গর্ব করার মতো কাজ করছে পুলিশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
০১অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, বর্তমানে গর্ব করার মতো কাজ করছে পুলিশ। আজ বৃহস্পতিবার পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন। সভায় ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ ড. বেনজীর আহমেদ সভাপতিত্ব করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জঙ্গিবাদ দমন থেকে শুরু করে করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় পুলিশের অগ্রণী ভূমিকা আমাদেরকে মনে করিয়ে দেয়, বঙ্গবন্ধুর সেই জনতার পুলিশের কথা। পুলিশ ধীরে ধীরে সত্যিকার অর্থেই বঙ্গবন্ধুর জনতার পুলিশ এবং প্রধানমন্ত্রীর জনবান্ধব পুলিশে রূপান্তরিত হচ্ছে। তিনি বলেন, বর্তমান পুলিশ আর সেই আগের পুলিশ নয়, আমরা এখন তাদের নাগরিক সেবার প্রত্যয় দেখে গর্ববোধ করি। আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, মানুষ যখনই কোন অসহায় অবস্থায় পড়েছে তখনই পাশে দাঁঁড়িয়েছে পুলিশ। তিনি বলেন, যে কোনো দুর্যোগে মানুষ যখনই কোন অসহায় অবস্থায় পড়েছে, তখনই পাশে দাঁঁড়িয়েছে পুলিশ। সভায় নাগরিক সেবাকে প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে দেয়ার প্রত্যয়ে আইজিপির প্রায়োগিক বিট পুলিশিং কার্যক্রমকে অধিকতর ত্বরান্বিত করার বিষয়ে আলোচনা হয়। সেই সাথে পুলিশের দুলক্ষাধিক সদস্য যাতে বিকেন্দ্রিভূত হয়ে নিবিড় পুলিশিং সেবা জনগণের দোরগোঁঁড়ায় পৌঁছে দিতে পারে, সেজন্য তাদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে পুলিশ মেডিকেল সার্ভিসেসগঠনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার কথা আলোচনা করা হয়। পুলিশের সদস্যরা যাতে ঢাকামুখী না হয়ে জেলা শহর কেন্দ্রিক চাকরির চিন্তা করেন সেজন্য বিভাগীয় পর্যায়ে পুলিশ সদস্যদের সন্তানদের জন্য উন্নত মানের বিদ্যাপীঠ প্রকল্প নেয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দীন, অতিরিক্ত সচিব ড. মো. হারুন-অর-রশিদ বিশ্বাসসহ পুলিশের এডিশনাল আইজিপিবৃন্দ এবং বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন। সিনিয়র সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দীন বলেন, পুলিশ ইতিমধ্যেই অপরাধ নির্মূলে তাদের দক্ষতা ও সক্ষমতার পরিচয় দিয়েছেন। ভবিষ্যতমুখী, প্রযুক্তিনির্ভর, চৌকস এই বাহিনীর সদস্যদের সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিতকল্পে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কাজ করে চলেছে। আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, সিনিয়র সচিবসহ উপস্থিত সকলকে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের এই মতবিনিময় সভায় যোগ দেয়ায় ধন্যবাদ জানিয়ে যেকোনো দুর্যোগ মোকাবেলায় পুলিশের প্রত্যয় ও মনোবলের কথা আবারো ব্যক্ত করেন।- একুশে টেলিভিশন
সিপিএর সহযোগিতা জাতীয় সংসদের কার্যক্রমকে আরো শক্তিশালী করবে: স্পিকার
০১অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, সিপিএর সার্বিক সহযোগিতা বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের কার্যক্রমকে আরো শক্তিশালী করবে। তাঁর সাথে আজ কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি জেনারেল স্টিফেন টুইগের ভার্চুয়ালি মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন। সাক্ষাৎকালে তাঁরা বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ও কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশনের (সিপিএ) এর পারস্পরিক সহযোগিতা, সিপিএর বিভিন্ন ওয়ার্কশপ ও সেমিনারে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্যবৃন্দের অংশগ্রহণ এবং রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে আলোচনা করেন। স্পিকার বলেন, সংসদীয় গণতন্ত্রের উত্তরণে সিপিএর সার্বিক সহযোগিতা বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের কার্যক্রমকে শক্তিশালী করবে। টুইগ বলেন, সিপিএর বিভিন্ন ওয়ার্কশপ ও সেমিনারে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্যগণের অংশগ্রহণ ইতিবাচক। সিপিএ চেয়ারপার্সন থাকাকালীন স্পিকারের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে অবগত হয়ে সফলতার সাথে সিপিএতে নেতৃত্ব প্রদান করায় তিনি সিপিএর সার্বিক সহযোগিতা বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের কার্যক্রমকে আরো শক্তিশালী করবে। তিনি ড. শিরীন শারমিনের প্রশংসা করেন। চেয়ারপার্সন হিসেবে স্পিকারের নেতৃত্ব সিপিএকে সমৃদ্ধ করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। মানবতার দুয়ার উন্মোচন করে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ায় তিনি বাংলাদেশের প্রশংসা করেন এবং রোহিঙ্গাদের শানিতপূর্ণ প্রত্যাবাসনে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সতর্ক থাকুন: তথ্যমন্ত্রী
০১অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বাংলাদেশকে বিশ্বে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অনন্য উদাহরণ হিসেবে বর্ণনা করে এই সম্প্রীতি বিনষ্টের ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সকলকে সতর্ক থাকার আহবান জানিয়েছেন। বৌদ্ধধর্মীয় উৎসব প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারে সভা ও ফানুস উৎসবে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি একথা বলেন। এসময় মন্ত্রী বৌদ্ধধর্মের সবাইকে প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানান ও দেশবাসীর শান্তিও সমৃদ্ধি কামনা করেন। আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ভদন্ত ধর্মমিত্র মহাথেরোর সভাপতিত্বে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ও আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন। মন্ত্রী বলেন, সাম্প্রদায়িক পাকিস্তান থেকে বেরিয়ে এসে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হয়েছে। সেই লক্ষ্যেই আমরা মুক্তিযুদ্ধ করেছি। সকল ধর্মের মানুষের মিলিত রক্তস্রোতের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে আমাদের স্বাধীনতা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অসাম্প্রদায়িকতা ও উন্নয়ন-সমৃদ্ধির প্রতীক এবং তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ বিশ্বে আন্তধর্ম সম্প্রীতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর আগে কোনো বৌদ্ধ ব্যক্তিত্ব প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ছিলেন না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই সেটি করেছেন, ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়াকে তার বিশেষ সহকারী ও দলের দপ্তর সম্পাদক -দুই পদেই রেখেছেন। তথ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। কিন্তু দেশ-বিদেশ থেকে এখনো দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের অপচেষ্টা ও ষড়যন্ত্র চলছে। এ সম্পর্কে সকলকে সতর্ক থাকতে হবে। ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া তার আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারে প্রধানমন্ত্রীর ৭৪তম জন্মদিন উপলক্ষে গত ২৮ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত বিশেষ প্রার্থনার কথা উল্লেখ করে বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা যেভাবে সকল ধর্মের কল্যাণে কাজ করেছেন, তা এক বিরল দৃষ্টান্ত। আন্তধর্ম মৈত্রীর বন্ধন সব সময় বজায় রাখতে হবে। আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারের নির্বাহী সভাপতি অশোক বড়ুয়া, বাংলাদেশ বুদ্ধিস্ট ফেডারেশনের সভাপতি দিব্যেন্দু বিকাশ বড়ুয়া, সাধারণ সম্পাদক সুনন্দপ্রিয় বড়ুয়া, বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস-চেয়ারম্যান সুপ্তবসন বড়ুয়া, বাড্ডা ২১ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মাসুম গণি তাপস এবং বাড্ডা থানা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম সভায় বক্তব্য রাখেন। সভাশেষে ড. হাছান মাহমুদ অতিথিদের নিয়ে বিহার প্রাঙ্গণে প্রবারণা পূর্ণিমা উপলক্ষে ফানুস ওড়ানোতে অংশ নেন। বৌদ্ধমতে শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা তিথিতে মহান গৌতম বুদ্ধ দেবলোক হতে সাংকশ্য নগরে অবতরণ করেছিলেন। প্রবারণা শব্দের একাধিক অর্থের মধ্যে রয়েছে আশাপূরণ, ধ্যান বা শিক্ষা সমাপ্তি ও আত্মশুদ্ধি।
করোনা ভ্যাকসিন পেতে যথাযথ ব্যবস্থা নিয়েছি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
০১অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সঠিক সময়ে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন পেতে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনের বিষয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান। জাহিদ মালেক বলেন, আমরা চাই কোভিড থেকে বাংলাদেশসহ গোটা বিশ্ব মুক্তি পাবে। সেজন্য ভ্যাকসিনের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। তারজন্য আমরা যথাযথ ব্যবস্থা নিয়েছি। তিনি বলেন, করোনায় আমরা অন্যান্য কার্যক্রমও চালিয়ে যাচ্ছি। স্বাস্থ্যসেবা ও স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের সকল কার্যক্রম সঠিকভাবে চালিয়ে যাচ্ছি। গত সাত মাস আমাদের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় দিনরাত কাজ করেছে, এবং মাঠ পর্যায়ের সকল ব্যক্তিরা কাজ করে গেছেন। ফলে কোভিড পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। আমাদের দেশে মৃত্যুর হার অনেক দেশের তুলনায় কম এবং সংক্রমণের হারও কমে এসেছে। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন আগামী ৪ থেকে ১৭ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে। ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সের প্রায় দুই কোটি ২০ লাখ শিশুকে এসময় ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। জাহিদ মালেক জানান, এ প্লাস ক্যাম্পেইনের জন্য ৪ থেকে ১৭ অক্টোবর পর্যন্ত দুই সপ্তাহব্যাপী এই ক্যাম্পেইনে দুই কোটি ২০ লাখ শিশুকে ভিটামিন এ প্লাস খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। এর মধ্যে ছয় থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুর সংখ্যা প্রায় ২৭ লাখ। আর ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুর সংখ্যা এক কোটি ৯৩ লাখ। ক্যাপসুল খাওয়ানোর জন্য সর্বমোট কেন্দ্র এক লাখ ২০ হাজার, স্বাস্থ্যসেবী প্রায় দুই লাখ ৪০ হাজার এবং স্বাস্থ্যকর্মীর সংখ্যা প্রায় ৪০ হাজার। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, কোভিড-১৯ প্রেক্ষাপটে অভিভাবকরা অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানোর জন্য কেন্দ্রে নিয়ে আসবেন। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এই ক্যাম্পেইন উদযাপন করা হবে। তিনি বলেন, আশা করি কোনও শিশু টিকা খাওয়া থেকে বাদ পড়বে না। বাদ পড়লেও তাদের পরে খাওয়ানো হবে। তবে কোনও শিশু অসুস্থ থাকলে ক্যাপসুল খাওয়ানো যাবে না, পরে শিশু সুস্থ হলে ক্যাপসুল খাওয়াতে পারবেন। সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ সচিব মো. আবদুল মান্নান, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব আলী নূর বক্তব্য রাখেন।
দেশে বয়স্কভাতা পাচ্ছেন ৪৯ লাখ প্রবীণ: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী
০১অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: দেশে বর্তমানে ৪৯ লাখ প্রান্তিক প্রবীণ নাগরিক মাসিক ৫০০ টাকা হারে বয়স্কভাতা পাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রবীণবান্ধব অনেক কর্মসিূচ হাতে নিয়েছেন। ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসে তিনি বয়স্কভাতা কর্মসূচি প্রবর্তন করেন। আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস-২০২০ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) এক ভার্চ্যুয়াল আলোচনা সভায় যোগ দিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ জয়নুল বারীর সভাপতিত্বে ভার্চ্যুয়াল আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মো. আশরাফ আলী খান খসরু ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সম্পর্কীত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি রাশেদ খান মেনন। সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, আজকের যারা প্রবীণ তারাই দেশ গঠনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। তাদের অবদানকে অস্বীকার করার উপায় নেই। আজকের প্রবীণরাই মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে যুদ্ধ করে দেশকে স্বাধীন করেছেন। প্রবীণদের সম্মানজনক জীবনযাপন নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় প্রণীত বাবা-মার ভরণপোষণ আইন ২০১৩ ও জাতীয় প্রবীণ নীতিমালা ২০১৩ বাস্তবায়িত হচ্ছে। নুরুজ্জামান আহমেদ বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা পর দীর্ঘ ২১ বছর যারা দেশ পরিচালনা করেছেন তারা দেশকে পেছনের দিকে নিয়ে গেছেন। ১৯৮১ সালে নির্বাসন থেকে দেশে ফিরে এসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নকে সার্থক করার জন্য অদ্যবধি কাজ করছেন। দেশ পরিচালনার দায়িত্বভার নিয়ে সব ক্ষেত্রে সফলতা নিয়ে এসেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে করোনা মহামারি মোকাবিলা করছে। করোনাকালে প্রবীণদের স্বাস্থ্যের দিকে সবাইকে যত্নশীল হতে হবে। পর্যায়ক্রমে দেশের সব প্রবীণ নাগরিককে ভাতার আওতায় আনা হবে। আলোচনা সভায় জানানো হয়, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় পর্যায়ক্রমে প্রবীণদের জন্য আয় সৃষ্টিকারী কার্যক্রম গ্রহণ, তৃণমূল পর্যায়ে প্রবীণদের জেরিয়াট্রিক স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ এবং হাসপাতাল নির্মাণ করবে। এরইমধ্যে দেশের আটটি বিভাগে প্রবীণদের জন্য প্রবীণ নিবাস নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় সরকারি শিশু পরিবারে ২৫ জন করে অসহায় প্রবীণদের আবাসন ব্যবস্থা করা হবে।
শেখ হাসিনা উন্নয়নের ম্যাজিশিয়ান: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
০১অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উন্নয়নের ম্যাজিশিয়ান। তিনি তলাবিহীন ঝুঁড়ির বাংলাদেশকে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসায় উন্নত বাংলাদেশে পরিণত করেছেন। বৃহস্পতিবার (০১ অক্টোবর) রাজধানীর ফার্মগেটে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৪তম জন্মদিন উপলক্ষে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন মন্ত্রী। সভার শুরুতে শেখ হাসিনার জীবন ও কর্ম নিয়ে একটি প্রাম্যাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয় এবং শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের জন্য দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, সমকালীন বিশ্বে শেখ হাসিনার ক্ষমতায় থাকা আমল একটা স্বর্ণালি অধ্যায়। এ অধ্যায় কেউ কোনদিন স্পর্শ করতে পারবে না। বাঙালি জাতির পরিত্রাণদাত্রী শেখ হাসিনা। তিনি শাসক হিসেবে আদর্শ, রাজনীতিক হিসেবে আদর্শ। আওয়ামী লীগের সভানেত্রী এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পরিচয় অতিক্রম করে তিনি অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে গেছেন। শেখ হাসিনার আমল ইতিহাসের অনন্য অধ্যায় হিসেবে সূচিত। শ ম রেজাউল করিম বলেন, এ দেশটা অপরাধীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছিল। একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধীদের সুরক্ষা দেওয়া হয়েছিল এ দেশে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশে আবার পূর্ব পাকিস্তান কায়েম করা হয়েছিল। শেখ হাসিনা ফিরে এসে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করে মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশকে ফিরিয়ে এনেছেন। কলঙ্কিত অধ্যায়ের অবসান ঘটিয়ে বাংলাদেশকে আজ উন্নত, সমৃদ্ধ বাংলাদেশের কাতারে নিয়ে এসেছেন। বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড, জেলখানায় জাতীয় চার নেতা হত্যা, বিডিআর হত্যাকাণ্ড, বিশ্বজিৎ হত্যাকাণ্ডসহ বিভিন্ন হত্যাকাণ্ডের বিচারের মাধ্যমে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করেছেন। গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করে তিনি প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছেন। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান কাজী হাসান আহমেদ, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. আবদুল জব্বার শিকদার, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস আফরোজ, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. নাথু রাম সরকার ও মেরিন ফিশারিজ একাডেমির অধ্যক্ষ ক্যাপ্টেন এম এইচ আহমেদ আলোচনায় অংশ নেন। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শাহ্ মো. ইমদাদুল হক, সুবল বোস মনি, শ্যামল চন্দ্র কর্মকার ও মো. তৌফিকুল আরিফসহ মন্ত্রণালয় ও আওতাধীন দপ্তর-সংস্থার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
দেশে কৃষির বিপ্লব ঘটিয়েছেন শেখ হাসিনা: শিল্পমন্ত্রী
০১অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন বলেছেন, কৃষিকে প্রাধান্য দিয়ে উন্নয়ন ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছি আমরা। আমাদের কৃষি নির্ভরশীল এই দেশে কৃষির বিপ্লব ঘটিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে জেলার বোদা উপজেলায় নবনির্মিত সারের বাফার গুদাম উদ্বোধন শেষে তিনি এ কথা বলেন। শিল্পমন্ত্রী বলেন, যেখানে সারের জন্য এদেশের কৃষকদের প্রাণ দিতে হয়েছিল সেটা আপনারা নিশ্চয় জানেন। সেই কৃষিকে প্রাধান্য দিয়ে এই করোনাকালীন সময়ে সারাদেশে উন্নয়ন ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে করোনাকালীন সময়ে জীবন-জীবিকার যুদ্ধে আমরা যাত্রা শুরু করে ছিলাম। সেখানে সহকর্মীসহ সবাই আমরা এই যুদ্ধ অতিক্রম করেছি। পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক (ডিসি) ড. সাবিনা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, রেলমন্ত্রী অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম সুজন, পঞ্চগড়-১ আসনের সংসদ সদস্য মজাহারুল হক প্রধান, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আনোয়ার সাদাত সম্রাট, বিসিআইসি চেয়ারময়ান মোস্তাফিজুর রহমান, পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ ইউসুফ আলী প্রমুখ। জানা যায়, সার সংরক্ষণ ও বিতরণের সুবিধার জন্য দেশের বিভিন্ন জেলায় ১৩টি নতুন বাফার গুদাম নির্মাণ প্রকল্পের ঘোষণা দেয় সরকার। দেশের ১৩টি সারের বাফার গুদামের মধ্যে পঞ্চগড়ে সাড়ে ২৭ কোটি টাকা ব্যয়ে সারের গুদামের কাজ প্রথমে শেষ হওয়ায় পঞ্চগরের সারের বাফার গুদামের শুভ উদ্বোধন করা হয় আর এই গুদামের উদ্বোধনের মধ্যে দিয়ে ১৩টি গুদামের সূচনা হলো।
বৃহস্পতিবার ৪শ জনকে টিকিট দিচ্ছে সৌদি এয়ারলাইন্স
০১অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইন্স বৃহস্পতিবার (অক্টোবর ০১) ৪০০ জনকে টিকিট দেবে। যারা রিটার্ন টিকিট করে দেশে এসে মহামারি করোনায় আটকা পড়েছেন, তারাই এই টিকিট পাচ্ছেন। এ দিন এয়ারলাইন্স কর্মকর্তারা নিউজ একাত্তরকে জানান, এ-১ থেকে এ-২০০ ও বি-১ থেকে বি-২০০ এই ৪০০ প্রবাসী যাত্রী বৃহস্পতিবার সৌদি ফিরে যাওয়ার টিকিট পাবেন। এই টোকেনধারীরা লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছেন। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টায় টিকিট বিক্রি শুরু হবে। এদিকে অন্যদিনের তুলনায় বৃহস্পতিবারও রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে এয়ারলাইন্স কার্যালয়ে দীর্ঘ ভিড় দেখা গেছে। অনেকেই টোকেনের আশায় এসেছেন। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ৪ অক্টোবর পরবর্তী টোকেন বিতরণ করা হবে।
কুয়েতের আমিরের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
০১অক্টোবর,বৃহস্পতিবার,নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজ একাত্তর ডট কম: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কুয়েতের আমির শেখ সাবাহ আল-আহমদ আল-জাবের আল-সাবাহর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। বুধবার এক শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের জনগণ ও সরকার এবং আমার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে আমি কুয়েতের আমির শেখ সাবাহ আল-আহমদ আল-জাবের আল-সাবাহর মৃত্যু সংবাদ জানতে পেরে গভীরভাবে শোকাহত হয়েছি। শেখ হাসিনা কুয়েতের ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা এবং মরহুমের পরিবারের শোকসন্তপ্ত সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সহানুভূতি প্রকাশ করেন। প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, আবেগাক্রান্ত ও শোকবিহ্বল হওয়া সত্ত্বেও তিনি সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের প্রাথমিক দিনগুলোতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও কুয়েতের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রয়াত আমিরের মধ্যে আস্থা ও ভ্রাতৃত্বের ভিত্তিতে সম্পর্কের কথা অতীব অনুরাগের সাথে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, তাঁর চমৎকার আলোচনার দক্ষতা এবং সর্বজনীন গ্রহণযোগ্যতার কারণে জাতির পিতা একটি সার্বভৌম স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে বিশেষত মুসলিম উম্মাহর কাছ থেকে বাংলাদেশের পক্ষে স্বীকৃতি অর্জন করতে সক্ষম হন। শেখ হাসিনা বলেন, কুয়েতে বাংলাদেশী প্রবাসীদের কল্যাণে আমি তাঁর অবদান গভীর কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করি। প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের মানুষ তার নেতৃত্ব এবং উপসাগরীয় সহযোগিতা কাউন্সিল গঠন ও এ অঞ্চল এবং এর বাইরেও শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে তাঁর অবদানকে গভীরভাবে মূল্যবান করে উল্লেখ করে আরো বলেন, তার এ অবদান ইতিহাসে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে স্মরণীয় থাকবে। তিনি বলেন, আমরা কুয়েত এবং এর জনগণের জন্য তাঁর আত্মনিবেদিত সেবার কথা স্মরণ করি। প্রধানমন্ত্রী মরহুম আমিরের বিদেহী আত্মার শাশ্বত শান্তি ও জান্নাতে তাঁর উচ্চতম স্থানের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করেন। তিনি বলেন, সর্বশক্তিমান আল্লাহ আমিরের সম্মানিত পরিবারের শোকাহত সদস্য এবং কুয়েতের ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণকে এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার জন্য সাহস ও শক্তি দান করুন। শেখ সাবাহ মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে (বাংলাদেশ সময়) যুক্তরাষ্ট্রের একটি হাসপাতালে মারা যান।- বাসস

জাতীয় পাতার আরো খবর