ২৭ হাজারেরও বেশি প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিক। তাদের মধ্যে বেশিরভাগই কাজ হারিয়ে দেশে ফিরেছেন। চলতি বছরের ১ এপ্রিল থেকে ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিশ্বের ২৮টি দেশ থেকে বাংলাদেশে ফিরেছেন ১ লাখ ২৭ হাজার ২০৯ জন প্রবাসী। এর মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকেই সবচেয়ে বেশি প্রবাসী ফিরেছেন। প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। বাংলাদেশে ফিরে আসা প্রবাসীদের বেশিরভাগই কাজ হারিয়েছেন। আবার কারো কারো কাজের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। কেউবা বিভিন্ন মেয়াদে কারাভোগ করে দেশে ফিরেছেন। এর মধ্যে পুরুষ কর্মী রয়েছেন ১ লাখ ১৫ হাজার ৫০৬ জন। আর নারী কর্মী ১১ হাজার ৭০৩ জন। সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে সবচেয়ে বেশি প্রবাসী বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ না থাকায় সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ফিরেছেন ৩৬ হাজার ৫৩৩ জন। তাদের মধ্যে পুরুষ ৩৪ হাজার ২৭১ জন এবং আর নারী ২ হাজার ২৬২। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে সৌদি আরব। সেখান থেকে ফিরেছেন ৩০ হাজার ৫৩১ জন। তাদের মধ্যে পুরুষ ২৬ হাজার ২০৪ জন এবং আর নারী রয়েছেন ৪ হাজার ৩২৭ জন। সৌদিফেরত কর্মীদের মধ্যে অনেকেই বিভিন্ন মেয়াদে কারাভোগ করে আউটপাস নিয়ে ও কাজ হারিয়ে দেশে ফিরেছেন। কাতার থেকে কাজ হারিয়ে দেশে ফিরেছেন ১০ হাজার ৫৭৫ জন। অন্যদিকে, মালদ্বীপ থেকে কাজ হারিয়ে দেশে ফিরেছেন ৯ হাজার ৩৬১ জন। বিভিন্ন মেয়াদে কারাভোগ করে ওমান থেকে দেশে ফিরেছেন ৮ হাজার ৬০৯ জন। ভিসার মেয়াদ না থাকায় কুয়েত থেকে দেশে ফিরেছেন ৮ হাজার ৬২৬ জন। ইরাক থেকে কাজ হারিয়ে দেশে ফিরেছেন ৫ হাজার ২৪৯ জন কর্মী। মালয়েশিয়া থেকে কাজ হারিয়ে দেশে ফিরেছেন ৫ হাজার কর্মী। তুরস্ক থেকে ফিরেছেন ৩ হাজার ৮৮১ জন। লেবানন থেকে ফিরেছেন ৩ হাজার ১১৩ জন। কাজের মেয়াদ শেষ হওয়ায় সিঙ্গাপুর থেকে ফিরেছেন ২ হাজার ৮৬ জন। বাহরাইন থেকে ফিরেছেন ৭৪৬ জন। কাজ না থাকায় দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ফিরে এসেছেন ৭১ জন। চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় দক্ষিণ কোরিয়া থেকে ফিরেছেন ১০০ জন। কাজ না থাকায় থাইল্যান্ড থেকে ফিরেছেন ২০ জন। মিয়ানমার থেকে ফিরেছেন ৩৯ জন। জর্দান থেকে ফিরেছেন ১ হাজার ৭১৮ জন। প্রবাসে কাজের মেয়াদ শেষ হওয়ায় ভিয়েতনাম থেকে ফিরেছেন ১২১ জন এবং শ্রীলংকা থেকে ফিরেছেন ৮০ জন। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে ইতালি থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে ১৫১ জনকে। ৬ জুলাই বাংলাদেশ থেকে ইতালি গেলে তাদের ফেরত পাঠানো হয়। পরে দেশে ফিরলে সবাইকে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়। এছাড়া, লিবিয়া থেকে ১৫১ জন, নেপাল থেকে ৫৫ জন, শ্রীলংকা থেকে ২০৮ জন, থাইল্যান্ড থেকে ৩২ জন, হংকং থেকে ১৬ জন, জাপান থেকে ৮ জন, রাশিয়া থেকে ১০০ জন, মরিশাস থেকে ৩৬ জন এবং কম্বোডিয়া থেকে ৪০ জন কর্মী ফেরত এসেছেন। করোনাকালে বিদেশে কাজ হারিয়ে দেশে ফেরার পর কর্মীদের ব্যবসার সুযোগ দিচ্ছে সরকার। এ জন্য সরকার থেকে ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের মাধ্যমে বিদেশফেরত কর্মীরা ৫ থেকে ৭ লাখ টাকা ঋণ সহায়তা পাচ্ছেন। আর ঢাকার বিমানবন্দরে ফিরেই পাচ্ছেন ৫ হাজার টাকা। কোনো প্রবাসী করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বিদেশে মারা গেলে তার পরিবার সরকার থেকে পাচ্ছেন ৩ লাখ টাকা। করোনা ভাইরাস পরিপ্রেক্ষিতে গত সাড়ে পাঁচ মাসে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ১ লাখ ২৭ হাজারেরও বেশি কর্মী ফিরে আসলেও এ সংখ্যা আশঙ্কাজনক নয় বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ। ৯ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, করোনা ভাইরাসের কারণে বিভিন্ন দেশে ডিপোর্টেশন সেন্টারে থাকা অনিয়মিতদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর কারণে আমাদের কর্মীদের একটি ক্ষুদ্র অংশ দেশে ফেরত এসেছেন। আশঙ্কা করা হয়েছিল, অর্থনৈতিক মন্দা এবং করোনা ভাইরাসের কারণে প্রধান কর্মী নিয়োগকারী দেশগুলোর শ্রমবাজার বিপর্যস্ত হওয়ায় অনেকে বেকার হয়ে পড়বেন। কিন্তু আশার কথা, এখন পর্যন্ত ফেরত আসা কর্মীর সংখ্যা আশঙ্কাজনক হয়ে ওঠেনি। এক্ষেত্রে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একযোগে ভূমিকা পালন করেছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন করোনা ভাইরাসের এ সময় প্রবাসী কর্মীদের কষ্ট করে হলেও বিদেশে টিকে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, করোনা মহামারিতে বিভিন্ন দেশও সংকটে পড়েছে। এক সময় এ সংকট আর থাকবে না।
নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য বাংলাদেশি-আমেরিকান অধ্যাপক মনোনীত
১৫সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য বাংলাদেশি-আমেরিকান অধ্যাপক ডা. রুহুল আবিদ এবং তার অলাভজনক সংস্থা হেলথ অ্যান্ড এডুকেশন ফর অলকে (এইচএইএফএ) মনোনয়ন দিয়েছে ইউনিভার্সিটি অব ম্যাসাচুসেটস বোস্টন। ডা. রুহুল আবিদ যুক্তরাষ্ট্রের ব্রাউন ইউনিভার্সিটি আলপার্ট মেডিক্যাল স্কুলের অধ্যাপক। ইউনিভার্সিটি অব ম্যাসাচুসেটস বোস্টনের নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক জ্যঁ ফিলিপে বিলিউ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। আবিদসহ মোট ২১১ জন ২০২০ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন পেয়েছেন। অধ্যাপক ডা. রুহুল আবিদ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ থেকে স্নাতক শেষে জাপানের নাগোয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মলিক্যুলার বায়োলজি অ্যান্ড বায়োকেমিস্টিতে পিএইচডি করেন। ২০০১ সালে তিনি হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুল থেকে ফেলোশিপ করেন। অধ্যাপক ডা. রুহুল আবিদ ব্রাউন গ্লোবাল হেলথ ইনিশিয়েটিভের নির্বাহী ফ্যাকাল্টি মেম্বার। তার সংস্থা হেলথ অ্যান্ড এডুকেশন ফর অল বাংলাদেশে সুবিধাবঞ্চিতদের স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে থাকে।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে চিন্তা-ভাবনা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়
১৪সেপ্টেম্বর,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিক্ষা মন্ত্রণালয় স্কুল-কলেজ খুলে দেওয়ার ব্যাপারে আলাদাভাবে চিন্তা-ভাবনা করছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। কেন্দ্রীয়ভাবে কোনো বিষয়ে সিদ্ধান্ত না নিয়ে এখন করোনা পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার ব্রিফিংয়ে প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন আনোয়ারুল ইসলাম। স্কুল-কলেজে পরীক্ষা বাকি আছে- এগুলো নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত আছে কিনা- প্রশ্নে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এগুলো এখন করোনার লেটেস্ট যে সার্কুলার তাতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ওপর ছেড়ে দিয়েছি। কারণ এখন আর সেন্ট্রালি এত বড় এমবার্গো দেওয়ার মতো অবস্থা নেই। সেজন্য গত ১০-১২ দিন আগে জার্মানিতে কথা বললাম তারা সব ওপেন করে দিচ্ছে। যদিও ধরা পড়ছে। কিন্তু কী করবে, কতদিন আর বন্ধ রাখা যাবে। এজন্য আমরা এখন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ওপর দিয়ে দিয়েছি। মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, তারা আলাদা চিন্তা-ভাবনা (শিক্ষা মন্ত্রণালয় স্কুল-কলেজ খোলার ব্যাপারে) করছে, কীভাবে করা যায়। কওমি মাদ্রাসা খুলে দেওয়া হয়েছে। করোনা মহামারির কারণে গত ১৭ মার্চ থেকে দেশের সবধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়েছে। এ ছুটির মেয়াদ ৩ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এ অবস্থায় সংসদ টিভি, বেতার ও অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম চালু করা হয়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় এইচএসসি পরীক্ষাও স্থগিত রেখেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
প্রাণিসম্পদের উন্নত জাত প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে দেয়ার লক্ষ্য- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী
১৪সেপ্টেম্বর,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, আধুনিক ও বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে প্রাণিসম্পদের উন্নত প্রজাতি দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে দেয়ার লক্ষ্যে শেখ হাসিনা সরকার কাজ করছে। মন্ত্রী বলেন, অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে গবেষণার ফল আমরা পৌঁছে দিতে পারব। ফলে মাংস, দুধ ও ডিমে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করে দেশের অভ্যন্তরে চাহিদা মেটানোর পর তা দেশের বাইরে আমরা রফতানি করতে পারব। গবেষণালব্ধ ফলাফল গ্রামগঞ্জে, প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে দিলে গ্রামীণ জনগণ উৎসাহিত হবে, নিজেরা খামার করায় তাদের বেকারত্ব দূর হবে, গ্রামীণ অর্থনীতি সচল হবে। গতকাল সাভারের বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটে (বিএলআরআই) আন্তর্জাতিক মানের অ্যান্টিমাক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) গবেষণাগার উদ্বোধন শেষে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। বিএলআরআইয়ের মহাপরিচালক ড. নাথু রাম সরকারের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ বিশেষ অতিথি ছিলেন। এছাড়া অতিথি ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. আবদুল জব্বার শিকদার এবং মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিন ও সুবোল বোস মনি। অন্যদের মধ্যে মন্ত্রণালয় ও বিএলআরআইয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। শেখ হাসিনার শাসনামল বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি স্বর্ণালি যুগ উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘দেশের মানুষের সব চাহিদা পূরণ করে সুখী-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে শেখ হাসিনা যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন এটা সমকালীন ইতিহাসে অনন্য, অসাধারণ।
দেশে করোনাভাইরাসে একদিনে মৃত্যু ৩১, শনাক্ত ১৪৭৬
১৩সেপ্টেম্বর,রবিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: করোনাভাইরাসে (কভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে দেশে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে ১২ হাজার ৯৯৯টি নমুনা পরীক্ষা করে সংক্রমণ ধরা পড়েছে ১ হাজার ৪৭৬ জনের শরীরে। দেশে গত মার্চের শুরুর দিকে কভিড-১৯ এর সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর রোববার পর্যন্ত মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৪ হাজার ৭৩৩ জনে। আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৩৭ হাজার ৫২০ জন। এর মধ্যে নতুন করে ২ হাজার ৩৭২ জনসহ মোট সুস্থ হয়েছেন ২ লাখ ৪০ হাজার ৬৪৩ জন। দেশের সবশেষ করোনা পরিস্থিতি নিয়ে রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত ৮ মার্চ, তার ১০ দিনের মাথায় ১৮ মার্চ প্রথম মৃত্যুর খবর আসে।

জাতীয় পাতার আরো খবর