সোমবার, আগস্ট ২, ২০২১
ভিসার মেয়াদ বাড়ানোর দাবিতে সৌদি প্রবাসীদের মিছিল
২৯সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিসার মেয়াদ ও ইকামা বৃদ্ধির দাবিতে সৌদি প্রবাসী শ্রমিকরা রাস্তা বন্ধ করে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় রাজধানীর কারওয়ান বাজারের সোনারগাঁ হোটেল থেকে এ মিছিল শুরু হয়। এর আগে সৌদি প্রবাসী শ্রমিকরা কারওয়ান বাজারের হোটেল সোনারগাঁর সামনের রাস্তায় সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন। এসময় সৌদি প্রবাসী শ্রমিকরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিসার মেয়াদ ও ইকামা বৃদ্ধির দাবিতে বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে থাকেন। উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, দুনিয়ার প্রবাসী এক হও, আমাদের দাবি মানতে হবে, ভিসার মেয়াদ বাড়াতে হবে। সৌদি প্রবাসীদের বিক্ষোভ মিছিলের ফলে সোনারগাঁ হোটেলের সামনের রাস্তা দিয়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সৌদি প্রবাসী শ্রমিকরা বিক্ষোভ মিছিলসহ প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দিকে অগ্রসর হতে থাকেন।
পুলিশে পদোন্নতি সংক্রান্ত জটিলতা আর থাকছে না: আইজিপি
২৯সেপ্টেম্বর,মঙ্গলবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশ পুলিশের অধস্তন অফিসারদের ২০২০ সালের বিভাগীয় পদন্নোতি পরীক্ষা কেন্দ্রীয়ভাবে গ্রহণ, কেন্দ্রীয় মেধা তালিকা প্রণয়ন, কেন্দ্রীয়ভাবে পদোন্নতি সংক্রান্ত পরীক্ষা পরিচালনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং বিভাগীয় পদন্নোতি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ব্রিফিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) এ ভিডিও কনফারেন্স সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজ অডিটরিয়ামে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার শাহাবুদ্দিন খানসহ শীর্ষ কর্মকর্তারা ও বিভাগীয় পদন্নোতি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। ভিডিও কনফারেন্সে পরীক্ষা পদ্ধতি সম্পর্কে বিশেষ ব্রিফিং এ আইজিপি বেনজীর আহমেদ বলেন, শতবছরের নিয়ম ভেঙে, বহু পরিবর্তনের পরে আমরা আরও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে যোগ্য পুলিশ অফিসার নির্বাচন পদ্ধতি হাতে নিয়েছি, এমসিকিউর মাধ্যমে মেধা যাচাই-বাছাই শেষে চুড়ান্ত লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে সেন্ট্রাল মেধাতালিকায় যারা শীর্ষে থাকবে, তাদের বিভিন্ন ইউনিটে শূন্য পদে পোস্টিং দেওয়া হবে। সুতরাং মেধাবীদের জন্য এ এক বিশাল সুযোগ, পদোন্নতি সংক্রান্ত জটিলতা আর থাকছে না। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার শাহাবুদ্দিন খান বলেন, মুক্তিযুদ্ধ থেকেই আমরা পরীক্ষিত সৈনিক। মেধার ভিত্তিতে, এই বিশুদ্ধ পরীক্ষা পদ্ধতির মাধ্যমে এএসআই, এসআই পর্যায়ক্রমে পদোন্নতি লাভে অগ্রহণযোগ্য বাঁধা ছিন্ন করে আরও গ্রহণযোগ্য, আস্থাশীল বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী হিসেবে দক্ষতার সঙ্গে নির্ভেজাল সেবা নিশ্চিত করে তোমাদের নেতৃত্বে যেন, বিশ্বের দরবারে একটি নিরাপদ বাংলাদেশ উপহার দিতে পারি। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে বাংলাদেশ সরকার বৈধ উপায়ে আমাদের পরিবার নিয়ে সম্মানের সঙ্গে বাঁচতে পারি, ভালো থাকতে পারি, সেই মর্মে যাবতীয় কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন। সেই বিবেচনায়, যথাযথ পেশাদারিত্বের সঙ্গে কর্তব্য পালন করতে হবে। ভিডিও কনফারেন্স শেষে প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে এক বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করা হয়। ভিডিও কনফারেন্সে বরিশাল প্রান্তে আরও উপস্থিত ছিলেন, বিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার লয় চিসিম, উপ-পুলিশ কমিশনার (উত্তর) খাইরুল আলম, উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) জাকির হোসেন মজুমদার, উপ-পুলিশ কমিশনার (নগর বিশেষ শাখা) জাহাঙ্গীর মল্লিক, উপ-পুলিশ কমিশনার (সাপ্লাই এন্ড লজিস্টিকস) খান মুহাম্মদ আবু নাসের, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (সদরদপ্তর এন্ড পিএমটি) রুনা লায়লাসহ অন্য কর্মকর্তারা।
শেখ হাসিনা দেশকে এগিয়ে নেওয়ার সাহসের ঠিকানা: কাদের
২৮সেপ্টেম্বর,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের স্বপ্নময় অর্জনের কাণ্ডারি বলে মন্তব্য করেছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়ার সাহসের ঠিকানা বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। ওবায়দুল কাদের বলেন, বাংলাদেশকে এগিয়ে নেওয়ার অফুরন্ত প্রেরণা এবং সাহসের বর্ণিল ঠিকানা বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ১৯৪৭ সালের এই দিনে জন্মগ্রহণ করেন আমাদের আস্থার সোনালী দিগন্ত, প্রেরণার দীপ্যমান শিখা, আমাদের স্বপ্নময় অর্জনের কাণ্ডারি প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠানের আগে আয়োজিত সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, শৈশব থেকে আজ পর্যন্ত শেখ হাসিনার সুদীর্ঘ পথপরিক্রমা কখনোই কুসুমাস্তীর্ণ ছিল না। কণ্টকাকীর্ণ পথ পেরিয়ে পৌঁছেছেন আজকের অবস্থানে। দেশের মানুষের ভোট ও ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠার এক অতন্দ্রপ্রহরী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। জন্মবার্ষিকীতে আপনাকে জানাই এদেশের গণমানুষের পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা, শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসা। মহান স্রষ্টার কাছে প্রার্থনা করি আপনার সাফল্য, সুস্বাস্থ্য এবং দীর্ঘজীবন। আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, পিতার পাঠশালায় রাজনীতির পাঠ নেওয়া কন্যা ইডেন কলেজের নির্বাচিত ভিপি হওয়ার মধ্য দিয়ে প্রবেশ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। সে ধারাবাহিক পথপরিক্রমায় আজ হয়ে উঠেছেন পিতার ছায়া, আদর্শিক উত্তরাধিকার। এদেশের কোটি মানুষের হৃদয়ের স্পন্দন। মমতার আধার। এ অর্জিত আস্থার গহীনে নেই কোন কোনো ম্যাজিক। সূত্র বলি আর উৎস বলি, এ অর্জনের পেছনের রহস্য তিনি বঙ্গবন্ধুকন্যা। এ অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, ড. আব্দুর রাজ্জাক, আব্দুল মতিন খসরু, শাজাহান খান, জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, ড. হাছান মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আব্দুস সোবহার গোলাপ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে স্বাধীনতা, শেখ হাসিনায় অর্থনৈতিক মুক্তি
২৮সেপ্টেম্বর,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শেখ হাসিনার জাদুকরি নেতৃত্বে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক উন্নয়নে এগিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। তিনি বলেছেন, আজকে বাংলাদেশ বদলে গেছে। শেখ হাসিনার কারণে আজকে এই বদলে যাওয়া। কোনো জাদুর কাটির কারণে নয় বরং শেখ হাসিনার জাদুকরি নেতৃত্বের কারণে হয়েছে। শেখ হাসিনার কারণে আজ বাংলাদেশ গর্বিত। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে পিতা থেকে কন্যা: স্বাধীনতা থেকে অর্থনৈতিক মুক্তি ও নন্দিত নেত্রী শেখ হাসিনা গর্বিত বাংলাদেশ বই দুটির মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। এসময় বইটির সম্পাদক কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ ও পদ্মা ব্যাংক লিমিটেডের চেয়ারম্যান চৌধুরী নাফিজ সরাফাত, প্রকাশক জয়ীতা প্রকাশনীর স্বত্ত্বাধিকারী ইয়াসিন কবীর জয় এবং বইটির প্রচ্ছদশিল্পী শাহরিয়ার খান এবং সম্পাদক কবি আসলাম সানী, প্রকাশক আনম মিজানুর রহমান পাটোয়ারী উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া কবি লুৎফর চৌধুরী, সেলিনা সেলিসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। তথ্যমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আমাদের স্বাধীনতা আর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমাদের অর্থনৈতিক মুক্তির পথে এগিয়ে চলছি। আমরা ক্ষুধামুক্ত দারিদ্র্যমুক্ত দেশ রচনা করব। ইতোমধ্যে ক্ষুধাকে আমরা জয় করেছি। বাংলাদেশ এখন খাদ্যের উদ্বৃত্তের দেশ। আমরা দারিদ্র্যকেও জয় করার পথে। দারিদ্র্য কমে ৪১ থেকে ২০ শতাংশে নেমে এসেছে। আমরা মানব উন্নয়নসহ সব সূচকে পাকিস্তান থেকে অনেক এগিয়ে। পাকিস্তান এখন বাংলাদেশের দিকে তাকিয়ে আক্ষেপ করে। এখানেই হচ্ছে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার স্বার্থকতা। ভারতও স্বীকার করে মানবোন্নয়নসহ সামাজিক সূচকে ভারতকেও পেছনে ফেলেছি। তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি নিরস্ত্র জাতিকে স্বশস্ত্র জাতিতে রূপান্তরিত করেছেন। হাজার বছরের ঘুমন্ত বাঙালিকে স্লোগান শিখিয়েছিলেন, বীর বঙালি অস্ত্র ধর, বাংলাদেশ স্বাধীন কর, তোমার আমার ঠিকানা, পদ্মা মেঘনা যমুনা। এই স্লোগানে উজ্জীবিত করে। যে জাতি হাজার হাজার বছর ধরে শাসিত হয়েছে, নিজেদের শাসন করার অধিকার পায়নি, সেই জাতিকে তিনি স্বাধীনতার মূলমন্ত্র ও এক সাগর রক্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে স্বাধীনতার ডাক দিয়েছেন। তার নেতৃত্বে হাজার হাজার বছর যে জাতি পরাধীন ছিল, সে জাতি স্বাধীনতা অর্জন করেছে। হাছান মাহমুদ বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বসভায় মর্যাদার আসনে। আগে আমরা বিশ্ব সংবাদ হতাম যখন লঞ্চডুবি, ট্রেন দুর্ঘটনা, সড়ক দুর্ঘটনা হতো। এখন বিশ্ব সংবাদ হয় বাংলাদেশের মেয়েরা ভারতকে ফুটবলে হারায়, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট আফ্রিকায় গিয়ে সেখানের প্রধানমন্ত্রীদের আহবান জানান যে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে দেখে শেখেন এবং জাতিসংঘের সভাপতি যখন বাংলাদেশের প্রশংসা করেন। তথ্যমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার সাড়ে তিন বছরের মাথায় দেশকে পুনরায় গঠন করেছিলেন। স্বপ্ন দেখেছিলেন বাংলাদেশ ও জাতিকে অর্থনৈতিক মুক্তি দেওয়ার। বাংলাদেশকে তিনি উন্নত সমৃদ্ধ রাষ্ট্র হিসেবে দেখতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সাড়ে তিন বছরের মাথায় তাকে হত্যার কারণে বঙ্গবন্ধু সে স্বপ্ন পূরণ করে যেতে পারেননি। আজকে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে তার স্বপ্ন পূরণে এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ আজকে অর্থনৈতিক মুক্তির পথে অদম্য গতিতে এগিয়ে চলছে। সে কারণে বাংলাদেশ স্বল্প উন্নত দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে। খাদ্য ঘাটতির দেশ থেকে খাদ্য উদ্বৃত্তের দেশে রূপান্তরিত হয়েছে।
শাহেদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
২৮সেপ্টেম্বর,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: অস্ত্র মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক শাহেদ ওরফে শাহেদ করিমকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। ঢাকার সিনিয়র স্পেশাল জজ কেএম ইমরুল কায়েশ সোমবার এ রায় ঘোষণা করেন। গত ২৭শে আগস্ট শাহেদের বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলায় চার্জ গঠন করেন আদালত। গত ১৫ই জুলাই শাহেদকে সাতক্ষীরা সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর ১৬ই জুলাই তার ওই মামলায় ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন সিএমএম আদালত। রিমান্ডের সময় তাকে নিয়ে অভিযান চালিয়ে উত্তরায় তার একটি কার্যালয় থেকে অবৈধ অস্ত্র ও জাল টাকা উদ্ধার করা হয়। ওই ঘটনায় অস্ত্র ও বিশেষ ক্ষমতা আইনের চার মামলায় গত ২৬শে জুলাই আদালত তার ৭ দিন করে ২৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে গত ৬ই জুলাই Rab এর ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলমের নেতৃত্বে রিজেন্ট হাসপাতালের উত্তরা ও মিরপুর কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়। পরীক্ষা ছাড়াই করোনার সনদ দিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা ও অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছিল হাসপাতালটি। অন্তত: ৬ হাজার ভুয়া করোনা পরীক্ষার সনদের প্রমাণ পায় Rabর ভ্রাম্যমাণ আদালত। একদিন পর ৭ই জুলাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশে রিজেন্ট হাসপাতাল ও তার মূল কার্যালয় সিলগালা করে দেয় Rab।
অ্যাটর্নি জেনারেলের জানাজা সম্পন্ন
২৮সেপ্টেম্বর,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি মাহবুবে আলমের জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গনে বেলা সাড়ে ১১টার পর জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় ইমামতি করেন সুপ্রিম কোর্ট জামে মসজিদের পেশ ইমাম আবু সালেহ মো. সলিম উল্লাহ। জানাজায় অংশ নেন প্রধান বিচারপতি, সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতি, মন্ত্রিপরিষদের সদস‌্য, আইনজীবীরাসহ তার শুভাকাঙ্খীরা। জানাজার পর মাহবুবে আলমের কফিনে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। এছাড়া প্রধান বিচারপতি, আইনমন্ত্রী, রেলমন্ত্রী, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী, ঢাকা দক্ষিণের মেয়র, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্বাবিদ্যালয়ের ভিসি, পুলিশের আইজিপি, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি, ল’ রিপোর্টার্স ফোরামসহ বিভিন সংগঠন ফুলেল শ্রদ্ধা জানান। এখন আনুষ্ঠানিকতা তাকে মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন করা হবে। অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম (৭১) আজ সন্ধ্যা ৭টা ২৪ মিনিটে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
চুয়াত্তরে পা রাখলেন বঙ্গবন্ধুকন্যা
২৮সেপ্টেম্বর,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: চুয়াত্তর বছরে পা রাখলেন বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শুভ জন্মদিন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী। এক বুক শোক চেপে বাংলার মানুষকেই আপন করেছেন শেখ হাসিনা। ভোট-ভাতের লড়াইয়ে বন্দি গণতন্ত্রকে মুক্ত করেছেন। বার বার হত্যার চেষ্টা হয়েছে, ভয় পাননি। শেখ হাসিনার হাত ধরেই উন্নয়নের পথে হাঁটছে বাংলাদেশ। রাষ্ট্রনেতা থেকে তিনি এখন বিশ্বনেতা। গোপালগঞ্জের মধুমতিপাড়ের টুঙ্গিপাড়ায় ১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর জন্ম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুননেসা মুজিবের বড় মেয়ে শেখ হাসিনার। সবার আদরের হাসু বাবাকে খুব বেশি কাছে পাননি। বাবা দেশের জন্য বেশিরভাগ সময়ই থাকতেন জেলে। আজিমপুর গার্লস স্কুল শেষ করে ইডেন কলেজ, পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সবুজ চত্বর। পাকিস্তানি শাসকদের বিরুদ্ধে আন্দোলনের উত্তাল সময়ে শেখ হাসিনাও থাকতেন মিছিলের সামনে। কলেজ শাখা ছাত্র সংসদের ভিপি নির্বাচিত হয়েছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপ-উপাচার্য নাসরিন আহমাদ বলেন, শেখ হাসিনা যে পরিবারের মেয়ে তাতে তো অবশ্যই, না চাইলেও রাজনীতি তার রক্তের ভেতরে। যেখানে বাবাকে দেখেছেন এই বাংলার মানুষের জন্য, এই বাংলার মানুষের দাবিদাওয়ার জন্য, তাদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের জন্য তিনি থেকে থেকে খালি জেলেই যাচ্ছেন, থেকে থেকে তিনি নেই হয়ে যাচ্ছেন। সেই পরিবেশে না চাইলেও একজনের মধ্যে কিন্তু ওই ভাবধারা জন্ম নেয়। দেশ স্বাধীন হলো। ষড়যন্ত্রের মুখে দাঁড়িয়ে দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে কাজ করছেন জাতির পিতা। হঠাৎ পঁচাত্তরের কাল রাতে ঘাতকের বুলেটে রক্তাক্ত ৩২ নম্বর। ছোটবোন শেখ রেহানাকে নিয়ে বিদেশে থাকায় প্রাণে বাঁচেন তাঁরা দুজন। নির্বাসিত জীবন। বাবা, মা, ভাইদের বিচার চাইতে পারেননি। ১৯৮১ সালে পা রাখলেন দেশের মাটিতে। দাঁড়িয়ে ছিলেন স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে। ভোট-ভাতের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে বার বার কারাবরণ করেছেন। জঙ্গিদের বোমা-গ্রেনেড-বুলেট পিছু ছাড়েনি। বন্দী গণতন্ত্রকে মুক্ত করে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক দর্শনে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন- উন্নত বাংলাদেশ। টানা ৩ মেয়াদে শেখ হাসিনার হাত ধরেই উন্নয়নযাত্রা। বিশ্বের কাছে সব সূচকেই বাংলাদেশ এখন মডেল। শেখ হাসিনার চাচা শেখ কবির হোসেন বলেন, সে কিন্তু বাংলাদেশের সব মানুষের সঙ্গে মাতৃসুলভ আচরণ করেন এবং তার কর্মীদের সঙ্গেও কিন্তু তিনি মাতৃসুলভ আচরণ করেন। কর্মীদেরকে মা হিসেবেই তিনি দেখেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপ-উপাচার্য নাসরিন আহমাদ বলেন, আমরা অত্যন্ত গর্ব ভরে দেখছি যে বঙ্গবন্ধুর যে কাজগুলো তিনি সমাপ্ত করে যেতে পারেননি, সেই কাজগুলো আজকে তাঁর বড় কন্যা শেখ হাসিনাই করে যাচ্ছেন। পিতার নেত্বত্বের সম্মোহনী শক্তি কন্যা শেখ হাসিনার মাঝে। তাই তো বিশ্বনেতায় পরিণত হয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শেখ হাসিনার নেতৃত্বের দৃঢ়তায় বিস্ময়কর অগ্রগতি
২৮সেপ্টেম্বর,সোমবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: নেতৃত্বের দৃঢ়তায় বিশ্বের নারী সরকার প্রধানদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সময় ধরে ক্ষমতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। চার মেয়াদে প্রায় ১৭ বছরে তিনি দেশকে নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়। বঙ্গবন্ধু কন্যার নেতৃত্বের পরশ পাথরের স্পর্শে বাংলাদেশ এখন উন্নয়নশীল দেশ। আর অভিষ্ঠ যাত্রা উন্নত দেশের পথে। তিনি অর্থনীতি ও সামাজিক সব সূচকেই এগিয়ে নিয়েছেন দেশকে। বহু পুরস্কার ও স্বীকৃতি মিলেছে। শুধু দেশকেই নয় বিশ্বকেও পথ দেখাচ্ছেন তিনি। জন্মদিনে দেশবাসী ও বিশ্বনেতাদের শুভেচ্ছায় সিক্ত শেখ হাসিনা। নেতৃত্ব গুণ তাঁর রক্তেই। জাতির পিতার কন্যা তিনি। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আন্দোলন-সংগ্রামে ভীত কাঁপে সামরিক-স্বৈরাচারের। গণতন্ত্রকে মুক্ত করে উন্নয়নের পথে যাত্রা। প্রায় ১৭ বছর ক্ষমতায়- এর মধ্যে টানা তিন মেয়াদ। পেছনে ফেলেছেন মার্গারেট থ্যাচার, ইন্দিরা গান্ধী, চন্দ্রিকা কুমারাতুঙ্গাদের। এই সময়ে বিস্ময়কর অগ্রগতি। কি অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কি সামাজিক উন্নয়ন- যে কোনো সূচকেই বাংলাদেশ অগ্রগামী। সহস্রাব্দের উন্নয়ন লক্ষ্যের পর এবার টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য। দারিদ্রের হার অর্ধেকে নেমে এসেছে, মাতৃমৃত্যু ও শিশু মৃত্যুর হার কমেছে, শিক্ষার হার ও বয়স্ক শিক্ষার হার বেড়েছে। মাথাপিছু আয়েও দক্ষিণ এশিয়ার প্রায় সব দেশকেই ছাড়িয়ে যাওয়ার পথে। জাতির পিতার দেখানো স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। হাজারো ষড়যন্ত্রের পর পদ্মার বুকে সেতু হচ্ছে। মহাকাশে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট, রুপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, মেট্রোরেল, একশটি অর্থনৈতিক অঞ্চল- উন্নয়নের এই ছবি বঙ্গবন্ধু কন্যাই-তো একেছেন। এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আমির হোসেন আমু এমপি বলেন, শেখ হাসিনার জন্ম না হলে বঙ্গবন্ধুর সেই সোনার বাংলা, বিনির্মাণের কাজ বাঙালী জাতি চোখে দেখতো না। জাতির জনকের সুযোগ্য কন্যা চার চারবার নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার শুভ জন্মদিন। তাকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও প্রাণঢালা অভিনন্দন। আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুধু বাংলাদেশের নেতা নন, তিনি বিশ্বের একজন মর্যাদাশীল নেতা। তিনি জাতির পিতার মত জাতিসংঘে বাংলায় বক্তৃতা করেন। তিনি সব সময় বঙ্গবন্ধুর আদর্শ অনুস্মরণ করেন। শেখ হাসিনার শুভ জন্মদিনে তার জন্য অনেক দোয়া করি তিনি যেনো সফল হন। শেখ হাসিনার নেতৃত্ব গুণে সমুদ্র সীমা জয় করে মিয়ানমারের কাছ থেকে ১ লাখ ১১ হাজার বর্গ কিলোমিটার এবং ভারতের কাছ থেকে ১৯ হাজার ৪শ ৬৭ বর্গ কিলোমিটার এলাকা পায় বাংলাদেশ। বিপুল সমুদ্র সম্পদ এগিয়ে নেবে দেশের অর্থনীতিকে। ভারতের সাথে স্থল সীমানা চুক্তি করে সীমান্ত বিরোধের অবসান, ছিটমহল সমস্যা মিটলো, দেশহীন ৫১ হাজার মানুষকে পরিচয় দিলেন শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনার হাত ধরেই এরকম বহু অর্জন। স্বীকৃতি ও বহু পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। গ্লোবাল উইমেনস লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড, জাতি সংঘের সাউথ সাউথ অ্যাওয়ার্ড, চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ, এমডিজি অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড, ট্রি অব পিস, ইন্দিরা গান্ধী শান্তি পুরস্কারের মতো কয়েকশ পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন শেখ হাসিনা। মিয়ানমার সরকারের-নীপিড়ন-নির্যাতনের চাপে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিলেন, বুকে টেনে নিলেন তাদের। তাইতো বিশ্বের কাছে তিনি মাদার অব হিউম্যানিটি।- একুশে টেলিভিশন
৫৪ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নিতে তাগাদা দিচ্ছে সৌদি আরব: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
২৪সেপ্টেম্বর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সৌদি আরব থেকে ৫৪ হাজার রোহিঙ্গা ফেরত নিতে বাংলাদেশের ওপর চাপ রয়েছে বলে জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। তিনি বলেছেন, সৌদি আরবের সঙ্গে কোনো আলোচনা করতে গেলেই এ বিষয়ে প্রশ্ন তোলে দেশটি। গতকাল প্রবাসীদের নিয়ে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। সৌদি আবর যে ৫৪ হাজার রোহিঙ্গার তালিকা দিয়েছিল, তাদের ফেরত না নিলে শ্রমবাজার বন্ধ ও বাংলাদেশীদের ফেরত পাঠানো হবে কিনা এমন এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুুল মোমেন বলেন, সৌদি আরব আমাদের বন্ধু দেশ। তাদেরও সমস্যা রয়েছে। ইদানীং সেখানে তাদের অনেকের চাকরি চলে গেছে। অর্থনীতিতে একটু ধস নেমেছে। ড. মোমেন বলেন, ১৯৮০ ও ১৯৯০ সালের দিকে সৌদির তত্কালীন রাজা রোহিঙ্গাদের দুর্দশা দেখে অনেককে তার দেশে নিয়ে গিয়েছিলেন। অনেকে সরাসরি গিয়েছেন। আবার কেউ কেউ বাংলাদেশ হয়ে গিয়েছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য আমাদের কাছে নেই। সৌদি আরব বলছে, প্রায় ৫৪ হাজার রোহিঙ্গা সেখানে আছে। সেই রোহিঙ্গার আবার অনেকের পরিবার হয়েছে। তাদের ছেলেমেয়েরা জীবনে বাংলাদেশে আসেনি। তারা সেই দেশের সংস্কৃতিতে বড় হয়েছে, আরবিতে কথা বলে। তারা বাংলাদেশ সম্পর্কে জানেও না। কিন্তু সৌদি সরকার প্রথম বলেছিল ৪৬২ জন রোহিঙ্গার কথা। তারা জেলে রয়েছেন। তাদের ফেরত পাঠানোর জন্য বাংলাদেশকে জানিয়েছিল। মন্ত্রী বলেন, আমরা বলেছি, যদি বাংলাদেশী নাগরিক হয়, অবশ্যই আমরা তাদের নিয়ে আসব। তবে তার আগে আমরা একটা যাচাই-বাছাই করব। তাদের কোনো বাংলাদেশী পাসপোর্ট আছে কিনা বা ছিল কিনা। আর তারা বাংলাদেশী নাগরিক, এর কোনো তথ্য যদি দেয় তবে আমরা তাদের ট্রাভেল ডকুমেন্ট দিয়ে নিয়ে আসব। আমরা এটি যাচাই-বাছাই করেছি। আমাদের মিশন সেখানে গিয়ে দেখে অধিকাংশেরই কোনো নথি নেই। বাংলাদেশী নাগরিক হলে আমরা নিয়ে আসব। অন্য দেশের নাগরিক হলে আমরা জানি না। ৫৪ হাজার রোহিঙ্গার প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এর সঙ্গে তারা (সৌদি আরব) আরো বললেন ৫৪ হাজার রোহিঙ্গা সেখানে আছে। সৌদি জানিয়েছে, তাদের কোনো পাসপোর্ট বা নথি নেই। তারা বলেছে, বাংলাদেশ যদি তাদের পাসপোর্ট রি-ইস্যু করে তাহলে ভালো। আমরা তা করিনি। আর যাদের আগে বাংলাদেশী পাসপোর্ট ছিল, বাংলাদেশ থেকে যারা গিয়েছিল, তাদের যদি কোনো সময়ে কোনো পাসপোর্ট থাকে, তাহলে আমরা তাদের নতুন পাসপোর্ট ইস্যু করব। আমরা এ বিষয়ে একটি কমিটি নিয়োগ করেছি। তারা বিষয়টি যাচাই-বাছাই করবেন। এদিকে বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক বাড়ানোর বিষয়ে রুয়ান্ডা আগ্রহী। গতকাল পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে টেলিফোনে আলাপকালে রুয়ান্ডার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভিনসেন্ট বিরুটা এ আগ্রহ প্রকাশ করেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

জাতীয় পাতার আরো খবর